NOOR E DEEN

NOOR E DEEN �আর জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদত করবে। - সূরা যারিয়াত, আয়াত-৫৬

We should always pray for our parents.
19/12/2021

We should always pray for our parents.

Prophet Muhammad (Sm) said : “One person will get the highest place in Jannah” Then the person will ask : “how did I come here ?

And it will be said to Him : “you’re forgiven for your children’s prayers.”❤️

Subhan'Allah...🥺❤️❤️

- (Source: Musnad Ahmad 10232)

মহান আল্লাহ তা'আলা ই যথেষ্ট। ✨❤️
07/12/2021

মহান আল্লাহ তা'আলা ই যথেষ্ট। ✨❤️

প্রতিটা কষ্টের সাথে কিছু নিয়ামতও থাকে। যেমন আল্লাহ বলেছেন إِنَّ مَعَ ٱلْعُسْرِ يُسْرًا  - এখানে مع দিয়ে সাথে বুঝিয়েছেন। ...
04/11/2021

প্রতিটা কষ্টের সাথে কিছু নিয়ামতও থাকে। যেমন আল্লাহ বলেছেন إِنَّ مَعَ ٱلْعُسْرِ يُسْرًا - এখানে مع দিয়ে সাথে বুঝিয়েছেন। অর্থাৎ কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি বা সুখ।

সেই নিয়ামতগুলো সবাই বুঝতে পারে না। কষ্টের হতাশায় সে হাহাকার দেখে চারপাশে। শয়তান তার ব্যথিত দিল আরও ভারাক্রান্ত করে দেয়। সে শুধু তার কষ্টগুলোই দেখে আর সেসব ভাবতে থাকে।

সবরকারী অন্তরগুলো কিন্তু ঠিকই সেই লুকানো নিয়ামতগুলো খুঁজে নেয়। তখন হাজার কষ্ট আর পরীক্ষাগুলো তার অন্তর প্রশস্ত করে, রবের প্রতি মুহব্বত বাড়ায় ও সম্পর্ক গভীর করে দেয়।

সবর অনেক বড় একটা নিয়ামত। মাঝে মাঝে তো মনে হয় সবর বলে যদি কিছু না থাকত তবে মানুষ সুখ কী জিনিস কিংবা অল্পে তুষ্ট বলতে কী বোঝায় তাই-ই জানত না।

©Zainab Al-Gazi
কার্টেসি: Reminder

আপনি কি জানেন কোন ঘটনা দেখে আল্লাহ তা'আলা হেসেছিলেন?? .. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূল সাল্...
01/11/2021

আপনি কি জানেন কোন ঘটনা দেখে আল্লাহ তা'আলা হেসেছিলেন?? ..
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, আমি খুব ক্ষুধার্ত। তখন তিনি তাঁর সহধর্মিণীদের নিকট পাঠালেন; কিন্তু তাঁরা জানালেন, আমাদের নিকট পানি ছাড়া কিছুই নেই। এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,
কে আছ যে এই ব্যক্তিকে মেহমান হিসেবে নিয়ে নিজের সাথে খাওয়াতে পার? তখন এক আনসারী সাহাবী [আবূ ত্বলহা (রাঃ)] বললেন, আমি। এ বলে তিনি মেহমানকে নিয়ে গেলেন এবং স্ত্রীকে বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মেহমানকে সম্মান কর। স্ত্রী বললেন, বাচ্চাদের খাবার ছাড়া আমাদের ঘরে অন্য কিছুই নেই। আনসারী বললেন, তুমি আহার প্রস্তুত কর এবং বাতি জ্বালাও এবং বাচ্চারা খাবার চাইলে তাদেরকে ঘুম পাড়িয়ে দাও। সে বাতি জ্বালালো, বাচ্চাদেরকে ঘুম পাড়াল এবং সামান্য খাবার যা তৈরি ছিল তা উপস্থিত করল। বাতি ঠিক করার বাহানা করে স্ত্রী উঠে গিয়ে বাতিটি নিভিয়ে দিলেন। তারপর তারা স্বামী-স্ত্রী দু’জনই অন্ধকারের মধ্যে আহার করার মত শব্দ করতে লাগলেন এবং মেহমানকে বুঝাতে লাগলেন যে, তারাও সঙ্গে খাচ্ছেন। তাঁরা উভয়েই সারা রাত অভুক্ত অবস্থায় কাটালেন। ভোরে যখন তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলেন, তখন তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ্ তোমাদের গত রাতের কান্ড দেখে হেসে দিয়েছেন অথবা বলেছেন খুশী হয়েছেন এবং এ আয়াত নাযিল করেছেন।
‘‘তারা অভাবগ্রস্ত সত্ত্বেও নিজেদের উপর অন্যদেরকে অগ্রগণ্য করে থাকে। আর যাদেরকে অন্তরের কৃপণতা হতে মুক্ত রাখা হয়েছে, তারাই সফলতাপ্রাপ্ত।’’ (আল-হাশর ৯)
(বুখারী হা/৩৭৯৮,৪৮৮৯,মুসলিম: ২০৫৪)
আনসারগণের গুণ হচ্ছে, আনসারগণ নিজেদের উপর মুহাজিরগণকে অগ্ৰাধিকার দিতেন। নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর আগে তাদের প্রয়োজন মেটাতেন; যদিও নিজের অভাবগ্ৰস্ত ও দারিদ্রপীড়িত ছিলেন। এটাই মূলত: উত্তম সাদাকাহ।
“আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রসূল! কোন ধরনের দান অতি উত্তম? তিনি বললেনঃ সামান্য সম্পদের মালিক নিজ সামর্থ্যানুযায়ী যা দান করে এবং নিজের পোষ্যদের থেকেই দান করা আরম্ভ করো।[” [আবু দাউদ: ১৬৭৭]
উম্মু বুজাইদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বাই‘আত গ্রহণকারিণীদের একজন। তিনি তাঁকে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ আপনার প্রতি অনুগ্রহ করুন। মিসকিন আমার দরজায় এসে দাঁড়ায়, কিন্তু তাকে দেয়ার মতো কিছুই আমি পাই না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ তাকে দেয়ার মতো কিছু না পেলে অন্তত রান্না করা পশুর একখানা পায়া হলেও তার হাতে তুলে দাও।[আবু দাউদ: ১৬৬৭]
যে সম্পদের প্রয়োজন তার নিজের খুব বেশী তা থেকে দান করতে সক্ষম হওয়া খুব উঁচু মনের অধিকারী ব্যক্তি ব্যতীত আর কারও পক্ষে সম্ভব হয় না। অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, “তারা খাবারের মহব্বত থাকা সত্বেও তা অন্যদের খাওয়ায়”। [সূরা আল-ইনসান: ৮] অন্যত্র আল্লাহ্ আরো বলেছেন, “আর সম্পদের প্রতি মহব্বত থাকা সত্ত্বেও তা দান করা”। সূরা আল-বাকারাহ: ১৭৭]
সুতরাং দান বা সাদাকাহ করার সর্বোচ্চ পর্যায় হচ্ছে, নিজের প্রয়োজন থাকা সত্বেও নিজের প্রয়োজনের উপর অন্যের প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে তা দান বা সাদাকাহ করা। আনসারগণ ঠিক এ কাজটিই করতেন।
আল্লাহ আমাদেরকে যে কোন অবস্থায় দান করার তাওফিক দান করুক। আমিন।

"বান্দার প্রাণ ওষ্ঠাগত (বের হয়ে যাওয়ার উপক্রম) না হওয়া পর্যন্ত অবশ্যই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তার তাওবাহ্ কবুল করেন।"...
21/10/2021

"বান্দার প্রাণ ওষ্ঠাগত (বের হয়ে যাওয়ার উপক্রম) না হওয়া পর্যন্ত অবশ্যই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তার তাওবাহ্ কবুল করেন।" [তিরমিযী ৩৫৩৭ ]।

চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী, মহাপবিত্র, সর্বজ্ঞানী ও সর্বশ্রোতা, সীমাহীন অনুগ্রহকারী মহান রব বলেছেন _

"আমার বান্দাদের জানিয়ে দাও, আমি বড়ই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু"। [সূরা হিজর : ৪৯ ]।

"নিশ্চয়ই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তাদেরকে ভালবাসেন যারা তাঁর কাছে তাওবা করে এবং তিঁনি তাদেরকে ভালবাসেন যারা নিজেদেরকে পবিত্র করে।" [সূরা বাক্বারা: ২২২]।

"তবে কি তাঁরা আল্লাহর কাছে তাওবা করবে না (ফিরে আসবে না), তাঁর কাছে ইস্তিগফার করবে না (ক্ষমাপ্রার্থনা করবে না)?! আল্লাহ তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। " [ সূরা মায়িদা: ৭৪]।

~রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম~
"আমার অন্তরে কখনো কখনো অলসতা দেখা দেয়, তাই আমি দৈনিক ১০০ বার আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকি।" [সহীহ মুসলিম: ৬৭৫১]।

~হাসান আল- বসরি রাহিমাহুল্লাহ ~
“তোমার জীবনে ইস্তিগফারের পরিমান বৃদ্ধি করো, কারন তুমি জানো না, কোন দিকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার রহমত তোমার উপর অবতীর্ণ হবে।”

আসুন দেখে নেই ইস্তিগফার আমাদের জীবনে কি কি পরিবর্তন আনতে পারেঃ

★ইস্তেগফারের বিশেষ কিছু ফযীলত:

১.গুনাহকে মুছে ফেলে ও বান্দার মর্যাদা উন্নীত করে।

২. যেকোনো বিপদ-আপদ, সংকট দূর হয়।

৩. রিজিক প্রশস্ত হয়।

৪. পরিবারে শান্তি আসে।

৫. ঈমানি শক্তি বৃদ্ধি পায়।

৬.অন্তর স্বচ্ছ ও নির্মল হয়।

৭. আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হয়।

৮. চিন্তা-পেরেশানি দূর হয়।

আপনার জীবনে যদি উপরের সমস্যা গুলোর অন্তত যেকোন একটি সমস্যা বিদ্যমান থাকে তাহলে ইস্তিগফারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন।আপনার লাইফের চেইঞ্জ আপনি নিজেই উপলব্ধি করতে পারবেন ইন-শা~আল্লাহ।

~রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন ~
"যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তিগফার করবে, আল্লাহ তার সব সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন; সব দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিযিকের ব্যবস্থা করে দেবেন।" [আবূ দাউদ:১৫২০]।

"শয়তান (আল্লাহ তা‘আলার কাছে) বলল, হে মহান প্রতিপালক, তোমার ইজ্জতের কসম! আমি তোমার বান্দাদেরকে প্রতিনিয়ত গুমরাহ করতে থাকব, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের দেহে রূহ থাকবে। তখন আল্লাহ তা‘আলা বললেন, আমার ইজ্জত, আমার মর্যাদা ও আমার সুউচ্চ অবস্থানের কসম! আমার বান্দা আমার কাছে যতক্ষণ পর্যন্ত ক্ষমা চাইতে থাকবে, আমি সর্বদা তাদেরকে ক্ষমা করতে থাকব।" [সহীহ আত্ তারগীব ১৬১৭ ]। সুবহানাল্লাহ!

নিজ আমলনামা দেখে কি হাসতে চান? তাহলে শুনুন _

‘‘যে ব্যক্তি নিজ আমলনামা দেখে খুশি হতে চায়, সে যেন বেশি করে ইস্তেগফার করে।’’ [সিলসিলা সহিহাহ: ২২৯৯]।
"সুসংবাদ তার জন্য, যে তার আমলনামায় অনেক বেশি ইস্তিগফার পেয়েছে। " [সহিহুল জামি': ৩৯৩০]।

বি:দ্রঃ নিজে আমল করার পাশাপাশি অপরকেও আমলের সুযোগ করে দিন, সাওয়াবের ভাগিধার হোন।

#ইস্তিগফার_সাফল্যের_চাবিকাঠি

#তালিমুন_নিসা

13/10/2021

আসছে হিন্দুদের পূজা: মুসলিম ভাই-বোনেরা জরুরী কিছু বিষয় জেনে নিনঃ

১) কিছুতেই হিন্দুদের পূজার মণ্ডপে যাবেন না। কারণ পূজার মণ্ডপে যাওয়া সম্পর্ণ হারাম ও ঈমান নষ্ট হওয়ার কারণ। মুশরিকরা চাইবে তাদের অনুষ্ঠানে আপনাকে নিয়ে যেতে। কিন্তু আপনি যাবেন না। মনে রাখবেন- ঐ সকল মুশরিকি মূর্তি দেখিয়ে আপনার ঈমান নষ্ট করা তার উদ্দেশ্য। এ সম্পর্কে কুরআন পাকে বলা আছে- “কাফিররা কখনই আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না, যে পর্যন্ত না আপনি তাদের ধর্মের অনুসরণ করেন।” [সুরা বাকারাহ :১২০]

২) পূজার মিষ্টি খাওয়া হারাম, কারণ কুরআন শরীফে বর্ণিত মুশরিকরা হচ্ছে নাপাক (সূরা তাওবাহ:২৮)। হিন্দুরা তাদের মিষ্টিকে কথিত দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করে। দেব-দেবীর নামে উৎসর্গকৃত মিষ্টান্ন খেলে মুসলমানরা ঈমান হারা হয়ে জাহান্নামি হয়ে যাবে। এছাড়া হিন্দুরাদের কথিত প্রসাদের সাথে গোবর-চনা মিশ্রিত করে, যা খাওয়া সম্পূর্ণ হারাম।

৩) পূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানো সম্পূর্ন হারাম। কারণ শুভেচ্ছা জানালে তার মুশরিকি কর্মকাণ্ডকে সমর্থন জানানো হয়, অর্থাৎ শিরক হয়। মনে রাখবেন মহান আল্লাহ তায়ালা সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করেন, কিন্তু শিরকের গুনাহ ক্ষমা করেন না।

৪) পূজা উপলক্ষে অফার গ্রহণ করা, সুবিধা নেয়া, দাওয়াত খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এতেও মুশরিকি পূজায় অংশগ্রহণ তথা শিরকী গুনাহ হয়।

৫) পূজার যেকোন কাজকে সমর্থন জানানো শিরক। অনেক মুসলিম নামধারী আছে যারা অসাম্প্রদায়িকতার নামে পূজার বিভিন্ন কাজকে সমর্থন করে। যেমন- পূজায় ছুটি দিতে হবে, পূজায় মণ্ডপে যেতে হবে, পূজার প্রসাদ খেতে হবে, পূজায় শুভেচ্ছা দিতে হবে। ইত্যাদি। অনেক মুসলমান পূজায় আর্থিক অনুদানও দেয়। যারা এ ধরনের কাজ করে, তারা যখন কবরে যাবে তখন ফিরিশতারা জিজ্ঞেস করবে- তোমার দ্বীন কি ?” তখন যেন সে উত্তর দেয়- “আমি অসাম্প্রদায়িক। আমার কোন দ্বীন নেই ।” নাউযুবিল্লাহ।

মুসলমানদের অনেকেই বলেন- “আমাদের নবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাফিরদেরকে অধিকার দিয়েছেন, আমাদেরকেও দিতে হবে।”। যারা এ ধরনের বক্তব্য দেয়, তাদের বলতে হয়-আমাদের নবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবশ্যই ইনসাফের কাজ করেছেন। তবে তিনি তো মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছেন, তাদের ৩৬০টি মূর্তি ভেঙ্গেছেন, মুশরিকদের কে জাজিরাতুল আবর থেকে বের করে দিতে বলেছেন, তবে আপনিও সেটা করেন। এক অংশ করবেন, অন্য অংশ বাদ দিবেন কেন ?? আসলে বাংলাদেশে হিন্দু মুশরেকদের কাজে কেউ বাধা দিচ্ছে না, বরং মুসলমানরা যেন হিন্দুদের মুশরিকি কাজে অংশগ্রহণ না করে সেটাই বলা হচ্ছে। এটাই নবীজির শিক্ষা। এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআন পাকে বলা হচ্ছে- “হে ঈমানদারগণ! তোমরা কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে।” (সূরা মায়িদা: ৫১)

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে হিন্দুদের মুশরিকি কর্মকাণ্ড থেকে হেফাজত করুন। আমিন।
Copied.

মুনাফিক নারী-পুরুষ একে অপরের কাছ থেকে, তারা (মানুষকে) আল-মুনকার (অর্থাৎ অবিশ্বাস ও বহুবিশ্বাস এবং ইসলাম যা নিষিদ্ধ করেছে...
10/10/2021

মুনাফিক নারী-পুরুষ একে অপরের কাছ থেকে, তারা (মানুষকে) আল-মুনকার (অর্থাৎ অবিশ্বাস ও বহুবিশ্বাস এবং ইসলাম যা নিষিদ্ধ করেছে তার সকলকে) নির্দেশ দেয় এবং (মানুষকে) আল-মা'রুফ থেকে নিষেধ করে ( অর্থাৎ ইসলামী একেশ্বরবাদ এবং ইসলাম যা করতে আদেশ দেয় সবই, এবং তারা তাদের হাত বন্ধ করে দেয় (আল্লাহর পথে ব্যয় করা থেকে) যাকাত ইত্যাদি। তারা আল্লাহকে ভুলে গেছে, তাই তিনি তাদের ভুলে গেছেন। নিশ্চয় মুনাফিকরা ফাসিকুন (বিদ্রোহী, আল্লার অবাধ্য)

~সূরা আত-তাওবাহ্‌, (আরবি: سورة التوبة‎‎, "অনুশোচনা"), যা সূরা বার'আহ বা বার'আত (প্রত্যাখ্যান) নামেও পরিচিত। আল কুরআনের নবম সূরা এটি। এই সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এর আয়াত সংখ্যা ১২৯ টি। আরবি তওবা অর্থ ক্ষমা। একে সূরা তওবা বলা হয়, কারণ এতে মুসলমানদের তওবা কবুল হওয়ার বর্ণনা রয়েছে।

যে বন্ধু কিংবা বান্ধবী আপনার পর্দা/বেপর্দা ছবিতে লাভ রিয়েক্ট দেয়, মুখরোচক কমেন্ট করে সে আপনাকে ভালোবাসে না। ওয়াল্লাহি সে...
11/09/2021

যে বন্ধু কিংবা বান্ধবী আপনার পর্দা/বেপর্দা ছবিতে লাভ রিয়েক্ট দেয়, মুখরোচক কমেন্ট করে সে আপনাকে ভালোবাসে না। ওয়াল্লাহি সে আপনাকে ভালোবাসে না। বিশ্বাস না হলে লিখে রাখুন, আল্লাহ না করুন যদি না শোধরান তাহলে একটা সময় বুঝতে পারবেন কিন্তু তখন হাতে কোন সময় থাকবে না।

যে আপনার প্রকৃত বন্ধু সে কখনও চাইবে না আপনি বেপর্দা হয়ে ঘুরাফেরা করেন। সে কখনও চাইবে না আপনি ব্যভিচারীনী হয়ে জীবন যাপন করেন।

যে বন্ধু আপনার নাচ গানের প্রশংসা করে সে আপনাকে ভালোবাসে না। ইসলামে নাচ, গান এবং সকল প্রকার বাদ্য-বাজনা নিষিদ্ধ।

যে বন্ধুটা আপনাকে কথায় কথায় গালি দেয় সে বন্ধু আপনাকে ভালোবাসে না। অশ্লীল বাক্য শয়তানের বুলি, শয়তানের ভাষায় সে আপনাকে কেমন ভালোবাসে?

আজকে আড্ডার নামে যে ফ্রি মিক্সিংকে একদম তোয়াক্কা করছেন না কেয়ামতের ময়দানে এরজন্য আফসোসের সীমা থাকবে না।

একজন ভালো বন্ধু যেমন আপনাকে জান্নাতে নিয়ে যেতে পারে তেমনি আপনাকে জাহান্নাম পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য একজন গাফেল বন্ধুই যথেষ্ট।

হায় দুর্ভোগ আমার! আমি যদি অমুককে বন্ধু রূপে গ্রহণ না করতাম!
হায় দুর্ভোগ আমার! আমি যদি অমুককে বন্ধু রূপে গ্রহণ না করতাম!
(সুরা ফুরকান, আয়াত ২৭-২৮)

শেষ বিচারের দিন মানুষের বন্ধু নিয়ে আফসোসের সীমা থাকবে না। কারণ দুনিয়াতে যে বন্ধু আপনার গোনাহের কাজে উৎসাহ দিত শেষ বিচারের দিন সেই বন্ধুই আপনার সকল পাপের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিবে।

দুনিয়ার দুনিয়াবি বন্ধুরা তখন একে অন্যের শত্রু হয়ে যাবে। তখন মানুষ আফসোস করবে আমি যদি অমুককে বন্ধু রূপে গ্রহণ না করতাম।

হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজ পিতা ও ভাইদের অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যদি তারা ঈমান অপেক্ষা কুফরকে ভালোবাসে।’ (সুরা : তাওবা, আয়াত : ২৩)।

যেখানে ইসলাম বিরোধী কাজ করলে নিজের পিতা ও ভাইদের থেকেও দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়েছে সেখানে অন্য বন্ধু তো অনেক দূরের ব্যপার।

ইমাম গাজ্জালি (রহ.) কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে হলে তিনটি গুণের দিকে লক্ষ রাখার কথা বলেছেন—১. নেককার ও পুণ্যবান, ২. চরিত্রবান, ৩. জ্ঞানী ও বিচক্ষণ।

নেককার বন্ধু হল দুনিয়া আর আখেরাতের মূল্যবান সম্পদ। অপরদিকে বদকার বন্ধু হল দুনিয়া আর আখেরাতের জন্য অভিশাপ স্বরূপ।

যে বন্ধু আপনাকে হাসিচ্ছলেও মিথ্যা বলতে প্ররোচিত করে সে আপনার প্রকৃত বন্ধু নয়।

‘তোমাদের বন্ধু তো আল্লাহ ও তাঁর রাসুল এবং মুমিনগণ—যারা নামাজ কায়েম করে, জাকাত দেয় এবং বিনম্র।’ (সুরা : মায়িদা, আয়াত : ৫৫)

এ আয়াতে দ্বারা বুঝা যায় বেনামাজিদেরকেও বন্ধু হিসাবে নিতে মানা আছে। একজন বেনামাজি
আপনাকে আল্লাহর রাস্তা থেকে দূরে সরিয়ে দিবে।

আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী ﷺ বলেছেনঃ মু’মিন ব্যক্তি ছাড়া আর কারো সাথী হবে না।
(দাউদ শরীফ ৪৭৫৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী করীম ﷺ বলেছেনঃ ব্যক্তি তাঁর বন্ধুর দীনের অনুসারী হয়। কাজেই, তোমাদের দেখা উচিত, কার সাথে বন্ধুত্ব করছো।
(আবু দাউদ শরীফ ৪৭৫৮)

আপনার বন্ধু যদি গোনাহের দিকে ঝুঁকে থাকে তাহলে আপনিও তার সাথে সাথে গোনাহের দিকে ঝুঁকে যাবেন। আপনার বন্ধু যদি নেককার হয়ে তখন তার সংস্পর্শে আপনিও নিজেকে বিশুদ্ধ করার কাজে লেগে যাবেন।

উসমান ইবনে হাকিম বলেন, তাদের সাথে বন্ধুর কর যাদের দ্বীনদারি তোমার চেয়ে বেশি এবং দুনিয়াদারি তোমার চেয়ে কম।

আপনার কি আছে এমন বন্ধু যে জান্নাতে গিয়ে আপনাকে খোঁজবে? যার আপনি ছাড়া জান্নাতের অফুরন্ত নেয়ামতের মাঝেও শূন্য শূন্য লাগবে?

নাকি আপনার চারপাশে জাহান্নামি চালচলনের বন্ধু দিয়ে ভরা?

কে জান্নাতে যাবে আর কে জাহান্নামে যাবে তা আল্লাহ পাকই ভালো জানেন। কিন্তু জান্নাতি আর জাহান্নামিদের কিছু বৈশিষ্ট্য বলে দেয়া আছে। আমরা আমাদের মাঝে জাহান্নামি চালচলনই বা রাখব কেন?

জীবন আপনার, সিদ্ধান্ত আপনার। সিদ্ধান্ত নিন আপনি কেমন বন্ধু চান, যে আপনাকে নেক কাজে সহায়তা করবে নাকি যে হাত ধরে আপনাকে জাহান্নামের দরজায় পৌঁছে দিবে।
Collected❤️

বেদনার ভারে আপনি যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েন, দুঃখের প্লাবনে যখন আপনি দুমড়েমুচড়ে যান, যখন নীরবে-নিভৃতে দু' ফোঁটা অশ্রু আপনার চো...
10/09/2021

বেদনার ভারে আপনি যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েন, দুঃখের প্লাবনে যখন আপনি দুমড়েমুচড়ে যান, যখন নীরবে-নিভৃতে দু' ফোঁটা অশ্রু আপনার চোখ থেকে ঝরে পড়ে— নিশ্চিত থাকুন, সেই গভীর বনাঞ্চলের সুগভীর কোণে জন্ম নেওয়া সেই নাম না-জানা উদ্ভিদ, যার পাতা-ঝরার ব্যাপারে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা বেখেয়াল নন, তিনি আপনার অশ্রু-ঝরার ব্যাপারেও সম্যক অবগত। তিনি আপনার দুঃখগুলো, যেগুলো আপনাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে, সেগুলো সম্পর্কেও জানেন।

হতাশ হবেন না। আপনার রবের পরিকল্পনায় আস্থা রাখুন।
-আরিফ আজাদ

His command is "Be" and it is.Al-Quran (2:117)
09/09/2021

His command is "Be" and it is.
Al-Quran (2:117)

এক চোর ইমাম নববি রাহিমাহুল্লাহর পাগড়ি ছিনতাই করে পালাচ্ছিলো। তাকে দেখে তিনিও তার পেছনে দৌড়াতে শুরু করলেন এবং বলতে লাগল...
07/09/2021

এক চোর ইমাম নববি রাহিমাহুল্লাহর পাগড়ি ছিনতাই করে পালাচ্ছিলো। তাকে দেখে তিনিও তার পেছনে দৌড়াতে শুরু করলেন এবং বলতে লাগলেন, ‘আমি তোমাকে এটির মালিক বানিয়ে দিলাম। তুমি বলো, আমি গ্রহণ করলাম।’ কিন্তু চোর উনার কথা বুঝতে পারলো না। [আল-মিনহালুল উযব, পৃষ্ঠা: ১১১]
ইমাম নববি (রাহিমাহুল্লাহ) চাচ্ছিলেন তাঁর এই পাগড়ি দান করে দিয়ে চোরকে তার এই অপরাধ থেকে মুক্ত করতে। তাই চোরের পেছনে ছুটে হাদিয়া গ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছিলেন।
ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘তোমার কারণে আল্লাহ তোমার কোনো মুসলিম ভাইকে শাস্তি দেবেন, এতে তোমার কী লাভ?’ [যাহাবি, সিয়ারু আলামিন নুবালা: ১১/২৬২]
মূলত ক্ষমা এবং আপস-নিষ্পত্তির মাধ্যমে আল্লাহর কাছে যে প্রতিদান পাওয়া যায়, তা ক্ষমা না করে ব্যক্তির কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের মাধ্যমে পাওয়া যায় না। তাই, অগ্রাধিকারের বিষয়টি মাথায় রাখবেন।

্রত্যাবর্তন
পেইজঃ প্রত্যাবর্তন

07/09/2021

পবিত্র কুরআন মাজিদের বিভিন্ন সূরা ও আয়াতের ফজিলত সহীহ হাদীসের আলোকে:🌻

🔘সূরা ফাতিহা
🔘সূরা মূলক
🔘সূরা বাকারা শেষ দুই আয়াত
🔘আয়াতুল কুরসী
🔘সূরা আল-ক্বাহাফ
🔘সূরা ইখলাস,ফালাক,নাস

"উপরোক্ত সূরা এবং আয়াতের সংক্ষিপ্ত ফজিলত নিম্নে উপস্থাপন করা হলোঃ-

🔳ফজিলতঃ-০১
🔳সূরা ফাতিহা
🔳রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ-

'সূরা ফাতিহা' কে আল্লাহ তা'আলা তাঁর ও বান্দার
মাঝে ভাগ করে নিয়েছেন, বান্দা যখন নামাজে সূরা
ফাতিহা পাঠ করে প্রতিটি আয়াতের জবাব আল্লাহ তা'আলা নিজে জবাব দেন:

সুরা ফাতিহা রোগ সারায়।

🔳ফজিলতঃ-০২
🔳সূরা মূলক
🔳রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ-

'সূরা মুলক' তার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে এবং শেষ অবধি পাঠক কেহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে :

🔳ফজিলতঃ-০৩
🔳সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত
🔳রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ-

"যে ব্যক্তি রাতে 'সূরা বাকারা'র শেষ ২টি আয়াত পাঠ করবে ,তার জন্য ঐ রাতে অপ্রীতিকর জিনিসের মোকাবেলায় ঐ দুইটি আয়াতই যথেষ্ট হবে বা তাহাজ্জুদের সালাত থেকে যথেষ্ট হবে:

🔳ফজিলতঃ-০৪
🔳আয়াতুল কুরসী
🔳রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ-

"কুরআনের সবচেয়ে বড় মর্যাদাপূর্ণ আয়াত 'আয়াতুল কুরসী'

"যে ব্যক্তি ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রক্ষক নিযুক্ত করা হবে এবং সকাল পর্যন্ত তার কাছে শয়তান আসতে পারবে নাহ।

"যে ব্যক্তি প্রতি ফরয নামায শেষে আয়াতুল কুরসী পড়ে,তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া কোন কিছু বাধা হবে নাহ;

🔳ফজিলতঃ-০৫
🔳সূরা আল-ক্বাহাফ
🔳রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ-

"যে ব্যক্তি 'সূরা আল্-কাহাফ'-এর প্রথম ১০ আয়াত মুখস্ত করে সে দাজ্জালের ফিৎনা হতে নিরাপদ থাকবে,শেষ ১০ আয়াতের ব্যাপারেও উল্লিখিত ফজিলতের বর্ণনা রয়েছে।

"যে ব্যক্তি জুম’আর দিনে 'সূরা আল-কাহাফ' পাঠ করবে,তার জন্য মহান আল্লাহ্ দুই জুম’আর মাঝে নূর আলোকিত করবেন।

🔳ফজিলতঃ-০৬
🔳সূরা ইখলাস
🔳রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ-

'সূরা ইখলাস' কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল্য 'কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ' এর প্রতি ভালবাসা পাঠক কেহ জান্নাতে প্রবেশ করাবে।"

🔳ফজিলতঃ-০৭
🔳সূরা ইখলাস
🔳রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ-

"যে ব্যাক্তি সকাল-সন্ধ্যায় 'সুরা ইখলাস' সুরা ফালাক্ব এবং 'সুরা নাস' তিনবার করে পড়লো ঐ ব্যাক্তিকে যেকোন (ক্ষতিকর) জিনিস থেকে নিরাপত্তার জন্য এটা যথেষ্ট হবে।

🔘ফুটনোটঃ-
১)মুসলিম ৯০৪, মিশকাত ৮২৩, বুখারী ৫৭৩৬
২)আবু দাউদ১৪০০ , ইবনু মাজাহ ৩৭৮৬
৩)রিয়াযুস স্বলেহীন১০২৪ , বুখারী ৪০০৮
৪)বুখারী ২৩১১,সহীহ আল্ জামে ৬৪৬৪
৫)মুসলিম,আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসাঈ ও মুসনাদে আহমদ,ইমাম নাসাঈ ও বায়হাকী
৬)মুসলিম৮১২ , তিরমিযী ২৯০১
৭)তিরমিযী ৩৫৭৫,আবূ দাউদ ৫০৮২, নাসায়ী ৫৪২৮, ৫৪২৯

[Collected]

Address

Jahangirnagar

Telephone

+8801408759234

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NOOR E DEEN posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to NOOR E DEEN:

Share