সাহাপুর দাশপাড়া পূজা সংসদ

সাহাপুর দাশপাড়া পূজা সংসদ সনাতনী ধর্মাবলম্বী

23/01/2026

সাহাপুর দাশপাড়া পূজা সংসদ

সবাইকে সরস্বতী পুজার আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।🌿মায়ের কৃপায় সবার জীবনে সুশিক্ষা প্রতিষ্ঠিত হোক। জীবন থেকে অহংকার, কুসংস্...
23/01/2026

সবাইকে সরস্বতী পুজার আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।🌿
মায়ের কৃপায় সবার জীবনে সুশিক্ষা প্রতিষ্ঠিত হোক। জীবন থেকে অহংকার, কুসংস্কার, হিংসা দূর হোক। জীবনে বৈদিক জ্ঞান অর্জিত হোক।
সবাই আজকে মায়ের কাছে প্রার্থনা করুন, সমস্ত সনাতনীদের জীবন যেনো শ্রীমদভগবদগীতার জ্ঞানে আলোকিত করে দেন মা।
জয় মা সরস্বতী দেবীর জয়।🌿🌺

সরস্বতী পুজার সম্পূর্ণ পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র এখনি জেনে নিন, ভুল মন্ত্রে অঞ্জলি দিলে পুজা সম্পন্ন হবে না:-✸ সরস্বতী দেবীর পু...
23/01/2026

সরস্বতী পুজার সম্পূর্ণ পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র এখনি জেনে নিন, ভুল মন্ত্রে অঞ্জলি দিলে পুজা সম্পন্ন হবে না:-

✸ সরস্বতী দেবীর পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র ✸
============================

❝ ওঁ জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে।
বীণারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমহস্তুতে॥
এষ সচন্দন গন্ধপুষ্পাঞ্জলি ওঁম্‌ শ্রীশ্রীসরস্বতীদেব্যৈ নমঃ॥ ❞



❝ ওঁ সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে।
বিদ্যারূপে বিশালাক্ষি বিদ্যাং দেহি নমহস্তুতে॥
এষ সচন্দন গন্ধপুষ্পাঞ্জলি ওঁম্‌ শ্রীশ্রীসরস্বতীদেব্যৈ নমঃ॥ ❞

❝ ওঁ সা মে ভবতু জিহ্বায়াং বীণাপুস্তকধারিণী।
মুরারীবল্লভাং দেবী সর্ব শুক্লা সরস্বতী॥
এষ সচন্দন গন্ধপুষ্পাঞ্জলি ওঁম্‌ শ্রীশ্রীসরস্বতীদেব্যৈ নমঃ॥ ❞

❝ ওঁ সরস্বত্যৈ নমো নিত্যং ভদ্রকাল্যৈ নমো নমঃ।
বেদ-বেদাঙ্গ-বেদান্ত-বিদ্যাস্থানেভ্যঃ এব চ॥
এষ সচন্দন গন্ধপুষ্পাঞ্জলি ওঁম্‌ শ্রীশ্রীসরস্বতীদেব্যৈ নমঃ॥ ❞

✸ সরস্বতী দেবীর প্রার্থনা মন্ত্র ✸
============================

❝ ওঁ যথা ন দেবো ভগবান ব্রহ্মা লোকপিতমহঃ।
ত্বং পরিত্যজ্য সংতিষ্ঠেৎ তথাভব বরপ্রদ॥
ওঁ বেদা শাস্ত্রাণি সর্ব্বাণি নৃত্যগীতাদিকঞ্চযৎ।
না বিহীনা ত্বয়া দেবীর তথা মে সন্তু সিদ্ধয়ঃ॥
ওঁ লক্ষীর্মেধা ধারা তুষ্টি গৌরি পুষ্টিঃ প্রভা ধৃতি।
এতাভিঃ পাহি তনুভিরষ্টাভির্মাং সরস্বতী॥ ❞

✸ সরস্বতী দেবীর বন্দনা ✸
============================

নমঃ নমঃ সরস্বতী তুমি বীণাপাণি ।
বাকদেবী শ্বেতকায়া কত রূপে জানি ॥
হংস-বাহিনী মাতা কত শুনি নাম ।
তোমার চরণে মাগো করি যে প্রণাম ॥
বীণা-পুস্তক-ধারিনি , সুমতি দায়িনি ।
স্মরণ করি যে মাগো চরণ দু’খানি ॥
অজ্ঞান-আঁধারে তুমি আলো করো দান ।
তোমার কৃপায় মাগো হই জ্ঞানবান ॥
তুমি বিনা ত্রিভুবনে সবে জ্ঞান হীন ।
মানব-দানব-দেব তোমার অধীন ॥
সুর-লয়-তাল বোধ তোমার কৃপায় ।
স্বর্গ-মর্ত সুরাসুরে তব গুণ গায় ॥
সর্বভূতে জ্ঞান রূপে তুমি সংস্হিতা ।
আমার হৃদয়ে থাকো সদা বিরাজিতা ॥
তোমার আশীষ পেয়ে ধন্য হবো মাগো ।
জ্ঞানদায়ী মাতা তুমি হৃদয়েতে জাগো ॥

আমরা পুজা শেষে মায়ের কাছে কি আশির্বাদ চাইবো:-শুদ্ধভক্তগণও সরস্বতী পূজা করেন। কিন্তু মায়াবদ্ধ ও মায়ামুক্ত জীবের মধ্যে প...
23/01/2026

আমরা পুজা শেষে মায়ের কাছে কি আশির্বাদ চাইবো:-

শুদ্ধভক্তগণও সরস্বতী পূজা করেন। কিন্তু মায়াবদ্ধ ও মায়ামুক্ত জীবের মধ্যে পার্থক্য আছে বলে তাদের পূজায়ও পার্থক্য আছে। মায়াগ্রস্ত জীবের মায়িক বস্তুতে আসক্তি থাকে। যখন জীব মায়ার সেবায় প্রবৃত্ত হন, তখন তিনি কর্মী; আবার যখন মায়ার বিদ্যাবৃত্তির সেবায় রত হন, তখন তিনি জ্ঞানী। ঈশোপনিষদে ( শ্লোক-৯) বলা হয়েছে—

❝ অন্ধং তমঃ প্রবিশন্তি যেহবিদ্যামুপাসতে।
ততো ভূয় ইব তে তমো য উ বিদ্যায়াং রতাঃ॥ ❞

অর্থাৎ, “যারা অবিদ্যা অনুশীলন করে, তারা অজ্ঞানের ঘোর অন্ধকারময় লোকে প্রবেশ করে, যারা তথাকথিত বিদ্যা অনুশীলনে রত, তারা আরো ঘোরতর অন্ধকারময় স্থানে গতি লাভ করে।”

অর্থাৎ অবিদ্যা বা অজ্ঞানতা নিঃসন্দেহে বিপজ্জনক, তবে বিপথচালিত বা ভ্রান্ত বিদ্যা তার চেয়ে আরো ভয়ংকর। গণশিক্ষার ক্ষেত্রে বর্তমান সভ্যতা যথেষ্ট অগ্রগতি লাভ করেছে। কিন্তু জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে পারমার্থিক বিদ্যা বা পরা বিদ্যা। সেখান থেকে বিমুখ হয়ে জড়-জাগতিক উন্নতিতে অত্যধিক গুরুত্ব আরোপ করায়, মানুষ পূর্বাপেক্ষা আরো অধিক অসুখী হয়ে পড়ছে।

বিদ্যাবৃত্তি জড় আসক্তিকে বিনাশ করে, আর অবিদ্যাবৃত্তি জড় বিষয়ে আসক্তি বৃদ্ধি করে। জড় জগতের বন্ধনে আবদ্ধ জীবগণ অবিদ্যায় অবস্থিত। অবিদ্যার আবরণে তাদের প্রকৃত স্বরূপ আচ্ছাদিত। যারা মায়ামুক্ত, তাঁরা বিদ্যা ও অবিদ্যা উভয়ের স্বরূপ সম্যক প্রকারে অবগত আছেন। তারা নিজেদের ভগবানের দাস জ্ঞান করে ভগবানের সেবায় প্রবৃত্ত হন। মায়াবশীভূত জীবগণ সত্ত্ব, রজ ও তমো গুণে আবদ্ধ হয়ে দেবতাদের ভজনা করেন। অর্থাৎ, মায়ার ব্রহ্মাণ্ডের আবরণে স্থিত দেবতাদের উপাসনা করেন। বিভিন্ন গুণসম্পন্ন জীবগণ তাদের নিজ নিজ রুচি অনুসারে শাক্ত, শৈব, সৌর, গাণপত্য বা বৈষ্ণব নামে অভিহিত হন। তারা ভোগবাসনা চরিতার্থ করার জন্য ধন কামনায় দেবী লক্ষ্মী এবং বিদ্যালাভ করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য লৌকিক প্রথা অনুসারে দেবী সরস্বতীর পূজা করেন।

তারা যে বিষয় কামনায় পূজা করেন তা সবই নশ্বর। আমি ধনী হবো, পণ্ডিত হবো, সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবো, সমগ্র জগতে আমার যশ কীর্তিত হবে। এসমস্ত বাসনা সবই নশ্বর।

🌸 চারবেদ ষড় দর্শন অধ্যয়ন করেও যদি ভগবানের প্রতি অহৈতুকী ভক্তির উদয় না হয় তবে সবই বৃথা। শাস্ত্রে বর্ণনা করা হচ্ছে—

“আচারহীনং ন পুনন্তি বেদা..”। যে বস্তু দেহত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্যাগ করে সেসমস্ত বিষয় নিয়ে নিত্য আত্মার কতটুকু স্বার্থসিদ্ধি হতে পারে? তাই যারা উন্নত বিচারবোধসম্পন্ন, তারা কখনো নশ্বর বিষয়ে মুগ্ধ হয়ে দুর্লভ মনুষ্য জীবনের সুযোগটুকু হেলায় হারাতে ইচ্ছা করেন না। ঐকান্তিকী ভক্তগণ সরস্বতী দেবীকে চিৎ-শক্তিরূপে পূজা করেন।

🌸 ভাগবত কীর্তনের প্রারম্ভে শ্রীল সূত গোস্বামী মঙ্গলাচরণের মধ্যে পরাবিদ্যাস্বরূপিনী সরস্বতীর প্রণাম করছেন যে, “দেবীং সরস্বতীং ব্যাসং ততো জয়মুদীরয়েৎ ”। আদিগুরু শ্রীব্রহ্মার হৃদয়ে জড় জাগতিক সৃষ্টি বিষয়ক স্মৃতি প্রকাশের জন্য যে সরস্বতী দেবী ভগবানের প্রেরণায় প্রকটিতা হন, তিনি শ্রীকৃষ্ণকেই উপাস্য মনে করেন।

❝ পূর্বে জন্মিলেন নাভিপদ্ম হৈতে।
তথাপিও শক্তি নাই কিছুই দেখিতে॥
তবে যবে সর্বভাবে লইলা শরণ।
তবে প্রভু কৃপায় দিলেন দরশন॥
তবে কৃষ্ণকৃপায় স্ফুরিল সরস্বতী। ❞

এর দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, যারা শ্রীকৃষ্ণের চরণে নিজেদের সমর্পণ করেন, কৃষ্ণের কৃপায়ই তাদের সরস্বতীদেবীর কৃপা লাভ হয়। সরস্বতী নামরূপে তাদের জিহ্বায় নৃত্য করে থাকেন। বিদ্যা দুই প্রকার— পরা বিদ্যা (নশ্বর জড় বিদ্যা) এবং অপরা বিদ্যা (ভগবদ্ সম্বন্ধীয় বিদ্যা)। দুই প্রকার বিদ্যা লাভের তারতম্য হেতু সরস্বতী দেবীর আরাধনা দুই প্রকার। একটি পরাবিদ্যা লাভ করার জন্য, আরেকটি অপরা বিদ্যা লাভের জন্য। এক স্বরূপে দেবী অপরা সরস্বতী, অন্য স্বরূপে দেবী পরা সরস্বতী বা শুদ্ধা-সরস্বতী।

🌸 অপরা সরস্বতী আমাদের কৃষ্ণ ভিন্ন অন্য বিষয় অর্থাৎ মায়িক বিষয়ের প্রতি আকৃষ্ট করেন। আর শুদ্ধা-সরস্বতী কৃষ্ণভজনের অনুকূল পথ প্রদর্শনপূর্বক শরণাগত ভক্তের জিহ্বায় নৃত্য-কীর্তন করেন। দিগ্বিজয়ী পণ্ডিত কেশব কাশ্মিরী, কবি কালিদাস অপরা সরস্বতীর কপট কৃপা লাভ করেছিলেন। সরস্বতীর কপট কৃপায় মহাপ্রভুর প্রকটকালীন নবদ্বীপের সকলেই যথেষ্ট পাণ্ডিত্য প্রতিভা লাভ করেছিলেন। শ্রীল বৃন্দাবন দাস ঠাকুর বলেন— “সরস্বতী প্রসাদে সবাই মহাদক্ষ।” কিন্তু পরাবিদ্যাস্বরূপিনী শ্রীসরস্বতীর প্রভু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নিকট সকলেরই প্রতিভা পরাভূত হয়েছিল। শ্রীমন্মহাপ্রভুর দিগ্বিজয়ীর দর্প-দমন-লীলায় দেখতে পাওয়া যায়, মহাপ্রভুর কাছে পরাভূত হওয়ার পর সরস্বতী দেবী স্বপ্নে আবির্ভূত হয়ে কেশব কাশ্মিরীকে বললেন—

❝ সরস্বতী বলেন, শুনহ বিপ্রবর।
যাঁর ঠাঞি তোমার হইল পরাজয়॥
অনন্ত ব্রহ্মাণ্ড-নাথ সেই সুনিশ্চয়॥
আমি যাঁর পাদপদ্মে নিরন্তর দাসী।
সম্মুখ হইতে আপনারে লজ্জা বাসী॥ ❞

অনুবাদ: “সরস্বতী বললেন, তুমি এতদিন আমার যে মন্ত্ৰ উচ্চারণ করেছ, দিগ্বিজয়ী পণ্ডিত হওয়া তার ফল নয়। তুমি যে সাক্ষাৎ পরমেশ্বরের দর্শন লাভ করলে, এটাই তার চরম ফল। তুমি শীঘ্র গিয়ে তাঁর চরণে আত্মসমর্পণ করো।” এরপর দিগ্বিজয়ী পণ্ডিত সরস্বতীর নির্দেশে মহাপ্রভুর কাছে আত্মসমর্পণ করলেন।

এখন নির্ণয় আমাদের হাতে, আমরা সরস্বতীর কপট কৃপা লাভ করব, নাকি অকপট কৃপা লাভ করে কৃষ্ণভক্তিবিজ্ঞান লাভে প্রয়াসী হবো। যদি কৃষ্ণভক্তি লাভ হয়, তবে সরস্বতী দেবীর কৃপা আমাদের এমনিতেই লাভ হবে। — হরেকৃষ্ণ

সরস্বতীপূজা-২০২৬সাহাপুর দাশপাড়া পূজা সংসদ
23/01/2026

সরস্বতীপূজা-২০২৬
সাহাপুর দাশপাড়া পূজা সংসদ

শ্রদ্ধাঞ্জলি 🙏
19/01/2026

শ্রদ্ধাঞ্জলি 🙏

সাহাপুর দাশপাড়া পূজা সংসদ সবাই আমন্ত্রিত 🙏
19/01/2026

সাহাপুর দাশপাড়া পূজা সংসদ সবাই আমন্ত্রিত 🙏

Address

Habiganj

Telephone

+8801905920002

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সাহাপুর দাশপাড়া পূজা সংসদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category