Sheikh Arman Arifi- غلام النبي

Sheikh Arman Arifi- غلام النبي Our goal and purpose is to build a life following the Qur'an and Sunnah and to spread the knowledge of the Qur'an and Sunnah to the people.

বদর | সত্য মিথ্যার ফয়সালার দিন১.বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয় হিজরী দ্বিতীয় বর্ষের রামাদান মাসে। চূড়ান্ত যুদ্ধ শুরু হয় রামাদানের ১...
19/03/2025

বদর | সত্য মিথ্যার ফয়সালার দিন

১.
বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয় হিজরী দ্বিতীয় বর্ষের রামাদান মাসে। চূড়ান্ত যুদ্ধ শুরু হয় রামাদানের ১৭ তারিখ। প্রতিপক্ষ ছিল মক্কার পৌত্তলিক কুরাইশ বাহিনী। ওরা ৯৫০ জন। সবাই সশস্ত্র। মুসলিমরা মাত্র ৩১৩ জন। প্রায় নিরস্ত্র।

২.
মদীনা শহর থেকে বদর প্রান্তরের দূরত্ব ৭০ মাইল। সড়কপথে সেখানে যেতে হলে পাড়ি দিতে হবে ১০০ মাইল। যানজটহীন পথে নিজস্ব গাড়ি নিয়ে গেলে সময় লাগে ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। এটা এখনকার হিসাব। ১৪৪১ বছর আগে আধুনিক যানহীন পথটা যে কতোটা বন্ধুর, কতোটা দুর্গম এবং কী পরিমাণ প্রতিবন্ধকতাপূর্ণ ছিল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ৭০-৮০ মাইল দুর্গম পথ পায়ে হেঁটে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মোকাবেলা করা কোনোভাবেই সহজ কোনো কাজ নয়। আমাদের কাছে যেটা অসম্ভব সেটাই তাঁরা সম্ভবে পরিণত করেছিলেন অবলীলায়। তাঁদের প্রশ্নাতীত আত্মত্যাগ, অক্লান্ত শ্রম এবং নিখাঁদ সাধনায় পাওয়া সেই দ্বীনকে আজ খণ্ডবিখণ্ড করে চলেছি আমরা। তাই তো আজ আমরা বিতাড়িত, নির্যাতিত, নিগৃহীত এবং উপেক্ষিত।

৩.
বদর যুদ্ধে কাফিরদের পক্ষে অভিশপ্ত শয়তান সুরাকা বিন মালিকের আকৃতি ধারণ করে বিশাল বাহিনী নিয়ে সশস্ত্র যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা বনি মুদলিজ গোত্রের পুরুষদের বেশ ধারণ করেছিল।
বিপরীতে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা হযরত জিবরীল, হযরত মিকাইল এবং হযরত ইসরাফিল আ.-এর নেতৃত্বে ফেরেশতাদের একটি বাহিনী মুসলিম সেনাদলে যুক্ত করেন। যুদ্ধের মজা এবার বুঝে নিক।

৪.
ফেরেশতাদেরকে যুদ্ধনীতি আল্লাহ নিজেই শিখিয়ে দিয়েছিলেন। শত্রুকে কোথায় আঘাত করতে হবে তাও বলে দিয়েছিলেন। "তোমরা তাদের ঘাড়ে এবং আঙুলের অগ্রভাগে আঘাত করো।" (আনফাল-১২)
যদ্দরুন লাশ দেখে চেনা যেতো, কে সাহাবীদের হাতে নিহত, আর কে ফেরেশতাদের হাতে নিহত। যারা ফেরেশতাদের হাতে নিহত হয়েছিল তাদের ঘাড় এবং আঙুলের অগ্রভাগে পোড়া দাগ ছিল। পুড়ে ছাই। আহ কী যন্ত্রণা!

৫.
উবায়দা রা.-এর প্রতিপক্ষ উতবা।
হামজা রা.-এর প্রতিপক্ষ শায়বা।
আলি রা.-এর প্রতিপক্ষ ওলীদ।
যুদ্ধ শুরু। শুরু আক্রমণ। প্রথম আক্রমণেই হামজা এবং আলি রা. তাঁদের প্রতিপক্ষকে খতম করে দিলেন। কিন্তু উবায়দা রা. নিজে আহত হলেন। উতবার তরবারির আঘাতে পায়ের রগ কেটে যায়। রক্তাক্ত হন। ঐদিকে উতবাও আহত হল। হযরত হামজা এবং আলি রা. কয়েক মিনিটের মধ্যেই নিজেদের কাজ সেরে উবায়দা রা.-এর শিকারিকে খতম করতে এগিয়ে এলেন। দুজনের উপর্যুপরি আঘাতে নরাধম উতবা নিহত হয়। কোথায় গেল তাদের মাস্তানি?

৬.
বদর যুদ্ধের অনেক আগে হযরত সা'দ বিন মু'আজ রা. উমাইয়া বিন খলফকে বলেছিলেন, "তুমি আমাদের হাতেই নিহত হবে। প্রস্তুত হও। বেশি বেড়ে গেছো।"
বদর যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু হলে তার সেই কথা মনে পড়ে গেল। একটা ভয় কাজ করতে লাগল। বাতিল সমসময় কাপুরুষ হয়। তলেতলে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়, "না, বদরে অন্তত আমি অংশগ্রহণ করব না। ছলেবলে পিছনে থেকে যাব।"
এদিকে আবু জাহাল নাছোড়বান্দা। উমাইয়াকে না নিয়ে যুদ্ধে যাবে না। আল্লাহর পরিকল্পনা এমনই হয়। নিখুঁত এবং সাজানো গোছানো। শেষমেশ যেতেই হল। বদর প্রান্তে তাকে প্রথম দেখেন তার হাতে নির্মমভাবে নির্যাতিত হযরত বেলাল রা.। তিনি দেখেই চিৎকার দিয়ে উঠেন, "ঐ যে উমাইয়া। ভাইয়েরা! তোমরা তাকে হত্যা করো।" একথা শুনে সবাই একযোগে আক্রমণ করে উমাইয়াকে হত্যা করলেন। যেই বিলাল রা.-কে তপ্ত রোদে ফেলে চামড়া খসিয়ে দিয়েছিল সেই দাসের হুকুমেই তাকে এভাবে মরতে হবে তা কি সে বিশ্বাস করেছিল? দূর, তার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কী আসে যায়? প্ল্যান তো আসমানে হয়।

৭.
আব্দুর রাহমান বিন আউফ রা.-এর ডানেবামে দুই আনসার কিশোর দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁদের একজন চুপিচুপি বললেন,
চাচা! আবু জাহেল কোনটা?
বৎস! তাকে চিনে তুমি কী করবে?
আমি তাকে পেলে হত্যা করব এবং আমি নিজেও শহীদ হব। আল্লাহর কাছে আমার ওয়াদা এটি। কারণ আমি শুনেছি, সে নাকি আল্লাহর রাসূল সা.-কে গালিগালাজ করেছে। তাকে না মেরে আমার নিস্তার নেই।
এবার আব্দুর রাহমান বিন আউফ রা.-আঙুলের ইশারা দিয়ে বললেন, "ঐযে, ঐটাই আবু জাহল।"
শনাক্ত করতে দেরি, বাজপাখির মতো শিকারির ওপর দুই খুদে যোদ্ধার ঝাঁপিয়ে পড়তে দেরি হয়নি। অসীম সাহসিকতায় আবু জাহলকে হত্যা করে দুই কিশোর অনন্য নজির স্থাপন করলেন। তাঁরা ছিলেন হযরত আমর ইবনে জামুহ রা.-এর পুত্র মু'আয এবং হযরত আফরাহ রা.-এর পুত্র মু'আউয়ায রা.। তাঁরা ছিলেন একে অপরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু।

৮.
সুতরাং বদরের যুদ্ধের ঘটনা পড়লেই হবে না, তা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। নিজের সন্তানদেরকে মু'আয এবং মু'আউয়াযের রা.-এর রঙে রাঙাতে হবে। নিজেদেরকে হতে হবে অকুতোভয়। বাতিলের বিরুদ্ধে সোচ্চার। ন্যায়ের পক্ষে আপোষহীন। তবেই নিজেদের ঔরসে জন্ম নিবে মু'আয এবং মু'আউয়াযের মতো হিরকতুল্য সন্তান। আর যদি নিজেরা হই 'মিউমিউ' ঘরানার তাহলে সেই ঘরে সিংহের গর্জন দেওয়ার মতো সন্তান তৈরি হবে কী করে?

কার্টেসি - Nazrul Islam | ১৯ এপ্রিল, ২০২২

সুন্নি বনাম ওয়াহাবি: নামাজে হাত বাধাঁ।ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (رَحِمَهُ ٱللَّٰهُ) বলেন: “তাদের উভয় হাত বুকের উপর রাখা তার...
03/12/2023

সুন্নি বনাম ওয়াহাবি: নামাজে হাত বাধাঁ।

ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (رَحِمَهُ ٱللَّٰهُ) বলেন: “তাদের উভয় হাত বুকের উপর রাখা তার জন্য নিন্দনীয়। আর এর কারণ নবী ﷺ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে তিনি ﷺ 'আল-তাকফির' নিষেধ করেছেন - আর তা হল বুকের উপর হাত বাঁধা।

এটি ইবনে কাইয়ুম আল-জাওযিয়াহ্ তার "বাদাই আল-ফাওয়াইদ"-গ্রন্থে ইমাম আহমাদ (رَحِمَهُ ٱللَّٰهُ)'র ছাত্র আল-মুজানিকে উল্লেখ করে বর্ণনা করেছেন যা নিম্নরূপ:

ونقل المزني عنه…ويكره أن يجعلهما على الصدر، وذلك لما روي عن النبي -صلى اللَّه عليه وسلم- أنه نهى عن التكفير، وهو وضع اليد على الصدر - بدائع الفوائد

ইমাম আবূ দাউদ, যিনি সিহাহ সিত্তাহ'র হাদিস 'সুনানে আবূ দাউদ' শরীফের মুসান্নিফ এবং ইমাম আহমাদের ছাত্র। তিনি ইমাম আহমাদের আল-তাকফিরের নিন্দা বিষয়টি বর্ণনা করে বলেছেন: “আমি তাকে (ইমাম আহমাদ) বলতে শুনেছি, 'এটি করা নিন্দনীয় (নিষিদ্ধভাবে অপছন্দনীয়) - যার অর্থ দুহাত বুকের উপর স্থাপন করা।" [মাসায়েলে ইমাম আহমদ]

ইবনে তাইমিয়া তার এই বিষয়ের ব্যাখ্যায় বলেন, নামাজে হাত বাঁধার বিষয়ে বিভিন্ন মতের মধ্যে তিনি তার হাত নাভির নীচে বা তার বুকের নীচে রাখেন; এর উভয়ের মধ্যে কোনও নিন্দনীয়তা ব্যতীত। উভয় হাত বুকের উপর রাখা এটা নিন্দনীয়। এ ব্যাপারে ইমাম আহমাদ প্রণীত শারহুল উমদাহ্ গ্রন্থে স্পষ্ট বক্তব্য রয়েছে।

ইবনে কাইয়ুম একইভাবে সালাফ থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন অবস্থানকে বৈধ হিসাবে গ্রহণ করেছেন যখন তিনি একই সাথে বুকের উপর হাত রাখার প্রথার নিন্দাও করেছেন। তিনি (ইমাম আহমাদ) হাত স্থাপনের ক্ষেত্রে তাঁর অবস্থানের ভিন্নতা রয়েছে। নাভির উপরে এবং নীচে উভয়ই তাঁর থেকে বর্ণিত। আবু তালিব তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: ‘আমি ইমাম আহমাদকে জিজ্ঞেস করলাম, নামাজের সময় তার হাত কোথায় রাখা উচিত?’ তিনি বললেন: নাভির ওপরে বা নীচে। এটি বুকের ওপর রাখা তার জন্য নিন্দনীয়।’ এটা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত হওয়ার কারণেই তিনি আল-তাকফিরকে নিষেধ করেছেন, যা বুকের উপর হাত বাঁধাকে বোঝায়।” [বাদাই আল ফাওয়াইদ]

মুসলিম আলিম'রা কেন বুকে হাত বাঁধাকে নিন্দনীয় বলেছেন?

কারণ এটি একটি ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের অনুশীলনের অংশ ছিল! আল-তাকফির, যা আল-তাকলিস নামেও পরিচিত, প্রাচীনকালের খ্রিস্টান এবং ইহুদিদের প্রথা ছিল যা, তাদের প্রার্থনার সময় সরাসরি বুকের উপর তাদের হাত রাখা। সালাফদের প্রাচীনতম আরবি অভিধান 'কিতাবুল-আইন' গ্রন্থে আল-খলিল ইবনে আহমাদ (মৃত্যু ১৭০ হি) দেখান যে, বুকে হাত রাখার প্রথাটি খ্রিস্টানদের সাথে যুক্ত ছিল। "আত-তাকলিস : বুকে দুহাত স্থাপন করা খ্রিস্টানদের নম্র অভ্যাসের মতো।"

ﻭاﻟﺘﻘﻠﻴﺲ: ﻭﺿﻊ اﻟﻴﺪﻳﻦ ﻋﻠﻰ اﻟﺼﺪﺭ ﺧﻀﻮﻋﺎ ﻛﻔﻌﻞ اﻟﻨﺼﺮاﻧﻲ (كتاب العين للخليل بن أحمد)

অর্থোডক্স ইহুদি এবং খ্রিস্টান যারা এখনও এই প্রথাকে সমর্থন করে তারা আজ অত্যন্ত বিরল। এটা ঐশ্বরিক বিধান যে আল্লাহ সবচেয়ে বিচ্যুত সম্প্রদায়ের একদলকে খ্রিস্টান/ইহুদিদের এই বিশেষ প্রাচীন সুন্নাহকে সমুন্নত রাখার মশাল বহন করার "সুযোগ" দিয়েছেন।
Clarifying Light বাংলা
Clarifying Light

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর,রোজঃ বৃহস্পতিবার, রাষ্ট্রীয়ভাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (ﷺ)পালিত হবে।সূত্রঃ জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি, ইস...
16/09/2023

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর,রোজঃ বৃহস্পতিবার, রাষ্ট্রীয়ভাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (ﷺ)পালিত হবে।

সূত্রঃ জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

ছবিটা দেখার পর কি ভাবছেন আপনি🙂সেটা আমি জানি।আপনি ভাবছেন,এরা তাদের নির্দিষ্ট জায়গায় নেই। এরাযেখানে আছে, সেটা তাদের জায়গা ...
12/08/2023

ছবিটা দেখার পর কি ভাবছেন আপনি🙂
সেটা আমি জানি।
আপনি ভাবছেন,
এরা তাদের নির্দিষ্ট জায়গায় নেই। এরা
যেখানে আছে, সেটা তাদের জায়গা নয়।
মানে তারা ভুল জায়গায় আছে।
যদি পেন্সিলের সাথে শার্পনারটা থাকতো,
আর নাটের সাথে স্ক্রু'টা থাকতো তাহলে মানাতো।
যদি তেমনটা থাকতো তাহলে কি হতো?
শার্পনারটা পেন্সিলকে একটু একটু করে নিঃশেষ করে ফেলতো। আর নাট'টা স্ক্রুটাকে এমনভাবে পেঁচিয়ে রাখতো, নাট'টার জীবন ওখানেই আটকে যেতো। না পারতো সে সামনে যেতে, না পারতো সে পেছনে যেতে।
পেন্সিলের জীবনটা শেষ হয়ে যেতো,
স্ক্রু'র জীবনটাও থেমে যেতো।
আসলে মাঝে মধ্যে জীবনে চলার পথে আমরা যেটাকে নিজেদের সাথে মানাবে বা খাপখাবে বলে ভাবি বা গ্রহণ করি, সেটাই কদাচিৎ আমাদেরকে তিলে তিলে নিঃশেষ করে দেয়।
মাঝেমধ্যে মানানসই জিনিসটাই সবচাইতে বেমানান ও ক্ষতির কারণ। তাই মাঝেমধ্যে বেমানানের সাথে মানিয়ে নিয়ে চলতে শিখুন।😊

©️মাজেমধ্যে ভুল থেকেও দারুন কিছু হয়।।

"Heat Wave" আসিতেছে?----------------------------------তাওবা করে দ্বীনের পথে ফিরে আসুন,তাই সাবধান হোন সতর্ক হোন।সম্ভবতঃ ৪...
07/06/2023

"Heat Wave" আসিতেছে?
----------------------------------
তাওবা করে দ্বীনের পথে ফিরে আসুন,
তাই সাবধান হোন সতর্ক হোন।
সম্ভবতঃ ৪০°-৫০° সে.।
--------------------------------

স্বভাবিক পানি পান করুন।
ধীরে ধীরে।
ঠান্ডা পানি পান পরিহার করুন।
বরফ/বরফ পানি পুরোপুরিই পরিহার করুন।

বর্তমানে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুরে এই HEAT WAVE চলছে।

করণীয় ও পরিত্যজ্য--------

১) যখন তাপমাত্রা ৪০°সে-এ পৌঁছে তখন খুব ঠান্ডা পানি পান করতে নিষেধ করেন চিকিৎসকগণ। কারণ এতে রক্তনালী হঠাৎই সঙ্কুচিত হয়ে
হঠাৎই স্ট্রোক হতে পারে।

২) যখন বাহিরের তাপমাত্রা ৩৮°সে অতিক্রম করে তখন ঘরে চলে আসুন বা ছায়ায় অবস্থান করুন। ঠান্ডা পানি পান করবেন না। স্বভাবিক তাপের পানি পান করুন বা ঈষৎ গরম পানি।
তাও ধীরে ধীরে।

৩)ঘরে এসেই হাত-পা-মুখ ধুবেন না।হাত-মুখ ধোয়ার আগে একটু অপেক্ষা করুন। দেহকে ঘরের তাপের সাথে খাপ খেতে দিন।
অন্ততঃ আধা ঘন্টা অপেক্ষা করুন হাত-মুখ ধোযার আগে বা গোসলের আগে।

৪) অল্প অল্প করে বারে বারে স্বাভাবিক পানি পান করুন।জ্যুস বা এজাতীয় পানিয় পরিহার করুন। স্বাভাবিক শরবত,ডাব বা লবণ পানির শরবত পান করতে পারেন যদি তা আপনার জন্য অন্য কারণে নিষিদ্ধ না হয়ে থাকে।তবে তাও স্বল্প পরিমানে।

★★প্রচন্ড গরমে বা যদি আপনি খুবই ক্লান্ত থাকেন তবে ভুলেও বরফ মিশ্রিত পানি বা ফ্রিজের পানি পান করবেন না,যদিও ওইসময় ঠান্ডা পানি খুব ভালো লাগে।এটা শরীরে প্রশান্তি ভাব এনে দেয়।কিন্তু এতে হঠাৎই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

#আল্লাহ #আমাদের #হেফাজতে #রাখুন

#নিজে জানুন।
#অন্যকে জানান।

06/09/2022

• বড়ই কল্যাণময় তিনি, যার মুঠোর মধ্যে রয়েছে সমগ্র বিশ্ব-রাজ্য; এবং তিনি প্রত্যেক কিছুর উপর শক্তিমান;

• তিনি, যিনি মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমাদের পরীক্ষা হয়ে যায়- তোমাদের মধ্যে কার কর্ম অধিক উত্তম। এবং তিনিই মহা সম্মানিত, ক্ষমাশীল।

• সূরাঃ মূলক আয়াত ১-২
#সূরামূলক #আয়াত ১-২
https://www.facebook.com/nomanahmed.arman?mibextid=ZbWKwL

09/06/2022

প্রতিবাদী গজল ✊
আমার নিঃশ্বাসে বিশ্বাসে প্রিয় নবী (ﷺ)

28/05/2022

বৈবাহিক জীবন সুন্দর করার ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নতের অনুসরণ ।

30/01/2022

Address

Azmiriganj
Habiganj
3360

Telephone

+8801301317994

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sheikh Arman Arifi- غلام النبي posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Sheikh Arman Arifi- غلام النبي:

Share