গোপীনাথপুর উত্তর-পূর্ব পাড়া বায়তুন নূর জামে মসজিদ, কসবা-ব্রাহ্মণবাড়ীয়া

  • Home
  • Bangladesh
  • Gopinathpur
  • গোপীনাথপুর উত্তর-পূর্ব পাড়া বায়তুন নূর জামে মসজিদ, কসবা-ব্রাহ্মণবাড়ীয়া

গোপীনাথপুর উত্তর-পূর্ব পাড়া বায়তুন নূর জামে মসজিদ,  কসবা-ব্রাহ্মণবাড়ীয়া হাজী আবু তাহেরের বাড়ী, গোপীনাথপুর পূর্ব পাড়া, গোপীনাথপুর-৩৪৬৪, কসবা, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া।

14/02/2024
25/08/2021

সূরা ফাতিহা💖

সূরাটি মনোযোগ দিয়ে পড়লে একটি নতুন বিষয় আবিষ্কার করতে পারবেন, ইন শা আল্লাহ।

সূরা ফাতিহায় রয়েছে সাতটি আয়াত, তাই না?

এই সাতটি আয়াতকে দুই ভাগ করেন,
কিন্তু মাঝের আয়াতকে কোন ভাগেই রাখবেন না এখনই।
একদম মাঝের আয়াতটিকে আলাদা রেখে দুই ভাগ করলে কীরকম দাড়ায় হিসাব করেন,
১,২,৩
৫,৬,৭
মাঝে থাকবে আয়াত নাম্বার ৪।
তাইনা?
এবার প্রথম তিনটি আয়াতে কি বলা আছে তা দেখে নিই।

"যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি জগৎসমূহের অধিপতি।”

২য় আয়াতে বলা আছে, "তিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু।”

৩য় আয়াতে বলা আছে,"যিনি বিচার দিনের মালিক।”

৪র্থ আয়াতে বলা আছে, "আমরা তোমারই ইবাদত করি এবং তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি।”
এটি কিন্তু মাঝের আয়াত।
এটি কোন ভাগেই এখন পড়বেন না।
৪র্থ আয়াতটিকে সূরা ফাতিহা'র কেন্দ্রবিন্দু বলা যেতে পারে।
এই আয়াত দিয়েই আমরা প্রথম ভাগ আর পরের ভাগকে মিলাবো।

পরের ভাগের আয়াত গুলোতে কি বলা হচ্ছে দেখুন।

৫ম আয়াতে বলা আছে,
"আমাদের সরলপথে পরিচালিত করুন।”

৬ষ্ঠ আয়াতে বলা আছে,
"ওই সব লোকদের পথে, যাদের আপনি নিয়ামত দান করেছেন।”

৭ম আয়াতে বলা আছে,
" তাদের পথে নয়,যাদের ওপর আপনার অভিশাপ নাজিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট।”

এবার আমরা সিকুয়েন্সটি মিলাতে পারি।
প্রথম ভাগের আয়াত গুলো এক জায়গায় নিয়ে আসা যাক।

প্রথম অংশের আয়াতগুলো হলো-

"যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি জগৎসমূহের অধিপতি।”

"তিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু।”

"যিনি বিচার দিনের মালিক।”

মাঝখানে আছে "আমরা তোমারই ইবাদত করি এবং তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি।”

আর পরের অংশে আছেঃ

'আমাদের সরল পথে পরিচালিত করুন'

'ওইসব লোকদের পথে, যাদের আপনি নিয়ামত দান করেছেন।’

'তাদের পথ নয়,যাদের ওপর আপনার অভিশাপ নাজিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট।’

মাঝখানের, অর্থাৎ চার নাম্বার আয়াতে দুটো অংশ আছে।
"আমরা তোমারই ইবাদত করি" এতটুকু একটি অংশ,এবং "তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি" এতটুকু অরেকটি অংশ।

আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে ৪র্থ আয়াতের প্রথম অংশ সূরার প্রথম তিন আয়াতের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং পরের অংশ প্রতিনিধিত্ব করছে সূরার পরের তিন আয়াতের।

এই আয়াতের প্রথম অংশ দিয়ে ওপরের তিন আয়াতকে যাচাই করা যাকঃ

"আমরা তোমারই ইবাদত করি"

আমরা কার ইবাদত করি?
"সকল প্রশংসা যার এবং যিনি সৃষ্টি জগতের অধিপতি।’
(সূরা ফাতিহা'র ১ম আয়াত)

আমরা কার ইবাদত করি?

‘যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু।’
[সূরা ফাতিহার ২য় আয়াত]

আমরা কার ইবাদত করি?

"বিচার দিনের মালিক।"
(সূরা ফাতিহা'র ৩য় আয়াত)

দারুণ না?

এবার আসা যাক ওই আয়াতের পরের অংশে।
যেখানে বলা হচ্ছে-
"তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি"

আমরা কিসের জন্য প্রার্থনা করি?
"যাতে আমরা সরল পথে চলতে পারি।”
[সূরা ফাতিহার ৫ম আয়াত]

আমরা কিসের জন্য প্রার্থনা করি?
" যাতে আমরা নিয়ামত প্রাপ্তদের দলে ভিড়তে পারি।”
[৬ ষ্ঠ আয়াত]
আমরা কিসের জন্য প্রার্থনা করি?
"যাতে আমরা অভিশপ্ত এবং পথভ্রষ্টদের দলের অন্তর্ভুক্ত না হই।”
[৭ম আয়াত]

চিন্তা করুন আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তাআলা এই ছোট্ট সূরাটির মধ্যেও কীরকম ভাষার মান, সাহিত্য মান দিয়ে দিয়েছেন।
প্রথমে কিছু কথা, মাঝখানে একটি বাক্য, শেষে আরো কিছু কথা, কিন্তু মাঝখানের সেই বাক্যটিকে এমন ভাবে সাজিয়েছেন এবং এমন ভাবে বলেছেন, যেটি প্রথম এবং শেষ -দুটো আংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ!!
এই সূরাটি পড়ার সময় আস্তে আস্তে পড়তে হয় কারন প্রত্যেকটি আয়াতের জবাব আল্লাহ্ পাক স্বয়ং দেন।
সূরাটি সবচেয়ে বড় দোয়া এবং রোগের সেফা।
পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালা আমাদের বেশী বেশী নেক আমল করার তৌফিক দান করুন, আমিন।

(সংগৃহীত)

আমার ভালো লেগেছে ব্যাখ্যাটি, তাই আপনাদের সাথেও শেয়ার করলাম।

সাবধান❗ সাবধান❗সাবধান❗হত্যা করে গরু কুরবানী করছেন না তো?""একটি ছোট্ট ভুল এবং বাতিল হয়ে যাওয়া কুরবানী।""সকল কুরবানী দাতাদ...
16/07/2021

সাবধান❗ সাবধান❗সাবধান❗

হত্যা করে গরু কুরবানী করছেন না তো?
""একটি ছোট্ট ভুল এবং বাতিল হয়ে যাওয়া কুরবানী।""
সকল কুরবানী দাতাদের জন্য অত্যন্ত জরুরী একটি বিষয়।
১০-১৫ মিনিট সময় বাঁচাতে গিয়ে আমাদের করা, ছোট্ট একটি ভুলের কারনে সম্পূর্নরুপে বাতিল হয়ে যেতে পারে আমাদের অত্যন্ত যত্নের সাথে আদায়কৃত আল্লাহর মহান হুকুম কুরবানী।
★পশু জবেহ সম্পন্ন হবার পর, একটি ছোট তীক্ষ্ণ ছুড়ি দ্বারা জবেহের স্থানে খোঁচা দেয়ার একটা সিস্টেমের সাথে আমরা কমবেশি প্রায় সবাই পরিচিত, আমাদের অনেকেরই ধারনা এই কাজটার মাধ্যমে পশু দ্রুত মারা যায় এবং কষ্ট কম পায়।
এই ছোট্ট একটা ভুলই আমাদের কুরবানী বরবাদ করে দেবার জন্য যথেষ্ট।
★পশু জবেহ সহীহ হবার শর্ত হলো:-
পশুর অন্তত মূল তিনটি রগ কেটে দেয়া। আর মূল তিনটি রগ কেটে দিলে, রক্তক্ষরনের স্বাভাবিক ফলস্বরুপ পশুটি খুব দ্রুত মারা যায়।
★আমরা একটু অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে, পশুটার মেরুদন্ডের ভেতর তীক্ষ্ণ ছুড়ি ঢুকিয়ে "মেরুরজ্জু বা স্পাইনাল কর্ড" বিচ্ছিন্ন করে দ্রুত মেরে ফেলার চেষ্টা করি। স্পাইনাল কর্ড বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে পশুর মস্তিষ্ক, দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় আর এর ফলে পশুটি হার্ট এটাক করে এবং মারা যায়।
অনেক সময় এভাবে দ্রুত পশুটিকে শান্ত করতে গিয়ে, কুরবানীর উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় এবং পশুটি জবেহ না হয়ে, হত্যা হিসেবে পরিগনিত হয়।
★চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও এই পন্থা অত্যন্ত গর্হিত এবং বিপদজনক। স্পাইনাল কর্ড কেঁটে গেলে পশুর দেহের মাংশপেশিতেই রক্ত জমাট বেঁধে যায় এবং ফলশ্রুতিতে গোশত দূষিত হয়ে পরে। এই গোশত ভক্ষনে ক্যান্সার, এইচবিএএস, সহ অন্তত ১৮ প্রকার জটিল রোগ সৃষ্টি হতে পারে।
এতএব,
কুরবানী দাতা সকলের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে, ১০-১৫ মিনিট সময় বাঁচাতে গিয়ে, দয়া করে আপনার কুরবানী কে বরবাদ হয়ে যাবার সুযোগ দিবেন না।

গত কাল সন্ধ্যায় চাঁদ উঠেছে শুরু হয়ে গেছে খুব মর্যাদার মাস, জিলহজ্জ। অনেকেই জানি, রোজার মাসের শেষ দশরাত বছরের সেরা ১০ রাত...
12/07/2021

গত কাল সন্ধ্যায় চাঁদ উঠেছে শুরু হয়ে গেছে খুব মর্যাদার মাস, জিলহজ্জ। অনেকেই জানি, রোজার মাসের শেষ দশরাত বছরের সেরা ১০ রাত হিসাবে স্বীকৃত ৷ আচ্ছা, তাহলে সেরা ১০ দিন কোনগুলো? এইযে, জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশদিন! হাদিসে এসেছে, জিলহজ্জের শুরুর দশদিনের আমল আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের কাছে সবচাইতে পছন্দের ❤️
এই দশটাদিন তাই নেক আমল, ফরজ ও নফল নামাজ, প্রচুর কুরআন তেলাওয়াত, দান সদকা, (প্রথম ৯দিন) নফল রোজার পাশাপাশি আরেকটা সুন্নাহ আমরা মিস করবোনা ইনশাআল্লাহ। সেটা কী? কুরবানি দেই বা না দেই, "জিলহজ্জ মাসের চাঁদ উঠার পর থেকে কুরবানির দিন পর্যন্ত আমরা আমাদের নখ, চুল, গোঁফ, শরীরের যেকোন ধরণের লোম -- কোনোটাই কাটবো ছাটবো না"। তাতে লাভ কী হবে? পশু কুরবানির নিয়ত থাকলে রাসূল (সাঃ) এর একটা নির্দেশ মেনে চললাম ; আর যদি আমার কুরবানি দেওয়ার সামর্থ্য না থাকে, আল্লাহ চাহে তো এই ছোট্ট কাজটাই পরিপূর্ণ কুরবানি হিসাবে গণ্য হবে। সুবহানআল্লাহ!
অতএব, যাদের এগুলো বড়সড় হয়ে আছে, নতুন চাঁদ উঠার আগে আজকেই কেটে/ছেটে/উপড়ে ফেলি ঝটপট। যেন পরিষ্কার শরীর ও পরিচ্ছন্ন মন নিয়ে ঝাপ দিতে পারি আমলের সাগরে, যেন ঈদের দিন নিজকে আবারো ক্লিন করে কুরবানির সওয়াব ঝুলিতে ভরতে পারি!
→ উম্মে সালামাহ (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ "তোমাদের মধ্যে যারা কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা রাখে, তারা যেন জিলহাজ্জ মাসের চাঁদ ওঠার পর হতে কুরবানী সম্পন্ন করা পর্যন্ত স্ব স্ব চুল ও নখ কর্তন করা হতে বিরত থাকে।" [মুসলিম, মিশকাতঃ১৪৫৯]
→ আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “আমি কুরবানীর দিনকে ঈদের দিন হিসেবে নির্ধারণ করার জন্য আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহ উক্ত দিনটিকে এই উম্মতের জন্য ঈদ হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলোঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ! আমি যদি একটি মাদী মানীহা (উটনী) ব্যতীত অন্য কোন পশু কুরবানীর জন্য না পাই, তাহলে আপনি কি (আমাকে) অনুমতি দিবেন যে, আমি উক্ত মাদী মানীহাকেই কুরবানী করবো। জবাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ না ! তুমি উক্ত পশুটিকে কুরবানী করবে না। বরং তুমি কুরবানীর দিনে তোমার (মাথার) চুল ও হাত-পায়ের নখ কাটবে। তোমার গোঁফ খাটো করবে এবং তোমার নাভির নিচের চুল কাটবে। এটাই আল্লাহর নিকট তোমার পূর্ণ কুরবানী (অর্থাৎ এর দ্বারা তুমি আল্লাহ পাকের নিকট কুরবানীর পূর্ণ সাওয়াব পাবে)।” [মুসনাদে আহমদ- ৬৫৭৫, ইবনে হিববান- ৭৭৩,আবু দাউদ-২৭৮৯, নাসায়ী- ৪৩৬৫]

04/09/2020

নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা সবচেয়ে উত্তম পরিকল্পনাকারী।।

____সূরা আনফাল, আয়াত ৩০

22/08/2020

★★★☆☆ · Mosque · Bangladesh

ক্যালেন্ডারের পাতায় ২১২০ সাল।আজ থেকে ১০০ বছর পর।লেখাটি যারা পড়ছেন, আমাদের প্রত্যেকের দেহ তখন মাটির নিচে। অস্তিত্ব তখন রূ...
25/06/2020

ক্যালেন্ডারের পাতায় ২১২০ সাল।

আজ থেকে ১০০ বছর পর।

লেখাটি যারা পড়ছেন, আমাদের প্রত্যেকের দেহ তখন মাটির নিচে। অস্তিত্ব তখন রূহের জগতে। দেখছি আমাদের তাকদীর, আমি জান্নাতি না জাহান্নামি।
ইতিমধ্যে ফেলে যাওয়া আমাদের সুন্দর বাড়িটা হয়ত অন্যদের দখলে চলে গেছে,নেক্সট প্রজন্ম ভোগ করছে, পছন্দের কাপড়গুলো ব্যকডেটেড হয়েগেছে, শখের গাড়িটি হয়ত অন্য কেউ চালাচ্ছে। আর আমরা? খুব কম জনই স্মরণে রেখেছে। কেউবা ভাবেও না। হাতে সময় নেই!যাদের জন্য সব করতে নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছিলাম!

★আচ্ছা, ব্যস্ততার এই জীবনে,
আপনার➤দাদার দাদাকে কত বার স্মরণ করেন? আপনার➤দাদীর দাদীর কথা কখনো কি আপনার মনে পড়ে?
পৃথিবীর বুকে আজকের এই বেঁচে থাকা, যার জন্য এতো হইচই, এতো মায়া কান্না—গত হওয়া অসংখ্য প্রজন্মকে টপকে আমরা এই জীবন লাভ করেছি। তেমনিভাবে আগামীতে অসংখ্য প্রজন্মের ভিড়ে হারিয়ে যাবে এই জীবন।
যত প্রজন্ম আসছে আর যাচ্ছে, দুনিয়াকে বিদায় জানাবার, দায়িত্ব-ক্ষমতা অন্যের হাতে অর্পণ করবার, কিংবা কারো ইচ্ছা অপূর্ণ রেখে যাবার পূর্বে—খুব কম জনই সময় পায় ফেলে যাওয়া জীবনটা একটু ফিরে দেখবার। বাস্তবতা হচ্ছে, এই জীবনটা আমাদের কল্পনার চেয়েও ছোট।
২১২০ সালে কবরে শুয়ে আমরা সবাই এই বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারবো, সত্যিই দুনিয়াটা কতই না তুচ্ছ ছিল! একে ঘিরে দেখা স্বপ্নগুলো কতই না নগণ্য ছিল!
২১২০ সালে আমরা সকলেই চাইবো, 'ইশ যদি জীবনটা মহৎ কিছুতে উৎসর্গ করতে পারতাম! ইসলামের জন্যে! নেক আমল সংগ্রহের জন্য আরও কিছু করতে পারতাম! মৃত্যুর পরেও যে কাজগুলো আমাদের উপকার করে যেত, সেগুলোর পেছনে যদি আরও সময় উৎসর্গ করতে পারতাম!' ইস!শুধু ইস আর ইস!!
২১২০ সালে আমরা অনেকেই চিৎকার করে কথাটা বলব, কিন্তু কোনো ফল বয়ে আনবে না আমাদের এই হাহাকার: "..হে আমার রব! আমাকে আবার ফেরত পাঠান। যাতে আমি সৎকাজ করতে পারি যা আমি আগে করিনি।" [আল-মু'মিনুন, ৯৯]
বরং জবাব মিলবে, "না, এটা হবার নয়। এটা তো তার একটি বাক্য মাত্র যা সে বলবেই । তাদের সামনে বার্‌যাখ থাকবে উত্থান দিন পর্যন্ত।" [আল-মু'মিনুন,১০০]
২১২০(একুশ শত বিশ) সালে আমরা অনেকেই আফসোসে নিজেদের হাত কামড়াতে থাকবো এই বলে, "হায়! আমার এ জীবনের জন্য আমি যদি কিছু অগ্রিম পাঠাতাম?” [সূরা আল-ফাজর, ২৪]
⚫ভাইরে! মৃত্যুর ফেরেশতা আমাদেরকে নেককার হবার সময় দেবে না।
🔵বোনরে! সে অপেক্ষা করবে না আমাদের জন্য..
তাই আসুন না, মৃত্যুর ফেরেশতা আসার আগেই আমরা সংশোধন হয়ে যাই! পাপে ভরা জীবনটা পাল্টে ফেলি!

Address

Gopinathpur
3464

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গোপীনাথপুর উত্তর-পূর্ব পাড়া বায়তুন নূর জামে মসজিদ, কসবা-ব্রাহ্মণবাড়ীয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share