ISKCON GOPALGANJ

Directions Website Contact the place of worship

ISKCON GOPALGANJ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ISKCON GOPALGANJ, Religious organisation, 228 Iskcon temple Road, panchuria, Gopalganj.

হরে কৃষ্ণ সুধী গৌরভক্তবৃন্দ, আগামী ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ইং মঙ্গলবার। পবিত্র "ইন্দিরা একাদশী" ব্রত।ভগবানের প্রীতি বিধানের জন্য...
04/10/2026

হরে কৃষ্ণ
সুধী গৌরভক্তবৃন্দ, আগামী ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ইং মঙ্গলবার। পবিত্র "ইন্দিরা একাদশী" ব্রত।ভগবানের প্রীতি বিধানের জন্য সকলে একাদশী ব্রত পালন করুন।

ইন্দিরা একাদশী ব্রতের মাহাত্ম্য:

আশ্বিন কৃষ্ণপক্ষীয়া ইন্দিরা একাদশী একদা মহারাজ যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণকে প্রশ্ন করলেন, হে জনার্দ্দন! আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীর নাম কি? তদুত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বললেন, হে, ধর্মরাজ! এই একাদশীর নাম ইন্দিরা ইহা পালনে পাপরাশি বিনষ্ট হয়, নিরয়গামী পিতৃপুরুষগণের

উর্দ্ধগতি লাভ হয়। সত্যযুগে মাহিষ্মতী নামে নগরে শত্রু দমনকারী প্রতাপশালী ইন্দ্রসেন নামে এক রাজা ছিলেন। তিনি পৌত্র-পুত্র সমন্বিত বিশাল রাজ্যের প্রজাদের নিয়ে রাজত্ব করা সত্ত্বেও ভগবদ্ভক্তি থেকে কিছুতেই বিচলিত হননি। শ্রীহরি সেবা, হরি পূজন, ভক্তসঙ্গেবাস, ভগবদ্ভক্তজনে তৎপরতাই ছিল তার জীবনে প্রধান লক্ষ্য।

একদা দেবর্ষি নারদ আকাশমার্গে ভ্রমণ করতে করতে রাজার রাজ সভায় প্রবেশ করলেন। রাজা দেবর্ষিকে দর্শন করে করজোড়ে দণ্ডয়মান হয়ে দণ্ডবৎ প্রণতি জ্ঞাপন পূর্বক যথাবিহিত পাদ্য-অর্ঘ্যাদি দ্বারা পূজা করলেন। হে রাজন! আপনার রাজ্যের সকলে কুশলে আছেন তো? আপনি সদ্বুদ্ধি সধমে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে চলছেন তো? বিষ্ণু ভক্তিতে তৎপর হয়ে চলছেন তো। রাজা বললেন হে দেবর্ষে! আপনার অনুগ্রহে আমার সর্বত্রই কুশল, আপনার দর্শনে আমি সর্বত্রই কৃতার্থ, আমার জীবন ধন্য হলো; আমার সকল যাগ-যজ্ঞও সফল হয়েছে। আপনি কৃপাপূর্বক কি নিমিত্তে এসেছেন আমার জানতে বড় ইচ্ছে হয়। রাজার এই বিনয় বাক্য শ্রবণ করে দেবর্ষি নারদ বললেন, হে রাজন! আমি আশ্চর্যজনক কথা বলছি শ্রবণ কর। আমি ব্রহ্মলোক থেকে বীণা যন্ত্রে কৃষ্ণগুণগান করতে করতে যমপুরীতে গিয়েছিলাম। যমরাজ আমাকে দেখে ভক্তিযুতভাবে আমার পূজা বিধান করলেন আমি যমপুরীটা ঘুরে ঘুরে দেখতে পেলাম তোমার পিতাকে। তিনি আমায় বললেন হে দেবর্ষে! মাহিষ্মতীপুরের ইন্দ্রসেন আমার পুত্র, পুত্রকে বলবেন-তোমার পিতা ব্রতভঙ্গ অপরাধের জন্য যমালয়ে কষ্ট পাচ্ছেন, সে যেন আমার উর্দ্ধগতির জন্য ইন্দিরা একাদশী পালন করে-তাহলে তার পুণ্য প্রভাবে আমার মঙ্গল হবে।

তখন রাজা বললেন,- হে মহর্ষে! কৃপাপূর্বক আপনি আমাকে এই ব্রত মহিমা বলুন। শ্রীনারদ বললেন- আশ্বিন মাসে কৃষ্ণ পক্ষের দশমী দিন প্রাতঃস্নান করে শ্রদ্ধাসহকারে পিতৃপুরুষের শ্রাদ্ধ করতে হয়। দিবসে একবার মাত্র প্রসাদ সেবন। রাত্রিতে ভূমিতে শয়ন ও উপবাস করতে হয়। পরদিন একাদশী বাসরে প্রাতঃস্নান, ভগবান শ্রীহরির পূজা, সাধুসঙ্গে ভগবৎ গুণাখ্যানাদি শ্রবণ কীর্তন। সম্পূর্ণরূপে আত্মেন্দ্রিয় প্রীতিবাঞ্ছা পরিত্যাগ পূর্বক উপবাস করতে হয়। সন্ধ্যাকালে শ্রীহৃষীকেশের পূজান্তে তন্নাম শ্রবণ কীর্ত্তন স্মরণ মুখে রাত্রি জাগরণ করতে হবে। দ্বাদশী দিবসে শ্রী হরির পূজা, ভোগরাগ নৈবেদ্য সমর্পনপূর্বক নৈষ্ঠিক ব্রাহ্মণ, সাধু বৈষ্ণব সেবন অন্তে পারণ করতে হয়। এইরূপ ব্রত করলে নিরয়গামী পিতাও শ্রী বিষ্ণুলোকে গমন করে। দেবর্ষি নারদের উপদেশে মাহিষ্মতীপুরের রাজা ইন্দ্রসেন এই ইন্দিরা একাদশী পালন করায় তার পিতার বিষ্ণুলোক প্রাপ্তি ঘটেছিল। রাজর্ষি ইন্দ্রসেন নিষ্কণ্টক রাজত্ব করে অন্তকালে পুত্রহস্তে রাজ্য সমর্পণপূর্বক স্বয়ং ভগবদ্ধাম প্রাপ্ত হয়েছিল। এই ব্রত মাহাত্ম্য শ্রবণে ও কীর্তনে সর্বপাপ বিমুক্ত হয় এবং শ্রীবিষ্ণু সান্নিধ্য লাভ ঘটে। হরেকৃষ্ণ —এই ইন্দিরা একাদশীর মাহাত্ম্য পাঠে ও শ্রবণে মানুষ সকল পাপ মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে প্রাপ্ত হয়!

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

হরে কৃষ্ণ সুধী গৌরভক্তবৃন্দ, আগামীকাল পবিত্র "পার্শ্ব একাদশী" ব্রত। ভগবানের প্রীতি বিধানের জন্য সকলে একাদশী ব্রত পালন কর...
20/09/2026

হরে কৃষ্ণ
সুধী গৌরভক্তবৃন্দ, আগামীকাল পবিত্র "পার্শ্ব একাদশী" ব্রত। ভগবানের প্রীতি বিধানের জন্য সকলে একাদশী ব্রত পালন করুন।

পার্শ্ব একাদশী ব্রতের মাহাত্ম্যঃ

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে বর্ণিত আছে। একদা যুধিষ্ঠির মহারাজ-ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে প্রশ্ন করলেন। হে কৃষ্ণ! এই ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর নাম কি? এই ব্রত পালনের ফল কি? শ্রীকৃষ্ণ বললেন, এই ব্রত পূণ্য ফল প্রদায়িনী, স্বর্গ ও মোক্ষদায়িনী- এর মাহাত্ম্য শ্রবণে সকল পাপ বিনষ্ট হয়। এই একাদশীকে পার্শ্বেকাদশী বলা হয়। আবার এই একাদশীকে জয়ন্তী একাদশী বলা হয়। যিনি এই তিথিতে ভক্তিভরে শ্রীবামন ভগবানের পূজা করেন তিনি ত্রিলোকে পূজা পান। যিনি, কমলনয়ন কমলনয়ন শ্রীবিষ্ণুর পূজা, কমল দ্বারা করেন, তিনি নিসন্দেহে ভগবানের সমীপে গমন করেন। যে পূণ্য এই ব্রতে লাভ হয়, তাহা বাজপেয় যজ্ঞেও লাভ হয় না। এই একাদশীতে শায়িত ভগবান-অনন্ত শয্যায় পার্শ্ব পরিবর্তন করেন। বাম অঙ্গ থেকে দক্ষিণ অঙ্গে শয়ন করেন তাই এই একাদশীকে পরিবর্তিনী একদশীও বলা হয়। যুধিষ্ঠির মহারাজ বললেন, হে জনার্দন। এই সকল কথা শুনে আমার বড় সন্দেহ হয়, আপনি কিরূপে শয়ন করেন আবার কিরূপেই বা পার্শ্ব পরিবর্তন করেন। চাতুর্মাস্য ব্রত কারীর কি বিধান, আপনার শয়নকালে লোকে তখন কি করে? আপনি বলিমহারাজকে কিজন্য নাগপাশে বেধেছিলেন? হে প্রভো! এই সকল বিষয় কৃপা পূর্বক আমাকে বলুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে রাজন! ত্রেতাযুগে বলি নামে এক অসুরকুলজাত আমার ভক্ত ছিল, সে প্রতিদিন শ্রদ্ধাযুক্তভাবে বিভিন্ন মন্ত্র দ্বারা আমার পূজা করত। ব্রাহ্মণগণ পূজা ও যাগযজ্ঞাদিতে সাহায্য করত। কিছুদিন পর দেবরাজ ইন্দ্রের প্রতি দ্বেষ করে দেবলোক জয় করে নিল। তখন ইন্দ্র ও অন্যান্য দেববৃন্দ স্বর্গরাজ্য হারা হয়ে আমার শরণাপন্ন হল। দেবমাতা অদিতীর পয়ঃব্রত পালনে আমি তাঁর পুত্ররূপে দেবকার্য সাধনের জন্য বামনরূপ ধরে বালক ব্রহ্মচারীর বেশে তৎক্ষণাৎ বলির নিকট ভিক্ষা চাইলাম। সে আমায় পূজা করে আমার অভিরুচী ভিক্ষা দিতে চাইল। অগত্যা আমি তার নিকট ত্রিপাদ ভূমি আশা করলে সে আমায় দিতে সম্মত হলে আমি এক পদ দ্বারা মর্ত্যভূমি, আর পদদ্বারা উর্দ্ধলোক সমূহ আক্রমণ করি, তৃতীয় পদের জন্য স্থান চাইলে বলি তখন স্বীয় মস্তক প্রদান করেছিলে। তার নম্রতা ও শ্রদ্ধায় সন্তুষ্ট হয়ে আমি আশীর্বাদ করেছিলাম যে, হে বলি! আমি সব সময় তোমার নিকট থাকব।

ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর দিন আমার অর্থাৎ বামনদেবের শ্রীমূর্তি বলির আশ্রমে স্থাপিত হয়। আর দ্বিতীয় মূর্তি ক্ষীরসাগরে অনন্তশয্যায় শায়িত অবস্থায় স্থাপিত হয়েছে, তাহলে শয়ন থেকে উত্থান একাদশী এই চারমাসকাল চাতুর্মাস্য ব্রত নামে পরিচিত। এই সময় ভগবান অনন্ত শয্যায় শায়িত থাকেন। চাতুর্মাস্যকালে আমার আরাধনা ও প্রতিটা একাদশী পালন করতে হয়। এই একাদশী ব্রত পালনে ভববন্ধন ক্ষয় ও আমাতে ভক্তির উদয় হয়, অন্তে আমার ধাম প্রাপ্তি হয়। এই একাদশী ব্রত শ্রবণে জীবের সকল পাপ বিনষ্ট হয়। শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে রাজন! ত্রেতাযুগে বলি নামে এক অসুরকুলজাত আমার ভক্ত ছিল, সে প্রতিদিন শ্রদ্ধাযুক্তভাবে বিভিন্ন মন্ত্র দ্বারা আমার পূজা করত। ব্রাহ্মণগণ পূজা ও যাগযজ্ঞাদিতে সাহায্য করত। কিছুদিন পর দেবরাজ ইন্দ্রের প্রতি দ্বেষ করে দেবলোক জয় করে নিল। তখন ইন্দ্র ও অন্যান্য দেববৃন্দ স্বর্গরাজ্য হারা হয়ে আমার শরণাপন্ন হল। দেবমাতা অদিতীর পয়ঃব্রত পালনে আমি তাঁর পুত্ররূপে দেবকার্য সাধনের জন্য বামনরূপ ধরে বালক ব্রহ্মচারীর বেশে তৎক্ষণাৎ বলির নিকট ভিক্ষা চাইলাম। সে আমায় পূজা করে আমার অভিরুচী ভিক্ষা দিতে চাইল। অগত্যা আমি তার নিকট ত্রিপাদ ভূমি আশা করলে সে আমায় দিতে সম্মত হলে আমি এক পদ দ্বারা মর্ত্যভূমি, আর পদদ্বারা উর্দ্ধলোক সমূহ আক্রমণ করি, তৃতীয় পদের জন্য স্থান চাইলে বলি তখন স্বীয় মস্তক প্রদান করেছিলে। তার নম্রতা ও শ্রদ্ধায় সন্তুষ্ট হয়ে আমি আশীর্বাদ করেছিলাম যে, হে বলি! আমি সব সময় তোমার নিকট থাকব।

ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর দিন আমার অর্থাৎ বামনদেবের শ্রীমূর্তি বলির আশ্রমে স্থাপিত হয়। আর দ্বিতীয় মূর্তি ক্ষীরসাগরে অনন্তশয্যায় শায়িত অবস্থায় স্থাপিত হয়েছে, তাহলে শয়ন থেকে উত্থান একাদশী এই চারমাসকাল চাতুর্মাস্য ব্রত নামে পরিচিত। এই সময় ভগবান অনন্ত শয্যায় শায়িত থাকেন। চাতুর্মাস্যকালে আমার আরাধনা ও প্রতিটা একাদশী পালন করতে হয়। এই একাদশী ব্রত পালনে ভববন্ধন ক্ষয় ও আমাতে ভক্তির উদয় হয়, অন্তে আমার ধাম প্রাপ্তি হয়। এই একাদশী ব্রত শ্রবণে জীবের সকল পাপ বিনষ্ট হয়।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

20/09/2026

শ্রীরাধাষ্টমী মহোৎসব–২০২৬

ISKCON GOPALGANJ

শ্রীমতি রাধাঠাকুরানীর শুভ আবির্ভাব তিথি "শ্রীরাধাষ্টমী" মহোৎসবের - ২০২৬ISKCON GOPALGANJ
20/09/2026

শ্রীমতি রাধাঠাকুরানীর শুভ আবির্ভাব তিথি "শ্রীরাধাষ্টমী" মহোৎসবের - ২০২৬

ISKCON GOPALGANJ

19/09/2026

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আহ্লাদীনি শক্তি শ্রীমতি রাধাঠাকুরানীর শুভ আবির্ভাব তিথি "শ্রীরাধাষ্টমী" মহোৎসব -২০২৬ এবং

মহা-অভিষেক।

– শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির ইসকন গোপালগঞ্জ।

19/09/2026

বন্দাবনের নন্দদুলাল ভজন।

শ্রী গোপাল দাস
ইসকন স্বামীবাগ, ঢাকা।

18/09/2026

পদাবলী কীর্তন। || নৌকা বিলাস ||

হরে কৃষ্ণ !!!সুধী ভক্তবৃন্দ আসছে আগামীকাল ১৯ শে সেপ্টেম্বর,  রোজ শনিবার _শ্রীমতি রাধা ঠাকুরানীর শুভ আবির্ভাব তিথি "শ্রীর...
18/09/2026

হরে কৃষ্ণ !!!
সুধী ভক্তবৃন্দ আসছে আগামীকাল ১৯ শে সেপ্টেম্বর, রোজ শনিবার _
শ্রীমতি রাধা ঠাকুরানীর শুভ আবির্ভাব তিথি "শ্রীরাধাষ্টমী" মহোৎসব।

অনুষ্ঠানসূচি:
১. বেলা ১১ টা হতে অভিষেক ।
২. দুপুর ১২.০০ টা হতে হরিনাম সংকীর্তন ।
৩. দুপুর ১.০০ থেকে ২.০০ পর্যন্ত ভাগবত আলোচনা ।
৪. দুপুর ২.০০ টায় মহাপ্রসাদ বিতরণ ।

বিঃদ্রঃ দুপুর ১২ টা পর্যন্ত উপবাস ।

উক্ত অনুষ্ঠানে সবাইকে নিমন্ত্রণ ।

🛕স্থানঃ শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দির,
কেন্দ্রীয় জেলা ইসকন মন্দির
পাঁচুড়িয়া, গোপালগঞ্জ ।

হরে কৃষ্ণ সুধী গৌরভক্তবৃন্দ, আগামীকাল পবিত্র "অন্নদা একাদশী" ব্রত।  ভগবানের প্রীতি বিধানের জন্য সকলে একাদশী ব্রত পালন কর...
06/09/2026

হরে কৃষ্ণ
সুধী গৌরভক্তবৃন্দ, আগামীকাল পবিত্র "অন্নদা একাদশী" ব্রত। ভগবানের প্রীতি বিধানের জন্য সকলে একাদশী ব্রত পালন করুন।

অন্নদা একাদশী ব্রতের মাহাত্ম্যঃ

ভাদ্রবতী কৃষ্ণপক্ষীয়া অন্নদা একাদশীর মাহাত্ম্য ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে বর্ণনা করা হয়েছে।মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন- হে কৃষ্ণ! ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম কি, তা শুনতে আমি অত্যন্ত আগ্রহী।শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে রাজন! আমি সবিস্তারে এই একাদশীর কথা বর্ণনা করছি। আপনি একাগ্রচিত্তে শ্রবণ করুন।ভাদ্রের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীকে বলা হয় “অন্নদা”। এই তিথি সর্বপাপ বিনাশিনী। যিনি শ্রীহরির অর্চনে এই ব্রত পালন করেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হন। এমনকি এই ব্রতের নাম শ্রবণেই রাশি রাশি পাপ বিদুরিত হয়ে যায়। এই ব্রত প্রসঙ্গে একটি পৌরাণিক ইতিহাস রয়েছে। প্রাচীনকালে হরিশ্চন্দ্র নামে এক নিষ্ঠাপরায়ন সত্যবাদী , চক্রবর্তী রাজা ছিলেন। পূর্ব কর্মফল ও প্রতিজ্ঞার সত্যতা রক্ষায় তিনি রাজ্যভ্রষ্ট হন। অবস্থা এমন হল যে, তিনি নিজের স্ত্রী-পুত্র এবং অবশেষে নিজেকেও পর্যন্ত বিক্রি করতে বাধ্য হলেন।হে রাজেন্দ্র! এই পুণ্যবান রাজা চণ্ডালের দাসত্ব স্বীকার করেও সত্যরক্ষার্থে দৃঢ়নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছিলেন। তিনি শ্মশানে মৃতব্যক্তির বস্ত্রও কর রূপে গ্রহণ করতেন।

এইভাবে তাঁর বহু বছর কেটে গেল। দুঃখসাগরে নিমজ্জিত হয়ে ‘কি করি, কোথায় যাই, কিভাবে এ দুর্দশা থেকে উদ্ধার পাই’- এই চিন্তায় তিনি দিনরাত্রি বিভোর হলেন। এমন সময় দৈবক্রমে পরদুঃখদুঃখী গৌতম ঋষি রাজার কাছে এলেন। রাজা মুনিকে দর্শন করে ভক্তিভরে প্রণাম করলেন। করজোড়ে তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে একে একে নিজের সমস্ত কথা জানালেন। রাজার দুঃখের কথা শুনে মুনিবর বিস্ময়াপন্ন হলেন।অত্যন্ত ব্যথিত হয়ে তিনি বললেন-‘ হে রাজন! ভাদ্র মাসে কৃষ্ণপক্ষের একাদশী অন্নদা নামে জগতে প্রসিদ্ধ। আপনি এই ব্রত পালন করুন। এই ব্রতের প্রভাবে আপনার সমস্ত পাপের বিনাশ হবে। আপনার ভাগ্যবশত আগামী সাত দিন পরেই এই তিথির আবির্ভাব হবে। ঐ দিন উপবাস থেকে রাত্রি জাগরণ করবেন। এইভাবে ব্রত উদযাপনে আপনার সমস্ত পাপক্ষয় হবে। হে রাজন! আপনার পুন্যপ্রভাবে আমি এখানে এসেছি জানবেন। এইকথা বলে গৌতম মুনি অন্তর্হিত হলেন। ঋষিবরের উপদেশ মতো তিনি শ্রদ্ধা সহকারে সেই ব্রত পালন করলেন। তার ফলে তাঁর সমস্ত পাপ দূর হল। হে মহারাজ! এই ব্রতের প্রভাব শ্রবণ করুন। যথাবিধি এই ব্রত পালনে বহু বছরের দুঃখভোগের অবসান হয়। ব্রতের প্রভাবে রাজা হরিশ্চন্দ্রের সকল দুঃখ সমাপ্ত হল। পুনরায় তিনি স্ত্রীকে ফিরে পেলেন এবং তাঁর মৃতপুত্রও জীবিত হল। আকাশ থেকে দেবগণ দুন্দুভিবাদ্য ও পুষ্পবর্ষণ করতে লাগলেন। নিষ্কণ্টক রাজ্যসুখ ভোগ করে অবশেষে আত্মীয়স্বজন ও নগরবাসী সহ স্বর্গে গমন করলেন। যে মানুষ নিষ্ঠা সহকারে এই ব্রত পালন করেন, তিনি শ্রীহরি চরণে ভক্তি লাভ করে অবশেষে দিব্যধাম গমন করেন। এই ব্রতের মাহাত্ম্য পাঠ ও শ্রবণে অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল লাভ হয়।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

06/09/2026

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণর শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে — ভগবানের মহা-অভিষেক দর্শন করে বিশেষ কৃপা লাভ করুন।

স্থান: শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির, ইসকন গোপালগঞ্জ।

Address

228 Iskcon Temple Road, Panchuria
Gopalganj
8100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ISKCON GOPALGANJ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ISKCON GOPALGANJ:

Shortcuts

Share