Molla Saheb

Molla Saheb Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Molla Saheb, Dhaka, Gazipur.

পথমোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লাপথ বলতে এখানে চলাচলের রাস্তার কথা বলছি ।যেদিন থেকে মানুষের নির্দিষ্ট গন্তব্য নির্ধারিত হয়ে...
25/05/2026

পথ
মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লা

পথ বলতে এখানে চলাচলের রাস্তার কথা বলছি ।যেদিন থেকে মানুষের নির্দিষ্ট গন্তব্য নির্ধারিত হয়েছে আর সেই গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছার প্রয়োজন অবসম্ভাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে তখন থেকেই পথের সৃষ্টি । প্রথম পথ তৈরি হয়েছে -পায়েচলা পথ । তারপর প্রয়োজন অনুসারে পথের বহুমুখী উত্তরণ ঘটেছে ।
পথ হলো ফিরে আসার একটি সূত্র ।যেখানেই যাওয়া হোক -যেখান থেকেই যাওয়া হোক-–পূর্বের স্থানে যাতে সঠিকভাবে ফিরে আসা যায়-এই চিহ্নিতকরণ পদ্ধতির নামই পথ । এই একটি বিষয়ই মানবগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নতি বয়ে এনেছে ।মানুষ নিজের কাছ থেকে দূরে সরে যেতে পেরেছে -আবার ফিরে আসতে পেরেছে ।
মানুষকে সভ্য হয়ে ওঠতে- সভ্যতা তৈরি করতে একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে পথ।
মানুষ যেদিন তার পথটি নির্ধারণ করতে পেরেছে –সেদিনই তার গন্তব্যে পৌঁছার অভিলাষ পূর্ণ হয়েছে ।সেই বিন্দু থেকেই নতুন অনুসন্ধানের দুয়ার খুলে গেছে । গন্তব্যে পৌঁছা যায় আবার সেখান থেকে ফিরে আসা যায় ; বাহ !কী চমৎকার বিষয় । এই আসা যাওয়ার আনন্দ থেকেই মানুষ নতুন নতুন স্থানে গমন করেছে আর জনপদ গড়ে তুলেছে ।
আদিম মানুষ তার ঠিকানা চিহ্নিত করতে পেরেছে পথ তৈরির মাধ্যমে । পথই বন্য জন্তু জানোয়ারের স্তর থেকে মানুষকে আলাদা উন্নত প্রাণি হতে সাহায্য করেছে ।
সভ্য হতে হতে মানুষেরা সৃষ্টি জুড়ে তাদের প্রয়োজন মতো পথ তৈরি করে নিতে সক্ষম হয়েছে । স্থলপথ- জলপথ -আকাশপথ; সবখানে তারা পথ তৈরি করে পরিভ্রমণ করছে ।
চিন্তা চেতনাতেও তারা পথ নির্ধারণ করে নিতে পেরেছে । সু-পথ ,কু-পথ, ভুল পথ এসব বিশেষণে মানুষেরা নিজেদের জ্ঞান-বিবেক মননকে ব্যবহার করতে পেরেছে । পার্থিব -অপার্থিব পথেরও সন্ধান তারা করেছে এবং এক ধরনের সমাধানও করে নিয়েছে ।
কিন্তু এই পথ থেকেই পথ আর মতের ভিন্নতা তৈরি হয়েছে ।এই চলাচলের পথই একটিু একটু করে চিন্তা চেতনা বিশ্বাস অবিশ্বাস আর মতামতের যায়গায় ছায়া ফেলেছে ।পথ হয়ে ওঠেছে পন্থা -উপায় -কৌশল এরকমের আরো অনেক কিছূ ।
ভুল পথ-–সঠিক পথ-সু পথ -কু পথ এসব বিতর্ক আর ঝামেলাও তৈরি হয়েছে।এই ঝামেলার মধ্যেই নানা পথের নানা মতের মহাপুরুষ আর শুদ্ধ মানুষদের আগমন ঘটেছে । তাদের মতবাদ নানা ধরনের সুপথের নির্দেশনা দিয়েছে । তবে কোন মানুষই পথের কাঁটা বা পথের বাঁধাকে সমর্থন করেননি । বরং সুগম পথের সৃষ্টি একটি পূণ্যকাজ বলেই স্বীকৃত হয়ে আছে ।
দুঃজনকভাবে এটাই সত্যি এই কথায় মানুষেরা কান দেয় না । তারা বুঝে শুনেই ধর্মের কথা পূণ্যের কথা মানবতার কথাকে অস্বীকার করে । নিজেরা দুষ্ট চরিত্র ধারণ করে সব ধরনের ঝামেলা তৈরি করে এই পথের উপরেই । পথ দখল করে -পথ ধ্বংস করে—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে পথে বোধা বিপত্তি সৃষ্টি করে ।
বিরোধ-–অবরোধ-মারামারি খুনোখুনি সব পথের উপর । যে পথের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে –সে’ই বিজয়ী ।যুদ্ধকালীন সময়ে শত্রপক্ষ পরস্পরে পরস্পরের পথকে ধ্বংস করে ।
মানুষ পথকে যতটা মুক্ত রাখতে চায় প্রতিব্ন্ধকতা সৃষ্টি করে তার চেয়ে অনেক বেশি ।
নগর বানাতে পারলেই সভ্যতা প্রমাণ করা যায় না । ভাল পোশাক পরলে বা ভাল খাবার দাবার খেলেই তাকে সভ্য বলা ঠিক না । সভ্য বলা যাবে তখনি- যখন লোকেরা তার চলাচলের রাস্তা অবাধ দখলমুক্ত এবং সর্বসাধারণের জন্য সুগম করে তুলতে পারবে ।
মানবসভ্যতার সংজ্ঞা -পথ বা রাস্তার উন্নতি তথা চলাচলের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিকেই বোঝায় ।
আমাদের দেশে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার ইঞ্জিনিয়ার এবং জনপ্রতিনিধিদের অনেকেই পথ ঘাট রাস্তা নির্মাণের বাজেটের টাকা চুরি করে । রডের বদলে বাঁশ দেয় -ইঁট বালি বা ঢালাইয়ের কাজে করে মহা দুর্নীতি । তারা আবার তীর্থে গমন করে পূণ্য কামাতে চায় ।
রাস্তার দুর্নীতির চেয়ে বড় আরো পাপ কী আছে ?সব ধর্মেই তো পথমুক্তির কথা মহান ভাষায় লেখা আছে । আমাদের দেশে বেশির ভাগ মানুষই মুসলিম । আমাদের নবীজীও তো পথকে কাঁটা মুক্ত রাখতে বলেছেন । এটা সাদকায়ে জারিয়া । ইসলামী মতে মুসলিমের মৃত্যুর পর সকল আমল নামা বন্ধ হয়ে যায় । শুধু কিয়ামত পর্যন্ত জারি থাকে সাদকায়ে জারিয়ার পূণ্য । সাদকায়ে জারিয়ার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপর্ণ হচ্ছে পথ ।
অথচ আমাদের মধ্যে পথ নিয়েই বেশি বিরোদ। নবীজীর নির্দেশ মানে কয়জনে ?
পথ বা রাস্তা নির্মাণ করা -সুগম করা-–জঞ্জালমুক্ত করা -আর তার দু’ধারে ফুল -ফলের বৃক্ষ রোপন করে সুশোভন - ছায়াসুশীতল পরিবেশ ধরে রাখার মতো পূণ্য অথবা মানবতার এতবড় কাজ কী আর কিছু হয় ? অথচ আমরা কী করি ? পথের উপরে ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখি । রাস্তার পাশে নর্দমা ভাগাড় বানাই । ময়লা ফেলতে ফেলতে স্তূপ করে রাখি । দুর্গন্ধে নাক চেপে ধরে হাঁটতে হয় পথচারীকে এটা নিঃসন্দেহে ঘৃণ্য এবং লজ্জাজনক কাজ ।
প্রত্যেক রাষ্ট্রেরই স্থল জল আকাশ পথের এক একটি মন্ত্রণালয় থাকে ।সেই মন্ত্রলয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমকর্তা কমচারী তথা পুরো সরকারেরই দায়বদ্ধতা আছে রাষ্ট্রের সব ধরনের পথকে সঠিকভাবে উপযোগী রাখা । এর যে কোন ব্যত্যয়ের জবাব সংশ্লিষ্ট কর্ত্রপক্ষকে দিতে হবে । সেটা ইহজাগাতিকভাবেও -পরজাগতিক ভাবেও সত্য ।
পৃথিবীতে সভ্যতা যত বিস্তৃত হচ্ছে মানবতা তত ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে । মানুষেরা যত পথ তৈরি করতে পারছে -তত অমানবিক কাজের ক্ষেত্র প্রসারিত করতে পারছে ।
স্থলপথে আর্টিলারী-জলপথে রণতরী –আকাশ পথে যুদ্ধ বিমান ; আহ কী মহড়া –কী দাপট হুমকি ধামকি -এই হলো মানুষের অসভ্যতা প্রদর্শন ।যুদ্ধ সরঞ্জাম পাঠাতে পথে কোন সমস্যা হয় না –কিন্তু গরীব ক্ষুধার্ত কোন দেশে খাদ্য বস্ত্র অষুধ –ত্রাণ পাঠাতে কত শত বাঁধা!
পথের বাঁধা’ই সত্যিকারের বাঁধা । পথের মুক্তিই সত্যিকারের মুক্তি ।
যে জাতি পথের মর্যাদা বুঝে –সে জাতি গন্তব্যে পৌঁছে যায় ।অন্যরা পড়ে থাকে পথের ধারে।

23/05/2026

অনেক বই তো পড়া হলো
মৃত সে বই জড়
মানুষ হলো জীবন্ত বই
মানুষ খুলে পড়ো ।

মোল্লা সাহেব

মোশারফ করিম আমার বন্ধু। অনেক পুরনো বন্ধু। মিডিয়ার শুরুর দিকের বন্ধু । আমরা এক সাথে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম । আমি কতটুকু ...
17/05/2026

মোশারফ করিম আমার বন্ধু। অনেক পুরনো বন্ধু। মিডিয়ার শুরুর দিকের বন্ধু । আমরা এক সাথে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম । আমি কতটুকু পেরেছি -জানি না -তবে সে পেরেছে । বাংলা ভাষাভাষি নাটক সিনেমার দর্শকদের কাছে সে খুবই পছন্দের শিল্পী -ভালবাসার মানুষ ।
-------------একজন অভিনয় শিল্পী যতটা পরিশ্রম করলে একজন মোশারফ করিম হয়ে ওঠতে পারে -মোশারফ তার চেয়ে বেশি পরিশ্রম করে মোশারফ করিম হয়েছে । অভিনন্দন তাঁকে ।
----------একজন অভিনয় শিল্পীর প্রধান গুণ হচ্ছে সব ধরনের চরিত্রে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে সফল করে তোলা -মোশারফ সেটা এই সময়ে অপ্রতিদ্বন্দী হিসেবে পেরেছে ।----
----একুশে টেলিভিশনের যাত্রা শুরুর দিকে আমি একটি সিরিয়াল লিখেছিলাম --নাম ছিল ‘গ্রাস’ – সেই সিরিয়ালে মোশারফ তার ক্যারিয়ারের প্রথমদিকের অভিনয় করে আমাদের বন্ধু মহলে জানান দিয়েছিল -সে আসছে । সেই সিরিয়ালে মূল একটি চরিত্র করছিল জাহিদ হাসান। জাহিদ বলেছিলেন মোশারফ সবাইকে ছাড়িয়ে যাবে ।জাহিদ তাকে যথার্থ মূল্যায়ন করতে পেরেছিলেন । ---আমার লেখা বাংলাভিশনের সাত পর্বের সিরিয়াল ‘বাড়াবাড়ি’ নাটকে মোশারফ অনবদ্য অভিনয় করেছে । এখনো ইউ টিউবে বাড়াবাড়ি নাটকের দর্শক সংখ্যা কোটি কোটি । সালাহউদ্দিন লাভলু নিপূণভাবে পরিচালনা করেছেন এ নাটক ।
মোশারফ ঢাকার থিয়েটার গ্রুপ ‘নাট্যকেন্দ্রের ’একজন সফল সদস্য । এই গ্রুপের আরো অনেকজন প্রথিতযশা অভিনেতা -অভিনেত্রী আছেন ।তৌকির আহমেদ ও জাহিদ হাসান আর তাদের গুরু তারিক আনাম খান ; নাট্য সংগঠক ও অভিনেতা ঝুনা চৌধুরী -নির্মাতা গায়ক অভিনেতা ফজলুল করিম তুহিন –অভিনেতা গোলাম ই মোস্তফা—নাট্য নির্দেশক প্রশিক্ষক ইউসুফ হাসান অর্ক এই গ্রুপেরই সদস্য । নাট্যকেন্দ্র অনেক দিয়েছে আমাদের মঞ্চ ও মিডিয়ায় । অভিনন্দন নাট্যকেন্দ্রকে ।-
মোশারফ করিম নিরহংকার স্বভাবের একজন ভাল মনের মানুষ ।নিজের কাজের প্রতি সিরিয়াস এবং সিনসিয়ার। যা বুঝে নিজের মতো করে বুঝে –অন্যের বিষয়ে নাক গলানো তাঁর স্বভাবে নেই।
বাংলাদেশের সব যুবক যুবতিরই শুরুর দিকে কঠিন সময় পার করতে হয় । টিকে থাকার জন্য ন্যূনতম অবস্থানে থেকেও জীবিকা চালিয়ে নিতে হয় -মোশারফও তাই করেছে ।
খুবই অনিশ্চিত যাত্রার কাল ছিল সেটা --তখন সে একটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করছিল ।
----অনিশ্চিত হতাশার দিনগুলিতে আমরা কত দিনরাত পথের বাতাসে ঘুরে ঘুরে কাটিয়েছি । দিনের আলো -আর রাতের চাঁদের প্রভা আমাদের শতবার আনন্দ অবগাহনে ডুবিয়েছে ---একদিন একটা কিছু হয়ে ওঠবো –একদিন সৌভাগ্যের চূড়ায় পরিভ্রমণ করবো –তারপর --তারপর ? ----
---তারপর মোশারফ এখন ভাল আছে ।
-----মোশারফ আনাড়ি কেউ না –শিল্প সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনা জানা লোক ।সঙ্গীতে তার ভাল দখল । লিখেও ভাল । প্রতিদিন প্রতিনিয়ত চর্চার মাধ্যমে নিজেকে মানিয়ে নেয় সমসাময়িক জীবনাচরণের সাথে । এ কারণেই সে পিছিয়ে বা পুরনো হয়ে পড়ছে না । আজন্ম রসিক স্বভাবের প্রাণ চঞ্চল হাসি খুশি একজন বন্ধু বৎসল মানুষ সে । আড্ডায় দারুণ জমপেশ চরিত্র । হালকা পলকা থেকে ভাব গম্ভীর বিদগ্ধ বিমূর্ত সব ধরনের আলোচনায় সে সমান প্রয়োজনীয় অংশগ্রহণকারী ।
মোশারফ মানবিক মানুষ । মানুষের অসহায়ত্ব তার চোখে জল আনে । হেলপফুল একজন মানুষ সে ।
-----এক লেখায় এত কী বলবো ? আরো আরো অনেক লেখায় মোশারফ সম্পর্কে নানা দিক তুলে ধরবো । মোশারফ করিম সম্পর্কে আমি বলতে চাই -কারণ তাঁর সম্পর্কে বলার প্রয়োজন আছে ।

স্লোগান ।---------এটা এমন একটি অভিব্যক্তির প্রকাশ -যা নীতিবাক্য হিসেবে উচ্চারিত হয় ।যে বাক্যে একটি শুভ ম্যাসেজ থাকে ।সেট...
15/07/2025

স্লোগান ।
---------এটা এমন একটি অভিব্যক্তির প্রকাশ -যা নীতিবাক্য হিসেবে উচ্চারিত হয় ।যে বাক্যে একটি শুভ ম্যাসেজ থাকে ।সেটা প্রতিবাদের -বিদ্রোহের বা প্রতিরোধের -সংস্কারের প্রচন্ড এক হাতিয়ার হিসেবে কার্যকর হয় ।---------
--------স্লোগান রাজনীতির ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য । অন্য যে কোন বিষয়েও স্লোগান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ।
-------স্লোগান জন সমষ্ঠিকে বিশেষ কোন একটি উদ্দেশ্য সাধনের জন্য উদ্বুদ্ধ করে -জাগ্রত করে -সচেতন করে । এসব কারণেই স্লোগান একটি শুভ উদ্যেগের ভাষা—অবশ্যই তা পজেটিভ দিক নির্দেশ করে ।
----------আমাদের দেশের রাজনীতিতে স্লোগান এক ধরনের পজেটিভ ইমোশন বহন করে ।এমন স্লোগানও আছে যেটা পরস্পর বিরোধী পক্ষেরাও একইভাবে ব্যবহার করে ।
--------স্লোগান এমন একটি কোরাশ সৃষ্টি করে যা শ্রুতিমধুর ধ্বণি প্রতিধ্বনির আবহে বিপুল মানুষের সেন্টিম্যান্টকে এক প্লাটফর্মে উপস্থাপন করে ।---------স্লোগান কোন গালাগালির বিষয় না ।
-----------ইদানীং কিছু স্লোগান শুনছি -- অসভ্য নোংরা ভাষায় স্লোগান হচ্ছে।মানুষ তা মোটেই পছন্দ করছে না। জন সমুখের-বিশ্বমিডিয়ার সামনের স্লোগানের ভাষা অবশ্যই সংযত আর ভদ্রোচিত হতে হবে ।
------- নতুন প্রজন্মকে আরো দায়িত্বশীল হতে হবে। নতুন মানেই কিন্তু সুন্দর না ---নতুন মানেই আধুনিক না ।নতুন হলেই তা গ্রহণযোগ্য হবে তা ঠিক না ।সভ্যতার একটি স্বাভাবিক প্রবাহ আছে –নতুনকে সেই প্রবাহের ভিতর দিয়ে যেতে যেতে নতুনত্ব আনতে হয় ।----
----------প্রতিপক্ষের সমালোচনা করার—আক্রমণ করার ভাষা অবশ্যই সুন্দর আর যুক্তিপূর্ণ হতে হবে –না হলে নিজের অসভ্য রূপ বেরিয়ে আসবে—যা নিজেকেই ছোট করবে ।------
----------নতুনদের পদযাত্রাকে সমর্থন করি ;তা অবশ্যই নতুন সভ্যতা বিনির্মাণের জন্য হতে হবে । পুরনোকে পরিত্যাগ করতে গিয়ে নিজের খেই হারিয়ে ফেললে চলবে না।-------
-----আমি যে সুন্দর সভ্য শুভ –এটা যখন প্রমাণিত হবে ---অন্যরা তখন নিজের উপলব্ধি থেকেই আমার পক্ষে চলে আসবে ---সে পর্যন্ত ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে---নিতে হবে নিজেকে প্রমাণ করার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি।

30/03/2024

শিল্প সাহিত্য চলচিত্র নির্মাণ কৌশল ও অন্যান্য নানা প্রসঙ্গেঁ লেখক- নাট্যকার মমিনুল ইসলাম ও নির্মাতা-অভিনেতা সাল....

ঋণমমিনুল ইসলামএক পরিবারে তিনটি ছেলে ছিল ।বড় ছেলেটি মারামারি কাটাকাটি করে বেড়ায় ।এলাকায় সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। এ নিয়ে প...
17/03/2024

ঋণ
মমিনুল ইসলাম

এক পরিবারে তিনটি ছেলে ছিল ।বড় ছেলেটি মারামারি কাটাকাটি করে বেড়ায় ।এলাকায় সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। এ নিয়ে পরিবারের লজ্জা আর টেনশনের শেষ নেই । এক খুনের মামলায় তার যাবজ্জীবন জেল হলো ।পরিবার আর এলাকার লোকেরা বলাবলি শুরু করলো- এরকম কুপুত্র থাকার চেয়ে পুত্র না থাকাটাই ভাল ।
কিছুদিন পরে মেজো ছেলেটি নেশা ধরলো । মাদকের প্রতিক্রিয়ার তার চরিত্র ও মেজাজ নষ্ট হলো । সে সবার প্রতি অত্যাচারী হয়ে ওঠলো । প্রথমদিকে এটা সেটা ভাঙচুর –পরে চুরি আর শেষে পরিবারের লোকদের উপরে নির্যাতন শুরু করলো । একপর্যায়ে-বাবা মায়ের গায়েও হাত তুলতে শুরু করলো। এবার পরিবারের মান ইজ্জত একেবারে ধুলায় মিশে গেল । সবাই বলাবলি করতে থাকলো –এই কুলাঙ্গারের চেয়ে তো বড় ছেলেটাই ভাল ছিল।
কিছুদিন পরে তৃতীয় ছেলেটি বাবা মাকে বুঝাতে সক্ষম হলো –এবার পরিবারের দায় দায়িত্ব তাকেই নিতে হবে । কারণ বড় দুই ভাই তো শেষ –পরিবারের হাল কে ধরবে ?সে ব্যবসার উদ্দেশ্যে বাবাকে দিয়ে ব্যাংক থেকে কিছু টাকা ঋণ করালো । তারপর ব্যবসায় লোকসান গুনতে শুরু করলো এবং আরো টাকা ঋণ নিয়ে ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করতে লাগলো । এক সময় তার ব্যবসা থাকলো না –থাকলো শুধু ব্যাংক ঋণ । সুদে আসলে সে ঋণ বাড়তে থাকলো এবং এক পর্যায়ে ঋণ খেলাপী হয়ে বসলো । তখন হলো অর্থঋণে মামলা –গেলো সে জেলে। সম্পত্তি হলো নিলাম । বাড়িভিটা ছাড়া হয়েও ঋণের জালে আটকা পড়ে সবাইকে ঋণের ঘানি টেনে যেতে হলো বছরের পর বছর ধরে ।
তখন সবাই বলতে শুরু করলো –এই ছোট বজ্জাতের চেয়ে তো বড় দুটিই ভাল ছিল ।
আসলে কোন ছেলেটি ভাল ছিল?
সন্ত্রাস
মাদক
ঋণ
কোনটি সবচে বেশি মারাত্মক ?

যারা একবার ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছে –তারা দিতে পারবে সঠিক উত্তর ।

প্রচেষ্টা থাকলে সন্ত্রাস থেকে মুক্তি মিলে-সদিচ্ছা থাকলে মাদক থেকে ফিরে আসা যায়-কিন্তু প্রচেষ্টা সদিচ্ছা আন্তরিকতা সহমর্মিতা কোন কিছুই ঋণ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য যথেষ্ঠ নয় ।কারণ ঋণ মুক্তির জন্য শুধুই টাকার প্রয়োজন ।
ঋণ এমন এক ভয়ংকর অক্টোপাস-যে অসংখ্য শক্তিশালী পা দিয়ে একজন ঋণগ্রহিতাকে প্যাচিয়ে ধরে এবং শেষ পর্যন্ত তাকে নিঃশেষ করে দেয় ।
সুদ -মুনাফা -মুদারাবা -ইন্টারেস্ট নানা কৌশলী শব্দে ঋণ নিজেকে মরণছোবলের আড়াল করে রাখে । চারপাশে কাচা টাকার সুগন্ধ ছড়ায়- শতকন্ঠে প্রচার করে শুধু প্রফিট প্রফিট প্রফিট -লাভ লাভ লাভ ।এই লাভের আশায় –টাকার সুগন্ধে পাগল হয়ে লোকেরা ছুটে ব্যাংক বীমা আর সমিতিগুলির দিকে । সেইসব অফিসে সুন্দর জামা কাপড় পরে হাসি মুখে মধুঝরানো সম্ভাষণ নিয়ে স্বাগত জানায় সুচতুর ঋণদাতাগোষ্ঠী বা ব্যবস্থাপকবৃন্দ ।তারা চোখ জ্বল জ্বল করা ভাষা -বাক্যে ব্যখ্যা করে বোঝায় ঋণ গ্রহণ করা মাত্র একজন উদ্যোক্তা বুলেট ট্রেনের গতিতে উন্নতির চরম শিখরে উঠে যাবে । তাদের মটিভেশনের বাইরে -একটু ভাবা - কোন চিন্তা করার সুযোগ থাকে না সাধারণ মানুষের ।যদিও সাধারণ মানুষেরা লোভ আর আকাঙক্ষা সামলে ওঠতে প্রতিবারই ব্যর্থ হয় ।
-টাকা নিন -বাড়ি করেন –গাড়ি কিনেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেন-খামার বানান –প্রজেক্ট হাতে নিন -লাভের টাকায় কিস্তি দিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যাবেন –আপনার একার কামাইয়ে চৌদ্দ গোষ্ঠী বসে খাবে -দাতাদের মুখে এই লেকচার শুনতে শুনতেই সাধারণ লোকেরা ভাবনার খেই হারিয়ে ফেলে ।তারা আঁতকা ধনী হয়ে ওঠার দিবাস্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়ে ।কল্পনায় তারা চৌদ্দ গোষ্ঠীকে বসে খেতে দেখে; তবে বাস্তবে হাত পেতে পথে বসে যেতে দেখা যায় শতজনকে।কিন্তু তারা বুঝতে পারে না –প্রত্যেক ঋণের পিছেই মর্টগেজ এবং গ্যারান্টর নামের দুটি বিষয় থাকে ।
আমরা চারদিকে একটু দৃষ্টি ফেরালেই দেখতে পাই পরিচিতজনের মধ্যে কত বহুজন ঋণের দায়ে জেল খাঁটছে –সর্বস্বান্ত হয়ে কতজন আত্মহত্যা করছে –কতজন দমফেটে মরেছে-কিন্তু কাউকে বলে বোঝাতে পারছে না কী কষ্টকর দিন তারা পার করছে ।
-আমাকে ব্যাংক বীমার মতো অনেক প্রতিষ্ঠানের কর্তা ব্যক্তিরা ঋণ গ্রহণের জন্য নানাভাবে ফুঁসলিয়েছেন—কিন্তু এ বিষয়ে আমি ভীতু বলেই হয়তো কোটি কোটি টাকার মায়াবী হাতছানিতে সাড়া দেয়ার সাহস পাইনি ।আমি নিজে নিজেই পুরো হিসেব মিলনোর চেষ্টা করেছি ; ধরা যাক এক ব্যাংক থেকে এক কোটি টাকা ঋণ নিলাম । দশ বছরের কিস্তিতে সে টাকা সুদে আসলে এবার শোধ দেয়ার পালা । যাতে সব মিলে যে সুদ যুক্ত হবে সেটিও ঠিক এক কোটি টাকাই । নিলাম এক কোটি দিচ্ছি দুই কোটি । মাস হচ্ছে দশ বছরে ১২০ । মাস প্রতি তাহলে দাঁড়ালো কত ?১ লক্ষ ৭০ হাজারের মতো ।আমাদের দেশের যে অবস্থা –তাতে প্রতিমাসে কী এই টাকা ইনকাম করা সম্ভব ?সম্ভব না হলে ঘাটতি পূরণের উপায় কী ? হয় অন্য সম্পদ বিক্রি করে ঋণ শোধ করতে হবে না হলে দেউলিয়া-জেল -জরিমানা -বংশ পরম্পরায় প্রবাহমান শাস্তি ।

ঋণ নিবেন কী নিবেন না –সে বিষয়ে সব সময় ঋণগ্রস্তদের সাথে পরামর্শ করবেন । যারা ঋণ দেয় তাদের সাথে পরামর্শে যাবেন না । মনে রাখবেন –ঋণ দেয়াটা তাদের চাকরি বা পেশা-[এ পেশায় কেউ নিকটজন থাকলে পরামর্শ করতে পারেন ] এক টাকা ঋণ নিলে এক টাকাই সুদ দিতে হবে । যে যত পার্সেন্টেস দিয়েই বোঝান না কেন –ঘুরিয়ে পেচিয়ে হার্ন্ড্রেট পার্সেন্ট সুদ আপনার কাছ থেকে আদায় করবেই ।
একজন অপরাধীর শাস্তি তার পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকে ।জেল জরিমানা বা মৃত্যুদন্ডেই সমাপ্তি । কিন্তু ঋণের শাস্তি বংশ পরম্পরায় চলে । যায়গা জমি সহায় সম্বল সব বিক্রি করে দিলেও –সুদে আসলে পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত এর দায় থেকেই যায় ।
ঋণের চেয়ে বড় অভিশাপ মানব জীবনে আর নেই । সুতরাং সাবধান !
তবে যাদের সামর্থ আছে বা সুযোগ ও দক্ষতা আছে -তারা বুঝে শুনে ঋণ গ্রহণ করলে লাভবান হলেও হতে পারেন ।পৃথিবী জুড়েই ব্যাংক ঋণ এবং অন্যান্য ঋণের উপরে ভিত্তি করেই ব্যবসা বাণিজ্য চলছে । বলতে গেলে বিশ্ব বাজার ব্যবস্থাই গড়ে ওঠেছে বিশ্ব ঋণ ব্যবস্থার উপরে । সেখানে ঋণ নিয়ে ভয় পাওয়ার তেমন কিছু নেই ।কিন্তু মনে রাখতে হবে বিশ্বশোষণ প্রক্রিয়াও ঋণকে কেন্দ্র করে দিনকে দিন বেড়ে চলছে । বিশ্ব জুড়ে পাতা হচ্ছে বড় বড় ঋণের ফাঁদ । সেই ফাঁদে পড়ে যেমন নিঃস্ব হচ্ছে ব্যক্তি বিশেষ –তেমনি ধ্বংসের মুখে পড়ছে প্রতিষ্ঠান তথা দেশ ও জাতি ।ঋণ বিষয়টির উৎপত্তি যদিও আস্থা বা নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে হয়ে আসছে –সেটা হয়তো মধ্যযুগে ঠিক ছিল । এখন আর সেই আস্থা বা নির্ভরতার যায়গাটি ঠিক নেই ।এখানে নানা হিসেবের সুদের ধরন বা চক্রবৃদ্ধিহারে সুদের বলয় –এ বিষয়টি ভীষণ উদ্বেগের ।
ঋণমুক্ত জীবনই সত্যিকারের স্বাধীন জীবন । সেটা যেকোন ধরনের ঋণমুক্তির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য ।

https://youtu.be/n2qcD5zCRL0
13/11/2023

https://youtu.be/n2qcD5zCRL0

কারার ঐ লোহ কপাট -----বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা ও সুর করা এ গানটিকে সম্প্রতি বলিউডের মিউজিক ডিরেক...

সুস্থতার চেয়ে বড় আর কোন নিয়ামক নেই ।যে কোন অসুস্থতাই অভিশাপ ।আমরা নিশ্চয়ই কেউ অসুস্থ হতে চাই না । আমরা অবশ্যই অসুস্থদের ...
03/06/2021

সুস্থতার চেয়ে বড় আর কোন নিয়ামক নেই ।যে কোন অসুস্থতাই অভিশাপ ।আমরা নিশ্চয়ই কেউ অসুস্থ হতে চাই না । আমরা অবশ্যই অসুস্থদের সুস্থতা কামনা করি ।
কিন্তু আমাদের এই শুভকামনাটাকে ফলপ্রসূ করবে কে ? একজন ডাক্তার ।
ডাক্তার হচ্ছেন সেই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি –যার কাছে অসুস্থ লোকেরা বাঁচতে আসে । জীবন মরণের মালিক আল্লাহ তায়ালা । কিন্তু ডাক্তার হচ্ছেন সবচেয়ে বড় উছিলা ।
একজন ডাক্তারকে অবশ্যই তার সৌভাগ্যের কথা স্মরণ রাখতে হবে । কাজ করতে হবে মানবিক বোধ বিবেক আর জ্ঞান দিয়ে । যারা ডাক্তারের সেবা প্রত্যাশী তাদেরকেও সম্মান ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে হবে ডাক্তারের প্রতি । েএবার একজন ডাক্তারের কথা বলি ।
ডাক্তার মুহাম্মদ আবুল হাসাইন । ভীষণ স্বপবাজ এবং পরিশ্রমী একজন ডাক্তার । গাজীপুর- শ্রীপুরের সবচেয়ে জনপ্রিয় বেসরকারী হাসপাতলটিই তিনি গড়ে তুলেছেন ।নাম –আল হেরা হসপাতাল । বিশ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে বৃহত্তর একটি অঞ্চলের মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করেছেন ।মাওনা চৌরাস্তার আল হেরা হসপাতাল এখন স্বাস্থ্যসেবার অনন্য এক দৃষ্টান্ত ।
ডাক্তার আবুল হেসাইন এবং তার স্ত্রী ডাক্তার মরিয়ম দিনরাত হসাপাতাল খোলা রেখে ২৪ ঘন্টা ননস্টপ সেবা দান অব্যাহত রেখেছেন । এই করোনা মহামারিতেও তারা অক্লান্ত এবং মানবতার জন্য নিবেদিত ।
আবুল হোসাইনকে আমি অতি শৈশব থেকে চিনি । সম্পর্কে ভাগ্নে। ভীষণ ভাল ছাত্র ছিল সে । সব ক্লাসেই প্রথম আর সব পরীক্ষাতেই ফার্স্ট ডিভিশন পর্যাপ্ত নাম্বার পেয়ে । পড়ালেখা করেছে সরকারী মেডিক্যাল কলেজে-ময়মনসিংহে ।বি সি এস এ কোয়ালিফাই করে হয়েছে সরকারী ডাক্তার ।

কয়েকমাস আগে ডাক্তার আবুল আমাকে ধরে বসলো –মামা আসুন না আমার সাথে -কিছু স্বপ বাস্তবায়ন করি ।
কী স্বপ্ন ?
আমাদের হাসপাতালটাকে ধীরে ধীরে ন্যাশনাল ও ইন্টারন্যাশনাল পর্যায়ে উন্নীত করবো । সর্বাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর করে লেটেস্ট সেবা নিশ্চিত করবো । একটি ম্যাডিকেল কলেজ গড়ে তুলবো ।
ব্যাস –তা আমি করবো কী ? আমি পড়াশোনা করেছি সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ে- আর লিখি নাটক কবিতা ।
এই জন্যেই তো আপনাকে আমার দরকার ।হাসাপাতাল তো একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান । সেটা আপনি ছাড়া কে গড়ে তুলবে ? আসুন প্লীজ ।
পজেটিভ ভাবনা –নিগেটিভ উত্তর দেই কী করে ?
আবুল হোসা্ইন আমাকে ধরে নিয়ে তার সবথেকে বড় অফিসের বড় চেয়ারে বসিয়ে দিলো । ধীরস্থির হয়ে সব দেখতে শুরু করলাম । মনটা খুব ভাল হয়ে গেল । মনের অজান্তেই অনেক দায়বোধ ঘাড়ে চেপে বসলো । এইখানে –এইখানেই আমাকে মেধা মনন খাঁটাতে হবে । দিন রাত কত মানুষ যে সেবা নিতে আসছে –মানুষের জীবনে যে কত ধরনের সমস্যা এখানে এসেই নিজের চোখে দেখলাম ।
হাসপাতাল এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে মানুষেরা বাঁচতে আসে । মানুষের এই বেঁচে ওঠার কাজে আমাকে সাহায্য করতে হবে ।
বিষয়টিকে সিরয়াসলি নিলাম ।দুজন পরামর্শ করে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে শুরু করলাম একটির পর একটি ।
হাসপাতাল ও –ডাক্তারদের সম্পর্কে চারপাশে অনেক নিগেটিভ প্রচারণা আছে -সেসবের সত্যতা কতটুকু নিজের চোখে দেখতে থাকলাম । যে কোন মানেরই একজন ডাক্তার কতটা ত্যাগ স্বীকার করে অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ায় তা নিজের চোখে দেখলে উপলব্ধিটা অন্যরকম হয় । অনেক ভুল ধারনা সঠিক হয়।
আমরা দুজনে চিহ্নিত করলাম সেবাখাতের ঠিক কোনদিকগুলিতে বিশেষ দৃষ্টি দিবো ! প্রথমত সেবা হবে মানবিক –বাণিজ্যটাকে যতটা সহনীয় পর্যায়ে রাখা যায় আর ডাক্তার সেট করতে হবে সেরা মানের ।
টেষ্ট হতে হবে নিয়ন্ত্রিত এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে । অযথা টেষ্ট বাড়িয়ে রোগীর খরচা বাড়নো যাবে না ।টেস্ট এর যত যন্ত্রপাতি সব হতে হবে উন্নত মানের এবং লেটেস্ট ভার্সনের । গাইনী-সার্জারি –ইমারজেন্সি -ডেন্টাল –অর্থপ্যাডিকস- শিশু এসব ডিপার্টম্যান্টকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে । ডায়গনস্টিক রেজাল্ট একুরেট করার জন্য সবথেকে সতর্ক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে । আর হাসপিটালের ছোট বড় সব চাকরিজীবীদের বেতন ভাতা হতে হবে সন্তুষজনক ।
আমরা একে একে সব পদক্ষেপ গ্রহণ করে অল্প সমযের মধ্যেই সুন্দর একটি নির্ভরযোগ্য সেবার পরিবেশ গড়ে তুললাম ।রোগীর চাপ বাড়তে থকলো সন্তুষ্টি নিয়ে । আমরা বুঝতে পারলাম –আমরা এগুচ্ছি ।

১ জুন ২০২১ –আল হেরা হাসপাতালে ডায়ালাইসিস বিভাগের শুভ উদ্বোধন হলো ।টানা এক মাসের প্রস্তুতিতে এই সাফল্য সবার জন্য সুফল নিয়ে এলো । শ্রীপুরের –মাওনার কোন রোগীকে এখন আর অনেক খরচ করে অনেক কষ্ট করে ঢাকা –ময়মনসিংহে দৌড়াতে হবে না । আল হেরাতেই পাবেন উৎকৃষ্ট মানের ডায়ালাইসিস সেবা ।
সিটিস্ক্যান ও ওপিজি মেশিন যুক্ত হচ্ছে খুব কম সময়ের মধ্যেই । তারপর হচ্ছে আই সি উ ।
আগে যারা আলহেরাতে সেবা নিয়েছেন আর এখন যারা আসবেন –বড় ধরনের একটি পরিবর্তন অবশ্যই অবলোকন করবেন ।নিজেদের সেরা মানে নিয়ে যেতে আপনাদের পাশে চাই । আসুন সহযোগিতায় –সহমর্মিতায় একসাথে হাঁটি –উপভোগ করি -প্রতিদিন নতুন জীবন ।

দে যাকাত দে যাকাত তোরা দে রে যাকাততোর দিল খুলবে পরে –তোর আগে খুলুক হাত ।--কবি নজরুল এভাবে বলেছেন । এখন রমজান মাস চলছে । ...
06/05/2021

দে যাকাত দে যাকাত তোরা দে রে যাকাত
তোর দিল খুলবে পরে –তোর আগে খুলুক হাত ।
--কবি নজরুল এভাবে বলেছেন । এখন রমজান মাস চলছে । এখন যাকাত দেয়ার সময় ।ইসলামের পাঁচটি প্রধান স্তম্ভের একটি যাকাত ।অথচ হজের দিকে মানুষের যতটা আগ্রহ –যাকাতের দিকে ততটা নেই । নামাজ রোজাতে যে পূণ্য খুঁজে ফিরে –যাকাতের বেলায় সে উদাসীন । কিন্তু ইসলামের বিধানে এটা স্পষ্ট –যার উপর যাকাত ফরজ হযেছে সে যদি যাকাত না আদায় করে –তাহলে তার সব সম্পত্তি হারামের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে ।যার সম্পত্তি হারাম তার অন্যকিছু হালাল হওয়া কঠিন ।
---নামাজ রোজা হজ এসব ব্যক্তিগত এবাদত । এ এবাদতে একজন ঈমানদার ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয় ।কিন্তু যাকাত এমন একটি এবাদত যেটি পুরো সমাজ ব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করে । মুসলিমরা যদি সঠিকভাবে যাকাত আদায় করে তাহলে কোন মুসলমান দরিদ্র থাকবে না । এমন কী অন্য ধর্মে বিশ্বাসী মানুষেরাও এর সুফল পাবে ।
আমাদের দেশে যে পরিমাণ কোটিপতি আছে –তারা যদি কোরান হাদিসের হিস্যামতে যাকাত আদায় করে তাহলে একটি মানুষও দরিদ্রের কাতারে থাকবে না ।
আসুন আমরা ধর্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদেক্ষেপগুলিকে কার্যকর করি ।আসুন যাকাত দেই । সমাজের হীন দুস্থ্য দুর্বল রুটিরেজীর মানুষদের পাশে দাঁড়াই । চলুন একসাথে বাঁচি ।
---মনে রাখতে হবে যাকাত দেয়া মানে কিন্তু দরিদ্রের প্রতি দয়া প্রদর্শন না । এটা গরীবের হক । গরীবের টাকা আপনার পকেটে বা একাউন্টে রাখার কোনই অধিকার ধর্ম দেয়নি । যাকাতের টাকা আত্মসাত করে মাস ভরে রোজা রাখবেন –নামাজ পড়বেন –ফল কিন্তু বিফল হবে ।
---রোজাদারের উপহার আল্লাহতায়ালা নিজে দিবেন । আর যাকাত আদায়কারী রোজাদারেরা সেই প্রাপ্তির পথে বহুদূর এগিয়ে থাকে ।
যাকাত আদায়কারী অন্তরের গহীনে পূণ্যের সুঘ্রাণ অনুভব করে । যে জেনেশুনে যাকাত আদায় করে না –তার অন্তরে অপরাধবোধের আগুন জ্বলতে থাকে । প্রকাশ না করলেও সে নীরবে পুড়তে থাকে ।

যৌবনের বন্ধুই শ্রেষ্ঠ বন্ধু । যৌবনের বন্ধুত্বই সেরা বন্ধুত্ব ।কারণ এখানে পুরোটা জুড়েই প্রাণের উপস্থিতি ।বন্ধুত্ব -চিরযুব...
30/07/2020

যৌবনের বন্ধুই শ্রেষ্ঠ বন্ধু । যৌবনের বন্ধুত্বই সেরা বন্ধুত্ব ।কারণ এখানে পুরোটা জুড়েই প্রাণের উপস্থিতি ।বন্ধুত্ব -চিরযুবক চিরযুবতি ।

কিন্তু বন্ধু বিষয়টি কী ?

বন্ধু মানে হচ্ছে ‘অন্য আমি’ ।মানে- আমার মতো আরেকজন ।
বয়স - লিঙ্গ - অবস্থান-পদমর্যাদার এখানে কোন গুরুত্ব নেই ।মন আর মতাদর্শের মিল থাকলেই হলো ।
বন্ধুত্ব একটি টান----যা উপলব্ধি করা যায়-ব্যখ্যা করা যায় না ।

---সমাজ বাস্তবতা সব সময়ই বন্ধুত্বের বিপক্ষে থাকে ।শুধু বিশ্বাস দিয়ে এখানে জিততে হয় ।অস্বীকার করতে হয় অনেক প্রতিষ্ঠিত রীতিকে ।
----কারো সাথে ভাল সম্পর্ক থাকা মানেই কিন্তু বন্ধুত্ব নয় ।বন্ধুর জন্য মন পুড়ে-শূন্য লাগে –হতাশা আসে –বেদনা জাগে-আঁখি ঝরে ।আবার আনন্দ উছলে ওঠে
শুক্লা তিথি-কৃষ্ণা তিথিতেও ।

------ইদানীং একটি বিষয় সামনে চলে এসেছে –বয় ফ্রেন্ড-গার্ল ফ্রেন্ড ।লিঙ্গ প্রভেদে বন্ধুত্বকে খন্ডিত করে উপস্থাপন ।বন্ধুত্বে বয় বা গার্লের কোন ঠাঁই নেই-অবিনশ্বরতার কোন লিঙ্গান্তর হয় না -
-------বন্ধু হচ্ছে সেই ব্যক্তি যার সাথে সব বলা যায় ।এখানে মান অভিমান আছে –প্রতিশোধ আক্রমণ নেই ।

----বন্ধুত্ব রক্ষা কর চলতে হলে ‘ডোন্ট মাইন্ড’ মানসিকতার হতে হয় । কারো আচরণে কিছু মনে করব না ; এটা খুব কঠিন কাজ----তবে অসম্ভব নয় ।
অহংকার না –আনন্দ নিয়ে বলছি ;আমি এটা করি । আমার বন্ধুরা নানা বয়েসী ।
তারা জানে আমি সহজে কিছু মনে করি না ।আমার বন্ধুত্বে অনুযোগ আছে –অভিমান আছে কিন্তু বিচ্ছেদ নেই ।
বন্ধুত্ব উপভোগ করতে হলে হৃদয় বুঝতে হয় । কিন্তু হৃদয় কী ? কোথায় থাকে ?

---লাশকাটা ঘরে
যুবতীর বুক চিড়ে
ডোম যুবকের চোখে বিস্ময়-
কোথায় হৃদয় ?
---এমন বিস্ময় নিয়ে হৃদয় অনুসন্ধান করা যাবে না ।হৃদয় থাকে শুভ দৃষ্টিতে ।হৃদয় খেলা করে প্রেমে । হৃদয় ধরা পড়ে অনুভবে ।হৃদয় লালিত হয় হৃদয়ে ।এখানেই বাসা বাঁধে বন্ধুত্ব ।

যার জীবনে যত ভাল বন্ধু আছে তার জীবন তত পরিপূর্ণ
।জীবনে যে কোন প্রাপ্তির চেয়ে ভাল বন্ধু পাওয়াটা বেশি সৌভাগ্যের -বেশি সুখের ।-

---বন্ধুত্ব নিয়ে এসব আমার ব্যক্তিগত অভিমত । হয়তো ঠিক-হয়তো ঠিক না ;সম্ভবত তবুও সঠিক ।
যে কোন সুহৃদের জন্য আমার দখিন দুয়ার খোলা । হাত বাড়ালেই বন্ধু-

শুভ বন্ধুদিবস ।

Address

Dhaka
Gazipur
1740

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Molla Saheb posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Molla Saheb:

Share