Molla Saheb

Molla Saheb Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Molla Saheb, Dhaka, Gazipur.

সমাজ বিজ্ঞানীর দৃষ্টি -৬ইতিহাস উপহাসমোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লা ।ইতিহাস ; যার কিছুটা সত্য -আর পুরোটাই অতিকথন ।ইতিহাস চর...
16/08/2026

সমাজ বিজ্ঞানীর দৃষ্টি -৬
ইতিহাস উপহাস
মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লা ।

ইতিহাস ; যার কিছুটা সত্য -আর পুরোটাই অতিকথন ।
ইতিহাস চর্চার হয়তো প্রয়োজন আছে ; তবে ইতিহাস নিয়ে পড়ে থাকাটা নিছক বোকামি ।বিশেষ করে রাজনীতির ইতিহাস তো ভীষণ রকম ভুয়া -আর গোঁজামিলে ঠাসা।
----বাংলাদেশের মানুষ খুবই ইতিহাসপ্রিয় বেকুম মানুষ । যদিও এ দেশের লিখিত ইতিহাস বলতে গেলে সবটুকুই মনগড়া । যার যার স্বার্থমতো ইতিহাস কল্পনা করে লিখে নিয়েছে আর এ নিয়ে চলছে যত কু তর্ক আর বিতর্ক । সবাই সবাইকে সঠিক ইতিহাস বোঝাতে চায় -যার ভিত্তি খুবই দুর্বল ।
------হাট মাঠ ঘাট -থেকে শুরু করে মিডিয়া আর সংসদ অধিবেশন পর্যন্ত শুধুই ইতিহাসের গড়গড়ানি ।আর এ থেকেই যত দ্বন্দ্ব আর শত্রুতার জন্ম । সবাই নিজেদের সঠিক বলে মনে করাতে কেউ কাউকে সম্মান করছে না-- সহ্য করতে পারছে না ।
----যে জাতি মৃতদের ইতিহাস নিয়ে পড়ে থাকে সে জাতি সত্যিকারের জীবন পায় না । বাংলাদেশের অবস্থা তাই হয়েছে ।যার যার মতো বই লিখে ফেলছে -নেই কোন গবেষণা বা বস্তুনিষ্ঠ তথ্য উপাত্ত ;সঠিকটাকে স্বীকৃতি দেবার মতো নেই কোন গবেষণা পরিষদ ।একই বিষয় একেক বই’তে একেক রকম ভাবে লেখা । নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য প্রত্যেক গোষ্ঠী নিজেদের মতো ইতিহাস চর্চা করে চলছে ।
--ইতিহাস বলতে আমরা শুধু রাজা বাদশাহ-শাসক শ্রেণির কাহিনী আর খুন খারাবি যুদ্ধ -দখলের বিষয়কেই বুঝি । সত্যিকারের সাধারণ মানুষের ইতিহাস কেউ লিখতে চায় না -চর্চা করতে চায় না ।
--আমাদের পাঠ্য বইতে লিখা ইতিহাস বিকৃত এবং ভুল তথ্যে ভরা । এই ইতিহাস পাঠ করে শুধু একটি বিকারগ্রস্ত জাতি’ই তৈরি হতে পারে -সু নাগরিক তৈরি হওয়া সম্ভব না ।
---তাহলে এর থেকে মুক্তির উপায় কী ?
---অতীতের ইতিহাস চর্চা কমিয়ে ভবিষ্যতের ইতিহাস সৃষ্টির জন্য কাজ করতে হবে । কবে কে কী করেছিল -বা কে কাকে কী বলেছিল –এই নিয়ে তর্ক করে সময় নষ্ট না করে -আগামীকালের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য কী কী করণীয়- তাই ঠিক করতে হবে ।
ইতিহাস কোন সত্যজ্ঞান বা বিজ্ঞান নয়---এটা এক ধরনের সাহিত্যধারার গল্প বিশেষ; কোন জাতির গর্ব করার মতো এক ধরনের ঐতিহ্য---যা মানলেও কিছু যায় আসে না ---না মানলেও কিছু যায় আসে না । পৃথিবীর বহু জাতি নিজেদের ইতিহাস না জেনেও বেশ ভাল আছে ।
--ইতিহাস রচনার আগেও হাজার হাজার বছর ধরে মানুষেরা ভাল জীবন যাপন করে গেছে ।ইতিহাস লেখা বন্ধ করে দিলেও মানুষেরা ভাল থাকবে বলেই বিশ্বাস ।
---ইতিহাস বোঝা এবং চর্চা করার আগে বুঝে নিতে হবে সেটা জীবনের কোন বিশেষ কাজে আসবে । কাজে আসলে চর্চা করো -না আসলে পরিত্যাগ করাটাই ভাল ।
--অতীত সময়টা নিয়ে বেশি চর্চা করলে—বর্তমান এবং ভবিষ্যত সময়ের অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায় ।

সুরের মানুষ দূরের মানুষ না ।আলহামদুলিল্লাহ।বাংলাদেশ বেতারের সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে এনলিস্টেড হলাম ।বাংলাদেশ বেতা...
29/07/2026

সুরের মানুষ দূরের মানুষ না ।

আলহামদুলিল্লাহ।
বাংলাদেশ বেতারের সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে এনলিস্টেড হলাম ।
বাংলাদেশ বেতার ঢাকা কেন্দ্রের সংগীত বিভাগে অনুষ্ঠিত সুরকার ও সংগীত পরিচালক [অডিশন] ২০২৬ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি । ধন্যবাদ ঢাকা বেতার কেন্দ্রের সম্মানিত কর্তৃপক্ষ এবং বিচারক মন্ডলিকে ।সুহৃদ কিন্ঠশিল্পী মাগরুফুল ইসলাম -তবলা বাদক জওহর লাল-আই টি বিশেষজ্ঞ Selim Reza এবং গীতিকার মহসিন আহমেদকে ধন্যবাদ; তাদের অনেক সাহায্য ছিল আমার জন্য ।
ঢাকা বেতারের আঞ্চলিক পরিচালক মাহফুজুর রহমান , সুহৃদ ভাই আমার -আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।
১৯৯৬ সালে ঢাকা কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ বেতারের এনলিস্টেড গীতিকার হই ; তারপর থেকেই বেতারের সাথে একটি আন্তরিক সম্পর্ক আছে । এবার তা আরো গাঢ় হলো । বাংলাদেশ বেতার আমাদের অহংকার আর আস্থার যায়গা ।
মঞ্চ ও টেলিভিশনের জন্য নাটক লিখছি অনেক বছর ধরে।গল্প -উপন্যাস- কবিতা- প্রবন্ধ-গান- ছড়া লিখছি হাত খুলে । এবার প্রাণ খুলে গান করবো ।
বাংলা সাহিত্য আর সংগীতের জন্য নিবেদিত থাকবো এটা আমার আজন্ম অভিলাষ ।
সুহৃদজনের পরামর্শ আর সহযোগিতা চাই ।

বাহাত্তুরা  মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লাএই শব্দটির সাথে যারা পরিচিত তারাই শুধু জানেন এই শব্দের মানে কী? বল বুদ্ধিহীন অকম...
18/07/2026

বাহাত্তুরা
মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লা

এই শব্দটির সাথে যারা পরিচিত তারাই শুধু জানেন এই শব্দের মানে কী? বল বুদ্ধিহীন অকমর্ন্য বুড়ো –বা ভীমরতিগ্রস্ত বুড়ো ।ঠিক আছে সেটা অন্য বিষয় ।কিন্তু আমাদের শৈশবে বাহাত্তুরা গালির আরেকটি মানে ছিল।
আমরা পড়ালেখায় খারাপ করলে শিক্ষক ও গার্জিয়ানরা আমাদের বাহাতু্তার বলে অবজ্ঞাসূচক গালি দিতেন । পরীক্ষার হলে দেখাদেখি করলে বা কোন নকলের আশ্রয় নিলে বাহাত্তুরা গালিটি ছিল অবধারিত ।
এই গালির মানে বুঝতে আমার বেশ কয়েক বছর লেগে গেছে ।১৯৭১ এ দেশ স্বাধীন হয় । এ কারণে ওই বছরে দেশে কোনই পরীক্ষা হয়নি । তখন মুক্তিযুদ্ধের ঘনঘটা ছিল –সে কারণে স্কুল কলেজ বন্ধ ছিল আর ছাত্ররা পড়ালেখা করে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারে নি । সেই পরীক্ষা হয় ১৯৭২ সালে । ব্যাপক নকল হয়েছিল সেই পরীক্ষায় । যে কারণে ওই বছরের পাস করা ছা্রদেরকে পরবর্তীতে অনেক অবজ্ঞা সইতে হয়েছে ।
বাহাতুরের ছাত্ররা অংশ নিয়েছিল জাতীর সবথেকে প্রয়োজনীয় যুদ্ধে । কিন্তু আজ?
নানা কারণে অটোপাস দেয়া হচ্ছে ।অটোপাস এখন অবজ্ঞার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে । অটোপাস করা ছাত্ররা ভীষণ বিব্রতকর অবস্থায় আছে । এটা শুরু হয়েছে করোনাকাল থেকে । ২০২০ সাল থেকে সারা পৃথিবী জুড়ে মহামারি করোনা শুরু হয় । সারা পৃথিবীর সবকিছুর সাথে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ হয়ে যায় ।সেটা অন্যদেশগুলি কিভাবে সামাল দিয়েছে জানি না -তবে বাংলাদেশ সামাল দিয়েছে বিনা ক্লাস -পরীক্ষায় অটোপাস দিয়ে ।যেটা ধারাবাহিকভাবে কয়েক বছর চলেছে । এবার ২০২৪ সালে ছাত্র জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর সারাদেশ আবার শুরু হয় অরাজকতা । ছাত্ররা পরীক্ষা না দেবার জন্য আন্দোলন করে । রাষ্ট্র তাই মেনে নেয় এবং ছাত্রদের বোর্ড পরীক্ষায় অটোপাস দিয়ে দেয়;এটা মোটেও ঠিক হয়নি । এসময়ের ছাত্ররাও বাহাত্তুরা ছাত্র হয়ে গেলো ।
এটা তো গেলো ছাত্রদের ক্ষেত্রে ; কিন্তু ভমিরতিধরা বয়সের ক্ষেত্রে বাহাত্তুরাদের কী অবস্থা ?আগেকার দিনের ভীমরতি ধরা বাহাতুত্তরা বুড়োদের চেয়ে এখনকার দিনের বাহাত্তুরারা বেশি স্মার্র্ট এবং সচেতন । কিন্তু তারা অধিক মাত্রায় শয়তান ।
আগের দিনে বাহাত্তুরারা ছোট গন্ডীতে বাস করতো আর তারা ভবঘুরে ধরনের আচরণে অভ্যস্থ হতো । তারা বড়জোর দু চারটি বিয়ে করে বসতো ;অথবা মাথায় উনপঞ্চাশ বায়ূর প্রভাব নিয়ে বিয়ে পাগলা হয়ে ওঠতো ।এসবই কোন পারিবার বা ছোট সামাজিক গন্ডীকে বিব্রত করতো । কিন্তু পুরো জািতীর উপরে কোন প্রভাব ফেলতো না । কিন্তু আজকের বাহাত্তুরারা পুরো জাতী এবং রাষ্ট্রকে প্রভাবিত করতে সক্ষম । যে কারণে দেশে যাতে বাহাত্তুরা নিয়ন্ত্রিত হয়ে না পড়ে সেদিকে সবার সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে । এই সজাগ দৃষ্টি সবার আগে থাকতে হবে রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারক ও পরিচালকদের । আর যদি বাহাত্তুরারাই রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারক ও পরিচালক হয়ে ওঠে তাহলে আর বলার কিছু থাকবে না ।

সমাজ বিজ্ঞানীর দৃষ্টি -৫আক্ষেপমোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লাজীবনে কী পাইলাম ?কী খাইলাম ? এই তো আক্ষেপ ?কী পেতে চাই ? কী খে...
07/07/2026

সমাজ বিজ্ঞানীর দৃষ্টি -৫
আক্ষেপ
মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লা

জীবনে কী পাইলাম ?
কী খাইলাম ? এই তো আক্ষেপ ?
কী পেতে চাই ? কী খেতে চাই ?
চাল ডাল মাছ মাংশ শাক সবজি দুধ ডিম ঘি মাখন মিষ্টি ছানা মদ গাঁজা -ছাতা মাথা -ঘোড়ার আন্ডা ----কী খাওয়ার আছে ?
একবার হিসাব করি তো –কয় ধরনের খাবার খাই আমরা ?ওই একই জিনিস নানান রেসিপি করে ঘুরে ফিরে ওই টুকুই তো !সব মিলে বিশ ত্রিশ জাতের খাবার ।
কী পেতে চাই ?
ভোগ বিলাস আরাম আয়েশ টাকা পয়সা বাড়ি গাড়ি –শরীরের ফুর্তির জন্য -মনোবিলাসের জন্য -সঙ্গী সাথী-বাহাদুরির জন্য শক্তি সম্পদ -এসবই তো !
সব পাওয়া হয়ে গেলে –তারপর ?
শরীর বুড়িয়ে গেলে সবকিছু নিরর্থক ।

----খেতে চাইলে বাতাস খান ।বুক ভরে নিঃশ্বাস নিন-চোখ ভরে দেখুন । জিহ্বার স্বাদই একমাত্র স্বাদ না -আরো স্বাদ আছে ।একফোঁটা বাতাসের কত মূল্য ২০২০ এর করুনাকালে বোঝা গেছে তো ?
পেতে চাইলে ভালবাসা পাওয়ার চেষ্টা করুন ।
নিঃশ্বাস ভরে ফুলের গন্ধ নিন । চোখ ভরে প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখুন ।
রোদের ভিতর -ছায়ার ভিতর -জলের কিনারে -অরণ্যের ডাঙায় ভ্রমণ করুন ।
শিশিরে ভিজুন -জোছনায় অবগাহন করুন ।ফুলের দিকে দৃষ্টি ফেলুন।পাখির গানে কান পাতুন ।
নিঝুম হয়ে কান পেতে ঝিঁঝিঁর গান শুনুন । রাতের তারার ঝিকিমিকি উপভোগ করুন।
কোলাহল মুখরতা নয় -স্তব্ধ হতে শিখুন ।
জগতের সব শান্তি স্তব্ধতায় ।
সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে –নিজের দিকে ফেরার অভ্যাস করুন ।
ঝগড়া বিবাদ হিংসা বিদ্বেষ লোভ লালসা মারামারি কাড়াকাড়ি -শক্তি প্রদর্শন -বাহাদুরি- কিচ্ছুতে শান্তি নেই ।ক্ষমা আর ভালবাসায় শান্তি।
চোখের সামনে অনেক অহংকার চূর্ণ হতে দেখেছেন । নিশ্চিহ্ণ হতে দেখেছেন অত্যাচারি গোষ্ঠীকে । সবকিছু ধূলিতে মিশে যেতে দেখেছেন ।বুঝলেন কী ? শিখলেন কী ?-অনুধাবন করার চেষ্টা করুন ।
যত কমে চলা যায় -যত সাধারণ হওয়া যায়-ততই শান্তি ।
মানুষ নিজেকে খুবই সীমাবদ্ধ করে রাখে ;অথচ তার আগমন অসীম থেকে-বিলিন হয় সে অসীমেই ।যে এটা বুঝে -আত্মায় তার পরম শান্তি বিরাজ করে ।যে বুঝে না -সব পেয়েও সে অনন্ত যন্ত্রণায় থাকে ।
অন্যের দোষ খুঁজে খুঁজে -ভুল ধরে বিচার করতে যায় শুধুই বোকারা ।
নিজেকে ভালবাসুন ।বিচারক না হয়ে ফরিয়াদী হোন ।একটি অর্থবহ ভাল জীবন পার করে যেতে পারবেন ।
মহানুভবতা ধারন করুন -মহান হওয়ার চেষ্টা করুন ।
চোখ বন্ধ করে আত্মার দিকে ধ্যান রাখুন -জীবনের সব আক্ষেপ দূর হয়ে যাবে ।

সমাজ বিজ্ঞানের দৃষ্টি -৪ ভাল ছাত্রমোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লাভাল ছাত্র কে ? যে পরীক্ষায় বেশি নাম্বার পায় । বেশি নাম্বার...
30/06/2026

সমাজ বিজ্ঞানের দৃষ্টি -৪
ভাল ছাত্র
মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লা

ভাল ছাত্র কে ?
যে পরীক্ষায় বেশি নাম্বার পায় । বেশি নাম্বার পেয়ে প্রথম শ্রেণির সার্টিফিকেট অর্জন করে । তাই কি ?
-----অনেক ভালে ছাত্র দেখেছি –যারা ভাল রেজাল্ট করে বড় বড় ডিগ্রি নিয়েছে –বড় পজিশনে চাকুরি করছে –ভাল জীবন যাপন করছে ---কিন্তু সমাজের জন্য—সাধারণ মানুষের জন্য তেমন কিছু করতে পারে নি বা করছে না বা দায়বোধ মনে করছে না । সামাজিকভাবে তারা অনেকটাই বিচ্ছিন্ন মানুষ । ---একা একা ভাল থাকা ভাল মানুষের লক্ষ্মণ না ।
অনেক খারাপ ছাত্র দেখেছি -যারা মোটামুটি ধরনের পড়ালেখা শেষ করতে পেরেছে । তবে ব্যবসা বাণিজ্য করে ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল হয়েছে । অনেক লোকের কর্মসংস্থান করেছে । তাদের ইন্ড্রাস্ট্রিতে অনেক ভাল ছাত্ররা ভাল বেতনে ভাল চাকরি করছে।অর্থনীতিতে তারা ভাল পজেটিভ ভুমিকা রাখছে ।
ভাল ছাত্ররাও এরকম পেরেছে -তবে সংখ্যায় কম ।
----রাজনীতি -জনপ্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রেও খারাপ এবং মোটামুটি গোছের ছাত্ররাই ভাল করছে ।সমাজ কাঠামো ঠিক রাখার ক্ষেত্রে তারা ভাল ভুমিকা রাখছে -ভাল ছা্ত্ররাও করছে তবে কম হারে ।
----ভাল ছাত্রদের বেশির ভাগই নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকে -খারাপ ছাত্ররা সমাজের কাজ বেশি করে ।একাডেমিকভাবে ভাল করা আর সামাজিকভাবে ভাল করা দুই বিষয় ।পাঠ্য পুস্তকের জ্ঞান আর সামাজিক জ্ঞান দুই বিষয় ।বইয়ের জ্ঞান আর বাস্তব জ্ঞান এক না ।
--ভাল ছাত্র হওয়াটা ভাল বিষয় -তবে সমাজে ভাল কন্ট্রিবিউশন না করাটা খারাপ ।
---খারাপ ছাত্র হওয়াটা তেমন ভাল বিষয় না -তবে সমাজের প্রতি কমিটেড হওয়াটা ভাল বিষয় ।
----মোট কথা হচ্ছে -ছাত্র হিসেবে যেমনই হোক –ভাল মানুষ হওয়াটা জরুরী ।সমাজের প্রতি দায়বোধ মনে করাটা জরুরী ।
--পড়ালেখার ভালটাই আসল ভাল না ---সামাজিক কাজে ভাল হওয়াটাই আসল ভাল ।
সামাজিক কাজ কী ?
প্রগতি
উন্নয়ন
পজেটিভ সামাজিক পরিবর্তন
এসব কাজে অন্যের সাথে এগিয়ে যাওয়া –অন্যকে এগিয়ে দেওয়া ।সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হওয়া আর প্রগতি ও উন্নয়নের পথে নিজের মেধা ও শ্রম যথাযথ প্রয়োগ করা ।
---নিজে ভাল আছি -এই গন্ডী থেকে বেরিয়ে সবাই ভাল থাকুক-এই মর্মে কাজ করে যাওয়া ।
আমাদের বাবা মায়েরা সন্তানকে ভাল ছাত্র করে গড়ে তোলার জন্য বেশি ব্যস্ত—পাশাপাশি ব্যস্ত হওয়া উচিত ভাল সামাজিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার কাজে ।
সন্তান যেন সৎ দক্ষ মানবিক নাগরিক হয়ে ওঠে -সেভাবে পরিচালিত করা বাবা মায়ের দায়িত্ব হওয়া উচিত।
সুন্দর সামাজিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই সুন্দর দেশ ও জীবন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব ।
সব সুন্দর লুকিয়ে আছে পরিবারের ভিতরে ।সুন্দর পরিবার মানেই সুন্দর মানব জীবন ।
সবাই আগে সুন্দর পরিবার গঠনে মনযোগ দিন -সবকিছু সুন্দর হয়ে যাবে ।

সমাজ বিজ্ঞানীর দৃষ্টি--৩ সৎলোক মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লাসৎলোক বা সৎ মানুষ বলতে আমরা কী বুঝি ? আমাদের দেশে সাধারণত অর্...
17/06/2026

সমাজ বিজ্ঞানীর দৃষ্টি--৩
সৎলোক
মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লা

সৎলোক বা সৎ মানুষ বলতে আমরা কী বুঝি ?
আমাদের দেশে সাধারণত অর্থনৈতিকভাবে সচ্চরিত্রের লোকদেরকে সৎলোক বলা হয় ।
তিনি খুবই সৎ মানুষ । সৎ অফিসার--ঘুষ খান না -দুর্নীতি করেন না । খুব সাধারণ জীবন যাপন করেন । ---সৎ হওয়ার যোগ্যতা কী এতটাই সীমিত ?
সততা হচ্ছে নিজের দায় দায়িত্ব সঠিকভাবে যথারীতি পালন করা।
সততা হচ্ছে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা । জবান ঠিক রাখা । শপথ ঠিক রাখা ।
ঘুষ নেননা আবার অফিসের দায়িত্বে অবহেলা করেন -এটা সততা না ।
সুযোগের অভাবে সৎ হওয়া আর সুযোগ থাকতেও সৎ থাকা দুটো কী এক ?
---------------সৎ কথা বলা -সৎ নীতি অবলম্বন করা -সৎবিচার করা -সৎদৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করা ---এসব করতেই তো মানুষেরা সভ্যতা বানিয়েছে –জংগলের জীবন থেকে আধুনিক হয়েছে –পড়া লেখা করে মানবিক উৎকর্ষতা বৃদ্ধি করেছে ----তাহলে আবার সততার প্রশ্ন কেন ?
মানুষ মাত্রই সৎ হবে এটাই তো স্বাভাবিক ।
আমাকে বলে কয়ে -বিচার -আইন- শাস্তির ভয় দেখিয়ে সৎ বানাতে হবে কেন ? আমার কী নৈতিক জ্ঞান নেই ?আমি কেন পরের ধন আত্মসাৎ করবো ? কেন পরের কষ্টের কারণ হবো । কেন ন্যায্য হিস্যা থেকে অন্যকে বঞ্চিত করবো? আমার তো স্বাভাবিক ভাবেই আর্ত মানবতার পাশে থাকার কথা । কেন আমাকে আবার মানবাধিকার কর্মী হতে হবে ?
----এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে আগে দৃষ্টি দিতে হবে শাসক শ্রেণির দিকে ।সৎ শাসকের দেশে মানুষেরা সৎজীবনে উৎসাহী হয় -অভ্যস্ত হয় ।কারণ সৎ শাসকেরা সত্যনীতি প্রয়োগ করেন সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য ।
রাষ্ট্রের শাসক শ্রেণি অসৎ হলে সাধারণ মানুষের সৎ হওয়ার পথ সংকীর্ণ হয়ে যায় ।
রাষ্ট্রের জনগণ সৎ কাজের অনুশীলন অব্যাহত রাখলে শাসক শ্রেণি সৎ হতে বাধ্য হয় ।
-------শাসক শ্রেণি অসৎ হয় কেন ?তারা তো সবাই ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে অথবা নৈতিক আদর্শকে সামনে রেখে শপথ নেয় । তাহলে তারা শপথ থেকে সরে আসে কেন ? জনগণের অসৎ অসচেতনতার কারণে ।----
-----সৎ শাসক কে ? ভাল শাসক কে ?
যার কথা ও কাজে মিল আছে । যে শাসক- মোসাহেবি পছন্দ করে না -অযোগ্যদের প্রতি স্বজনপ্রীতি দেখায় না -- বিপক্ষের লোকদের প্রজ্ঞা ও কর্মদক্ষতা গ্রহণ করে ।----দেশ ও মানুষকে সামনে রেখে নিজের দায়িত্ব সঠিকভাব পালন করে ।
আমাদের দেশের এখন কী অবস্থা ?
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সরকার ও বিরোধী দল রাষ্ট্রের টাকা খরচ করে তর্ক বিতর্ক করে কী নিয়ে ?—অধীক সংখ্যক সাংসদ কু তর্কের মাধ্যমে নিজেদের অযোগ্যতার পরিচয় দেয় ।
সৎ হওয়ার জন্য বিশেষ যোগ্যতা লাগে ।বস্তুনিষ্ঠ আত্ম সচেতনতা লাগে ।
যোগ্য লোকেরা ইচ্ছা করলে সৎ হতে পারে ।
অযোগ্য লোকেরা শত চেষ্টাতেও সৎ হতে পারে না ।
রাষ্ট্রের সব ক্ষেত্রে যোগ্যতার মানদন্ড নির্ধারণের ভিত্তিতে লোকবল নিয়োগ পেলে সততা প্রতিষ্ঠা করা সহজতর হবে । এই নিয়োগের কাজটি অবশ্যই সরকারকে করতে হবে ।
----সবার আগে সরকারের লোকজনদেরকে দায়িত্ব পালনের দিক থেকে সৎ হতে হবে ।
-------আমাদের বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অতীতে বলেছেন -দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে -নবীজীর রাষ্ট্র পরিচালনা পদ্ধতির আদলে দেশ পরিচালনা করবেন ।ন্যায় ও জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করবেন । এখন ক্ষমতা তার হাতে ।----দেখা যাক ---
[নবীজী] হযরত মোহাম্মদ [সাঃ] এর আদর্শ ধারণ করে যে শাসক রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন -তিনি অবশ্যই মহান শাসক হয়ে ওঠবেন ।ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী শাসকদের তো নবীজীর আদর্শের বাইরে যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই ।

সমাজ বিজ্ঞানীর দৃষ্টি-২ভাঙ্গারিমোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি হয়েছে । সাত ঘন...
11/06/2026

সমাজ বিজ্ঞানীর দৃষ্টি-২

ভাঙ্গারি
মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লা

মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি হয়েছে । সাত ঘন্টা ফোন যোগাযোগ বন্ধ । এমন একটি নিউজ দেখে ভাবছিলাম -সত্যি কী ?
সত্যি ।
সেই রাতেই আমার জানালার থাই খুলে নিলো চোরেরা ।

বাড়ি বাড়ি মিটার থেকে বিদ্যুতের তার চুরি হচ্ছে -লম্বা খুঁটির মাথা থেকে ট্রান্সফর্মার চুরি হচ্ছে –গাড়ি চুরি-মোটর সাইকেল -রিকশা -টেম্পু -ভ্যান-রান্নাঘারের হাড়ি পাতিল-লোটা বদনা—কোদাল শাবল লোহা লক্কর --যার কাছেই জিজ্ঞাসা করবেন –কারো না কারো- কিছু না কিছু চুরি হচ্ছেই ।
তালা ভেঙে -গ্রীল কেটে -ঘরের চালের টিন কেটে চুরি হচ্ছে ।
এই চুরির মাল যায় কোথায় ?
ভাঙ্গারি দোকানে ।
এই যে এখানেই রাক্ষসের মাথা । পানির নিচে কৌটা -কৌটার ভিতরে ভোমরা -ভোমরার পাখা ছিঁড়লেই রাক্ষসের হাত পা ছিঁড়ে -ভোমরার মাথা ছিঁড়লেই রাক্ষসের মাথা কাটা পড়ে । রাক্ষস মারতে চাইলে ভোমরাকে মারতেই হবে ।
ভাঙ্গারি ব্যবসার উপরে নজরদারি বাড়ালেই চুরি কমবে ।প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তারও না কি ভাঙ্গারি দোকানে পাওয়া গেছে ।
ভাঙ্গারির পথ ধরে এ দেশ এখন রূপকথারদেশ থেকে- চোরগাঁথার দেশ হয়ে যাচ্ছে ।
মুসুল্লিদের মসজিদে ঢোকার সময় জুতা হাতে নিয়ে ঢুকতে হয় ; প্রধানমন্ত্রীকেও।
---এইসব ছেচড়া -ছিঁচকে চুরির আসল কারণ কী ?
নেশা । মাথায় নেশার ক্যাড়া ওঠলে চোক্ষে লজ্জ্বা- বুকে ভয় থাকে না ।ভাল পরিবারের ছেলেরাও এখন নেশা আর চুরির জালে জড়িয়ে পড়ছে । এর প্রধান তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে ভাঙ্গারি ব্যবসা ।
----ভাঙ্গারি ব্যবসার উপরে প্রশাসনের কঠিন নিয়ন্ত্রণ অথবা এই ব্যবসা নিষিদ্ধ করা ছাড়া চুরি ও নেশার রাশ টেনে ধরা যাবে না ।
যে চুরির পণ্য সহজে বিক্রি করা যাবে না -সেই চুরির প্রতি চোরের কোন আগ্রহ থাকবে না ।
ঝট করে একটা কিছু খুলে নিয়ে ভাঙ্গারি দোকানে দিলেই নগদ টাকা-- হোক পাঁচশ টাকার মাল পঞ্চাশ টাকা—নগদ তো মিললো। সঙ্গে সঙ্গে নেশার বড়ি -গঞ্জিকা মিলে যাবে---আহা -দে টান ----
----খুবই লাভজনক ব্যবসা ভাঙ্গারি ।সারাদেশ এখন ভাঙ্গারি কালেকশনের সেন্টার ।
ভাঙ্গারি ব্যবসাটা যদি দেশের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় হয়ে থাকে ---তাহলে সরকার এ ব্যবসার স্বার্থে একটি ভাঙ্গারি মন্ত্রণালয় খুলতে পারে । আমরা একজন মন্ত্রী পাবো ---মাননীয় ভাঙ্গারি মন্ত্রী ।
মন্ত্রী পরিষদে কোন ভাঙ্গারি মন্ত্রী আছে কী ?

দেশ ভয়াবহ মাদক সন্ত্রাসের কবলে ।অনেককেই বলতে শুনি –জামাত ক্ষমতায় এলেই নাকি দেশে কোন মাদক-নেশা থাকবে না । কারণ জামাতের যত সমালোচনাই থাকুক -তারা অনন্ত মাদকের সাথে জড়িত না ।
সত্যি কী ?
এখন বি এন পি সরকার ক্ষমতায়—আমরা এই সরকারের উপরেই ভরসা রাখতে চাই । এখন পর্যন্ত সরকারের পদক্ষেপগুলি আমার কাছে টিকঠাকই মনে হচ্ছে । মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি –আপনার চারপাশে নানা ধরনের ভাঙ্গারি আছে –সাবধান ।ভাঙ্গারি থেকে আপনি রক্ষা পেলে -জাতিও রক্ষা পাবে ।

সমাজ বিজ্ঞানীর দৃষ্টি--১মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লাছেলেবেলায় সাধ জাগতো -বড় হয়ে একদিন রাজা বা প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্...
09/06/2026

সমাজ বিজ্ঞানীর দৃষ্টি--১
মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লা

ছেলেবেলায় সাধ জাগতো -বড় হয়ে একদিন রাজা বা প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী হবো -দেশসেবা করার জন্য । এখন সেই সাধ নেই । এখন সাধ জাগে -সরকারকে কিছু পরামর্শ দেয়ার ।মাননীয় সরকার শুনবেন কী ?
এদেশে যোগ্যতম সন্তান থাকতেও মায়ের লাশ ঘরে পড়ে পচে।
যোগ্যতম সন্তান থাকতেও বৃদ্ধাশ্রমে বুড়ো মা বাবা টলমল চোখে মৃত্যুর প্রহর গুনে ।রাস্তা ঘাটে ঘুরে বেড়ায় অসংখ্য স্বামী পরিত্যাক্তা স্ত্রী আর বাবা পরিত্যাক্ত সন্তান ।
আপাতত এইসব প্রসঙ্গেই বলি –
প্রত্যেক চাকরিজীবী সন্তানের বেতন যায় ব্যাংক একাউন্টে---সেই একাউন্টের সাথে বাবা মায়ের নামে একাউন্ট যুক্ত করার বিধান করুন । সন্তানের বেতনের টাকার একটি পার্সেন্টেন্স কেটে বাবা মায়ের একাউন্টে জমা রাখার ব্যবস্থা নিন ।
শুধু চাকরিজীবী না -বিধানটি এমন হবে –যে কোন সন্তানের একাউন্টের সাথেই প্যারালাল একাউন্ট থাকবে বাবা মায়ের; আর সেই একাউন্টে সন্তানের একাউন্টের পার্সেন্টেস যাবে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ।ব্যবসায়ী সন্তানদের এ ক্ষেত্রে বেশি করে দায়বদ্ধ করতে হবে ।
এমন বিধান হতে পারে চাকরিজীবী পুরুষ অথবা নারীর ক্ষেত্রে। এদেশের অনেকাংশ নারীরা সারাজীবন সাধারণ গৃহিনী হিসেবে সংসারে শ্রম দেয় ।স্বামীর রিটায়ারমেন্টের পরে তারা খুবই অসহায় শূন্যহাত হয়ে পড়ে ।স্বামীর রিটায়ারমেন্টের টাকার একটি অংশ স্ত্রীর পাওয়া উচিত । এটা অনেক ক্ষেত্রে পুরুষের জন্যও প্রযোজ্য হতে পারে । স্ত্রীর রিটায়মেন্টের টাকার অংশ কর্মহীন অক্ষম স্বামী যেন পায় ।
ইসলাম ধর্মে-- বাবা মায়ের প্রতি সন্তানের দায়িত্ববোধ কেমন হবে –সে বিষয়ে পরিষ্কারভাবে কঠিন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে । সেই নির্দেশনার বিষয়টি রাষ্ট্রীয় আইনেও আমলে নেয়া উচিত ।
সমাজ বলেন -রাষ্ট্র বলেন-সবার আগে পরিবার । পরিবারের বন্ধন দৃঢ় করার জন্য যে কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী ।আজকাল পরিবারের বন্ধন খুব দ্রুততার সাথে আলগা হয়ে পড়ছে ।সরকারের উচিত সেদিকে বিশেষ মনযোগী হওয়া ।ভাল পরিবার মানে ভাল দেশ ।
বাবা মা -না খেয়ে বিনা চিকিৎসায় মরে যাবার পরে সন্তানের বিচার করে লাভ নেই ;তার আগেই যথাযথ রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
আমি যে রকম ভাবতে পারলাম -সেরকম করে বললাম –আপনারা কমেন্টস করে আমার এই প্রাথমিক ধারণাকে আরো ব্যাপকভাবে সমৃদ্ধ করবেন -এই প্রত্যাশা করছি ।
রাষ্ট্র তথা সরকারের কাজ -অপরাধীর বিচার করার জন্য তৈরি থাকা না –অপরাধ যাতে সংগঠিত না হয় -সেই দিক নির্দেশনা প্রস্তুত করা ।

ধুরন্ধর  মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লাএকটি প্রচলিত গল্প বলি--- বিড়াল কেন রান্নাঘরে গিরস্ত বউ ঝি’দের আঁচলতলে ঘুর ঘুর করে?আ...
04/06/2026

ধুরন্ধর
মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লা

একটি প্রচলিত গল্প বলি---
বিড়াল কেন রান্নাঘরে গিরস্ত বউ ঝি’দের আঁচলতলে ঘুর ঘুর করে?
আদিকালে বিড়াল নিজেকে প্রাণিজগতের সেরা জীব বলে মনে করতো ।যাকে তাকে খাঁমচা মারতো ভেংচি মারতো । একটি পুঁচকে ইঁদুর ধরেই মিঁও মিঁও হুংকার দিতো । হঠাৎ একদিন তার সামনে এক বাঘ পড়ে গেল । বাঘের শক্তিমত্তা দেখে সে ভীষণ অবাক ।সে নিজেই নিজের ক্ষুদ্রত্ব ও বাঘের শ্রেষ্ঠত্ব বুঝতে পারলো । সে আস্তে করে ভিড়ে গেল বাঘের সাথে । একই রকম আকৃতি নিয়ে সে বাঘের আশ্রয় প্রস্রয়ে অন্য প্রাণীদের উপরে তর্জন গর্জন অব্যাহত রাখলো ।আর অতি কৌশলে বাঘকে নানা ধরনের আনুগত্য দেখাতে লাগলো ।বাঘ তার প্রতি সদয় হওযার কারণে অন্য প্রানীদেরকে সে বুঝালো যে সে বাঘের মাসী-বাঘ তার অতি স্নেহের ভাগনে ।এই পরিচয় অন্যরা বিশ্বাসও করলো আর এই সূত্রে বিড়ালকে বেশ খাতির করে চলতে থাকলো ।বিড়াল মিঁও মিঁও করে অন্যদের ধরা শিকারের ভাগ পেয়ে খেয়ে অন্যদের দিনপার করে চললো ।
কিছুদিন পরে এক শিকারী তীর মেরে একটি বাঘকে মেরে ফেলেলো । তীরটি বাঘের এই চোখ দিয়ে ঢুকে ওই চোখ দিয়ে বেরিয়ে গেছে । বিড়াল বিস্মিত !আরে বাপরে ---বাঘের চেয়েও শক্তিধর কেউ আছে ?
সে আস্তে করে শিকারীর পিছু নিয়ে মিঁও মিঁও করে জংগল ছেড়ে বাড়িতে চলে এলো । বাড়ির আনাচে কানাচে ঘুরে ঘুরে এঁটো ঘেটু খেয়ে দিন কাটাতে থাকলো । কিন্তু একটি বিষয় তার মাথার ঘোর লাগোলো । যে শিকারি বনে গিয়ে বাঘ মেরে ফেলতে পারে –সেই টাইগার কিলার বীরপুরুষ তার স্ত্রীর সামনে কাচুমাচু গো- বেচারা ! স্ত্রীর বকা ঝকা শাসন আর মেজাজ মর্জির সামনে সে কোন বীরত্বই দেখাতে পারে না ।স্ত্রীর হাতে রান্না খাওয়ার সব দায়িত্ব ।শিকারী যা কিছু শিকার করে আনে তা স্ত্রী রান্না করে যেটুকু দেয় শিকারীকে তাই খেতে হয় । এবার বিড়াল বুঝলো আসল বীর তাহলে কে?
এক সন্ধ্যাবেলায় নিরিবিলি সে শিকারী গিন্নির আঁচল তলে ঢুকে পড়লো ।রান্নাঘরে ডিস্টার্ব করতে আসা দু’একটি পুচকে ইঁদুর মের সে গিন্নীকে দেখায় যে তার কতটা উপকার করে দিচ্ছে ।শিকারীগিন্নী ভীষণ খুশি হয়ে তাকে আদর করে খাওয়ায় ।এই সুযোগে বিড়াল নিজের দায়িত্বেও এটা সেটা খেয়ে নেয় ।
সেই থেকে বিড়াল রান্নাঘারের রাজা ।বাড়ির পাহারাদার কুকুরটিকে সে সব সময় শাসিয়ে চলতে চায় ।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে গৃহকর্তীর আঁচলতলে আশ্রয় নিয়ে সে নানা অপরাধ সংঘটিত করে চললো । ভাজা মাছ চুরি করে খাওয়া -দুধের পাতিলে চুমুক বসানো -গৃহকর্তীর আদরের সন্তানের লেপ কাঁথার নিচে চুপচাপ ঢুকে শুয়ে রাত পার করে দেয়া ; এরকম নানা সুবিধা সে নিয়ে চললো।
যে কারণে কম সময়ের মধ্যেই সে গৃহকর্তীর স্নেহ সোহাগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয় পড়তে থাকলো । এক সময় সে গৃহকর্তীর শাসনের আওতায় চলে এলো এবং তার ঘাড়ে পিঁড়িড় আঘাত পড়তে থাকলো । বিড়াল তবু ঘর ছাড়ে না । নানা অযুহাতে বাড়ি আশে পাশেই ঘুরঘুর করতে থাকে ।
এই সুযোগে তাকে বাড়ির অবিহেলিত কুকুরটিও তাড়া করে । তখন তার গাছে ওঠা ছাড়া প্রাণ বাঁচানোর আর কোন পথ থাকে না ।বিড়াল গাছে ওঠে কোন সময়ে এটা সবাই জানে ।
যদি আশে পাশে কোন গাছ না থাকে ? তাহলে ---?
বিড়াল বেশ কয়েক প্রকার হয় ঃ-
শিকারি বিড়াল
হুলো বিড়াল
চুন্নি বিড়াল
ঝাঁটা কপাইলা বিড়াল
ইদানীং চারপাশে বিড়ালের উৎপাত খুব বেড়ে গেছে ।রাজনীতি –-প্রশাসন- –ব্যবসাক্ষেত্র -ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান -–অফিস -আদালত- শিক্ষাঙ্গণ- থানা -হাট -বাজার -সবখানে ঢুকে মিঁও মিঁও করে মাছ গোস্ত দুধ দধী খেয়ে চলছে যতসব দুর্নীতির বিড়াল । ইঁদুর শিকার না করে-বরং ইঁদুরকে সাথে নিয়েই সে খেয়ে যাচ্ছে ।
ইঁদুর মারার জন্য হয়তো বিড়াল প্রয়োজন; কিন্তু বিড়ালের চরিত্র বোঝাটা জরুরী ।

পথমোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লাপথ বলতে এখানে চলাচলের রাস্তার কথা বলছি ।যেদিন থেকে মানুষের নির্দিষ্ট গন্তব্য নির্ধারিত হয়ে...
25/05/2026

পথ
মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম মোল্লা

পথ বলতে এখানে চলাচলের রাস্তার কথা বলছি ।যেদিন থেকে মানুষের নির্দিষ্ট গন্তব্য নির্ধারিত হয়েছে আর সেই গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছার প্রয়োজন অবসম্ভাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে তখন থেকেই পথের সৃষ্টি । প্রথম পথ তৈরি হয়েছে -পায়েচলা পথ । তারপর প্রয়োজন অনুসারে পথের বহুমুখী উত্তরণ ঘটেছে ।
পথ হলো ফিরে আসার একটি সূত্র ।যেখানেই যাওয়া হোক -যেখান থেকেই যাওয়া হোক-–পূর্বের স্থানে যাতে সঠিকভাবে ফিরে আসা যায়-এই চিহ্নিতকরণ পদ্ধতির নামই পথ । এই একটি বিষয়ই মানবগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নতি বয়ে এনেছে ।মানুষ নিজের কাছ থেকে দূরে সরে যেতে পেরেছে -আবার ফিরে আসতে পেরেছে ।
মানুষকে সভ্য হয়ে ওঠতে- সভ্যতা তৈরি করতে একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে পথ।
মানুষ যেদিন তার পথটি নির্ধারণ করতে পেরেছে –সেদিনই তার গন্তব্যে পৌঁছার অভিলাষ পূর্ণ হয়েছে ।সেই বিন্দু থেকেই নতুন অনুসন্ধানের দুয়ার খুলে গেছে । গন্তব্যে পৌঁছা যায় আবার সেখান থেকে ফিরে আসা যায় ; বাহ !কী চমৎকার বিষয় । এই আসা যাওয়ার আনন্দ থেকেই মানুষ নতুন নতুন স্থানে গমন করেছে আর জনপদ গড়ে তুলেছে ।
আদিম মানুষ তার ঠিকানা চিহ্নিত করতে পেরেছে পথ তৈরির মাধ্যমে । পথই বন্য জন্তু জানোয়ারের স্তর থেকে মানুষকে আলাদা উন্নত প্রাণি হতে সাহায্য করেছে ।
সভ্য হতে হতে মানুষেরা সৃষ্টি জুড়ে তাদের প্রয়োজন মতো পথ তৈরি করে নিতে সক্ষম হয়েছে । স্থলপথ- জলপথ -আকাশপথ; সবখানে তারা পথ তৈরি করে পরিভ্রমণ করছে ।
চিন্তা চেতনাতেও তারা পথ নির্ধারণ করে নিতে পেরেছে । সু-পথ ,কু-পথ, ভুল পথ এসব বিশেষণে মানুষেরা নিজেদের জ্ঞান-বিবেক মননকে ব্যবহার করতে পেরেছে । পার্থিব -অপার্থিব পথেরও সন্ধান তারা করেছে এবং এক ধরনের সমাধানও করে নিয়েছে ।
কিন্তু এই পথ থেকেই পথ আর মতের ভিন্নতা তৈরি হয়েছে ।এই চলাচলের পথই একটিু একটু করে চিন্তা চেতনা বিশ্বাস অবিশ্বাস আর মতামতের যায়গায় ছায়া ফেলেছে ।পথ হয়ে ওঠেছে পন্থা -উপায় -কৌশল এরকমের আরো অনেক কিছূ ।
ভুল পথ-–সঠিক পথ-সু পথ -কু পথ এসব বিতর্ক আর ঝামেলাও তৈরি হয়েছে।এই ঝামেলার মধ্যেই নানা পথের নানা মতের মহাপুরুষ আর শুদ্ধ মানুষদের আগমন ঘটেছে । তাদের মতবাদ নানা ধরনের সুপথের নির্দেশনা দিয়েছে । তবে কোন মানুষই পথের কাঁটা বা পথের বাঁধাকে সমর্থন করেননি । বরং সুগম পথের সৃষ্টি একটি পূণ্যকাজ বলেই স্বীকৃত হয়ে আছে ।
দুঃজনকভাবে এটাই সত্যি এই কথায় মানুষেরা কান দেয় না । তারা বুঝে শুনেই ধর্মের কথা পূণ্যের কথা মানবতার কথাকে অস্বীকার করে । নিজেরা দুষ্ট চরিত্র ধারণ করে সব ধরনের ঝামেলা তৈরি করে এই পথের উপরেই । পথ দখল করে -পথ ধ্বংস করে—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে পথে বোধা বিপত্তি সৃষ্টি করে ।
বিরোধ-–অবরোধ-মারামারি খুনোখুনি সব পথের উপর । যে পথের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে –সে’ই বিজয়ী ।যুদ্ধকালীন সময়ে শত্রপক্ষ পরস্পরে পরস্পরের পথকে ধ্বংস করে ।
মানুষ পথকে যতটা মুক্ত রাখতে চায় প্রতিব্ন্ধকতা সৃষ্টি করে তার চেয়ে অনেক বেশি ।
নগর বানাতে পারলেই সভ্যতা প্রমাণ করা যায় না । ভাল পোশাক পরলে বা ভাল খাবার দাবার খেলেই তাকে সভ্য বলা ঠিক না । সভ্য বলা যাবে তখনি- যখন লোকেরা তার চলাচলের রাস্তা অবাধ দখলমুক্ত এবং সর্বসাধারণের জন্য সুগম করে তুলতে পারবে ।
মানবসভ্যতার সংজ্ঞা -পথ বা রাস্তার উন্নতি তথা চলাচলের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিকেই বোঝায় ।
আমাদের দেশে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার ইঞ্জিনিয়ার এবং জনপ্রতিনিধিদের অনেকেই পথ ঘাট রাস্তা নির্মাণের বাজেটের টাকা চুরি করে । রডের বদলে বাঁশ দেয় -ইঁট বালি বা ঢালাইয়ের কাজে করে মহা দুর্নীতি । তারা আবার তীর্থে গমন করে পূণ্য কামাতে চায় ।
রাস্তার দুর্নীতির চেয়ে বড় আরো পাপ কী আছে ?সব ধর্মেই তো পথমুক্তির কথা মহান ভাষায় লেখা আছে । আমাদের দেশে বেশির ভাগ মানুষই মুসলিম । আমাদের নবীজীও তো পথকে কাঁটা মুক্ত রাখতে বলেছেন । এটা সাদকায়ে জারিয়া । ইসলামী মতে মুসলিমের মৃত্যুর পর সকল আমল নামা বন্ধ হয়ে যায় । শুধু কিয়ামত পর্যন্ত জারি থাকে সাদকায়ে জারিয়ার পূণ্য । সাদকায়ে জারিয়ার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপর্ণ হচ্ছে পথ ।
অথচ আমাদের মধ্যে পথ নিয়েই বেশি বিরোদ। নবীজীর নির্দেশ মানে কয়জনে ?
পথ বা রাস্তা নির্মাণ করা -সুগম করা-–জঞ্জালমুক্ত করা -আর তার দু’ধারে ফুল -ফলের বৃক্ষ রোপন করে সুশোভন - ছায়াসুশীতল পরিবেশ ধরে রাখার মতো পূণ্য অথবা মানবতার এতবড় কাজ কী আর কিছু হয় ? অথচ আমরা কী করি ? পথের উপরে ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখি । রাস্তার পাশে নর্দমা ভাগাড় বানাই । ময়লা ফেলতে ফেলতে স্তূপ করে রাখি । দুর্গন্ধে নাক চেপে ধরে হাঁটতে হয় পথচারীকে এটা নিঃসন্দেহে ঘৃণ্য এবং লজ্জাজনক কাজ ।
প্রত্যেক রাষ্ট্রেরই স্থল জল আকাশ পথের এক একটি মন্ত্রণালয় থাকে ।সেই মন্ত্রলয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমকর্তা কমচারী তথা পুরো সরকারেরই দায়বদ্ধতা আছে রাষ্ট্রের সব ধরনের পথকে সঠিকভাবে উপযোগী রাখা । এর যে কোন ব্যত্যয়ের জবাব সংশ্লিষ্ট কর্ত্রপক্ষকে দিতে হবে । সেটা ইহজাগাতিকভাবেও -পরজাগতিক ভাবেও সত্য ।
পৃথিবীতে সভ্যতা যত বিস্তৃত হচ্ছে মানবতা তত ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে । মানুষেরা যত পথ তৈরি করতে পারছে -তত অমানবিক কাজের ক্ষেত্র প্রসারিত করতে পারছে ।
স্থলপথে আর্টিলারী-জলপথে রণতরী –আকাশ পথে যুদ্ধ বিমান ; আহ কী মহড়া –কী দাপট হুমকি ধামকি -এই হলো মানুষের অসভ্যতা প্রদর্শন ।যুদ্ধ সরঞ্জাম পাঠাতে পথে কোন সমস্যা হয় না –কিন্তু গরীব ক্ষুধার্ত কোন দেশে খাদ্য বস্ত্র অষুধ –ত্রাণ পাঠাতে কত শত বাঁধা!
পথের বাঁধা’ই সত্যিকারের বাঁধা । পথের মুক্তিই সত্যিকারের মুক্তি ।
যে জাতি পথের মর্যাদা বুঝে –সে জাতি গন্তব্যে পৌঁছে যায় ।অন্যরা পড়ে থাকে পথের ধারে।

Address

Dhaka
Gazipur
1740

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Molla Saheb posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Molla Saheb:

Shortcuts

Share