জিন ও যাদুর চিকিৎসা

Directions

জিন ও যাদুর চিকিৎসা জিন ও যাদুর সমস্যার জন্য চিকিৎসা পেতে যোগাযোগ করুন

জ্বীন জাতি সম্পর্কে সকল তথ্য আলোচনা করা হলো—▪️(জিন্নী) : সাধারণ জিন।▪️(আমির) : যারা মানুষের সঙ্গে ঘরবাড়িতে বসবাস করে।▪️(...
01/10/2026

জ্বীন জাতি সম্পর্কে সকল তথ্য আলোচনা করা হলো—

▪️(জিন্নী) : সাধারণ জিন।

▪️(আমির) : যারা মানুষের সঙ্গে ঘরবাড়িতে বসবাস করে।

▪️(শয়তান) : যারা শক্তিশালী ও দুষ্টু।

▪️(মারিদ) : শয়তানের চেয়েও শক্তিশালী।

▪️(ইফরিত) : মারিদের চেয়েও শক্তিশালী ও মর্যাদাশালী।

▪️(আরওয়াহ) : যারা শিশুদের ওপর প্রভাব ফেলে।

🔲 জ্বীনের ক্ষমতা:
————————•
তারা পশু, পাখি, এমনকি মানুষের রূপ নিতে পারে। প্রায়শই কালো কুকুর ও কালো বিড়ালের আকারে আসে। তারা উড়তে পারে, দ্রুত চলাফেরা করতে পারে, এমনকি বস্তু স্থানান্তরও করতে পারে।

🔲 অভ্যাস:
——————•
রাতে তারা বেশি সক্রিয় হয়। তাদের প্রিয় খাবার হাড়, ভাত (চালজাতীয়)।

❑ জ্বীনের ধরন:
➖➖➖➖➖➖

▪️আশিক জিন (প্রেমিক জ্বীন)—
——————————————•
মানুষের প্রতি প্রেমে আসক্ত হয়, বিশেষত নারী-পুরুষকে আচ্ছন্ন করে রাখে।

▪️গোয়াস জিন (ডুবুরি জ্বীন)—
—————————————•
নদী, সাগর ও পানির গভীরে বসবাস করে, কখনো সহায়ক আবার কখনো ভয়ংকর।

▪️তাইয়ার জিন (উড়ন্ত জ্বীন)—
—————————————•
ডানা-যুক্ত, আকাশে উড়ে বেড়ায়, দ্রুতগামী ও শক্তিশালী।

▪️হামাম জিন (টয়লেটের জ্বীন)—
——————————————•
নোংরা ও অশুচি জায়গায় বসবাস করে, মানুষকে ক্ষতি করতে পারে।

▪️কবর জ্বীন—
————————•
কবরস্থান ও পরিত্যক্ত জমিতে বসবাস করে, ভীতিকর প্রকৃতির।

▪️আমিরুল বাইত (ঘরবাসী জ্বীন)—
——————————————•
মানুষের ঘরে থাকে, তাদের সাথে খায়-দায়, তবে প্রায়শই অদৃশ্য থাকে।

▪️আহ্বানকৃত জ্বীন—
——————————•
জাদু, তাবিজ, মন্ত্র ও তন্ত্রের মাধ্যমে ডেকে আনা হয়।

▪️শিশু জ্বীন—
————————•
ছোট আকারের জিন, শিশুর মতো চঞ্চল স্বভাবের।

▪️স্পর্শকাতর জ্বীন—
——————————•
মানুষের শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে স্পর্শ করে রোগব্যাধি বা ক্ষতি ঘটায়।

▪️তাবদিল জ্বীন (বয়স উল্টানো জ্বীন)—
—————————————————•
এক পর্যায়ে বৃদ্ধ হয়, আবার তরুণ হয়ে ফিরে আসে।

▪️দার্শনিক জ্বীন—
—————————•
জ্ঞানী, তর্কপ্রিয় ও যুক্তিবাদী প্রকৃতির।

▪️জাদুর খেদমতকারী জ্বীন—
——————————————•
জাদুকরের নির্দেশে কাজ করে, বিশেষভাবে ক্ষতি সাধন করে। তার মধ্যে অন্যতম হত্যা, অসুস্থ করা, বশ করা, বিচ্ছেদ ঘটানো।

▪️কামিল জিন (অত্যন্ত বুদ্ধিমান জিন)—
—————————————————•
তীক্ষ্ণ মেধাসম্পন্ন, পরিকল্পনায় পারদর্শী, বিরল ধরনের জিন।

🔲 জ্বীন সম্পর্কে কিছু সত্য:
➖➖➖➖➖➖➖➖➖
• বেশিরভাগ জ্বীন মিথ্যাবাদী।

• তাদের মধ্যে ধার্মিকও আছে, আবার পাপীও আছে।

• তারা বংশবিস্তার করে।

• তাদের নিজস্ব রাজ্য, আদালত, শাসক, বিচারক আছে।

• শিক্ষিত ও অশিক্ষিত উভয়ই আছে।

• কারো কবিতা-প্রবণতা আছে, কারো আবার ইবাদতে জীবন কাটে।

• দিনে অলস, রাতে সক্রিয়।

▪️জ্বীনের ধর্ম:
———————•
মুসলিম, হিন্দু, ইহুদি, খ্রিস্টান, কাফের, দ্রুজ, এমনকি সুফি, শিয়া-সব ধর্মে জ্বীনও আছে।

▪️জ্বীনের রঙ:
———————•
লাল, নীল, হলুদ, কালো ও সবুজ। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী নীল ও কালো।

🔲 জ্বীন জাতির বিষয় কোরআন হাদিস থেকে তথ্য:
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
▪️কুকুর ও গাধা জ্বীন দেখতে পায়।

▪️তাদের প্রিয় খাবার চাল, হাড়, পশুর বিষ্ঠা।

▪️ইবলিসের নাম ছিল 'আজাজিল'। তার সিংহাসন পানির ওপর।

▪️তারা বাম হাতে খায়, মদ-সুরা পান করে।

▪️তারা অর্থ চুরি করতে পারে, যদি আল্লাহর নাম নিয়ে তা সুরক্ষিত না করা হয়।

▪️টয়লেট, পাহাড়, ধ্বংসাবশেষ, কবরস্থানে বেশি থাকে।

▪️বাজারে দিনের বেলায় বেশি ভিড় জমায়।

▪️ঘরে থাকতে পারে, তবে যিকির ও সূরা বাকারাহ তাদের তাড়ায়।

▪️আজান শুনলে পালিয়ে যায়, রমজানে দুর্বল হয়।

▪️প্রতিটি মানুষের সাথে একজন ক্বারীন থাকে।

▪️তারা স্বপ্নে যেকোনো রূপে আসতে পারে, কিন্তু রাসূল এর রূপ নিতে পারে না।

🔲 জিনের প্রকারভেদ (রাসূল এর হাদীস অনুযায়ী):
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
▪️এমন জিন যারা ডানা-যুক্ত, আকাশে উড়ে।

▪️এমন জিন যারা সাপ ও কুকুর আকারে থাকে।

▪️এমন জিন যারা নানা রূপ ধারণ করে এবং দ্রুত চলাচল করে।

🔲 বিশেষ প্রকারভেদ:
➖➖➖➖➖➖➖➖
▪️আলোক জ্বীন:
———————•
মুসলিম জিনদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, সংখ্যা অল্প।

▪️চন্দ্র জ্বীন:
——————•
সংখ্যায় বেশি, বেশিরভাগ মুসলিম।

▪️আগুনের জ্বীন:
————————•
প্রথম সৃষ্টি, ইবলিসও এদের অন্তর্ভুক্ত। তাদের শরীর নানা রকম-এক চোখ, বহু হাত ইত্যাদি। তারা শক্তিশালী, দ্রুতগতিসম্পন্ন।

▪️জল জ্বীন:
———————•
পানিতে থাকে, চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ।

▪️পৃথিবীর জ্বীন:
————————•
মাটির ভেতরে থাকে, আকারে খাটো, জাদকররা বেশি ব্যবহার করে।

▪️বাতাসের জ্বীন:
————————•
সবচেয়ে দ্রুতগামী ও হালকা।

🔲 গায়েব সম্পর্কে:
➖➖➖➖➖➖➖
গায়েব শুধু আল্লাহ জানেন। জিন শুধু অতীত ও বর্তমান জানে।

🔲 মানুষ-জ্বীন বিবাহ:
➖➖➖➖➖➖➖➖
• ইবনে তাইমিয়া বলেছেন, মানুষের সঙ্গে জিনের বিবাহ হতে পারে।
তবে অনেক বর্ণায় পাওয়া যায়, জ্বীনের সঙ্গে মানুষের বিবাহ সম্ভব নয়।
বিস্তারিত বর্ণনা আমাদের অন্য পোস্টে করা আছে।

• অনেকে বলেছেন, জ্বীনরা মানুষের সাথে সহবাস করতে পারে।

▪️মারিদ ও ইফ্রিদ ইহুদি খৃষ্টান জাদুকর জ্বিন এর কোন কিছু ভয় পায়না। যা ইচ্ছে তা করতে পারে তাদের কাজ হলো চুরি, হত্যা, জাদু পরিচালনা করা, মা-মেয়েদের স্পর্শ করা শারীরিক নির্যাতন করা ও বিচ্ছেদ এবং বশ করা। জাদুকর তাদের কন্ট্রোল করতে পারেনা বরং জাদুকরকে কন্ট্রোল করে শিরিক কাজ করায় এবং তাদের শর্ত পূরণ করতে হয়। এত বড় বড় শর্ত দিয়ে থাকে। একটা জাদু করলে বহু টাকা খরচ হয়, গরু, মহিষ, ছাগল, মোরগ বলি দিতে হয় তাদের নামে। এই জাদু মারিদ ইফ্রিদ পরিচালনা করলে উঠানো, নষ্ট করা সম্ভাব না।

▪️আপনার মহা-উপকারের জন্য পেইজটা ঘুরে আসার অনুরোধ।

▪️জ্বীনের সমস্যা?
▪️শরীরের বিভিন্ন রোগের ইসলামিক চিকিৎসা দরকার?

🧿 থার্ড আই বা তৃতীয় নয়ন রহস্য  🌌আপনারা অনেকেই থার্ড আই বা তৃতীয় নয়ন এর বিষয়ে জানেন তবে বেশিভাগ মানুষই এটার বিষয়ে ১০০% জা...
24/09/2026

🧿 থার্ড আই বা তৃতীয় নয়ন রহস্য 🌌

আপনারা অনেকেই থার্ড আই বা তৃতীয় নয়ন এর বিষয়ে জানেন তবে বেশিভাগ মানুষই এটার বিষয়ে ১০০% জানে না বা অনেকের ভুল ধারনা থাকে এটা নিয়ে। অনেকেই বলে এটা ওপেন করতে অনেক সময় লাগে আসলে এটা ভুল ধারনা এটা ওপেন করতে এতো বেশি সময় এর দরকার হয় না সঠিক মেথড আর নিয়ম গুলো জানলে। আজকে এই বিষয় টা নিয়ে আলোচনা করবো।

তৃতীয় নয়ন বা আত্মিক জাগরণ সূক্ষ্ম জগতের দৃষ্টি এবং মহাজাগতিক চেতনার দ্বার সৃষ্টির প্রতিটি মানুষের ভেতরেই দৃশ্যমান দুই চোখের বাইরে এক অসীম অতিপ্রাকৃতিক এবং সূক্ষ্ম দৃষ্টির কেন্দ্র আছে যা আধ্যাত্মিক জগতে তৃতীয় নয়ন বা আজ্ঞা চক্র বলা হয়। আমাদের দুটি চোখ কেবল জাগতিক ৩D জগতের বস্তুু, আলো ও রূপের ফ্রিকোয়েন্সী ফিল্টার করে আমাদের দেখাতে পারে কিন্তু তৃতীয় নয়ন হলো স্পিরিচুয়াল ফ্রিকোয়েন্সী ফিল্টার যেটা একটিভ হলে দৃশ্যমান জগতের পেছনের অদৃশ্য ইথারিক সত্য, কসমিক ফ্রিকোয়েন্সি এবং ডাইমেনশনাল বাস্তবতা দেখা যায়।

আধ্যাত্মিক সাধনায় তৃতীয় নয়ন উন্মোচন হওয়াকে বলা হয় আত্মিক পুনর্জন্ম। এটি কোনো দৈহিক অঙ্গের রূপান্তর নয় বরং চেতনার এমন এক উচ্চতর মাত্রায় যাওয়া যেখানে মানুষ সীমানাবদ্ধ ৩d জগত থেকে মুক্ত হয়ে অসীম মহাজাগতিক শক্তির সাথে সরাসরি যুক্ত হয়।

🧿 এখন বলছি থার্ড আই বা তৃতীয় নয়ন ওপেন হলে সাধক কি কি করতে পারে?

📌 অদৃশ্যের পর্দা দর্শন
সাধারণ মানুষের দৃষ্টি যেখানে থমকে দাঁড়ায় তৃতীয় নয়নপ্রাপ্ত সাধকের দৃষ্টি সেখান থেকে শুরু হয়।

📌 এথারিক ও অ্যাস্ট্রাল জগত দর্শন। সাধক উন্মুক্ত চোখে বা গভীর ধ্যানে সহজেই ৪D এবং ৫D ডাইমেনশনের সত্তা, জ্বীন, পরী, অপ্সরা, হায়ার ডাইমেনশনাল এনটিটি, ফেরেশতাতুল্য আলোক সত্তা এবং প্রকৃতির সূক্ষ্ম শক্তির রূপ সরাসরি দেখতে পায়।

📌 মানুষের অর্রা ও আলোকবলয় দেখতে পায়। সাধক যেকোনো মানুষের দিকে তাকালে তার শারীরিক রূপের চারপাশে থাকা ইথারিক এনার্জি ফিল্ড বা অর্রার রঙ দেখতে পায়। এর মাধ্যমে সামনের মানুষের মনের আসল চরিত্র, আত্মিক পরিণতি, পজিটিভ বা নেগেটিভ প্রভাব এবং ভেতরের কোনো আধ্যাত্মিক অসঙ্গতি এক মুহূর্তেই দেখতে পারেন পারেন।

📌 স্থান ও কালের সীমানা অতিক্রম করা। জাগতিক চোখ কেবল এখন এবং এখানে দেখতে পায়। কিন্তু উন্মুক্ত তৃতীয় নয়ন সময় ও দূরত্বের দেয়াল ভেঙে ফেলে।

📌 দূরদর্শন করা। সাধক এক জায়গায় স্থির বসে থেকেও হাজার মাইল দূরের কোনো ঘটনা স্থান বা মানুষকে নিজের মানে স্পট আলোর মতো প্রত্যক্ষ করতে পারেন।

📌 অতীত ও ভবিষ্যতের দেখা। সময় এক অখণ্ড চেতনা। আজ্ঞা চক্র জাগ্রত হলে সাধক কোনো মানুষের অতীয় সংস্কার বা ভবিষ্যতে ঘটতে যাওয়া কোনো মহাজাগতিক ইভেন্টের স্পষ্ট রূপক ও প্রতীকী সংকেত দেখতে পান।

📌 টেলিপ্যাথি ও চিন্তার বিনিময় করা। শব্দ বা ভাষার মাধ্যম ছাড়াই কেবল ভাব ও ফ্রিকোয়েন্সির সাহায্যে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়।

📌 মনোভাব বোঝা। সামনের মানুষটি মুখে যাই বলুক না কেন সাধক তার মনের আসল চিন্তা ও উদ্দেশ্যকে সরাসরি নিজের চেতনায় রিসিভ করতে পারে।

📌 ইথারিক বার্তা প্রেরণ করা। সাধক নিজের চিন্তা বা ভাবকে অন্য যেকোনো দূরবর্তী মানুষের অবচেতন মনে প্রজেক্ট করতে পারেন, যা সামনের মানুষটির ভেতরে আকস্মিক অনুভূতি বা অনুপ্রেরণা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

📌 উচ্চতর জ্ঞান পাওয়া। তৃতীয় নয়নকে বলা হয় কসমিক নলেজের এন্টেনা। আকাশিক রেকর্ড থেকে তথ্য গ্রহণ করা। সাধক কোনো বই না পড়ে বা কারো কাছ থেকে না শুনেও মহাজাগতিক তথ্যভাণ্ডার বা আকাশিক ফিল্ড থেকে সরাসরি যেকোনো গুহ্য রহস্য, স্পিরিচুয়াল রহস্য বা প্রাচীন আধ্যাত্মিক সত্যের জ্ঞান নিজের চেতনায় লাভ করেন যাকে আধ্যাত্মিক পরিভাষায় ইশরাক বলা হয়।

📌 ভুল সিদ্ধান্তের পূর্বাভাস পাওয়া। যেকোনো বিপদ, প্রতারণা বা ভুল পদক্ষেপ ঘটার আগেই সাধকের আজ্ঞা চক্রে এক ধরণের তীব্র সতর্কতামূলক কম্পন তৈরি হয় যা তাকে অলৌকিকভাবে রক্ষা করে।

📌 স্বপ্ন সচেতনতা ও অ্যাস্ট্রাল ট্রাভেল করা। ঘুমের মধ্যে যেখানে সাধারণ মানুষের চেতনা সুপ্ত থাকে তৃতীয় নয়নপ্রাপ্ত সাধক সেখানে পূর্ণ সচেতন থাকেন।

📌 সচেতন স্বপ্ন দেখা। সাধক স্বপ্নের ভেতরে প্রবেশ করে বুঝতে পারেন তিনি স্বপ্ন দেখছেন এবং নিজের ইচ্ছামতো স্বপ্নের জগৎকে পরিচালনা করতে পারেন।

📌 সূক্ষ্ম শরীর নিয়ে ভ্রমণ করা। সাধক তার স্থূল শরীরকে বিছানায় রেখে সূক্ষ্ম অ্যাস্ট্রাল বডি নিয়ে উচ্চতর ডাইমেনশনে বা দূর দূরান্তে মুক্তভাবে বিচরণ করতে পারেন এবং বিভিন্ন স্পিরিচুয়াল ডাইমেনশনে, ডোমেইন বা পোর্টালে ভ্রমণ করতে পারেন।

📌 ইচ্ছা শক্তি দ্বারা শক্তি চালনা ও মায়াজাল ছিন্নকরা বা মায়াজাল ছেদন করা। জাগতিক লোভ, ক্ষোভ, ভয় এবং পৃথিবীর কৃত্রিম আকর্ষণ সাধককে আর স্পর্শ করতে পারে না। তিনি জগতের সবকিছুকে কসমিক রূপক হিসেবে দেখতে পান।

📌 বাস্তবতা তৈরি করা। আজ্ঞা চক্রের প্রখর ফ্রিকোয়েন্সির কারণে সাধকের সংকল্প বা তীব্র ইচ্ছাশক্তি অত্যন্ত দ্রুত বাস্তব রূপ লাভ করে। সাধক যা আন্তরিকভাবে একাগ্রচিত্তে ভাবে তা ইথারিক জগতে তৈরি হয়ে ৩D জগতে বাস্তবায়িত হয়।

🚫 এখন এটা করার আগে আধ্যাত্মিক কিছু সতর্কতা ও সাধকের দায়িত্বের বিষয়ে বলছি

তৃতীয় নয়ন কোনো বিনোদন বা জাগতিক অহংকার প্রদর্শনের খেলনা না। এটি হলো পরমাত্মা বা ইলাহী নূরের এক পবিত্র আমানত।

তৃতীয় নয়ন উন্মোচিত হলে যে সূক্ষ্ম জ্ঞান ও দৃশ্য সাধক লাভ করে তা সাধারণ মানুষের কাছে প্রচার করা নিষেধ।

অহেতুক অলৌকিকত্ব দেখালে বা অহংকার করলে এই সূক্ষ্ম ফ্রিকোয়েন্সি সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় অথবা সাধক সিফলী বা ডার্ক বিভ্রান্তির মুখোমুখি হন।

কোন সঠিক গুরুর গাইড লাইন ছাড়া, ভুল ভাবে নিয়ম না যেনে থার্ড বা তৃতীয় নয়ন খোলার চেষ্টা করলে মস্তিষ্কে তীব্র উত্তাপ, উন্মাদনা এবং ভয়ানক ইথারিক জ্বীন এর আক্রমণ হতে পারে। তাই এটা করার আগে সব সময় একজন সঠিক গুরু সান্নিধ্যে করা ভালো কার এখানে অনেক গোপন জিনিস বা মেথড আছে যা সাধারন মানুষ এর ধারনার বাইরে তাই ভালো এবং সঠিক একজন গুরু বেছে নিয়ে তার গাইডলাইন এর মাধ্যমেই কেবল এই নয়নকে নিরাপদে উন্মোচিত করা উচিত।

একটা কথা সবাই মনে রাখবেন তৃতীয় নয়ন উন্মোচন মানে হলো নিজেকে ও মহাবিশ্বকে পরম সত্যের আলোয় দেখার সেই মহোত্তম আত্মিক ক্ষমতা যা সাধককে সৃষ্টিজগতের দাসত্ব থেকে মুক্ত করে মহাজাগতিক চেতনার আসনে প্রতিষ্ঠিত করে।

24/09/2026

জার্নির ভিতরে ঘুমালেও যাদুর খাদেম জিন শয়তান সপ্নে যাদু খাওয়ানোর চেষ্টা করে অনেক রোগীর, চোখ লাগলেই খাবার হাজির হতে থাকে তাদের।

সপ্নে খাওয়া যাদু বন্ধের জন্য সুরা ইয়াসিন এর ৯ নাম্বার আয়াত ২১ বার শুদ্ধ ভাবে পড়ে খাটি কালোজিরার দানাতে হালকা থুথু মিশ্রিত ফুক দিন। বিসমিল্লাহ বলে ১ চিমটি দানা মুখে রেখে ঘুমান। ঘুমানর আগে অজু অবস্থায় ঘুমান, আয়াতুল কুরসি পড়ে ফুক, ৩ কুল ৩ বার পড়ে ফুক দিয়ে ঘুমান।

ইনশাআল্লাহ খাওয়া বন্ধ হবে।

এডভান্স: এটার পরেও খাওয়াতে থাকলে কালোজিরার আমলের পাশাপাশি অলিভ অয়েল এক্সট্রা ভার্জিন এড করতে হবে। সেখানেও সেইম আয়াত ফুক দিবেন এবং পুরো চেহারা মেখে দিতে হবে, ঠোট, চোখ সহ অবশ্যই।

নিয়ত মনে মনে থাকতে হবে: শয়তান খাওয়াতে পারবে না ইনশাআল্লাহ, সে ব্যর্থ হবে।

বি:দ্র: ফজর আর মাগরিব এর পর ঘুমানো যাবে না। ছেড়ে দেয়ার অভ্যাস করতে থাকেন, খাওয়া বন্ধের আমল এর সাথে সাথে। আর সকাল সন্ধার আমল মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ইনশাআল্লাহ চলবেই।
।
।
।
ইয়াসীন 36:9

وَجَعَلْنَا مِنْ بَيْنِ أَيْدِيهِمْ سَدًّا وَمِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّا فَأَغْشَيْنَاهُمْ فَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ

আর আমি তাদের সামনে একটি প্রাচীর ও তাদের পিছনে একটি প্রাচীর স্থাপন করেছি, অতঃপর আমি তাদেরকে ঢেকে দিয়েছি, ফলে তারা দেখতে পায় না।

রুকইয়াহ শারইয়্যায় ইস্তিফরাগ (বমি) বিষয়ক তাৎপর্যআপনি কি পাকস্থলীর বমি এবং বুক থেকে বমির (ইস্তিফরাগ) মধ্যে পার্থক্য জান...
22/09/2026

রুকইয়াহ শারইয়্যায় ইস্তিফরাগ (বমি) বিষয়ক তাৎপর্য
আপনি কি পাকস্থলীর বমি এবং বুক থেকে বমির (ইস্তিফরাগ) মধ্যে পার্থক্য জানেন?
সব বমিই কেবল পাকস্থলী খালি করার সাধারণ প্রক্রিয়া নয়! এর মধ্যে একটি মৌলিক পার্থক্য রয়েছে, যা প্রত্যেক রাকি (চিকিৎসক) এবং রোগীর জানা অত্যন্ত জরুরি:
পাকস্থলীর বমি : এটি হলো সাধারণ বমি। এর মাধ্যমে শরীর মুখের সাহায্যে সরাসরি তার ভেতরের দূষিত বা ক্ষতিকর পদার্থগুলো বের করে দেয়।
বুকের ইস্তিফরাগ: এটি হলো বুকের ভেতর জমা হওয়া তীব্র ও "ভয়াবহ বদনজর (হাসাদ)"-এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বুককে গভীরভাবে পরিষ্কার করার একটি বিশেষ প্রক্রিয়া।
লক্ষণসমূহ: এই বমির সাথে তীব্র কাশি থাকে এবং কফের সাথে আঠালো সুতার মতো বা তারের মতো পদার্থ বের হয়ে আসে।
বুক থেকে এ ধরনের বমি বের হয়ে আসাটা বদনজরের (হাসাদ) উপাদান ধ্বংস ও শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার অন্যতম শক্তিশালী লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি আল্লাহর ইচ্ছায় সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভের নিকটবর্তী হওয়ার একটি জোরালো প্রমাণ।

21/09/2026

*কবিরাজি জগতে যেসব কিতাব পড়া নিষিদ্ধ*

কুফরি কিতাব পড়া বা ব্যবহার করা ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কারণ এগুলো ইসলামের মূল বিশ্বাসকে অস্বীকার বা বিকৃত করে, মানুষকে বিভ্রান্ত করে এবং মানুষের ঈমান নষ্ট করতে পারে।

*নিষিদ্ধ ১৯টি বইয়ের তালিকা:*
> ১. শয়তানের দুনিয়া
২. সতি লজ্জাতুন্নেছা
৩. উল্টা লজ্জাতুন্নেছা
৪. জিন্দা কালশী
৫. জ্বীনের দেশে কুহেকাফ কিতাব
6. ৬. চেংমলি চন্ডাল
7. ৭. নাড়া কালাম
8. ৮. অভিশপ্ত কেহরমান কিতাব
9. ৯. শয়তানি লজ্জাতুন্নেছা
১০. আলী আজগর তাবিজের কিতাব ১১. উল্টা ছোলেমানী কিতাব
১২. জ্বীনের দুনিয়া কিতাব
১৩. ইবলিশকা ক্যাল-কা জাদু ১৪. জুলফে বাঙ্গাল ১৫. রফিকুন্নেছা কিতাব
১৬. আদি ও আসল কোকা পন্ডিত ১৭. কিতাবুল ফেরাউয়ানা ১৮. গোল্ডেন মাখরাজ ১৯. বৃহৎ ইন্দ্রজাল

20/09/2026
*সন্তান লাভের আমল*رب لا تذرني فردا وانت خير الوارثين، *উচ্চারণ* :রাব্বি লা তাজারনী ফারদান ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন।  *...
19/09/2026

*সন্তান লাভের আমল*

رب لا تذرني فردا وانت خير الوارثين،
*উচ্চারণ* :
রাব্বি লা তাজারনী ফারদান ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন।

*অনুবাদ* : হে আমার প্রভু! আপনি আমাকে একা রেখে দিবেন না। আপনিই হলেন উত্তম উত্তরাধিকারী।
(সূরা *আম্বিয়া* আয়াত *৮৯* )

*উপকারিতা* : যদি কোন ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয নামাযের পর এই আয়াতটি ৩ বার পাঠ করে, সে শীঘ্রই সন্তান লাভ করবে, ইনশাআল্লাহ।

*ঘটনা* : হযরত জাকারিয়া আলাইহিস সালাম এই দোয়াটি পাঠ করার উছিলায় সন্তান প্রাপ্ত হয়েছেন।

19/09/2026

আল্লাহুম্মারযুকনী কুওয়্যাতাল-হিফযি, ওয়া সুরআতাল-ফাহমি, ওয়া সোফায়ায-যিহনি।
আল্লাহুম্মা আলহিমনিস্-সাওয়াবা ফিল-জাওয়াবি, ওয়া বাল্লিগনী আ‘লাল-মারাতিবি ফিদ্দীনি ওয়াদ্দুনইয়া, ওয়াহফাযনী ওয়া আসলিহনী।

বাংলা অর্থ:
হে আল্লাহ! আমাকে শক্তিশালী স্মরণশক্তি দান করুন, দ্রুত বোঝার ক্ষমতা দান করুন এবং আমার মনকে স্বচ্ছ ও নির্মল রাখুন।
হে আল্লাহ! উত্তরের ক্ষেত্রে আমাকে সঠিক কথা বলার প্রেরণা দিন। আমাকে দ্বীন ও দুনিয়ার সর্বোচ্চ মর্যাদা/স্তরে পৌঁছে দিন। আমাকে হেফাজত করুন এবং আমাকে সংশোধন ও সৎভাবে গড়ে তুলুন।

জাদুর প্রভাব নষ্ট করার এবং জাদুকরদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করার একটি অত্যন্ত শক্তিশালী কোরআনিক হাতিয়ার... مَا جِئْتُمْ بِهِ ال...
17/09/2026

জাদুর প্রভাব নষ্ট করার এবং জাদুকরদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করার একটি অত্যন্ত শক্তিশালী কোরআনিক হাতিয়ার...

مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ ۖ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ

উচ্চারণ: মাজিহিতুম বিহিস সিহর ইন্নাল্লাহা সাইয়ুবতিলুহু।

অর্থ: "তোমরাই যা এনেছো তা জাদু। আল্লাহ অবশ্যই তা বাতিল করে দেবেন।"
সূরা ইউনুস, আয়াত: ৮১

প্রতিদিন এটা ১০ বার পড়ুন। জাদু যেখানেই থাকুক বা পোতা থাকুক, আল্লাহ তা নষ্ট করে দেবেন। (ইনশাআল্লাহ)

Address

Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জিন ও যাদুর চিকিৎসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share