Ì š Í ä m' í ċ Ř ē v' ī é ŵ

Ì š Í ä m' í ċ  Ř ē v' ī é ŵ রাসূল ( সা ) ইরশাদ করেছেন যে, আমার পক্ষে ?

হে আমার আল্লাহ 🤲🤲🤲🤲🤲হে আমার আশাস্হলহে আমার ভরসাহে আমার আশা হে আমার প্রত্যাশাআমার প্রভু আমি তোমার ক্ষমা চাইদু’হাত প্রসারি...
18/11/2020

হে আমার আল্লাহ 🤲🤲🤲🤲🤲
হে আমার আশাস্হল
হে আমার ভরসা
হে আমার আশা
হে আমার প্রত্যাশা
আমার প্রভু আমি তোমার ক্ষমা চাই
দু’হাত প্রসারিত করেছি তোমার আলোর জন্য
হ্রদয়ের সকল রহস্য আজ প্রকাশ করলাম
সকল দুঃখ তোমায় জানাতে এলাম
অভিযোগ জানাই আমার হ্রদয়ের বক্রতার বিষয়ে
আমার জিবন অবাধ্যতায় পূর্ণ
এভাবেই আমার জিবনের সূচনা
জানি না কিভাবে এর সমাপ্তি হবে
জানি না এই প্রতাশার অবসান কিভাবে
জানি না সঠিক পথের পথিক কি না
জানি না আমার রাত সম্পর্কে
জানি না আমার দ্বীন সম্পর্কে
আর না আমি অন্য কাউকে ডাকি আপনি ব্যতীত
হে আমার আল্লাহ
হে আমার একমাত্র আশাস্হল
হে আমার প্রভু আমার সকাল আমার সন্ধ্যার দ্বারা শৃঙ্খলিত
আপনার পবিত্র আলো আমার হ্রদয়ে রাখুন
আমি তৃষ্ণার্ত সঠিক পথের সন্ধানে
জানি না কিভাবে নিজেকে সঠিক পখের পথিক করবো
নদীর তীরে যখেষ্ট পানি নেই
যা আমার হ্রদয়ের অগ্নিকে নির্বাপণ করবে
আমার প্রভু, আমি আপনার করুণার প্রত্যাশী
আমি এবং আমার ছোট নৌকা গুনাহের পাশাপাশি জোয়ারের ঢেউয়ে আটকে আছি যেখানে কোন আলো পৌঁছায় না
সকল কিছু শুকিয়ে শুণ্যে মিশে যাচ্ছে
তবে আমি এখনো দূর ভাবে আপনার করুণার প্রত্যাশী
হে আমার আল্লাহ
হে আমার আশাস্থল

02/09/2020

নিঃসন্দেহে আল্লাহর প্রতি সদাসতর্কদের জন্যই রয়েছে চূড়ান্ত সফলতা
আল্লাহ تعالى আছেন এবং তিনি আমাদের সব কাজ দেখছেন, সব কথা শুনছেন এবং সব চিন্তা বুঝতে পারছেন —এই ব্যাপারে যারা সদা-সতর্ক থাকে এবং তাঁর ভয়ে নিজের কথা-কাজ-চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করে, তারাই হচ্ছেন মুত্তাকী অর্থাৎ তাকওয়াবান। শুধুমাত্র তাকওয়াবানদেরকে আল্লাহ تعالى নিশ্চয়তা দিয়েছেন চূড়ান্ত সফলতার।

কেন তাকওয়া এত গুরুত্বপূর্ণ? শুধু নামাজ, রোজা, হাজ্জ করলেই কি যথেষ্ট নয়?

তাকওয়া নেই এমন পাঁচ-ওয়াক্ত-নামাজী বাসায় এসে পরিবারের সাথে, কাজের লোকের সাথে, এমনকি নিজের সন্তানের সাথে দানবের মত আচরণ করে। তাকওয়া নেই এমন হাজ্জি ঘুষ খেয়ে হজ্জে যায় এবং হজ্জ থেকে ফিরে এসে আবার ঘুষ খায়। তাকওয়া নেই এমন দাড়িওয়ালা পণ্যে ভেজাল দেয়, কমদামী মাল বেশী দামে চালিয়ে দেয়, কাগজপত্রে মিথ্যা কথা লিখে অন্যায় সুবিধা নেয়, অফিসে লুকিয়ে ব্যক্তিগত কাজ করে, নামাজ পড়তে বের হয়ে আর সহজে কাজে ফেরত আসে না ইত্যাদি। —ধর্মীয় বেশভূষাধারী এই মানুষগুলোর স্বভাব এবং কাজের জন্য ইসলামের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে যায়, কারণ এদেরকে দেখে অন্যেরা মনে করে যে, এটাই হচ্ছে ইসলাম ধর্মের শিক্ষা। ইসলামের সবচেয়ে বড় ক্ষতি তখন এরাই করে।

তাকওয়া হচ্ছে সবসময় সতর্ক থাকা যে, একজন প্রচণ্ড ক্ষমতাধর সত্ত্বা সবসময় আপনার দিকে তাকিয়ে আছেন। একইসাথে তিনি দুজন অদৃশ্য সত্তাকে আদেশ করেছেন প্রতি মুহুর্তে আপনার গতিবিধি নজর রাখার জন্য। এই পুরো মহাবিশ্ব তাঁর হাতের মুঠোয়। আপনি তাঁকে এক মুহূর্তের জন্যও ফাঁকি দিতে পারবেন—এটা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। —এই উপলব্ধি থেকে যারা নিজেদেরকে দুনিয়ার প্রলোভন থেকে বাঁচিয়ে চলেন এবং ‘লোকে কী বলবে’-কে ভয় না পেয়ে বরং ‘আমার প্রভু কী বলবেন’-কে বেশি ভয় পান — তারাই তাকওয়াবান, তারাই মুত্তাকী।

যতক্ষণ পর্যন্ত কেউ উপলব্ধি করছে না যে, একদিন তাকে আল্লাহর تعالى সামনে দাঁড়িয়ে সব কাজের জবাব দিতে হবে— ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে ধর্ম শিখিয়ে বেশি লাভ হবে না। ধর্ম তার কাছে শুধুই কিছু তত্ত্ব কথা হয়ে থাকবে। ধর্মীয় নিয়মকানুনগুলো মানার জন্য সে কোনো আগ্রহ খুঁজে পাবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত অন্য মানুষ তাকে দেখতে পাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে ভালো মানুষের মুখোশ পরে থাকবে। তারপর একা হলেই তার আসল চেহারা বের হয়ে যাবে। দেশের আইন-কানুন তাকে হয়তো সমাজে, ঘরের বাইরে অন্যায় করা থেকে দূরে রাখতে পারবে। কিন্তু কোনো নির্জন রাস্তায়, অন্ধকার পার্কে, নিজের ঘরের ভেতর, নিজের পরিবারের সাথে, নিজের সাথে জঘন্য কাজ করা থেকে তাকে আটকাতে পারবে না। এর জন্য একমাত্র সমাধান হচ্ছে তাকওয়া এবং বিশেষ করে কিয়ামতের বিচারের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস।

যারা আল্লাহর تعالى প্রতি সাবধান থেকে নিজেদেরকে পাপ থেকে দূরে রাখবেন এবং তাঁর আনুগত্য করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন, তাদের জন্যই রয়েছে অন্তিম সফলতা। সেই সফলতার কিছু চিত্র আল্লাহ تعالى আমাদেরকে দিয়েছেন—

Address

Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ì š Í ä m' í ċ Ř ē v' ī é ŵ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share