Sri Sri Radha-Madhava Temple_ISKCON

Sri Sri Radha-Madhava Temple_ISKCON Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sri Sri Radha-Madhava Temple_ISKCON, Religious organisation, BandaKhula, Kaliganj, Gazipur.

17/05/2026

হরেকৃষ্ণ 🙏
ভগবানের সৃষ্টির অপরূপ সৌন্দর্য।

10/04/2026

সাতালিপাড়া নগর সংকীর্তন

28/02/2026

জয় নৃসিংহদেব 🙏🙏🙏

18/02/2026

হরেকৃষ্ণ

শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মন্ডলী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও অভিভাবকের চরণে প্রনতি জ্ঞাপনপূর্বক জানাতে যাচ্ছি যে, অতি শীঘ্র বান্দাখোলা রাধামাধব মন্দিরে **জাগ্রত ছাত্র সমাজের** শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হতে যাচ্ছে। এজন্য আপনার আশেপাশে পরিচিত কোনো শিক্ষার্থী থাকলে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করে রেজিস্ট্রেশন করুন।

রেজিস্ট্রেশন ফি ২০০ টাকা এবং প্রতি মাসের প্রণামী ২০০ টাকা মোট ৪০০ টাকা।

মোবাইল নম্বর 01759-113044

ধন্যবাদান্তে
শ্রীমান ঋষিকেশ মুকুন্দ দাসাধীকারি

09/02/2026

হরেকৃষ্ণ
প্রিয় ভক্তবৃন্দ,

**জাগ্রত ছাত্র সমাজ ** ইসকন রাধা মাধব মন্দির কালিগঞ্জ গাজীপুরে প্রথম শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত বাচ্চাদের নিন্মুক্ত ক্লাসগুলো শুরু হতে যাচ্ছে :
১. শাস্ত্র শিক্ষা
২. কীর্তন শিক্ষা
৩. বাদ্যযন্ত্র শিক্ষা
৪. নৃত্য শিক্ষা
৫. অংকন শিক্ষা
৬. ক্রীড়া শিক্ষা

যে সকল ভক্তবৃন্দের সন্তানদেরকে রেজিস্ট্রেশন করতে চান নিম্নলিখিত ফি জমাদান করে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

১. রেজিস্ট্রেশন ফি ২০০ টাকা
২. সকল বিষয়ের মোট মাসিক বেতন ২০০ টাকা (প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে জমা দিতে হবে)
৩. পাঠ্যপুস্তক,খাতা কলম ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ছাত্র-ছাত্রীকে নিজ খরচে সংগ্রহ করতে হবে।

নিন্মুক্ত whatsapp নাম্বারে বাচ্চার নাম, পিতা ও মাতার নাম,ঠিকানা, কোন শ্রেণীতে পড়ে,জন্ম তারিখ, মোবাইল নাম্বার প্রদান করবেন।

whatsapp নাম্বার 01759-113044

রেজিস্ট্রেশন ফি এবং মাসিক বেতন নিম্ন্মুক্ত বিকাশ নাম্বারে পাঠাতে পারেন
বিকাশ নাম্বার 01759-113044 ( বিপুল চন্দ্র সাহা)

ধন্যবাদান্তে
শ্রীমান ঋষিকেশ মুকুন্দ দাস

06/02/2026

হরিবোল🙏

দিব্য আনন্দ
06/02/2026

দিব্য আনন্দ

এই জগতের মানুষ দেহ ও মন দিয়ে জড় বিষয় ভোগ করছে, ফলে তার দেহ ভোগী হয়ে রয়েছে । ভক্তিযোগ হচ্ছে দেহ ও মন নির্মল করার পন্...
05/02/2025

এই জগতের মানুষ দেহ ও মন দিয়ে জড় বিষয় ভোগ করছে, ফলে তার দেহ ভোগী হয়ে রয়েছে । ভক্তিযোগ হচ্ছে দেহ ও মন নির্মল করার পন্থা ।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ভগবদগীতায় বলেছেন, যাঁরা সমস্ত ইন্দ্রিয় সংযত করে, সকলের প্রতি সমভাবাপন্ন হয়ে এবং সর্বভূতের কল্যাণে রত হয় তাঁরা অবশেষে আমাকেই প্রাপ্ত হন। গীতা ১২/৩-৪
দেহের ইন্দ্রিয় গুলিকে ভগবানের সেবায় নিযুক্ত করলে , সেগুলি জড় কলুষ থেকে মুক্ত হয়। আমাদের প্রত্যেকের হৃদয়ে প্রেম রয়েছে । সেই প্রেম বিভিন্নভাবে প্রকাশিত হয় । আমরা ভক্তিযোগ অনুশীলনের মাধ্যমে যখন জড় বিষয়াসক্তি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হব , তখন অন্তরের দিব্য কৃষ্ণপ্রেম প্রকাশিত হয় ।

তাই সদগুরুর তত্ত্বাবধানে কিছু নির্দিষ্ট বিধিনিয়ম অভ্যাস করতে হয় , যেমন -
#ভোরে ঘুম থেকে ওঠা ,
#স্নান করে মন্দিরে গিয়ে ভগবানের আরতিতে যোগদান ,
#হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ ,
#ফুল তুলে ভগবানকে তা নিবেদন করা ,
#রান্না করে ভগবানকে ভোগ নিবেদন,
#প্রসাদ গ্রহণ করা,
#এবং শুদ্ধ ভক্তের নিকট থেকে নিয়মিত শ্রীমদ্ভাগবত ও শ্রীমদ্ভগবদগীতা শ্রবণ করতে হয় ।

ভক্তিযোগের এই কর্মগুলি অফিস, ব্যবসা ও জাগতিক কর্মের সাথে অনুশীলন করলেও যে কেউ তার হৃদয়ের দিব্য কৃষ্ণপ্রেম বিকশিত করতে পারেন।। হরেকৃষ্ণ।।
।। জয় শ্রীকৃষ্ণ।।

অর্থহীন দেখি মোরে ছেড়েছে সবাই।কুটম্ব-আত্মীয় আর বন্ধুজন ভাই।।দুঃখ হয় হাসি পায়,একা বসে হাসি।মায়ার সংসার এই কাকে ভালবাসি?কো...
05/02/2025

অর্থহীন দেখি মোরে ছেড়েছে সবাই।
কুটম্ব-আত্মীয় আর বন্ধুজন ভাই।।

দুঃখ হয় হাসি পায়,একা বসে হাসি।
মায়ার সংসার এই কাকে ভালবাসি?

কোথা গেল পিতা মাতা আর স্নেহময়।
কোথা গেল জ্যেষ্ঠ যারা স্বজনাদি হয়।।

সমুদ্রের ফেনা যেন ক্ষনে সৃষ্টি ক্ষনে লয়।
মায়ার সংসারে খেলা সেইভাবে হয় ।।

কেহ নয় পিতা মাতা আত্মীয় স্বজন।
সবাই ফেনার মত থাকে অল্পক্ষণ।।

আত্মীয় সবাই ভাই,আত্মার সম্বদ্ধে।
আত্মীয়তা নাহি হয় মায়াময় গন্ধে।।

সকলের আত্মা যিনি স্বয়ং ভগবান।
তাহার সম্মন্ধে বিশ্বে সবাই সমান।।

আত্মীয় তোমার ভাই,যত জীবকোটি।
কৃষ্ণ সম্মন্ধে তারা হয় পরিপাটি।।

কৃষ্ণ ভুলি সেই জীব ভোগবাঞ্চা করে।
মায়ার সংসার তাই জাপটিয়া ধরে।।।

শ্রীল প্রভুপাদ।।।

🔶  #দীক্ষা নেওয়ার আগে যে বিষয়গুলি  #খেয়াল রাখবেন || মহাপ্রভু  #স্বীকৃত ৪ সম্প্রদায় গুলি কি কি|| ১৩ টি  #অপসম্প্রদায় কি ক...
13/01/2025

🔶 #দীক্ষা নেওয়ার আগে যে বিষয়গুলি #খেয়াল রাখবেন || মহাপ্রভু #স্বীকৃত ৪ সম্প্রদায় গুলি কি কি|| ১৩ টি #অপসম্প্রদায় কি কি || কার কাছ থেকে দীক্ষা নিবেন || দীক্ষা #কেন নিবেন || ৪ সম্প্রদায়ের বাহিরে দীক্ষা নিলে কি #ফল হবে || অপসম্প্রদায়ের বর্ণনা || 🔶

🌿 কলিযুগ পাবন অবতার শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু স্বীকৃত চার সম্প্রদায়ঃ

১। রামানুজাচার্য (শ্রী সম্প্রদায়)
২। মধবাচার্য ( ব্রহ্ম সম্প্রদায়)/(ব্রহ্ম-মাধ্ব-গৌড়ীয় সম্প্রদায়)
৩। বিষ্ণুস্বামী ( রুদ্র সম্প্রদায়)
৪। নিম্বাকাচার্য ( কুমার সম্প্রদায়)

🌿 আমাদের সমাজে মোট ১৩ প্রকারের অপসম্প্রদায় রয়েছে। ১৩টি অপসম্প্রদায়ের তালিকাঃ

১.আউল
২.বাউল
৩.কর্ত্তাভজা
৪.নেড়া
৫.দরবেশ
৬.সাই
৭.সহজিয়া
৮.সখীভেকী
৯.স্মার্ত
১০.জাত-গোসাই
১১.অতিবাড়ি
১২.চুড়াধারী
১৩.গোরাঙ্গ-নাগরী

🌿 ১৩ টি অপসম্প্রদায়ের বর্ণনাঃ

🔘১. আউলঃ
মায়াবাদের প্রকার বিশেষ এই মতবাদ। নিজেদের ঈশ্বর বলে মনে করে প্রকৃতিকে ভোগ করে যথেচ্ছভাবে। পরনারী সঙ্গ করে। পতিতা বারবণিতা এদের কোন বাচ-বিচার নেই। সকলের সাথে এদের সমন্বয়। অবাধ মেলামেশা,বিধবা লোলুপ। এবং পরস্ত্রী ভুলিয়ে নিতে পারলে এরা আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তোলে।

🔘২. বাউলঃ
এটিও মায়াবাদের মধ্যে। আউল বাউলের মধ্যে আচার ব্যবহার সামান্য পার্থক্য থাকলেও এরা মহাসম্ভোগবাদী।
আচার্য শ্রীল বিনোদ ঠাকুর লিখছেন

বাউল বাউল বলছ বটে বাউল হচ্ছে ক'জনা।
দাড়ি চূড়া রেখে ভাইরে লোককে করছ বঞ্চনা।।

দাড়ি এবং গোফ রেখে এরা ঘুরে বেড়ায়। এরা পরনারী সঙ্গদোষী।পরের নারী নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। নারী পুরুষের অবাধ মিলনে যেন রাধা কৃষ্ণের প্রেম অনুভব হয়।
তাই আবারও ভক্তি বিনোদ ঠাকুর মহাশয় বলছেন

সহজ ভজন করছ মামু
সঙ্গে লয়ে পরের বালা
সখিভাবে ভজছেন তারে
নিজে হয়ে নন্দলালা।।

এসবই তাদের লীলা খেলা।শুক্র,শোণিত, মল মুত্রাদি ভক্ষণ এদের সাধন প্রণালি।

🔘৩. কর্তাভজাঃ
এমতের প্রবর্তক অউলে চাঁদ।এরা গুরুকে কর্তা বলে।গুরুকেই ঈশ্বর ভাবে।গুরুই এদের গৌরাঙ্গ। যেমন, অনুকুল ভক্তরা।হরিচাঁদের দল।এরা ঘোর ভক্তি বিরোধী মায়াবাদি।এদের মাঝে উচ্ছিষ্ট ভোজন প্রথা প্রচলিত আছে।এরা গুরু সত্য হরি সত্য বলে কিন্তু কোন সদাচার পালন করেন না।

🔘৪. নেড়াঃ
কথিত আছে এদের দলে বারশত নেড়া তেরো শত নেড়ী ছিল।
এরা শ্রীনিত্যানন্দাত্মজ বীরভদ্র প্রভুর অনুগব্রুব।বীরচন্দ্র প্রভুর উদ্দেশ্য ছিল এরা সদাচারী হয়ে হরিভজন করুক।কিন্তু প্রভু বীরচন্দ্রের সে ইচ্ছা উদ্দেশ্য সফল হয়নি।তারা স্বতন্ত্রতার অপব্যবহার করে মৎস্য মাংসাদি ভক্ষণ পুর্বক অপকর্মে লিপ্ত হয়।শাস্ত্র ও মহাপ্রভুর ভাবধারা এবং গোস্বামীদের আদর্শকে অবজ্ঞা করায় এরা নেড়া বলে কথিত হয়।

🔘৫. দরবেশঃ
এরা প্রচ্ছন্নবাদী। কারাগার থেকে বিমুক্ত হওয়ার অছিলায় কারারক্ষী কে শ্রীল সনাতন গোস্বামীপাদ ৭০০০ মুদ্রা দিয়ে বলেন, তিনি দরবেশ সেজে মক্কায় যাবেন।কিন্তু সনাতন গোস্বামী মহাপ্রভুর দর্শন করেন কাশিধামে।সেখানে মহাপ্রভুর কাছে সম্বন্ধ,অভিধেয় এবং প্রয়োজন তত্ত্ব প্রসঙ্গে উপদেশ গ্রহণ করেন।কিন্তু কতক দুর্ভাগা সনাতন গোস্বামীপাদের উদ্দেশ্য না বুজতে পেরে কৃত্রিম উপায়ে দরবেশ সেজে সনাতন ধর্মকে উপেক্ষা করে স্ফটিক ও প্রবালের মালা এবং আলখেল্লা পরিধান করে, দাড়ি, চুল রেখে যত্রতত্র আহার বিহার করে ঘুরে বেড়ায়।

🔘৬. সাঁইঃ
এরা প্রায় বাউলের মতই। নির্বিশেষবাদি। আলোক সাঁই,ক্ষিরোদ সাঁই,গর্ভ সাঁই,নানক সাঁই এদের উপদেষ্টা ছিল। এরা অহিন্দু আচার পালন করে।

🔘 ৭. সহজিয়াঃ
চিন্ময় ধর্মের বিকৃত প্রতিফলন কারী এরা।ভগবানের জন্ম কর্ম নিত্য এই তত্ত্ব এরা মানে না।যেমন আমরা কিছু ব্যক্তি আছি।তারা বলেন কৃষ্ণ রক্ত মাংসের গড়া।তা না হলে জরা ব্যাধের শরাঘাতে কেন বিদ্ধ হবে।মাধাইয়ের কলসির আঘাতে নিতাইয়ের মাথা কেন ফাটবে।নিমাই যদি শৌক্র জন্ম না হবেন তবে কেন শচী জগন্নাথ তাঁর মা বাবা হবেন ইত্যাদি তাদের ভাবনা।গীতার মতে এরা মূঢ়।
অবজান্তি মাং মূঢ়া, মানুষীং তনুমাশ্রিতম্।
এই দলের লোকরা বৈষ্ণবে জাতিবুদ্ধি,গুরুকে মর্তবুদ্ধি,প্রসাদকে ডাল ভাত মনে করে।নীচু জাতির স্পর্শে এদের পবিত্রতা নষ্ট হয়ে যায়।

🔘৮. সখিভেকিঃ
এরা বিবর্তনবাদি।নিজের মরদেহকে সখি বা গোপি ভেবে চুল রেখে, খোপা বাধে।শাখা সিদুর, শাড়ি চুড়ি, পায়ে আলতা ধারন করে।
এরা কখন ললিতা,কখনও বিশাখা,কখনও বা চম্পকলদা সখি সেজে গোফ দাড়ি সেফ করে হিজড়ের ন্যায় সেজে কৃষ্ণ সেবার ভান করে।

🔘৯. স্মার্তঃ
যার প্রবর্তক নবদ্বীপের রঘুনন্দন ভট্টাচার্য
তিনি অসুরদের বিধি বিধান দিয়ে গেছেন।এটা কল্পিত। নবদ্বীপের ভঙ্গ কুলিন ব্রাহ্মণ কুলোদ্ভুত রঘুনন্দন এই জড়কর্মস্মার্ত মতের তথা পাপের পথের জন্মদাতা।

১০. জাত গোঁসাইঃ
যেটা আমরা আমাদের সমাজে দেখতে পারছব।গোঁসাই গীরিই এদের পেশা।গুরুর ছেলে গুরু আবার তার ছেলেও গুরু।এদের চৌদ্দ গুষ্ঠি গুরু।শির্ষ্যরা এদের কাছে ক্রিতদাস।এরা মহাপ্রভুর নাম ভাঙায় খাই।সে বাড়ির শিষ্য টাকা দিতে পারবে সেটা ভাল।পান বিড়ি সিগারেট গুল সেবন করে।দেখা যাবে বড় সাধু কিন্তু কাজের বেলা অসাধু।
এরা সদাচারী না।দীক্ষা দেই সেই শিষ্য মুরগির চরণ সেবা করে।গুরুও মাঝে মাঝে সেবা করে।যারা যে মন্ত্র চাই তাকে সেই মন্ত্র দান করে।শিষ্য বাড়ানোর কু মতলব।

🔘১১. অতি বাড়িঃ
উৎকল দেশের জগন্নাথ দাস নামক বৈরাগী এই মতের প্রচারক।
মহাপ্রভুর শিক্ষাকে অতি মার্জিত করার মানসে এরা খুব বাড়াবাড়ি করে।
তাই এদের অতি বাড়ি বলে অভিহিত।
কথায় বলে বেশি বাড়া ভাল না ঝড়ে ভেঙে যাবে।

🔘১২. চুড়াধারীঃ
এটিও অসম্প্রাদায়
এরা ভোগবাদি,নিজে কৃষ্ণ ভেবে চুড়া ধারন করে।কৃষ্ণের ন্যায় বাঁশি বাজাই। এরা সকল প্রকার ব্যভিচারগ্রস্হ

🔘১৩. গৌরাঙ্গ নাগরীঃ
এটি কাল্পনিক মতবাদ।
গৌর কৃষ্ণ অভিন্ন। এই অভিন্নতা ভেবে সন্ন্যাসী শিরোমনি শ্রী গৌর সুন্দর কে গৌরাঙ্গ নাগর ভেবে তারা পুজো করে।কিন্তু তারা জানে না শ্রীকৃষ্ণ নাগর হলেও গৌর নাগর নহেন। যদিও কৃষ্ণ গৌরাঙ্গ তবু গৌরাঙ্গ নাগর নহেন তার এই লীলায়। তাই মহাত্মা তোতারাম এদেরও সঙ্গ করতে নিষেধ করছেন।

🔴এসকল স্বীকৃত ৪ সম্প্রদায় এবং ১৩ অপসম্প্রদায়ের কথা শাস্ত্রের কোথায় আছে, এবং এসকল স্বীকৃত সম্প্রদায় থেকেই কেন দীক্ষা নিবেন তার সব শাস্ত্রীয় প্রমাণ দেওয়া হলো নিচে 🔴

🌿 শুদ্ধভক্তি-প্রতিকূল কত রকমের অপসম্প্রদায় রয়েছে? সেগুলি কে আবিষ্কার করেছেন?

"আউল, বাউল, কর্তাভজা, নেড়া, দরবেশ, সাঁই।
সহজিয়া, সখীভেকী, স্মার্ত, জাত-গোসাঞি।।
অতিবাড়ী, চূড়াধারী, গৌরাঙ্গ-নাগরী।
তোতা কহে, এ তেরর সঙ্গ নাহি করি।।"
(সূত্রঃ গৌড়ীয়-কণ্ঠহার-১৩-১১১)

অসৎ সম্প্রদায় বা অপসম্প্রদায়ের তেরটি নাম উল্লিখিত হয়েছে। আউল, বাউল, কর্তাভজা, নেড়া, দরবেশ, সাঁই,
সহজিয়া, সখীভেকী, স্মার্ত, জাত-গোসাঞি, অতিবাড়ী, চূড়াধারী, গৌরাঙ্গ-নাগরী। এই তের প্রকার অপসম্প্রদায় শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর পথ পরিত্যাগ করে ব্যভিচারী হয়েছে।

🔘শ্রীল তোতারাম দাস বাবাজী মহারাজ এই তালিকা দিয়েছেন।
তিনি ছিলেন পশ্চিমদেশীয়। বর্তমান শহর নবদ্বীপে তাঁর বড় আখড়া আছে। তাঁর তীব্র শাসন ছিল। তাঁর ইচ্ছা ছিল যে, নবদ্বীপে বসে কেউ যেন ধর্মের নামে ব্যভিচার না করে। তিনি বর্তমান শহর নবদ্বীপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
https://www.facebook.com/601337026938430/posts/986663585072437/
🌿পদ্মপুরাণে দেখা যায়,---

সম্প্রদায়বিহীনা যে মন্ত্রাস্তে নিষ্ফলা মতাঃ। অতঃ কলৌ ভবিষ্যন্তি চত্বারঃ সম্প্রদায়িনঃ।
শ্রী-মাধ্বী-রুদ্র-সনকা বৈষ্ণব্য ক্ষিতিপাবনাঃ। চত্বারস্তে কলৌ দেবী সম্প্রদায়প্রবর্ত্তকাঃ॥১॥

অর্থাৎ, যাঁরা সম্প্রদায়-বিহীন বা কোনও সম্প্রদায়-ভুক্ত নন, তাঁদের মন্ত্র ফলদায়ক হয় না। এইজন্য কলিকালে
শ্রী, মাধ্বী, রুদ্র ও সনক এই চারজন ক্ষিতি-পাবন বৈষ্ণব আবির্ভূত হয়ে চারটি সম্প্রদায় প্রবর্ত্তন করবেন।

🌿 ''শ্রী ব্রহ্ম রুদ্র সনক বৈষ্ণব ক্ষিতিপাবন,
চত্বারন্তে কলৌ ভব্য হি উৎকলে পুরুষোত্তম''।।পদ্মপুরান।।

অর্থাৎ জগতের পবিত্রতা সম্পদানকারী শ্রী, ব্রহ্ম, রুদ্র ও সনক, এই কলিযুগে চারটি সম্প্রদায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ থেকে বা উৎকল দেশ পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীজগন্নাথ থেকে আবির্ভূত হবে।।

🌿 ভক্তমাল-গ্রন্থে দেখতে পাই,---

“রামানুজং শ্রীঃ স্বীচক্রে মধ্বাচার্য্যং চতুর্ম্মুখঃ। শ্রীবিষ্ণুস্বামিনং রুদ্রো নিম্বাদিত্যং চতুঃসনঃ॥”

অর্থাৎ-শ্রী (লক্ষ্মী) রামানুজকে, চতুর্ম্মুখ (ব্রহ্মা) মধ্বাচার্য্যকে, রুদ্র (মহাদেব) শ্রীবিষ্ণুস্বামীকে এবং চতুঃসন
(সনক, সনন্দ, সনাতন, সনৎকুমার) নিম্বাদিত্যকে আপনি আপন সম্প্রদায়-প্রবর্ত্তকরূপে স্বীকার করেন।
এই চার সম্প্রদায় হতে অসংখ্য বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হয়েছে।”

🌿 কেন দীক্ষা নিবেন ❓কার কাছ থেকে দীক্ষা নিবেন ❓ অপসম্প্রদায় থেকে দীক্ষা নিলে তার কি ফল হবে❓

আমাদের ইন্দ্রিয়সমুহ অপুর্ণ তাই আমরা পরম সত্যকে জানতে পারি না। যেমন কোন বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে হলে আমরা সে বিষয়ের জ্ঞানীর নিকট হতে শিক্ষা লাভ করি। তেমনি পরমার্থজ্ঞান লাভ করতে হলে তত্ত্বদর্শী ব্যাক্তি বা পরমার্থতত্ত্ববেত্তা পুরুষের আশ্রয় গ্রহন করতে হয়। এবং এই তত্ত্বদ্রষ্টা পুরুষ হলেন গুরুদেব। এই গুরুদেবও একান্তভাবে আশ্রিত যথার্থ ও যোগ্য শিষ্যের মত কোন তত্ত্বদর্শী ব্যাক্তি বা গুরুদেবের কাছ থেকে এই জ্ঞান লাভ করেছেন। এবং পরবর্তীতে তিনি আবার এই কর্মসাধ্য পারমার্থিক জ্ঞান তার যোগ্য শিষ্যের মাঝে দান করেন।

🌼এইভাবে যথার্থ শিষ্য পরম্পরার মাধ্যমে আদিগুরু পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ থেকে এই জ্ঞান প্রবাহিত হয়েছে। এবং পরবর্ত্তীতে তা একাধিক ধারা বা গুরুপরম্পরা রুপ বা সম্প্রদায় সৃষ্ট হয়েছে।
তাই শুদ্ধ পরম্পরা ধারা বা সম্প্রদায়ের সাথে যুক্ত না হলে জীবের পারমার্থিক জীবন, তার ইহলোক ও পরলোক দুটোই নষ্ট হয়।

🌼এই চারটি সম্প্রদায়ে চারজন আচার্য্য দ্বারা কলিযুগে পারমার্থিক জ্ঞান প্রবাহিত হয়েছে।
[১। রামানুজাচার্য (শ্রী সম্প্রদায়)
২। মধবাচার্য ( ব্রহ্ম সম্প্রদায়)/ (ব্রহ্ম-মাধ্ব-গৌড়ীয় সম্প্রদায়)
৩। বিষ্ণুস্বামী ( রুদ্র সম্প্রদায়)
৪। নিম্বাকাচার্য ( কুমার সম্প্রদায়)]

🌼শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এই চারটি সম্প্রদায় ছাড়া অন্যান্য নিজ মনগড়া অপসম্প্রদায়গুলিকে ত্যাগ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

🌼শাস্ত্র ও তত্ত্ববিদ্গনের মতে চারটি শুদ্ধ পরম্পরায় ধারা বর্তমান আছে এর বাইরে বিভিন্ন সময়ে যত সম্প্রদায় সৃষ্ট হয়েছে তা সবই অপসম্প্রদায়।

🌿 যারা উপরোক্ত এ চার সম্প্রদায়ের বাহিরে দীক্ষা নিবেন, তাদের জনম বৃথা যাবে এবং পরবর্তী জনমে পশুযোনী প্রাপ্ত হবে।

🌼তাই মানব জীবন স্বার্থক করতে হলে, গোলকধাম- যা আমাদের সত্যিকারের গন্তব্যস্থান, সেখানে যেতে হলে অবশ্যই এ চার সম্প্রদায়ের সিদ্ধ দীক্ষা পরম্পরা হতে দীক্ষা নিতে হবে। তবেই পরমেশ্বর এর সেবার অধিকারী হতে পারবো, তার ভজনের মাধ্যমে তুষ্ট করে তার চরণ যুগল লাভ করতে পারবো। এবং তা অবশ্যই সিদ্ধ গুরুপরম্পরা তথা সিদ্ধ দীক্ষা পরম্পরার মাধ্যমে।

🌼অনেকেই বিভিন্ন মত ভালো লাগে বলে যেখান সেখান হতে দীক্ষা নিয়ে নেন, এবং তা সিদ্ধ না । তাই দীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে সাবধান।

🔘উক্ত চার সম্প্রদায় পরম্পরা ধারায় আগত শিক্ষা প্রদান করাই গুরুপরম্পরার উদ্দেশ্য।

🔴 অন্যথায় গুরুপরম্পরা কেবল একটি শারীরিক পরম্পরা বলে গন্য হবে।
মনে রাখবেন, অপসম্প্রদায়গুলি কেবল তাদের গুরু-নামধারী ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে,, যাদের দেওয়া মন্ত্রে কোন ক্রিয়া হয় না।

🌿 #তাই গুরু নির্বাচনের পুর্বে আমাদের অবশ্য কর্তব্য গুরুদেবের পরম্পরা বিষয়ে অনুসন্ধান করা।

।হরেকৃষ্ণ।

Hare Krishna
12/11/2024

Hare Krishna

Address

BandaKhula, Kaliganj
Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sri Sri Radha-Madhava Temple_ISKCON posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share