QuranerAlo-কুর’আনের আলো

QuranerAlo-কুর’আনের আলো Assalamualaikum Everyone �

24/01/2024

আত্তাহিয়াতু এর পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না,আমার বিশ্বাস সবার ভালো লাগ‌বে এবং পড়ার ম‌নো‌যোগ ও বাড়‌বে।🤎
আত্তাহিয়াতু আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দোয়া। এই দোয়াটার পিছনের গল্পটা জানার পর সত্যি আমার হৃদয়টা অনেক কোমল হয়ে গেছে।🌸
আত্তাহিয়াতু আসলে,আল্লাহর সাথে আমাদের মহানবী (সাঃ) কথোপকথন এর একটা অংশ। যা আমাদের মহানবী (সাঃ) মিরাজ যাত্রার সময় হয়েছে মহান আল্লাহর সাথে।মহানবী (সাঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথোপকথন শুরু করে তখন আল্লাহকে আসসালামু আলাইকুম বলেননি।🥀
তাহলে কি বলেছিল ?
কারন,আমরা মহান আল্লাহকে বলতে পারব না,আল্লাহ আপনার উপর শান্তি নাজিল হউক! কারন,
আল্লাহ নিজেই একমাত্র পৃথিবীর সকল শান্তির এবং রহমতের উৎপত্তিস্থল।🥀
মহানবী (সাঃ) আল্লাহকে উদেশ্য করে বলেছিলেন:-
▪আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ ছালাওয়া - তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা -তু
অর্থঃ- যাবতীয় সম্মান,যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য।
উওরে মহান আল্লাহ বলেন:-
▪আসসালা-মু'আলায়কা আইয়ুহান্নাবিয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া-বারাকাতুহু।
অর্থঃ- হে নবী,আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক।
এতে মহানবী (সঃ) বলেন:-
▪আসসালা-মু-আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লা-হিছছালেহীন।
অর্থ:- আল্লাহর সমৃদ্ধি শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে।
মহান আল্লাহ এবং মহানবী (সঃ) এই কথোপকথন শুনে ফেরেস্তারা বলেন:-
▪আশহাদু আল লা-ইলাহা ইলল্লালাহু ওয়া আশহাদুআন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।
অর্থ:- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,মুহাম্মাদ (সঃ) তার বান্দা ও রাসূল।
"সুবহান-আল্লাহ"❣️
এখন আমি এবং আপনি আত্তাহিয়াতু এর গুরুত্ব এবং পিছনের ইতিহাস জানতে পারলাম,
এবার একটু চিন্তা করুন তো,এই লেখাটি যদি আপনার মাধ্যমে অন্যান্য মানুষেরাও জানে তাহলে তারাও এই দোয়ার গুরুত্ব বুজতে পারবে।❣️

আয়াতুল কুরসীর ফজিলত❤️১. প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন: যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে...
08/09/2023

আয়াতুল কুরসীর ফজিলত❤️

১. প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন: যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার মৃত্যুর সময় সহজভাবে জান কবজ করা হবে।

২. অন্য হাদিসে আছে, যারা পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তাদের জন্যে জান্নাতে যেতে মৃত্যু ব্যতীত আর কোনো বাধা থাকবে না। অর্থাৎ মৃত্যুর সাথে সাথেই সেই ব্যক্তি আল্লাহর জান্নাতের শান্তি উপভোগ করতে থাকবে।

৩. হাদিসে বলা আছে, যে ব্যক্তি ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, আল্লাহ তার মাথার কাছে একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করে দিবেন এবং সে ফেরেশতা সারা রাত তাকে পাহারা দিবে এবং দুষ্ট জীন ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবে।

৪. রসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আয়াতুল কুরসি পাঠ করে তার ধন-সম্পতি ফুঁকে দেয় তাহলে তার ওই সম্পদ কোনো চোরে নিতে পারবে না।

এ বিষয় একটি ঘটনা হযরত আবু হুরায়রা (র) থেকে বর্ণিত আছে। তিনি বলেনঃ একবার রসূলুল্লাহ (সঃ) আমাকে কিছু সম্পদ পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব দিলেন। আমি পাহারা দিচ্ছিলাম এমন সময় ঘুম আমাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। আমি তখন আয়াতুল কুরসি পড়ে ওই সম্পদে ফুঁক দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। তখন চোর এলো সম্পদগুলো চুরি করার জন্যে। কিন্তু চোর ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেলো।

৫. যারা আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে আল্লাহ তাদের জান্নাতের আটটি দরজার সবগুলো দিয়ে প্রবেশ করার সুযোগ দিবেন।

06/08/2023

ইয়া আল্লাহ
তোমাকে যেমন না দেখে বিশ্বাস করেছি
কিয়ামতের দিন তুমিও আমলনামা না
দেখে ক্ষমা করে দিও🖤
আমিন

05/08/2023

– বিশ লাখ নেকির দোয়া.! 😊

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু আহাদান ছমাদান লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইয়ুলাদ ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ.! 🌸

- পড়া শেষ করে - আলহামদুলিল্লাহ ❤

নফলে বেড়ে যায় দু'আ কবুলের চান্সফরজের পর অধিক নফল আমল করা দুআ কবুলের সহায়ক। হজরত আবু হুরাইরা রাযি. থেকে বর্ণিত—রাসূলুল্ল...
05/03/2023

নফলে বেড়ে যায় দু'আ কবুলের চান্স
ফরজের পর অধিক নফল আমল করা দুআ কবুলের সহায়ক। হজরত আবু হুরাইরা রাযি. থেকে বর্ণিত—রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “আল্লাহ তায়ালা বলেন, “যে আমার কোনো বন্ধুর সঙ্গে শত্রুতা পোষণ করে, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছি। বান্দা যে সকল উসিলায় আমার নৈকট্য অর্জন করে, তার মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় হচ্ছে ফরজ আমলসমূহ। অন্যদিকে নফল আমলের মাধ্যমে বান্দা আমার এত নিকটবর্তী হয় যে, আমি তাকে ভালোবাসতে থাকি। যখন আমি তাকে ভালোবাসি, তখন আমি হয়ে যাই তার কান, যা দিয়ে সে শোনে; তার চোখ, যা দিয়ে সে দেখে; তার হাত, যা দিয়ে সে ধরে; তার পা, যা দিয়ে সে চলে। সে কিছু চাইলে আমি অবশ্যই দান করি, সাহায্য চাইলে সাহায্য করি। এমন মুমিন বান্দাকে মৃত্যু দিতে আমি সবচেয়ে বেশি দ্বিধাবোধ করি; কারণ সে মৃত্যু অপছন্দ করে আর আমি অপছন্দ করি তাকে অসন্তুষ্ট করতে।"

29/01/2023

গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণ কিছু তথ্য,, 🌹


29/10/2022

⬛প্রশ্নঃ "নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক" কথাটার অর্থ কি?

🟩উত্তরঃ এইরকম মূর্খতা ও খারাপ কাজ
থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।

⬛প্রশ্নঃ "বারাকাল্লাহ ফীক" কথাটার অর্থ কি?

🟩উত্তরঃ আল্লাহ আপনাকে বারাকাহ দান
করুন।

⬛প্রশ্নঃ "ইনশা আল্লাহ" কথাটার অর্থ কি?

🟩উত্তরঃ আল্লাহ যদি চান, তাহলে এই কাজটা হবে।
✴️এতে আল্লাহর ওপর অধিক আস্থা রাখা হয়। যাতে আল্লাহ সন্তুষ্ট হোন, এবং সে কাজে বারাকাহ দান করেন।
ইনশা আল্লাহ বলা জরুরী, নয়তো আল্লাহ এই কাজটা করার তাওফিক নাও দিতে পারেন।

⬛প্রশ্নঃ "মাশাআল্লাহ" কথাটার অর্থ কি?

🟩উত্তরঃ আল্লাহ যেরকম চেয়েছেন, সেই রকম হয়েছে)।

⬛প্রশ্নঃ জাযাকাল্লাহু/জাযাকিল্লাহ খইরন অর্থ কী?

🟩উত্তরঃ আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

🔷(একজন) ছেলেকে বলতে হয় জাযাকাল্লাহু খইরন।

🔷(একজন) মেয়েকে বলতে হয় জাযাকিল্লাহু খইরন।

🔷(একাধিক) জনকে বলতে হয় জাযাকুমুল্লাহ খইরন।

🔷উত্তরে ছেলেদেরকে বলতে হয়-
"ওয়া ইয়্যাক" অথবা "ওয়া আংতা ফাজাজাকাল্লাহ খইরন "

🔷মেয়েদেরকে উত্তরে বলতে হয়,
"ওয়া ইয়্যাকি" অথবা, "ওয়া আংতা ফাজাজাকিল্লাহ খইরন"

💠💠অর্থঃ আপনাকেও/তোমাকেও
(আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দিক)

🔶🔶এখন কথা হলো, এই শব্দ গুলোই কেন বলতে হবে?
নিজের ভাষায় বললে হবে না?

✔️অবশ্যই হবে!
আসলে আমাদের দেশে আরবী ভাষাটার খুব একটা ব্যবহার হয়না দেখে একটু অপরিচিত লাগে শব্দ গুলো, কিন্তু কিছু দিন শুনলে সহজ হয়ে যায়।
সরি বলে বলে এমন অভ্যাস হয়েছে, ‘মাফ করবেন' কথাটাই অপরিচিত লাগে।
এখন সরি বাদ দিয়ে 'আফওয়ান' কেন বলব❓❓
আর থ্যাঙ্কিউ বাদ দিয়ে 'জাযাকিল্লাহু খয়রন কেন বলব❓❓

সিম্পল‼️

1️⃣ এগুলো রাসুলুল্লাহ সাঃ ব্যবহার করতেন।
তার প্রতি ভালোবাসা থেকে এই শব্দ গুলো ব্যবহার করা উচিত আমাদের।

2️⃣ থ্যাংকিউ মানে কোনো একজন কে ধন্যবাদ দেয়া,
আর জাযাকিল্লাহু খইরন মানে, তার প্রতি ধন্যবাদ এর সাথে সাথে একটু দোয়া করে দেয়া!
( আল্লাহ আপনাকে/তোমাকে উত্তম প্রতিদান দিন।)

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের সকলকে সহিহ দ্বীন বুঝার, আমল করার ও তার সন্তুষ্টির পথে চলার তৌফিক দান করুন, আমিন ইয়া রব্বুল আলামীন।🤎

14/09/2022

আবূ উমামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে,

“তোমরা কুরআন মাজীদ পাঠ কর। কেননা, কিয়ামতের দিন কুরআন, তার পাঠকের জন্য সুপারিশ-কারী হিসাবে আগমন করবে।”

[মুসলিম ৮০৪]

বাঙালি মেক্সিমাম পুরুষদের স্ত্রীকে আলাদা হাত খরচ দেয়ার অভ্যাস নেই।কারণ অনেক ছেলেই তার বাবাকে দেখেনি মাকে আলাদা খরচ দিতে,...
13/09/2022

বাঙালি মেক্সিমাম পুরুষদের স্ত্রীকে আলাদা হাত খরচ দেয়ার অভ্যাস নেই।কারণ অনেক ছেলেই তার বাবাকে দেখেনি মাকে আলাদা খরচ দিতে,বাবাকে দেখেনি মায়ের জন্য পছন্দের কিছু কিনে নিয়ে আসতে(ব্যতিক্রম আছে তবে হাতেগোনা)।অনেক স্বামীরা স্ত্রীকে বলে তোমার প্রয়োজন হলে আমাকে বলবে।অথচ বেশীরভাগ মেয়েই লজ্জা ও সংকোচে স্বামীকে অনেক কিছুই বলে না।অনেক মেয়েরা নিজের প্রয়োজন নিজের বাবা ও ভাইয়ের কাছেই বলেনা।সেখানে বিয়ের পর হাজবেন্ডকে কিভাবে বলবে??
তাছাড়া স্ত্রীর ইচ্ছে হতে পারে দান সাদকা করতে,প্রিয়জনদের ছোটখাটো গিফট দিতে,পছন্দের বই কিনতে।ভাবে মেয়ে বাসায় আছে টাকা লাগবে না,অথচ একটা মেয়ের কি আসলেই কিছুর প্রয়োজন হয় না??
ছেলে বাড়িতে থাকলেও হাত খরচ পাবে,মেয়ে মানুষের কিসের খরচ??মেয়েরা বাড়িতে থাকে তাই তাদের টাকার প্রয়োজন নেই এটা একটা অযৌক্তিক কথা।প্রয়োজনে ভিক্ষুককেও টাকা দেয়ার টাকাও অনেক মেয়েদের থাকেনা।
কয়জন বাবা,ভাই,স্বামী তার মেয়ে,বোনকে,স্ত্রীকে হাতখরচের টাকা দিচ্ছে??হাত খরচ দেয়ার কথা অনেক পুরুষদের মাথায় ই থাকেনা।বাসায় খাচ্ছে পরছে আবার টাকা লাগবে কেন??
পরিবার থেকেই আগলে রাখুন নারীদের।আপনি নিজের মেয়ের জন্য সব করবেন,স্ত্রীর জন্য কিছুই না।এটা কখনোই ইসলাম বলেনা।.
জননীর কদর নেই।জননীর বাচ্চার কদর!!!!ইসলাম নারীর যে অধিকার দিয়েছে একজন পুরুষ হিসেবে নিজের ঘরেই সে অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
নিজের ঘরের মেয়েদের কে সামান্য করে হলেও হাত খরচের অভ্যাস গড়ে তুলেন ভাইয়েরা।কারণ মেয়েদের এমন অনেক খরচ আছে যা মেয়েরা বাবা,স্বামী,ভাই থেকে চাইতে লজ্জাবোধ করে।
বাবা ও ভাই থেকে অনেক মেয়েরা টাকা চেয়ে নিতে পারে।কিন্তু স্বামীর কাছে অনেক মেয়েরাই টাকা চাইতে পারেনা।বউদের দোষ বেশী থাকে।কিছু টাকা খরচ করলেও দিন শেষে হিসাব হয় এই টাকা কোথায় খরচ হল?বউ অনেক খরুচে!!মেয়েরা যেহেতু লাজুক তাই মাসে একটা ফিক্সড এমাউন্ট বউকে দিয়ে বলুন এই টাকা তোমার ইচ্ছেমতো খরচ করো।

আপনি আপনার স্ত্রীকে তার ন্যায্য প্রয়োজনে টাকা দেওয়ার পর কখনো খোঁটা দিতে পারবেন না। এই অধিকার আপনার নেই।

বরং তার ভরণ-পোষণ সহ নিত্য প্রয়োজনাদি মেটানো আপনার নৈতিক দায়িত্ব এবং ধর্মীয় কর্তব্য। যেমন- বাড়িওয়ালার ভাড়া চুকানোর সময় আমরা কখনো এমনটা ভাবি না যে, এটা তার প্রতি আমার অনুগ্রহ। দোকানীকে বিল দেয়ার সময় আমরা কখনো মনে করি না যে, তার প্রতি দয়া করছি। বরং কেউ যদি কখনো এদের সাথে অনুগ্রহ সূলভ আচরণ করে, তার কপালে চড় থাপ্পড়ও জুটতে পারে।

কখনো স্ত্রীকে বলবেন না, 'সারাদিন এতো টাকা টাকা করো কেন? টাকা দিয়ে কী করো? কামাই করো না তো, তাই বুঝো না কত কষ্টে এই টাকা কামাই।'

এখন অভিভাবক হিসাবে কি দায়িত্ব আপনি পালন করলেন তার জবাব সৃষ্টিকর্তাকে কি দিবেন?বাবা ভাই যখন অভিভাবক ছিলেন তখন আরাম আয়েশে নানান আবদারে জীবন কাটানো মেয়েটিও আপনার কাছে এসে হাসিমুখে বলে "কিছু লাগবে না।" তার এই কথার পিছনের প্রয়োজন আপনি না বুঝলেও তার বাবা ভাই কিন্তু বুঝতেন।

তারা টাকা চাইতে লজ্জাবোধ করেন।

11/09/2022

ইমাম শাফিয়ি রাহিঃ বলেন, তিনটি বিষয় সবচেয়ে দামী:

১. অল্প থাকা সত্ত্বেও দান করা,
২. নির্জনে আল্লাহকে ভয় করা,
৩. কোন ব্যক্তির কাছ থেকে কিছু পাওয়ার আশা কিংবা ক্ষতির আশংকা থাকা সত্ত্বেও তার সামনে হক কথা বলা।

[বই: নবীজির পরশে সালাফের দরসে, পৃষ্ঠা- ৫৮]

Address

Dhaka
Gazipur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when QuranerAlo-কুর’আনের আলো posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to QuranerAlo-কুর’আনের আলো:

Share