To know Islam

To know Islam Islam for all mankind

হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা অর্ধশাবানের রাতে মাখলুকাতের দিকে রহমতের দৃষ্...
07/03/2023

হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা অর্ধশাবানের রাতে মাখলুকাতের দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া আর সবাইকে ক্ষমা করে দেন।’

07/03/2023
17/02/2023

লিখেছেন মুহতারাম Abu Yahya Muhammad Jakaria হাফিঃ.
সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠতে হবে?
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমীরুল হিন্দ,উস্তাদে মুহতারাম আল্লামা সায়্যিদ আরশাদ মাদানী দা.বা. বাংলাদেশে ৫ দিনের সফরে এসেছেন।
এ সফরে তাকে নিয়ে শহর ও গ্রামের কয়েকটি মাদরাসায় বুখারী শরীফের খতম অনুষ্ঠান এবং ঘরোয়া কয়েকটি প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে।
বিশ্বব্যাপী ইমামতুল্য মহান এই ইসলামিক স্কলারকে নিয়ে সর্বস্তরের জনগনের অংশগ্রহণমূলক ব্যাপক কোনো প্রোগ্রাম করা গেলনা বাংলাদেশে! যদি তাকে নিয়ে জাতীয় একটি সমাবেশ করা হতো,তাহলে এর দ্বারা শুধু শুধু মাদ্রাসা এবং মাদ্রাসার মুহতামিমগন উপকৃত হতেননা ; নি:সন্দেহে এক উম্মাহও উপকৃত হতো! মুসলিম উম্মাহর জন্যে কল্যাণ বয়ে আসতো!
তাকে নিয়ে ব্যাপক কোন মহা সমাবেশ করতে না পারাটা উলামায়ে কেরামের অনেক বড় ব্যর্থতা বলে মনে করি৷
যে ব্যক্তি সমগ্র ভারতবর্ষের হিন্দু,পৌত্তলিকদের চক্ষুশূল,যিনি হিন্দুত্ববাদী জনগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সম্প্রতি দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে শতাব্দীর স্মরণীয় ঈমান জাগানীয়া বক্তব্য দিয়ে ভারতবর্ষ জুড়ে হৈচৈ ফেলে দিয়েছেন। যার ঐতিহাসিক বক্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যে ভারতের হিন্দু পন্ডিত-পুরোহিতরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে গেছেন।
উস্তাদে মুহতারামের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় তুমুল বিতর্ক চলছে,প্রতিদিন বিশ্বের প্রসিদ্ধ দৈনিক পত্রিকাগুলোতে তাকে এবং তাঁর বক্তব্য নিয়ে হেডলাইনে খবর প্রকাশিত হচ্ছে।
এমন মহান ব্যক্তিকে নিয়ে সিলেটের সরকারী আলীয়া মাদ্রাসা ময়দান কিংবা ঢাকার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং চট্টগ্রামের জমিআতুল ফালাাহ/পলোগ্রাউন্ড ময়দানে উপমহাদেশ কিংবা বিশ্বের মুসলমানদের করণীয় শীর্ষক একটি মহাসমাবেশের আয়োজন করা হলনা কেন?
ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বড়দের থেকে এমন ব্যর্থতা ছাড়া আর কি শিখবে!
ভবিষ্যতে এধরণের বিদেশী উলামায়ে কেরামকে শুধু মাদ্রাসা কিংবা ঘরোয়া প্রোগ্রামের অতিথি না বানিয়ে আন্তর্জাতিক অতিথির মর্যাদা প্রদান করে জাতীয় মহাসমাবেশের আয়োজন করে সম্মান জানাতে বড়দের প্রতি বিশেষ অনুরোধ রইলো।

05/02/2023

প্রিয় ভাই/বোন!
আপনার গোনাহের বোঝা যত ভারী হোক না কেন আপনার রব আপনাকে ভালোবাসেন,আপনাকে ক্ষমা করার জন্য অপেক্ষা করেন।এখনো সময় আছে উঠুন! জায়নামাজে বসে রবের কাছে চোখের পানি ছেড়ে দোয়া করুন।ইনশাআল্লাহ তিনি আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন।

28/01/2023

মাসায়েলে কোরআন-১
=================
বিনা অজুতে কোরআন স্পর্শ করা মাকরূহে তাহরিমী।কুরআনে মাজিদে আল্লাহপাক বলেন,নিশ্চয় এটি মহিমান্বিত কুরআন,যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে,কেউ তা স্পর্শ করবে না পবিত্রগন ছাড়া।
(সূরা ওয়াকিয়া ৭৭-৭৯)
হযরত হাকিম বিন হিজাম রাঃ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ যখন আমাকে ইয়ামানে গভর্নর হিসেবে পাঠান তখন বলে দেন,বিনা পবিত্রতায় কোরআন স্পর্শ করো না।
(মুসতাদরাকে হাকীম-৬০৫১)
বিনা অজুতে কুরআনের লিখিত অংশ যেমন স্পর্শ করা নিষেধ তদ্রূপ কাগজের অলিখিত সাদা অংশেও হাত লাগানো যাবে না।এবং কোরআনের সাথে সংযুক্ত মলাটও বিনা অজুতে স্পর্শ করা যাবে না।তবে কোরআন শরীফ যদি পৃথক কোন গিলাফে আচ্ছাদিত থাকে তাহলে বিনা অজুতে গিলাফের বাইরে স্পর্শ করার অনুমতি আছে।

26/01/2023

অথচ এ সামন্য জীবনের জন্যই আমরা কত রঙিন পরিকল্পনা করি,সবকিছু আপন অবস্থায় থাকবে,থাকব না শুধু আমি আর আপনি।

22/01/2023

হাদীসের আলো-৩
=======================
আবুদ দারদা রাযিঃ থেকে বর্ণিত,রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ মিযানের পাল্লায় উত্তম চরিত্রের চেয়ে ভারী কোন জিনিস হবে না।
(সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নংঃ ৪৭৯৯)

31/12/2022

থার্টি ফাস্ট নাইট কি আমাদের সংস্কৃতি?
=============================
৩১ ডিসেম্বর রাত ১২.০১ মিনিটকে ‘থার্টি ফাস্ট নাইট’ নামে অভিহিত করা হয়। আমরা এটাকে ইংরেজি নববর্ষ হিসেবে জানি। অথচ মূলত তা ইংরেজি নববর্ষ নয়, বরং এটা খৃস্ট্রীয় বা গ্রেগরিয়ান নববর্ষ। যার সাথে মিশে আছে খ্রিস্টানদের ধর্ম ও সংস্কৃতি। এর নামকরণও করা হয়েছে খ্রিস্টানদের ধর্মযাজক পোপ গ্রেগরিয়ানের নামানুসারে।
ঐতিহাসিকগণ বলেন, খৃষ্টপূর্ব ৪৬ সালে জুলিয়াস সিজার সর্বপ্রথম ১ জানুয়ারিতে নববর্ষ উৎসবের প্রচলন করে। পরে তা ধীরে ধীরে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
ইসলামের কথা না হয় পরে বলি, সচেতন বাঙালিদের বিবেকে প্রশ্ন রাখছি- থার্টি ফাস্ট নাইট কি আমাদের বাঙালি সংস্কৃতিতে আছে? যদি না থাকে তবে কেন ৩০ লাখ শহীদের পবিত্র খুনে রঙিত সবুজ এই জমিনে থার্টি ফার্স্ট এবং নববর্ষের নামে নষ্টামির নির্লজ্জ প্রদর্শনীর আয়োজন? আমাদের তো স্বকীয় সন আছে, বাংলা ক্যালেন্ডার আছে, তবে কেন সেই ব্রিটিশদের ইংরেজি সন নিয়ে এতো মাতামাতি?
বেশ ধুমধামের সাথে অন্য ধর্মের প্রথা বা বিদেশি সংস্কৃতি উদযাপন নিজ ধর্ম ও দেশীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে অজ্ঞতা ও উদাসীনতা বহিঃপ্রকাশ।যা কিছুতেই কাম্য নয়।’থার্টি ফাস্ট নাইট’ উদযাপন দেশ ও ধর্মের উৎসব-সংস্কৃতির দেউলিয়াত্ব ঘোষণা করে। যা বাংলাদেশের নাগরিক ও মুসলিম হিসেবে আমাদের জন্য বড়ই লজ্জার বিষয়।
মানুষ বলে আমরা বিজ্ঞানের যুগে বাস করছি, অথচ, তাদের সকল কার্যকলাপ কেন অবৈজ্ঞানিক ও অযৌক্তিক?
ইসলামী সভ্যতায় বছরের হিসাব করা হয় চাঁদের ভিত্তিতে, কিন্তু, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে বছরের হিসাব করা হয় সূর্যের ভিত্তিতে। অর্থাৎ, যেটাকে আমরা ভুলভাবে ‘ইংরেজি সাল’ বা ‘ইংরেজি নববর্ষ’ বলি, সে হিসেবটা করা হয় সূর্যের ভিত্তিতে।
যেহেতু সূর্যের ভিত্তিতে তথাকথিত ইংরেজি সাল শুরু হয়, তাই সূর্যের অস্ত বা উদয়ের মাধ্যমেই ‘ইংরেজি সাল’ শুরু হবার কথা ছিলো। কিন্তু, ইংরেজি সাল শুরু হয় এমন একটি সময়ে, যখন সূর্যের কোনো অস্তিত্ব-ই খুঁজে পাওয়া যায় না। যে সময়ে সূর্যের কোনো অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যায় না, সে সময়ে সূর্য ভিত্তিক বছরের শুরু বা শেষ হয় কিভাবে?
সুতরাং, রাত ১২ টা বাজে যে তথাকথিত ‘ইংরেজি সালের’ শুরুই হয়, তা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
তাই আসুন!
একজন মুসলিম হিসেবে ইংরেজি নববর্ষ নামক এই জাহিলিয়্যাত ও খ্রিস্টিয় সংস্কৃতি থেকে বিরত থাকি।যদি ইসলামকে এড়িয়ে চলার প্রবণতা থাকে তাহলে,অন্তত একজন বাঙালি হিসেবে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন কতটুকু যৌক্তিক?

16/12/2022

হাদীসের আলো-২
=======================
আমর ইবনে শুয়াইব রহঃ থেকে বর্ণিত,তার বাবা বর্ণনা করেন যে তিনি তার দাদা থেকে শুনেছেন,যে রাসূল সাঃ বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের বাচ্চাদেরকে ৭ বছর বয়সে নামাজের আদেশ করো,এবং ১০ বছর বয়সে(প্রয়োজনে) প্রহার করো এবং (ছেলে-মেয়ের) বিছানা আলাদা করে দাও।
(সুনানে আবু দাউদ-হাদীস নং:৪৯৫)

16/12/2022

মাসায়েলে নামাজ-৩
=====================
নামাজের সুন্নাতসমূহঃ

১. তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় দুই হাত কান পর্যন্ত উঠানো।
২. দুই হাতের আঙ্গুলগুলো স্বাভাবিক খোলা রেখে কিবলামুখী রাখা।
৩. তাকবীর বলার সময় মাথা না ঝুঁকানো।
৪. ইমাম তাকবীরে তাহরীমা ও অন্যান্য তাকবীর প্রয়োজন পরিমাণ উচ্চস্বরে বলা।
৫. বাম হাতের উপর ডান হাত রেখে নাভির নিচে বাধা।
৬. সানা পড়া।
৭. আউযুবিল্লাহ পড়া।
৮. বিসমিল্লাহ পড়া।
৯. ফরজ নামাজের তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাতে সূরা ফাতেহা পড়া।
১০. সূরা ফাতেহা পড়ার পর আমীন বলা।
১১. সানা, আউযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ এবং আমীন আস্তে বলা।
১২. সুন্নাত পরিমাণ কিরাত পড়া।
১৩. রুকু-সেজদায় তিন তিনবার তাসবীহ পড়া।
১৪. রুকুর অবস্থায় মাথা ও পিঠ নিতম্বের সমান রাখা এবং হাতের আঙ্গুলগুলো খোলা রেখে হাটুতে শক্ত করে ধরা।
১৫. রুকু, থেকে উঠতে ইমাম সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ, মুক্তাদি রাব্বানা লাকাল হামদ, আর মুনফারিদ উভয়টি বলা।
১৬. সিজদায় যাওয়ার সময় প্রথমে দুই হাটু, এরপর দুই হাত অত:পর কপাল রাখা।
১৭. দুই সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠক, প্রথম ও শেষ বৈঠক বাম পা বিছিয়ে এর উপর বসা।
ডান পা এমনভাবে খাড়া রাখা যে, আঙ্গুলের মাথা কিবলামুখী থাকে। আর দুই হাত রানের উপর রাখা।
১৮. তাশাহহুদে “আশহাদু আল্লা ইলাহা” বলার সময় শাহাদত আঙ্গুল উঠিয়ে ইশারা করা।
১৯. শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পর দুরূদ শরীফ পড়া।
২০. দুরূদ শরীফের পর দোয়ায়ে মাছুরা পড়া।
২১. প্রথমে ডান দিকে এবং পরে বাম দিকে সালাম ফিরানো।

বিঃ দ্রঃ নামাজের কোন সুন্নত ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দেয়া উচিৎ নয়।তবে অনিচ্ছাকৃতভাবে ছুটে গেলে নমাজ ভঙ্গ হবে না,এবং সাহু সিজদাও ওয়াজিব হবে না।

15/12/2022

Address

Tongi
Gazipur
1710

Telephone

+8801627996516

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when To know Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to To know Islam:

Share