Chaity Shivakhatriya

Chaity Shivakhatriya Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Chaity Shivakhatriya, Religious organisation, Gazipur.

হরে কৃষ্ণ
04/05/2025

হরে কৃষ্ণ

******নিশ্বাসের কোন বিশ্বাস আছে কি?*******🌿হঠাৎ কারো মৃত্যু হলো, বিশ্বাস করতে না পারার কোন কারন নেই। 🌿জন্মের নোটিফিকেশন ...
19/04/2025

******নিশ্বাসের কোন বিশ্বাস আছে কি?*******

🌿হঠাৎ কারো মৃত্যু হলো, বিশ্বাস করতে না পারার কোন কারন নেই।

🌿জন্মের নোটিফিকেশন থাকলেও মৃত্যুর কোন নোটিফিকেশন নেই।

🌿পরের সেকেন্ডের ভরসা নেই তবুও আমরা পরের বছরের ট্রিপ প্ল্যান করি।

🌿নির্দ্বিধায় বলে ফেলি কাল তোর বাসায় তো দেখা হচ্ছেই, খুব মজা করবো।‼

🌿 অন্যের চাইতে সামান্য কিছু বেশী থাকলেই অহংকার করি

🌿অন্যের মনে কষ্ট দিয়ে কথা বলি। ক্ষমা চাওয়ার কথা মনেও করি না

🌿 দুনিয়াবি পড়াশোনার সার্টিফিকেট নিয়ে বড়াই করি, অথচ ভগবানের নাম গান অক্ষর আর শিক্ষা জানি না।

🌿 কষ্টে একটু ভালো অবস্থানে পৌছালে অতীত ভুলে যাই, অপেক্ষাকৃত দুর্বল মানুষকে ক্ষুদ্র মনে করি

🎡ভগবান আমাদের প্রত্যেকের কাজ নির্দিষ্ট করে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন। যতক্ষন আমাদের কাজেরএকটা দানাও ভাগ্যে থাকবে, ততদিন কেউ দুনিয়া থেকে উঠিয়ে নিয়ে যেতে পারবে না। যেই দিন কাজেরশেষ দানাটা পেটে চলে যাবে, দুনিয়ার কোন ডাক্তার হাসপাতাল ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না

🌿দুনিয়াটা কখনোই আমাদের আসল গন্তব্য না। কিন্তু আমরা সব ভুলে দুনিয়াতে এমনভাবে বেঁচে আছি, যেন আমাদের কখনো মরতে হবে না। এইজন্য কারো হঠাৎ মৃত্যু হলে আমরা মূর্ষে পড়ি। আমাদের মনে পড়ে যায়, আমরাও একদিন হঠাৎ করেই চলে যাবো

🌿তাই আসুন একটু করে ভগবানের কথা বলি
ও তার দেয়া নিজের জীবন পথে কে সুন্দর করি।

🌿🙏 হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।🙏 🌿 ☘️
🌿🌿🔱🔱🔱🔱🔱🔱🌿🌿🌿🌿🌿🌿।।

জয় হনুমান জ্ঞান গুণ সাগর ।জয় কপীশ তিহু লোক উজাগর ॥ 1 ॥রামদূত অতুলিত বলধামা ।অংজনি পুত্র পবনসুত নামা ॥ 2 ॥মহাবীর বিক্রম...
18/04/2025

জয় হনুমান জ্ঞান গুণ সাগর ।
জয় কপীশ তিহু লোক উজাগর ॥ 1 ॥

রামদূত অতুলিত বলধামা ।
অংজনি পুত্র পবনসুত নামা ॥ 2 ॥

মহাবীর বিক্রম বজরংগী ।
কুমতি নিবার সুমতি কে সংগী ॥3 ॥

কংচন বরণ বিরাজ সুবেশা ।
কানন কুংডল কুংচিত কেশা ॥ 4 ॥

হাথবজ্র ঔ ধ্বজা বিরাজৈ । [ঔরু]
কাংথে মূংজ জনেবূ সাজৈ ॥ 5॥

শংকর সুবন কেসরী নংদন । [শংকর স্বয়ং]
তেজ প্রতাপ মহাজগ বংদন ॥ 6 ॥

বিদ্য়াবান গুণী অতি চাতুর ।
রাম কাজ করিবে কো আতুর ॥ 7 ॥

প্রভু চরিত্র সুনিবে কো রসিয়া ।
রামলখন সীতা মন বসিয়া ॥ 8॥

সূক্ষ্ম রূপধরি সিযহি দিখাবা ।
বিকট রূপধরি লংক জলাবা ॥ 9 ॥

ভীম রূপধরি অসুর সংহারে ।
রামচংদ্র কে কাজ সংবারে ॥ 10 ॥...

হর হর মহাদেব
17/04/2025

হর হর মহাদেব

নারীর শক্তির কাছে সবকিছু হার মানে👏প্রথমবার দেখলাম নারী সন্ন্যাসী হতে।🥰👏জয় ভোলানাথ বাবা সবি আপনার আর্শীবাদে সম্ভব।❤️❤️ সব...
17/04/2025

নারীর শক্তির কাছে সবকিছু হার মানে👏
প্রথমবার দেখলাম নারী সন্ন্যাসী হতে।🥰👏
জয় ভোলানাথ বাবা সবি আপনার আর্শীবাদে সম্ভব।❤️❤️
সবাই বলুন হর হর মহাদেব।

জয় জয় জগন্নাথ। জয় শ্রী রাধে।
16/04/2025

জয় জয় জগন্নাথ। জয় শ্রী রাধে।

কামদা একাদশীর শুভেচ্ছা! চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের কামদা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য বরাহ পুরাণে বর্ণিত আছে, মহারাজ যুধিষ্ঠির বলে...
09/04/2025

কামদা একাদশীর শুভেচ্ছা!

চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের কামদা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য বরাহ পুরাণে বর্ণিত আছে, মহারাজ যুধিষ্ঠির বলেন- হে বাসুদেব! আপনি কৃপা করে আমার কাছে কামদা একাদশীর মহিমা কীর্তন করুন। শ্রীকৃষ্ণ বলেন- হে মহারাজ! এই একাদশী ব্রত সম্পর্কে এক বিচিত্র কাহিনী বর্ণনা করছি। আপনি একমনে তা শ্রবণ করুন। পূর্বে মহর্ষি বশিষ্ঠ মহারাজ দিলীপের কৌতুহল নিবারণের জন্য এই ব্রত কথা কীর্তন করেছিলেন। ঋষি বশিষ্ঠ বলেন- হে মহারাজ। কামদা একাদশী তিথি পাপনাশক ও পুণ্যদায়িনী। পূর্বকালে মনোরম নাগপুরে স্বর্ণনির্মিত গৃহে বিষধর নাগেরা বাস করত। তাদের রাজা ছিলেন পুণ্ডরীক। গন্ধর্ব, কিন্নর ও অপ্সরাদের দ্বারা তিনি সেবিত হতেন। সেই পুরীমধ্যে অপ্সরা শ্রেষ্ঠ ললিতা ও ললিত নামে গন্ধর্ব স্বামী-স্ত্রী রূপে ঐশ্বর্য্যপূর্ণ এক গৃহে পরমসুখে দিনযাপন করত।

একদিন পুণ্ডরীকের রাজসভায় ললিত একা গান করছিল। এমন সময় ললিতার কথা তার মনে পড়ল। ফলে সঙ্গীতের স্বর-লয়-তাল-মানের বিপর্যয় ঘটল। কর্কটক নামে এক নাগ ললিতের মনোভাব বুঝতে পারল। ব্যাপারটি সে পুণ্ডরীক রাজার কাছে জানাল। তা শুনে সর্পরাজ ক্রোধভরে কামাতুর ললিতকে-"রে দুর্মতি! তুমি রাক্ষস হও" বলে অভিশাপ দান করল। সঙ্গে সঙ্গে সেই ললিত ভয়ঙ্কর রাক্ষসমূর্তি ধারণ করল। তার হাত দশ যোজন বিস্তৃত, মুখ পর্বত গুহাতুল্য, চোখ দুটি প্রজ্বলিত আগুনের মতো, উর্ধ্বে আট যোজন বিস্তৃত প্রকাণ্ড এক শরীর সে লাভ করল। ললিতের এরকম ভয়ঙ্কর রাক্ষস শরীর দেখে ললিতা মহাদুঃখে চিন্তায় ব্যাকুল হলেন। স্বেচ্ছাচারী রাক্ষস ললিত দুর্গম বনে ভ্রমণ করতে লাগল। ললিতা কিন্তু তার সঙ্গ ত্যাগ করল না। ললিত নির্দয়ভাবে মানুষ ভক্ষণ করত। এই পাপের ফলে তার মনে বিন্দুমাত্র শান্তি ছিল না। পতির সেই দুরবস্থা দেখে ব্যথিত চিত্তে রোদন করতে করতে ললিতা গভীর বনে প্রবেশ করল। একদিন ললিতা বিন্ধ্যপর্বতে উপস্থিত হল। সেখানে ঋষ্যশৃঙ্গ মুনির আশ্রম দর্শন করে মুনির কাছে হাজির হল। তার চরণে প্রণাম করে সেখানে দাঁড়িয়ে রইল। মুনিবর জিজ্ঞাসা করলেন- "হে সুন্দরী! তুমি কে, কার কন্যা কি কারণেই বা এই গভীর বনে এসেছ ? তা সত্য করে বলো। তদুত্তরে ললিতা বলল- "হে প্রভু! আমি বীরধন্যা গন্ধর্বের কন্যা। আমার নাম ললিতা। আমার পতির পিশাচত্ব দূর হয় এমন কোন উপায় জানবার জন্য এখানে এসেছি।" তখনই ঋষি বললেন- "চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের কামদা নামে যে একাদশী আছে, তুমি সেই ব্রত যথাবিধি পালন কর। এই ব্রতের পুণ্যফল তোমার স্বামীকে অর্পণ করলে তৎক্ষণাৎ তার সমস্ত পাপ বিনষ্ট হবে। বশিষ্ঠ ঋষি বললেন- "হে মহারাজ দিলীপ! মুনির কথা শুনে ললিতা আনন্দ সহকারে কামদা একাদশী পালন করল। তারপর ব্রাহ্মণ ও বাসুদেবের সামনে পতির উদ্ধারের জন্য--"আমি যে কামদা একাদশীর ব্রত পালন করেছি, তার সমস্ত ফল আমার পতির উদ্দেশ্যে অর্পণ করলাম।" এই পুণ্যের প্রভাবে তাঁর পিশাচত্ব দূর হোক।" এই কথা উচ্চারণ মাত্রই ললিত শাপ মুক্ত হয়ে দিব্য দেহ প্রাপ্ত হলো। পুনরায় গন্ধর্ব দেহ লাভ করে ললিতার সাথে সে মিলিত হলো। তাঁরা বিমানে করে গন্ধর্বলোকে গমন করল।

হে মহারাজ দিলীপ, এই ব্রত যত্নসহকারে সকলেরই পালন করা কর্তব্য। এই ব্রত ব্রহ্মহত্যা পাপবিনাশক এবং পিশাচত্ব মোচনকারী। এই ব্রত কথা শ্রদ্ধাপূর্বক পাঠ ও শ্রবণে বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয় ।

"ক্লৈব্যং মাস্ম গমঃ পার্থ নৈতৎ ত্বয্যুপপদ্যতে।ক্ষুদ্রং হৃদয়দৌর্ব্বল্যং ত্যক্ত্বোত্তিষ্ঠ পরন্তপ"।। - গীতা ২/৩অর্থাৎ: হে প...
09/04/2025

"ক্লৈব্যং মাস্ম গমঃ পার্থ নৈতৎ ত্বয্যুপপদ্যতে।
ক্ষুদ্রং হৃদয়দৌর্ব্বল্যং ত্যক্ত্বোত্তিষ্ঠ পরন্তপ"।।
- গীতা ২/৩

অর্থাৎ: হে পার্থ, কাতর হইও না। এইরূপ পৌরুষহীনতা তোমাকে শোভা পায় না। হে পরন্তপ ! তুচ্ছ হৃদয়ের দুর্ব্বলতা ত্যাগ করিয়া (যুদ্ধার্থে) উত্থিত হও।❤️

Har har mahadev
08/04/2025

Har har mahadev

💁‍♀️-যুদ্ধের-রথ হোক বা জীবনের রথ              ভগবান শ্রীকৃষ্ণ হলেন একজন উত্তম সারথি ..!💖-তুমি ভগবান-কে নিয়ে চিন্তা করো,ত...
24/10/2024

💁‍♀️-যুদ্ধের-রথ হোক বা জীবনের রথ
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ হলেন একজন উত্তম সারথি ..!💖
-তুমি ভগবান-কে নিয়ে চিন্তা করো,তিনি ছাড়া তোমার জীবনের রথের সারথি আর কেউ'ই হবে না ..!!🙂
…🙏হরেকৃষ্ণ🙏

আত্মজ্ঞান হলো নিজকে জানা, আমি কে? আমি কেনো এ জড় জগতে এলাম? আমার আরাধ্য কে? আমার কর্তব্য-কর্ম কি? আমি মৃত্যুর পর কোথায় যা...
06/10/2024

আত্মজ্ঞান হলো নিজকে জানা, আমি কে? আমি কেনো এ জড় জগতে এলাম? আমার আরাধ্য কে? আমার কর্তব্য-কর্ম কি? আমি মৃত্যুর পর কোথায় যাবো? ইত্যকার নিজেকে বলে যা দাবি করি, তাকে জানার চেষ্টাই হলো আত্মজ্ঞান।
# কলিযুগের পরিণতিতে সত্য, ত্রেতা অথবা দ্বাপরের মতো আত্মজ্ঞান লাভের উপযোগী নয়।
# সত্যযুগে মানুষের আয়ু ছিল একশ হাজার বছর, এবং তাঁরা দীর্ঘকাল ধরে ধ্যান করার মাধ্যমে আত্নজ্ঞান লাভ করতেন।
# ত্রেতাযুগে মানুষের আয়ু যখন দশ হাজার বছর, তখন তাঁরা মহাযজ্ঞ করে আত্মজ্ঞান লাভ করতেন।
# দ্বাপরযুগে মানুষের আয়ু যখন এক হাজার, বয়স তখন তাঁরা ভগবানের পূজার্চন করে আত্মজ্ঞান লাভ করতেন।
# কিন্তু কলিযুগে মানুষের আয়ু বড় জোর একশো বছর এবং তাও আবার নানা রকম দুঃখ দুর্দশা ও বাধা প্রতিবন্ধকতায় পরিপুর্ন। আর তাই এ যুগের আত্মজ্ঞান লাভের পন্থা হচ্ছে পরমেশ্বর ভগবানের নাম, রুপ, যশ-লীলা আদি শ্রবন করা, জপ করা এবং কীর্তন করা।
# নৈমিষারণ্যর ঋষিরা যারা ছিলেন শুদ্ধভক্ত ও বৈষ্ণব। তাঁরা কলিযুগের পন্থার প্রবর্তন করেছিলেন। তাঁরা এক হাজার বছর ধরে পরমেশ্বর ভগবানের নিত্যকথা শোনবার জন্য প্রস্তুত হয়েছিলেন।
# এই কলিযুগ মানুষের জন্য অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। মানব জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে আত্মজ্ঞান লাভ করা। কিন্তু এই ভয়ঙ্কর যুগের প্রভাবে মানুষ তাদের জীবনের উদ্দেশ্য বিস্মৃত হবে, তাই নৈমিষারণ্যর শৌনকাদি ঋষিগন শ্রীল সূতগোস্বামীর কাছে কলিযুগের মানুষের পারমার্থিক উপকারের জন্য অনেক প্রশ্ন করেছেন। শুরুতে তাঁরা ছয়টি প্রশ্ন করেন। নৈমিষারন্যে ঋষিদের ছয়টি প্রশ্ন হলো নিম্নরুপ।
:> প্রথম প্রশ্ন:- জনসাধারনের পরম মঙ্গল বা শ্রেয় কিভাবে সাধিত হয়?
:> দ্বিতীয় প্রশ্ন:- সমস্ত্র শাস্ত্রের সারাতিসার কি?
:> তৃতীয় প্রশ্ন:- পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কেনো অবতীর্ণ হয়েছিলেন?
:> চতুর্থ প্রশ্ন:- জড়জগতের সৃস্টির পিছনে ভগবানের যে কার্যকলাপ সেই সম্পর্কে বলুন।
:> পঞ্চম প্রশ্ন:- ভগবানের অবতারগনের কার্যকলাপ বর্ননা করুন।
:> ষষ্ঠ প্রশ্ন:- এই জগত থেকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অপ্রকট হয়ে তার নিত্য ধামে গমন করলে সনাতনধর্ম কার শরনাপন্ন হয়েছিলো?.
ধর্ম হচ্ছে পরমেশ্বর ভগবানের প্রদত্ত পন্থা। যখন ধর্মের গ্লানি বা অবমাননা করা হয়, তখন পরমেশ্বর ভগবান স্বয়ং ধর্ম সংস্থাপন করার জন্য আবির্ভূত হন।
শ্রীমদ্ভগদ্গীতা ও শ্রীমদ্ভাগবত হচ্ছে সনাতন ধর্মের দিব্যজ্ঞান, আত্মজ্ঞান, সমাজ ও ধর্মনীতিসহ সকল জীবের সকল বিষয়ের পুর্ণ প্রকাশ।
কলিযুগের মানুষের কর্তব্য হচ্ছে, এই যুগ সম্মন্ধে সচেতন হওয়া এবং তারা যদি কলিযুগ রুপী দুর্লঙ্ঘ সমুদ্র উত্তীর্ণ হতে চায়, তাহলে পুর্বতন ঋষিদের মতো শ্রীল শুকদেব গোস্বামী ও শ্রীল সুতগোস্বামীর পরম্পরা ধারায় প্রতিনিধি সদ্গুরুর আশ্রয়ে চলতে হবে। আর এই তরণীটি হচ্ছে শ্রীমদ্ভগবদ গীতা ও শ্রীমদ্ভাগবত রুপী পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অমৃতময় বানী।
সমস্ত বৈদিক শাস্ত্রের সারাতিসার হলো, পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে জানা ও তাঁর শ্রীপাদপদ্মের স্মরণ নিয়ে একাগ্রচিত্তে জপ, কীর্ত্তনের মাধ্যমে আরাধনা করা। এতেই প্রাপ্তি ঘটবে পরম কাঙ্খিত ভগবদ্ জ্ঞান বা আত্মজ্ঞান।
জয় পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। পরমকরুণাময় গোলোকপতি সচ্চিদানন্দ ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও তাঁর একান্ত হ্লাদিনী শক্তি শ্রীমতী রাধারাণী আর সকল বৈষ্ণব ভক্ত পার্ষদদের শ্রীচরণকমলে নিরন্তর প্রার্থনা করি, সকলের জীবন যেনো রাধাকৃষ্ণময়তায় পূর্ণ হয়ে, মঙ্গলময়, কল্যাণময়, প্রেমময়, ভক্তিময়, মুক্তিময়, শান্তিময়, সুন্দরময় এবং আনন্দময় হয়ে ওঠে সর্বদা।💚💚Radhe radhe 💚

নবদুর্গার নয় রূপ কী কী? কবে কোন রূপে পূজিত হন?কৃষ্ণপক্ষের অবসান করে সূচনা হয় দেবীপক্ষের। শুক্লপক্ষের প্রতিপদ থেকে নবমী প...
03/10/2024

নবদুর্গার নয় রূপ কী কী? কবে কোন রূপে পূজিত হন?

কৃষ্ণপক্ষের অবসান করে সূচনা হয় দেবীপক্ষের। শুক্লপক্ষের প্রতিপদ থেকে নবমী পর্যন্ত ন'টি রাত্রি পর্যন্ত দুর্গার নয়টি রূপের পুজো করা হয়ে থাকে। অর্থাৎ প্রতিপদ থেকে নবমী পর্যন্ত নয় রাত্রি ধরে দুর্গার নয়টি শক্তির যে পুজো হয় তাকেই নবরাত্রি বলে। শরৎকালে এই উত্‍সব হয় বলে একে শারদ নবরাত্রিও বলা হয়ে থাকে। দশমীতে শেষ হয় এই পুজো।

রামায়ণ অনুসারে ত্রেতাযুগে শ্রীরামচন্দ্র শারদীয়া দুর্গাপূজার প্রচলন করেন। রাবণ বধ করে সীতাকে উদ্ধারের জন্য রামচন্দ্র দুর্গতিনাশিনী দুর্গার অকালবোধন করে নবরাত্রির ব্রত পালন করেছিলেন। নবরাত্রি ব্রত আশ্বিনের শুক্লা প্রতিপদ থেকে নবমী পর্যন্ত। ব্রহ্মা দুর্গার এই নয়টি রূপের নামকরণ করেছিলেন। নয়টি নামের নয়টি বৈচিত্র্যময় রূপভেদ রয়েছে। এই নয়টি রূপের নাম হল- শৈলপুত্রী, ব্রহ্মচারিণী, চন্দ্রঘন্টা, কুষ্মান্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কালরাত্রি, মহাগৌরী,সিদ্ধিদাত্রী।

শৈলপুত্রী
নবরাত্রির প্রথম রাতে পুজো হয় নবদুর্গার প্রথম রূপ শৈলপুত্রীর। শৈল মানে হল পাহাড় বা পর্বত। হিমালয় পর্বতের কন্যা দুর্গার আরেক নাম শৈলপুত্রী। এখানে দেবীর বাহন হল ষাঁড়। তাঁর এক হাতে থাকে ত্রিশূল এবং অন্যহাতে থাকে পদ্ম।

ব্রহ্মচারিণী:
দ্বিতীয় রাতে পুজো হয় নবদুর্গার দ্বিতীয় রূপ ব্রহ্মচারিণীর। যিনি ব্রহ্মাকে স্বয়ং জ্ঞান দান করেন, ভক্তকেও ইনিই ব্রহ্মপ্রাপ্তি করান। এখানে তাঁর এক হাতে থাকে রুদ্রাক্ষের জপমালা এবং অন্য হাতে থাকে কমণ্ডলু।

চন্দ্রঘণ্টা:
তৃতীয় রাতে পুজো হয় নবদুর্গার তৃতীয় রূপ চন্দ্রঘণ্টার। এখানে তাঁর মাথায় থাকে চাঁদ। দেবীদুর্গার মহিষাসুর বধের জন্য দেবরাজ ইন্দ্রের প্রদত্ত ঘণ্টা যার মধ্যে গজরাজ ঐরাবতের মহাশক্তি নিহিত ছিল, চন্দ্রের চেয়েও সুন্দরী ইনি।

কুষ্মান্ডা:
নবরাত্রির চতুর্থ রাতে পুজো হয় নবদূর্গার চতুর্থ রূপ কুষ্মান্ডার। উষ্মার অর্থ তাপ। দুর্বিষহ ত্রিতাপ হল কুষ্মা, যিনি এই ত্রিতাপ নিজের উদরে বা অন্ডে ধারণ করেন। কথিত আছে, দেবী তাঁর এই রূপে মহাবিশ্বের সৃষ্টি করেছিলেন। তাই তিনি এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা হিসেবে পূজিতা হন।

স্কন্দমাতা:
পঞ্চম রাতে পুজো হয় নবদুর্গার পঞ্চম রূপ স্কন্দমাতার। কার্তিকের আর এক নাম স্কন্দ। আর দেবী হলেন দেব সেনাপতি কার্তিকেয় বা স্কন্দের মা।

কাত্যায়নী:
ষষ্ঠ রাতে পুজো হয় নবদুর্গার ষষ্ঠ রূপ কাত্যায়নীর। পুরাণ অনুযায়ী কাত্যায়ন নামে এক ঋষি ছিলেন। দেবী দুর্গা তাঁর কন্যা রূপে জন্ম নেন। তাই দুর্গার এই রুপের নাম কাত্যায়নী।

কালরাত্রি:
এখানে দেবী কৃষ্ণবর্ণা। আলুলায়িত কেশে তিনি ধাবিত শত্রুর দিকে, কণ্ঠে বিদ্যুতের মালিকা। ত্রিনয়নী দেবীর শ্বাস প্রশ্বাসে বেরিয়ে আসে আগুনের হলকা। ভীষণদর্শনা দেবীর তিন হাতে অস্ত্র। এক হাতে ভক্তদের প্রতি বরাভয়। এই রূপই উপাসিত হয় কালিকা রূপে। তবে এই রূপেও দেবী ভক্তের শুভ করেন। তাই অন্যদিকে তিনি শুভঙ্করী। দেবীর বাহন গর্দভ। নবরাত্রির সপ্তম রাতে পূজিতা হন দেবী কালরাত্রি।

মহাগৌরী:
হিমালয়-কন্যা ছিলেন গৌর বর্ণা। শিবের তপস্যা করে রৌদ্রে তিনি কৃষ্ণা হন। মহাদেব যখন গঙ্গাজল দিয়ে তাঁকে স্নান করান, তখন তিনি হয়ে ওঠেন গৌরী। তাঁর এই রূপের নাম হয় মহাগৌরী। প্রচলিত বিশ্বাস, নবরাত্রির অষ্টম রাতে তাঁর পুজো করলে সব পাপ ধুয়ে যায়। সাদা পোশাক পরিহিতা, চার হাত বিশিষ্টা দেবীর বাহন ষাঁড়। দেবীর এক হাত শোভিত বরাভয় মুদ্রায়। বাকি তিন হাতে থাকে পদ্ম, ত্রিশূল ও ডমরু |

সিদ্ধিদাত্রী:
নবদুর্গার নবম তথা শেষ রূপ হল সিদ্ধিদাত্রী। সিংহবাহিনী দেবীর চার হাতে আশীর্বাদী মুদ্রা তিনি সিদ্ধি দান করেন। তাঁর উপাসনায় সংসারে আসে সুখ এবং সমৃদ্ধি। দেবী ভগবত্‍ পুরাণে আছে, স্বয়ং মহাদেব দেবী পার্বতীকে সিদ্ধিদাত্রী রূপে পুজো করেছিলেন। সিদ্ধিদাত্রীর আশীর্বাদেই সর্ব সিদ্ধি লাভ করেন মহাদেব।

আমার লিখায় ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন। লিখা ভালো লাগলে শেয়ার করে দিবেন।❤️

Address

Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chaity Shivakhatriya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share