Abdur Rahman

Abdur Rahman A page for muslim ummah.

মুসলিম গণিতবিদ!
18/01/2021

মুসলিম গণিতবিদ!

18/01/2021
১🔹হিটলার, একজন অমুসলিম । ৬০ লক্ষ ইহুদি হত্যা করেছিলো । মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে খৃষ্টান টেররিস্ট !!!২🔹জোসেফ স্ট্যালি...
18/01/2021

১🔹হিটলার, একজন অমুসলিম । ৬০ লক্ষ ইহুদি হত্যা করেছিলো । মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে খৃষ্টান টেররিস্ট !!!
২🔹জোসেফ স্ট্যালিন, একজন অমুসলিম । সে ২০ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে, এবং ১৪. ৫ মিলিয়ন মানুষ অসুস্থ হয়ে ধুকে ধুকে মারা গেছে । মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে খৃষ্টান টেররিস্ট !!!
৩🔹মাও সে তুং একজন অমুসলিম । ১৪ থেকে ২০ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে !
মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে বৌদ্ধ টেররিস্ট !!!
৪🔹মুসলিনী (ইটালী) ৪ লাখ মানুষ হত্যা করেছে ! সে কি মুসলিম ছিল ? অন্ধ মিডিয়া একবারো বলে নাই খৃষ্টান টেররিস্ট !!!
৫🔹অশোকা (কালিঙ্গা বেটল) ১০০ হাজার মানুষ হত্যা করেছে ! মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে হিন্দু টেররিস্ট !!!
৬🔹আর জজ বুশ ইরাকে,আফগানিস্থানে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে ! মিডিয়া তো বলে নাই, খৃষ্টান টেররিস্ট !!!
৭🔹এখনো মায়ানমারে প্রতিদিন মুসলিম রোহিঙ্গাদের খুন , ধর্ষণ , লুটপাট, উচ্ছেদ করছে ! তবুও কোনো মিডিয়া বলে না বৌদ্ধরা টেরোরিস্ট !!!
ইতিহাস সাক্ষী পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বড় বড় গনহত্যা করেছে নন মুসলিমরা আর এরাই দিন রাত গণতন্ত্র জপে মুখে ফেনা তুলে ! অথচ এদের দ্বারাই মানবতা লুন্ঠিত !
বুদ্ধিজীবীদের কাছে প্রশ্নঃ
ক♦যারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল ?
খ♦যারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?
গ♦যারা অস্ট্রেলিয়া আবিষ্কারের পর নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য ২০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসীকে হত্যা করেছিল,তারা কি মুসলিম ছিল?
ঘ♦যারা হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করেছিল,তারা কি মুসলিম ছিল ?
ঙ♦যারা আমেরিকা আবিষ্কারের পর নিজেদের প্রভাব বিস্তারের জন্য উত্তর আমেরিকাতে ১০০ মিলিয়ন এবং দক্ষিন আমেরিকাতে ৫০ মিলিয়ন রেড- ইন্ডিয়ানকে হত্যা করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল ?
চ♦যারা ১৮০ মিলিয়ন আফ্রিকান কালো মানুষকে কৃতদাস বানিয়ে আমেরিকা নিয়ে গিয়েছিল. যাদের ৮৮ ভাগ সমুদ্রেই মারা গিয়েছিল এবং তাদের মৃতদেহকে আটলান্টিক মহাসাগরে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তারা কি মুসলিম ?
এসব মহাসন্ত্রাসী ও অমানবিক কার্যকলাপের সাথে মুসলমানরা কখনো জড়িত ছিলনা!
যখন কোন অমুসলিম কোন খারাপ কাজ করে, নির্যাতন করে, খুন করে তখন এটাকে বলা হয় অপরাধ ! আর যখন কোন মুসলিম হাজার নির্জাতনের শিকার হয়ে একবার প্রতিবাদ করে তখন এটাকে বলা হয় মৌলবাদ ! জঙ্গীবাদ !!!
বুদ্ধিজীবীদের বলতে চাই সন্ত্রাসের সংজ্ঞা , মৌলবাদ , জঙ্গীবাদ এর সংজ্ঞা আরেকবার জন্ম নিয়ে নতুন করে শিখে নিয়েন!

[Sunnah & Science : 065]মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ) ১৪০০+ বছর আ‌গে উম্মত‌দের ব‌লে‌ছেন, পঙ্গপাল খাওয়ার জন‌্য, যা মুস‌লিম‌দের জন...
18/01/2021

[Sunnah & Science : 065]
মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ) ১৪০০+ বছর আ‌গে উম্মত‌দের ব‌লে‌ছেন, পঙ্গপাল খাওয়ার জন‌্য, যা মুস‌লিম‌দের জন‌্য হালাম, আজ বিজ্ঞান বল‌ছে তা স‌ত্যিই পু‌ষ্টিকর !

হা‌দিসঃ
ইবনু ‘উমার (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ "খাদ্যরূপে দু’প্রকারের মৃত প্রাণী এবং দু’প্রকার রক্তকে আমাদের মুসলিমদের জন্য হালাল করা হয়েছে। দু’প্রকার মৃত প্রাণী হচ্ছে: টিড্ডি (পঙ্গপাল) ও মাছ এবং রক্তের দু’প্রকার হচ্ছে হালাল প্রাণীর কলিজা ও হৃৎপিণ্ড।"
(বুখারী ৫৪৯৫, মুসলিম ১৯৫২, মুসলিম ১৮২১, ১৮২২, নাসায়ী ৪৩৫৬, ৪৩৫৭, আবূ দাউদ ৩৮১২, আহমাদ ১৮৬৩৩, ১৮৬৬৯, দারেমী ২০১০, বুলুগুল মারাম: ১৩)

অন‌্যত্র পাওয়া যায়:
আব্দুল্লাহ ইবনে আবু আওফা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে থেকে সাতটি যুদ্ধ করেছি, তাতে আমরা পঙ্গপাল খেয়েছি।’
অন্য বর্ণনায় আছে, ‘আমরা তাঁর সাথে পঙ্গপাল খেয়েছি।’
*[অর্থাৎ পঙ্গপাল খাওয়া হালাল এবং তা মাছের মত মৃতও হালাল]
(সহীহুল বুখারী ৫৪৯৫, মুসলিম ১৯৫২, তিরমিযী ১৮২১, ১৮২২, নাসায়ী ৪৩৫৬, ৪৩৫৭, আবূ দাউদ ৩৮১২, আহমাদ ১৮৬৩৩, ১৮৬৬৯, ১৮৯০৮, দারেমী ২০১০)

বাস্তবতাঃ

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের পূর্ব দিকে উত্তর কিভুর রাজধানী গোমায় পঙ্গপাল খাবার হিসাবে দারুন জনপ্রিয়। রুক্ষ এই অঞ্চলে বহু মানুশ দারিদ্রসীমার নীচে বসবাস করেন। তাঁদের খাদ্যাভাসে তাই বিভিন্ন পোকা জায়গা পেয়েছে। ঝিঝি পোকা, গঙ্গাফড়িং, মথের লার্ভা, পঙ্গপাল বাজারে বিক্রি হয়। পঙ্গপালের রেসিপি সেখানে সব থেকে বেশি জনপ্রিয়। মুচমুচে করে ভেজে বা সেদ্ধ করে অথবা ভাপা। পঙ্গপাল অনেকভাবেই নাকি রান্না করা যায়। বর্তমা‌নে পা‌কিস্তা‌নেও পঙ্গপা‌লের চাষ হ‌চ্ছে। এশিয়ার বেশ কিছু দেশে পঙ্গপাল বেশ উপাদেয় ডেলিকেসি। মধ্যপ্রাচ্যে আবার পঙ্গপাল খাওয়ার রীতি রয়েছে। আফ্রিকার দেশগুলিতে আবার খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে নানা রকমের পোকা। তার মধ্যে রয়েছে পঙ্গপালও।

সৌদি আরবে রমজানের সময় পঙ্গপাল রেঁধে খাওয়া হয়। এটা নাকি তাদের রীতির মধ্যেই পড়ে। ২০১৪ সালে আল-কাসিম এলাকায় পঙ্গপাল খাওয়ার অভ্যাস এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে শক্ত হাতে হাল ধরতে হয় স্বাস্থ্য মন্ত্রককে।

ইয়েমেনিরা আবার সরকারি নিষেধ অমান্য করেই দিব্যি পঙ্গপাল রান্না করে খেয়ে চলেছে। মরক্কোতে তো পঙ্গপাল রান্নার বিশেষ রেসিপিও রয়েছে। আরব, মিশর, মরক্কোর বাজারে ভাল দামেই পঙ্গপাল কেনাবেচা চলে। তার রান্নারও অনেক ধরন আছে।

বিজ্ঞান বল‌ছেঃ

পোকা খাওয়ার অভ্যাসকে বলে এন্টোমোফ্যাগি। মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড-সহ বিশ্বের নানা দেশের খাদ্যাভাসেই পোকা রয়েছে। সমীক্ষা বলছে ৮০ শতাংশ মানুষ ‘এন্টোমোফ্যাগাস’। হাজারেরও বেশি ধরনের পোকা রয়েছে তাদের খাবারের তালিকায়। মেক্সিকোতে পুষ্টিকর খাবার হিসেবে পোকার চল রয়েছে।

অমেরুদণ্ডি সন্ধিপদ পঙ্গপালের অনেক প্রজাতি রয়েছে। তবে মূলত ডেজার্ট লোকাস্ট দেশে দেশে ঘুরে বেড়ায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতি ১০০ গ্রাম পঙ্গপালে প্রায় ১৩-২৮ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যাবে। ডেসার্ট পঙ্গপালের প্রতি ১০০ গ্রামে ফ্যাট রয়েছে ১১.৫ গ্রাম। কোলেস্টেরল ২৮৬ মিলিগ্রাম। ফ্যাটি অ্যাসিডও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। শরীরে থাকা ক্ষতিকর ব্যকটেরিয়াকে মারতে সাহায্য করে পঙ্গপাল। আবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। বিভিন্ন প্রজাতির পোকার মধ্যে চিটিন জাতীয় একপ্রকার ফাইবার রয়েছে। এই ফাইবার হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

প্রমানঃ
SURPRISING HEALTH BENEFITS OF EATING GRASSHOPPERS.
https://www.eluniversal.com.mx/english/surprising-health-benefits-eating-grasshoppers?amp

ASTONISHING BENEFITS OF GRASSHOPPERS.
https://globalfoodbook.com/astonishing-benefits-of-grasshoppers

Nutrition and the protein economy in grasshoppers and locusts.
https://www.sciencedirect.com/science/article/abs/pii/0300962993900205

Delivering protein with edible grasshoppers.
https://nutraceuticalbusinessreview.com/news/article_page/Delivering_protein_with_edible_grasshoppers/159003

Insects as an alternative source of protein: a review of the potential use of grasshopper (Sphenarium purpurascens Ch.) as a food ingredient.
https://link.springer.com/article/10.1007/s00217-019-03383-0

Medical and Veterinary Importance of Grasshoppers, Katydids, and Crickets (Hexapoda: Orthoptera).
https://www.researchgate.net/publication/281745353_Medical_and_Veterinary_Importance_of_Grasshoppers_Katydids_and_Crickets_Hexapoda_Orthoptera

কোরআন ও হা‌দি‌সের বাণী গ‌বেষনা তথ‌্য সব পর্ব একসা‌থে একজায়গায় পে‌তে Visit কর‌তে পা‌রেন : https://www.facebook.com/groups/3653692774658521/?ref=share

অন‌্য মুস‌লি‌মের জানার জন‌্য শেয়ার বা ক‌পি/পেষ্ট করুন, সওয়াব অর্জন করুন।

All is fair in war.. বৃটিশ লেখক, "জন লিলি" র এই উক্তি কোন চিরন্তন বানী নয়। যুদ্ধের অবশ্যই নিয়ম নীতি, সৌজন্য রয়েছে।
18/01/2021

All is fair in war..
বৃটিশ লেখক, "জন লিলি" র এই উক্তি কোন চিরন্তন বানী নয়। যুদ্ধের অবশ্যই নিয়ম নীতি, সৌজন্য রয়েছে।

১ম চিকিৎসক ইবনে সিনা। একজন মুসলিম ছিলেন।
15/01/2021

১ম চিকিৎসক ইবনে সিনা। একজন মুসলিম ছিলেন।

[Quran & Ultramodern Science : 109/G128]কোরআন ঐশীবাণী না হ‌লে, ১৪০০+ বছর আ‌গে একজন মানুষ কিভা‌বে ই‌ঙ্গিত দিতে পা‌রেন, স...
15/01/2021

[Quran & Ultramodern Science : 109/G128]
কোরআন ঐশীবাণী না হ‌লে, ১৪০০+ বছর আ‌গে একজন মানুষ কিভা‌বে ই‌ঙ্গিত দিতে পা‌রেন, সৃ‌ষ্টি বা প্রকৃ‌তির বিপ‌ক্ষে গে‌লে সাগরও শু‌কি‌য়ে যে‌তে পা‌রে, যা আজ‌কের বিজ্ঞান ও ই‌তিহাস প্রমান দি‌চ্ছে ?

আল্লাহ্ ব‌লেনঃ

قُلْ أَرَأَيْتُمْ إِنْ أَصْبَحَ مَاؤُكُمْ غَوْرًا فَمَنْ يَأْتِيكُمْ بِمَاءٍ مَعِينٍ

"বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায়, তবে কে তোমাদেরকে সরবরাহ করবে পানির স্রোতধারা?"
[Say to them: “Did you even consider: if all the water that you have (in the wells) were to sink down into the depths of the earth, who will produce for you clear, flowing water?]
(সুরা মূলক্ : ৩০)

ই‌তিহাস বল‌ছে, অরাল সাগ‌রের শু‌কি‌য়ে যাওয়ার ঘটনাঃ

কত কষ্টে একটি সাগর শুকিয়ে যায় ?
প্রবাদ আছে –“অভাগা যেদিকে চায়, সাগর শুকিয়ে যায়”। বিশ্বজুড়ে স্বার্থপর মানুষদের কল্যানে প্রবাদটি একটু পাল্টে বলতে হচ্ছে– “অপরিনামদর্শীরা যেদিকে চায়, সাগরও শুকিয়ে যায়”।

পৃথিবী নামের এই গ্রহটির পরিবেশ বিপর্যয়ের ভয়ঙ্কর একটি ট্রাজিক সত্য এটি। অরাল নামের সাগর এক। আমরা ডেকেছি “উড়াল সাগর” বলে। এককালের সোভিয়েত ইউনিয়নের কাজাখাস্তান আর উজবেকিস্তানের মাঝখানে টলটলে পানিতে ভরা একটি লেক। এতো বিশাল যে সাগর নামেই তাকে ডাকার যোগ্য সে। তার “অরাল” নামটির অর্থ “দ্বীপের সাগর” (Sea of Islands)। আসলেই মুক্তোর মালার মতো ১৫৩৪ টি দ্বীপ ছিলো এর বুকে একদিন। আজ জল-স্থল সব একাকার।

আটষট্টি হাযার বর্গকিলোমিটার (২৬,৩০০ বর্গমাইল) এলাকা নিয়ে একদিন অরাল ছিলো পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম লেক। “আমু-দরিয়া” আর “সির-দরিয়া” নদীর বয়ে আনা পানিতে তৈরী হয়েছিলো তার টলটলে শরীর। বসতি ছিলো তীরে , ছিলো জেলেদের হৈ-হৈ। শিশুদের হুড়োহুড়ি। বাতাসে ছিলো মাছের আঁশটে গন্ধ ।বন্দরে বন্দরে ছিলো মাছ ধরা জাহাজের আনাগোনা।

আজ নেই, আজ তার বুকে শুধু ধূঁ-ধূঁ বালুচর। রূপোলী জলে আর চিকচিক করে ওঠেনা মাছেদের বুক। ভাসেনা পাল তোলা নাও।

১৯৬০ সাল থেকে উড়াল সাগরের ধুঁকে ধুঁকে মরার শুরু। মাছেদের আঁশটে গন্ধে আসা ঝকঝকে “রুবল” নয়, সোভিয়েত ইউনিয়ন সরকারের যে চাই কড়কড়ে “ডলার”। সাদা সোনা চাই তাদের, হোয়াইট গোল্ড। হোয়াইট গোল্ড তুলো চাই তাদের, তুলো। বিশ্বজুড়ে এর চাহিদার শেষ নেই। তাই সোভিয়েত মাটিতে ফলাতে হবে তুলোর গাছ। লক্ষ লক্ষ হেক্টর জমি জুড়ে যে তুলোর চাষ শুরু করেছে সরকার সেই ১৯৪০ সাল থেকে তাকে তো টিকিয়ে রাখতে জোগাতে হবে জীবন-ধারিনী পানি। তাই আমু-দরিয়া আর সির-দরিয়া’র পানি বইলো অন্যখাতে।

তুলা চাষের জন্যে সোভিয়েত সরকারকে সেই ১৯৪০ সাল থেকেই সেচ ব্যবস্থার কথা ভাবতে হয়েছিলো। কিন্তু সেচের খালগুলি ছিলো খুব অপরিপক্ষ ভাবে নির্মিত। এ থেকে পানি শুষে নিত মাটি, রোদের তাপে পানি বাষ্প হয়ে উড়ে যেতো। এই সেচ প্রকল্পের অর্ন্তভূক্ত মধ্য এশিয়ার বৃহত্তম কারাকোরাম ক্যানালের ৩০ থেকে ৭৫% পানিই এভাবে অপচয় হয়ে যেতো। এইসব কারনেই সোভিয়েত কর্তৃপক্ষকে ভাবতে হয়েছিলো বিকল্প কিছু। তাই ১৯৬০ সালে গৃহীত হয় নতুন ইরিগেশান প্রোজেক্ট যাতে আমু-দরিয়া আর সির-দরিয়ার পানিকে ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সেচের খালগুলিতে।

প্রতি বছর ২০ থেকে ৬০ ঘন কিলোমিটার পানি উড়াল সাগরের পরিবর্তে গিয়ে পড়লো সেচের খালগুলিতে। ফলে হতভাগী উড়াল সাগরের পানির উচ্চতা হ্রাসের পরিমান বেড়ে যেতে থাকলো হু হু করে। প্রতি বছর এখোন এই উচ্চতা হ্রাসের হার ৩১ থেকে ৩৫ ইঞ্চি। কেবলমাত্র ১৯৮০ সালের মধ্যেই উড়াল সাগর থেকে যে পানি হারিয়ে গেলো তার পরিমান লেক “ইরি” আর লেক “অন্টারিও” তে যতো পানি আছে তাদের সমান।

হয়তো প্রয়োজনেই সোভিয়েত কর্তৃপক্ষকে প্রকৃতির বিরূদ্ধে যেতে হয়েছিলো কিন্তু তার জন্যে তাকে খেসারত দিতে হয়নি কম। আবহাওয়া চরমপন্থী হয়ে গেছে সেখানে। উজবেকিস্তানে আজ কেবল ১২% সেচের খাল ঠিকমতো পানি বয়ে নিতে পারে মাত্র।

আর তাই মানুষ সৃষ্ট পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পরিবেশ বিপর্যয়ের উদাহরন এটি।

প্রমান দেখুনঃ
Aral Sea.
https://en.m.wikipedia.org/wiki/Aral_Sea

World of Change: Shrinking Aral Sea.
https://earthobservatory.nasa.gov/world-of-change/AralSea

Sins of the Aral Sea.
https://www.nationalgeographic.com/magazine/2015/06/vanishing-aral-sea-kazakhstan-uzbekistan/

কোরআন ও হা‌দি‌সের বাণী গ‌বেষনা তথ‌্য সব পর্ব একসা‌থে একজায়গায় পে‌তে Visit কর‌তে পা‌রেন : https://www.facebook.com/groups/3653692774658521/?ref=share

অন‌্য মুস‌লি‌মের জানার জন‌্য শেয়ার বা ক‌পি/পেষ্ট করুন, সওয়াব অর্জন করুন।

সাইন‌বোর্ডটি মন‌যোগ দি‌য়ে দেখুন আর আয়াত‌টি পড়ুন ! সিদ্ধান্ত‌টি আল্লাহর। আর, এটা নন মুস‌লিম সব রাষ্ট্রও জা‌নে এ বিষ‌য়ে।...
13/01/2021

সাইন‌বোর্ডটি মন‌যোগ দি‌য়ে দেখুন আর আয়াত‌টি পড়ুন ! সিদ্ধান্ত‌টি আল্লাহর। আর, এটা নন মুস‌লিম সব রাষ্ট্রও জা‌নে এ বিষ‌য়ে। কারন, এখা‌নে শা‌স্তির বিধানও র‌য়ে‌ছে।

অমুসলিমদের মক্কা শহরে প্রবেশ নিষেধ। অমুসলিমদের গাইড করার জন্য রাস্তার পা‌শে বি‌ভিন্ন লক্ষণ সরবরাহ করা হয়েছে। সর্বনিম্ন জরিমানা হল দেশ থেকে নির্বাসন। প্রবেশের সময় ডকুমেন্টেশন চেক করা হবে এবং যে কেউ মুসলিম হওয়ার প্রমাণ না দেখিয়ে প্রবেশ করতে চাই‌লে, প্রবেশা‌ধিকার বর্জন করা হবে।

পৃথিবীর যে কোনো মানুষের জন্য মক্কা ও মদীনায় প্রবেশের অনুমতি পেতে হলে সর্ব প্রথম যে শর্তটি পুরণ করতে হবে তা হলো তার মুখে বলতে হবে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ” অর্থাৎ এমন কেউ নেই কিছু নেই আল্লাহ ছাড়া এবং মুহাম্মাদ (সাঃ) তাঁর প্রেরিত রাসূল।

কারন, আল্লাহ্ ব‌লেনঃ
"ওহে বিশ্বাসীগণ! মুশরিকরা হল অপবিত্র, কাজেই এ বছরের পর তারা যেন মাসজিদে হারামের নিকট না আসে। তোমরা যদি দরিদ্রতার ভয় কর, তবে আল্লাহ ইচ্ছে করলে অচিরেই তাঁর অনুগ্রহের মাধ্যমে তোমাদেরকে অভাব-মুক্ত করে দেবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, মহাবিজ্ঞানী।"
(সুরা আত তাওবাহ্ : ২৮)

[Quran & Ultramodern Science : 108]কোরআন ঐশীবাণী না হ‌লে, ১৪০০+ বছর আ‌গে একজন মানুষ কিভা‌বে ই‌ঙ্গিত দি‌তে পা‌রেন, সমুদ্...
13/01/2021

[Quran & Ultramodern Science : 108]
কোরআন ঐশীবাণী না হ‌লে, ১৪০০+ বছর আ‌গে একজন মানুষ কিভা‌বে ই‌ঙ্গিত দি‌তে পা‌রেন, সমুদ্র শ‌ক্তি হ‌তে পা‌রে ভ‌বিষ্যত জ্বালানীর অফুরন্ত ভান্ডার, যা আজ‌কের বিজ্ঞান এর ব্যবহার নি‌য়ে গ‌বেষনায় ব্যস্ত ?

আল্লাহ্ ব‌লেনঃ

اللَّهُ الَّذِي سَخَّرَ لَكُمُ الْبَحْرَ لِتَجْرِيَ الْفُلْكُ فِيهِ بِأَمْرِهِ وَلِتَبْتَغُوا مِنْ فَضْلِهِ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ

"তিনি আল্লাহ যিনি সমুদ্রকে তোমাদের উপকারার্থে আয়ত্বাধীন করে দিয়েছেন, যাতে তাঁর আদেশক্রমে তাতে জাহাজ চলাচল করে এবং যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ তালাশ কর ও তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ হও।"
[He is Allah Who has subjected the sea to you, that ships may sail through it by His command, that you may seek of his bounty, and that you may be grateful.]
(সুরা আল জা‌সিয়া : ১২)

বিজ্ঞান বল‌ছে সমুদ্র শক্তি সম্প‌র্কেঃ

পৃথিবীর পৃষ্ঠের অধিকাংশ এলাকা জুড়ে রয়েছে সাগর-মহাসাগর। এই বিশাল সমুদ্র অংশ সম্পদ ও শক্তির ভান্ডার। সমুদ্র থেকে বিভিন্ন উপায়ে নবায়নযোগ্য শক্তি সংগ্রহ করা যায়, যা হ‌তে পা‌রে ভ‌বিষ্যত জ্বালানীর অফুরন্ত ভান্ডার।

এর মাঝে প্রচলিত কয়েকটির বর্ণনা:

সমুদ্র তরঙ্গ শক্তিঃ
সমুদ্রের তরঙ্গ বা ঢেউতে রয়েছে গতি শক্তি ও যান্ত্রিক শক্তি। এটাকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা যায়। সমুদ্রের ঢেউ এর সাথে ওঠা-নামা করতে পারে এমন ভাসমান বয়ার নড়া-চড়াকে কাজে লাগিয়ে ফ্লুইডকে (বাতাস অথবা পানিকে) প্রেসারাইসড্‌ করা হয়। সেই ফ্লুইডের চাপে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।

সমুদ্র তাপ শক্তিঃ
ওশেন থার্মাল এনার্জি কনভার্শন (ওটেক) বা সমুদ্র-তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়। সমুদ্রের উপরিতলের তাপমাত্রা থাকে গড়ে ২৫ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর প্রায় এক কিলোমিটার নিচে গেলেই এই তাপমাত্রা কমে গিয়ে দাঁড়ায় ১০ থেকে ১৫ ডিগ্রি। এই তাপমাত্রার পার্থক্যকে কাজে লাগিয়ে কম স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট তরল যেমন অ্যামোনিয়ার প্রসারণ দ্বারা টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।

জোয়ার ভাটা শক্তিঃ
জোয়ার ভাটার সময় দিনে দুইবার করে সমুদ্রের পানির উচ্চতা কম বেশি হয়। বাঁধ দিয়ে এই উচ্চতার পার্থক্যকে কাজে লাগিয়ে টার্বাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।

এছাড়াও সমূদ্র হ‌তে আহ‌রিত অন‌্যান‌্য সম্পদও মানুষ ব‌্যবহার কর‌ছে বহুকাল ধ‌রে।

প্রমানঃ
Ocean energy could be the wave of the future.
https://www.sciencenewsforstudents.org/article/ocean-energy-could-be-wave-future/amp

The Future of Ocean Energy.
https://otecorporation.com/2013/10/28/the-future-of-ocean-energy/

The Future of Wave Energy.
https://globuswarwick.com/2019/06/11/the-future-of-wave-energy/

কোরআন ও হা‌দি‌সের বাণী গ‌বেষনা তথ‌্য সব পর্ব একসা‌থে একজায়গায় পে‌তে Visit কর‌তে পা‌রেন : https://www.facebook.com/groups/3653692774658521/?ref=share

অন‌্য মুস‌লি‌মের জানার জন‌্য শেয়ার বা ক‌পি/পেষ্ট করুন, সওয়াব অর্জন করুন।

Address

Gangni

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Abdur Rahman:

Share