ফিদায়ী হামলা

ফিদায়ী হামলা মরণ তো একদিন হবেই হবে,
শহীদি মরণ যেন হয?
(1)

28/10/2025

লেটস রিক্যাপ:
টঙ্গী থেকে খতীব মিয়াজী নিখোঁজ হলেন। পরিবার দাবি করলো ইসকন তাকে হুমকি দিয়ে আসছিল। তাদের আশঙ্কা তিনি অপহৃত হয়েছেন। ঘটনা ভাইরাল হয়ে গেলো।
তাকে পাওয়া গেলো পরদিন. কয়েক শো কিমোমিটার দূরে ভারত সীমান্তবর্তী পঞ্চগড়ে। অচেতন, অর্ধ উলঙ্গ, এবং পায়ে “হাতে-পায়ে” শেকল লাগানো অবস্থায়।
ফিরে আসার পর তিনি জানালেন, সকালে হাটার সময় কিছু অজ্ঞাত লোক সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নেয় তাকে। লোকগুলোকে "বাংলাদেশের মনে হয়নি"। গাড়িতে নানাভাবে নির্যাতন করা হলে, এক পর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। জ্ঞান ফিরলে নিজেকে আবিস্কার করেন পঞ্চগড়ে।
গাজীপুরের ধর্ষন মামলা, বুয়েটের ইসকনের মাধ্যমে র‍্যাডিকালাইযড ছাত্রের বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগে অলরেডি তেতে থাকা মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। বিক্ষোভ হয় সারা দেশে। এক মিছিলে অংশ নেন উক্ত খতীবও।
মামলা হয়। মামলার এজহার লেখার সময় অ্যালেজড অপহরণের স্থানের ব্যাপারে একটা পরিবর্তন আসে। খতীব মিয়াজী বলেছিলেন সাদা মাইক্রোবাস তাকে তুলে নেয় মাজুখান ব্রীজ পার হবার পর। কিন্তু টঙ্গির পুলিশ জানায়, যে জায়গার কথা বলা হচ্ছে সেটা পূবাইল থানার আওতায় পড়ে। অপহরণের স্থান ব্রীজের এপাড়ে দিলে সেটা টঙ্গি থানার জুরিসডিকশানে থাকবে। তখন অপারেশনের স্থান হিশেবে ব্রীজের আগের ফিলিং স্টেশনের সামনে দেয়া হয়।[১]
পুলিশ তদন্ত শুরু করে। শুরুতেই মিডিয়াতে বক্তব্য চলে আসে, মামলায় কোন গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। দিন দুই পর পুলিশ গিয়ে খতীব মিয়াজীকে থানায় নিয়ে যায়। তারপর বেশ কয়েকটা ব্যাপার ঘটে—
- সরকার ঘনিষ্ঠ কিছু নিউস আউটলেটে ‘নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক’ সূত্রে খবর ছাপা হতে শুরু করে: খতীব অপহরণ হননি, পুরো ব্যাপারটা তিনি নিজেই সাজিয়েছেন।
- এজেন্সি ঘনিষ্ঠ কিছু আইডি থেকে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করা হয়। উল্লেখ্য খতীব বলছেন তিনি অপহৃত হয়েছেন মাজুখান ব্রীজ পার হবার পর। ফুটেজ কিন্তু ঐখানকার না। ব্রীজের আগের ফিলিং স্টেশনের।
- খতীবের একটি ভিডিও মিডিয়াতে প্রচার হতে শুরু করে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে তিনি বলছেন: কেউ তাকে অপহরণ করেনি, তিনি নিজেই এসব জায়গায় গিয়েছেন। বছর দুয়েক আগে তার ব্রেন টিউমারের অপারেশন হয়েছে। তার মাথার ভেতরে কেউ কথা বলে। সেই কথা শুনে শুনে তিনি এসব জায়গায় গেছেন। পঞ্চগড় থেকে ফেরার পর যা কিছু বলেছেন তা উনার অপরাধ।
- সবশেষে পুলিশের ব্রিফিং হয়—যেখানে বলা হয় পুরো ঘটনাটি নাকি খতীব নিজেই সাজিয়েছেন।
এবার পুরো ঘটনাপ্রবাহ মাথায় রেখে কয়েকটা বিষয়ে একটু চিন্তা করা যাক-
ক) মিডিয়াতে প্রকাশিত খতীব মিয়াজীর ‘ভিডিও স্বীকারোক্তি”-তে অসংখ্য কাট। তার কথা বলার ভঙ্গি অস্বাভাবিক। [২] বক্তব্য আগের চেয়ে একেবারে আলাদা। যা থেকে মোটামুটি শক্ত ধারনা জন্মায় যে এই বক্তব্য স্ক্রিপ্টেড।
এই ভিডিও কে বানিয়েছে? কার উদ্যোগে? যদি পুলিশ করে থাকে—কেন তদন্তাধীন বিষয়ে এভাবে ভিডিও করা হলো? আর সেটা মিডিয়াকে দেয়া হলো?
যদি মিডিয়া করে থাকে—তাহলে তদন্ত চলাকালীন সময়ে মিডিয়াকে প্রবেশ ও ভিডিও করার অনুমতি দিলো কেন পুলিশ? বিশেষ করে পুলিশ যখন নিজেই দাবি করছে খতীব মিয়াজী “মানসিকভাবে অসুস্থ”?
একটা তদন্তাধীন বিষয়ে, যিনি অ্যালেজড ভিকটিম, তার কাছ থেকে পুলিশি ‘হেফাযতে’ থাকা অবস্থায় ভিডিও স্বীকারোক্তি আসা কোন দিক থেকেই স্বাভাবিক না।
খ) হাসিনার আমলে যাকে ইচ্ছে ধরে এনে তাকে দিয়ে ইচ্ছেমতো বক্তব্য দেয়ানোর একটা কমন প্যাটার্ন ছিল। এই মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে অসংখ্য জং---ই মামলা কে জাস্টিফাই করা হয়েছিল। সম্মতি উৎপাদন করা হয়েছিল গুম-খুন-নির্যাতনের।
এসব ঘটনার কারণে হাসিনা আমলের শেষ দিকে ডিবি অফিস হারুনের ভাতের হোটেল নামে বেশ কুখ্যাতিও পেয়েছিল।
সবশেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র সমন্বয়কদের নিয়ে একই রকম নাটক সাজানো হয়েছিল। খতীব মিয়াজীর সাথে যা হয়েছে তা যে একই স্ক্রিপ্টের পুনরাবৃত্তি না, সেটা আমরা কিভাবে বুঝবো?
গ) খতীব মিয়াজীর ছেলে বলছেন, কাল রাতে সে যখন তার বাবার সাথে কথা বলে, তখন তিনি আগের বক্তব্যেই "স্থির" থাকেন। অর্থাৎ অপহৃত হবার কথা বলেন। কিন্তু পুলিশের অনেক অফিসার সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারা ‘বোঝানোর’ পর তার বাবা বলেন আসলে তিনি অপহৃত হননি। তিনি নিজেই পঞ্চগড় গেছেন। [৩]
পুলিশ অফিসাররা তাকে কী বোঝালেন এবং কীভাবে বোঝালেন? একজন খতীবকে বোঝাতে কয়জন পুলিশ অফিসার লাগে?
ঘ) খতীব বলেছিলেন তাকে মাইক্রোতে তোলা হয়েছে মাজুখান ব্রীজের পর। প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজ ব্রীজের আগের একটা ফিলিং স্টেশনের। এই ফুটেজ থেকে কিভাবে প্রমাণিত হয় যে ব্রীজ পার হবার পর উনাকে আসলেই অপহরণ করা হয়নি?

ঙ) এই ফুটেজ প্রথমে প্রকাশিত হল কিছু সোশ্যাল মিডিয়া আইডি থেকে। এই ফুটেজ তাদের কে দিল? যেসব আইডি থেকে এ ভিডিওগুলো এসেছে তাদের ব্যাপারে জনমনে শক্ত ধারনা আছে যে তারা রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন এজেন্সির সাথে জড়িত। সেই ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় এজেন্সি কেন ইচ্ছাকৃত ভাবে সোশ্যাল মিডিয়াতে ফুটেজ ‘লিক’ করাবে?
আবারও মনে করিয়ে দেই, এই ধরণের ‘লিকড’ অডিও মিডিয়ার কাছে প্রকাশ করা হাসিনার আমলে প্রশাসন এবং বাহিনীগুলোর বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি ছিল।
চ) খতীবকে পাওয়া গেছে অচেতন অবস্থায়, আংশিকভাবে উলঙ্গ, এবং পায়ে শেকল বাঁধা। যদি ঘটনাটি তিনি নিজে সাজিয়ে থাকেন—তাহলে শেকল কোথা থেকে পেলেন? কীভাবে নিজেই নিজেকে শেকল পরালেন?
ছ) বলা হচ্ছে খতীব সাহেব মানসিকভাবে অসুস্থ। তিনি বলেছেন তার মাথার মধ্যে কেউ কথা বলে। মাথার মধ্যে কেউ কথা বলা এমন মনে হওয়া সিভিয়ার স্কিৎযোফ্রেনিয়ার লক্ষণ।
যদি আসলেই তার এমন সমস্যা থেকে থাকে, তাহলে নিশ্চয় ঐদিনের আগেও এমন এপিসোড হবার কথা। এরকম কোন লক্ষণ কি আগে কেউ দেখেছে? এই ভদ্রলোক এতোদিন নামায পড়ালেন কিভাবে? কোন ক্লিনিকাল ডায়াগনসিস কি হয়েছে?
এর আগে খতীব সাহেবের অন্যান্য ভিডিও, কিংবা মিছিলে তার বক্তব্য—কোথাও থাকে স্কিৎযোফ্রেনিক বা এ জাতীয় কিছু মনে হয়নি। উনি কি ডিসেসোশিয়েটিভ পারসোনালিটি ডিসঅর্ডারেও ভুগছেন? এক মানুষের মধ্যে অনেক ধরণের পারসোনালিটি? নাকি ঐ ভিডিও বক্তব্য জোর করে আদায় করা?
জ) খতীব সাহেবের নতুন বক্তব্যের একটা অংশ কৌট করছি—
“একপর্যায়ে আমি দেখি যে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ লাইনস এগুলো হেঁটে পার হয়ে গেছি। পার হয়ে গিয়ে আমি একটা শিকল কুড়িয়ে পাইলাম। ওইটা নিয়ে আমি এক যায়গায় প্রস্রাব করতে বসলাম। প্রস্রাব করলাম আর পায়জামায় প্রস্রাব লাগল, এর পরে জামায়ও লাগল। জামা খুইলা ফালাইলাম, পায়জামাও খুললাম। কিন্তু খোলার পরে আবার পরতে হবে এই জিনিসটা আমি আর পারি নাই ঠাণ্ডায়। ঠাণ্ডায় ওইখানে শুইয়া পড়লাম আর পায়ে শিকল দিলাম। এইটা কেন করতেছি এইটার কোনো চিন্তাভাবনা আমার নাই, খালি যা মাথায় আসতেছে তা করতেছি।“[৪]
আপনারা বিচার করুন, এটা কতোটা স্বাভাবিক এবং বিশ্বাসযোগ্য:
ঝ) বাংলাদেশ পুলিশ অতীতে একাধিকবার নাটকীয় দাবি করেছে—পরে সেগুলো মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।
এক ঘটনায় বলা হয়েছিল একজন ছেলে তার মাকে হত্যা করে ফ্রিজে রেখেছে—পরে প্রমাণিত হয় সে নির্দোষ। আরেক ঘটনায় বলা হয়েছিল একটি মেয়েকে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়েছে—পরে সেই মেয়েকেই জীবিত পাওয়া যায়। [৫]
দুইদিন আগে খেলনা বন্দুক নিয়ে মিছিল করায়, একজন লোককে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশ ফাঁড়িতে বোমাহামলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের হত্যার হুমকি দেয়া এলজি টিভি অ্যাকটিভিস্টকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়নি।
এসব ইতিহাস পুলিশের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
এই ঘটনায় সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক তদন্তের উদ্দেশ্য সত্য উদঘাটন না, বরং একটা নির্দিষ্ট বয়ান প্রতিষ্ঠা করা। হাসিনা আমলে প্রশাসন এবং বিভিন্ন এজেন্সি যেসব কূটকৌশল ব্যবহার করতো, ঠিক সেগুলো ব্যবহার হচ্ছে এখানেও।
কাস্টডিতে বক্তব্য বদলানো, ভিডিও রেকর্ড করে মিডিয়াতে ছড়িয়ে দেওয়া, সোশ্যাল মিডিয়াতে “লিকড” ফুটেজ ছড়ানো—সব সাই-অপের বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশের মানুষ এগুলোর সাথে খুব পরিচিত।
কিন্তু আবারও মিডিয়া, মানবাধিকার কর্মী, ছাত্রনেতা, রাজনৈতিক মহল—প্রশ্ন তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। সারা বছর সংস্কার, মুক্তি, আর অধিকারের কথা বললেও, বাস্তবে রাষ্ট্র একই স্ক্রিপ্টে চলছে—আর সংস্কার আর বিপ্লবের ফেরিওয়ালারাও চুপ করে তা মেনে নিচ্ছে।
রাষ্ট্র যখন সত্যের বদলে বয়ান ম্যানুফ্যাকচার করতে শুরু করে, তখন আইনব্যবস্থা কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। মাওলানা নিয়াজীর ঘটনায় বাস্তবতা যা-ই হোক, আমরা যদি এমন গল্প প্রশ্নহীনভাবে গ্রহণ করি, তবে আগামীদিনে কোনো নাগরিকই নিরাপদ থাকবে না।

24/10/2025

ইসলামী গণতান্ত্রিক সব গুলো দল মহা ধোঁকার মধ্যে নিমজ্জিত।
বিশাল বিশাল কর্মীবাহিনী ইসলামের চাইতে দলের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে বেশি৷
দল/উপদল তৈরী করা অনেক বড় জাহেলিয়াত৷
এই জাহেলিয়াত মানুষ কে অন্ধ করে দেয়৷

02/07/2025

মুখে Gহাদ,শরীয়াH, খি*লাফাH বললেই মুরীদ হইয়া যাইয়েন না!

আজকের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ফিতনা কী জানেন?
👉 ইসলামি পরিভাষার পবিত্রতা ব্যবহার করে মানুষের ঈমান হাইজ্যাক করা।

আজকাল অনেক মানুষ আছেন, যারা মুখে শরী-য়াহ কায়েম, Gহাদ, খিলাফাH , ইস★লামী রাষ্ট্র এসব কথা বলে।
তাদের কণ্ঠে এমন মধুর ইসলামি স্লোগান থাকে, শুনলেই অনেকে আবেগে ভেসে যান।

কেউ কেউ তো এমনও করেন, তারা কথা বললেই অনুগামীরা বলে আল্লাহর এক বাঘ,🤣 “উম্মাহর রাহবার, নববী পথের সিপাহসালার👀 জিন্দা শাহ জালাল,যুগের উমর,আবু বকর আর কত কি!!!

আসলে এসব কি, আপনি ভেবেছেন? এটাই কি নবীর মানহাজ? না কি এটাই ব্যক্তিপূজার এক সূক্ষ্ম ফাঁদ?

একটাই কথা,

কারো মুখে Gহাদ শুনে পাগল হইয়া যাইয়েন না!
কারো মুখে শরীয়াH কায়েম শুনে তার পূজা শুরু কইরেন না!

প্রথমে জানুন, তার আকীদা কী? তার মানহাজ কী? সে কাদের সাথে বসে, কাদের গালি দেয়, কাদের বন্ধুত্বে গর্ব করে?সে কোন পদ্ধতিতে ইসলাম কায়েম করতে চায়?

মুখোশ উন্মোচন,
ইসলামের নামে গু-তন্ত্রের দাওয়াত!

অনেকেই আজ Gহাদ বলছে, শরীয়াহ কায়েম বলছে কিন্তু আসলে তাদের প্ল্যান কী?

তারা চায় গু-তন্ত্রের মাধ্যমে ইসলাম কায়েম করতে চায়,
মানে কী? তারা কুফরি ব্যবস্থার ভেতর থেকে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায়!

এটা এমন এক ধোঁকা, যেটা হয়তো শয়তান নিজেও লজ্জায় পড়ে যায়!🤣

তারা বলে →ভোট দাও ইসলামের জন্য।
তারা বলে → সংসদে গিয়ে শরীয়াহ কায়েম করব।
তারা বলে → আপাতত আপস করো, পরে ইসলাম আনবো। নইলে আব্বু মাইন্ড করবে!

ভাই শোন
ইসলাম কি কোনো হ্যারিকেন যে ভোটে জিতলে জ্বলে উঠবে আর হেরে গেলে নিভে যাবে??????
ইসলাম কিসের নাম? সংখ্যার না হকের? ভোটের না ওহির??????

নবী (সঃ)কি গু-তন্ত্রে ইসলাম কায়েম করছেন?

রাসূল (সঃ) কি মুshরিকদের সাথে ক্ষমতার ভাগাভাগিতে গেছেন?
তিনি কুফরি আইনের মাধ্যমে শরীয়াহ চালু করেছেন?
নাকি তিনি জনপ্রিয়তা বা ভোটের জন্য দীনকে বিক্রি করেছেন???

বরং তিনি মক্কার শক্ত কা*/ফেরদের মুখের উপর তাOহীদের আওয়াজ তুলেছেন।
তিনি সাহাবিদের এমনভাবে গড়েছেন যারা পৃথিবীর সব তা/গুতি শক্তিকে চূর্ণ করে দিয়েছেন।
ইসলাম কায়েম করেছেন নুসরাহ ও হিজ-!রত-এর মাধ্যমে, Kitaল-Gহাদের মাধ্যমে।

আজ যারা এই পথ বাদ দিয়ে জনপ্রিয়তা, পলিটিক্স, বা দুনিয়াবি শক্তির মাধ্যমে ইসলাম আনতে চায় তারা হকপন্থী না, তারা ভ্রান্ত পথের দাওয়াতদার।

তাদের কথায় বিভ্রান্ত হবেন না।

কেউ যদি Gহাদ বলতে বলতে গু-তন্ত্রে অংশ নেয় সে মুনাফেকি করছে। কেও যদি বলে আমরা নির্বাচন করি না Gহাদ করি সেO মুনাফিক🤫
কেউ যদি খিলাফাH বলেই জাতীয়তাবাদের পতাকা ওড়ায় সে ধোঁকাবাজ,চিটার,বাটপার এবং প্রতারক। (যদিও মুলনিতীতে ফেলতে পারতাম)
কেউ যদি তাওহীদ বলে অথচ তাগুতের সাথে আপস করে সে বিশ্বাসঘাতক।🤫

প্রিয়ভাই
বুঝেন , চোখ খুলেন,আল্লাহর দেওয়া ব্রেন্টাকে কাজে লাগান!

ব্যক্তিপূজা ছেড়ে দিন,সেলিব্রিটি ইসলাম থেকে বের হয়ে আসুন।
মুখের বুলি না, মানহাজ দেখুন!
শুধু আবেগ না, আকীদা যাচাই করুন!

👉 কেউ যদি আল্লাহর নামে মানুষকে ভুল পথে নেয়, তার চেয়ে ভয়ঙ্কর দুশমন আর কেউ নেই!

আজ উম্মাহর মঞ্চে অনেক বক্তা, নেতা, দাঈ মুখে ইসলাম বলে, কিন্তু তারা ইসলামকে লোক দেখানো আবরণে পরিণত করেছে।
তারা আল্লাহর দীনকে গু-তন্ত্রের মঞ্চে নিয়ে গেছে, ভোটের ঝাণ্ডা হাতে তুলেছে।

এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো, মুখোশ টেনে ফেলে দেওয়া, তাওহীদের জ্ঞান রাখা যুবকদের, ভাইদের আলেমদের ঈমানের দাবি।

তাই বলছি:
মুখে Gহাদ বললেই সে হকপন্থী না,
মুখে শরীয়াH বললেই সে খিলাফাহর সৈনিক না।

প্রমাণ দিতে হবে,আকীদা দিয়ে, মানহাজ দিয়ে, বাস্তব কুরবানির মাধ্যমে।
তবেই সে হকপন্থী। তবেই সে বিশ্বাসযোগ্য!

লেখা গুলি যে ভাবে পারেন ছড়িয়ে দিবেন!

29/06/2025

একজন লিখেছে, “কোন ইসলামী দল যদি গণতন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে, তবে তার প্রথম উচিত হবে গণতন্ত্রকে অকার্যকর করে ফেলা”

ভাই এই কাজ কী এত সোজা ?
আজ থেকে দুই যুগ আগে ইসলামী দলের শীর্ষ নেতা শিল্পমন্ত্রী হয়ে
মদের ১০০% শুল্ক মাফ করে দিয়েছিলো।
আবার কোন ইসলামী দল ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই,
অখণ্ড ভারত বিশ্বাসী উগ্রহিন্দুত্ববাদীদের সাথে মিলে যায়।
সম্মেলনে স্টেজে পাশে বসায়। তাদের মূর্তি পাহারা দেয়।

আসলে গণতন্ত্র এমন এক এক সেকুল্যার সিস্টেম,
এই সিস্টেমে অংশগ্রহণকারীকে প্রতিক্ষেত্রে সেক্যুলারিজমের কাছে নাকে খত দিয়ে আসতে হয়, মানে সে সেক্যুলারিজম নামক ধর্মে ঈমান আনায়ন করবে এবং বিন্দুমাত্র সেই ধর্ম থেচে চ্যূত হবে না। যদি একবিন্দু এদিক-ওদিক চলে যায়, তবে সিস্টেমই তাকে ছুড়ে ফেলবে।
তাই যারা বলছে- ইসলামী রাজনীতিবিদরা গনতন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে গণতন্ত্র ধ্বংস করবে, তারা আসলে গণতন্ত্র কী সেটাই জানে না।

আসলে মুসলমানদের মূল শ ত্রু গণতন্ত্র না, মূল শত্রু হচ্ছে রাষ্ট্র ব্যবস্থা।
যেই রাষ্ট্র ব্যবস্থা খিলাফত ব্যবস্থা ধ্বং স করে তৈরী করা হয়েছিলো।
সেই রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিচালনার একটা পদ্ধতি হচ্ছে গণতন্ত্র।

যারা রাষ্ট্র ব্যবস্থা তৈরী করেছে, তারা সেটার কল-কব্জা, অলি-গলি সবচেয়ে ভালো বুঝে।
তারা চায়, সবাই সেই ব্যবস্থা মেনে আসুক। যেহেতু তারা বিষয়টি ভালো বুঝে,
তাই কেউ তাদের সাথে পারবে না। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে তারা সবাইকে ব্যবহার করবে,
কিন্তু কেউ তাদের ব্যবহার করতে পারবে না।

কিন্তু আমাদের দেশের গণতান্ত্রিক ইসলামী দলগুলো মনে করে তারা রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে ব্যবহার করবে।
কিন্তু বাস্তবে তারা তো সেটা বুঝেই না, ফলে তারা সব সময় অন্যদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
এজন্য তারা ক্ষমতায় গিয়ে মদের শুল্ক কমায়, ক্ষমতায় যেতে মন্দির পাহারা দেয়।

এসকল ইসলামী দলের একটা ধারণ হচ্ছে- রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ক্ষমতা হচ্ছে চেয়ারের মধ্যে।
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ক্ষমতা চেয়ারে নাই।
রাষ্ট্র ব্যবস্থা হচ্ছে- সেপারেশন অব পাওয়ার।
ক্ষমতা অনেক যায়গায় ছড়িয়ে থাকে।
কিছু ক্ষমতা থাকে চেয়ারে, কিছু ক্ষমতা থাকে আমলাদের হাতে, কিছু ক্ষমতা থাকে সুশীল সমাজের হাতে, কিছু ক্ষমতা থাকে বিচার ব্যবস্থার হাতে, কিছু ক্ষমতা থাকে মিডিয়ার হাতে, কিছু ক্ষমতা থাকে বিভিন্ন ব্লকের পলিটিকাল এক্টরদের হাতে, কিছু ক্ষমতা থাকে জনগণের মবের হাতে, কিছু ক্ষমতা থাকে ব্যবসায়ীদের হাতে, কিছু ক্ষমতা থাকে পুলিশ-সেনাবাহিনীর হাতে, কিছু ক্ষমতা থাকে গোয়েন্দা বাহিনীর হাতে, কিছু ক্ষমতা থাকে বিদেশী দূতাবাসের হাতে, ডিপ স্টেট তৈরী করে অনেকে যায়গা মত ক্ষমতা নিয়ে বসে আছে, তাদের হাতেও ক্ষমতা থাকে, আরো এরকম বহু যায়গায় ক্ষমতা বণ্টন করা থাকে। যে যত বেশি ক্ষমতা সমন্বয় করে মাল্টি সেক্টরাল সিন্ডিকেট তৈরী করতে পারে, সে তত বেশি ক্ষমতার মালিক হবে।

একটা উদহরণ দেই, এমপিদের বলা হয়- রাষ্ট্রের আইন প্রণেতা। কিন্তু একজন এমপি কতটা নিজের মন মর্জি মত আইন প্রণয়ন করতে পারেন?

অপরদিকে এনজিওদের অবস্থা দেখেন। তারা নন স্টেট ফ্যাক্টর হওয়ার পরও তাদের দিক নির্দেশনা অনুসারে অনেক আইন প্রণয়ন হয়। তারা ক্ষমতার চেয়ারে বসা কেউ না, অথচ তাদের কথায় চেয়ারে বসা লোক আইন প্রণয়ন করছে। এটই হচ্ছে আসল ক্ষমতার ব্যবহার।

সুতরাং ইসলামী দলগুলো যে মনে করে, তারাই চেয়ার পেলেই ক্ষমতা পাবে, আর ক্ষমতা পেলেই ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে পারবে, এটা ফালতু ও সস্তা প্রচারণা।

আরেকটা জিনিস দেখেন, বর্তমানে রাষ্ট্র সংস্কারের নামে আলী রিয়াজ আরো বেশি ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করতে চাচ্ছে। মানে তারা সংস্কারের নাম দিয়ে এমন সংসদীয় পদ্ধতি আনবে, যে পদ্ধতিতে তাদের এনজিও ও বুদ্ধিজীবিদের হাতেও সরাসরি ক্ষমতা বণ্টন করা থাকবে। ফলে তারা সরকারী দলে না থেকেও সরাসরি আইন প্রণয়ণে ভূমিকা রাখবে, সরকার হবে তাদের হুকুমের কর্মচারি কেবল। অথচ দেখেন, ইসলামী দলগুলো আলী রিয়াজের ষড়যন্ত্র বুঝেই না। মূর্খের মত তাদের সংষ্কার প্রস্তাবে সমর্থন করে যাচেছ। ইসলামী দলগুলোই সংস্কার প্রস্তাবের প্রচার করছে।

তাই সে সব ইসলামী দল এত সস্তায় এনজিওদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়,
তারা ক্ষমতায় গেলে গণতন্ত্র বা রাষ্ট্র ব্যবস্থা ভেঙ্গে ফেলবে,
এটা আমি কখনই বিশ্বাস করবো না।
©

16/05/2025
18/03/2025

এই দেশে দেশদ্রো'হী উপজাতি স'ন্ত্রাসীরা গ্রেফতার হয় না।
অখণ্ড ভাড়তের লক্ষ্যে কাজ করা ইস'কন গ্রেফতার হয় না৷
হাজারো ছাত্রজনতার খু'নী আলীগের নেতারা ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নিয়ে সেইফ এক্সিট পায়৷

এই দেশের প্রশাসন গ্রেফতার করলো ঐ সব মু'জা'হিদদের৷ যারা বার্মিজ গণহ'ত্যাকারীদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে৷

ওয়াল্লিহি আমরা যদি আরাকান মু'জা'হিদদের পাশে না দাঁড়াই। আমাদের মৃত্যু হবে নিফাকীর মৃত্যু।

13/03/2025

জান্নাতে কোন ধর্ষক নাই। জান্নাতে আছিয়ার ঘুমে কেউ ব্যাঘাত ঘটাবে না। শুনেছি নির্যাতনের স্বীকার হয়ে মৃত্যুবরণ করলে সে শহীদের মর্যাদা পায়। সেই হিসেবে আমাদের বোন আছিয়া শহীদ। আর কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, শহীদকে তোমরা মৃত বলো না।

আছিয়া মারা যায়নি। দুনিয়ার জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে আল্লাহর জান্নাতে চলে গেছে।

মহান আল্লাহ তাআলা তাকে ভালো রাখুক। আর যারা এই দুনিয়াটা ওর জন্য জাহান্নাম বানাইয়া দিছিলো, তাদের দুনিয়াকে আর আখিরাত দুইটাই যেন জাহান্নাম হয়ে যায়।

"আমরা তো আল্লাহরই আর নিশ্চিতভাবে আমরা তাঁরই দিকে ফিরে যাব।" (২:১৫৬)

13/03/2025

সমন্বয়কদের রাজনৈতিক দল নাগরিক পার্টি।
মহফজ হল তথাকথিত মাস্টারমাইন্ড সমন্বয়ক।
এই সাতমাসে মফিজটা হুজুরদের নিয়ে বহু গ্যাদারিং মার্কা পোস্ট করেছে।
কখনো ২৪ এর অন্যতম অংশীদার হুজুরদের ডেভিল বলেছে,কখনো মবিং এর মতো মিথ্যা অযাচিত শব্দে ভূষিত করেছে।
কখনো বা আবার হাসিনার ভাষায় হু।মকি দিয়েছে, বাদ যায়নি তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা।
ফকির মিসকিনদের সাথে তুলনা করে শরিকানার মতো জুলাই মুভমেন্টের অংশীদার নিয়ে উপহাস করেছে।

হাসানাত সারজিস, আসিফ নাহিদরা কি মফিজের কোনো পোস্টের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে? নিন্দা করেছে?
মফিজ আলম যখন সরকারে থাকবে না তখন এই মফিজ কিন্তু নাগরিক পার্টির গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারটাই দখল করবে।
দেশের বৃহৎ ধর্মীয় একটা গুষ্ঠিকে প্রতিনিয়ত বিষোদগার করা, হু*মকি তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা, যারা ১৫ বছর হাসিনার যুলুমের স্বীকার। তাদেরকে বিরোধী বানিয়ে, নিজেদের মধ্যে আর হুজুরদের মধ্যে দুরত্ব তৈরি করেছে।
এতোকিছু পরও এই সমন্বয়করা কোনো প্রতিবাদ করেনি।
গতকাল সেই শাহবাগী বে****শাদের প্রতিহত করা পুলিশ সদস্যের বিচার করবে নাকি মফিজ আলুম।

তাহলে ধরে নিতে হবে, আগামীতে এই মফিজ আলম হাসানুল হক্ব ইনু রাশেদ খান মেনন স্কন নওফেল হবে, আর হাসানাত সারজিসরা আসাদুজ্জামান খান কামালের ভূমিকা নিয়ে খাজা বাবা যাত্রবাড়ির পীরের ভূমিকা পালন করে আলিমদের কন্ট্রোল করার চেষ্টা করবে।
রিফাত রশীদ,মাহিন, ভুস্কিরা শাহবাগ ২.০ কে কন্ট্রোল করবে৷

এদের দলে হরেক রকম ফেরিওয়ালা আর তেল বেচা কুলুর দেখা মিলে।
মফিজের শাহবাগী চরিত্র, রিফাত রশীদের ভ্যারাইটিজ সফট শাহবাগী সুশীল চরিত্র, হাসানাত সারজিসের কপালে সেজদার দাগ নিয়ে পীর কুতুবের চরিত্র । আসিফ & নাহিদ বোবা শয়তান।

আরো আছে গেটের চরিত্রের মুন্তাসির, আর মাহিন কে বলবো?

শাহবাগী ভুস্কি, শাহবাগী উমামা, ব্রিটিশদের দা*লাল তাসনিম জারা।

মানে পুরাই একটা জগাখিচুড়ি ।
কিন্তু সবার মূল এজেন্ডা হল পশ্চিমাদের নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডারকে বাস্তবায়ন করা।

Address

Fulbaria
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ফিদায়ী হামলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ফিদায়ী হামলা:

Share