18/09/2026
কোরআনের দৃষ্টিতে আইন ও সংবিধানের স্থান
সংবিধান মানে হলো 'সর্বোচ্চ আইনি কাঠামো' (Supreme Law), যা রাষ্ট্রের মূলনীতি নির্ধারণ করে! কোরআন হলো চিরন্তন শাশ্বত মূলনীতি, আর যুগের প্রয়োজনে প্রশাসনিক আইন প্রণয়ন করাকে ইসলামে 'ইজতিহাদ' বলা হয়। কোরআনকে সংবিধান না মানার অর্থ হলো সার্বভৌমেত্ব আল্লাহর জায়গায় মানুষকে দেওয়া। যে স্রষ্টা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর চেয়ে ভালো সংবিধান আর কেউ দিতে পারে না! অতএব মন্ত্রী হল কোরআন মোতাবেক কা/ফে+র! কারন সে সৃষ্টিকর্তার সাথে টক্কর দিচ্ছে পড়াশোনা কম তো বুঝে কম - কোরআনকে সংবিধান হিসাবে মানা উচিৎ হবেনা না মানার অর্থই হল চাঁদাবাজি করা যাবেনা!
ইসলামী আকীদা অনুযায়ী কোরআন হলো মানবজাতির জন্য চূড়ান্ত হেদায়েত ও মূল জীবনবিধান।
আল্লাহর বিধানই চূড়ান্ত: "যে বিষয়েই তোমরা মতভেদ করো না কেন, তার ফয়সালা আল্লাহর নিকট।" (সূরা আশ-শূরা: ১০) "
আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী যারা ফয়সালা করে না, তারাই কাফির/জালেম/ফাসিক।" (সূরা আল-মায়েদা: ৪৪-৪৭)ইসলামী ফিকহ অনুযায়ী, রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কোরআন ও সুন্নাহর মূলনীতি অপরিবর্তনীয়। তবে কোরআনের আদেশের পরিপন্থী না হয়ে যুগের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসনিক আইন বা ধারা প্রণয়ন ও সংশোধন করা (ইজতিহাদ ও শূরা) অনুমোদিত!!..
আইন পরিবর্তন করতে হয় বলেই কোরআন সংবিধান হতে পারবে না
—এই যুক্তিটাই মৌলিকভাবে চড়ম মারাত্মক ভুল কুফরে আকবর
যেকোনো রাষ্ট্রের সংবিধানে মূলনীতি কখনো পরিবর্তন হয় না!! কোরআন রাষ্ট্রের সেই মূলনীতি নির্ধারণ করে দেয়!!
মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী আইনি প্রয়োগে যে নমনীয়তা দরকার, ইসলাম তা ১৪০০ বছর আগেই 'ইজতিহাদ' (আইনবিদদের গবেষণা) ও 'শূরা' (পরামর্শ সভা/পার্লামেন্ট)-এর মাধ্যমে অনুমোদন দিয়েছে।
মানবরচিত সংবিধান সময়ের সাথে ভুল প্রমাণিত হয় বলেই ঘন ঘন পরিবর্তন করতে হয়। কিন্তু মহান আল্লাহর দেওয়া বিধান বিশ্ববাসীর জন্য সার্বজনীন ও চিরন্তন!
আল্লাহর আইনকে পরিবর্তনশীল মানুষের আইনের নিচে স্থান দেওয়া স্পষ্টত দ্বীনি নীতিমালার পরিপন্থী ও কুফরি!!