আবুপুর ইসলামিক পাঠাগার।

আবুপুর ইসলামিক পাঠাগার। Religious Organisations... Islamic organisation Online Media

তাহাজ্জুদ নামাজের পরিচয়, এর সঠিক সময়, আদায়ের পদ্ধতি ও রাকাতসংখ্যা:▬▬▬▬▬▬▬▬✿▬▬▬▬▬▬▬❑ তাহাজ্জুদ নামাজের পরিচয়:‘তাহাজ্জুদ’ ...
14/08/2022

তাহাজ্জুদ নামাজের পরিচয়,
এর সঠিক সময়,
আদায়ের পদ্ধতি ও রাকাতসংখ্যা:
▬▬▬▬▬▬▬▬✿▬▬▬▬▬▬▬

❑ তাহাজ্জুদ নামাজের পরিচয়:
‘তাহাজ্জুদ’ শব্দটি আরবি। এর অর্থ হলো: রাত্রিজাগরণ, ঘুম থেকে ওঠা, রাত্রিকালীন ইবাদত ইত্যাদি।

পরিভাষায়, তাহাজ্জুদ মূলত ওই নামাজকে বলা হয়, যা রাতের বেলায় ঘুম থেকে ওঠে আদায় করা হয়৷ ফায়দ্বুল বারিতে এসেছে, ‘ঘুম থেকে জাগার পর যদি নামাজ পড়ে, তখন তাকে তাহাজ্জুদ নামে নামকরণ করা হয়৷’ [কাশমিরি, ফায়দ্বুল বারি: ২/৪০৭]

ইমাম কুরতুবি (রাহ.)-ও একথা বলেছেন। অধিকাংশ আলিমের বক্তব্য এটিই। তাছাড়া দলিলের আলোকে এই মতটিই অগ্রগণ্য।

এর বাইরে কোনো কোনো আলিম বলেছেন, মধ্য রাতের পর যে নামাজ পড়া হয়, সেটি তাহাজ্জুদ। আবার কারও মতে, ইশার পরই তাহাজ্জুদ আদায় করা যায়।

তবে, অধিকতর সঠিক মত সেটিই, যা আমরা প্রথমে উল্লেখ করেছি। তা হলো, রাতের বেলা ঘুম থেকে ওঠে নামাজ পড়া। (এই প্রসঙ্গে অন্য পর্বে আরও আলোচনা আসবে, ইনশাআল্লাহ)

❑ তাহাজ্জুদ নামাজের সঠিক সময়:
তাহাজ্জুদ নামাজের সর্বোত্তম সময় হলো, শেষ রাত। বিশেষত রাতের অবশিষ্ট এক তৃতীয়াংশে তাহাজ্জুদ পড়া উত্তম।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আমাদের রব দুনিয়ার আসমানে অবতীর্ণ হন এবং বলেন ডাকার জন্য কেউ আছে কি, যার ডাক আমি শুনবো? চাওয়ার জন্য কেউ আছে কি, যাকে আমি দেব? গুনাহ থেকে মাফ চাওয়ার কেউ আছে কি, যার গুনাহ আমি মাফ করব?’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ১০৯৪; মুসলিম, আস-সহিহ ১৮০৮]
❑ তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের পদ্ধতি:
তাহাজ্জুদের নামাজের বিশেষ কোনো নিয়ম নেই। সাধারণ সুন্নাত বা নফল নামাজের মতই এই নামাজ পড়তে হয়। তবে, চাইলে এটি দুই রাকাত করেও আদায় করা যায় আবার চার রাকাত করেও আদায় করা যায়। চার রাকাত করে আদায় করলে, যোহরের ফরজের পূর্বের চার রাকাত সুন্নাতের মতো করে পড়তে হয়। বিশেষ কোনো সূরা দিয়ে এই নামাজ পড়তে হয় না। এটি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ।
❑ তাহাজ্জুদ নামাজের রাকাতসংখ্যা:
তাহাজ্জুদের নামাজ সর্বনিম্ন ২ রাকাত থেকে শুরু করে ৪, ৬, ৮, ১০ রাকাতও পড়া যায়। এটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত। [আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৩৫৭ ও ১৩৬২; আহমাদ, আল-মুসনাদ: ২৫১৫৯]
তবে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাধারণ আমল ছিলো, তিনি অধিকাংশ সময় রাতে ৮ রাকাত তাহাজ্জুদের নামাজ পড়তেন। [বুখারি, আস-সহিহ: ১১৪৭]

তাহ

⧉ একটু লজ্জায় সারাজীবনের ইবাদত বরবাদ হতে পারে!–(গোসল ফরজ হলে প্রযোজ্য) 🖤➤ গোসলের ফরজ তিনটি : ◉ ১. গড়গড়াসহ কুলি করা, যাতে...
14/08/2022

⧉ একটু লজ্জায় সারাজীবনের ইবাদত বরবাদ হতে পারে!–(গোসল ফরজ হলে প্রযোজ্য) 🖤

➤ গোসলের ফরজ তিনটি :

◉ ১. গড়গড়াসহ কুলি করা, যাতে পানি গলার হাড় পর্যন্ত পৌছে যায়।
◉ ২. হাতে পানি নিয়ে নাকের নরম হাড় পর্যন্ত পানি পৌঁছানো।
◉ ৩. সমস্ত শরীর উত্তমরুপে ধৌত করা।

➤ ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম :

গোসলের নিয়ত করা, ‘বিসমিল্লাহ’ বলে গোসল শুরু করা। দুই হাত কবজি পর্যন্ত ধোওয়া (বুখারী–২৪৮)। পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান পরিষ্কার করা (বুখারী–২৫৭)। বাম হাতটি ভালভাবে ঘষে ধুয়ে নেওয়া (বুখারী–২৬৬)। নামাজের ওজুর মতো ভালভাবে পূর্ণরূপে ওজু করা। এক্ষেত্রে শুধু পা দুটো বাকি রাখলেও চলবে, যা গোসলের শেষে ধুয়ে ফেলতে হবে। (বুখারী–২৫৭, ২৫৯, ২৬৫)।
মাথায় পানি ঢেলে চুলের গোড়া ভালভাবে আঙ্গুল দিয়ে ভিজানো। (বুখারী–২৫৮)।🖤.
পুরো শরীরে পানি ঢালা; প্রথমে ডানে ৩বার,
পরে বামে ৩বার, শেষে মাথার উপর ৩ বার। (বুখারী–১৬৮)। (যেন শরীরের কোন অংশ বা কোন লোমও শুকনো না থাকে।পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল এবং মহিলাদের চুল ভালোভাবে ভিজতে হবে। নাভি, বগল ও অন্যান্য কুঁচকানো জায়গায় অবশ্যই পানি ঢালতে হবে)। গোসলের জায়গা থেকে একটু সরে গিয়ে দুই পা ধোওয়া।(বুখারী–২৫৭)।
➤ এটাই হচ্ছে গোসলের পরিপূর্ণ পদ্ধতি। উল্লেখ্য, এইভাবে গোসল করলে এর পরে নামায পড়তে চাইলে আলাদা করে ওযু করতে হবেনা, যদি না গোসল করার সময় ওযু ভাঙার কোনো কারণ ঘটে থাকে।
➤ গোসলের পরে কাপড় চেঞ্জ করলে বা হাঁটুর উপরে কাপড় উঠে গেলে ওযু ভাংবেনা, এটা ওযু ভংগের কারণ না।

➤ আল্লাহ আমাদের সঠিকভাবে ফরয গোসল করার ও এ জ্ঞান সকলের কাছে পৌছে দেয়ার তওফিক দান করুন। আমিন।
জাযাকুমুল্লাহ খায়ের।

দৃষ্টির হেফাজত করতে না পারলে আপনি কখনোই ইবাদতের স্বাদ উপলব্ধি করতে পারবেন না। অন্তরে প্রশান্তি পাবেন না। সাংসারিক জীবনে ...
06/08/2022

দৃষ্টির হেফাজত করতে না পারলে আপনি কখনোই ইবাদতের স্বাদ উপলব্ধি করতে পারবেন না। অন্তরে প্রশান্তি পাবেন না। সাংসারিক জীবনে পরিতৃপ্ত হতে পারবেন না।

হাদিসে কুদসিতে এসেছে, আল্লাহ তায়ালা বলেন—‘কুদৃষ্টি হলো শয়তানের বিষাক্ত তীর৷ যে আমার ভয়ে তা বর্জন করে, আমি তার ঈমানকে পরিবর্তন করে দিই, যাতে সে তার অন্তরে ঈমানের স্বাদ উপলব্ধি করতে পারে।’ [আত-তারগিব : ১১৯৪]

যদিও এই জাহিলি সমাজে দৃষ্টির হেফাজত খুব কঠিন, কিন্তু আমাদের নিয়মিত চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া উচিত। চেষ্টা করুন, একেবারে সফল না হলেও ব্যর্থ হবেন না ইনশাআল্লাহ।

তাবলীগ জামাতে গিয়ে কি হয়??তাবলীগে গিয়ে আলেম হওয়া যায় না ঠিক। কিন্তুু তাবলীগে গেলে যে সমস্ত ফায়দা হয় তার কিছু অংশ নিচ...
05/08/2022

তাবলীগ জামাতে গিয়ে কি হয়??
তাবলীগে গিয়ে আলেম হওয়া যায় না ঠিক। কিন্তুু তাবলীগে গেলে যে সমস্ত ফায়দা হয় তার কিছু অংশ নিচে দেওয়া হলো:
১. আমাদের ঈমান বাড়ে।
২. আমলের উন্নতি ঘটে।
৩. নামাজ-কালামে মনোযোগী হওয়া যায়।
৪. ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত, নফল সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
৫. ব্যক্তিগত জীবনে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব বাড়ে।
৬. মসজিদের পরিবেশ মনকে পবিত্র রাখে।
৭. গোনাহকে পরিহার করা সহজ হয়।
৮. দুনিয়ার জীবনের পরিশুদ্ধি লাভ হয়।
৯. আখেরাতের জীবনের কথা মনে বসে।
১০. আল্লাহর ওয়াদার একীন পয়দা হয়।
১১. আল্লাহর আযাবের ভয় পয়দা হয়।
১২. খাটি মুসলমান হিসেবে চলা সহজ হয়।
১৩. সত্যবাদীতার উপর চলার অভ্যাস হয়।
১৪. মিথ্যাবাদীতা থেকে পরহেজ থাকা সহজ হয়।
১৫. অহেতুক কাজ-কর্ম থেকে বেচে থাকা সহজ হয়।
১৬. পরনিন্দা, গীবত, শেকায়েত সম্পর্কে জানা যায় এবং বেচে থাকা সহজ হয়।
১৭. এলেম শেখার অভ্যাস পয়দা হয়।
১৮. আল্লাহর জিকিরের অভ্যাস পয়দা হয়।
১৯. মুসলমান ভাইদের প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধা, ভালবাসা সৃষ্টি হয়।
২০. মুসলিম নারীদের প্রতি সম্মান-শ্রদ্ধা বেড়ে যায়।
২১. মুমিন মুসলিমদের প্রতি মহব্বত পয়দা হয়।
২২. আমাদের ছোটদের প্রতি স্নেহ-মমতা বেড়ে যায়।
২৩. আলেম-ওলামাদের প্রতি সম্মান শ্রদ্ধা বেড়ে যায়।
২৪. কর্মজীবনে হালাল ভাবে চলার মনবাসনা তৈরী হয়।
২৫. কাজে ফাকি-অবহেলা চুরি ইত্যাদি থেকে নিজকে রক্ষা করা সহজ হয়।।
২৬. দায়িত্ব-কর্তব্যনিষ্ঠ জীবনের পয়দা হয়।
২৭. আমাদের জীবন পরিবর্তন হয়
আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনত করার তৌফিক দান করুক আমীন।

⭕ বেনামাজীর শাস্তিঃনামাজ ত্যাগ করলে, নিয়মিত আদায় না করলে তার উপর ১৫টি আজাব নাজিল হবে...★ দুনিয়াতে ৬টি,★ মৃত্যুর সময় ৩টি,...
04/08/2022

⭕ বেনামাজীর শাস্তিঃ

নামাজ ত্যাগ করলে, নিয়মিত আদায় না করলে তার উপর ১৫টি আজাব নাজিল হবে...
★ দুনিয়াতে ৬টি,
★ মৃত্যুর সময় ৩টি,
★ কবরের মধ্যে ৩টি,
★ হাশরের মাঠে ৩টি।

★★★
দুনিয়াতে ৬টি আজাব হলো-
(১) বেনামাজীর হায়াত কমে যাবে।
(২) বেনামাজীর জীবনে বরকত হবে না।
(৩) বেনামাজীর চেহারার সৌন্দর্য্য থাকবে না।
(৪) বেনামাজীর কোন দোয়া কবুল হবে না।
(৫) বেনামাজীর সব নেকী বরবাদ হবে।
(৬) বেনামাজীর নিকট হতে সব রহমতের ফেরেশতা চলে যাবে এবং এক সময় ইসলাম হতে খারিজ হয়ে যাবে।

★★★
মৃত্যুর সময় ৩টি আজাব হলোঃ
(১) বেনামাজীকে মৃত্যুর সময় অপমানিত, লাঞ্ছিত ও শিদ্দাত (অতিকষ্ট) দিয়ে জান বের করা হবে।
(২) বেনামাজী ক্ষুধার্ত অবস্থায় মৃত্যু বরণ করবে।
(৩) বেনামাজী পিপাসার্ত অবস্থায় মৃত্যু বরণ করবে।

★★★
কবরের মধ্যে ৩টি আজাব হলোঃ
(১) বেনামাজীর কবর চেপে আসতে থাকবে এবং তাকে পিষতে থাকবে। এতে তার এক পাজরের হাঁড় আরেক পাজরের হাড়েঁর সাথে মিশে যাবে।
(২) বেনামাজীর কবরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলবে।
(৩) বেনামাজীর কবরে বিরাট বিরাট সাপ এসে ভরে যাবে এবং এক ফেরেশতা এসে জোরে জোরে গুর্জ মারতে থাকবে।

★★★
হাশরের মাঠে তিনটি আজাব হলোঃ
(১) বেনামাজীকে আল্লাহ পাক গজবের সাথে ডাকবেন এবং বিরাট এক সাপ এসে তার খোঁজ করতে থাকবে।
(২) বেনামাজীর ত্রিশ হাজার বছরের পুলসিরাতের রাস্তা হিরার চেয়ে ধারালো, চুলের চেয়ে চিকন, অমাবস্যার রাত্রের চেয়ে অন্ধকার হবে। বেনামাজী যখন সেই পুলের উপরে পা রাখবে সংগে সংগে পা কেটে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে।
(৩) আল্লাহ বেনামাজীর জন্য “ওয়াইল” নামক দোযখ ঠিক করে রেখেছেন।

★★★
আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথ প্রদর্শন করুন।
নামায পড়তে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে।
আসুন, আমরা সকলেই পাঁচ ওয়াক্ত নামায সময় মতো পড়ার চেষ্টা করি।
আমিন।।।
🤲🤲🤲

ইস্তেগফারের ফজিলত:১.গুনাহ মাফ হয়ে যায়।২. এর মাধ্যমে বালা-মুসিবত দূর হয়। ৩. রিজিক প্রশস্ত হয়। ৪. পরিবারে শান্তি আসে। ৫. শ...
04/08/2022

ইস্তেগফারের ফজিলত:
১.গুনাহ মাফ হয়ে যায়।
২. এর মাধ্যমে বালা-মুসিবত দূর হয়।
৩. রিজিক প্রশস্ত হয়।
৪. পরিবারে শান্তি আসে।
৫. শরীরে ঈমানি শক্তি বৃদ্ধি পায়।
৬. হৃদয় স্বচ্ছ ও নির্মল হয়।
৭. আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হয়।
৮. চিন্তা-পেরেশানি দূর হয়।
৯.রহমতের বৃষ্টি বর্ষিত হয়।
১০.সুসন্তান লাভ হয়।
১১.নদী-নালা প্রবাহিত হয়
১২.সম্মানিতদের সম্মান বৃদ্ধি হয়।
১৩.আজাব-গজব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
১৪.মুস্তজাবুদ দাওয়ার গুন অর্জন হয়।(অর্থাৎ, ইস্তেগফার পাঠকারী এমন হয়ে যাবেন,যখন তিনি কোনো দোয়া করবেন আল্লাহ তায়ালা তা কবুল করবেন।
১৫.পরকালে জান্নাত লাভ হয়।
[সূরা হুদঃ৫২,সূরা আনফালঃ৩৩,সুনানে আবু দাউদ,সুনানে নাসাই,সূরা নূহঃ১০-১২,সূরা হুদঃ৩]

আল্লাহ আমাদের বেশী বেশী ইস্তেগফার করার তাওফিক দান করুক।
----------------------------------------(আমিন)

08/11/2021

Address

Feni
3902

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আবুপুর ইসলামিক পাঠাগার। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share