01/05/2026
"আজকে জামায়াতে ইসলামী সাদিক কায়েমকে ঢাকা দক্ষিণে প্রার্থী ঘোষণা করে জোটের মধ্যে নেগোসিয়েশনের পথ বন্ধ করে দিয়েছে" এরকম নানান টাইপের ফেসবুকীয় ন্যারেটিভ তৈরি হচ্ছে; এবং সবগুলো ন্যারেটিভ কিন্তু প্রো এনসিপিস্ট ও আসিফ কোরামের এনসিপি থেকে আসতেছে।
এখানে কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট করা দরকার। আসিফ মাহমুদ উপদেষ্টা থেকে পদত্যাগ করেছে জাতীয় নির্বাচন করার জন্য। স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে না গিয়ে এনসিপি থেকে নির্বাচন করতে আসছিল। এনসিপি বিএনপির কাছে কোন মূল্য না পেয়ে জামায়াতের কাছে এসেছিল। জামায়াত তাদেরকে ৩০টি আসন অফার করেছে। এবং তারা সহজেই একমত হয়েছে। কারণ বিএনপি যেখানে ৭-১০ আসন দিতে রাজি হচ্ছে, সেখানে জামায়াতে ইসলামী ৩০টা আসন দিচ্ছে। একই সাথে সংস্কারের বিষয়টা ছিল গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্ট।
কিন্তু জামায়াতে ইসলামী কোনভাবেই আসিফ মাহমুদকে আসন ছেড়ে দিতে রাজি হয়নি। অর্থাৎ জামায়াতে ইসলামী আসিফ মাহমুদকে জাতীয় নির্বাচন থেকেই অগ্রাহ্য করে আসতেছে। এবং জোটের মধ্যে যদি কোন ধরনের নেগোসিয়েশনের পথ বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা থাকতো, তবে জাতীয় নির্বাচনেই তা দেখা যেতো। কারণ, জামায়াত শুধু এখন আসিফ মাহমুদকে অগ্রাহ্য করেনি, তখনো করেছে। সো, এই ন্যারেটিভ তৈরি করে জাস্ট জোটের ভিতরে একটা নেগেটিভিই পুশ করা হচ্ছে।
আসিফ মাহমুদ প্রথম আলোর সাথে মিলে সাদিক কায়েমকে জুলাই থেকে মাইনাস করেছিল; এটা কেউ ভুলে যায়নি। আবার তার বিরুদ্ধে আলিশান দুর্নীতির অভিযোগগুলো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা জনগণের কাছে আসেনি। যা এসেছে, এগুলো গ্রহনযোগ্য না। কারণ, উপদেষ্টা থেকে পদত্যাগ করার পর নির্বাচনের ক্যাম্পেইনে কোটি টাকার বিলবোর্ড কী দিয়ে লাগিয়েছে? টিউশনির টাকা দিয়ে নাকি? আবার বিএনপি সরকারের দুদক কমিশনই বিরোধী দলের নেতাকে দুর্নীতি থেকে রেহাই দেওয়াটা ছেড়ে দেওয়ার মতো বিষয় না। কিন্তু তো আছেই।
যাইহোক, সাদিক কায়েমের কোয়ালিটির কাছে শুধুই সাদিক কায়েম। এনসিপির এমন কোন পলিটিশিয়ান এখনো তৈরি হয়নি সাদিকের রাজনীতির বিরুদ্ধে রাজনীতি দাঁড় করাবে। সাদিক কায়েম ডাকসুতে নিজের কোয়ালিটি প্রমাণিত করেছে। প্রমাণিত করেছে জুলাইয়ের গার্ডিয়ানের ভূমিকায়।
অন্যদিকে জুলাইয়ের মাধ্যমে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আহামরি জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কিছুই করতে পারেনি। জাস্ট ব্যর্থই বলা যায়। নিজেদের ইন্টারেস্টের জন্য জাতীয় নির্বাচনের আগে পদত্যাগ করে ইঞ্জিনিয়ারদের হাতে নির্বাচন তুলে দিয়ে এখন সিটিতে নিজেক