24/04/2026
☪️জুমার দিনে খতিবের খুতবার সময় নীরবতা ও মনোযোগের ফজিলত
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জুমার দিন যখন তুমি তোমার সঙ্গীকে বলো, চুপ করো, অথচ ইমাম খুতবা দিচ্ছেন, তখন তুমি অনর্থক বা অসার কথা বললে। জুমার দিনে খুতবা চলাকালীন কারো সাথে কথাবার্তা বলা হলে তার জুমার সওয়াব বা পূর্ণতা নষ্ট হয়ে যায়। অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি জুমার দিন উত্তমরূপে গোসল করল, এরপর মসজিদে এল এবং ইমামের খুতবা শেষ হওয়া পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে চুপচাপ শুনল এবং কোনো অসার কাজ করল না, তবে তার এই জুমার মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহসমূহ এবং অতিরিক্ত আরও তিন দিনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি কঙ্কর স্পর্শ করল বা অহেতুক নড়াচড়া করল, সে অনর্থক কাজ করল। খুতবার সময় চুপ থাকা ওয়াজিব এবং এটি জুমার আদব ও মর্যাদার অংশ। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেন, জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত আছে যখন মুমিন বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায়, আল্লাহ তা কবুল করেন। তাই খুতবার সময় ইমামের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং হৃদয়ে আল্লাহর ভয় রাখা একজন মুমিনের প্রধান দায়িত্ব। জুমার দিনের এই শিষ্টাচার ও মনোযোগের বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা বান্দার আমলনামায় বিশেষ রহমত ও মাগফেরাত লিখে দেন, যা সপ্তাহের অন্যান্য দিনের ইবাদতের চেয়েও অধিক ফজিলতপূর্ণ ও বরকতময় হিসেবে গণ্য হয়।
~(সহীহ মুসলিম, হাদিস নম্বর ৮৫১ ও ৮৫৭)