17/05/2025
পাঁচ জন মিলে বাসায় গাজার আসর বসিয়েছিল। তারমধ্যে তিনজন ছেলে আর দুইজন মেয়ে।
সবাই মিলে একটা ভাড়া বাসায় গাঁজা এবং অন্যান্য মাদকদ্রব্য খাচ্ছিল।
ওই তিনজন ছেলে এবং একটা মেয়ে পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক বাকি মেয়েটাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি গাঁজা খাওয়ায়।
এতে করে ওই মেয়েটা অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং ঘুমানোর কথা বলে।
তিনটা ছেলে এবং একজন মেয়ে তখন ক্রোর হাসি হাসে, বুঝতে পারে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল হতে যাচ্ছে।
অসুস্থ হয়ে যাওয়া মেয়েটা জানতে চায়
বিছানাটা কোনদিকে।
দুইটা ছেলে তখন মেয়েটাকে রুম দেখাতে নিয়ে যায়। তারপর মেয়েটা যখন বিছানায় বসে তখনই তাড়াহুড়ো করে ছেলেগুলো গিয়ে দরজাটা লাগিয়ে দেয়।
মেয়েটাকে বাঁধা দিতে চায় কিন্তু তাকে জোর করে অতিরিক্ত সেবনের করানোর কারণে কোন বাঁধা দিতে পারে না।
তারপর দরজা লাগিয়ে সবগুলো ছেলে মিলে তাকে পরপর কয়েকবার ধ*র্ষণ করে। বাইরে থেকে তখন বাকি মেয়েটা পাহারা দিচ্ছিল।
নিজ বান্ধবীকে রুমে ধ*র্ষণ করা হচ্ছে আর অন্য মেয়েটা দরজার সামনে বসে পাহারা দিচ্ছে যাতে কেউ আসলে সতর্ক করতে পারে।
যেই মেয়েটা বাইরে থেকে পাহারা দিচ্ছিল সে নারী সুরক্ষা আন্দোলনের নেত্রী মার্জিয়া প্রভা। আর ছেলেগুলো ছাত্রফ্রন্টের রায়হান আনসারি এবং সজিব তুষার।
আজকে "নারীর ডাকে মৈত্রী যাত্রা" আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া মেয়েটাই এই মার্জিয়া প্রভা। সে আজকে এসেছে নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে।
অথচ ৩রা আগস্টেই মৌলভীবাজারের ওই বাসায় সে তার বান্ধবীর ধ*র্ষণকারীদের সাহায্য করেছিল। তার সাহায্যের কারণেই নির্মমভাবে ধ*র্ষিত হয়েছিল তার নিজ বান্ধবী।
তারপর বান্ধবীকে সবাই মিলে ব্ল্যাকমেইলও করেছিল যাতে বিষয়টা কাউকে জানাতে না পারে।
এই মার্জিয়া প্রভার নেতৃত্বে আজকের আন্দোলনে সবাই প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিয়েছে-
"আমরা সবাই বেশ্যা, বুঝে নেবো হিস্যা।"
এটাই হচ্ছে মার্জিয়া প্রভা নামক তথাকথিত নারীবাদীদের স্লোগান। এরা নারীদের সুরক্ষা দিতে এসে বেশ্যা নামক হীন শব্দ ধারণ করতে বলে।
অথচ বাচ্চা মেয়ে আছিয়া, রোজারা যখন ধ*র্ষিত হয়ে হাসপাতালের বেডে কাতরাতে কাতরাতে মারা যায় তখন এই তথাকথিত মার্জিয়া প্রভাদের পাওয়া যায় না।
ঈদে যখন গার্মেন্টসের নারীরা ৩ মাসের বেতন না পেয়ে রাস্তায় আর্তনাদ করে তখন এই তথাকথিত নারীবাদীরা মুখ লুকিয়ে থাকে।
স্বামী হারিয়ে ছোট ছোট দুধের বাচ্চা নিয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো নারীদের দুঃসময়েও এই নারীবাদীদের পাওয়া যায় না।
তাদেরকে পাওয়া যায় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করাতে, গাঁজার আসরে বান্ধবীর ধ*র্ষণে সাহায্য করাতে।
সেই এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে এসেই ওরা আজকে নারী আন্দোলনে এসে প্ল্যান করে স্লোগান দিয়েছে- "পাহাড় থেকে সেনাশাসন হটাও"
তথাকথিত নারীবাদীরা নারীদের সুরক্ষা চায় না, তারা চায় নারী শব্দটাকে ব্যবহার করে নিজেদের পকেট ভারী করতে, নির্দিষ্ট একটা গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে।
তথাকথিত এই নারীবাদীদের কাছে এজেন্ডা বাস্তবায়নের স্লোগান পৌঁছায় কিন্তু ধ*র্ষিত হয়ে মারা যাওয়া শত শত বাচ্চা মেয়ের আর্তনাদ পৌঁছায় না