Islam & Logic

Islam & Logic ISLAM & Logic

29/08/2024

গভীর রাত। লাইট অফ। দরজা লক। জানালার পর্দা টেনে দিয়েছেন। বাসায় যারা আছে তারা বেঘোরে ঘুমোচ্ছে। এত সব আয়োজন- একটা খারাপ উদ্দেশ্য সাধনের জন্যে৷ মোবাইলে 'কিছু' একটা দেখার জন্যে৷ কিছু একটা শোনার জন্যে। ল যা কেউ দেখুক বা জানুক, আপনি সেটা চান না।

কাজ শেষ৷ দম ফেলেছেন বড় করে যাক কেউ দেখেনি৷ কেউ শুনেনি৷ কোনো সাক্ষী নেই৷ কিন্তু আপনি কি জানেন আপনার হাত দেখেছে৷ চোখ দেখেছে৷ কান শুনেছে৷ এদের থেকে কি কখনো কোনো কিছু আড়াল করা যায়? রব কী বলেন শুনুন-
وَمَا کُنۡتُمۡ تَسۡتَتِرُوۡنَ اَنۡ یَّشۡہَدَ عَلَیۡکُمۡ سَمۡعُکُمۡ وَلَاۤ اَبۡصَارُکُمۡ وَلَا جُلُوۡدُکُمۡ
আর (গোনাহ করার সময়) তোমরা তো তোমাদের বিরুদ্ধে তোমাদের কান, চোখ ও চামড়ার সাক্ষ্যদান থেকে আত্মগোপন করতে সক্ষম ছিলে না। [ হা-মিম সাজদাহ-২২]

কিয়ামতের দিন মানুষ বলবে আমরা যে পাপ করেছি এর কোন সাক্ষী নেই৷ আল্লাহ ফেরেশতাদের সাক্ষী রূপে আনবেন। মানুষ বলবে, এরা তো মানব জাতির শত্রু৷ মানব জাতির অস্তিত্বে তাদের অনীহা ছিল। এরা তো আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিবেই। এ ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেন-
شَہِدَ عَلَیۡہِمۡ سَمۡعُہُمۡ وَاَبۡصَارُہُمۡ وَجُلُوۡدُہُمۡ بِمَا کَانُوۡا یَعۡمَلُوۡن
তখন তাদের কান, তাদের চোখ ও তাদের চামড়া তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে। [ হা মীম সাজদাহ-২০]

এ অবস্থা দেখে মানুষ বলে উঠবে-
وَقَالُوۡا لِجُلُوۡدِہِمۡ لِمَ شَہِدۡتُّمۡ عَلَیۡنَا ؕ قَالُوۡۤا اَنۡطَقَنَا اللّٰہُ الَّذِیۡۤ اَنۡطَقَ کُلَّ شَیۡءٍ وَّہُوَ خَلَقَکُمۡ اَوَّلَ مَرَّۃٍ وَّاِلَیۡہِ تُرۡجَعُوۡنَ
তারা তাদের চামড়াকে বলবে, আরে! তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে কেন? তারা বলবে, আল্লাহ আমাদেরকে বাকশক্তি দান করেছেন [ হা মীম সাজদাহ-২১ ]

আজ যেই হাত দিয়ে আমি গোনাহ করছি, কাল সেই হাত আমার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিবে।

©

মাঝে মাঝে হেদায়েতপ্রাপ্তরা ঝড়ে যায় কেন?©
26/08/2024

মাঝে মাঝে হেদায়েতপ্রাপ্তরা ঝড়ে যায় কেন?

©

22/05/2024

"বিপদের সময় ঈমানদারের ঈমান স্পষ্ট হয়। সে অনেক বেশি বেশি দুআ করে। কিন্তু আল্লাহর সাড়ার কোনো নিদর্শন দেখতে পায় না। নিরাশার ১০১টা কারণ পেয়ে গেলেও তার আশা-ভরসা ফুরিয়ে যায় না। কেননা সে বিশ্বাস করে, আল্লাহই ভালো জানেন কোনটা তার জন্য কল্যাণকর আর কোনটা অকল্যাণকর।"
— ইমাম ইবনুল জাওযী রহিমাহুল্লাহ

[সাইদুল খতির, ৪৩৮]

©

20/05/2024

যেই রাসুল (ﷺ) স্ত্রীকে লোকমা তুলে খাইয়ে দিতেন, সেই রাসুলই (ﷺ) এক মাস পর্যন্ত রাগ করে স্ত্রীর সাথে দেখা পর্যন্ত করেন নি। যেই স্ত্রীরা রাসুল (ﷺ) এর সাথে মান অভিমান করতেন, নিজেদের যে কোন কথা মন খুলে বলতেন, সেই স্ত্রীরাই রাসুল (ﷺ) এর সম্মানের প্রতি সর্বাধিক নযরও রাখতেন। তাকে হেয় করে বা উচু আওয়াজে কথা বলা, তার কোন আদেশ নিষেধ পালনে অবহেলা অলসতা করার তো প্রশ্নই আসে না। একই আচরন ছিল রাসুল (ﷺ) এর অন্যান্য সাহাবী-সাহাবীয়্যাদের।

যেই রাসুল (ﷺ) একজন স্ত্রীর জান্নাতে যাওয়ার কারন হিসেবে বলেছেন, স্বামীর আনুগত্য, সেই রাসুলই (ﷺ) সবচেয়ে উত্তম মুসলিম হিসেবে তাকেই স্বীকৃতি দিয়েছেন, যে তার স্ত্রীর কাছে সর্বোত্তম।

দ্বীনি লিবাস পড়া, দ্বীনদারদের কমিউনিটিতে গ্রহনযোগ্যতা তৈরি করা, বড় বড় কথা বলা, অনেক সহজ। এসব করে অনেক আত্মতৃপ্তিও পাওয়া যায়। কিন্তু ঘরের অন্দরমহলে, একে অপরের শত হক এবং অধিকারকে জলাঞ্জলি দিলেও এক আল্লাহ ছাড়া যেখানে আর দেখার কেউ নেই, সেখানে দ্বীনদার হওয়া এত সহজ নয়।.....

সংসার সুখী হয় রমণীর গুনে - সত্য নয় মোটেও। স্বামী স্ত্রী উভয়ের উত্তম আখলাক ছাড়া সংসারে সুখী হওয়া…..সম্ভব নয় মোটেও।

©

14/05/2024

আমরা যখন দ্বীনে আসি, জাহি[লি)য়াহর কিছু বৈশিষ্ট্য সাথে করে নিয়ে আসি। প{র্ণ, মেয়েদের অবজেক্টিফিকেশনের এ যুগে আপনি নন-প্র্যাক্টিসিং ফাসিক ছেলেদের বেশিরভাগ আড্ডা ও আলোচনার টপিক দেখবেন মেয়ে। কোন মেয়ে কত সুন্দরী, কাকে পটাতে চায়, গার্লফ্রেন্ড না থাকায় তার লাইফের কী দশা, শীতকালে গার্লফ্রেন্ড না থাকায় কী কষ্ট হয় ইত্যাদি। অনেক পেইজও আছে এসব আলোচনার। মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ হয় সেসবে।

আমাদের দ্বীনি সার্কেলের অনেক বড় অংশের তরুণের চিন্তার প্যাটার্নটা এমন। ফ্যান্টাসি মেয়ে নিয়ে (মোর প্রিসাইজলি বউ নিয়ে)। যেহেতু তারা প্র্যাক্টিসিং, সেহেতু গার্লফ্রেন্ড তো বলা যাবে না। বউ থাকলে একা লাগতো না, কয়টা বউ থাকলে কী হতো, বউ ছাড়া লাইফ কেমন থেকে নিয়ে শীতকালে বউ থাকলে কী হতো ধরণের অশ্লীল সব আলোচনাও চলে। সাথে এটাতে একটু তেল ঢেলে দিতে তো কিছু আধুনিক "স্মার্ট" বক্তা আছেই।

যখন প্র্যাক্টিসিং ছিলাম না, তখনও গার্লফ্রেন্ড/মেয়ে নিয়ে বেশি আলোচনা করা ছেলেপেলেদেরকে খুব হ্যাংলা ব্যক্তিত্বহীন মনে হতো। এরা কোনো সিরিয়াস কাজ সেভাবে করে না, এদের সাথে সিরিয়াস আলোচনা করা যায় না। সবই "বিয়ে" রিলেটেড মশকারি। দ্বীনে আসার পরও যে ভাইরা সিরিয়াসলি প্র্যাক্টিসিং, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, দরকারি কাজ করেন তাদেরকে বিয়ে, মাসনা ইত্যাদি নিয়ে এসব অর্থহীন আড্ডা, মশকারি করতে দেখিনি।

বিয়ে নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। বিয়ে কতটা চরিত্র ঠিক রাখবে তা নিয়ে আলোচনা করা হলেও, বিয়ে করতে না পারলে রাসূল ﷺ যে আমল করতে বলেছেন সেটার দিকে ফোকাস দেখা যায় না। জ্যোৎস্না রাতে বউ নিয়ে হাঁটার ফ্যান্টাসি দেখলেও, বিয়ের কঠিন দায়িত্ব নিয়ে কথায় সেভাবে ফোকাস থাকে না। দ্বীনের জন্য বিয়ের রাতেই আব্দুল্লাহ বিন রাওয়াহার যুদ্ধযাত্রার মানসিকতাও আমাদের ভাইদের মধ্যে তৈরি হতে দেখা যায় না।

বিয়ে জরুরি, বিয়ে করতে চিন্তাভাবনা গোছানো হয়, ম্যাচিউরিটি আসে, দায়িত্বশীল হওয়া যায়, বিয়ে এ যুগে ফরযও মনে করেন অনেক আলিম- এগুলো নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। বিয়ে করতে হলে করে ফেলুন। বিয়ে করতে না পারলে সাওম রাখুন, রিযিক অন্বেষণ করুন, বিয়ের জন্য যা যা দরকার তা যোগাড় করুন। সেগুলো না করে সোশ্যাল মিডিয়ায় এসব করা খুব বাজে রকমের হ্যাংলামি ও মুমিনের ব্যক্তিত্বের সাথে সাংঘর্ষিক।

©

09/05/2024

একজন মানুষের লাইফে যত দুঃখ কষ্ট আসে, তার একটি বড় কারন সে হয়তো অতিত লাইফে কাউকে অন্যায় ভাবে কষ্ট দিয়েছিল, কিন্তু তার থেকে ক্ষমা চেয়ে নেয় নি।

একটা মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না, কোন ছেলের চাকরী হচ্ছে না, কোন দম্পত্তির সন্তান হচ্ছে না, সে হয়তো শত চেষ্টা করছে, দুআ করছে, কিন্তু আল্লাহ তাআলার তাকদীরে বাইরে কিছু করা তো তার হাতে নেই। কিন্তু আশেপাশের কিছু মানুষ তাকে কথা শোনাতে ছাড়ে না। এমন না যে, তাদেরকে গালি দেয়া হয়। কটু কথা বলা হয়। বরং মিষ্টি হাসি দিয়েই নরম ভাষাতেই এমন সব কথা বলা হয়, যে অন্তর ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যায়।

আমার এক রিলেটিভ দেশের বাইরে (কথিত) সবচেয়ে সভ্য দেশে থাকে। বিয়ের পর তার বেবী হচ্ছিল না দেখে সেই এলাকার প্রবাসীদের যেই পরিমান কথা তারা সহ্য করেছে, সন্তান হওয়ার পর সেই কষ্টের কথা গুলো বলতে গিয়ে ৩৫ বছরের সেই ছেলে মানুষটিও চোখের পানি ধরে রাখতে পারে নি।

নিজ চোখে এরকম খোঁচা দানকারী মানুষগুলোর পরিণতি দেখেছি। জীবনের কোন একসময় এসে এমন মারাত্মক বিপদে পড়ে, এমন ভাবে আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ামতগুলো আল্লাহ ছিনিয়ে নিয়ে যান, দিকবিদিকশুন্য হয়ে যায়। আল্লাহ! কোন পাপের শাস্তি দিলা বলে পাপ তালাশ করতে থাকে, অথচ দুই ঠোটের মাঝের জিহবার কামাইয়ের কথা ভুলে যায়।

কুরআনের আয়াতটি কী অদ্ভুত, তাই না!

তোমরা এটাকে খুবই সাধারন ভাবতে, অথচ তা আল্লাহর কাছে ছিল বিশাল গোনাহ। - সুরা নূর।

©

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধা'র্মি'ক মু'স'লি'ম ছা*ত্রী। প্রায় ৩০ কি.মি. দূরত্ব থেকে যাতায়াত করতেন। বাবা এগিয়ে দিতেন। একসময়ে ব...
06/05/2024

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধা'র্মি'ক মু'স'লি'ম ছা*ত্রী। প্রায় ৩০ কি.মি. দূরত্ব থেকে যাতায়াত করতেন। বাবা এগিয়ে দিতেন। একসময়ে বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার পক্ষে যাতায়াত করা সম্ভব হয় না। মেয়ে হলেও উঠে না।

অতঃপর ভ্যানে করে যাতায়াত শুরু করেন। হ্যাঁ, এত দূরের পথ ভ্যানে করেই যেতেন। এতেই আশ্চর্য হবার কিছু নাই।
ভ্যান ওয়ালা ছিলেন হি*ন্দু। একজন ছেলে আর মে'য়ে'র এত দিনের যুগল দীর্ঘ যাত্রা!! তাদের মা'ঝে কী হয়েছে আর কী হয়নি তা আল্লাহ তা’আলাই ভালো জানেন।

তবে, একজন মেয়ে আর একজন ছেলে (গায়রে মাহরাম) যদি এক স্থানে থাকে তাদের সাথে আরেকজন স*ঙ্গীও যুক্ত হয়- সে হলো শ'য়'তা'ন। হউক মে*য়ে জমানার সেরা ধার্মিক, হউক সে পদমর্যাদায় এলিট শ্রেণি, হউক সে একেবারেই স্রোতের বিপরীতে চলা কেউ। হউক বিপরীত লিঙ্গের ব্যক্তিটি সমাজের নিম্ন শ্রেণির, হউক তিনি মু'শ'রি'ক, হউক তিনি অতি ভালো মানুষ। আল্লাহর ওয়াস্তে স'ত'র্ক হউন। আমরা সবাই ভু*লে ভরা দু'র্ব'ল মানুষ।

একদিন হঠাৎ করে মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আর বাসায় ফেরেন না। প্রায় ০৩ মাস পরে শা*খা-সি'দু'র পরে মেয়ে আসে। সেই ভ্যানওয়ালার-ই স্ত্রী সে। পরিবারের দাবি অনুযায়ী - একজন বিজ্ঞ ব্যক্তির কথা, মেয়েটিকে এমন কি'ছু খাওয়ানো হয়েছে যা থেকে ফি'রি'য়ে আ'না তার দ্বারা স'ম্ভ'ব না। মেয়েটি এখন ক'ট্ট'র'প'ন্থী হি*ন্দু; ম'ন্দি'রের সবচেয়ে এ'ক'টি'ভ।
----------------------------
এটা গল্প নয় সত্যি; শুনে হৃদয় খানখান হয়ে গেল! অনেক ঘ'ট'নাই শুনি। কিন্তু একজন ধা'র্মি'ক মে'য়ে'কেও বা'তি'ল'প'ন্থীরা জা'হা'ন্না'মী করে ফেলতে প*টু- এ সতর্কবাণী-ই আপনাদের দিয়ে গেলাম।

©

❝বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায়, তবে কে তোমাদেরকে সরবরাহ করবে পানির স্রোতধারা?❞ ...
27/04/2024

❝বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায়, তবে কে তোমাদেরকে সরবরাহ করবে পানির স্রোতধারা?❞ [সূরা মূলক : আয়াত ৩০]

27/04/2024

ফিউচার প্ল্যানে আমরা সবকিছুই ইনক্লুড করি, শুধু মৃত্যুটা ছাড়া। আমাদের প্ল্যানে পরিবার থাকে, গাড়ি থাকে, বাড়ি থাকে, বাট মৃত্যুটা থাকে না।

অথচ মৃত্যুটাকে প্ল্যানে রাখতে পারলেই কিন্তু আমার আপনার অনেক প্রায়োরিটি লিস্ট চেঞ্জ হয়ে যাবে।

ইউরোপ ট্যুরটা দিয়ে ফেলা যাবে, ওয়্যার এন্ড পিসটা পড়ে ফেলার সময় হবে, তাহাজ্জুদ পড়ার সময়টাও বের করে ফেলতে পারবেন। কারণ, আপনি জানেন, মৃত্যু ওয়েট করতেসে। আপনার হাতে খুব বেশি সময় নাই।

- ড. শাহেন শাহ!

22/04/2024

জিন কখন মানুষের শরীরে প্রবেশ করে?
জনৈক স্বামী তার স্ত্রীকে সঙ্গে করে নিয়ে আমার কাছে এসে বলল, আমার স্ত্রী আমাকে প্রচণ্ড ঘৃণা করে এবং আমার সাথে আর সংসার করতে চায় না; অথচ আমি তাকে অনেক ভালোবাসি। আমার প্রতি তার এই রাগ ও বিদ্বেষের সূচনা বিশেষ কোনো ভূমিকা বা কারণ ছাড়া হঠাৎ করেই দেখা দিয়েছে।
তখন আমি তাকে রুকইয়া করতে শুরু করলাম। সে কুরআনের আয়াতগুলো শোনামাত্রই ভূপাতিত হয়ে পড়ে গেল এবং তার শরীরে থাকা জিনের সাথে আমার নিম্নোক্ত কথোপকথন হলো—
আমি : তুমি কি মুসলিম?
জিন : হ্যাঁ, আমি মুসলিম।
আমি : তুমি এ মহিলার শরীরে কেন প্রবেশ করেছ?
জিন : আমি এ মহিলার শরীরে জাদুর কারণে প্রবেশ করেছি। তাকে অমুক মহিলা জাদু করেছে। জাদুর বস্তু সে তার কাছে থাকা একটি সুগন্ধির শিশিতে রেখেছে। আমি (মহিলাটির শরীরে প্রবেশ করার জন্য) তার পেছনে অনেকদিন ঘুরেছি। অতঃপর একদিন তার বাড়িতে ডাকাতের দল আক্রমণ করলে সে ভয় পেয়ে যায়, আর তখনই আমি তার শরীরে প্রবেশ করি।
এখানে একটি বিষয় সম্পর্কে জানানো জরুরি মনে করছি। সেটি হলো, জাদুকর তার জাদুর উদ্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে জিন পাঠালে সেই জিন উদ্দিষ্ট ব্যক্তিকে অনুসরণ করে তার পেছনে একটানা লেগে থাকে। সে তার শরীরে প্রবেশ করার জন্য সুযোগ খুঁজতে থাকে। সাধারণত চার অবস্থায় জিনদের সুযোগ তৈরি হয়—
১. প্রচণ্ড ভয়।
২. মারাত্মক রাগ।
৩. চরম উদাসীনতা।
৪. কামপ্রবৃত্তির প্রতি ঝোঁক।
কোনো মানুষ যদি এই চার অবস্থার কোনো একটির সম্মুখীন হয়, তাহলে জিন তার শরীরে প্রবেশের সুযোগ পেয়ে যায়।
সমকালীন প্রকাশন থেকে সদ্য প্রকাশিত বই 'জিন, জাদু ও বদনজরের চিকিৎসা' বই থেকে একটুখানি।

©

চারটি বিষয় মাথায় রেখে দুরুদ পড়ুন, দুরুদের প্রতি আপনার আকর্ষণ বাড়তেই থাকবে ইন শা আল্লাহ!১) আপনি যখনি রাসূল (সল্লাল্লাহু আ...
21/04/2024

চারটি বিষয় মাথায় রেখে দুরুদ পড়ুন, দুরুদের প্রতি আপনার আকর্ষণ বাড়তেই থাকবে ইন শা আল্লাহ!

১) আপনি যখনি রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর দুরুদ পড়েন, সাথে সাথে একজন ফেরেশতা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে গিয়ে আপনার নাম বলে। হ্যাঁ, স্বয়ং রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আপনার "নাম" বলে।

২) রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর প্রতি একবার সালাম পাঠালে, স্বয়ং আল্লাহ, হ্যাঁ স্বয়ং আল্লাহ, আপনার উপর ১০ বার সালাম পাঠান।

৩) অবিরত দুরুদ পড়লে আপনার সমস্ত সমস্যার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ নিয়ে নেন। এমনকি যদি আপনি ঐসব সমস্যার জন্য আলাদা করে দুআ না ও করেন।

৪) আপনি তার প্রতি সালাম পাঠাচ্ছেন, যিনি শুধুমাত্র আপনাকে আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচানোর জন্য বারবার রক্তাক্ত হয়েছিলেন। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

-কালেক্টেড

20/04/2024

কত বিবাহিত জুটি দেখলাম, বিয়ের আগে-পরে তুমুল আবেগ.... সময়ের সাথে নেতিবাচকতা বাড়তে বাড়তে এমন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে, ডিভোর্সও হয়ে গেছে কিংবা ডিভোর্সের কাছাকাছি।

যে মানুষটাকে দ্বীনের জন্য বিয়ে করতে গিয়ে পুরো পরিবারের সাথে যুদ্ধ হয়ে গেলো, একসময় সেই মানুষটাকেই নতুন করে চিনবেন, জীবনযুদ্ধের নতুন যোদ্ধা হবেন, কিন্তু এই পর্যায়ে আর পরিবারের সাপোর্টটাও পাবেন না।

তাই...

বিয়ের আগে...

যে একটা মানুষকে দেখে, কোন একটা বিষয়ে আপাত সন্তুষ্ট হয়েই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন...

সেই আবেগের সময়টাতে...

আবেগকে কিছুটা পাশে রেখে, বিবেক কাজে লাগিয়ে ভাবুন...

বিয়ে কেবল আপনি একজন মানুষকে করবেন না, পুরো একটা পরিবারকে করবেন। যে একজনের হাত ধরে আপনি দুনিয়ার সব কষ্ট-বাধা জয় করে ফেলার স্বপ্ন দেখেন, সেই মানুষটাও সময়ের পরিবর্তনে, চাহিদার বিবর্তনে, চারপাশের পরিবেশে প্রভাবিত হয়ে, পরিবারের কানপড়ায় কান লাগিয়ে, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির সমন্বয় খুজে না পেয়ে আপনার হাত ছেড়ে দিতে পারে।

দ্বীনের প্রয়োজন সবার আগে;
তবে বিয়ের আগে ও পরের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির সামঞ্জস্য রাখতে "কুফু" র সামঞ্জস্যতা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

- আপনি কেমন লাইফ স্ট্যাটাস চান?
- আপনি কী পরিমাণ কাজ করে, প্রেশার নিয়ে অভ্যস্ত? আপনি সংসারজীবনে ঠিক কতটা কষ্ট করতে পারবেন? (নিজ পরিবারে খুব বেশি কষ্ট করে বা কষ্ট করা দেখে অভ্যস্ত না হলে নতুন একটা পরিবারে গিয়ে অনেক বেশি প্রেশার আপনি খুব বেশিদিন নিতে পারবেন না, ফলে তারাও সন্তুষ্ট হবেনা)
- আপনি কেমন পরিবেশে বড় হয়েছেন, কেমন পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারবেন?
- আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা কেমন, আপনার শ্বশুরবাড়ির অন্যদের যোগ্যতা কেমন? (আপনার স্বামী হয়তো আপনার সার্টিফিকেটের কমতি জেনেই বিয়ে করছেন, কিন্তু তার পরিবারের কাছে হয়তো এই বিষয়ে কমতির জন্য আপনাকে বা আপনার পরিবারকে আজীবন কথা শুনতে হবে)
- দুই পরিবারের ফিন্যান্সিয়াল স্ট্যাটাসের সামঞ্জস্যতা কেমন? (খুব বেশি অমিল হলে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ব্যবধান বাড়বে)
- আলেম পরিবার ও জেনারেল পরিবার, এই দুই ধরণের পরিবারের পারিবারিক রীতি ও চাওয়া-পাওয়াতেও অনেক অমিল থাকে, যদি উভয় পরিবার দ্বীনিও হয়।

ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি...... এইসব এত এত বিষয় বিয়ের পর আপনাদের দুজনের সামনে এসে দাড়াতে পারে, যা আপনার আজকের কল্পনাতেই নেই। তাই শুধু দ্বীনের মিলই নয়, 'দুনিয়াবি অনেক বিষয়ের মিল'ও দরকার হয় পারিবারিক চাওয়া-পাওয়ার মিল রাখতে। এরই নাম 'কুফু'। যাদের পক্ষে সম্ভব, তারা অবশ্যই কুফুর দিকটা নিয়ে নিয়ে বিয়ের আগে দশবার, বিশবার, পঞ্চাশবার ভাববেন। মানুষ ক্ষণে ক্ষণে বদলায়, সময়ে অসময়ে বদলায়। আবেগের মুহুর্তে দেয়া প্রতিশ্রুতি তাই সবচে ঠুনকো হয়। 'আবেগ কাজ করসে, বিবেক করেনাই' পরে এই চিন্তা করে আফসোস করার চেয়ে আগেই চিন্তা করুন.....

©

Address

Fatulla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islam & Logic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share