Quran Fm 99

Quran Fm 99 Quran Fm - 99

05/09/2023

কেউ যদি আপনাকে বলে, ‘আল্লাহ তোমাকে হিদায়াত দিন’ তাহলে কষ্ট পাবেন না। আপনি যদি সবচেয়ে আল্লাহভীরু হোন এবং সবচেয়ে জ্ঞানী হোন, তবুও আপনার হিদায়াত প্রয়োজন। মৃত্যু পর্যন্তই আপনার হিদায়াত প্রয়োজন!
⚊শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ)
হিদায়াত (সঠিক পথনির্দেশ)-এর কাঙাল আমরা সবাই। আল্লাহ যাকে সঠিক পথ দেখান, তার জন্য সবকিছু সহজ হয়ে যায়। সে হয় সংশয়মুক্ত দৃঢ় ঈমানের অধিকারী। দ্বীনের পথে চলার ক্ষেত্রে তার কোনো পিছুটান থাকে না। কখনও সে হতাশ হয় না বা হীনম্মন্যতায় ভোগে না। ঈমানি মোটিভেশান তাকে যেকোনো পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক থাকতে শক্তি যোগায়।
হিদায়াত কামনায় আমরা সুরা ফাতিহার ৫ নং আয়াতটি বেশি বেশি পড়বো, ইনশাআল্লাহ।
اِهۡدِ نَا الصِّرَاطَ الۡمُسۡتَقِیۡمَ
(আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করুন)
এই আয়াতটির শুরুতে ‘আল্লাহুম্মা’ যুক্ত করে পড়তে পারলে আরও সুন্দর ও পরিপূর্ণ হবে।
اَللّٰهُمَّ اِهۡدِ نَا الصِّرَاطَ الۡمُسۡتَقِیۡمَ
আল্লাহুম্মাহদিনাস সিরাতল মুস্তাকিম অথবা আল্লাহুম্মা ইহদিনাস সিরাতল মুস্তাকিম—এই দুইভাবেই পড়া যাবে। তখন পূর্ণ অর্থ হবে, ‘‘হে আল্লাহ, আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করুন।’’ মনে রাখবেন, ‘আল্লাহুম্মা’ শব্দের অর্থের অর্থ হলো, হে আল্লাহ।
হিদায়াতের উপর অটল থাকতে আমরা সর্বদা নিচের দু‘আটি আন্তরিকভাবে পড়বো⚊
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوْبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَّدُنْكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ
অর্থ: হে আমাদের রব! যখন আপনি আমাদের সঠিক পথে চালিয়েছেন, তখন আর আমাদের অন্তরকে (সত্যপথ থেকে) বাঁকা করে দেবেন না। আপনার রহমতের ভাণ্ডার হতে আমাদের জন্য রহমত দিন। নিশ্চয়ই প্রকৃত দাতা তো আপনিই। [সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ০৮]

05/10/2022

"[And] "Peace," a word from a Merciful Lord." -

[Surah Yaseen | Ayah 58]

My Lord, indeed I have wronged myself, so forgive me," - [Surah Al-Qasas | Ayah 16]
05/10/2022

My Lord, indeed I have wronged myself, so forgive me," -
[Surah Al-Qasas | Ayah 16]

23/07/2022

‘‘মহান আল্লাহকে ভালোবাসার চিহ্ন হলো, বেশি বেশি তাঁর যিকর (স্মরণ) করা; কেননা কোনো কিছুকে বেশি করে স্মরণ করা ব্যতীত তাকে কখনোই তুমি ভালোবাসতে পারবে না।
দ্বীনের আলামত হলো, আল্লাহর জন্য ইখলাস (একনিষ্ঠতা) অবলম্বন করা।
ইল্‌মের (জ্ঞানের) পরিচয় হলো, মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর ভয়।
কৃতজ্ঞতা আদায়ের প্রমাণ হলো, আল্লাহর ফয়সালাকে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নেওয়া এবং তাঁর তাকদিরের প্রতি (নিজেকে) সমর্পণ করা।’’
তাবি‘য়ি রবি’ ইবনু আনাস রাহ. কয়েকজন সাহাবি থেকে এই বাক্যগুলো বর্ণনা করেছেন।
[ইমাম খুত্তালি, আল-মাহাব্বাতু লিল্লাহ: ৩২]

09/03/2022

জীবনে বিষণ্নতা দেখা দিলে খোঁজ নিতে হবে— কুরআনের সাথে সম্পর্কটা সুন্দর আছে কি না।
আল্লাহ তা‘আলা কুরআন কারিমে বলেন—
وَمَنۡ اَعۡرَضَ عَنۡ ذِکۡرِیۡ فَاِنَّ لَهٗ مَعِیۡشَۃً ضَنۡکًا وَّ نَحۡشُرُهٗ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ اَعۡمٰی
‘‘আর যে আমার ‘যিকর’ থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখবে, নিশ্চয়ই তার জীবনযাপন হবে সংকীর্ণ-সংকুচিত এবং আমরা তাকে কিয়ামতের দিন জমায়েত করবো অন্ধ অবস্থায়।’’ [সুরা ত্ব-হা, আয়াত: ১২৪]
আয়াতে ‘যিকর’ দ্বারা কুরআনকে বুঝানো হয়েছে। প্রায় সকল মুফাসসির এই অর্থ করেছেন। আর ‘সংকীর্ণ জীবন’-এর বিভিন্ন ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন তাঁরা। যেমন: কারও মতে, দুনিয়ার জীবনে তাঁদের অন্তরের পরিতৃপ্তি তুলে নেওয়া হবে, লোভ-লালসা বাড়িয়ে অল্পেতুষ্টি উঠিয়ে নেওয়া হবে। ফলে, তার অনেক কিছু থাকার পরও সে অস্থিরতা ও হাহুতাশে জীবনযাপন করবে। এগুলো হলো দুনিয়াবি শাস্তি। আর কোনো কোনো মুফাসসির বলেছেন, তাদের কবরের জীবনকে সংকীর্ণ করে দেওয়া হবে। কবর এতো সংকীর্ণ হবে যে, তাদের পাঁজরের হাড় ভেঙে যাবে (কবর সংকীর্ণ হয়ে পাঁজরের হাড় ভেঙে যাওয়ার ব্যাপারে বিশুদ্ধ হাদিস আছে এবং জান্নাতিদের জন্য সুপ্রশস্ত হওয়ার ব্যাপারেও হাদিস আছে)। [তাফসিরে ইবনে কাসির]
সুতরাং দুনিয়া ও পরবর্তী জীবনে প্রশস্ততার জন্য আমাদের কুরআনের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে। কুরআনের সাথে লেগে থাকতে হবে, কুরআনের টাচে থাকতে হবে। নিয়মিত অল্প হলেও আমাদের কুরআন পড়তে হবে। সম্ভব হলে অর্থসহ পড়বো, না হয় অন্তত তিলাওয়াত করবো। আল্লাহ তাওফিক দিন। আমিন।

23/07/2021

সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রা.) একবার কাঁদছিলেন। তাঁর স্ত্রীও কান্না শুরু করলেন। তিনি স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি কাঁদছো কেনো?’ স্ত্রী বললেন, ‘আপনি কাঁদছেন, তাই আপনার কান্নায় আমিও কাঁদছি।’ [ইবনুল জাওযি, সিফাতুস সাফওয়া: ১/৪৮২]
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, ‘‘তারা (স্ত্রীরা) তোমাদের (স্বামীদের) জন্য পোশাকস্বরূপ এবং তোমরাও তাদের জন্য পোষাকস্বরূপ।’’ [সুরা বাকারাহ, আয়াত: ১৮৭]
পোশাক শরীরকে আরাম দেয়, বিভিন্ন ধুলাবালি ও শীতের কষ্ট থেকে রক্ষা করে, শরীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। একজন স্ত্রী তার স্বামীর জন্য এবং একজন স্বামী তার স্ত্রীর জন্য পোশাকের মতো অপরিহার্য। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পোশাক মানুষের লজ্জাস্থান ঢেকে রাখে। একইভাবে স্বামী-স্ত্রীর দাম্পত্যসম্পর্ক উভয়ের লজ্জাস্থানকে গুনাহ থেকে বাঁচিয়ে রাখে। আরও গভীরে গেলে বুঝা যায়, পোশাকের অবস্থা এমন হয় যে, পোশাক শরীরের সাথে এমনভাবে লেগে থাকে যে, ব্যক্তি এবং পোশাক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে যায়। এভাবে স্বামী-স্ত্রীও একে অন্যের হয়ে যায়। যেন দুটো শরীরের একটি আত্মা! আল্লাহর দেওয়া এই সুন্দর উপমার মতো হোক আমাদের প্রত্যেকের দাম্পত্যজীবন। আমিন।

25/03/2021

পছন্দের কাউকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন?
আপনার জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা।
জীবনসঙ্গী নির্বাচন করতে গিয়ে আমরা অনেকেই একটি বড় ভুল করি। সেটি হলো, কারো বাহ্যিক দ্বিনদারি/ভালোমানুষী দেখে তার ব্যাপারে প্রচণ্ড মুগ্ধ হয়ে যাওয়া। এ প্রসঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা:
এক.
যে ছেলেকে বাহ্যিকভাবে দেখে আপনি দুর্বল হয়ে গেছেন, তার অভ্যন্তরীণ দ্বিনদারির অবস্থা তেমন ভালো না-ও হতে পারে। হতে পারে, সে নামাজের ব্যাপারে উদাসীন। বিশেষত ফরজের বাইরে সুন্নাতে মুয়াক্কাদা নামাজের ব্যাপারে তার মধ্যে হয়ত তেমন সিরিয়াসনেস নেই। হতে পারে, সে দৃষ্টির হেফাজত করে না। এমনও হতে পারে, সে আসলে প্রচণ্ড অহংকারী—স্ত্রীর মতামতকে ভবিষ্যতে পাত্তাও দেবে না। অপরদিকে এমনও হতে পারে: আপনার বাছাইকৃত মেয়েটি গায়রে মাহরাম মেন্টেইন করে না। হয়ত সে গিবত করাকে নিজের অভ্যাসে পরিণত করেছে। হতে পারে, সে বিভিন্ন সিরিয়াল দেখায় আসক্ত। এমনও হতে পারে, সে বাবা-মারই আনুগত্য করে না; ভবিষ্যতে আপনার কথা শুনবে, তারও নিশ্চয়তা নেই। এমন অনেক অজানা সমস্যা থাকতে পারে, যেগুলো জানতে পারলে তার প্রতি আপনার মুগ্ধতা হাওয়া হয়ে যাবে।
দুই.
এ-তো গেলো, তার অভ্যন্তরীণ দ্বীনদারির অবস্থা। তার দুনিয়ার জীবনেও হয়তো বড় কোনো দুর্বলতা আছে, যা আপনি বাহ্যিকভাবে বুঝতে পারছেন না। হতে পারে, তার চোখ দুটো দুনিয়াবি কামনা-বাসনায় পরিপূর্ণ, যা সে অন্যকে বুঝতে দেয় না। তার মধ্যে থাকতে পারে বিরক্তিকর কোন বদ-অভ্যাস, যা তার সাথে গভীরভাবে না মেশা পর্যন্ত কেউ বুঝতে পারবে না।
তিন.
শুরুর কথাগুলোতে ফিরে যাই। যার বাহ্যিক দ্বীনদারি দেখে আপনি মুগ্ধ, তার অজানা অনেক সমস্যা আপনি জানেন না। ফলে আপনার মুগ্ধতা দিনে দিনে এতটাই বেড়ে যাচ্ছে যে, আপনি ভাবতেও পারছেন না—আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা তার চেয়েও দ্বিনদার এবং বেটার কাউকে আপনার জন্য মিলিয়ে দিতে পারেন। ব্যক্তিবিশেষের প্রতি মুগ্ধতার কারণে আপনি নিজেকে এক পর্যায়ে খুবই সস্তা ভাবতে শুরু করবেন। এমনকি আপনার ভেতর থেকে আত্মমর্যাদাবোধের মতো গুরুত্বপূর্ণ গুণটি নিঃশেষ হতে থাকবে।
চার.
তাহলে সমাধান কী?
ইসলামই সমাধান। ইসলাম আমাদের শিক্ষা দিয়েছে, ব্যক্তিবিশেষের জন্য পাগলপারা হওয়া যাবে না; বরং চক্ষুশীতলকারী (قُرَّةُ أَعْيُنْ) কাউকে জীবনসঙ্গী করার জন্য আল্লাহর কাছে চাইতে হবে।
চক্ষুশীতলকারী মানে কি? এর মানে, যাকে দেখলে আপনার চোখ শীতল হয়ে যাবে! আপনি তাকে দেখলে তৃপ্তি পাবেন। তার সাহচর্যকে নিয়ামত মনে করবেন। ‘চক্ষুশীতলকারী’ এমন একটি ব্যাপক অর্থবোধক শব্দ, যা ব্যক্তির মধ্যে দ্বিনি ও দুনিয়াবি কল্যাণসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করে। এক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিবিশেষকে নয়, সাধারণভাবে এই গুণবিশিষ্ট কাউকে আল্লাহর নিকট চাইতে হবে বেশি করে। মাথা থেকে এই ধারণা সরাতে হবে যে, ‘অমুকের চেয়ে ভালো কীভাবে পাব? অমুক তো আমার পরীক্ষিত’ ইত্যাদি। আল্লাহর কাছে বলুন, ‘আল্লাহ! আমার জন্য যে উত্তম হবে, তাকেই মিলিয়ে দাও।’ আরো বলবেন, ‘এমন কাউকে মিলিয়ে দাও, যার উপর তুমি সন্তুষ্ট এবং আমরা পরস্পরের উপর সন্তুষ্ট থাকবো।’ এভাবে কাউকে নির্দিষ্ট না করে ব্যাপকভাবে আল্লাহর কাছে চান। নিজে চেয়ে নিজেই পরে আফসোস করার দরকার নেই।
প্রশ্ন আসতে পারে : তাহলে কি ‘নির্দিষ্ট’ কাউকে আল্লাহর কাছে চাওয়া জায়েয নেই? উত্তরে আলিমগণ বলেন, হ্যাঁ জায়েয। বিশেষত, কারও ব্যাপারে খুব ভালো জানাশোনা থাকলে, তাকে আল্লাহর কাছে চাওয়াতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু সমস্যা হলো, আমরা অনেকেই এক্ষেত্রে আবেগের কাছে হেরে যাই। বাহ্যিক কিছু বৈশিষ্ট দেখে ফিদা হয়ে যাই। তাই, নিরাপদ হলো, আল্লাহর কাছেই নিজের পছন্দকে সোপর্দ করে দেওয়া। তার মানে কিন্তু এই না যে, আমরা খোঁজখবর নেবো না। নেবো।
পাঁচ.
আল্লাহর নির্ধারিত তাকদিরকে কেউ অতিক্রম করতে পারবে না। স্বাভাবিক দৃষ্টিতে যতই সম্ভাবনাময় মনে হোক-না কেনো, তাকদিরের ফয়সালা না থাকলে নির্দিষ্ট কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়া সম্ভব নয়। এমতাবস্থায়, আমরা যখন কাউকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করি, আর সেই স্বপ্নটা ভাগ্যের বাস্তবতায় এসে ভেঙে যায়, তখন হতাশ হয়ে পড়ি। এজন্য আমাদের কখনই উচিত নয়, নির্দিষ্ট কাউকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা বা তার জন্য মালিকের দরবারে দু‘আ করা; বরং আমরা সাধারণভাবে ‘চক্ষুশীতলকারী’ কাউকে কামনা করবো এবং সেই অদেখা-অচেনা চক্ষুশীতলকারীর জন্য আল্লাহর নিকট ফরিয়াদ জানাবো। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা‘আলা বান্দাকে পরিতৃপ্ত করেন। এটুকু বিশ্বাস রাখতে হবে যে, আল্লাহর জন্য এটা কোনো ব্যাপারই না যে, তিনি উত্তম কাউকে মুহূর্তের মধ্যেই মিলিয়ে দিতে পারেন। অতএব, আল্লাহ্ ‘আযযা ওয়া জাল্লার উপর পূর্ণ ভরসা রাখতে হবে।
হাদিসে কুদসিতে মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন, ‘‘আমার ব্যাপারে বান্দা যেমন ধারণা রাখে, আমি তার সাথে তেমনই (আচরণ করি)। আর সে যখন আমার নিকট দু‘আ করে, তখন আমি তার সাথেই থাকি।’’ [মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৭৫; তিরমিযি, আস-সুনান: ২৩৮৮; আহমাদ, আল-মুসনাদ: ৯৭৪৯]
অতএব, আল্লাহর সক্ষমতার সামনে নিজের মুগ্ধতা, বাস্তবতা—সবকিছুকে তুচ্ছজ্ঞান করতে হবে এবং তাঁর (আল্লাহর) ব্যাপারে সর্বোত্তম ধারণা রেখে উত্তম জীবনসঙ্গীর জন্য অবিরত দু‘আ করে যেতে হবে। পাশাপাশি, নিজেকেও সেভাবে প্রস্তুত করতে হবে। নেককার জীবনসঙ্গী চাওয়ার বিভিন্ন দু‘আ কুরআন-হাদিসে আছে। সেগুলো আমল করতে হবে। পাশাপাশি সকল গুনাহ, অবৈধ চ্যাটিং, কথা-বার্তা, কুদৃষ্টি থেকে বেঁচে থাকতে হবে। আল্লাহ্ আমাদের নেক মনোবাসনা পূর্ণ করুন। আমিন।

উহুদের যুদ্ধে ৭০ জন শহীদ হয়েছে! একেক জনের লাশ এনে এক জায়গায় রাখা হচ্ছে।নবীজি গুনে দেখেলেন ৬৮ টা লাশ। ২ টা নাই.. একজন ...
27/12/2020

উহুদের যুদ্ধে ৭০ জন শহীদ হয়েছে! একেক জনের লাশ এনে এক জায়গায় রাখা হচ্ছে।
নবীজি গুনে দেখেলেন ৬৮ টা লাশ। ২ টা নাই.. একজন তার চাচা হামজা (রাঃ) আরেকজন হানজালা (রাঃ) অস্থির হয়ে পড়েছেন নবীজি। সব সাহাবাদের পাঠাইলেন লাশ খোজার জন্য।..হটাৎ বোরকা পরা এক মহিলা এসে দাঁড়ালেন নবীজির কাছে।
নবী তাকে চিনলেন না।
,
- মহিলা বললেন; ইয়া রাসুল্লাহ গতকাল আপনি একটা বিয়ে পড়িয়েছিলেন মনে আছে?
নবীজি বলেন; হা আমি তো হানজালার বিয়ে পড়িয়েছি। যার বিয়ের খুশিতে আমি খুরমা খেজুর ছিটিয়ে ছিলাম। -
,
মহিলা বললেন; ইয়া রাসুল্লাহ!
আমার হাতটা দেখেন। হাতের মেহেদী এখনও শুখায় নাই। কাল বিকেলে বিয়ে হয়েছিল আর রাত ২ টা বাজে উহুদের যুদ্ধের জন্য বের হয়ে গেছে হাঞ্জেলা। বাসর রাতে তার সাথে আমার ভালোভাবে পরিচয়ই হয়নাই। যাওয়ার আগে শুধু বলে গেছেন "যদি দেখা হয় তাহলে দেখা হবে দুনিয়ায়, আর যদি শহীদ হয়ে যাই তাহলে দেখা হবে জান্নাতে"
,
- মহিলা বললেন ইয়া রাসুল্লাহ যাওয়ার আগে আমার কপালে একটা চুম্বন করে গেছেন। লজ্জায় বলতেও পারি নাই আপনার জন্য গোসল ফরজ।
নবীজি তার কথা শুনে অঝোর ধারায় কাঁদতে শুরু করলেন।
,
মহিলা বললেন ইয়া রাসুল্লাহ, শহীদদের তো আপনি গোসল দেন না আমার স্বামীকে আপনি একটু গোসল দিয়েন? নবীজি সম্মতি প্রকাশ করার পর একজন সাহাবি দৌড়ে এসে বলল ইয়া রাসুল্লাহ হানজালা কে পাওয়া গেছে।
,
--- সবাই গেলেন। গিয়ে দেখলেন সাদা কাফনের ভিতর লাশের মাথায় পানি। নবীজি মাথা হাতায়ে দিলেন। জিবরাঈল আসলো!
,..এসে বলল; ইয়া রাসুল্লাহ হানজালার কুরবানিতে আল্লাহ্পাক এতটাই খুশি হয়েছেন যে তিনি জিব্রাইলের বাহিনিকে আদেশ করলেন তাকে নিয়ে আসতে। .
,.ইয়া রাসুল্লাহ আমরা ফেরেশতারা তাকে তৃতীয় আসমানে এনে জমজমের পানি দিয়ে গোসল করিয়েছি এবং তার শরীরে যে সুগন্ধ দেখছেন এটা আল্লাহ্পা কের বিশেষ খুসবু মিশক আম্বর আতর ধারা
'

#সংগৃহীত

27/12/2020

ততক্ষন পর্যন্ত আপনি হারেন নি যতক্ষন পর্যন্ত না আপনার অন্তর থেকে আল্লাহর ভয় হারায় নি।

27/12/2020

আল্লাহর নিকট অনেক বেশি মাল-সম্পদ চাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ যার মাল যত বেশি হবে, তার হিসাব দেওয়া ততই কঠিন হবে। বরং আল্লাহর নিকট দু‘আ করুন, যেন অন্যের মুখাপেক্ষী না হতে হয় এবং অল্পতেই তুষ্ট থেকে জীবনযাপন করতে পারেন।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘বড়ই সুখের জীবন ঐ ব্যক্তির, যে ইসলামের হিদায়াত লাভ করেছে; প্রয়োজন অনুপাতে তার জীবিকার ব্যবস্থা হয়েছে এবং সে তাতে পরিতুষ্ট রয়েছে।’’ [তিরমিযি, আস-সুনান: ২৯৪৯; হাদিসটি হাসান সহিহ]
এমন অসংখ্য কোটিপতি আছে, যাদেরকে ‘ধনী’ বলার অবকাশ নেই। কারণ, এত এত টাকা-পয়সা থাকার পরও তাদের মনোভাব হলো ‘আরো চাই, আরো চাই’। তাদের পেট ভরে না; তারা তৃপ্ত হতে পারে না। তাদের অনেকের টাকার লোভ এত বেশি যে, কোটিপতি হওয়ার পরও ৫০০/১০০০ টাকার ঘুষ খায় বা এধরনের অন্যায় করে। যারা পরিতৃপ্ত নয়, তারা ধনী হয় কীভাবে?
অথচ, অনেক (আল্লাহ্ভীরু) মাদ্রাসার শিক্ষক, খেটে খাওয়া মানুষ, ছোটখাটো ব্যবসায়ী এবং অল্প বেতনের চাকুরিজীবী আছেন—সমাজে যাঁদের তেমন কোনো অবস্থান নেই—যাঁরা অল্পতেই তুষ্ট থাকতে জানেন। আল্লাহ্ তাদেরকে অল্প টাকায় তৃপ্তিদায়ক জীবনযাপনের তাওফিক দেন। অভাব-অনটন তাদের হৃদয়ের ধনাঢ্যতা কেড়ে নিতে পারে না। এই-যে হৃদয়ের ধনাঢ্যতা এবং অল্পেতুষ্টির মহান নিয়ামত, এগুলো পাওয়ার জন্য আল্লাহর দরবারে সিজদাবনত হতে হয়। এই নিয়ামত পেয়ে গেলে জীবন মধুময় হয়ে যায়। আল্লাহর নিকট দু‘আ করতে হবে, যাতে তিনি অল্পতেই বরকত দেন এবং বিপদ-আপদ, দুশ্চিন্তা-পেরেশানি ও বড় ধরনের রোগ-ব্যাধি থেকে হেফাজত করেন। দুশ্চিন্তা, মুসিবত এবং বড় রোগ থেকে আল্লাহ্ যাকে মুক্ত রাখেন, তার চেয়ে বড় ধনী কে আছে?
নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘সম্পদের প্রাচুর্য (প্রকৃত) সচ্ছলতা নয়; (প্রকৃত) সচ্ছলতা হলো, (অন্যের সম্পদের প্রতি) হৃদয় নির্মোহ থাকা।’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ৬৪৪৬; মুসলিম, আস-সহিহ: ১২০]

26/10/2020

একদিন নবিজি সাহাবিদের মাঝে বসা ছিলেন। হঠাৎ একজন নারী একটি কাপড় নিয়ে এসে বললেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি নিজ হাতে এই কাপড়টি বুনেছি। আমি চাই, আপনি এটি পরিধান করবেন।’ নবিজি খুবই আনন্দের সাথে সেটি গ্রহণ করলেন। মূলত তখন তাঁর একটি কাপড় দরকারও ছিল।
তিনি ঘরে গিয়ে সেটি পরিধান করে বের হলেন। উপস্থিত একজন সাহাবি এটা দেখে বললেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! কাপড়টি আমাকে দিয়ে দিন।’ তিনি বললেন, ‘‘আচ্ছা ঠিক আছে’’ বলে তিনি পুনরায় ঘরে প্রবেশ করলেন। পুরনো কাপড়টি আবার পরিধান করে নতুন কাপড়টি সেই সাহাবিকে দিয়ে দিলেন।
উপস্থিত লোকজন সাহাবিকে বললেন, ‘তুমি কাজটা ঠিক করলে না। তুমি তো জানতেই আল্লাহর রাসূল কারো আবদার ফিরিয়ে দেন না।’ তখন ঐ সাহাবি বলেন, ‘আল্লাহর কসম! রাসুলের বরকতময় চাদর মৃত্যুকালে আমার কাফন হবে—এই আশায়ই আমি চাদরটি চেয়েছি।’ [বুখারি, আস-সহিহ: ১১৯৮]
সেই সাহাবিকে তাঁর মৃত্যুর পর ঐ চাদর দিয়েই কাফন দেওয়া হয়েছিল।
_____________
সুবহানাল্লাহ! কত উত্তম ছিল তাঁর চরিত্র আর কী অসাধারণ ছিল তাঁর ধৈর্য! তাঁর ছিল না বিলাসবহুল কোন বাড়ি বা অঢেল ধন-সম্পদ। চোখে দেখেনি, এমন ১৬০ কোটিরও বেশি মানুষ ১৫০০ বছর পরও তাঁকে ফলো করছে। এত বছর আগে ইন্তেকাল করেছেন, অথচ এখনো কেউ তাঁর বিরুদ্ধে কিছু বলে পার পায় না। তাঁর সম্মান রক্ষায় কোটি প্রাণ উৎসর্গীত হতে সদা প্রস্তুত থাকে! হৃদয়ের মণিকোঠায় তাঁকে স্থান দেয়। এমন মানুষ আর কে আছে, যাঁর জন্য এমন নজিরবিহীন ভালোবাসা দেখানো হয়?

(P.B.U.H)
সল্লাল্লাহু 'আলান নাবিয়্যি মুহাম্মাদ
আল্লাহুম্মা সল্লি 'আলা মুহাম্মাদ, ওয়া 'আলা আলি মুহাম্মাদ


Address

Faridpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Quran Fm 99 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share