বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, রাজবাড়ী জেলা মহানগর

  • Home
  • Bangladesh
  • Faridpur
  • বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, রাজবাড়ী জেলা মহানগর

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, রাজবাড়ী জেলা মহানগর Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, রাজবাড়ী জেলা মহানগর, Hindu temple, Rajbari, Faridpur.

🙏 হরেকৃষ্ণ 🙏 একাদশী সংবাদ🌹আগামী ২০-০৩-২০২৪ ইং তারিখ রোজ বুধবার পবিত্র আমলকীব্রত একাদশীর উপবাস ব্রত। পারন পরেরদিন সকাল(বা...
18/03/2024

🙏 হরেকৃষ্ণ 🙏
একাদশী সংবাদ🌹
আগামী ২০-০৩-২০২৪ ইং তারিখ রোজ বুধবার পবিত্র আমলকীব্রত একাদশীর উপবাস ব্রত। পারন পরেরদিন সকাল
(বাংলাদেশ) ০৯:২৮-১০:০৪
(পশ্চিমবঙ্গ) ০৯:০১-০৯:৪২
তাই আসুন আমরা সবাই ভগবান প্রদত্ত একাদশী ব্রত পালন করি এবং মানব জীবন সার্থক করি।
🙏কৃপাকরে অাপনি নিজে একাদশী ব্রত পালন করুন ও অন্যকে একাদশী ব্রত পালনের জন্য উৎসাহিত করুন । সেনগ্রাম কেন্দ্রীয় কালী মন্দির, পাংশা, রাজবাড়ী ।

🙏❤️❤️একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য❤️❤️🙏
যুধিষ্ঠির বললেন, হে কৃষ্ণ! মহাফলদাতা বিজয়া একাদশীর কথা শুনলাম।এখন ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী যে নামে বিখ্যাত তা বর্ণনা করুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন, হে মহাভাগ যুধিষ্ঠির, মান্ধাতার প্রশ্নের উত্তরে মহাত্মা বশিষ্ঠ এই একাদশীর মহিমা কীর্তন করেছিলেন। আপনার কাছে এখন আমি সেই কথা বলছি।
এই একাদশীর নাম `আমলকী'। বিষ্ণুলোক প্রদানকারী রূপে এই একাদশী বিশেষভাবে মহিমান্বিত। একাদশীর দিন অামলকী বৃক্ষের তলে রাত্রি জাগরণ করলে সহস্র গাভীদানের ফল লাভ হয়।
হে পান্ডুনন্দন, পূর্বে ব্রহ্মার রাত্রিতে দৈনন্দিন প্রলয় উপস্থিত হলে স্থাবর জঙ্গমসহ দেবতা,অসুর ও রাক্ষস সবকিছুর বিনাশ হয়। তখন ভগবান সেই কারনসমুদ্রে অবস্থান করেন। তাঁর মুখপদ্ম থেকে চন্দ্রবর্ণের এক বিন্দু জল ভূমিতে পড়ে। সেই জলবিন্দু থেকে একটি বিশাল আমলকী বৃক্ষ উত্পন্ন হয়। এই বৃক্ষের স্মরণমাত্র গোদানের ফল, দর্শনে তার দ্বিগুন, এবং ফলভক্ষনে তিনগুন ফল লাভ হয়। এই বৃক্ষে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর সর্বদা অবস্থান করেন। এর প্রতিটি শাখা প্রশাখা ও পাতায় ঋষি, দেবতা ও প্রজাপতিগণ বাস করেন।এই বৃক্ষকে সমস্ত বৃক্ষের আদি বলা হয়। এবং তা পরম বৈষ্ণব রূপে বিখ্যাত।অতএব এই শ্রেষ্ঠ ব্রত সকলেরই পালনীয়।এখন এই ব্রতের এক অদ্ভূত ইতিহাস আপনাকে বলছি।
প্রাচীনকালে বৈদিশ নামে এক প্রসিদ্ধ নগর ছিল।এখানকার রাজা ছিলেন চৈত্ররথ।চন্দ্রবংশীয় পাশবিন্দুক রাজার পুত্ররূপে তিনি জন্মগ্রহন করেছিলেন।তিনি খুব শক্তিমান ও রাজঐশ্বর্যশালী ছিলেন।শাস্ত্রজ্ঞানেও ছিলেন নিপুণ।তার রাজ্যে দিব্য আনন্দ পূর্ণ মনোরম পরিবেশ ছিল।প্রজারা ছিলেন বিষ্ণুভক্তিপরায়ণ।সকলেই একাদশী ব্রত পালন করতেন।রাজ্যে কোনো অভাব অমঙ্গল ছিলনা।এভাবে প্রজাদের নিয়ে রাজা সুখে দিনযাপন করতেন।
একসময় ফাল্গুনী শুক্লপক্ষের দ্বাদশীযুক্তা আমলকী একাদশী তিথি সমাগত হওয়ায় রাজ্যের সকলেই এই ব্রত পালনের সংকল্প করলেন।ঐদিন প্রাতঃস্নানের পর প্রজাদের নিয়ে রাজা ভগবান শ্রীবিষ্ণুর মন্দিরে যান। সেখানে সুবাসিত জলপূর্ণ কলস, ছত্র, বস্ত্র, পাদুকা, পঞ্চরত্ন ইত্যাদি দিয়ে সাজিয়ে স্থাপন করেন। তারপর ধূপ দীপ দিয়ে যত্নসহকারে মুনি ঋষিদের দ্বারা শ্রীপরশুরাম মূর্তি সমন্বিত আমলকীর পূজা করেন। `হে পরশুরাম! হে রেণুকার সুখবর্ধক! হে ধাত্রী! হে পাপবিনাশিনী আমলকী! তোমাকে প্রনাম। আমার অর্ঘ্যজল গ্রহন কর।' এইভাবে দিনে যথাবিধি পূজা স্তবস্তুতি নৃত্যগীত করে রাজা ভক্তিভরে সেই বিষ্ণু মন্দিরে রাত্রি জাগরণ করতে লাগলেন। এমন সময় দৈব যোগে এক ব্যধ সেখানে উপস্থত হয়। পূজার সামগ্রীসহ বহু ব্যক্তিকে একত্রে রাত্রিজাগরণ করতে দেখে সে কৌতুহলাক্রান্ত হল। সে ভাবল, এসব কি ব্যাপার? বিষ্ণু মন্দিরে প্রবেশ করে সে বসে পড়ল। কলসের উপরে স্থাপিত বিষ্ণুমূর্তি দর্শন করল। ভগবান বিষ্ণু ও একাদশীর মাহাত্ম্য সে মনোযোগ দিয়ে শুনল। সারাদিন ঐ ব্যাধ কিছুই আহার করেনি। এইভাবে ক্ষুধায় কাতর হয়ে সেখানে সে রাত্রিজাগরণ করল।
পরদিন প্রজাসহ রাজা নগরের দিকে যাত্রা করলেন। ব্যাধও তার গৃহে ফিরে গেল।এরপর একসময় তার মৃত্যু হল। একাদশীতে রাত্রি জাগরণ ব্রত প্রভাবে সে পরবর্তী জন্মে এক রাজ্যের অধীশ্বর রূপে নিযুক্ত হল।
জয়ন্তী নামে এক নগরী ছিল। সেখানে বিদূরথ নামে এক রাজা বাস করতেন। ঐ ব্যাধ বিদূরথ রাজার মহাবলী পুত্ররূপে জন্মগ্রহন করেন। তার নাম হয় বসুরথ।এক লক্ষ গ্রামের আধিপত্য তিনি লাভ করলেন। তিনি ছিলেন সূর্যের মতো তেজস্বী, চন্দ্রের মতো কান্তিমান ও পৃথিবীর মতো ক্ষমাশীল। বিভিন্ন সদ্ গুণে ভূষিত বসুরথ পরম বিষ্ণুভক্তি পরায়ণ হন।
এই মহাদাতা রাজা একবার শিকার করতে গিয়ে পথ ভুলে যান। গভীর জঙ্গলের মধ্যে ক্ষুধায় পীড়িত হয়ে তিনি ক্লান্তিবশতঃ শুয়ে পড়েন।এমন সময় কতগুলি পর্বত নিবাসী ম্লেচ্ছ রাজার কাছে এসে নানা ভাবে উত্ পীড়ণ করতে থাকে। রাজাকে তাদের শত্রু মনে করে তারা তাকে হত্যা করতে চেষ্টা করে। "পূর্বে এই রাজা আমাদের পিতা-মাতা-পুত্র-পৌত্র সবাইকে মেরে ফেলেছে।আমাদের গৃহছাড়া করেছে।" এরকম বলতে বলতে ম্লেচ্ছরা রাজাকে হত্যা করতে উদ্যত হয়। তারা বিভিন্ন অস্ত্র শস্ত্রে তাঁকে আঘাত করতে লাগল। আশ্চর্যজনক ভাবে সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। রাজার কোনো ক্ষতি তারা করতে পারলনা। তখন রাজার শরীর থেকে নানা অলংকারে বিভূষিতা এক পরমা সুন্দরী স্ত্রীমূর্তি আবির্ভূতা হন।মহাশক্তিধারিণী ঐ নারী অল্প সময়ের মধ্যেই সকল পাপী ম্লেচ্ছকে নিধন করল। রাজার নিদ্রাভঙ্গ হল।ভয়ানক হত্যাকান্ড দেখে তিনি অত্যন্ত বিস্মিত হলেন।
তিনি বললেন, আহা, আমার শত্রুদের হত্যা করে কে আমার প্রান রক্ষা করল, এমন কৃপালু কে আছে? আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। এমন সময় দৈববানী হল, ভগবান কেশব ব্যতীত শরনাগতকে রক্ষা করার কে আছে? তিনি শরনাগত পালক। এই শুনে ভক্তিযুক্ত চিত্তে গৃহে ফিরে এলেন।প্রজাসহ মহাসুখে ইন্দ্রের মতো নিষ্কন্টক রাজ্য ভোগ করতে লাগলেন।
বশিষ্ঠ বললেন, হে রাজন, যে মানুষ এই পরম উত্তম আমলকী একাদশী ব্রত পালন করেন, তিনি নিঃসন্দেহে বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হন।
Follow our page/YouTube/Instagram/Twitter: GaurNitaiTV

একাদশী বার্তা 🌺আগামী ০৬ই মার্চ ২০২৪ ইং বুধবার২২শে ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ পবিত্র বিজয়া একাদশী পারনঃ পরের দিন সকাল ০৬:১৪ থে...
05/03/2024

একাদশী বার্তা 🌺

আগামী ০৬ই মার্চ ২০২৪ ইং বুধবার
২২শে ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
পবিত্র বিজয়া একাদশী
পারনঃ পরের দিন সকাল ০৬:১৪ থেকে ১০:১০ মি: মধ্যে ঢাকা, বাংলাদেশ সময় এবং সকাল ০৫:৫১ থেকে ০৯:৪৮ মি: মধ্যে কলকাতা, ভারত সময়।

ব্রত ও মাহাত্ম্যকথাঃ স্কন্দপুরাণে এই একাদশী মাহাত্ম্য এইভাবে বর্নিত রয়েছে। যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণকে বললেন — হে বাসুদেব! ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর মাহাত্ম্য অনুগ্রহ করে আমাকে বলুন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন হে যুধিষ্ঠির! এই একাদশী, বিজয়া, নামে পরিচিত। এই একাদশী সম্পর্কে একসময় দেবর্ষি নারদ স্বয়ম্ভূ ব্রহ্মাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তিনি এই প্রসঙ্গে যা বলেছিলেন, তা আমি এখন তোমাকে বলছি। এই পবিত্র পাপবিনাশকারী ব্রত মানুষকে জয় দান করে বলে, বিজয়া,নামে প্রসিদ্ধ। পুরাকালে শ্রীরামচন্দ্র চৌদ্দ বছরের জন্য বনে গিয়েছিলেন। সীতা ও লক্ষণের সঙ্গে তিনি পঞ্চবটী বনে বাস করতেন।সেই সময় লঙ্কাপতি রাবন সীতাকে হরণ করে। সীতার অনুসন্ধানে রাম চন্দ্র চতুর্দিক ভ্রমন করতে থাকেন। তখন মৃতপ্রায় জটায়ুর সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। জটায়ু রাবণের সীতাহরণের সমস্ত বৃত্তান্ত রামচন্দ্রকে জানিয়ে মৃত্যুবরন করে। এরপর সীতা উদ্বারের জন্য বানররাজ সুগ্রীবের সাথে বন্ধুত্ব করেন। ভগবান রামচন্দ্রের কৃপায় হনুমান লঙ্কায় গমন করেন।সেখানে আশোক বনে সীতাদেবীকে দর্শন করে শ্রীরাম প্রগত অঙ্গুরীয় (আংটি) তাকে অর্পণ করেন। ফিরে এসে শ্রীরামচন্দ্রের কাছে লঙ্কার সমস্ত ঘটনার কথা ব্যক্ত করেন। হনুমানের কথা শুনে রামচন্দ্র সুগ্রীবের পরামর্শে সমুদ্রতীরে যান।সেই দুস্তর সমুদ্র দেখে তিনি লক্ষ্মণকে বলেলেন —হে লক্ষ্মণ! কিভাবে এই অগাধ সমুদ্র পার হওয়া যায়। তার কোন উপায় খুঁজে পাচ্ছি না। উত্তরে লক্ষ্মণ বলেলেন —হে পুরুষোত্তম! সর্বজ্ঞাতা আদিদেব আপনি, আপনাকে আমি কি উপদেশ দেব? তবে বক্দালভ্য নামে এক মুনি এই দ্বীপে বাস করেন। এখান থেকে চার মাইল দূরে তার আশ্রম। হে রঘব, আপনি সেই প্রাচীন ঋষিশ্রেষ্ঠকে এর উপায় জিজ্ঞাসা করুন।,লক্ষ্মণের মনোরম কথা শুনে, তারা সেই মহামুনির আশ্রমে উপনীত হলেন।

ভগবান রামচন্দ্র ভক্তরাজ সেই মুনিকে প্রণাম করলেন। মুনিবর রামচন্দ্রকে পুরাণপুরুষ বলে জানতে পারেলেন। আনন্দভরে জিজ্ঞাসা করলেন —হে রামচন্দ্র! কি কারনে আপনি আমার কাছে এসেছেন, তা কৃপা করে বলুন। শ্রীরামচন্দ্র বলেলেন —হে মুনিবর! আপনার কৃপায় সৈন্যসহ আমি এই সমুদ্র তীরে উপস্থিত হয়েছি। রাক্ষসরাজের লঙ্কা বিজয় করাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য। যাতে এই ভয়ঙ্কর সমুদ্র উর্ত্তীন হতে পারি তার উপায় জানবার জন্য আমরা আপনার কৃপা প্রার্থনা করি।মুনিবর প্রসন্নচিত্তে পদ্মলোচন ভগবান শ্রীরামচন্দ্রকে বলেলেন —’হে রাম। আপনার অভীষ্ট সিদ্বির জন্য যে শ্রেষ্ঠ ব্রত করণীয় আমি তা বলছি।ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের ’ বিজয়া’ নামক একাদশী ব্রতপালনে আপনি নিশ্চয়ই সৈন্যসহ সমুদ্র পার হতে পারবেন। এই ব্রতের বিধি শ্রবন করুন। বিজয় লাভের জন্য দশমীর দিনে সোনা, রুপা,তামা অথবা মাটির কলস সংগ্রহ করে তাতে জল ওআমপাতা দিয়ে সুগন্ধি চন্দনে সাজিয়ে তার উপর সোনার নারায়ণমূর্তি স্থাপন করবেন।একাদশীর দিন যথাবিধি প্রাতঃস্নান করে কলসের গলায় মালা চন্দন পড়িয়ে উপযুক্ত স্থানে নারিকেল ওগুবাক দিয়ে পূজা করবেন। এরপর গন্ধ, পুষ্প, তুলসী, ধুপ-দ্বীপ নৈবিদ্যি ইত্যাদি দিয়ে পরম ভক্তিসহকারে নারায়ণের পূজা করে হরিকথা কীর্তন সমস্ত দিন যাপন করবেন। রাএি জাগরন করে অখন্ড ঘি-প্রদীপ প্রজ্বলিত রাখবেন। দ্বাদশীর দিন সুর্যোদয়ের পর সেই কলস বিসর্জনের জন্য কোন নদী, সরোবর বা জলাশয়ের কাছে গিয়ে বিধি অনুসারে পূজা নিবেদনের পর তা বিসর্জন দেবেন।তার পর ঐ মুর্তি বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণকে দান করবেন। এই ব্রত প্রভাবে নিশ্চয়ই আপনার বিজয় লাভ হবে। ব্রহ্মা বলেলেন —হে নারদ! ঋষির কথামতো ব্রত অনুষ্ঠানের ফলে তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন।সীতাপ্রাপ্তি, লঙ্কাজয়,রাবণবধের মাধ্যমে শ্রীরামচন্দ্র অতুল কীর্তি লাভ করেছিলেন। তাই যথাবিধি যে মানুষ এই ব্রত পালন করবেন তাদের এজগতে জয়লাভ এবং পরজগতে অক্ষয় সুখ সুনিশ্চিত জানবে। হে যুধিষ্ঠির! এই কারণে এই বিজয়া একাদশী ব্রত পালন অবশ্য কর্তব্য। এই ব্রতকথায় শ্রবন-কীর্তন মাএেই বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

শুভ জন্মাষ্টমীআগামীকাল বুধবার ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইংমহাবতার পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের ৫২৪৯ তম,শুভ আবির্ভাব পূর্ণ তিথি উপ...
05/09/2023

শুভ জন্মাষ্টমী
আগামীকাল বুধবার ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং
মহাবতার পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের ৫২৪৯ তম,শুভ আবির্ভাব পূর্ণ তিথি উপলক্ষে সনাতনী সম্প্রদায় এবং বিশ্ববাসীর কল্যাণ ও মঙ্গল কামনা করছি।।।
"""হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে"""

08/07/2023

অষ্টসখি সম্প্রদায় একনাম কীর্তন ।

06/07/2023

শ্যামা পূজা সম্প্রদায, মাগুরা । শ্যামা সম্প্রদায, মাগুরা ।

কৃষ্ণ নাম ত সবাই করি,সবাই ভগবানকে ভালোবাসি। শুধু কী নাম করলেই হয়?শাস্ত্রে বললেন...একবার কৃষ্ণ নামে যত পাপ হরে,জীবের সাধ্...
24/12/2022

কৃষ্ণ নাম ত সবাই করি,সবাই ভগবানকে ভালোবাসি। শুধু কী নাম করলেই হয়?
শাস্ত্রে বললেন...
একবার কৃষ্ণ নামে যত পাপ হরে,
জীবের সাধ্য নাই তত পাপ করে।
হেনো কৃষ্ণ নাম জীব লহে বহুবার,
তথাপি না হয় প্রেম,না বহে অশ্রু ধার।
জানিবে সেই জন অপরাধ আশ্রয়ে প্রচুর,
কৃষ্ণ প্রেমের বীজ তাতে না হয় অম্কুর।
বিঃ দ্রঃ কৃষ্ণ নাম করার সময় যেই ভক্ত দু-ফোটা চোখের জল দিতে পারে তার ডাক সার্থক হয়।
ভক্তের চোখের জল ভগবান কখনোই সহ্য করতে পারে না।
🌿🙏হরে কৃষ্ণ 🙏🌻

24/10/2022
হরে কৃষ্ণবিরোধিতা শক্তির প্রমাণ হয় না। শক্তিমান সেই যে সহনশীল, সহ্য করতে পারে। যখন হৃদয় থেকে ক্রোধ আর বিরোধিতা দূর হয়...
05/07/2022

হরে কৃষ্ণ

বিরোধিতা শক্তির প্রমাণ হয় না। শক্তিমান সেই যে সহনশীল, সহ্য করতে পারে। যখন হৃদয় থেকে ক্রোধ আর বিরোধিতা দূর হয়ে যায়, তখন সহনশক্তি ধর্মের শক্তিতে পরিণত হয়। ক্রোধ থেকে প্রতিশোধের জন্ম হয় আর ধর্ম থেকে ন্যায় জন্মায়। তোমার জীবনেও যদি এমন সময় আসে, যখন তোমার উপর কোন অন্যায় হয় তবে ন্যায় করার পূর্বে নিজের ক্রোধের উপর অঙ্কুশ অবশ্যই রেখো।
─── (ভগবান শ্রীকৃষ্ণ)

দ্রৌপদীকে দেয়া ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শ্রেষ্ঠ কিছু বানীরাজসভায় উপস্থিত সকল পুরুষদের দ্বারা চরম অপমানিত ও লাঞ্চিত হবার পর দ্র...
02/07/2022

দ্রৌপদীকে দেয়া ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শ্রেষ্ঠ কিছু বানী

রাজসভায় উপস্থিত সকল পুরুষদের দ্বারা চরম অপমানিত ও লাঞ্চিত হবার পর দ্রোপদী যখন ইদ্রপ্রস্তে রুদ্ধ দ্বারে নিজকে বন্ধী করেছিলেন তখনবাসুদেব শ্রীকৃষ্ণ দ্রোপদীকে যে সকল বানী দিয়ে উদ্দিপ্ত করেছিলেন সেই সব উক্তি ধ্বংস হয়ে যাওয়া মনের মানুষকে জাগিয়ে তুলতে শ্রেষ্ঠ বানী।

শ্রী কৃষ্ণ সখী দ্রৌপদীকে বলছেন-

🌴 সখী, নদীর জলে স্নান করে সকলের পাপ মোচন হয়, কিন্তু নদী কখনো পাপ যুক্ত হয় না এতে। অধর্ম ও পাপ করেছে কুরুরা তুমি কেন নিজেকে পীড়ায় আচ্ছন্ন করে রেখেছ সখী?

নদীতে ময়লা পড়লে সেই ময়লা নদী সমুদ্রের সাথে মিশিয়ে দিয়ে নিজে নির্মল থাকে। সকলকে ক্ষমা করে দাও এবং নিজের সকল দুঃখকে
পরমাত্মার সাথে একিভুত করে নিজেকে গ্লানি মুক্ত কর।

🌴 প্রতিশোধ কখনো ধর্ম হতে পারে না, প্রতিশোধ হলো অধার্মিকের অধর্ম। তুমি নিজের কথা ভাবছ সখী ? এক বার ভেবে দেখ চক্রবর্ত্তী সম্রাটের রানী হয়ে তোমার যদি এই পরিনতি হয় তবে সাধারণ স্ত্রী লোকের কি পরিনতি হবে ওদের হাতে?
শুধু নিজের কথা ভেবোনা সখী, সংসারের কথা ভাব।

নিজের পীড়ায় আবদ্ধ হলে মানুষ শক্তি হীন হয়ে পরে, আর বিশ্বসংসারের সকলের পীড়ার কথা মনে করলে মানুষ শক্তিশালী হয়ে উঠে। নিজের পীড়া দ্বারা বিশ্বসংসারের পীড়াকে অনুভব কর সখী। দুর্যধনকে ক্ষমা করে দাও সখী, তোমার ক্ষমাই হবে ওর বিনাসের প্রথম
পদক্ষেপ।

19/04/2022

রঙ চালান

16/04/2022

কাঁটা ভাঙার রাতের

16/04/2022

বাঘে ধান খেয়ে যায়, তাই বাঘের মেরে ফেলা হলো।

Address

Rajbari
Faridpur
7720

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, রাজবাড়ী জেলা মহানগর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category