Islami Dawah Center

Islami Dawah Center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islami Dawah Center, Religious organisation, সুবিদপুর পীর সাহেবের বাড়ি, Faridganj.
(1)

জান্নাতের পথে মানুষদের ডাকা এবং ভালো কাজে একে অপরকে সাহায্য করা। বিস্তারিত জানতে কল অথবা মেসেজ করুনঃ +966 5494 85900 অথবা +88 01716 988 953 - আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন - https://islamidawahcenter.com/about-idc/ এটা সুবিদপুর দরবার শরীফের ( ইসলামিক দাওয়াহ সেন্টার ) অফিসিয়াল গ্রুপ, এই দাওয়াহ সেন্টার এর কাজ জান্নাতের পথে মানুষদের ডাকা এবং ভালো কাজে একে অপরকে সাহায্য করা। এটি চাঁদপুর জেলার, ফরিদগঞ

্জ থানার, সুবিদপুর গ্রামে অবস্থিত। তাই বিশেষ করে সুবিদপুর গ্রামের, ফরিদগঞ্জ থানার, চাঁদপুর জেলার সব মানুষ সহ তামাম দুনিয়ার মুসলিমদেরকে এই গ্রুপে অ্যাড করুন. বিশেষ করে যারা ইসলামিক দাওয়ার কাজ করতে চায়, নিজে ভালো থাকতে চায় এবং তার আসে পাশের মানুষদেরকে ভালো রাখতে চেস্টা করে।

যারা নিজে ইসলামের পথে চলতে চান এবং অন্যদেরকে ইসলামের পথে ডাকতে চান। এটা আপনার ইমানি দায়িত্ব, হতে পারে এই ১ মিনিটের কাজের জন্য কাল কিয়ামতের কঠিন মুসিবতের দিন আপনি নাজাত পেয়ে যাবেন। আল্লাহ্‌ আমাদের নাজাত কারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করুন। আমীন, সুম্মা আমীন।
আর সকলে এই পেজে ইসলামিক লিখা রেফারেন্স সহ পোস্ট করুন, আমি মনে করি ইসলামিক লিখার জন্য কারটেসি দেয়ার দরকার নাই, কারন যারা ইসলামিক লিখা লিখেন তারা মন থেকে ইসলাম প্রচারের জন্য লিখেন , নিজের জন্য না, তারা সত্যি কারে চায় ইসলামের সুন্দর বাণী সবার মাঝে চড়িয়ে পড়ুক। কারন এটা সবার ইমানি দায়িত্ব। তাই বিভিন্ন ইসলামিক পেজ থেকে কপি পেস্ট করেই পোস্ট শুরু করুন, তবে যানারা লিখেন, ওনাদেরকে কারটেসি দিলে ওনারা লিখতে আরো বেশি উৎসাহ পাবেন, আমরাও ভালো ভালো লিখা বেশি বেশি পাবো ও কপি পেস্ট এর অন্যায় থেকে মুক্ত থাকবো, আমীন, আল্লাহ্‌ আমাদেরকে ভালো কাজের উপর মৃত্যু পর্যন্ত বহাল রাখুন। আল্লাহ্‌-হুম্মা-আমীন

মূল প্রশ্ন (নীতিগতভাবে)যদি কোনো মুসলিম জেনে-বুঝে মন্দির/গাইরুল্লাহর ইবাদতখানায় অনুদান দেয়—এর শরয়ি বিধান কী?১) কোরআনের স্...
02/02/2026

মূল প্রশ্ন (নীতিগতভাবে)

যদি কোনো মুসলিম জেনে-বুঝে মন্দির/গাইরুল্লাহর ইবাদতখানায় অনুদান দেয়—এর শরয়ি বিধান কী?

১) কোরআনের স্পষ্ট মূলনীতি (তাশকীলসহ)

শির্কে সহযোগিতা নিষিদ্ধ

> وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ
“গুনাহ ও সীমালঙ্ঘনে একে অপরকে সহযোগিতা করো না।”
সূরা আল-মায়েদাহ: ٢

➡️ গাইরুল্লাহর ইবাদত পরিচালনায় অর্থ দেওয়া সরাসরি ‘ইثم’-এ সহযোগিতা।

মসজিদ ছাড়া অন্য ইবাদতখানা কুফরের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত

> وَالَّذِينَ اتَّخَذُوا مَسْجِدًا ضِرَارًا وَكُفْرًا
“আর যারা ক্ষতি ও কুফরের উদ্দেশ্যে ইবাদতস্থান নির্মাণ করেছে…”
সূরা আত-তাওবা: ١٠٧

➡️ কুফরভিত্তিক ইবাদতস্থানের সহযোগিতা নিষিদ্ধতার দলিল।

২) সহীহ হাদিস (তাশকীলসহ)

> مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ
“যে যে জাতির অনুকরণ করে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।”
সুনান আবু দাউদ: ٤٠٣١

➡️ শির্কের কাজকে সমর্থন/সহযোগিতা করা তাশাব্বুহ ও তায়ীদ।

৩) চার মাযহাবের ইমামদের উসূলি সিদ্ধান্ত

হানাফি মাযহাব

কুফরি কাজে অর্থ সহায়তা করা হারাম

যদি শির্কে সন্তুষ্টি থাকে → কুফর পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কা

ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়া

মালিকি মাযহাব

গাইরুল্লাহর ইবাদতকে সাহায্য করা হারাম ও কবিরা গুনাহ

ধর্মীয় সম্মান দেখালে ঈমান নষ্ট হওয়ার ভয়

আশ-শিফা, কাদি ইয়াদ

শাফেয়ি মাযহাব

শির্কের প্রতীককে সাহায্য করা হারাম

সন্তুষ্টি/সমর্থনের নিয়ত থাকলে কুফর

রওদাতুত তালিবীন

হাম্বলি মাযহাব

কুফরি ইবাদতকে সহযোগিতা করা হারাম

শির্ককে ভালো মনে করলে → স্পষ্ট কুফর

আল-মুগনী, ইবন কুদামা

৪) আহলুস সুন্নাহর ইজমা (সারসংক্ষেপ)

শির্ক ও কুফরি ইবাদতের কাজে অর্থ, জায়গা, প্রচার—যেকোনো সহযোগিতা হারাম।
যদি কেউ এটাকে ভালো মনে করে বা সমর্থন করে—তা ঈমানবিধ্বংসী হতে পারে।

৫) গুরুত্বপূর্ণ ফারাক (খুব জরুরি)

দুটি জিনিস আলাদা করে বুঝতে হবে:

1️⃣ মানবিক সাহায্য

গরিব অমুসলিমকে খাবার/চিকিৎসা দেওয়া → ✅ জায়েজ

2️⃣ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান

মন্দির/গির্জা/শির্কের ইবাদতখানায় অনুদান → হারাম

শির্কের কাজে সহযোগিতা →

৬) “তিনি পীর”—এই দাবি সম্পর্কে শরয়ি কথা

ইসলামে কেউ পীর/আলেম/নেতা হলেই ভুল মাফ হয়ে যায় না।

> إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ
“আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান সেই, যে বেশি তাকওয়াবান।”
সূরা আল-হুজুরাত: ١٣

➡️ পদবি নয়, আকিদা ও আমলই মাপকাঠি।

চূড়ান্ত শরয়ি সিদ্ধান্ত (নীতিগত ফতোয়া)

যদি কোনো মুসলিম জেনে-বুঝে মন্দিরে অনুদান দেয়, তাহলে—

তা হারাম ও কবিরা গুনাহ

শির্কের কাজে সহযোগিতা

শির্ককে সমর্থন/ভালো মনে করলে → ঈমান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা

তওবা করা ফরজ

তবে:

> নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে কাফির/মুশরিক বলা ফতোয়ার বিষয়, ব্যক্তিগত আবেগের নয়
প্রমাণ, নিয়ত ও ব্যাখ্যা ছাড়া কাউকে তাকফির করা হারাম

আমাদের কাজ:

ভুল আমলকে ভুল বলা

ব্যক্তির হাশরের ফয়সালা আল্লাহর কাছে ছেড়ে দেওয়া

উম্মাহকে শির্ক থেকে বাঁচানো।

20/01/2026

The Prophet ﷺ said:
“There is nothing like marriage, for two who love one another.”
Ibn Majah 1847 (Hasan)

11/01/2026

এই সময়ে একজন আলেমের সবচেয়ে বড় ইবাদত সৎভাবে সম্পদশালী হওয়া, যাতে দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে ঘুষখোরদের দরজায় রশিদ হাতে দাঁড়াতে না হয়।

21/12/2025

রজব মাস শুরু হয়েছে। ৬০ দিন বাকি,
হে আল্লাহ! রজব ও শাবানে বরকত দিন, আমাদের রমাযান পর্যন্ত পৌঁছে দিন।

01/12/2025

বাউলদের ব্যাপারে সাবধান! ধর্মীয় বিধান ও আকীদার ব্যাপারে সতর্ক থাকা আমাদের সবার জন্য জরুরি। শিরক ও কুফরি থেকে বাঁচা প্রত্যেক মুমিনের দায়িত্ব। আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক আকীদায় দৃढ़ রাখুন এবং বিভ্রান্তি থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

কেমন ছিলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ ২৪ ঘণ্টা?১১ রবিউল আউয়াল আনুমানিক দুপুর ১২টায় কয়েকদিনে...
29/11/2025

কেমন ছিলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ ২৪ ঘণ্টা?


১১ রবিউল আউয়াল আনুমানিক দুপুর ১২টায় কয়েকদিনের অসুস্থতার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিছুটা সুস্থ অনুভব করেন।

যুহরের নামাজের পর, অর্থাৎ আনুমানিক দুপুর ১.৩০ এ তিনি তাঁর দুই চাচাতো ভাই আলী ও ফদল ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমার কাঁধে ভর করে মসজিদে যান।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মসজিদে আসতে দেখে সাহাবীরা খুশি হন। মসজিদে গিয়ে তিনি ঘোষণা করেন— যার ওপর আমার হক আছে, সে যেন এসে নিয়ে যায়।

তখন সাহাবী উকাশা ইবনে মিহসান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন বদর যুদ্ধের কিসাসের কথা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বদরের দিন তাঁকে মিসওয়াক দিয়ে সামান্য আঘাত করেছিলেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনুমতি দিলে উকাশা অদ্ভুত একটি কাজ করেন!

তিনি ক্ষতিপূরণ হিশেবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পেটে চুমু দিলেন!


বিকেল ৩.৩০ অর্থাৎ আসরের পর থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আবার অসুস্থতা শুরু হয়।

আস্তে আস্তে জ্বর বাড়তে থাকে। তিনি মাগরিবের নামাজে যেতে পারেননি। তাঁর অনুপস্থিতিতে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু মাগরিবের নামাজের ইমামতি করেন।

রাত ৮টা। এশার নামাজের সময় তিনি ওঠার চেষ্টা করেন। কিন্তু তীব্র জ্বরে ওঠার সামর্থ্য ছিলো না। অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিলেন!

রাত ১০ টার পর তিনি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কোলে মাথা রেখে শুয়ে থাকেন। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা পানির পাত্রে হাত ডুবিয়ে তাঁর মুখ মুছে দেন।

আনুমানিক রাত ২ টার পর থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিনমিন করে দুআ করতে থাকেন— "আল্লাহুম্মা রফীকুল আ'লা।"


১২ রবিউল আউয়াল, ভোর ৫.১৫।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের নামাজের সময় ঘর থেকে পর্দা সরান। সাহাবীদেরকে নামাজে দেখতে পেয়ে তিনি সন্তুষ্টমনে হাসেন। সাহাবীদের মনে হচ্ছিলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বুঝি সুস্থ হয়ে ওঠেছেন, তিনি নামাজ পড়াতে আসবেন।

আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু ইমামতি ছেড়ে পেছনে আসতে চাইলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বুঝালেন— ইমামতি চালিয়ে যেতে।

তিনি শুধু আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে নামাজ চালিয়ে যেতে বলেন, এইদিন জামআতে অংশগ্রহণ করেননি।

তাঁর এই অবস্থা দেখে সাহাবীরা ভেবেছিলেন— এই তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুস্থ হয়ে ওঠেছেন।

আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু নামাজ শেষে চলে যান তাঁর একজন স্ত্রী হাবিবা বিনতে খারিজা রাদিয়াল্লাহু আনহার বাড়ি। মসজিদে নববী থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে।


ফজরের পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শারীরিক অবস্থা দুর্বল হতে থাকে। তিনি চেতন হচ্ছিলেন, আবার অচেতন হচ্ছিলেন।

একবার চেতনা ফিরে পাবার পর দেখতে পেলেন আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা মিসওয়াক করছেন। তখন তাঁকে বলেন তাঁর জন্য মিসওয়াক নরম করে দিতে।

আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা মিসওয়াক নরম করে দিলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিসওয়াক করেন।

বলা হয়ে থাকে, এটা ছিলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের বাহ্যিক সর্বশেষ আমল— মিসওয়াক করা।

তখন ঘড়ির কাটায় আনুমানিক সকাল ৮ টা।


এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃদুস্বরে উপদেশ দিলেন— নামাজ...নামাজ...নামাজ। তোমরা দাস-দাসীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো।


১২ রবিউল আউয়াল সকাল আনুমানিক ১০ টা থেকে ১১.৩০।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শরীর দুর্বল হয়ে আসে।

তিনি ছিলেন তখন আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কোলে। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা উদ্বিগ্ন।

তিনি বুঝতে পারছেন রাসূলুল্লাহর নিঃশ্বাস ভারি হচ্ছে, তাঁর শরীরে ঢলে পড়ছেন।

বারবার তিনি উপরের দিকে তাকাচ্ছিলেন, যেন কিছু দেখতে পাচ্ছেন। আর বলছেন- ...রফীকুল আ'লা...।

হঠাৎ আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা খেয়াল করলেন তাঁর কোল ভারী হয়ে আসছে। যেন পুরো শরীর তার কোলে ঢলে পড়লো!

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে পবিত্র দেহ মোবারক নিথর হয়ে আছে। কোনো সাড়াশব্দ নেই, শরীরের কোনো স্পন্দন নেই!

১৮ বছর বয়সী আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার বুঝতে বাকি রইলো না— পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ পৃথিবীর সফর শেষ করে আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে গেছেন!

ইন্নালিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজীউন!

সাহাবীরা বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তাঁদের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। এইতো ৪-৫ ঘণ্টা আগেও তিনি ফজরের নামাজের সময় পর্দা তুলে তাকিয়ে হেসেছিলেন।

তাঁর হাসি দেখে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুই তো ভেবেছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুস্থ হয়েছেন, তিনি চলে গিয়েছিলেন দূরে।

কিন্তু, কে জানতো ফজরের নামাজে যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁদের দিকে তাকিয়েছিলেন, এটাই ছিলো সাহাবীদের দিকে তাঁর শেষ তাকানো!

সাহাবীরা পাগলের মতো চারিদিকে ছুটছেন। বুঝতেই পারছেন না কী হলো।

উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তো মসজিদে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিলেন— যে বলবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকাল করেছেন, তাকে এই তরবারি দিয়ে হত্যা করবো!

অনেকেই ভাবছে, এটা বুঝি উহুদ যুদ্ধের সেই গুজবের মতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবার উঠে দাঁড়াবেন। তিনি কীভাবে ইন্তেকাল করতে পারেন!?

আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন- “যে দিন নবী ﷺ আমাদের মাঝে এসেছিলেন, সেই দিনের মতো উজ্জ্বল দিন আর কখনো দেখিনি।
আর যে দিন তিনি ইন্তেকাল করলেন, সেই দিনের মতো অন্ধকার দিনও আর কখনো দেখিনি!”

১২ রবিউল আউয়াল আনুমানিক সকাল ১০-১১.৩০ এর মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকাল করেন।

অর্থাৎ যুহরের নামাজের আগেই।


চিন্তা করুন, তাঁর ইন্তেকালের পর যুহরের আযান দিতে গিয়ে কী অবস্থা হয়েছিলো বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুর?

'আসহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ' বলার পর তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান!

কেনোই বা পড়বেন না?

গত ১০ বছর ধরে প্রায় ১৮,২৫০ ওয়াক্ত নামাজের আযান দেবার সময় যখন বলতেন 'আসহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ', তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর আশেপাশেই থাকতেন।

আর এবার যখন আযান দিতে গেলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়ার বুকে নেই!

চিন্তা করুন, কেমন ছিলো সাহাবীদের সেদিনের মানসিক অবস্থা!

আল্লাহ যদি আত্মহত্যা 'হালাল' করতেন, সেদিন কয়েকশো সাহাবী কি সেই পথ বেছে নিতেন?

সাহাবীদের জীবনে সেই দিনটি ছিলো তাদের সবচেয়ে সবচেয়ে কষ্টের দিন!

কেউ যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না!

যিনি ছিলেন তাঁদের সবচেয়ে প্রিয়, তিনি নেই!

কীভাবে তারা সহ্য করলেন!

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।


পুনশ্চ:

সীরাতের বইগুলোতে এভাবে 'টাইম' আকারে দেয়া নেই।

বরং বইগুলোতে আছে যুহরের পর, শেষ রাতে, ফজরে... এরকম।

বুঝার সুবিধার্থে নামাজের ওয়াক্তের সাথে আনুমানিক টাইম যুক্ত করা হলো।

আর সিকুয়েন্সের ক্ষেত্রেও একেক সীরাতে একেক রকম এদিক/সেদিক আছে। সামান্য পার্থক্য।

এই লেখাটি যেসব বইয়ের সাহায্যে লিখেছি:

১. সীরাত ইবনে হিশাম
লেখক: ইবনে হিশাম

২. আর–রাহীকুল মাখতূম (The Sealed Nectar)
লেখক: ছফিউর রহমান মোবারকপূরী

৩. Muhammad: His Life Based on the Earliest Sources
লেখক: মার্টিন লিংস

৪. The Sirah of the Prophet ﷺ – A Contemporary and Original Analysis
লেখক: ইয়াসির ক্বাদী

৫. The Noble Life of The Prophet ﷺ
লেখক: আলী মুহাম্মদ আস–সাল্লাবী

৬. নবীয়ে রহমত
লেখক: আবুল হাসান আলী নদভী

লেখক : আরিফুর রহমান।

27/11/2025

يَسِّرُوا وَلاَ تُعَسِّرُوا
وَبَشِّرُوا وَلاَ تُنَفِّرُوا
সহজ করো, কঠিন করো না।
সুসংবাদ দাও, দূরে ঠেলে দিও না।

26/11/2025

মৃ*ত্যুর সময় কালিমা নসীব হওয়ার সহজ উপায়:
আল্লহু আকবার! আশ্চর্য একটা আমল শিখলাম!

হাকীমুল উম্মাত শাহ আশরাফ আলী থানভী রহিমাহুল্লহকে জনৈক মুরীদ বলেন, “শায়খ খুব ভয় হয় মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব হয় কি-না!”

তখন শায়খ আশরাফ আলী থানভী রহিমাহুল্লহ তাকে বলেন, “তোমাকে একটা খুব সহজ পদ্ধতি শিখিয়ে দিচ্ছি। এটা করলে ইনশাআল্লাহ মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব হবে।

পদ্ধতিটা হল, কোনো এক সময় দুই রাকাত সালাতুল হাযাত শেষে উত্তম রূপে কালিমা শাহাদাত পড়ে, মুনাজাতে আল্লাহ্ পাককে বলবে— হে আমার আল্লাহ! এ কালিমা আমি আপনার নিকট আমানত রাখলাম! মৃত্যুর সময় আপনি এ আমানত আমাকে ফিরিয়ে দিবেন।”

তারপর বলেন, ”জেনে রেখ! আল্লাহ পাক থেকে উত্তম আমানত রক্ষাকারী আর কেউ নাই, তিনি তোমাকে তোমার রাখা আমানত ঠিক সময়মতো ফিরিয়ে দিবেন।”

আমরাও সহজ আমলটি করে রবের নিকট “কালিমা” আমানত রাখতে পারি।

আল্লাহ্ তাওফিক দান করুন।(আমিন)

- মাওলানা ওসমান সাদেক (হাফি.)

25/11/2025

ধর্মীয় অনুভূতি যেখানে মূল্যায়ন পায়, সেখানে অপমানের শাস্তি হয়—অস্ট্রেলিয়ার ঘটনাই তার প্রমাণ। দুঃখের বিষয়, আমাদের দেশে আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তি করাই যেন ‘অধিকার’, আর এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই উল্টো দোষী বানানো হয়। আল্লাহর অবমাননার পরিণতি ইতিহাস বহুবার দেখিয়েছে—শেখা উচিত, দেরি হওয়ার আগে।

21/11/2025

সেজদার মধ্যে যে প্রশান্তি ও নৈকট্য আছে, তা অন্য কোথাও নেই। আল্লাহ আমাদেরও গভীর, খুশুভরা সেজদা করার তৌফিক দিন। আমীন।

09/11/2025

কেউ যদি ফজরের নামাজের সুন্নাত ফরজের আগে না পড়তে পারে, তাহলে কখন পড়তে হবে?

Address

সুবিদপুর পীর সাহেবের বাড়ি
Faridganj
3650

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islami Dawah Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Islami Dawah Center:

Share

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টারের কার্যক্রম সমুহ

বিসমিল্লাহিররাহ মানির রাহিম।

লিল্লাহি তাকবির , আল্লাহু আকবর।

নারায়ে রিসালাত , ইয়া রাসুলাল্লাহ (সাঃ)

ইসলামী দাওয়াহ সেন্টারের (সুবিদপুর দরবার শরীফ) পরিচিতিঃ