আউলিয়াবাদ হরেকৃষ্ণ নামহট্ট সংঘ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dohar
  • আউলিয়াবাদ হরেকৃষ্ণ নামহট্ট সংঘ

আউলিয়াবাদ হরেকৃষ্ণ নামহট্ট সংঘ "জগন্নাথ স্বামী নয়ন পথগামী ভবতু মে"

আমরা কেন একাদশী পালন করি?"বছরে ২৬টি একাদশী আছে। পুরুষোত্তম মাসে আরও দু'টো হয়৷ এভাবে মোট ২৮টি একাদশী আছে। একেকটি একাদশীর ...
11/06/2026

আমরা কেন একাদশী পালন করি?

"বছরে ২৬টি একাদশী আছে। পুরুষোত্তম মাসে আরও দু'টো হয়৷ এভাবে মোট ২৮টি একাদশী আছে। একেকটি একাদশীর মাহাত্ম্যে একেকটি নাম দেওয়া আছে এবং একাদশীর কাহিনী আছে - কেউ উদ্ধার পেয়েছে, কেউ সিদ্ধি পেয়েছে, কেউ আশীর্বাদ লাভ করেছে। একাদশীর মাহাত্ম্য পদ্মপুরাণে আছে, বিভিন্ন পুরাণে আছে। সেটা পড়লে বোঝা যাবে কেন এটার নাম বিশেষ দেওয়া হলো এবং এই একাদশী করলে কী ফল লাভ হবে।

কিন্তু আমরা সেটাকে খুব গুরুত্ব দিই না৷ কেননা আমরা একাদশী করি কারণ সেটা ভগবানের খুব প্রিয় দিন। একাদশীতে যদি হরিনাম করি বা কৃষ্ণসেবা করি, তবে শাস্ত্র বলছে যে, এতে কৃষ্ণকে আরও সন্তুষ্ট করা যায়। আমাদের মূল উদ্দেশ্যই হলো ভগবানকে সন্তুষ্ট করা। আমরা প্রতিটি একাদশী করি৷ পাণ্ডবা নির্জলা হোক, ভৈমী হোক, পাপবিনাশিনী হোক যেটাই হোক না কেন। কিন্তু এমন কেউ আছে হয়তো তার সারা বছরের হয়তো একটি একাদশীর বিষয়ে একটু আকৃষ্ট আছে বা একেকটি একাদশীর মাহাত্ম্য শ্রবণ করে তারা একটু আকৃষ্ট হয়ে পড়ে যে, বাহ! তাহলে এই একাদশীতে এই আশীর্বাদ পাওয়া যায় বা এই ব্রতে এই আশীর্বাদ পাওয়া যায়। তার ফলে তারা উৎসাহিত হয়ে বলে, আমি এটি করব৷ এটা প্রভুপাদ বলছেন, কখনো কখনো পুরাণের মধ্যে এই সমস্ত জড়জাগতিক কিছু পুণ্যকর্মের ফল বা কোন সিদ্ধি বা অন্য কোন একটা আশীর্বাদ বিষয়ে উল্লেখ থাকে, সেটা অনেক ক্ষেত্রে নতুন খরিদ্দারকে আকর্ষণ করার জন্য৷ যারা শুদ্ধভক্ত, তারা তো সব একাদশী করবে। কোন একাদশী কী দেয় না তিনি তো প্রত্যেক একাদশী করছেন, কোন একাদশী কী ফল দেয়, না দেয়, সেই মাহাত্ম্য তেমন দরকার নেই। আমরা প্রত্যেক একাদশীই করে যাচ্ছি। তাই প্রতিটি একাদশীর মাহাত্ম্য শোনার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে বেশি গুরুত্ব দেই না৷ একেকটা একাদশী কী করে এর কী দরকার? হরিনাম করুন প্রত্যেকে। তবে হয়তো প্রচারের পক্ষে কেউ দু'চারটা জানলে ভালো, সুবিধা আছে। সেটি আছে পদ্মপুরাণে।"

~ শ্রীল জয়পতাকা স্বামী
১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০০০
শিলিগুড়ি

পরমা একাদশীর মাহাত্ম্যমহারাজ যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণকে পুরুষোত্তম মাসের একাদশী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন যে, ক...
11/06/2026

পরমা একাদশীর মাহাত্ম্য

মহারাজ যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণকে পুরুষোত্তম মাসের একাদশী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন যে, কাম্পিল্য নগরে সুমেধা নামে এক ব্রাহ্মণ বাস করতেন। তার স্ত্রীর নাম ছিল পবিত্রা। কিন্তু পূর্বকর্মফলে এই ব্রাহ্মণ ধনহীন হয়ে পড়েন। ভিক্ষা চেয়েও তার কিছুই জুটত না। পূর্ব জন্মে তারা কেউই ধন-সম্পদ ইত্যাদি কোন কিছুই সৎপাত্রে দান করে নি। একদিন মুনি শ্রেষ্ঠ কৌণ্ডিন্য সেখানে এলেন। ব্রাহ্মণ সস্ত্রীক মুনিকে প্রণাম জানালেন, পূজা করলেন ও ভোজন করালেন। এরপর তারা জিজ্ঞাসা করলেন কিভাবে কোন দান না করে এবং কোন তপস্যার মাধ্যমে তাদের অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব? মুনি তাদের পুরুষােত্তম মাসের কৃষ্ণপক্ষে 'পরমা' নামে সর্বশ্রেষ্ঠা যে একাদশী আছে, তা পালন করতে বললেন। কৌণ্ডিন্য মুনির উপদেশে পতি-পত্নী উভয়ে একসঙ্গে বিধি মতাে পুরুষােত্তম মাসের পরমা একাদশী ব্রত পালন করলেন। ব্রত সমাপনের পরে রাজ ভবন থেকে এক রাজকুমার তাদের কাছে এলেন। ব্রহ্মার প্রেরণায় তিনি বহু ধন সম্পদ, নতুন গৃহ ও গাভী এই দম্পতিকে দান করলেন। এই দানের ফলে মৃত্যুর পর সেই রাজা বিষ্ণুলােক প্রাপ্ত হয়েছিলেন। এইভাবে পরমা ব্রতের প্রভাবে ব্রাহ্মণ দম্পতির সকল দুঃখের অবসান হয়।

পুরুষোত্তম ব্রত উপলক্ষে দ্বীপদান মহোৎসব 😍
04/06/2026

পুরুষোত্তম ব্রত উপলক্ষে দ্বীপদান মহোৎসব 😍

পদ্মিনী একাদশী মাহাত্ম্য! "আমি এই পদ্মিনী একাদশীর মাহাত্ম্য শ্রবণ করছিলাম। সত্যযুগে একজন রাজা ছিলেন। তাঁর ১০০০ জন পত্নী ...
26/05/2026

পদ্মিনী একাদশী মাহাত্ম্য!

"আমি এই পদ্মিনী একাদশীর মাহাত্ম্য শ্রবণ করছিলাম। সত্যযুগে একজন রাজা ছিলেন। তাঁর ১০০০ জন পত্নী ছিল। কিন্তু তাঁর কোন পুত্রসন্তান ছিল না। তো যে রাজার পুত্র থাকে না, তিনি সুখী হতে পারেন না। তো তিনি বনে যাওয়ার ও তপস্যা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। তাঁর একজন পত্নী অত্যন্ত ভক্তিমতী ছিলেন, তিনি ভাবলেন যে, আমি পতিব্রতা এবং তাই আমিও আমার পতিকে অনুসরণ করে বনে যাব। সেই রাণী তাঁর সমস্ত ঐশ্বর্য পরিত্যাগ করলেন এবং তাঁর পতির সাথে বনে গেলেন। রাজা ১০ হাজার বছর ধরে তপস্যা করলেন! কিন্তু তাঁর কোন পুত্রসন্তান হলো না। তিনি অত্যন্ত ক্ষীণ হয়ে গেলেন। তো রাণী ভাবলেন যে আমার কিছু করা উচিত, সবচেয়ে সতী নারী অরুন্ধতীর কাছে আমি যাব। তো তিনি তাঁর কাছে গেলেন এবং আশীর্বাদ প্রার্থনা করলেন যে কোনটি সবচেয়ে পবিত্র ব্রত হবে যা দ্বারা তিনি তাঁর পতিকে সাহায্য করতে পারেন। অরুন্ধতী সন্তুষ্ট হলেন এবং উপদেশ দিলেন। অধিক মাস আসে ৩২ মাস পর পর। এবং সেই মাসে দুইটি একাদশী হয়। একটি পদ্মিনী এবং অন্যটি পরমা। যদি আপনি সেই পদ্মিনী একাদশী সঠিকভাবে পালন করেন, তবে তা কৃষ্ণকে সন্তুষ্ট করবে। আমি আপনি যা চান, তা-ই পেতে পারেন। তো তিনি তাঁর পতির সাথে বনে গেলেন এবং এই পদ্মিনী একাদশী পালন করলেন। কৃষ্ণ অত্যন্ত প্রসন্ন হলেন এবং গরুড়ের পৃষ্ঠে করে এলেন এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কি চান। তিনি সেই বর তাঁর পতিকে দিলেন৷ পতি একজন পুত্রসন্তান চাইতেন যা তাঁর দীর্ঘসময়কার আকাঙ্খা। তিনি একজন পুত্র চাইলেন যে এতই বলশালী হবে যে, কেবল নারায়ণ ছাড়া আর কারো দ্বারা পরাজিত হবে না। তিনি পুরো বিশ্বের সম্রাট হবেন এবং বিশ্ব শান্তিতে থাকবে। কৃষ্ণ বললেন, তাই হোক! রাণী গর্ভধারণ করলেন এবং তাঁর একজন পুত্রসন্তান হলো। সেই পুত্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, রাবণ তাঁকে আক্রমণ করল এবং তিনি রাবণকে পরাজিত করলেন। রাবণকে বন্দী করলেন। রাবণ, ইন্দ্র এবং সকল দেবতারা তাঁর দ্বারা পরাজিত হয়েছে। তো সেই রাজার পুত্র এতটাই শক্তিশালী ছিলেন।

29/04/2026
শ্রী শ্রীমৎ ভক্তিময় নিতাই স্বামী মহারাজের শুভ আগমন ও সংবর্ধনা💐
28/04/2026

শ্রী শ্রীমৎ ভক্তিময় নিতাই স্বামী মহারাজের শুভ আগমন ও সংবর্ধনা💐

বরুথিনী একাদশীর মাহাত্ম্য:যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম ও মহিমা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করল...
12/04/2026

বরুথিনী একাদশীর মাহাত্ম্য:

যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম ও মহিমা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে শ্রীকৃষ্ণ বললেন, ইহলোক ও পরলোকে বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ‘বরুথিনী’ নামে বিখ্যাত। এই ব্রত পালনে সর্বদা সুখ লাভ হয় এবং পাপক্ষয় ও সৌভাগ্য প্রাপ্তি ঘটে। দুর্ভাগা স্ত্রীলোক এই ব্রত পালনে সর্বসৌভাগ্য লাভ করে থাকে। ভক্তি ও মুক্তি প্রদানকারী এই ব্রত সর্বপাপহরণ এবং গর্ভবাস যন্ত্রণা বিনাশ করে। এই ব্রত প্রভাবে মান্ধাতা, ধুন্ধুমার আদি রাজারা দিব্যধাম লাভ করেছেন। এমনকি মহাদেব শিবও এই ব্রত পালন করেছিলেন। দশ হাজার বৎসর তপস্যার ফল কেবলমাত্র এক বরুথিনী ব্রত পালনে লাভ হয়। যে শ্রদ্ধাবান ব্যক্তি এই ব্রত পালন করেন তিনি ইহলোক ও পরলোকে সমস্ত প্রকার আকাঙ্ক্ষিত ফল লাভ করেন।

অশ্বদান, গজদান, ভূমিদান, তিলদান, স্বর্ণদান, অন্নদান, কন্যাদান, গোদানকে অন্নদান, গোদান এই সমস্ত প্রকার দান থেকে বিদ্যাদান শ্রেষ্ঠ। কিন্তু এই বরুথিনী ব্রত পালনে সেই বিদ্যাদানের সমান ফল লাভ হয়ে থাকে।

পাপমতি যে সব মানুষ কন্যার উপার্জিত অর্থে জীবনধারণ করে, পুণ্যক্ষয়ে তাদের নরকযাতনা ভোগ করতে হয়। তাই কখনও কন্যার উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করা উচিত নয়। যে ব্যক্তি বিভিন্ন স্বর্ণালঙ্কার সহ কন্যাদান করেন তাঁর পুণ্যের হিসাব স্বয়ং চিত্রগুপ্তও করতে অসমর্থ হন। কিন্তু ‘বরুথিনী’ ব্রত পালনকারী কন্যাদান থেকেও বেশি ফল লাভ করে।

ব্রতকারী ব্যক্তি দশমীর দিনে কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, ছোলা, শাক, মধু, অন্যের প্রদত্ত অন্নগ্রহণ, দুইবার আহার ও মৈথুন পরিত্যাগ করবে। দ্যূতক্রীড়া, নেশাজাতীয় দ্রব্য, দিবানিদ্রা, পরনিন্দা-পরচর্চা, প্রতারণা, চুরি, হিংসা, মৈথুন, ক্রোধ ও মিথ্যাবাক্য একাদশীর দিনে বর্জনীয়। কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, মধু, তেল, মিথ্যাভাষণ, ব্যায়াম, দুইবার আহার ও মৈথুন এসব দ্বাদশীর দিনে পরিত্যাজ্য।

এই বিধি অনুসারে বরুথিনী ব্রত পালনে সকল প্রকার পাপের বিনাশ এবং অক্ষয় গতি লাভ হয়। যিনি হরিবাসরে রাত্রিজাগরণ করে ভগবান জনার্দনের পূজা করেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে পরমগতি লাভ করেন। তাই সূর্যপুত্র যমরাজের যাতনা থেকে পরিত্রাণের জন্য পরম যত্নে এই একাদশী ব্রত পালন করা কর্তব্য। বরুথিনী একাদশীর ব্রতকথা শ্রদ্ধাভরে পাঠ বা শ্রবণ করলে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয় এবং সর্বপাপ থেকে মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে গতি হয়।

ইসকন বাংলাদেশের অভিভাবক ও সাধারণ সম্পাদক পূজ্যপাদ শ্রীপাদ চারুচন্দ্র দাস ব্রহ্মচারী প্রভু আজ রাম নবমী তিথিতে শ্রীধাম মায়...
27/03/2026

ইসকন বাংলাদেশের অভিভাবক ও সাধারণ সম্পাদক পূজ্যপাদ শ্রীপাদ চারুচন্দ্র দাস ব্রহ্মচারী প্রভু আজ রাম নবমী তিথিতে শ্রীধাম মায়াপুরে সন্ন্যাস দীক্ষা লাভ করেছেন।গুরুমহারাজ চারুচন্দ্র প্রভুর সন্ন্যাস নাম প্রদান করেছেন শ্রী শ্রীমৎ ভক্তিময় নিতাই স্বামী মহারাজ।।। 🙏

Address

Auliabad
Dohar
1321

Telephone

+8801838608211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আউলিয়াবাদ হরেকৃষ্ণ নামহট্ট সংঘ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share