আল-হেরা ইসলামিক নলেজ ফাউন্ডেশন

আল-হেরা ইসলামিক নলেজ ফাউন্ডেশন ""এই পেজে সকল মানবজাতিকে ''কুরআন ও সহীহ্ হাদীসের বাণী'' পৌছাই দেওয়া একমাত্র উদ্দেশ্যে''''

✨📚 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম 📚✨আল-হেরা ইসলামিক নলেজ ফাউন্ডেশন এন্ড লাইব্রেরির নতুন অফিসের উদ্বোধন ও সাংগঠনিক আলোচনা সভ...
28/05/2026

✨📚 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম 📚✨
আল-হেরা ইসলামিক নলেজ ফাউন্ডেশন এন্ড লাইব্রেরির নতুন অফিসের উদ্বোধন ও সাংগঠনিক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। 🌿
🔰 প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেনঃ
✅ অধ্যাপক মনসূর উর রহমান
প্রধান উপদেষ্টা, আল-হেরা ইসলামিক নলেজ ফাউন্ডেশন
ও বিভাগীয় প্রধান (অবঃ), বাংলা বিভাগ, কারমাইকেল কলেজ, রংপুর।
🗓️ তারিখ: ২৯ মে ২০২৬ খ্রি.
🕋 দিন: শুক্রবার (বাদ জুমা)
ইসলামি জ্ঞানচর্চা, মানবতার সেবা ও দ্বীনের খেদমতের এই মহতী আয়োজন সফল করতে আপনাদের উপস্থিতি একান্ত কাম্য। 🤝
📍স্থান: আল-হেরা ইসলামিক নলেজ ফাউন্ডেশন এন্ড লাইব্রেরি। (মধ্য আটরাই জামে মসজিদ সংলগ্ন)
মধ্য-আটরাই, নুরুল হুদা-৫২৫০, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।
#উদ্বোধনী_অনুষ্ঠান #নতুন #অফিস
েরা_ইসলামিক_নলেজ_ফাউন্ডেশন
#দাওয়াহ #ধর্মীয় #রক্তদান #সমাজকল্যাণ
#মানবতার_সেবা
#মধ্য #আটরাই #পার্বতীপুর #দিনাজপুর #রংপুর #ঢাকা #বাংলাদেশ

ঈদুল আযহার সুন্নাহ সমূহ : ১। গোসল করা। (ইবনে মাজাহ, ১৩১৫)২। শরী‘আহসম্মত সাজসজ্জা করা। (সহীহ বুখারী, ৯৪৮)৩। সামর্থ্য অনুয...
27/05/2026

ঈদুল আযহার সুন্নাহ সমূহ :

১। গোসল করা। (ইবনে মাজাহ, ১৩১৫)

২। শরী‘আহসম্মত সাজসজ্জা করা। (সহীহ বুখারী, ৯৪৮)

৩। সামর্থ্য অনুযায়ী উত্তম পোশাক পরা। (সহীহ বুখারী, ৯৪৮)

৪। সুগন্ধি ব্যবহার করা। (মুস্তাদরাকে হাকীম, ৭৫৬০)

৫। কিছু না খেয়ে ঈদের নামাযে যাওয়া এবং কুরবানীর গোশত দিয়ে প্রথম আহার করা। (সহীহ বুখারী, ৯৫৩)

৬। সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া। (আবু দাউদ, ১১৫৭)

৭। ঈদের নামায ঈদগাহে আদায় করতে চেষ্টা করা। (সহীহ বুখারী, ৯৫৬)

৮। সম্ভব হলে ঈদগাহ থেকে ফেরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরা। (সহীহ বুখারী, ৯৮৬)

৯। পায়ে হেঁটে যাওয়া। (আবু দাউদ, ১১৪৩)

১০। ঈদগাহে যাওয়ার সময় আওয়াজ করে এই তাকবীর পড়তে থাকা :

اَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ. لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ . وَللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبَرُ. وَ لِلّٰهِ الْحَمْدُ.

(বাইহাকী, ৬১৩০)

© যিকর

❑ খাঁটি তওবা করার নিয়ম—• হারাম প্রেম করে অনুতপ্ত?• আল্লাহর নাফরমানি করে-• পাহাড় সমান গোনাহ করে ফেলেছেন?• এখন কি আল্লাহর ...
22/05/2026

❑ খাঁটি তওবা করার নিয়ম—

• হারাম প্রেম করে অনুতপ্ত?
• আল্লাহর নাফরমানি করে-
• পাহাড় সমান গোনাহ করে ফেলেছেন?
• এখন কি আল্লাহর দিকে ফিরতে চান?
• তাহলে–আসুন তওবা করে আল্লাহর পথে ফিরি...
——————————————————•

❑ শুরুতে জানি– তওবা কাকে বলে :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
তওবা হলো– সকল পাপের জন্য অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে ফিরে আসা বা প্রত্যাবর্তন করা। এটি হলো অতীতের পাপ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে, ভবিষ্যতে নেক কাজ করার দৃঢ় সংকল্প করা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।

অর্থাৎ দেহ এবং আত্নার সকল প্রকার গুনাহ থেকে ফিরে থাকার নাম তওবা।

✴️ বান্দার সাথে বান্দার সম্পর্কিত গুনাহের তওবা—
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
আপনি যদি কোনো মানুষের হক নষ্ট করে থাকেন! তাহলে তার কাছে মাফ না চেয়ে হাজার-কোটি বার তওবা করলেও কাজ হবে না। বরং তার হক আদায় করে বা মাফ চেয়ে দায়মুক্ত হতে হবে। অতঃপর আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি ও অনুতাপের অশ্রু ফেলে তওবা করতে হবে।

আর হকদার মারা গেলে, ওয়ারিশদেরকে তার হক আদায় করে দিতে হবে। মনে রাখবেন, বান্দার হকের ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই। আল্লাহর হকের ব্যাপারে আল্লাহ চাইলেই যে কোনো ক্ষুদ্র নেক আমলের পরিবর্তে আপনার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন। কিন্তু বান্দার হক নষ্ট করে, তা আদায় না করলে- কেয়ামতের দিন দেখা গেল ছোট থেকে ছোট হক নষ্ট করার কারণে, আপনার জীবনে করা সকল সওয়াব তাকে দিয়ে দিতে হচ্ছে।

❑ আমরা যেভাবে মানুষের হক নষ্ট করি:
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
আমরা যুবকরা যে হক প্রায়ই নষ্ট করি, তা হলো—
বাস এবং ট্রেনে উঠে টাকা দেয় না।(মিথ্যা বলা)।

▪️অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে—
•—————————•
১) চুরি, ডাকাতি, প্রতারণা—অন্য মানুষের সম্পদ জবরদখল বা জোরপূর্বক নেওয়া।
২) ঘুষ বা দুর্নীতি—অসৎ উপায়ে অর্থ বা সুযোগ আদায় করা।
৩) মজুরি না দেওয়া—শ্রমিকের উপযুক্ত মজুরি বা পারিশ্রমিক না দেওয়া।
৪) জমি বা সম্পদ দখল—অন্যের জমি বা সম্পদ অবৈধভাবে দখল করা।

▪️শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি—
•————————————•
১) শারীরিক নির্যাতন—মারধর, আহত করা বা শারীরিক ক্ষতি সাধন।
২) মানসিক নির্যাতন—অপমান, ভয় দেখানো, বা মানসিকভাবে আঘাত দেওয়া।
৩) অপবাদ দেওয়া—মিথ্যা কথা বলে বা গিবত করে কারো সম্মান নষ্ট করা।

▪️সামাজিক ও পারিবারিক অধিকার—
•———————————————•
১) পরিবারের অধিকার অপূর্ণ রাখা—সন্তানের প্রতি দায়িত্ব, পিতামাতার সাথে সদাচরণ না করা।
২) প্রতিবেশীর হক নষ্ট করা—তাদের কষ্ট দেওয়া, প্রয়োজনে সাহায্য না করা।
৩) সম্পর্ক ছিন্ন করা—আত্মীয়স্বজনের সাথে সম্পর্ক বজায় না রাখা।

▪️কর্মক্ষেত্রে—
•———————•
১) অন্যায়ভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা।
২) কর্মীদের সাথে খারাপ আচরণ বা তাদের প্রাপ্য সুযোগসুবিধা না দেওয়া।
৩) পদোন্নতি বা সম্মান থেকে বঞ্চিত করা।

▪️শিক্ষা ও জ্ঞানগত ক্ষেত্রে—
•————————————•
১) শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা।
২) মেধা বা কৃতিত্ব চুরি করা।
৩) জ্ঞান গোপন করা যখন তা অন্যকে সাহায্য করতে পারে।

▪️আইনগত ও ন্যায়বিচার সংক্রান্ত—
•——————————————•
১) মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।
২) কাউকে অবৈদ্ধভাবে আটকানো বা শাস্তি দেওয়া।
৩) ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করা।

▪️ধর্মীয় ও নৈতিক অধিকার—
•————————————•
১) ধর্মীয় স্বাধীনতায় বাধা দেওয়া।
২) অন্যকে ধর্ম পালনে বাধা দেওয়া বা উপহাস করা।

▪️পরিবেশ ও সম্পদ—
•——————————•
১) প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় বা দূষণ যা মানুষের বসবাসের পরিবেশ নষ্ট করে।
২) সাধারণ সম্পদ (পানি, বায়ু) দূষিত করা।

▪️ইসলামী দৃষ্টিকোণ—
•——————————•
☞ ইসলামে প্রতিটি মানুষের হক বা অধিকার গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ্ কুরআনে বলেছেন,
وَلا تَبْخَسُوا النَّاسَ أَشْيَاءَهُمْ
“আর মানুষের জিনিসপত্র কম দিয়ো না।”
— (সূরা আল-আ‘রাফ, ৭:৮৫)

☞ রাসূল (সা.) বলেছেন:
“তোমার ভাইয়ের প্রতি যুলুম করো না” এবং “প্রতিটি মুসলিমের জীবন, সম্পদ ও সম্মান অন্যজনের জন্য হারাম।”

বান্দার যখন গোনাহ হয়ে যায়, তখন তার কর্তব্য হলো– আল্লাহর কাছে তওবা-ইস্তিগফার করা।

✴️ বান্দার সাথে আল্লাহর সম্পর্কিত গুনাহের তওবা:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
আল্লাহর হক সম্পর্কিত গুনাহ হলে ৪টি কাজ করতে হবে। তাহলেই তওবা পূর্ণাঙ্গ হবে।
১. গোনাহ ছেড়ে দেওয়া।
২. লজ্জিত ও অনুতপ্ত হওয়া। আল্লাহর কাছে এজন্য ক্ষমাপ্রার্থী হওয়া এবং কান্নাকাটি করা।
৩. ভবিষ্যতে এই ধরনের গোনাহ না করার দৃঢ় সংকল্প করা।
৪. কোনো ফরয-ওয়াজিব ছুটে গিয়ে থাকলে মাসআলা অনুযায়ী তার কাযা-কাফফারা আদায় করা।

উপরোক্ত চারটি শর্তে তওবা করলে তা কবুল হবেই ইংশাআল্লাহ।

❑ তওবা করার জন্য অযু জরুরী না। তবে অযু করলে মন ফ্রেশ থাকে, হৃদয় শান্তি অনুভব হয়। অতঃপর তওবার নামাজও পড়তে পারেন।

☞ হে ভাই/বোন! তওবা করার সৌভাগ্য সবার কপালে জোটে না। যাবতীয় হারাম সম্পর্ক ত্যাগ করে আমরা আজ, এখনই তওবা করে রবের কাছে ফিরে আসি।

❑ আমরা যেভাবে আল্লাহর হক নষ্ট করি:
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
▪️ইবাদত ও আনুগত্য সংক্রান্ত হক নষ্ট করা—
•——————————————————•
এটি হলো আল্লাহর দেওয়া ফরজ কাজগুলো ঠিকমতো না করা।

১) সালাত তরক করা—ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ না পড়া, সময়মতো না পড়া, বা এর নিয়ম-কানুন ঠিকমতো না মানা।

২)রোজা না রাখা—শরীয়তসম্মত কারণ ছাড়া রমজানের ফরজ রোজা না রাখা।

৩) যাকাত না দেওয়া—যাদের উপর যাকাত ফরজ তারা তা না দেওয়া। এটা গরীবদের হকের পাশাপাশি আল্লাহর হকও বটে।

৪) হজ না করা—সামর্থ্য থাকার পরও জীবনে একবারও ফরজ হজ আদায় না করা।

৫) কুরআন তিলাওয়াত থেকে বিরত থাকা—আল্লাহর কালাম পড়া, শেখা ও বোঝা থেকে দূরে থাকা।

৬) দু’আ ও যিকর থেকে গাফেল থাকা—আল্লাহকে স্মরণ না করা এবং তাঁর কাছে কিছু না চাওয়া।

৭) আল্লাহর শুকরিয়া না করা—তিনি যে অগণিত নেয়ামত দিয়েছেন, সেজন্য কৃতজ্ঞতা না প্রকাশ করা।

▪️নিষিদ্ধ কাজ ও গুনাহ সংক্রান্ত হক নষ্ট করা—
•——————————————————•
এটি হলো আল্লাহ যে কাজগুলো করতে সম্পূর্ণ নিষেধ করেছেন, সেগুলো করা।

১) শিরক করা—আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা। এটি সবচেয়ে বড় জুলুম ও আল্লাহর হকের উপর সবচেয়ে বড় আঘাত।

২) অহঙ্কার করা —নিজেকে বড় মনে করা এবং আল্লাহর আদেশ-নিষেধকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা।

৩) আল্লাহর আয়াত ও বিধান নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করা।
৪) জাদু বা যাদুবিদ্যা চর্চা করা।
৫) অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা।
৬) যিনা-ব্যভিচার করা।
৭) সুদ খাওয়া ও সুদের লেনদেন করা।
৮) অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করা (চুরি, ছিনতাই, ঘুষ ইত্যাদি)।
৯) মাতা-পিতার অবাধ্য হওয়া।
১০) আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা।
১১) মিথ্যা কথা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।
১২) অন্যের গিবত (পেছনে সমালোচনা) ও চোগলখুরি করা।
১৩) অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা প্রকাশ্যে ছড়িয়ে দেওয়া।
১৪) অহংকার করা।
১৫) হিংসা করা।
১৬) অন্তরে অন্তরে শত্রুতা করা।
১৭) লোভ-লালসা করা।
১৮) গুরুর বা ধোঁকার মধ্যে থাকা।
১৯) লোক দেখানো ইবাদত করা।
২০) আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া—গুনাহ করেও এটা মনে করা যে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করবেন না।
২১) আল্লাহর আযাব থেকে নিরাপদ বোধ করা—এটা মনে করা যে, আমি যত গুনাহই করি না কেন, আল্লাহ আমাকে শাস্তি দেবেন না।

❑ আল্লাহ গুনাহকারীদের সুসংবাদ দিয়ে বলেছেন—
•———————————————————•
[إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ [٢:٢٢٢
নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং অপবিত্রতা থেকে যারা বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন। [বাকারা-২২২]

إِنَّمَا التَّوْبَةُ عَلَى اللَّهِ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ السُّوءَ بِجَهَالَةٍ ثُمَّ يَتُوبُونَ مِنْ قَرِيبٍ فَأُولَٰئِكَ يَتُوبُ اللَّهُ عَلَيْهِمْ ۗ وَكَانَ اللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا [٤:١٧] وَلَيْسَتِ التَّوْبَةُ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ السَّيِّئَاتِ حَتَّىٰ إِذَا حَضَرَ أَحَدَهُمُ الْمَوْتُ قَالَ إِنِّي تُبْتُ الْآنَ وَلَا الَّذِينَ يَمُوتُونَ وَهُمْ كُفَّارٌ ۚ أُولَٰئِكَ أَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا [٤:١٨

অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন, যারা ভূলবশতঃ মন্দ কাজ করে, অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে; এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী,রহস্যবিদ। আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে, এমন কি যখন তাদের কারো মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকেঃ আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি। [সূরা নিসা-১৭-১৮]

وَإِنِّي لَغَفَّارٌ لِّمَن تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا ثُمَّ اهْتَدَىٰ [٢٠:٨٢]
আর যে তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে অতঃপর সৎপথে অটল থাকে, আমি তার প্রতি অবশ্যই ক্ষমাশীল। [সূরা ত্বহা-৮২]

রাসূল ﷺ বলেন—
হযরত উবাদা বিন আব্দুল্লাহ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ

التَّائِبُ مِنَ الذَّنْبِ، كَمَنْ لَا ذَنْبَ لَهُ
গোনাহ থেকে তওবাকারী এমন, যেন সে গোনাহ করেইনি। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-৪২৫০]

হযরত আয়শা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
فَإِنَّ العَبْدَ إِذَا اعْتَرَفَ ثُمَّ تَابَ، تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ

বান্দা গোনাহ স্বীকার করে মাফ চাইলে আল্লাহ পাক তা কবুল করেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৪১৪১]

عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا أَصَرَّ مَنِ اسْتَغْفَرَ، وَإِنْ عَادَ فِي الْيَوْمِ سَبْعِينَ مَرَّةٍ
হযরত আবু বকর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যদি কেউ ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে সে দৈনিক সত্তর বার গোনাহ করলেও সে যেন আসলে গোনাহই করেনি। [সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-১৫১৪]

☞ আল্লাহর দরবারে রোনাজারি ও ক্ষমাপ্রার্থনা নিজের ভাষায়ও করা যায়। তেমনি হাদীস শরীফে তাওবা-ইস্তিগফারের যে দু’আগুলো আছে সেগুলো পড়েও তওবা-ইস্তিগফার করা যায়।

❑ এই সংক্ষিপ্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়—
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১) তওবা করা তারই দায়িত্ব, যে গোনাহ করেছে। নিজের গোনাহর জন্য নিজেকেই অনুতপ্ত হতে হবে এবং আল্লাহর কাছে মাফ চাইতে হবে। যদিও আল্লাহর কোনো নেক বান্দার কাছ থেকে তওবা-ইস্তিগফারের নিয়ম জেনে নিয়ে তার বলে দেওয়া শব্দ উচ্চারণ করেও তওবা করা যায়, কিন্তু তওবার জন্য এটা জরুরি নয়। তওবার ক্ষেত্রে উল্লেখিত শর্তগুলো পালন না করে শুধু কারও বলে দেওয়া তওবার বাক্যগুলো উচ্চারণ করলেই তওবা হয়ে যায় না। তওবা হল মুমিন-জীবনের সার্বক্ষণিক আমল।

নবী করীম (ﷺ) নিষ্পাপ হওয়া সত্ত্বেও দিনে ৭০ থেকে ১০০ বার ইস্তিগফার করতেন বলে হাদীসে এসেছে।

২) আরো বুঝা গেল যে, তওবার জন্য অযু অপরিহার্য নয়। তবে কেউ যদি সালাতুত তাওবা বা তওবার নামাজ আদায় করতে চায়, তাহলে অন্যান্য নামাযের মতোই তাকে অযু করতে হবে। এ প্রসঙ্গে নবী ﷺ ইরশাদ করেছেন, যদি কেউ কোনো গুনাহ করে ফেলে অতপর পূর্ণ পবিত্রতা অর্জন করে নামাযে দাঁড়ায় এবং আল্লাহর কাছে গোনাহ মাফ চায় তাহলে আল্লাহ তার গোনাহ মাফ করে দিবেন। অতপর নবী ﷺ কুরআন মজীদের আয়াত তিলাওয়াত করলেন, (তরজমা) ‘এবং তারা সেই সকল লোক, যারা কখনো কোনো মন্দ কাজ করে ফেললে বা নিজেদের প্রতি জুলুম করলে সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজেদের গোনাহর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আর কে আছে আল্লাহ ছাড়া, যে গোনাহ ক্ষমা করতে পারে? আর তারা জেনেশুনে তাঁদের কৃত-কর্মের উপর অবিচল থাকে না।’
— [সূরা আলইমরান : ১৩৫; জামে তিরমিযী, হাদীস : ৩০০৬; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ১৫২১; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস : ১৩৯৫]

💌 ইসলামিক পেইজ বলতে আসলে আমরা কি বুঝি?
আমাদের এই পেইজটা একবার হলেও ঘুরে আসুন এবং ফলো দিয়ে রাখুন। দুনিয়া ও আখেরাতের মহা-কল্যাণ সাধিত হবে ইংশাআল্লাহ্।

📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

💌 আপনার যে কোনো সমস্যার সমাধান পেতে আমাদের SMS করুন।

💌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲

🌙 যারা এখনো চুল ও নখ কাটেননি তারা যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার পূর্বেই কেটে ফেলুন।👇✨ পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও জানিয়ে দিন।✉...
18/05/2026

🌙 যারা এখনো চুল ও নখ কাটেননি তারা যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার পূর্বেই কেটে ফেলুন।👇
✨ পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও জানিয়ে দিন।
✉️ জিলহজ্জ্ব মাসের প্রথম দশ দিন যে আমলগুলো করবেন...

কিশোর গ্যাংয়ের মাথায় টুপি পরিয়েডিবিসি চ্যানেল কী প্রমাণ করতে চাচ্ছে?এর নেপথ্যে কে এবং কারা রয়েছে?ইসলাম ভালোবাসে এমন সকল ...
17/05/2026

কিশোর গ্যাংয়ের মাথায় টুপি পরিয়ে
ডিবিসি চ্যানেল কী প্রমাণ করতে চাচ্ছে?
এর নেপথ্যে কে এবং কারা রয়েছে?
ইসলাম ভালোবাসে এমন সকল মানুষের পক্ষ থেকে
এর কড়া ও শক্ত প্রতিবাদ দরকার।

✅ আলহামদুলিল্লাহ 🥰আল-হেরা ইসলামিক নলেজ ফাউন্ডেশন লাইব্রেরির উদ্যোগে আজকে অনুষ্ঠিত হয়েছে...🩸 ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও র...
15/05/2026

✅ আলহামদুলিল্লাহ 🥰
আল-হেরা ইসলামিক নলেজ ফাউন্ডেশন লাইব্রেরির উদ্যোগে আজকে অনুষ্ঠিত হয়েছে...
🩸 ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও রক্তদানে উৎসাহিতকরণ ক্যাম্পেইন।
📍 স্থানঃ মধ্যে-আটরাই জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ
📅 তারিখঃ ১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার
⏰ সময়ঃ জু'মার সালাতের পর।
“এক ব্যাগ রক্ত, বাঁচাতে পারে একটি জীবন।”
✅ ফ্রি ব্লাড গ্রুপ নির্ণয়
✅ রক্তদানে সচেতনতা বৃদ্ধি
✅ মানবতার সেবায় অংশগ্রহণের সুযোগ
📖 “যে ব্যক্তি কারো জীবন বাঁচায়, সে যেন সমগ্র মানবজাতির জীবন বাঁচালো।”
— (সূরা মায়েদা: ৩২)
“রক্ত দিলে দুর্বল হয় না শরীর,
রক্তদানই আসল বীর।” ❤️
আপনি নিজে অংশগ্রহণ করুন এবং অন্যদেরও উৎসাহিত করুন।
এক ব্যাগ রক্ত হতে পারে কারো নতুন জীবনের আশার আলো।

#রক্তদান #মানবতার_সেবা #গ্রুপ #নির্ণয় েরা_ইসলামিক_নলেজ_ফাউন্ডেশন
#মধ্য #আটরাই #নূরুল #হূদা #পালাশবাড়ী #পার্বতীপুর #দিনাজপুর #রংপুর #বাংলাদেশ

❤️🇧🇩 প্রশ্ন (১৮/১৮) : খালি গায়ে ঘুমালে শয়তান শরীরে বসবাস করে মর্মে কোন দলীল আছে কি?🇧🇩 উত্তর : উক্ত মর্মে কোন হাদীছ পাওয়া...
12/05/2026

❤️🇧🇩 প্রশ্ন (১৮/১৮) : খালি গায়ে ঘুমালে শয়তান শরীরে বসবাস করে মর্মে কোন দলীল আছে কি?

🇧🇩 উত্তর : উক্ত মর্মে কোন হাদীছ পাওয়া যায় না।
তবে সাধারণভাবে শয়তান মানব দেহের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে তাকে ধোঁকা দিয়ে থাকে।
যেমন রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যখন তোমাদের কেউ ঘুম থেকে উঠবে, সে যেন নাকে পানি দিয়ে তিনবার নাক ঝেড়ে নেয়। কেননা শয়তান তার নাকের ভেতর রাত্রি যাপন করে’ (মুসলিম হা/২৩৮; মিশকাত হা/৩৯২)।
অন্যত্র এসেছে,
আব্দুল্লাহ ইবনে মাস‘ঊদ (রাঃ) বলেন, এমন এক লোকের কথা নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট উল্লেখ করা হ’ল, যে ফজরের ছালাতের জন্য জাগ্রত না হয়ে সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়ে কাটায়। তিনি বললেন, তার কানে শয়তান প্রস্রাব করে দিয়েছে
(বুখারী হা/১১৪৪; মিশকাত হা/১২২১)।

তাছাড়া শয়তান মানুষের চুলে তিনটি গিট মেরে দীর্ঘ ঘুমের জন্য উৎসাহিত করে।
দো‘আ পাঠ করা, ওযূ করা ও ছালাত আদায়ের মাধ্যমে এই গিটগুলো খুলে যাওয়ার ব্যাপারে হাদীছে বর্ণিত হয়েছে
(বুখারী হা/১১৪২; মিশকাত হা/১২১৯)।

অতএব শয়তানের হাত থেকে বাঁচার জন্য শোয়ার সময় সূরা ইখলাছ, ফালাক, নাস পড়ে দু’হাতে ফুঁক দিয়ে যতদূর সম্ভব দেহের সর্বত্র হাত বুলাবে এবং আয়াতুল কুরসী পড়ে ডান কাতে ঘুমিয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ শয়তান থেকে নিরাপদ থাকবে।

🖼️ মাসিক আত তাহরীক অক্টোবর ২০২৩.

🌸 بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ 🌸🩸 রক্ত দিন, জীবন বাঁচান 🩸মানবতার সেবায় এগিয়ে আসুন।আল-হেরা ইসলামিক নলেজ ফাউন্...
08/05/2026

🌸 بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ 🌸
🩸 রক্ত দিন, জীবন বাঁচান 🩸
মানবতার সেবায় এগিয়ে আসুন।
আল-হেরা ইসলামিক নলেজ ফাউন্ডেশন লাইব্রেরির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও রক্তদানে উৎসাহিতকরণ ক্যাম্পেইন।
📍 স্থানঃ মধ্যে আটরাই জামে মসজিদ
📅 তারিখঃ ১৫/০৫/২০২৬ ইং, শুক্রবার
⏰ সময়ঃ জোহর সালাতের পর
✅ ফ্রি ব্লাড গ্রুপ নির্ণয়
✅ রক্তদানে সচেতনতা বৃদ্ধি
✅ মানবতার সেবায় অংশগ্রহণের সুযোগ
📖 “যে ব্যক্তি কারো জীবন বাঁচায়, সে যেন সমগ্র মানবজাতির জীবন বাঁচালো।”
— (সূরা মায়েদা: ৩২)
“রক্ত দিলে দুর্বল হয় না শরীর,
রক্তদানই আসল বীর।” ❤️
আপনি নিজে অংশগ্রহণ করুন এবং অন্যদেরও উৎসাহিত করুন।
এক ব্যাগ রক্ত হতে পারে কারো নতুন জীবনের আশার আলো।

#রক্তদান #মানবতার_সেবা #গ্রুপ #নির্ণয় েরা_ইসলামিক_নলেজ_ফাউন্ডেশন

হি*ন্দুরা সেক্যুলারিজমকে ছুড়ে ফেলে হি*ন*দু*ত্ব*বা*দে*র মধ্যেই সমাধান খুঁজছে। অপরদিকে বোকা মুসলিমরা ইসলামকে ছেড়ে দিয়ে সেক...
04/05/2026

হি*ন্দুরা সেক্যুলারিজমকে ছুড়ে ফেলে হি*ন*দু*ত্ব*বা*দে*র মধ্যেই সমাধান খুঁজছে। অপরদিকে বোকা মুসলিমরা ইসলামকে ছেড়ে দিয়ে সেক্যুলারিজমের বন্দনা করছে।

⁉ প্রশ্ন (৩৫/১৫৫) : রাসূল (ছাঃ) বলেন, ছোঁয়াচে কোন রোগ নেই। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, বসন্ত, চোখ ওঠা ইত্যাদি ছোঁয়াচে রোগ। উভয়ে...
02/05/2026

⁉ প্রশ্ন (৩৫/১৫৫) : রাসূল (ছাঃ) বলেন, ছোঁয়াচে কোন রোগ নেই। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, বসন্ত, চোখ ওঠা ইত্যাদি ছোঁয়াচে রোগ। উভয়ের মধ্যে সমন্বয় কি?❓

🖊 উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘ছোঁয়াচে রোগ বলতে কিছু নেই, কোন কিছুতে অশুভ নেই, পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণ নেই এবং ছফর মাসেও কোন অশুভ নেই। একথা শুনে জনৈক বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! তাহ’লে পালের মধ্যে একটা চর্মরোগী উট আসলে বাকীগুলি চর্মরোগী হয় কেন? জবাবে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তাহ’লে প্রথম উটটিকে চর্মরোগী বানালো কে? (বুখারী হা/৫৭৭০; মুসলিম হা/২২২০; মিশকাত হা/৪৫৭৭-৭৮ ‘চিকিৎসা ও মন্ত্র’ অধ্যায় ‘শুভ ও অশুভ লক্ষণ’ অনুচ্ছেদ-১)। উক্ত হাদীছে ছোঁয়াচে রোগ নেই তা বলা হয়নি। বরং জাহেলী যুগে মানুষ বিশ্বাস করত যে কিছু ছোঁয়াচে রোগ আছে যেগুলি প্রকৃতিগতভাবেই অন্যকে সংক্রমিত করে। এ বিশ্বাস অপনোদনের জন্যই রাসূল (ছাঃ) বলেছেন যে, ছোঁয়াচে রোগ থাকলেও তা আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত অন্যের দেহে সংক্রমিত হয় না।

যেমন একই হাদীছে তিনি বলেছেন, তবে কুষ্ঠরোগী হ’তে এমনভাবে পলায়ন কর, যেভাবে তোমরা বাঘ থেকে পলায়ন কর’ (বুখারী হা/৫৭০৭)। তিনি আরো বলেছেন, তোমরা সুস্থ উটকে অসুস্থ উটের সাথে মিশ্রিত করবে না (বুখারী হা/৫৭৭৪)।

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, অশুভ লক্ষণ গ্রহণ করা শিরক। কিন্ত আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার মনে অশুভ লক্ষণের ধারণার উদ্রেক হয় না। অথচ আল্লাহর উপর দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে আল্লাহ তা দূরীভূত করে দেন’ (আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৪৫৮৪)। অতএব ছোঁয়াচে রোগ আছে। তবে আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত কোন রোগই ছড়ায় না। অতএব রাসূল (ছাঃ)-এর বাণী ও বিজ্ঞানের মধ্যে কোন বিরোধ নেই।
📝 প্রশ্নোত্তর
📚 মাসিক আত তাহরীক

আল-হেরা ইসলামিক নলেজ ফাউন্ডেশন
#আল-হেরা #ইসলামিক #নলেজ #ফাউন্ডেশন #মধ্যে #আটরাই #পার্বতীপুর #দিনাজপুর

Address

Moddho Atrai, Nurul Huda, Parbatipur
Dinajpur
5250

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল-হেরা ইসলামিক নলেজ ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share