খানসামা কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dinajpur
  • খানসামা কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদ

খানসামা কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from খানসামা কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদ, Religious organisation, Khansama Upazila, Dinajpur.

সবাইকেই জানাই নমষ্কার 🙏
খানসামা কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদ
খানসামা উপজেলা, দিনাজপুর।

Please Join Our YouTube Channel:
https://youtube.com/-parbonwithus?si=cDKwyxtx8gHJonCo

26/05/2026

কালচক্র ঘুরে চলে, মানুষ আসে যায় — চিরন্তন শুধু ধর্ম আর সত্য।

25/05/2026

“ওঁ হ্রীং শ্রীং ক্রীং পরমেশ্বরী কালিকায়ৈ নমঃ”

অর্থ: হে পরম শক্তির অধিকারিণী মা কালী, তোমাকে প্রণাম; তুমি সাহস, শক্তি ও রক্ষার উৎস। 🌺🙏

জন্মদিনের অশেষ শুভেচ্ছা। ঈশ্বর তোমার জীবনকে সুখ, সমৃদ্ধি ও ধর্মের পথে আলোকিত করুক। 🌺💝 অন্তর মহন্ত (সহ-সাধারণ সম্পাদক)খান...
18/05/2026

জন্মদিনের অশেষ শুভেচ্ছা। ঈশ্বর তোমার জীবনকে সুখ, সমৃদ্ধি ও ধর্মের পথে আলোকিত করুক। 🌺💝

অন্তর মহন্ত (সহ-সাধারণ সম্পাদক)
খানসামা কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদ।

আজকে বিশ্ব মা দিবস। হিন্দুধর্মে মাকে ঈশ্বরের সমতুল্য এবং সর্বোচ্চ সম্মানের আসনে বসানো হয়েছে। শাস্ত্রমতে, "মাতৃদেবো ভব" ...
10/05/2026

আজকে বিশ্ব মা দিবস। হিন্দুধর্মে মাকে ঈশ্বরের সমতুল্য এবং সর্বোচ্চ সম্মানের আসনে বসানো হয়েছে। শাস্ত্রমতে, "মাতৃদেবো ভব" (মাতা দেবতাস্বরূপা) অর্থাৎ মা স্বয়ং দেবী। চণ্ডীতে বলা হয়েছে, "যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেণ সংস্থিতা" অর্থাৎ দেবী সর্বভূতে মাতৃরূপে অবস্থান করছেন। মনুসংহিতা অনুসারে, পিতার চেয়ে মাতা সহস্রগুণে বেশি মাননীয়া। মা-ই সৃষ্টি, পালন ও ভালোবাসার আধার, এবং জগদম্বার রূপ। তাই, মাকে ভালোবাসতে কোন নির্দিষ্ট দিনের প্রয়োজন হয়না। প্রতিটি দিনই মা দিবস। পৃথিবীর সকল মা-ই বেঁচে থাকুক হাজার হাজার বছর। 🌼

24/04/2026

আমাদের বারো মাসের তেরো পার্বণ.. 🥰

কাশিয়া গাছের জন্ম কিভাবে হলো? আসুন জেনে নেই এই প্রশ্নের উত্তর। ১. কাশিয়া গাছ কি? - কাশিয়া বা কুশ হলো ভগবান বিষ্ণুর শরীরে...
22/04/2026

কাশিয়া গাছের জন্ম কিভাবে হলো? আসুন জেনে নেই এই প্রশ্নের উত্তর।

১. কাশিয়া গাছ কি?

- কাশিয়া বা কুশ হলো ভগবান বিষ্ণুর শরীরের রোম থেকে উৎপন্ন এক পবিত্র উদ্ভিদ। এটি কেবল একটি ঘাস বা গাছ নয়, বরং একে 'পবিত্রক' বা শুদ্ধিকারক বলা হয়। শাস্ত্র মতে, এটি বিষ্ণুর অংশ এবং সকল মাঙ্গলিক ও পৈতৃক কার্যে অপরিহার্য।

২. কাশিয়া গাছের জন্ম কোথায়?

পুরাণ অনুসারে, যখন ভগবান বিষ্ণু বরাহ অবতার ধারণ করে পৃথিবী উদ্ধার করেছিলেন, তখন তিনি সমুদ্র থেকে উঠে আসার পর নিজের শরীর ঝেড়েছিলেন। সেই সময় তাঁর শরীর থেকে কিছু রোম পৃথিবীতে পতিত হয় এবং তা থেকেই কুশ বা কাশিয়া ঘাসের জন্ম হয়।

৩. পূর্ব জন্মে কাশিয়া গাছ কে ছিল?

বরাহ পুরাণ ও ভাগবত পুরাণ অনুযায়ী, এটি কোনো ব্যক্তি বা অসুর হিসেবে জন্মগ্রহণ করেনি, বরং এটি সরাসরি ভগবান বিষ্ণুর শরীরের অংশ। তবে কোনো কোনো লোকগাথায় একে দম্ভ নামক অসুরের ধ্বংসাবশেষ বা সমুদ্র মন্থনের সময় অমৃতের স্পর্শ পাওয়া ঘাস হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছে। মূলত এটি বিষ্ণুর দেহের রোম হিসেবেই প্রসিদ্ধ।

৪. বর্তমানে কাশিয়া গাছ কিভাবে আসলো?

বরাহ অবতারের সময় বিষ্ণুর রোম পৃথিবীতে পড়ার পর তা মাটিতে শিকড় বিস্তার করে এবং স্থায়ী উদ্ভিদে পরিণত হয়। এছাড়া সমুদ্র মন্থনের সময় যখন গরুড় অমৃত নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন অমৃতের কয়েক ফোঁটা এই ঘাসের ওপর পড়েছিল, যার ফলে এটি অমরত্ব ও পবিত্রতা লাভ করে।

৫. চার বেদের মন্ত্র:

১. ঋগ্বেদ (১.১৩.৫)

মন্ত্র: স্তৃণীত বর্হিরাষদে ঘৃতপৃষ্ঠং মনীষিণঃ। যত্রামৃতস্য চক্ষণম্।।

অনুবাদ: হে জ্ঞানবানগণ, যজ্ঞস্থলে কুশ ঘাস (বর্হি) বিছিয়ে দাও, যা ঘৃত সিক্ত এবং যেখানে অমৃতের দর্শন পাওয়া যায়।

২. যজুর্বেদ (১.২)

মন্ত্র: পবিত্রেস্থো বৈষ্ণব্যৌ সবিতুর্বঃ প্রসব উৎ পুনাম্যচ্ছিদ্রেণ পবিত্রেণ বসোঃ সূর্যস্য রশ্মিভিঃ।

অনুবাদ: হে কুশ (কাশিয়া), তোমরা বিষ্ণুর শক্তি হতে উৎপন্ন। তোমরা পবিত্র। আমি সূর্যের রশ্মির ন্যায় পবিত্র তোমাদের দ্বারা নিজেকে ও যজ্ঞকে শুদ্ধ করছি।

৩. সামবেদ (১.১.১)

মন্ত্র: অগ্ন আ যাহি বীতয়ে গৃণানো হব্যদাতয়ে।
নি হোতা সৎসি বর্হিষি।।

অনুবাদ: হে অগ্নিদেব, আমাদের স্তুতি গ্রহণ করুন এবং যজ্ঞে হব্য গ্রহণের জন্য এই পবিত্র কুশ আসনে (বর্হি) উপবেশন করুন।

৪. অথর্ববেদ (১৯.৩২.১)

মন্ত্র: দর্ভোহসি রক্ষিতোসি ত্বং যস্মৈ নমস্তস্মৈ নমঃ।

অনুবাদ: হে দর্ভ (কুশ/কাশ), তুমি রক্ষাকর্তা। তুমি আমাদের সকল অনিষ্ট থেকে রক্ষা করো। তোমাকে প্রণাম জানাই।


১. শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ (৩.১৩.৩৫)

শ্লোক: তস্য লমৈষু কূষেষু সজ্জমানঃ স সাগরঃ।

অনুবাদ: ভগবান বরাহ যখন পৃথিবী উদ্ধার করে সমুদ্র থেকে উঠলেন, তখন তাঁর শরীরের রোম থেকে কুশ বা কাশ ঘাস উৎপন্ন হলো এবং তা পবিত্র হয়ে রইল।

২. বিষ্ণু পুরাণ (১.৪.২৮)

শ্লোক: উদ্ধৃতা সা ধরা তেন ত্বরিতং বিশ্বরূপিণা। রোমকূপোদ্ভবৈঃ কুশৈঃ পবিত্রৈরভবৎ ক্ষিতিঃ।।

অনুবাদ: বিশ্বরূপী ভগবান বরাহ যখন পৃথিবী উদ্ধার করলেন, তাঁর রোমকূপ থেকে উৎপন্ন কুশ দ্বারা পৃথিবী পবিত্র হয়ে গেল।

৩. মনুস্মৃতি (২.৭৫):

শ্লোক:

প্রাগকূলান্ পর্যুপাসীনঃ পবিত্রৈশ্চৈব পাবিতঃ। প্রাণায়ামৈস্ত্রিভিঃ পূতস্তত ওঙ্কারমর্হতি।।

অনুবাদ: পূর্বমুখী হয়ে কুশ বা কাশাসনে বসে পবিত্র হয়ে ওঙ্কার জপ ও প্রাণায়াম করা উচিত।

৪. বরাহ পুরাণ (১.১০)

শ্লোক: মম রোমাণি কুশা জাতাঃ পৃথিব্যাং মঙ্গলপ্রদাঃ।

অনুবাদ: (ভগবান বিষ্ণু বলছেন) আমার রোম থেকে পৃথিবীতে কুশ (কাশিয়া) উৎপন্ন হয়েছে, যা মানবজাতির জন্য অত্যন্ত মঙ্গলদায়ক।

৫. গরুড় পুরাণ (১.১১.১৫)

শ্লোক: কুশমূলে স্থিতো ব্রহ্মা কুশমধ্যে জনার্দনঃ। কুশাগ্রে চ শিবো দেবস্তস্মাৎ কুশং পবিত্রকম্।।

অনুবাদ: কুশ বা কাশের মূলে ব্রহ্মা, মধ্যে বিষ্ণু এবং অগ্রভাগে শিব অবস্থান করেন; তাই এটি পরম পবিত্র।

৬. পদ্ম পুরাণ (সৃষ্টি খণ্ড)

শ্লোক: অমৃতবিন্দু পতনাৎ কুশাঃ পবিত্রতাং গতাঃ।

অনুবাদ: অমৃতের বিন্দু পতনের ফলেই কুশ ঘাস পৃথিবীতে পবিত্রতা লাভ করেছে এবং এটি দেবকার্যে শ্রেষ্ঠ আসনে অধিষ্ঠিত।

উপসংহার: শাস্ত্রীয় বিচারে কাশিয়া বা কুশ হলো সরাসরি ভগবানের অঙ্গজাত একটি দিব্য উদ্ভিদ, যা অশুভ শক্তি বিনাশ করতে এবং আধ্যাত্মিক শক্তি বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়।

|| শুভ অক্ষয় তৃতীয়া || আজ শুভ অক্ষয় তৃতীয়া। এর নাম অক্ষয় কারণ এই দিনে এমন কিছু কাজ হয়েছিল যা ইতিহাসে অমর অক্ষয় হয়ে আছে। ...
20/04/2026

|| শুভ অক্ষয় তৃতীয়া ||

আজ শুভ অক্ষয় তৃতীয়া। এর নাম অক্ষয় কারণ এই দিনে এমন কিছু কাজ হয়েছিল যা ইতিহাসে অমর অক্ষয় হয়ে আছে। বৈশাখ মাসের শুক্ল পক্ষের তৃতীয়া তিথিতে এই দিনটি উদ্‌যাপন করা হয়। "অক্ষয়" শব্দের অর্থ "অক্ষয়" বা "শেষহীন"।

দ্বারকার রাজা শ্রীকৃষ্ণ খুবই সামান্য পরিবার থেকে ভারতের বিশাল সাম্রাজ্যের মালিক হয়েছেন। ছোটবেলায় মথুরায় সুদামা নামে শ্রীকৃষ্ণের এক বন্ধু ছিলেন। সুদামা অতিশয় সৎ, নির্লোভ, সচ্চরিত্র নিষ্ঠাবান ভক্ত ব্রাহ্মণ এবং অত্যন্ত অন্তর্মুখী। নিজে অতি দরিদ্র হলেও মুখফুটে কষ্টের কথা কাউকে বলতেন না, ছেলেমেয়েকে দুবেলা দুমুঠো খাবার দিতে পারতেন না। ছোটবেলার প্রাণের বন্ধু শ্রীকৃষ্ণ কে অত্যন্ত ভালোবাসতেন তিনি। বড় হয়ে শ্রীকৃষ্ণ দ্বারকার রাজা হলেন, তার খ্যাতি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। এদিকে সুদামার অবস্থা দিন দিন খারাপ হতে লাগল, এমন অবস্থা যে দু'বেলা ঠিকমত খাবারও জোটেনা। একদিন সুদামার স্ত্রী তাঁকে বললেন, "তোমার বন্ধু কৃষ্ণ তো দ্বারকার রাজা, তাঁর কাছে গেলে হয়তো কিছু সাহায্য পাওয়া যেত, তাতে আমাদের অভাব অনেকটা ঘুচত।" কিন্তু সৎ, নির্লোভ সুদামা স্বভাবসুলভ লজ্জায় তাতে রাজী হলেন না। তিনি বললেন, "আরে এই অবস্থায় কী করে ওর কাছে যাই!" কিন্তু স্ত্রীর পীড়াপীড়িতে ও অনেক দিন পর বন্ধুর সঙ্গেও দেখা হবে এই ভেবে সুদামা যেতে রাজি হলেন শেষমেষ। যাবার সময় তার স্ত্রী কৃষ্ণকে উপহার দেওয়ার জন্য কিছু চিড়ার খুদ সুদামার চাদরে বেঁধে দিলেন। এত বড় রাজা তাকে কিনা সামান্য চিড়ের খুদ উপহার! কি করে দেবেন তিনি! কিন্তু এছাড়া কীই বা ঘরে আছে!

সুদামা দ্বারকার পথে রওনা হলেন। দ্বারকায় পৌঁছে সুদামা অনেক কষ্টে শ্রীকৃষ্ণের মহলে গিয়ে পৌঁছলেন। অনেকেই তার দীনহীন অবস্থা দেখে তাকে উপহাস করতে লাগলো। তিনি প্রহরী কে বললেন, শ্রীকৃষ্ণকে গিয়ে বলো যে তার সাথে দেখা করবার জন্য তার বাল্যবন্ধু সুদামা এসেছে। দ্বাররক্ষীরা তো প্রথমে আমলই দিলো না কিন্তু পরে অনুনয় বিনয় করলে তারা ভিতরে গিয়ে শ্রীকৃষ্ণকে খবর দিল যে দুয়ারে একজন অতি দরিদ্র ব্রাহ্মণ এসেছে। তার সারা গায়ে ধূলোর পলেস্তারা পড়া, পাগুলো সব ফেটে চৌচির। তার দারিদ্র্য দেখে দ্বারকার ধূলোও আশ্চর্য হয়ে গেছে। সে বলছে তার নাম সুদামা, আর বলছে সে নাকি আপনার বন্ধু।

সুদামার নাম শোনা মাত্র শ্রীকৃষ্ণ নিজের সিংহাসন থেকে নেমে এলেন আর খালি পায়ে দুয়ারের দিকে ছুটে চললেন। সেখানে গিয়ে সুদামাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, হে বন্ধু, তুমি তো এসেছো কিন্তু অনেক কষ্ট ভোগ করার পর এসেছো। দ্বারকায় তোমার শুভাগমন হোক। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সুদামাকে নিজে গিয়ে তার নিজের ঘরে খাটে বসালেন। তার পা দুখানা নিজ হাতে ধুইয়ে দিলেন এবং স্নান করিয়ে পরবার জন্য রেশমী বস্ত্র দিলেন। শ্রীকৃষ্ণের স্ত্রী রুক্মিনী স্বয়ং তাকে পাখার বাতাস করতে লাগলেন এবং তাকে বহুবিধ সুস্বাদু খাবার দিলেন ভোজনের জন্য। খেতে খেতে সুদামার বারবার মনে পড়ছিল তিনি তো আজ সুস্বাদু সব খাবার খাচ্ছেন, কিন্তু বৌ ছেলেমেয়েদের আজকেও চালের খুদ খেয়েই কাটাতে হচ্ছে বাড়িতে। তার বিচলিত মন শ্রীকৃষ্ণের নজর এড়ালোনা। বহুক্ষণ নিজেদের মধ্যে বাল্যকালের স্মৃতি রোমন্থন করার পর শ্রীকৃষ্ণ বললেন, বন্ধু! বৌদি আমার জন্য কি পাঠিয়েছে? সুদামা প্রথমে একেবারে সঙ্কুচিত হয়ে পড়লেন এই ভেবে যে কিভাবে এত আদর আপ্যায়ন পেয়ে বন্ধুকে কেবল চিড়ের খুঁদ উপহার দেবেন।কিন্তু শেষকালে শ্রীকৃষ্ণ পোটলা কেড়ে নিয়ে নিজেই সেই চিঁড়ে বের করে ফেললেন। সেই চার মুষ্টি চিঁড়ে খুব তৃপ্তি করে খেলেন। তারপর তারা অনেকক্ষণ গল্প করলেন, কেটে গেল কয়েকদিন। অনেকদিন পরে বন্ধুর সাক্ষাত পেয়ে এতই আনন্দ হচ্ছিল যে সুদামা তাঁর দারিদ্র্যের কথা শ্রীকৃষ্ণকে আর বলতে পারলেন না। কৃষ্ণের থেকে সাহায্য চাওয়ার কথা মনেও এল না আর। অন্তর্মুখী সুদামার অন্তরের কথা অন্তরেই রয়ে গেল। তারপর এল বিদায় নেবার পালা।শ্রীকৃষ্ণ বললেন, "আবার আসবি তো?" সুদামা বললেন, "আসবো সখা।" তারপর সুদামা বাড়ির পথে রওনা দিলেন। বাড়ির কাছে পৌঁছে দেখলেন, একি! কোথায় গেলো সেই কুটির? তার কুঁড়েঘরের জায়গায় বিশাল এক অট্টালিকা, ঘরে ধনসম্পদের অভাব নেই, কী তাজ্জব ব্যাপার! এ কি করে সম্ভব হলো? তিনি বাইরে দাঁড়িয়ে অবাক হয়ে এইসব ভাবছেন, এমন সময়ে তার স্ত্রী তাকে বারান্দা থেকে দেখতে পেয়ে নিচে নেমে বাইরে এসে সুদামাকে বললেন, "তুমি বাড়ি থেকে বেরুলে আর আমি সবে পুজোয় বসেছি, হঠাৎ দেখি সব কিরকম পাল্টে গেলো, দেখেছ! শ্রীকৃষ্ণের লোকেরা এসে আমাদের সব অভাব দূর করে দিল।" সুদামা আরো অবাক হয়ে বললেন, "আরে! তা কি করে হয়? আমি তো ওকে আমার দূরবস্থা সম্বন্ধে কিছুই বলিনি।" তার স্ত্রী বললেন, "তাকে কি কিছু বলতে হয়? তার কাছে গেলে তিনিই সব ঠিক করে দেন। তোমার বন্ধু হলেও তুমি তাকে চিনতে পারোনি, কিন্তু আমি চিনতে পেরেছি। তার শরণাপন্ন হলেই দরিদ্রের, শোষিতের সকল কষ্টের সমাধান হয়। তিনি আর কেউ নন, তিনি শোষিতের ভগবান শ্রীকৃষ্ণ,ধর্মের ত্রাতা শ্রীকৃষ্ণ।

সুদামা এই চান্দ্রমাসের বা বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের ৩য় দিনে শ্রীকৃষ্ণের কাছে গিয়েছিলেন আর রচিত হয়েছিল বন্ধুত্বের এই অমর অক্ষয় কাহিনী।

শ্রীকৃষ্ণ আজকের এই অক্ষয় দিনে আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছিলেন কিভাবে অর্থবিত্ত বা সামাজিক শ্রেণী নয়, আন্তরিকতাই বন্ধুত্বের একমাত্র ভিত্তি, দিয়েছিলেন নিজের অতীতকে ভুলে না যাবার শিক্ষা। আর তাই মানুষ বিশ্বাস করে এই অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে কোন শুভ কাজ করলে তা অমর অক্ষয় হয়ে থাকে। জয় শ্রী কৃষ্ণ। 🌺🙏

বুয়েট উপাসনালয় থেকে প্রকাশিত ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের বর্ষপঞ্জী। সংগ্রহ করে রাখতে পারেন। 🌺
15/04/2026

বুয়েট উপাসনালয় থেকে প্রকাশিত ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের বর্ষপঞ্জী। সংগ্রহ করে রাখতে পারেন। 🌺

যে কাল সদাই বর্তমান, যা শেষ তাই আরম্ভশুভ চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩২ 🌺
13/04/2026

যে কাল সদাই বর্তমান, যা শেষ তাই আরম্ভ
শুভ চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩২ 🌺

12/04/2026

🙏☺️

Address

Khansama Upazila
Dinajpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when খানসামা কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share