আমি সনাতনী - Ami Sonatoni

আমি সনাতনী - Ami Sonatoni হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ, হরে হরে , আমাদের পোস্টগুলো ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক ও শেয়ার দিয়েন

জামিনে বের হয়ে নিহত রূপলাল ও প্রদীপ লাল হ*ত্যা মামলার বাদীকে আসামির হুমকি‼এভাবেই চলছে দেশ...Taraganj, Rangpur©®
28/01/2026

জামিনে বের হয়ে নিহত রূপলাল ও প্রদীপ লাল হ*ত্যা মামলার বাদীকে আসামির হুমকি‼
এভাবেই চলছে দেশ...
Taraganj, Rangpur
©®

আগুনে পু*ড়িয়ে হ*ত্যা* ট্রেন্ডিং চলমান নরসিংদীতে মৌলবাদী সন্ত্রা*সের নৃ*শংস*তা—আগুনে পু*ড়ি*য়ে হ*ত্যা* করা হয়েছে হিন্দু যু...
28/01/2026

আগুনে পু*ড়িয়ে হ*ত্যা* ট্রেন্ডিং চলমান
নরসিংদীতে মৌলবাদী সন্ত্রা*সের নৃ*শংস*তা—আগুনে পু*ড়ি*য়ে হ*ত্যা* করা হয়েছে হিন্দু যুবক Chanchal ভৌমিককে (২২)।
গ্যারেজ শ্রমিক Chanchal ছিলেন প্রতিবন্ধী বড় ভাই ও পরিবারের একমাত্র ভরসা। তার “অপরাধ” কী—সংখ্যা*লঘু হওয়া?
সিসিটিভি ফুটেজে প্রকাশ্যেই আগুনে পু*ড়ি*য়ে হ*ত্যা*র দৃশ্য ধরা পড়েছে। তবু প্রশ্ন থেকেই যায়—এই দেশে সংখ্যালঘু হ*ত্যা* কি অপরাধ নয়?
এটা শুধু একটি হ*ত্যা নয়, এটা রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার জ্বলন্ত প্রমাণ।
দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই—এখনই।
সমাজের হে বিবেকবান মানুষ জাগ্রত হোন আওয়াজ তুলুন বন্ধ করুন এমন হ*ত্যা*র মিছিল।
©®

𝘋𝘪𝘴𝘤𝘭𝘢𝘪𝘮𝘦𝘳: 𝘛𝘩𝘪𝘴 news 𝘤𝘰𝘯𝘵𝘦𝘯𝘵 𝘪𝘴 𝘴𝘩𝘢𝘳𝘦𝘥 𝘪𝘯 𝘢𝘤𝘤𝘰𝘳𝘥𝘢𝘯𝘤𝘦 𝘸𝘪𝘵𝘩 𝘔𝘦𝘵𝘢 𝘊𝘰𝘮𝘮𝘶𝘯𝘪𝘵𝘺 𝘚𝘵𝘢𝘯𝘥𝘢𝘳𝘥𝘴. 𝘐𝘵 𝘪𝘴 𝘪𝘯𝘵𝘦𝘯𝘥𝘦𝘥 𝘴𝘰𝘭𝘦𝘭𝘺 𝘧𝘰𝘳 𝘫𝘰𝘶𝘳𝘯𝘢𝘭𝘪𝘴𝘵𝘪𝘤 𝘱𝘶𝘳𝘱𝘰𝘴𝘦𝘴 𝘢𝘯𝘥 𝘪𝘴 𝘣𝘢𝘴𝘦𝘥 𝘰𝘯 𝘷𝘦𝘳𝘪𝘧𝘪𝘦𝘥 𝘪𝘯𝘧𝘰𝘳𝘮𝘢𝘵𝘪𝘰𝘯. 𝘞𝘦 𝘥𝘰 𝘯𝘰𝘵 𝘦𝘯𝘥𝘰𝘳𝘴𝘦 𝘰𝘳 𝘱𝘳𝘰𝘮𝘰𝘵𝘦 𝘷𝘪𝘰𝘭𝘦𝘯𝘤𝘦, 𝘱𝘰𝘭𝘪𝘵𝘪𝘤𝘢𝘭 𝘣𝘪𝘢𝘴, 𝘰𝘳 𝘩𝘢𝘳𝘮𝘧𝘶𝘭 𝘣𝘦𝘩𝘢𝘷𝘪𝘰𝘳.

এনডিই নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ট্রাকচালক আব্দুর রাজ্জাক। একই প্রতিষ্ঠানে দিনমজুর হিসেবে কাজ করা রামরাবন এলাকার ক...
28/01/2026

এনডিই নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ট্রাকচালক আব্দুর রাজ্জাক। একই প্রতিষ্ঠানে দিনমজুর হিসেবে কাজ করা রামরাবন এলাকার কৃষ্ণচন্দ্র মণি দাসের সঙ্গে পরিচয়ের সূত্রে ১৫ জানুয়ারি বিকেলে স্ত্রীকে নিয়ে তার বাড়িতে বেড়াতে আসার কথা জানান রাজ্জাক। সন্ধ্যার দিকে এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে ধামরাইয়ে কৃষ্ণচন্দ্রের বাড়িতে এসে তাকে স্ত্রী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন।

বাড়িতে পর্যাপ্ত থাকার জায়গা না থাকায় কৃষ্ণচন্দ্র তাদের একই এলাকা থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে তার বোনের বাড়িতে থাকতে দেন। আর বোনকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। রাত দেড়টার দিকে আব্দুর রাজ্জাক এসে কৃষ্ণচন্দ্রকে ডেকে জানান, তার স্ত্রীর গহনা, টাকা ও ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে কৃষ্ণচন্দ্র ও তার পরিবারের সদস্যরা সেখানে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে তারা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পারেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তার স্ত্রী বালিয়াটি রাজবাড়ি বেড়াতে এসেছিলেন। বিকেলে তিনিও সেখানে যান। রাতে থাকার বিষয়ে কৃষ্ণচন্দ্র মণি দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে রামরাবন এলাকায় আসেন। রাতে তারা কৃষ্ণচন্দ্রের বোনের বাড়িতে ঘুমাতে যান। রাত সাড়ে ১০টার দিকে এক যুবক এসে দরজা খুলতে বলে। দরজা খুলে দিলে তাদের পরিচয় ও সম্পর্ক জানতে চায় এবং পরে চলে যায়। রাত দেড়টার দিকে পাঁচজন আবার এসে দরজা খুলতে বলে। দরজা খোলার পর বাইরের লাইট বন্ধ করে চারজন ঘরে ঢুকে তাদের পরিচয় জানতে চায়। এরপর মানিব্যাগ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা নেয় এবং তার স্ত্রীর দুটি মোবাইল ফোন, কানের দুল, নাকফুল, গলার স্বর্ণের চেইন ও প্রায় ১৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। তাকে মারধরও করা হয়। পাঁচ মিনিট পর তারা চলে যায় এবং ঘটনাটি কাউকে জানাতে নিষেধ করে বলে তিনি জানান।

পাশের বাড়ির বাসিন্দা শিল্পী মণি দাস বলেন, রাত ১টার দিকে মারামারির শব্দ শুনে এসে দেখেন, কেউ নেই। শুধু ওই দুজন ঘরের ভেতর দাঁড়িয়ে ছিলেন। ওই নারী জানান, তার কানের দুল, গহনা, টাকা ও মোবাইল নিয়ে গেছে।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দা নেপাল চন্দ্র মণি দাস ঘটনাটি স্থানীয় এক কথিত সাংবাদিককে জানান। তার মাধ্যমে অন্যান্য সাংবাদিকেরা তথ্য পেয়ে খবর প্রকাশ করেন।

প্রথম তথ্যদাতা হিসেবে উল্লেখ করা আব্দুল মান্নান সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে চাঁদাবাজির সময় র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন। তার বিরুদ্ধে ধামরাই ও আশুলিয়া থানায় হত্যাচেষ্টাসহ অন্তত চারটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

বিষয়টি ভাইরাল হওয়ার পর আব্দুল মান্নান আত্মগোপনে যান। একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল ধরেননি।

ভাইরাল খবরের সূত্র ধরে খোঁজ নিতে গিয়ে আব্দুর রাজ্জাককে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পরদিন থেকে কর্মস্থলেও তিনি অনুপস্থিত। জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা অনুযায়ী মানিকগঞ্জের তেওতা এলাকায় তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান,

তিনি ওই নারী নন এবং কখনো রামরাবন এলাকায় যাননি।ফোনে আব্দুর রাজ্জাকের কাছে ওই নারীর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো জবাব দেননি। পরে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

প্রতিবেশী শিল্পী মণি দাস বলেন, পাঁচ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেও কাউকে পাননি। কাউকে বেঁধে রাখার বিষয়টি দেখেননি। শুধু আব্দুর রাজ্জাককে চড়-থাপ্পড় মারা হয়েছে বলে শুনেছেন।বালিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মন্টু চন্দ্র মণি দাস জানান, পরদিন সকালে লোকমুখে একটি লুটপাটের ঘটনার কথা শুনে ঘটনাস্থলে যান তিনি ও কোনো প্রমাণ পায় নি

©®

যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে আসা নিষিদ্ধ, সেই দেশ কার?বরগুনার বামনায় জামায়াতের জনসভায় আফজাল হোসেন নামের যে লোকটা মাইক হ...
28/01/2026

যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে আসা নিষিদ্ধ, সেই দেশ কার?

বরগুনার বামনায় জামায়াতের জনসভায় আফজাল হোসেন নামের যে লোকটা মাইক হাতে দাঁড়িয়ে বললেন "৮০ পার্সেন্ট মুসলমানের এই দেশে কোনো বিধর্মী বা অশোভনীয় সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না", তিনি আসলে কী বললেন সেটা একবার ভেবে দেখা দরকার। তিনি বললেন, এই দেশে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না। শুধু তাই নয়, তিনি আরও স্পষ্ট করে বললেন চোরের হাত কেটে দেওয়ার শাসন চান তিনি। জামায়াতের মনোনীত প্রার্থীর সামনে দাঁড়িয়ে, জামায়াতের মঞ্চ থেকে এই কথা বলা হলো, এবং সেখানে উপস্থিত কেউ একটা শব্দও বললেন না।

এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়। এটা জামায়াতে ইসলামীর আসল চেহারা, যেটা ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সারাদেশে যে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়েছিল তার মধ্য দিয়ে আরেকবার প্রমাণিত হলো। একটা নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে দিয়ে, রাস্তায় মানুষ মেরে, পুলিশ সদস্যদের হত্যা করে, সরকারি সম্পত্তি জ্বালিয়ে দিয়ে যে ক্ষমতা দখল করা হয়েছে, সেই ক্ষমতার আসল উদ্দেশ্য এখন পরিষ্কার। মুহাম্মদ ইউনূস যে অন্তর্বর্তী সরকার চালাচ্ছেন, সেখানে জামায়াতের প্রকাশ্য পৃষ্ঠপোষকতায় এখন দেশকে একটা ধর্মীয় রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার প্রকল্প চলছে।

এই দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হঠাৎ করে শুরু হয়নি। জুলাই মাসের পর থেকে সারাদেশে কয়েক হাজার হিন্দু, খ্রীষ্টান পরিবার আক্রান্ত হয়েছে। চার্চে বোমা মারা হয়েছে, মন্দির ভাঙা হয়েছে, দোকান লুট হয়েছে, বাড়িঘর জ্বালানো হয়েছে। আর এখন প্রকাশ্যে জামায়াতের মঞ্চ থেকে বলা হচ্ছে যে বিধর্মীরা সংসদে আসতে পারবে না। এটা আর ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নয়, এটা বাস্তব। যারা বলছিলেন জুলাই মাসের আন্দোলন ছাত্রদের করা, তাদের কাছে এখন কী জবাব আছে? ছাত্ররা কি চায় যে এই দেশে সংখ্যালঘুরা সংসদে যেতে না পারুক?

মুহাম্মদ ইউনূসের ভূমিকা এখানে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া উচিত। নোবেল পুরস্কার পাওয়া একজন মানুষ যিনি নিজেকে গণতন্ত্রের সমর্থক বলে দাবি করেন, তিনি কীভাবে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হতে দিলেন যেখানে জামায়াতে ইসলামী প্রকাশ্যে সংখ্যালঘু বিদ্বেষ ছড়াতে পারছে? তিনি কি জানেন না যে জামায়াত ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাথে মিলে এই দেশের মানুষ হত্যা করেছিল? তিনি কি জানেন না যে জামায়াত কখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে মেনে নেয়নি? তবুও এই সংগঠনকে রাজনৈতিক জায়গা দেওয়া হচ্ছে কেন?

উত্তরটা খুব সহজ। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যে দাঙ্গাটা হয়েছে, সেটা শুধু ছাত্রদের আন্দোলন ছিল না। সেখানে বিদেশি শক্তির অর্থ ছিল, সেনাবাহিনীর একাংশের সমর্থন ছিল, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে জামায়াতে ইসলামীর সশস্ত্র ক্যাডাররা ছিল। যারা পুলিশ সদস্যদের মেরেছে, যারা সরকারি ভবন জ্বালিয়েছে, যারা হিন্দু বাড়িতে হামলা করেছে, তারা কারা ছিল? এই প্রশ্নের জবাব কেউ দিচ্ছে না, কিন্তু বরগুনার মঞ্চ থেকে যে কথা বলা হলো তা এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছে।

জামায়াতের এই বক্তব্যের পর যদি কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে বুঝতে হবে বাংলাদেশ আর আগের বাংলাদেশ নেই। আফগানিস্তানে তালেবান যেভাবে ক্ষমতায় এসে দেশটাকে মধ্যযুগে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে, সিরিয়ায় যেভাবে ইসলামিক জঙ্গিরা দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে, ইয়েমেনে যেভাবে হুথিরা একটা সভ্য দেশকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে, বাংলাদেশও সেই পথেই হাঁটছে। এবং এর দায় শুধু জামায়াতের নয়, মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরও।

যে দেশে সংবিধান অনুযায়ী সব নাগরিক সমান অধিকার পাবেন, সেই দেশে এখন প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে বিধর্মীরা সংসদে যেতে পারবে না। এটা শুধু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হুমকি নয়, এটা বাংলাদেশের সংবিধান এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ। ১৯৭১ সালে এই দেশ স্বাধীন হয়েছিল একটা অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে। আজ সেই স্বপ্নকে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে, এবং এর নেতৃত্ব দিচ্ছে যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতে ইসলামী।

বরগুনার ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই জবাব কি যথেষ্ট? একজন লোক প্রকাশ্যে সংবিধান লঙ্ঘন করে কথা বলছে, সংখ্যালঘুদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে, আর প্রশাসন বলছে লিখিত অভিযোগ লাগবে? এটা কি রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয় যে নিজে থেকে ব্যবস্থা নেবে? নাকি এখন রাষ্ট্রযন্ত্র জামায়াতের হাতে চলে গেছে?

প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশের মানুষ কি এই পথে হাঁটতে চায়? যে দেশে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবাই মিলে একসাথে লড়াই করে স্বাধীনতা এনেছিল, সেই দেশে এখন কি বলা হবে যে শুধু মুসলমানরাই সংসদে যেতে পারবে? ১৯৭১ সালে শহীদ হওয়া লাখো মানুষের রক্তের দাম কি এই? মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া হাজারো হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান যোদ্ধাদের ত্যাগ কি এভাবে অস্বীকার করা হবে?

জামায়াতে ইসলামী কখনো বাংলাদেশের বন্ধু ছিল না, আজও নেই। এই সংগঠন চায় বাংলাদেশকে পাকিস্তানের মতো একটা ধর্মীয় রাষ্ট্রে পরিণত করতে, যেখানে সংখ্যালঘুদের কোনো জায়গা থাকবে না। আর মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার সহযোগীরা এই কাজে পুরোপুরি সাহায্য করছেন। নইলে কীভাবে সম্ভব যে প্রকাশ্যে এমন বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে, আর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?

বাংলাদেশ এখন একটা মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে। হয় এই দেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরে যাবে, নয়তো তালেবানি আফগানিস্তান হয়ে যাবে। মাঝামাঝি কোনো রাস্তা নেই। জামায়াত যদি ক্ষমতায় থাকে, তাহলে এই দেশে সংখ্যালঘুদের জায়গা থাকবে না, নারীদের অধিকার থাকবে না, মুক্তচিন্তার জায়গা থাকবে না। থাকবে শুধু ধর্মের নামে নিপীড়ন, মধ্যযুগীয় শাস্তি, আর সাম্প্রদায়িক বিভাজন। এবং এই দায় শুধু জামায়াতের নয়, যারা জামায়াতকে এই জায়গায় আসতে সাহায্য করেছে, তাদেরও।

©®

কিছু তলোয়ারের ভয়ে সালোয়ার পড়া মাজহাবের বিকৃত মনের মানুষের উল্টাপাল্টা পোস্ট কর্মকান্ড নিউজ ছড়ানো, যাতে করে কিভাবে স...
22/01/2026

কিছু তলোয়ারের ভয়ে সালোয়ার পড়া মাজহাবের বিকৃত মনের মানুষের উল্টাপাল্টা পোস্ট কর্মকান্ড নিউজ ছড়ানো, যাতে করে কিভাবে সনাতনীদের দোষারোপ করা যায় ও একটি মব সৃষ্টি করে অন্যদের ক্ষতি করা যায় এবং লুটপাট করা যায় সেটার ব্যাংগু চেতনা নিয়ে আছে।

"তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজন, ভুক্তভোগী, জনপ্রতিনিধি এবং পুলিশের সাথে কথা বলে দ্য ডিসেন্ট এর প্রতিনিধি উল্লিখিত তিনটি পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের চেয়ে ভিন্ন চিত্র পেয়েছেন।

প্রথমত, ওইদিন সেখানে ধর্ষণের কোন ঘটনা ঘটেছে বলে কেউ জানেন না। এমনকি যে নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে তার ‘স্বামী’ বলে পরিচয় দেয়া ব্যক্তিটিও দ্য ডিসেন্টকে বলেছেন, তার ‘স্ত্রী’ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে তার জানা নেই এবং এমন কথা তিনি কাউকে বলেননি।

স্বামী পরিচয় দেয়া আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, “ঘটনার সময় দুইজন হামলাকারী ঘরে ঢুকে আমাকে মারধর করে এবং সাথে থাকা মানিব্যাগসহ মোবাইল ও কিছু জিনিসপত্র নিয়ে যায়। আর আমার স্ত্রীকে বাইরে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে ওরা চলে গেলে বাইরে এসে কিছু জায়গা দূরে স্ত্রীকে পাই কান্নাকাটি করতেছে। ওর কাছে থাকা ব্যাগ এবং টাকায় পয়সা এবং কিছু অলংকার নিয়ে চলে গেছে বলে আমাকে জানায়। তাকে শারিরীক কোন ক্ষতি করেছে বলে আমার স্ত্রী আমাকে কিছু বলেনি।”

ঘটনার অল্পক্ষণ পরই প্রতিবেশি যারা ঘটনাস্থলে হাজির হয়েছিলেন তাদের কেউও ধর্ষণের কোন ঘটনা ঘটেছে বলে জানেন না। ভুক্তভোগী স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেয়া ব্যক্তিদ্বয়ও তখন তাদেরকে ধর্ষণের শিকার হওয়ার কোন তথ্য দেননি। এবং তাকে খুঁটিতে বেঁধে মারধর করার যে তথ্য সংবাদমাধ্যমে এসেছে তা অস্বীকার করেছেন আব্দর রাজ্জাক। স্থানীয়রাও খুঁটিতে বেঁধে মারধরের কোন ঘটনা শুনেননি।

স্বামী পরিচয় দেয়া আব্দুর রাজ্জাক দ্য ডিসেন্ট-কে বলেছেন, তিনি কোন সাংবাদিকের সাথেও এই ঘটনার পর কথা বলেননি। তিনটি পত্রিকায় ধর্ষণের যে বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে তাতেও অবশ্য আব্দুর রাজ্জাক বা তা স্ত্রী পরিচয় দেয়া নারীর বরাতে কোন বক্তব্য ছিল না। যা প্রকাশিত হয়েছে তা ছিল নামহীন ‘সংশ্লিষ্ট সূত্র’ বা ‘স্থানীয় সূত্র’ এর বরাতে।

এই ঘটনায় থানায় কোন অভিযোগও করেননি ভুক্তভোগীরা।

দ্বিতীয়ত, ছিনতাইয়ের ঘটনায় (এবং তিনটি সংবাদমাধ্যমের সূত্র অনুযায়ী ধর্ষণে) জড়িত ব্যক্তিদের কোন পরিচয় কেউ জানে না। ভুক্তভোগী আব্দুর রাজ্জাক দ্য ডিসেন্ট-কে বলেছেন, “ওরা মাংকি টুপি পরা ছিল। নাক-মুখ ঢাকা ছিল। আর রাতের বেলা। লাইট অফ করে দিয়েছিল ঘরে ঢুকার আগে। কাউকে আমি দেখিনি ভাল করে। এখন দেখলেও চিনবো না।”

স্থানীয়রাও জানিয়েছেন, তারা ১০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে এসে দেখেছেন ছিনতাইকারীরা চলে গিয়েছে। একজন নারী জানান তিনি চিল্লাচিল্লি শুনে ৪/৫ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি আসার আগেই হামলাকারীরা চলে যায়। এলাকার অন্য কেউও তাদেরকে দেখেনি। ফলে, তারা মুসলিম নাকি হিন্দু বা তাদের নাম পরিচয় কী- এসব কারো জানার সুযোগ হয়নি।

©®The Dissent

⚠️ সত্য জানুন: সীতাকুণ্ড কোনো ১৯৭১-পরবর্তী সৃষ্টি নয় ⚠️সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ও বক্তব্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ...
11/01/2026

⚠️ সত্য জানুন: সীতাকুণ্ড কোনো ১৯৭১-পরবর্তী সৃষ্টি নয় ⚠️
সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ও বক্তব্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে—
যেখানে বলা হচ্ছে, “১৯৭১ সালে ভারতের ষড়যন্ত্রের বীজ রোপিত হয়ে সীতাকুণ্ডে তথাকথিত তীর্থস্থান মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে”।
👉 এই বক্তব্য সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
সীতাকুণ্ড (চন্দ্রনাথ ধাম) কমপক্ষে ২০০০–২৫০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন একটি তীর্থস্থান।
পুরাণসমূহে (বিশেষত স্কন্দ পুরাণ) চন্দ্রনাথ ধাম ও সীতাকুণ্ডের উল্লেখ পাওয়া যায়
রামায়ণ-মহাভারত যুগ থেকেই এই অঞ্চলে শিব আরাধনার কথা প্রচলিত
আদিকাল থেকেই এটি শিবতীর্থ ও তপস্যাভূমি হিসেবে পরিচিত
বাংলার বহু প্রাচীন রাজবংশ ও সাধু-সন্ন্যাসীদের সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে
📌 অর্থাৎ—
👉 সীতাকুণ্ডের অস্তিত্ব ১৯৭১ তো দূরের কথা, মধ্যযুগেরও বহু আগে থেকে বিদ্যমান।
“Before 1971 / After 1971” ধরনের ছবি ও তুলনা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ছাড়া উপস্থাপন করা হয়েছে, যা মানুষকে ভুল বোঝাতে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এটি কোনো বিদেশি ষড়যন্ত্রের ফল—এমন দাবি প্রমাণহীন।
ধর্মীয় স্থাপনার অস্তিত্বকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া ইচ্ছাকৃত উসকানি।
এই ধরনের পোস্টের মূল লক্ষ্য— হিন্দু-মুসলিম বিভেদ সৃষ্টি করা।
⚠️ সতর্কবার্তা
বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্য কিছু দুষ্কৃতকারী
👉 মিথ্যা তথ্য
👉 বিকৃত ছবি
👉 আবেগী ভাষা
ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।
📌 ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না
📌 মিথ্যা দিয়ে সত্যকে ঢেকে রাখা যায় না

#সীতাকুণ্ড
#চন্দ্রনাথধাম
#বাংলারইতিহাস
#প্রাচীনতীর্থ
#২০০০বছরেরইতিহাস
#ইতিহাসবিকৃতিনয়

সবাই একটু প্রচার করুন। বাঙ্গু লেবাসধারী লুঙ্গি বাহিনী তাদের কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য আমাদের সনাতনীদের নামে ফেক আইডি ব্যবহা...
11/01/2026

সবাই একটু প্রচার করুন।

বাঙ্গু লেবাসধারী লুঙ্গি বাহিনী তাদের কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য আমাদের সনাতনীদের নামে ফেক আইডি ব্যবহার করে উশৃঙ্খল সৃষ্টি করতে চায়। মনে রাখবেন সনাতনী কাউকে অন্য কেউ আক্রমণ করলে আপনারা বসে না থেকে প্রতিবাদ করবেন দরকার পড়লে শাস্ত্র ও অস্ত্র দুটিই হাতে তুলে নিবেন নয়তো কেউ বাঁচবেন না। সময় থাকতে বুঝতে শিখুন।

সবার দৃষ্টি আকর্ষন ও সহযোগীতা কামনা করছি।
এই ভাইটার নাম কৃষ্ণ। বাড়ি গাজীপুরে।
এডিটেড স্ক্রিনশট ও ছবি ব্যবহার করে তার নামে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ তুলে, মব স*ন্ত্রাসের চেষ্ঠা চালাচ্ছে স*ন্ত্রাসীরা।
সে ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে তার বক্তব্য জানিয়েছে। তাকে ফাসা*নোর চেষ্ঠা চলছে।
প্লিজ আপনারা বেশি বেশি শেয়ার করে এই তথ্যটি ছড়িয়ে দিন। বিশেষ করে গাজীপুরে পরিচিত কেউ থাকলে।
আমরা চাই না, কৃষ্ণর কোন ক্ষতি হোক। আমরা সকলেই তার পাশে দাড়াই।।

ফেসবুকে অনেকে এই ব্যক্তিকে আলেম উল্লেখ করে মুক্তি চাইছেন। আচ্ছা উনি একজন আলেম হয়ে একজন মানুষকে পু*ড়িয়ে হ*ত্যা করার সিদ্ধ...
10/01/2026

ফেসবুকে অনেকে এই ব্যক্তিকে আলেম উল্লেখ করে মুক্তি চাইছেন। আচ্ছা উনি একজন আলেম হয়ে একজন মানুষকে পু*ড়িয়ে হ*ত্যা করার সিদ্ধান্ত কি ভাবে নিলেন? এই লোক সারা জীবন লিল্লাবোর্ডিয়ের পাতলা ডাইল খেয়ে বড় হয়েছে। সে আর কতটুকুই বা বুদ্ধি অর্জন করতে পেরেছে?
পবিত্র কোরআনের কোথায় লেখা আছে যে, মানুষকে পু*ড়িয়ে হ*ত্যা করা যাবে? রাসুলের জীবনে বহু অমুসলিম পবিত্র মক্কা নগরীতে বসবাস করতেন। রাসুল পাক (সা:) কি কখনও কাউকে মানুষকে পু*ড়িয়ে হ*ত্যা করার নির্দেশ দিয়েছেন? ইসলাম ধর্মের কোথাও এরকম নির্দেশ না থাকা সত্বেও সে কিভাবে একা এ সিদ্ধান্ত নিলো? নিজেকে প্রশ্ন করুন। তাহলে বুঝে যাবেন, কে আলেম? আর কে জালেম?

ফ্যাক্ট: ময়মনসিংহের ভালুকায় দিপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে পু*ড়িয়ে হ*ত্যা।

©®

Target: শুধুই সনাতনী ।  কখনও ভারতের দালাল হিসাবে নয়তো বানোয়াট গল্প ইসকন কে জঙ্গি বানিয়ে। কারণ ইসকন থাকাতে অল্প বয়সী ...
05/01/2026

Target: শুধুই সনাতনী ।
কখনও ভারতের দালাল হিসাবে নয়তো বানোয়াট গল্প ইসকন কে জঙ্গি বানিয়ে। কারণ ইসকন থাকাতে অল্প বয়সী মেয়েদের কনভার্ট করতে হিমসিম খাচ্ছে মুলা মাজ_ও_হাব।

ধরুন আপনি একটি থানায় সংঘবদ্ধ মব নিয়ে বারবার হামলা চালাচ্ছেন। লক্ষ্য একটাই—থানার ভেতরে থাকা পুলিশদের হত্যা করা। থানা ঘেরাও করা হয়েছে, আগুন দেওয়া হয়েছে, নিচতলা জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, অস্ত্রাগার পুড়ছে। উপরতলায় ৬০–৬৫ জন পুলিশ সদস্য ধোঁয়া ও আগুনের মধ্যে আটকে আছেন। এই অবস্থায় পুলিশ কী করবে?

এই বাস্তবতায় বানিয়াচং থানার পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি চালাতে বাধ্য হয়। এটি কোনো পরিকল্পিত আক্রমণ নয়, কোনো প্রতিশোধমূলক অভিযান নয়—এটি ছিল জীবন বাঁচানোর শেষ চেষ্টা। তবু এই গুলিতে কয়েকজন গ্রামবাসী নিহত হন, যা ঘটনাকে আরও ভয়াবহ করে তোলে।

এরপর হাজার হাজার মানুষ থানাকে সম্পূর্ণ ঘিরে ফেলে এবং প্রকাশ্যে হুমকি দেয়—থানার ভেতরে থাকা সব পুলিশকে হত্যা করা হবে। দিনভর সেনাবাহিনী, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। গভীর রাত পর্যন্ত চলে আলোচনা।

শেষ পর্যন্ত দাবি আসে,“অন্তত একজন পুলিশকে আমাদের হাতে তুলে দিতে হবে। তা না হলে কাউকেই উদ্ধার করতে দেওয়া হবে না।”

একবার ভেবে দেখুন—একজন জীবিত পুলিশ কর্মকর্তা, যিনি রাষ্ট্রের একজন প্রশিক্ষিত আইনপ্রয়োগকারী সদস্য, তাকে জনতার হাতে তুলে দিতে বলা হচ্ছে যেন তারা প্রকাশ্যে তাকে হত্যা করতে পারে।

এই দাবি কোনো আকস্মিক আবেগের ফল নয়। থানায় বারবার হামলা চালিয়ে পুলিশকে গুলি চালাতে বাধ্য করা হয়েছিল, যেন পরে পুলিশ হত্যা “জাস্টিফায়েড” করা যায়। আগুন দিয়েও যখন থানাভর্তি প্রায় ৫০ জন পুলিশকে হত্যা করা সম্ভব হয়নি, তখন অন্তত একজনকে বলি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এই সংঘবদ্ধ সহিংস গোষ্ঠী।

পুলিশ সদস্যদের উদ্ধারের সময় ঠান্ডা মাথায় একজনকে বেছে নেওয়া হয়। তার নাম—এসআই সন্তোষ চৌধুরী।

সন্তোষ কোনো র‍্যান্ডম চয়েজ ছিলেন না। জনতা স্লোগানের মতো করে তার নাম চিৎকার করছিল—“সন্তোষ চাই।” অন্য কোনো পুলিশ সদস্য নয়, শুধু তাকেই। বিবিসি বাংলার রিপোর্টে অন-ক্যামেরা যেসব সহযোগী কথা বলেছে, তারা “অপকর্ম”-এর অভিযোগ তুললেও বাস্তবে সন্তোষকে টার্গেট করা হয়েছিল এলাকায় মাদক ব্যবসা দমন, অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং ৫ আগস্ট আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে।

এই বক্তব্যের ভেতরের অসংগতি সহজেই ধরা পড়ে। থানার ভেতরে সন্তোষ ছাড়া আরও বহু অস্ত্রধারী পুলিশ ছিলেন। যদি গুলি চালানোই অপরাধ হয়, তবে প্রশ্ন আসে—তাহলে শুধু সন্তোষ কেন?

প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানে বাস্তবতা উঠে আসে। স্থানীয়রা জানান, সন্তোষ চৌধুরী মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে ছিলেন। মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করতেন, আইনের আওতায় আনতেন, কোর্টে পাঠাতেন। এলাকার এক বাসিন্দার ভাষায়, যারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল, তারাই “সন্তোষ চাই” স্লোগান তুলেছিল।

ঘটনার দিন থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হানিফ বলেন, হাজার হাজার মানুষ ইট-পাটকেল মারছিল, পুরো থানা আগুনে পুড়ছিল, নিচতলায় আগুন আর অস্ত্রাগার জ্বলছিল। উপরতলায় বন্দী ৬৫ জন মানুষ ধোঁয়ায় শ্বাস নিতে পারছিল না। আরও দশ-পনেরো মিনিট থাকলে সবাই মারা যেত। ঠিক সেই মুহূর্তে সন্তোষ ভেবেছিলেন, গুলি চালালে হয়তো হামলাকারীরা সরে যাবে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান স্পষ্ট করে—
এসআই সন্তোষ গুলি করেছিলেন থানা আক্রমণ ঠেকাতে এবং অন্তত ৬৫ জন মানুষের জীবন বাঁচাতে।

তবু গভীর রাতে যখন সেনাবাহিনীর সহায়তায় পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করা হচ্ছিল, তখনই সন্তোষকে লাইনে দাঁড় করানোর মুহূর্তে জনতা তাকে ছিনিয়ে নেয়। থানা চত্বরেই তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন, ৬ আগস্ট, তার মরদেহ থানার সামনে একটি গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়—রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর এক ভয়ংকর প্রদর্শনী হিসেবে।

এই পুরো ঘটনার মূল প্রশ্নটি তাই থেকেই যায়—
Why ASI Santosh alone?

উত্তরটা হয়তো আমরা সবাই জানি।

Copyright: Bengal's Last Stand

05/01/2026

#সনাতনীশক্তি

আমি মানুষজনকে প্রশ্ন করেছি, ভারতীয় আধিপত্য কি জিনিস, এদেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদ থাকার যে দাবী করা হয় তার প্রমাণ কি- তারা আম...
26/12/2025

আমি মানুষজনকে প্রশ্ন করেছি, ভারতীয় আধিপত্য কি জিনিস, এদেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদ থাকার যে দাবী করা হয় তার প্রমাণ কি- তারা আমাকে ঠিকঠাক উত্তর দিতে পারেনি। খালি বলেছে, শেখ হাসিনার রাতের ভোটকে ভারত সমর্থন করে গেছে, সীমান্তে গুলি করে মানুষ হত্যা এগুলো নাকি ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রমাণ...।

তাদেরকে বলেছি, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে তো আমেরিকাও রাজনীতি করে, ইভেন, ২৪ এর আন্দোলন তো আমেরিকার সমর্থনে হলো সেটাকেও তাহলে আমেরিকার আধিপত্যবাদ বলা যায়, তারা সেটাকে মানছেন কেন? দুই, সীমান্তে যদি বাংলাদেশ গরু চোরাচালান বন্ধ করতে পারে তাহলে একজনও সীমান্তে গুলি খেয়ে মারা যাবে না। কেন তারা অবৈধভাবে সীমান্ত পারি দিয়ে ভারতে যেতে চায়। বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ তো ভারতকে সীমান্তে গুলি নিয়ে একটি যুক্তিও দেখাতে পারেনি। দেখা যাচ্ছে এই সমস্যাগুলো আমাদের নিজেদের ভূমিকা বেশ বড়। আমরাই মেটাতে পারি। কিন্তু নিজ দেশের এই হামলাগুলোকে কিসের আধিপত্য বলা যাবে? কে থামাবে এগুলো? সরকার আসে সরকার যায়, কিন্তু চিত্র একই থেকে যায়। এই মুসলিম আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা না বলে ভারতীয় আধিপত্যবাদ নিয়ে রাজনীতি করার কারণ এটাই যে আপনারা মুসলিম আধিপত্য চালিয়ে যাবেন আর তথাকথিত ভারতীয় আধিপত্যবাদের ন্যারেটিভ বানিয়েই চলবেন?

©®

-সুষুপ্ত পাঠক
২৫/১২/২৫

কয়েকদিন আগে এই ছেলে গুলো চন্দ্রনাথে মন্দিরের পাশে এসে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিল। মহাকাল স্বয়ংসেবক ফাউন্ডেশন একটি টিম এর প...
24/12/2025

কয়েকদিন আগে এই ছেলে গুলো চন্দ্রনাথে মন্দিরের পাশে এসে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিল। মহাকাল স্বয়ংসেবক ফাউন্ডেশন একটি টিম এর প্রতিবাদের কারনে যখন সবাই ক্ষেপে যায়,প্রতিবাদের কারনে এদের গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে পুলিশের উপর এরা মব করতে যায়। পুলিশ যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেছে। পরবর্তীতে চন্দ্রনাথ মন্দিরের পুরোহিতের কথায় সম্ভবত এদের মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে
এরা ছাড়াও আরো অনেক গুলো শান্তির দূত ছিল। সনাতনী দের পবিত্র স্থান ও তীর্থস্থান এর মতো জায়গায় এমন উগ্রবাদী আচরন মেনে নেওয়ার মতো নয়,,,

#সনাতনীশক্তি

Address

Dinajpur
5250

Telephone

+8801580321346

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমি সনাতনী - Ami Sonatoni posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to আমি সনাতনী - Ami Sonatoni:

Share

Category