03/06/2025
⭕❗⭕
#জগন্নাথ_দেবের_স্নানযাত্রা মাহাত্ম্য কি? :-
আগামী ১১/০৬/২০২৫ খ্রিঃ,,২৮ জ্যৈষ্ঠ , রোজ বুধবার জৈষ্ঠ্য মাসের শুক্লপক্ষের পূণির্মা তিথিতে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের মহা স্নানযাত্রা মহা-মহোৎসব।।
জ্যৈষ্ঠের খরতাপে যখন চারিদিক পুড়ছে সেই জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমার দিনে জগন্নাথ দেব ১০৮ কলস জল দিয়ে স্নান করেন। এই স্নানই জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা নামে পরিচিত। আর জগন্নাথ দেবের সেই পবিত্র স্নানযাত্রার তিথিটিই হচ্ছে জৈষ্ঠ্য পূর্ণিমা বা দেবস্নানা পূর্ণিমা।
🌻 স্কন্দপুরাণ অনুসারে,, পুরী রাজ ইন্দ্রদুম্ন জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রার প্রবর্তক। এই দিন দারুব্রহ্মকে স্নান করানো হয় বলেই এর নাম দেবস্নানা পূর্ণিমা। এটি বৈষ্ণবদের জন্য একটি অত্যন্ত শুভ দিন।
🌻 স্নান পর্ব সম্পন্ন হওয়ার পর গজবেশে সাজানো হয়। এরপর জগন্নাথ ১৫ দিন প্রভু অসুস্থ হয়ে (জ্বরে আক্রান্ত হয়ে) লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকেন যা অবসর বা অনাসর কাল নামে পরিচিত।
🌻 স্কন্দ পুরাণে পুরুষোত্তম ক্ষেত্র মাহাত্ম্য বর্ণনায় বলা হয়েছে, “জ্যৈষ্ঠী পূর্ণিমায় শ্রী হরির স্নানযাত্রা দর্শনের মাধ্যমে অনায়াসেই জীব মুক্তি লাভ করতে পারে। এমন কি কেউ যদি ভক্তি সহকারে একবারও স্নান যাত্রা মহোৎসব দর্শন করেন, তাঁর সংসার বন্ধন থেকে মুক্তি লাভ সুনিশ্চিত হয়ে যায়। তাকে আর শোক করতে হয় না।
🌻 জৈমিনি ঋষি স্নান যাত্রার মাহাত্ম্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন,, ভগবান পুরুষোত্তমের স্নানযাত্রা দর্শন করলে সমস্ত তীর্থ সমূহে স্নান করার থেকেও শতগুণ অধিক ফল প্রাপ্ত হওয়া যায় এবং এতে কোনো সংশয় নেই।”
🌻 স্কন্দপুরাণে জৈমিনি ঋষি আরোও বলেছেন,,,
“যদি কেউ আন্তরিকতার সাথে স্নান কালে ভগবানকে নিরীক্ষণ করে, তাদেরকে আর মাতৃগর্ভে বাস করতে হয় না। উৎসুকতাপূর্ণ হৃদয়ে স্নানযাত্রা দর্শন করলে জীবগণ ভবসাগর থেকে উদ্ধার লাভ করতে পারে। পরম আনন্দ সহকারে স্নানযাত্রা দর্শন করলে মানুষ আজন্ম যা পাপ করেছে তা বিনষ্ট হয়ে যায়।”
>>> স্নানযাত্রা কি? > পুরীধামে স্নানযাত্রার বিশেষ রীতি রেওয়াজ > শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের গজবেশ