ধর্মীয় তত্ত্ব কথা - Religious Theory

ধর্মীয় তত্ত্ব কথা - Religious Theory This is a religious page. We always try our level best to remove the religious ignorance from the mind of the general people.

08/05/2026
নিদ্রিতাবস্থায় দুরদর্শন।শিষ্যঃ অধ্যাত্ম বিদ্যা প্রচারক দুই একটা সম্প্রদায়ের মতে সুষুপ্তির সময় আত্মা দেহ ছাড়িয়া নানা স্থা...
01/04/2026

নিদ্রিতাবস্থায় দুরদর্শন।
শিষ্যঃ অধ্যাত্ম বিদ্যা প্রচারক দুই একটা সম্প্রদায়ের মতে সুষুপ্তির সময় আত্মা দেহ ছাড়িয়া নানা স্থানে ঘুরিয়া বেড়ায়-নানা মৃতাত্মা বা জীবিত লোকের সহিত সাক্ষাৎ করে। এই সমস্ত সাক্ষাতের সংস্কার (Impression) গুলিই স্বপ্ন। সেই আত্মার সহিত দেহ একটা সূত্রবৎ পদার্থ দ্বারা সংযোজিত থাকে মাত্র। দেহে পুনরাগমনের সময় হইলে সেই অতিবাহক সূত্র ধরিয়া দেহে পুনঃ প্রবেশ করে।
শ্রীশ্রীঠাকুর স্বামী নিগমানন্দ পরমহংস দেব হাসিলেন ও বলিলেন:-
লক্ষ লক্ষ জীবাত্মা যদি অতিবাহক সূত্র সহযোগে বাহির হয় তবে ঘুঁড়ির সূত্রের যেরূপ কাটাকাটি হয় তদ্রূপ কাটাকাটি হয় নাত বাপু! নিদ্রার সময় আত্মা দেহ ছাড়িয়া কোথাও যায় না। দেহস্থিত সপ্তলোকের সহিত বাহিরের সপ্তলোকের যোগ আছে। স্বপ্নের সময় আত্মার সূক্ষ্ম দৃষ্টি হওয়ায় দেহের ভিতর হইতে বহুদূর দৃষ্ট হয়। বাহিরে গিয়া আত্মার ঘুরিয়া বেড়াইয়া কিছুই জানিতে হয় না।

পরমহংস শ্রীমৎস্বামী নিগমানন্দ স্বরস্বতীর উত্তরের তাৎপর্য সহজভাবে কমেন্টে তুলে ধরুন।
জয়গুরু।

জয়গুরু, কেউ কি বলতে পারেন পরমহংস শ্রীমৎস্বামী নিগমানন্দ সরস্বতী কত বৎসর বয়সে বৈরাগ্য উদয়ে গৃহত্যাগ করিয়া প্রত্যক্ষ-জ্ঞান...
01/04/2026

জয়গুরু,
কেউ কি বলতে পারেন পরমহংস শ্রীমৎস্বামী নিগমানন্দ সরস্বতী কত বৎসর বয়সে বৈরাগ্য উদয়ে গৃহত্যাগ করিয়া প্রত্যক্ষ-জ্ঞান লাভের আশায় ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে পরিভ্রমণ করেন?

১। আত্মা দেহের কোথায় অবস্থান করেঃআমি সকল জীবের হৃদয়-দেশে স্থিত আত্মা এবং সকল জীবের আদি, মধ্য আর অন্তও আমিই। - গীতা: ১০/২...
01/04/2026

১। আত্মা দেহের কোথায় অবস্থান করেঃ

আমি সকল জীবের হৃদয়-দেশে স্থিত আত্মা এবং সকল জীবের আদি, মধ্য আর অন্তও আমিই। - গীতা: ১০/২০

২। সাইন্টিফিকালি আত্মার অস্তিত্ব প্রমাণ করা যায় না। কারণঃ

এই আত্মা অজ, নিত্য, শাশ্বত এবং পুরাণ; শরীর নষ্ট হলেও এই আত্মার মৃত্যু হয় না। - গীতা: ২/২০

আমরা যেমন আমাদের চারপাশের মানুষগুলোকে দেখতে পাই কিন্তু তাদের মনুষ্যত্ব দেখতে পাই কি?
যেহেতু আত্মা পদার্থ দ্বারা তৈরি নয়, তাই কোনো যন্ত্র দিয়ে তা প্রমাণ করা সম্ভব নয়।

সকলকে নমস্কার।
🙏🙏🙏🙏🙏

06/03/2026

শাস্ত্রাধ্যয়ন মানুষকে নম্র ও ভদ্র হতে শেখায়, কখনোই উগ্র হতে শেখায় না।

24/02/2026

মদ, মাংস ও মৈথুনে কোন দোষ নাই যেহতু এগুলো মনুষ্যদিগের স্বভাবজাত প্রবৃত্তি, তবে এসব কাজে প্রবৃত্ত হওয়ার চেয়ে নিবৃত্ত হওয়া মহাপুণ্যের। এ কথা দ্বারাও প্রমাণিত হয় যে বিহিত মাংস ব্যতীত অবিহিত মাংস ভোজন শাস্ত্রানুযায়ী সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। কেননা ঋষি বলেছেন - এসব কাজ না করা সর্বোত্তম জানিবে।

17/02/2026

আমার মনে হয় বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষই ধর্ম কি তা বোঝেনা। বহ্যিক কৃষ্টি-কালচার ও রীতি নীতিই আজকাল মানুষের কাছে ধর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিবাহিতা নারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্যঃকু-স্ত্রী অর্থাৎ কুলটা হইলেই স্বামীকে দুঃখ দিয়া থাকে, পতিব্রতা হইলে কখনই তাহা করে না,...
15/02/2026

বিবাহিতা নারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্যঃ

কু-স্ত্রী অর্থাৎ কুলটা হইলেই স্বামীকে দুঃখ দিয়া থাকে, পতিব্রতা হইলে কখনই তাহা করে না, যে সকল স্ত্রী মহদ্বংশে উৎপন্ন হইয়া কুলধর্ম্মের বশীভূতা হয়; তাহাদিগকেই কুলজা ও কুলপালিকা নামে নির্দেশ করে। সেই কুলপালিক। রমণী, পতিকে পুত্রের ন্যায় স্নেহ করিয়াথাকে এবং পতিই তাহাদিগের একমাত্র বন্ধু, পতিই গতি (আশ্রয়), পতিই ভরণকর্তা এবং পতিই দেবতা; পতি পতিতই হউক, আর অপতিতই হউক, ধনাঢ্যই হউক বা দরিদ্রই হউক, তাহারা সে বিষয়ে দৃকপাত করে না, কেবল পতির সেবাতেই নিরত থাকে; যাহারা অসংকুলে উৎপন্ন হইয়া পিতা মাতার নিকটে কেবল অসৎকার্য্যেরই শিক্ষা করিয়া থাকে, নিশ্চয় সেই সকল কামিনীই অন্যের এর ভোগ্যা হইয়া নিরন্তর পতিনিন্দায় নিরত থাকে; আর যে সতী স্ত্রী পতিকে আমাদিগের উভয় হইতেও অধিক জ্ঞান করে (অর্থাৎ ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও দেবাদিদেব মহাদেব অপেক্ষাও), সে কোটিকল্পপর্যন্ত স্বামীর সহিত গোলোকধামে আনন্দ ভোগ করে; হে শিব! এবং পরে তিনিই মঙ্গলময়ী শৈবী বা বৈষ্ণবী প্রকৃতিতে বিলীনা হন।

যোহন্যত্র কুরুতে যত্নমনধীত্য শ্রুতিং দ্বিজঃ। স বৈ মুঢ়ো ন সম্ভাষ্যো বেদবাহ্যো দ্বিজাতিভিঃ ॥ ৮০যে দ্বিজ শ্রুতি অধ্যয়ন না ক...
08/02/2026

যোহন্যত্র কুরুতে যত্নমনধীত্য শ্রুতিং দ্বিজঃ। স বৈ মুঢ়ো ন সম্ভাষ্যো বেদবাহ্যো দ্বিজাতিভিঃ ॥ ৮০
যে দ্বিজ শ্রুতি অধ্যয়ন না করিয়া অন্য শাস্ত্র অধ্যয়নে যত্ন করে, সেই বেদবাহ্য মুঢ়ব্যক্তি, দ্বিজগণের সম্ভাষণীয় নহে। উশন সংহিতা ৩/৮০
যে সকল দ্বিজাতিগণ বেদ-অধ্যয়ন বর্জন করিয়া কেবল শাস্ত্রান্তর অধ্যয়নে আগ্রহশীল হয়, দ্বিজাতিগণ সেই বেদ-পরিত্যাগী মহামূর্খ ব্যক্তির সহিত যে কোন বাক্যালাপ পরিত্যাগ করিবেন, কারণ বাক্যালাপকারী ব্যক্তিকে সেই মহাপাপীর পাপ স্পর্শ করিবে। উশন সংহিতা ৩/৮০
যে ব্যক্তি যথাবিধি বেদাধ্যয়ন করিয়া পশ্চাৎ বেদান্ত (উপনিষদ) আলোচনা না করে, সে সবংশে শূদ্রবৎ হইবে এবং পাদপ্রক্ষালন জল বা প্রাপ্য পরমপদ প্রাপ্ত হইতে পারিবে না। উশন সংহিতা ৩/৮২

ঔঁ তৎ সৎশিবতত্ত্ব পর্বঃ ০২।।৩।। 'শিব' নামের অর্থ:-শিবপুরাণে উক্ত হয়েছে “শং নিত্যসুখম্ আনন্দম্ ইকারঃ পুরুষঃ স্মৃতঃ।। বকার...
07/02/2026

ঔঁ তৎ সৎ

শিবতত্ত্ব পর্বঃ ০২

।।৩।। 'শিব' নামের অর্থ:-
শিবপুরাণে উক্ত হয়েছে “শং নিত্যসুখম্ আনন্দম্ ইকারঃ পুরুষঃ স্মৃতঃ।। বকারঃ শক্তিরমৃতং মেলনং শিব উচ্যতে। তস্মাদেবং স্বমাত্মানং শিবং কৃত্বার্চযেচ্ছিবম্।।” অর্থাৎ, 'শিব' শব্দে 'শ'-কার নিত্য সুখ ও আনন্দস্বরূপ, 'ই'-কার পরমপুরুষ, 'ব'-কার অমৃতশক্তি। সুতরাং শিব শব্দে 'শ'-কার সুখস্বরূপ সমাধিবাচক হওয়ায় আধ্যাত্মিক তাপনিবারক, 'ই'-কার অভিষ্টপূরক হওয়ায় আধিভৌতিক তাপনিবারক, 'ব'-কার অমৃতবীজ ও বরুণ-অধিদৈবহেতু আধিদৈবিক তাপনিবারক। এইভাবে 'শিব'-নাম ত্রিতাপনাশক।
অন্যমতে 'শব' শব্দের 'শ'-এ 'ই'কার যুক্ত হয়ে 'শিব' হয়েছে, 'ই'কার প্রকৃতি বা আদ্যাশক্তি, প্রকৃতিবিহীন শিব শবমাত্র। শিব মানে মঙ্গল, যিনি মঙ্গলবিধায়ক তিনিই শিব। শিবের কত নাম! তিনি সর্ববৃহৎ বলে ব্রহ্ম, সনাতন বা স্থির বলে স্থাণু, ষড়ৈশ্বর্য্যশালী বলে ভগবান, সর্বভূতকে কলন বা সংহার করেন বলে মহাকাল, স্বয়ংজাত বলে স্বয়ম্ভূ, পশু বা জীবের বন্ধন ও মোচনকর্তা বলে পশুপতি, মহৈশ্বর্য্যবান বলে মহেশ্বর, দাক্ষিণ্য বা কৃপাহেতু দক্ষিণামূর্তি ইত্যাদি।
।।৪।। সন্ন্যাসী ও গৃহীর আদর্শ শিব :-
"সদাশিব শঙ্করাচার্য্য সমারম্ভাং মধ্যমাম্। অস্মদাচার্য্যপর্যন্তাং বন্দে গুরুপরম্পরাম্।।" -এই পরম্পরা বন্দনার মন্ত্র থেকে আমরা বুঝি স্বয়ং সদাশিবই সন্ন্যাসীর আদিগুরু। সন্ন্যাসীর সকল আদর্শই শিবের মধ্যে পরিস্ফুট - তাঁর বৈরাগ্য, সর্বদা যোগে স্থিতি, জ্ঞানশক্তি, শুচি-অশুচিতার মতো সকল বিপরীত অবস্থার মধ্যেও স্থির থাকা ইত্যাদি। অন্যদিকে গৃহস্থের আদর্শও তিনি। শিবের সংসার বিদ্যার সংসার, কৈলাস একাধারে গৃহ ও তপোবন উভয়ই। সংসারী মানুষের মধ্যে যত শ্রেষ্ঠতম গুণাবলী দেখা যায়, তার গুরু তিনিই। তিনি নৃত্য-গীত-বাদ্যের দেবতা, তিনি সংস্কৃত ব্যাকরণের জনক, চিকিৎসাশাস্ত্র, অস্ত্রবিদ্যার, তন্ত্র-মন্ত্র-হঠযোগের গুরু। তিনি নিজেই প্রেমাভক্তির পরাকাষ্ঠা ও শরণাগতের আশ্রয়দাতা, তাঁর এই দুই গুণ গৃহস্থের সর্বোচ্চ আদর্শ। সন্ন্যাসীর জ্ঞান ও গৃহীর ভক্তি শিবচরিত্রে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। সনাতন ভারতবর্ষের সকল আদর্শ, সকল জ্ঞান ও সকল বিদ্যার তিনিই স্বয়ং সাকার বিগ্রহ।

।।৫।। শিবলিঙ্গ কি? :-
জ্ঞানীর দৃষ্টিতে শিবলিঙ্গ নিরাকার ব্রহ্মের প্রতীক, বৈদিকের দৃষ্টিতে যূপস্তম্ভ, যাজ্ঞিকের দৃষ্টিতে সপীঠশিবলিঙ্গ বেদীর উপর হোমশিখা, পিতৃ উপাসকের দৃষ্টিতে পিতৃমাতৃচিহ্ন, কৃষকের দৃষ্টিতে উর্বরতার প্রতীক, পশুপালকের দৃষ্টিতে প্রজননশক্তি, আসুর জনজাতির দৃষ্টিতে শিশুদেব, বৌদ্ধের দৃষ্টিতে স্তূপ... আরও কত কি!
'লিঙ্গ'-এর 'লী' শব্দে লয় পাওয়া ও 'গম' শব্দ বহির্গত হওয়া। তাই কৌলজ্ঞাননির্ণয়ে (৩/১০) বলা হয়েছে
"যস্যেচ্ছয়া ভবেৎ সৃষ্টির্লয়স্তত্রৈব গচ্ছতি। তেন লিঙ্গন্ত বিখ্যাতং যত্র লীনং চরাচরম্।।” অর্থাৎ, 'যে পরম কারণের ইচ্ছায় এ জগতের উৎপত্তি ও যাতে এ জগতের লয়, সেই লিঙ্গমধ্যেই চরাচর জগত ওতপ্রোত হয়ে আছে।।' স্থূলদৃষ্টিতে শিবলিঙ্গের দুটি অংশ - লিঙ্গ ও বেদী। লিঙ্গভাগ শিবস্বরূপ এবং বেদী আদ্যাশক্তির প্রতীক। বেদীভাগ- গৌরীপট্ট, গৌরীপীঠ, যোনিপীঠ ইত্যাদি নামে সুপরিচিত। স্কন্দপুরাণমতে - "আকাশং লিঙ্গমিত্যাহুঃ পৃথিবী তস্য পীঠিকা। আলয়ঃ সর্বদেবানাং লয়নাল্লিঙ্গমুচ্যতে।।” অর্থাৎ, 'আকাশরূপ লিঙ্গের বেদী পৃথিবী, যেখানে সকল দেবতার নিবাস, সেখানে সব কিছু লয় হয় বলে তাঁকে লিঙ্গ বলে।।' রুদ্রাধ্যায়ের ধ্যানমন্ত্রে সর্বব্যাপী বিরাট দিব্যলিঙ্গের লক্ষণ অপূর্ব ভঙ্গীতে প্রকাশিত হয়েছে - "পীঠং যস্য ধরিত্রী জলধরকলসং লিঙ্গমাকাশমূর্তিং, নক্ষত্রং পুষ্পমাল্যং গ্রহগণকুসুমং চন্দ্রব্যকনেত্রম্। কুক্ষিঃ সপ্তসমুদ্রং ভুজগিরিশিখরং সপ্তপাতালপাদং, বেদং বজ্রং ষড়ঙ্গং দশদিশ বসনং দিব্যলিঙ্গং নমামি।।” অর্থাৎ, 'আমি সেই দিব্যশিবলিঙ্গকে প্রণাম করি, স্বয়ং ধরিত্রী যাঁর গৌরীপীঠ, মেঘমালা যাঁর জলাভিষেকের কলস, মহাকাশ যাঁর বিরাট লিঙ্গরূপ, তারকাবলী মাল্য, গ্রহগণ পূজাকুসুম, চন্দ্র সূর্য্য ও অগ্নি যাঁর ত্রিনয়ন, সপ্তসমুদ্র উদরদেশ, পর্বতশিখর যাঁর বাহু, সপ্তপাতাল চরণ, ষড়ঙ্গবেদ যাঁর মুখ, তিনি দিগ্বসন।।' এই ধ্যানমন্ত্রে শিবলিঙ্গের মহিমা শিবলিঙ্গের সকল অর্বাচীন যৌনব্যাখ্যাকে অতিক্রম করে অদ্বৈত বেদান্তের শিখরচূড়া স্পর্শ করেছে। লিঙ্গপুরাণ মতে (১৭ অধ্যায়) - "প্রধানং লিঙ্গমাখ্যাতং লিঙ্গী চ পরমেশ্বরঃ।” অর্থাৎ, প্রকৃতিই লিঙ্গ এবং মহেশ্বরই লিঙ্গী।। এইভাবে পরমপুরুষ ও পরাপ্রকৃতি কখনই বিচ্ছিন্ন থাকেন না। “পীঠাকৃতিরুমাদেবী লিঙ্গরূপশ্চ শঙ্করঃ।” - অর্থাৎ, উমাদেবী লিঙ্গপীঠ এবং শঙ্কর লিঙ্গরূপ। (লি. পু. উত্তর ১১/৩১)৷৷ অনুরূপ বচন নারদপাঞ্চরাত্রেও পাওয়া যায় "যত্র লিঙ্গস্তত্র যোনিঃ যত্র যোনিস্ততঃ শিবঃ।” অর্থাৎ, যেখানেই লিঙ্গ (শিব) সেখানেই যোনি (শক্তি), উভয় অবিচ্ছেদ্য।। শিবলিঙ্গের এই যে সর্বগ্রাসী, সর্বলয়কারী, সর্বাশ্রয়দাতা বিরাট বিপুল রূপ, তা আমাদের ক্ষণে ক্ষণে বিস্মিত ও মুগ্ধ করে। “সর্বলিঙ্গময়ো লোকঃ সর্বং লিঙ্গে প্রতিষ্ঠিতম্।।” অর্থাৎ, 'সর্ব জগৎ লিঙ্গময়, লিঙ্গেই সব অধিষ্ঠিত' (লি. পু. ১/৭৩/৬)।। 'দেব, দৈত্য, দানব, যক্ষ, বিদ্যাধর, সিদ্ধ, রাক্ষস, পিতৃগণ, মুনি, ঋষি, কিন্নর সকলেই যে শিবলিঙ্গের পূজায় সিদ্ধিলাভ করেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই' (ঐ ১/৭৩/৭-৯)।। প্রস্তর, রত্ন, ধাতু, কাষ্ঠ, মৃত্তিকা ইত্যাদি বিভিন্ন উপাদানে শিবলিঙ্গ গঠিত হয়। রত্নলিঙ্গ পূজায় শ্রীলাভ, প্রস্তরলিঙ্গে সর্বসিদ্ধি, ধাতবলিঙ্গে ধনলাভ, কাষ্ঠলিঙ্গে ভোগ ও সিদ্ধি, মৃন্ময়লিঙ্গ সর্বসিদ্ধিদায়ক ও শুভা শিবলিঙ্গের নিম্নভাগে ব্রহ্মা, মধ্যভাগে বিষ্ণু ও ঊর্ধ্বভাগে রুদ্র বিরাজিত। লিঙ্গবেদী বা গৌরীপীঠে আদ্যাশক্তি ও সর্বাঙ্গে সর্বদেবদেবীর নিবাস। যিনি গৌরীপীঠে শিবলিঙ্গ পূজা করেন, তাঁর সর্ব দেবদেবী পূজার ফললাভ হয়।

Address

Dinajpur, Rangpur
Dinajpur
5200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ধর্মীয় তত্ত্ব কথা - Religious Theory posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ধর্মীয় তত্ত্ব কথা - Religious Theory:

Share