Dawah for Mankind

Dawah for Mankind And who is better in speech than one who invites to Allah and does righteousness and says, "Indeed, I am of the Muslims." (The Quran 41:33)

10/07/2025

তিন প্রকার লোকের গ্যারান্টি:

নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: তিন প্রকার লোকের গ্যারান্টি আল্লাহর উপর রয়েছে: যদি তারা জীবিত থাকে, তাহলে তাদের রিয্ক দেওয়া হবে এবং তা যথেষ্ট হবে। আর যদি তারা মারা যায়, তাহলে আল্লাহ্ তাদের জান্নাত দিবেন।
=যে নিজ বাড়িতে প্রবেশ করার সময় সালাম দিলো, সে আল্লাহর যিম্মায় হয়ে গেল।
= যে মসজিদে যাওয়ার জন্য বের হল, সে আল্লাহর যিম্মায় হয়ে গেল।
=যে আল্লাহর রাস্তায় বের হলো, সে আল্লাহর যিম্মায় হয়ে গেল।

(সহীহুত তারগীব:৩২১)

08/07/2025
16/01/2024

বইপড়ুয়াদের জন্য ৩০টি টিপস
১) বই পড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো পড়ার জন্য বসা। অধিকাংশ মানুষের এই সুযোগটাই হয় না।
২) পড়ার মজা বাড়ানোর একটি কার্যকরী উপায় হলো, বোরিং টপিকের বইগুলো আগে না পড়া।
৩) একটি বই পড়লেই জীবন হয়তো পাল্টে যাবে না। কিন্তু প্রতিদিন বই পড়লে একদিন না একদিন জীবন পাল্টাবে ইনশাআল্লাহ।
৪) নতুন বইয়ের চাইতে সেসব বই বেশি পড়ুন, যেগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষ পড়ছে।
৫) জীবনে আপনি কয়টা বই পড়েছেন, সেটা দেখার বিষয় না। দেখুন কয়টা বই আপনার ভিতরে রেখাপাত করতে পেরেছে।
৬) পড়ার সময় মনোযোগ থাকে না? মোবাইল অন্য রুমে রেখে আসুন। মনোযোগ আসতে বাধ্য।
৭) একটি ভালো বই যদি একবার পড়তে হয়, তাহলে সেরা বইগুলো বারবার পড়তে হবে।
৮) বই পড়া শুরু করতে চাইলে 'পড়ুয়া' হওয়া জরুরী না। বরং বই পড়তে পড়তেই একদিন আপনি পড়ুয়া হয়ে উঠবেন।
৯) পড়ার অভ্যাস হারিয়ে ফেলার চেয়ে একটা খারাপ বই ছেড়ে দেওয়া ভালো।
১০) কোনো বই যদি আপনার জীবনে সামান্য পরিবর্তনও এনে থাকে, তাহলে বছরে সেটা একবার হলেও পুনরায় পড়ুন।
১১) যে বই আপনার ভালো লাগেনি, সেটা নিজের কাছে না রেখে অন্যকে গিফট করে দেওয়া ভালো।
১২) বই পড়ার মোক্ষম সময় হলো, যখন আপনি মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকেন।
১৩) সব পাঠককেই এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যখন সে বুঝে উঠতে পারে না তার জন্য কোন বইটি ভালো হবে।
১৪) ওপরের সমস্যাটার সমাধান হলো, সঙ্কোচ না করে বড়দের সহায়তা নেওয়া। তাহলে অনেক সময়, শ্রম দুটোই বেঁচে যাবে।
১৫) একটি সেরা বইয়ের বৈশিষ্ট্য হলো, আপনি চাইলেও সেটা দ্রুত পড়ে ফেলতে পারবেন না। কারণ, সে আপনাকে বার বার থামিয়ে দেবে, ভাবাবে।
১৬) বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো কাজে পরিণত করা। মুখস্থ নয়। সুতরাং তথ্য-উপাত্ত মনে রাখার বদলে কাজেকর্মে বাস্তবায়নে বেশি মনোযোগ দিন।
১৭) বই পড়ার অভ্যাস গড়তে চান? তাহলে প্রতিদিন ২ মিনিট করে পড়ার টার্গেট নিন। জি এত ছোট টার্গেট, যাতে আপনার মন অজুহাত দেখানোর সুযোগই না পায়।
১৮) একটি ভালো বইয়ের সারাংশ যে পড়ে, তার চাইতে ১০ গুণ বেশি উপকার পায় সেই ব্যক্তি, যে সারাংশটা লিখে। কাজেই বই পড়া শেষে সারাংশ লিখতে ভুলবেন না।
১৯) কোনো বই পড়ার পর যদি আপনার আচার-ব্যবহারে, চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন না আসে, তাহলে বুঝে নিবেন হয় বইটি ভালো নয় অথবা আপনি কিছুই শিখতে পারেন নি।
২০) প্রচুর বই কিনলেই পাঠক হওয়া যায় না। কথা সত্য। তবে অল্প বই নিয়ম করে প্রতিদিন পড়লে একদিন ঠিকই ভালো পাঠক হয়ে যাবেন।
২১) বই কেনা মানে বিনিয়োগ করা, খরচ নয়। হতে পারে একটি ভালো বই ভবিষ্যতে আপনাকে লক্ষকোটি টাকা আয়ের রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে।
২২) পড়ার জন্য মোটিভেশন নয়, বেশি দরকার পড়ার পরিবেশ তৈরি করা। একটা সাধারণ বই আপনি লাইব্রেরীতে বসে যত সহজে পড়ে ফেলতে পারবেন, একটি অসাধারণ বই কোলাহল পরিবেশে পড়া ততটাই কঠিন হবে, যদিও বইটা অসাধারণ।
২৩) যেখানেই যান, একটি বই সঙ্গে রাখুন। কারণ, আপনি জানেন না, কখন আপনি বই পড়ার জন্য বাড়তি সময় পেতে যাচ্ছেন।
২৪) একটি বইকে সর্বোচ্চ ৩বার সুযোগ দিতে পারেন (৩টি অধ্যায় পড়ার মাধ্যমে)। এরপরও যদি বইটি ভালো না লাগে, তাহলে অন্য বই ধরুন।
২৫) একজন লেখকের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশংসার বিষয় হলো, যখন সে দেখে পাঠক তার বইটি দাগিয়ে দাগিয়ে পড়েছে, হাইলাইট করেছে, নোট টুকে রেখেছে।
২৬) ছোট বইকে কখনো তুচ্ছজ্ঞান করবেন না। কখনো কখনো ছোট মরীচে ঝাল বেশি হয়।
২৭) আপনার সমস্যা যদি অসংখ্য হয়, তাহলে বইও অসংখ্য পড়ুন। প্রত্যেক নতুন সমস্যারই নতুন বই আছে।
২৮) বই হলো শিক্ষা নেবার সবচেয়ে শর্টকাট রাস্তা। মাত্র ১০০ টাকা খরচ করে আপনি ১০০ দিনের শিক্ষা পেয়ে যেতে পারেন, কিংবা কয়েক বছরের!
২৯) অতীতের ফেলে আসা সময়গুলো যদি বই জন্য পড়ার ভালো সময় হয়ে থাকে, তাহলে আজকে থেকেই পড়া শুরু করলে সেটা হবে সর্বোত্তম সময়।
৩০) একটি ভালো বইয়ের নাম ভুলে যেতে পারেন, বইয়ের আলোচনাও ভুলে যেতে পারেন। কিন্তু শিক্ষাটা আজীবন আপনার মনে গেঁথে থাকবে।

©copy

গোল্ড ডেভিড। অস্ট্রেলিয়ার একজন সম্মানিত ধর্মযাজক যিনি সুদীর্ঘ ৪৫ বছর খ্রিস্টানদের চার্চে পুরোহিতের কাজ করেছেন। তিনি ইসল...
31/12/2023

গোল্ড ডেভিড। অস্ট্রেলিয়ার একজন সম্মানিত ধর্মযাজক যিনি সুদীর্ঘ ৪৫ বছর খ্রিস্টানদের চার্চে পুরোহিতের কাজ করেছেন। তিনি ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন এবং তার নাম পরিবর্তন করে 'আবদুর রহমান' রেখেছেন। আল্লাহু আকবার। হেদায়াতের মালিক একমাত্র আল্লাহ তায়ালা, যাকে ইচ্ছা তিনি তাকে তা দান করেন।

24/09/2023

স্ত্রী চাকুরী করলে স্বামীর হক কতোটা আদায় হয় সেটা ভুক্তভোগী স্বামীকে জিজ্ঞেস করুন কোন নারীবাদীকে নয়।

মা চাকুরী করলে সন্তান কি পরিমাণ মায়ের আদর ও স্নেহ থেকে বঞ্চিত হয় সেটা ভুক্তভোগী সন্তানকে জিজ্ঞেস করুন কোন নারীবাদীকে নয়।

চাকুরী করে পর্দা করাটা কতোটা কঠিন যিনি চাকুরীসহ পর্দা করছেন তাকে জিজ্ঞেস করুন কোন নারীবাদীকে নয়।

যেখানে চাকুরী বিহীন স্ত্রীদের সামরিক শাসনে ঘর গরম থাকে সেখানে সারাদিন চাকুরির পর স্বামীর সাথে নারীরা কেমন আচরণ করে বেশি না দশটা পরিবারে পরিসংখ্যান চালালে ফলাফল পেয়ে যাবেন।

উপলব্ধিহীন চুখে দেখলে মনে হয় দুজই উপার্জন করলে সমস্যা কোথায় টাকা বেশি আসবে, পরিবারে সুখের ঢেউ বইবে। বাস্তবতা সম্পুর্ন ভিন্ন।

ইসলাম নারীদের পর্দার সাথে চাকুরী/ব্যবসা করতে নিষেধ করে নাই তবে উৎসাহ দেয় নাই।

পরিবারে স্ত্রী হচ্ছে অনেকটা সোনার কুড়ালের মতো। এটা দিয়ে গাছ কাটলে হয়তো কিছু কাঠ/লাকড়ি মিলবে পরোক্ষভাবে আপনি যে কুড়ালটা ক্ষয় করে স্বর্ন হারাচ্ছেন এটা দেরীতে হলেও টের পাবেন।

সংগৃহীত

তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।ঈদ মোবারক।
23/04/2023

তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
ঈদ মোবারক।

24/02/2023

ফজরের পর ঘুমের অভ্যাস ত্যাগ করতেই হবে, যত কষ্টই হোক। এসময় পড়াশোনাসহ যেকোন কাজ করুন, বরকত পাবেন ইনশাআল্লাহ্।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুআ করেছেন, ‘হে আল্লাহ! আমার উম্মতের ভোরবেলার মধ্যে তাদের বরকত দাও।’ [আবু দাউদ: হাদিস নং- ২৬০৮]
ইবনুল কায়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, "দিনের প্রথম অংশটি একজন ব্যক্তির যৌবনকালের মত। ভোরবেলায় ঘুম থেকে উঠুন এবং আপনার সকালকে কাজে লাগান।"
যারা ফজরের সলাতই পড়েন না বা পড়তে পারেন না, তারা নিঃসন্দেহে লুজার, হতভাগা। কারণ তাদের ব্যাপারে আল্লাহর কোনো দায় নেই। সহিহ হাদিসে এসেছে, ফজরের সলাত পড়লে ব্যক্তি আল্লাহর যিম্মায় চলে যায়।
যারা ফজরের সলাত পড়েন তাদেরও বড় একটি অংশ ফজরের পর আবার বিছানায় গা এলিয়ে দেন। এটি বাদ দিতে হবে। কারণ ফজরের পরের সময়টাতে রিযিক বণ্টিত হয় মর্মে সালাফগণের উক্তি আছে। এ সময়ে ঘুমানো মানে নিজের লস। এছাড়া মুসলমানদের ঐতিহ্যই হলো, ফজরের পর দীর্ঘ সময় নিয়ে যিকর করা ও কুরআন তিলাওয়াত করা। এগুলোর দ্বারা দিনটা শুরু করতে পারলে মনটা অন্যরকম প্রশান্তিতে ভরে ওঠে।
রাতের বেলায় অবশ্যই ১১/১২-টার মধ্যে ঘুমাতে হবে। সম্ভব হলে ১০-টার মধ্যে। তাহলে ইনশাআল্লাহ্ ফজরের পরের ঘুম বাদ দেওয়া সম্ভব হতে পারে। আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের আলস্য দূর করুন। আমীন।

Dawah for Mankind
22/01/2023

Dawah for Mankind

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dawah for Mankind posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share