Bangladesh Art & Architecher

Bangladesh Art & Architecher No describe

24/05/2026

আরাফার দিনের অনেক দোয়ার মধ্যে সবচেয়ে উত্তম দু’আ—

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ:- "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া 'আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।"

অর্থ: “আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই। সমস্ত রাজত্ব তাঁর, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর তিনি সবকিছুর উপর সক্ষম।”

18/05/2026

17/05/2026

কুরআন এর সূরা মারইয়াম -এ মূলত মারইয়াম, ইয়াহিয়া, জাকারিয়ার ঘটনাগুলোর মাধ্যমে সন্তান লাভ, গর্ভধারণ, প্রসব ও আল্লাহর উপর ভরসার নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। এখানে চিকিৎসাবিজ্ঞানের “প্রস্তুতি” বইয়ের মতো ধাপে ধাপে নির্দেশনা নেই, তবে আধ্যাত্মিক, মানসিক ও কিছু বাস্তব ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

সূরা মারইয়ামে সন্তান জন্ম সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন:

১. আল্লাহর ইচ্ছায় অসম্ভবও সম্ভব
জাকারিয়া বৃদ্ধ বয়সে এবং তাঁর স্ত্রীর বন্ধ্যাত্ব থাকা সত্ত্বেও সন্তান কামনা করেন। আল্লাহ তাঁকে ইয়াহিয়া এর সুসংবাদ দেন (আয়াত ২–১৫)।
এখানে ইঙ্গিত:
সন্তান আল্লাহর দান।
হতাশ না হয়ে দোয়া করতে বলা হয়েছে।
দেরি হলেও আশা হারাতে নিষেধ করা হয়েছে।

২. গর্ভাবস্থায় একাকীত্ব ও মানসিক চাপের উল্লেখ
(মারইয়াম) গর্ভধারণের পর নির্জনে চলে যান (আয়াত ২২)।
এখানে বোঝা যায়:
গর্ভবতী নারীর মানসিক সংবেদনশীলতা স্বীকৃত।
নিরিবিলি ও নিরাপদ পরিবেশের গুরুত্ব আছে।

৩. প্রসব বেদনার বাস্তব বর্ণনা
প্রসব ব্যথায় তিনি খেজুর গাছের নিচে আশ্রয় নেন (আয়াত ২৩)। এটি কষ্ট ও শারীরিক দুর্বলতার স্বাভাবিকতাকে তুলে ধরে।
অর্থাৎ:
সন্তান জন্ম একটি কষ্টসাধ্য কিন্তু সম্মানজনক প্রক্রিয়া।
নারীর শারীরিক কষ্টকে কুরআন স্পষ্টভাবে স্বীকার করেছে।

৪. খাদ্য ও শক্তির ইঙ্গিত — খেজুর
আল্লাহ তাঁকে বলেন খেজুর গাছ ঝাঁকাতে, তাহলে তাজা খেজুর পড়বে (আয়াত ২৫)।
খেজুরকে অনেক ইসলামি আলেম ও গবেষক প্রসব-পরবর্তী শক্তি ও পুষ্টির প্রতীক হিসেবে দেখেন। আধুনিক গবেষণাতেও খেজুরে প্রাকৃতিক চিনি, ফাইবার ও খনিজ থাকার কারণে গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়ের জন্য উপকারী বলা হয়।

৫. পানি পান ও প্রশান্তি
“তোমার নিচে একটি ঝরনা প্রবাহিত করা হয়েছে” (আয়াত ২৪) — এতে:
পানির প্রয়োজনীয়তা,
শারীরিক স্বস্তি,
আল্লাহর পক্ষ থেকে মানসিক সান্ত্বনা
— এসবের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

৬. মানসিক সাহস ও মর্যাদা
মারইয়াম সমাজের সমালোচনার ভয় পেয়েছিলেন, কিন্তু আল্লাহ তাঁকে ধৈর্য ও নীরবতার নির্দেশ দেন (আয়াত ২৬)।
এখানে:
প্রসূতি নারীর মানসিক সাপোর্টের প্রয়োজনীয়তা,
সামাজিক চাপ মোকাবিলার শিক্ষা,
আত্মমর্যাদা রক্ষার দিক
উঠে আসে।

#সূরামারইয়াম থেকে নারীদের জন্য যে প্রস্তুতির শিক্ষা পাওয়া যায়:

⭐ আল্লাহর উপর ভরসা ও দোয়া
⭐ মানসিক শান্তি বজায় রাখা
⭐ নিরাপদ ও নিরিবিলি পরিবেশ
⭐ পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ
⭐ পর্যাপ্ত পানি পান

ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি হচ্ছে (তোমাদের) পার্থিব জীবনের কতিপয় (অস্থায়ী) সৌন্দর্য মাত্র, চিরস্থায়ী বিষয় হচ্ছে (মানুষের) ন...
08/05/2026

ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি হচ্ছে (তোমাদের) পার্থিব জীবনের কতিপয় (অস্থায়ী) সৌন্দর্য মাত্র, চিরস্থায়ী বিষয় হচ্ছে (মানুষের) নেক কাজসমূহ, তোমার মালিকের কাছে পুরস্কার পাওয়ার জন্য (তা) অনেক ভালো, আর কোনো (কল্যাণময়) কিছু কামনা হিসেবেও তা হচ্ছে উত্তম।
[সূরা কাহাফ, আয়াত ৪৬]

শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল উসাইমিন رحمه الله-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল:মানুষ কি দীন-ধর্মের ক্ষেত্রে নজর (عين) দ্বারা আক্রা...
19/04/2026

শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল উসাইমিন رحمه الله-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল:
মানুষ কি দীন-ধর্মের ক্ষেত্রে নজর (عين) দ্বারা আক্রান্ত হয়ে পথভ্রষ্ট হয়ে যেতে পারে?
তিনি উত্তরে বলেন:
হ্যাঁ, একজন ধার্মিক মানুষও নজরে আক্রান্ত হতে পারে। ফলে তার অবস্থা পরিবর্তিত হয়ে যায়। আগে যে ইবাদতে তার মন প্রশান্ত থাকত, তা থেকে তার অন্তর সংকুচিত হয়ে যায়। যে আমল আগে সহজ ছিল, তা তার কাছে কঠিন হয়ে পড়ে। যে ইবাদতে আগে সে আনন্দ পেত, তা থেকে সে অস্বস্তি অনুভব করতে থাকে। এমনকি তার মুখস্থ শক্তিও আক্রান্ত হতে পারে—সে যা মুখস্থ করেছিল তা ভুলে যেতে পারে, আগে যে কাজে সে শক্তিশালী ছিল সেখানে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বরং এমনও হতে পারে, যে নেক আমলের ধারাবাহিকতা আগে বজায় রেখেছিল, সেটি চালিয়ে যাওয়াও তার জন্য কঠিন হয়ে যায়।
— শায়খের বক্তব্য শেষ —

সুতরাং হে মুসলিম ভাইয়েরা!
নজর (عين) সত্য, এতে কোনো সন্দেহ নেই। শরীয়তের দলিল দ্বারা এটি প্রমাণিত, এবং অভিজ্ঞতাও এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে। এটি এমন এক বিপদ, যার প্রভাব অনেক সময় বাহ্যিকভাবে দেখা যায় না যেমন অন্য রোগ দেখা যায়; বরং এটি ভেতরে ভেতরে মানুষের অন্তর ও আমলকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, অথচ মানুষ তা টেরও পায় না।

অতএব সতর্ক থাক—তোমার ইবাদত ও আনুগত্যকে মানুষের আলোচনার বিষয় বানিও না এবং তা নিয়ে গর্ব বা প্রদর্শন করো না। কারণ মানুষের মন দুর্বল, হৃদয় পরিবর্তনশীল। মানুষের মধ্যে এমন কেউ আছে যে হিংসা করে, কেউ আছে যে অতিরিক্ত মুগ্ধ হয়—আর এগুলো সবই পরীক্ষার দরজা।
যতটা সম্ভব তোমার আমল গোপন রাখো, তোমার ইবাদত আড়ালে রাখো, এবং তোমার ও আল্লাহর মাঝে এমন কিছু আমল রাখো যা কেউ জানে না। কেননা ইখলাস (নিষ্ঠা) সবচেয়ে বড় সুরক্ষা, আর গোপন রাখা সবচেয়ে শক্ত দুর্গ।
আজ তুমি স্থির আছ বলে আত্মতুষ্ট হয়ো না। কত সোজা পথে থাকা মানুষ বিচ্যুত হয়েছে, কত পরিশ্রমী ব্যক্তি দুর্বল হয়ে গেছে, কত হাফেজ ভুলে গেছে—সবই আল্লাহর তাকদীর অনুযায়ী। কখনো এর কারণ হতে পারে নজর, কখনো নিজের আমলে আত্মতুষ্টি, কখনো মানুষের প্রশংসার প্রতি হৃদয়ের আসক্তি।

সুতরাং যিকির আঁকড়ে ধরো, বেশি বেশি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও, এবং সর্বদা আল্লাহর কাছে দ্বীনের উপর অটল থাকার দোয়া করো। নেককাররা যেমন বলতেন:
“হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর দৃঢ় রাখ।”

নিজ হাতে নিজের জন্য বিপদের দরজা খুলে দিও না। কেননা নিয়ামত প্রকাশ করা এবং আমল নিয়ে মানুষের সামনে কথা বলা অনেক সময় বঞ্চনার কারণ হয়ে যায়। বান্দা যত বেশি নিজের আমল গোপন রাখে, তত বেশি তা কবুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং বিপদ থেকে দূরে থাকে।
আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি—তিনি যেন আমাদের দ্বীনকে হেফাজত করেন, হিংসুক ও বদনজরকারীদের অনিষ্ট থেকে আমাদের রক্ষা করেন, কথা ও কাজে ইখলাস দান করেন, এবং তাঁর সাথে সাক্ষাৎ হওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে সত্যের উপর অটল রাখেন।
Collected

সালাফদের নারীদের তাক্বওয়া। ইবনুল কাইয়িম আল জাওযিয়্যাহ {رحمه الله} বলেন...! (সালাফদের সময়ে) জনৈক এক নারী আটা মাখছিলেন, এম...
18/04/2026

সালাফদের নারীদের তাক্বওয়া।

ইবনুল কাইয়িম আল জাওযিয়্যাহ {رحمه الله} বলেন...!

(সালাফদের সময়ে) জনৈক এক নারী আটা মাখছিলেন, এমন সময় তার কাছে সংবাদ পোছাল যে তার স্বামী মারা গেছেন। তৎক্ষণাৎ আটা মাখা থেকে হাত গুটিয়ে নিলেন। তিনি বললেন, এই খাবারটিতে এখন আমাদের সাথে আরও ওয়ারিশগণ ( উত্তরাধিকার) তৈরি হয়ে গেছে।
(এরপর তিনি আফসোস করে বললেন) তাইলে এমন লোকদের অবস্থা কি হবে, যারা ইয়াতিম এবং নারীদের সম্পদ আত্মসাৎ করে খায়।

★___[সিফাতুস সফওয়াহ -২/৫৩২]___★

16/04/2026
10/04/2026

শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল উসাইমিন رحمه الله-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল:
মানুষ কি দীন-ধর্মের ক্ষেত্রে নজর (عين) দ্বারা আক্রান্ত হয়ে পথভ্রষ্ট হয়ে যেতে পারে?
তিনি উত্তরে বলেন:
হ্যাঁ, একজন ধার্মিক মানুষও নজরে আক্রান্ত হতে পারে। ফলে তার অবস্থা পরিবর্তিত হয়ে যায়। আগে যে ইবাদতে তার মন প্রশান্ত থাকত, তা থেকে তার অন্তর সংকুচিত হয়ে যায়। যে আমল আগে সহজ ছিল, তা তার কাছে কঠিন হয়ে পড়ে। যে ইবাদতে আগে সে আনন্দ পেত, তা থেকে সে অস্বস্তি অনুভব করতে থাকে। এমনকি তার মুখস্থ শক্তিও আক্রান্ত হতে পারে—সে যা মুখস্থ করেছিল তা ভুলে যেতে পারে, আগে যে কাজে সে শক্তিশালী ছিল সেখানে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বরং এমনও হতে পারে, যে নেক আমলের ধারাবাহিকতা আগে বজায় রেখেছিল, সেটি চালিয়ে যাওয়াও তার জন্য কঠিন হয়ে যায়।
— শায়খের বক্তব্য শেষ —

সুতরাং হে মুসলিম ভাইয়েরা!
নজর (عين) সত্য, এতে কোনো সন্দেহ নেই। শরীয়তের দলিল দ্বারা এটি প্রমাণিত, এবং অভিজ্ঞতাও এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে। এটি এমন এক বিপদ, যার প্রভাব অনেক সময় বাহ্যিকভাবে দেখা যায় না যেমন অন্য রোগ দেখা যায়; বরং এটি ভেতরে ভেতরে মানুষের অন্তর ও আমলকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, অথচ মানুষ তা টেরও পায় না।

অতএব সতর্ক থাক—তোমার ইবাদত ও আনুগত্যকে মানুষের আলোচনার বিষয় বানিও না এবং তা নিয়ে গর্ব বা প্রদর্শন করো না। কারণ মানুষের মন দুর্বল, হৃদয় পরিবর্তনশীল। মানুষের মধ্যে এমন কেউ আছে যে হিংসা করে, কেউ আছে যে অতিরিক্ত মুগ্ধ হয়—আর এগুলো সবই পরীক্ষার দরজা।
যতটা সম্ভব তোমার আমল গোপন রাখো, তোমার ইবাদত আড়ালে রাখো, এবং তোমার ও আল্লাহর মাঝে এমন কিছু আমল রাখো যা কেউ জানে না। কেননা ইখলাস (নিষ্ঠা) সবচেয়ে বড় সুরক্ষা, আর গোপন রাখা সবচেয়ে শক্ত দুর্গ।
আজ তুমি স্থির আছ বলে আত্মতুষ্ট হয়ো না। কত সোজা পথে থাকা মানুষ বিচ্যুত হয়েছে, কত পরিশ্রমী ব্যক্তি দুর্বল হয়ে গেছে, কত হাফেজ ভুলে গেছে—সবই আল্লাহর তাকদীর অনুযায়ী। কখনো এর কারণ হতে পারে নজর, কখনো নিজের আমলে আত্মতুষ্টি, কখনো মানুষের প্রশংসার প্রতি হৃদয়ের আসক্তি।

সুতরাং যিকির আঁকড়ে ধরো, বেশি বেশি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও, এবং সর্বদা আল্লাহর কাছে দ্বীনের উপর অটল থাকার দোয়া করো। নেককাররা যেমন বলতেন:
“হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর দৃঢ় রাখ।”

নিজ হাতে নিজের জন্য বিপদের দরজা খুলে দিও না। কেননা নিয়ামত প্রকাশ করা এবং আমল নিয়ে মানুষের সামনে কথা বলা অনেক সময় বঞ্চনার কারণ হয়ে যায়। বান্দা যত বেশি নিজের আমল গোপন রাখে, তত বেশি তা কবুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং বিপদ থেকে দূরে থাকে।
আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি—তিনি যেন আমাদের দ্বীনকে হেফাজত করেন, হিংসুক ও বদনজরকারীদের অনিষ্ট থেকে আমাদের রক্ষা করেন, কথা ও কাজে ইখলাস দান করেন, এবং তাঁর সাথে সাক্ষাৎ হওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে সত্যের উপর অটল রাখেন।

Collected

10/04/2026

জনৈক আল্লাহওয়ালা লিখেছেন, স্ত্রীর মাঝে চারটি বৈশিষ্ট্য অবশ্যই থাকতে হবে :

প্রথম বৈশিষ্ট্য — স্ত্রীর চেহারায় লজ্জা থাকা। এটা একটা মৌলিক কথা। যে মহিলার চেহারায় লজ্জা থাকে তার অন্তর হয় লজ্জায় পরিপূর্ণ। কথায় বলে, চেহারা হচ্ছে মনের আয়না। Face is the index of mind.

আবু বকর রাযি. বলেছেন, “লজ্জা উত্তম বটে, তবে এটা মহিলাদেরই বেশি শোভা পায়।”

দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য — কণ্ঠস্বরের মিষ্টতা। অর্থাৎ তার কণ্ঠ শুনলে যেন কানের মধ্যে মধু ঢালছে বলে মনে হয়। এমন যেন না হয় যে সব সময় স্বামীর সাথে ঘ্যানঘ্যান করে চলছে। কিংবা ছেলে-মেয়েদের শাসন করছে।

তৃতীয় বৈশিষ্ট্য — তার অন্তরে কল্যাণ থাকা।

চতুর্থ বৈশিষ্ট্য — তার হাত কাজে ব্যস্ত থাকা।

এই বৈশিষ্ট্যগুলো যে মহিলার মাঝে থাকবে, সে নিশ্চিতভাবেই নেককার স্ত্রী হিসেবে জীবন কাটাতে পারবে।
বই : প্রশান্ত অন্তর!
Collected

Address

Dhaka

Telephone

+8801956116400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Art & Architecher posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share