Ad din medical college students club

Ad din medical college students club All the students of Ad din medical college are cordially invited :)

30/03/2026

Assamualaikum
How are you all!

One of the respected person of Ad din foundation.Allah apnake jannatul Ferdows dan korun ameen
24/10/2020

One of the respected person of Ad din foundation.
Allah apnake jannatul Ferdows dan korun ameen

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আর নেই (ইন্নালিল্লাহি .. রাজিউন).....

01/05/2019

বাংলাদেশের আয়তনের চেয়ে অনেক বড় ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ হতে পারে আমাদের জন্য অনেক ভয়ংকর। তাই আসুন সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে সবার জন্য দোয়া করি এবং প্রত্যেকের নিজ মহল্লার মসজিদে ঈমাম সাহেবদের বলে বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করাই।
(ব্রেকিং নিউজঃ
বাংলাদেশের আয়তনের চেয়ে অনেক বড় ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ রোববার আঘাত হানার আশংকা !
বঙ্গোপসাগর সৃষ্ট নিম্মচাপ ‘ফনি’র আয়তন ২ লক্ষাধিক বর্গকিলোমিটার। আর বাংলাদেশেরর ভৌগলিক আয়তন ১৪৭৫৭০ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশের ভৌগলিক আয়তনের চেয়ে অনেক বেশী বড় এই নিম্নচাপটি শনিবার দিবাগত ভোর রাত থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সমগ্র বাংলাদেশ উপকূলে তীব্রভাবে আঘাত হানতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানলে বাতাসের গতিবেগ ঘন্টায় ১৬০ কি:মি: থেকে সর্বোচ্চ ২৩০ কি:মি: পর্যন্ত উঠতে পারে। বর্তমানে নিম্মচাপটির মুখ অধিকাংশই পুরো বাংলাদেশ উপকূলের দিকে এবং আংশিক ভারতের সমুদ্র উপকূলের দিকে। এই নিম্মচাপটি গত তিনদিন যাবৎ এক স্থানে স্থির থেকে শক্তি সন্ঞ্চয় করছে। এটি ধীরে ধীরে হ্যারিকেনে রূপ নিচ্ছে।
এটি দুর্বল নাহয়ে উপকূলে আঘাত হানলে ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড় এবং সিডরের চেয়েও অনেক বেশী প্রবল বেগে আঘাত হানার আশংকা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের মঙ্গলবার ৩০ এপ্রিল সকাল ৯ টার সার্বিক আবহাওয়া পর্যালোচনা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সিবিএন-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্মচাপটি মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় কক্সবাজার উপকূল থেকে ১৪৬০ কি:মি:, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ১৫৩০ কি:মি:, মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৪৮০ কি:মি: এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৪৫০ কি:মি: দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে।)

23/03/2019

একটি মামলার সাক্ষী হিসেবে রহিমা খালার ডাক পড়েছে-
বাদি পক্ষের উকিল বিজন মজুমদার রহিমা খালা কে ঘাবড়ে দেবার জন্য প্রথমেই জিজ্ঞেস করলেন- "আপনি আমায় চেনেন"??
রহিমা খালার উত্তর - "ওমা চিনব না কেন, তুমি বিজন,তোমায় ল্যাংটা বয়স থেকে চিনি, পুরো বখে যাওয়া ছেলে ছিলে মিথ্যা কথা বলতে, পুরো লোক ঠকানোর ওস্তাদ ছিলে, আরও অনেক গুন তোমার ছিলো, সে সব আর বলছি না তোমাকে আমি ভালোই চিনি বাপু"
বিজন বাবু স্তম্ভিত হয়ে গেলেন, বুঝতে পারছিলেন না কি করবেন। কোর্ট ঘরের অপর প্রান্তে বিবাদি পক্ষের উকিল হারুন খান এর দিকে আঙুল নিদের্শ করে বললেন, " ওনাকে চিনেন"??
রহিমা খালার উত্তর - "ওমা চিনব না কেন? ও তো হারুন। খুব ভাল করেই চিনি। অলস,অকর্মন্য। শহরের সব চেয়ে পিশাচ উকিল । বউয়ের চোখে ধুলো দিয়ে তিন চারটে ছুড়ির সাথে ফসটি নসটি করে তার মধ্যে একজন আবার তোমার বউ ।
বিবাদি পক্ষের উকিল অসুস্থতা বোধ করতে লাগলেন।
এমন সময় জজ সাহেব দুই উকিল কে কাছে ডাকলেন। উকিলদ্বয় কাছে যাবার পর জজ সাহেব নিচু গলায় বললেন -
" দুই গাধার মধ্যে একজনও যদি ওই মহিলাকে প্রশ্ন করো যে, আমায় চেনে কি না তবে তোমাদের আমি ফাঁসির কাঠে চড়াবো। 👹👹👹👹

22/01/2019

Welcome AWMC 11..

06/04/2018

Real Example
" নুপুরের দাম হাজার টাকা but স্থান পায়ে, আর টিপের দাম একটাকা অথচ স্থান কপালে।
ইতিহাস সাক্ষী নুনে কখনও পোকা ধরেনি, অথচ মিষ্টিতে তো পোকা ধরছেই, পিপড়াও ছাড়ছেনা।
মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃত মানুষকে স্মরন করা হয়, but আফসোস মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন পালন করা হয়।
মানুষ বরাবরই বাঁকা পথের পথিক, কেননা মদ বিক্রেতাকে কখনও মানুষের দ্বারে ঘুরে মদ বিক্রি করতে হয়না, মানুষ নিজেই মদ বিক্রেতার কাছে যায়, অথচ দুধ বিক্রেতাকে মানুষের দ্বারে ঘুরে ঘুরে দুধ বিক্রি করতে হয়।
আমরা দুধ বিক্রেতাকে বলি দুধে পানি মেশাননিতো, অথচ মদে মানুষ নিজেরাই পানি মিশিয়ে খায়।
আমাদের আরেকটা অদ্ভুত স্বভাব হচ্ছে কোন মানুষকে যদি জানোয়ার বলা হয় তাহলে সে খুব রাগ পায়, অথচ যদি সেই লোকটিকেই বাঘের বাচ্চা বলা হয় তবে সে কিন্তু খুব খুশি হয়। অথচ বাঘও কিন্তু জানোয়ার।

14/03/2018

মারা গেছেন স্টিভেন হকিং,
কে ইনি?
স্টিভেন উইলিয়াম হকিং, সিএইচ, সিবিই, এফআরএস, পিএইচডি (ইংরেজি: Stephen William Hawking; ৮ জানুয়ারি, ১৯৪২ - ১৪ মার্চ ২০১৮) বিশিষ্ট ইংরেজ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞ হিসেবে বিশ্বের সর্বত্র পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তাঁকে বিশ্বের সমকালীন তাত্ত্বিক পদার্থবিদদের মধ্যে অন্যতম হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
স্টিফেন হকিং, এক কিংবদন্তি। আধুনিক যুগের বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের সংক্ষিপ্ত তালিকা করলে যাঁর নাম শীর্ষে থাকবে।
২১ বছর বয়স থেকেই দুরারোগ্য মটর নিউরন রোগে ভুগছেন হকিং। কিন্তু শারীরিক অক্ষমতা তাঁকে বিখ্যাত হওয়া থেকে রুখতে পারেনি। হকিংয়ের বাবা ফ্র্যাঙ্ক হকিং ছিলেন জীববিজ্ঞানের গবেষক। আর মা ইসাবেল হকিং ছিলেন একজন রাজনৈতিক কর্মী। বাবা চেয়েছিলেন হকিং বড় হয়ে চিকিত্সক হোক। কিন্তু ছেলেবেলা থেকেই হকিংয়ের আগ্রহ বিজ্ঞানে আর গণিতে।
১৯৮৮ সালে ‘অ্যা ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’ বইয়ের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিখ্যাত হয়ে ওঠেন হকিং। বইটিতে তিনি মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য নিয়ে তত্ত্ব দেন। আন্তর্জাতিকভাবে বেস্ট সেলার হিসেবে বইটির এক কোটি কপি বিক্রি হয়। মহাবিশ্ব নিয়ে প্রকাশিত তাঁর সর্বশেষ বই ‘দ্য গ্র্যান্ড ডিজাইন’।
আইনস্টাইনের পর হকিংকে বিখ্যাত পদার্থবিদ হিসেবে গণ্য করা হয়।
১৯৮৫ সালে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসেন হকিং ৷ ১৯৮৫ সালের গ্রীষ্মে জেনেভার CERN এ অবস্থানকালে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন বিজ্ঞানী ৷ চিকিৎসকরাও তাঁর কষ্ট দেখে একসময় লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম বন্ধ করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ৷ সম্প্রতি হকিংয়ের জীবন নিয়ে তৈরি হয়েছে এক তথ্যচিত্র। সেখানেই এই তথ্য জানিয়েছেন হকিং। তিনি বলেছেন, ‘নিউমোনিয়ার ধকল আমি সহ্য করতে পারি নি, কোমায় চলে গিয়েছিলাম। তবে চিকিৎসকরা শেষ অবধি চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিলেন , হাল ছাড়েননি ৷’ কিন্তু চেষ্টা সত্ত্বেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে চিকিৎসকরা হকিংয়ের স্ত্রী জেনকেও লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানান। তবে সে প্রস্তাবে অবশ্য রাজি হন নি জেন। পাঁচ দশক ধরে মোটর নিউরোনের ব্যাধির শিকার জগৎখ্যাত এই পদার্থবিদ।
হকিংয়ের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা এবং বোর-হাইজেনবার্গের কোয়ান্টামতত্ত্বকে মিলিয়ে দেওয়া। আপেক্ষিকতার তত্ত্ব কাজ করে মহাজগতের অতিকায় বস্তু নিয়ে আর কোয়ান্টাম তত্ত্বের বাহাদুরি হচ্ছে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জগতে। হকিং কৃষ্ণবিবরের ঘটনা দিগন্তের ঠিক বাইরে হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্বের প্রয়োগ করলেন। অনিশ্চয়তা তত্ত্ব আবার কোনো শূন্যস্থানে বিশ্বাস করে না। ফলে, মহাশূন্যের কোনোটাই শূন্য নয়। সেখানে সব সময় কণা-প্রতিকণার সৃষ্টি হচ্ছে আর পরমুহূর্তে নিজেরা মারামারি করে বিলীন হচ্ছে। হকিং দেখালেন, ঘটনাদিগন্তে কৃষ্ণবিবরের আকর্ষণে এ রকম জোড়া কণার কোনো কোনোটি আটকা পড়ে যেতে পারে। তখন তার সঙ্গী জোড়াটি আর বিমূর্ত থাকে না অর্থাত্ সে মূর্ত হয়ে ওঠে। আর এই মূর্ত হওয়ার ভরটি সে কৃষ্ণবিবর থেকে সংগ্রহ করে নেয়। এর অর্থ দাঁড়ায়, কৃষ্ণবিবর আর কৃষ্ণ থাকছে না। অনবরত সেখান থেকে বের হয়ে আসছে কণা স্রোত। হকিংয়ের নামানুসারে এই কণাস্রোতের নাম দেওয়া হয়েছে হকিং বিকিরণ।
পৃথিবী থেকে হারিয়ে গেলেও, উনি মানুষের মনে চিরদিন বেঁচে থাকবেন...
তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া \ ইন্টারনেট

Welcome AWMC 10 ☺☺
11/01/2018

Welcome AWMC 10 ☺☺

16/06/2017

এ কী করলেন দুই ব্যাংক-ডাকাত!

দুজন ব্যাংক-ডাকাত অস্ত্র হাতে ঢুকে পড়েছে একটা ব্যাংকে।

তারা চিৎকার করে উঠল, ‘সবাই মাথা নিচু করে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। জীবন আপনার নিজের, টাকা হলো সরকারের।’

(এটাকে বলে, মাইন্ড চেঞ্জিং কনসেপ্ট। মানসিকতা পাল্টে দেওয়া ধারণা। প্রথাগত ধারণাকে পাল্টে দেওয়া।)

একজন মহিলা ভয়ে তার হাতের চুড়ি, গলার হার খুলতে লাগলেন।

ডাকাতেরা বলল, আমরা ব্যাংক-ডাকাত। রাস্তার ছিনতাইকারী নই। গয়না নিজের কাছে রাখুন।

(এটাকে বলে, পেশাদারি। আপনি যে কাজ করার জন্য প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত, শুধু সেটাই করবেন। সাহিত্যিকের উচিত নয় রোগীর জন্য প্রেসক্রিপশন লেখা।)

তারা ব্যাংকের টাকা লুট করে নিয়ে চলে গেল তাদের নিরাপদ ডেরায়।

জুনিয়র ডাকাতটা ছিল এমবিএ পাস। সিনিয়র ডাকাতটা ছিল ম্যাট্রিক ফেল। জুনিয়র বলল, ‘বস, কত টাকা আনলাম, গুনে দেখি।’

সিনিয়র ডাকাত বলল, ‘এত টাকা গুনে শেষ করা যাবে নাকি। বরং টেলিভিশনের খবর দেখ। একটু পরে টেলিভিশনে লাইভ দেখাবে। তখনই জানা যাবে আমরা কত টাকা আনতে পেরেছি।

(এটাকে বলা হয় অভিজ্ঞতা। আজকাল অভিজ্ঞতার দাম নেই। সবাই শুধু এমবিএ খোঁজে)

ডাকাতেরা চলে গেছে। ম্যানেজার তাঁর অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজারকে বললেন, ‘পুলিশে খবর দাও।’

অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার বললেন, ‘স্যার। ৫ কোটি টাকা আগে সরিয়ে রাখি। বলব, এই ৫ কোটি টাকাও ডাকাতে নিয়ে গেছে।’

(এটাকে বলা হয়, জোয়ারের পানিতে সাঁতার কাটা। কোনো একটা বিপদকে সম্পদে পরিণত করা)

অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার বললেন, প্রতি মাসে একবার করে ব্যাংকে ডাকাতি হলে বেশ হতো।

(এটাকে বলা হয়, মূল্যবোধের অবক্ষয়। নৈতিকতা একবার ভেঙে গেলে তা বারবার ভেঙে ফেলা সহজ হয়ে যায়।)

একটু পরে টেলিভিশনে স্ক্রল দেখানো শুরু হলো, অমুক ব্যাংকের অমুক শাখা থেকে ২০ কোটি টাকা ডাকাতি হয়ে গেছে।

ডাকাত দুজন তখন টাকা গুনতে শুরু করল। গুনে দেখল, তাদের বস্তায় আছে মাত্র ৫ কোটি টাকা।

তখন বড় ডাকাত ছোট ডাকাতকে বলল, ‘হারামজাদা ব্যাংক-ম্যানেজাররা তো আমাদের চেয়েও বড় ডাকাত। আমরা কত কষ্ট করে ডাকাতি করা শিখেছি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ডাকাতি করতে হয়। কত কষ্ট করে ডাকাতি করে আমরা পেলাম ৫ কোটি। আর কিনা ওরা এক মুহূর্তে ১৫ কোটি টাকা ইনকাম করল!’

ছোটটা বলল, এত কষ্ট করে চুরি-ডাকাতি না করে আপনি ব্যাংক-ম্যানেজার হলেই পারতেন।

(এটাকে বলা হয়, পেন ইজ মাইটার দেন সোর্ড। তরবারির চেয়ে কলমের শক্তি বেশি।)

ম্যানেজার তাঁর অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজারকে বললেন, ডাকাতে নিল ৫ কোটি। আমরা সরালাম ৫ কোটি। কিন্তু টেলিভিশনগুলো ২০ কোটি বলছে কেন? এই ১০ কোটি কে মারল?

(এটাকে বলা হয়, সরকারকে মাল দরিয়া মে ঢাল)

কিছুদিনের মধ্যেই তদন্ত শুরু হলো। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অবিলম্বে ডাকাত দুজনকে ধরে ফেলা হলো।

(অপরাধী কোনো না কোনো ক্লু রেখেই যায়।)

তাদের রিমান্ডে নেওয়া হলো। সব ধরনের কৌশল প্রয়োগ করে এই পর্যন্ত জানা গেল যে তারা ৫ কোটি টাকা নিয়েছে।

তাহলে বাকি টাকা কে নিল!

এইবার ধরা হলো ম্যানেজার আর অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজারকে।

তাঁরা ৫ কোটি টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করলেন। কিন্তু হিসাব তো মিলছে না।

(এটাকে বলা হয়, যা তুমি হজম করতে পারবে না, তা তুমি গিলতে যেয়ো না।)

সাংবাদিকেরা ধরলেন অর্থমন্ত্রীকে।

লুট হয়েছে ২০ কোটি টাকা।

পুলিশ উদ্ধার করেছে মাত্র ১ কোটি টাকা।

বাকি ১৯ কোটি টাকা কই?

অর্থমন্ত্রী বললেন, আমরা ২০০ কোটি টাকা শুধু আতশবাজিতে খরচ করি। ১৯ কোটি টাকা কই, এটা হিসাব করার টাইম কি আমাদের আছে? আমাদের সময়ের কি কোনো দাম নেই? ২ হাজার কোটি টাকাই আমাদের জন্য কোনো টাকা না। আপনি এসেছেন ১৯ কোটি টাকার হিসাব চাইতে। রাবিশ!

ছোট ডাকাত বলল বড় ডাকাতকে, আমাদের কাছ থেকে পুলিশ উদ্ধার করল ৫ কোটি। কিন্তু খবরের কাগজে কেন লিখেছে, উদ্ধার করা হয়েছে ১ কোটি?

বাকি ৪ কোটি কে মারল?

(এ বিষয়ে শেক্‌সপিয়ার বলেছেন, দেয়ার আর মোর থিংস ইন দ্য হেভেন অ্যান্ড আর্থ।)

ডাকাতেরা বলল, সংবাদপত্র মিথ্যা লেখে।

ম্যানেজার দুজন বললেন, সংবাদমাধ্যম মিথ্যা বলে।

তথ্যমন্ত্রী বললেন, সংবাদমাধ্যমকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। স্বাধীনতা মানে দায়িত্ব। আমরা সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীনতা দিয়েছি। স্বাধীনতা মানে স্বেচ্ছাচারিতা নয়। সংবাদমাধ্যমকে অবশ্যই দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। তারা অবশ্যই সমালোচনা করবে। কিন্তু সমালোচনা হতে হবে গঠনমূলক।

কিছুদিনের মধ্যেই গণমাধ্যম সেই ব্যাংক ডাকাতির ঘটনা ভুলে গেল।

আনিসুল হক: সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

Warm recieption of our 9th Batch.. AWmC 9....Held on 9th January....2017...Wish them best of luck.......Stay With  Us!!!...
14/01/2017

Warm recieption of our 9th Batch.. AWmC 9....
Held on 9th January....2017...
Wish them best of luck.......
Stay With Us!!!!!

Address

Bara Maghbazar
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ad din medical college students club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share