Nusratul Muslimin নুসরাতুল মুসলিমীন

Nusratul Muslimin নুসরাতুল মুসলিমীন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nusratul Muslimin নুসরাতুল মুসলিমীন, Religious organisation, Dhaka.

03/11/2021

বর্তমান যে সকল আলেম জেলে রয়েছেন, তারা নিজেদের আবেগী বক্তব্যের কারণে জেলে রয়েছেন। এরকম জঝবাতি বক্তব্য দিলে তো আপনাকে জেলে ভরবেই। আপনি সরকারকে উৎখাত করতে চাইলে, তারা তো আপনাকে প্রতিহত করবে।
সুন্দর কথা! তারমানে নির্যাতিত হওয়ার কারণ আবেগ?
তাহলে মক্কায় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহ সাহাবায়ে কেরামের অসহনীয় নির্যাতন ভোগের কারণ কি আবেগ?
হুসাইন রাঃ এর শাহাদাত বরণ কি আবেগ?
আবু হানিফা রহঃ এর আত্মত্যাগ কি আবেগ?
আহমদ ইবনে হাম্বল রহঃ এর কারা নির্যাতন ভোগ কি আবেগ?
বুখারী রহঃ এর দেশান্তরিত হওয়া কি আবেগ?
ইবনে তাইমিয়া রহঃ এর বারবার কারান্তরীণ হওয়া কি আবেগ?
শহীদ ওমর মুখতার রহঃ এর ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলা কি আবেগ?
সাইয়েদ কুতুব শহীদ রহঃ এর ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলা কি আবেগ?
সাইয়েদ আহমদ বেরেলভী রহঃ এর আত্মত্যাগ কি আবেগ?
ইসমাইল শহীদ রহঃ এর শাহাদাত কি আবেগ?
শাইখুল হিন্দ মাহমুদুল হাসান দেওবন্দী রহঃ এর মাল্টার দ্বীপে বন্দী হওয়া কি আবেগ?
এগুলো সবই যদি আবেগ হয়, তাহলে এরকম আবেগ অনেক ভালো চাটুকারিতার থেকে।
উৎখাতের কথা যদি বলি, এটা সকলেরই দায়িত্ব যে, তাগুতকে হটিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা।
অথচ আমরা দায়িত্ব পালন না করে আলেমদের নির্যাতনের কারণ দর্শানোর চেষ্টা করছি।
তাহলে বলেন, কিসের কারণে মায়ানমারের ভুমি থেকে এখনো মুসলিম ভাইদের পোড়া লাশের গন্ধ ভেসে আসছে??
কোন কারণে সিরিয়ার ভুমিকে বোমার আঘাতে তামায় পরিণত করা হয়েছে?
কি অপরাধে ৭০ বছরের বেশি সময় ধরেও কাশ্মীর সমস্যার সমাধান হচ্ছে না?
কি দোষে ফিলিস্তিনের গাজাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে?
কোন দুষ্কর্মে ইরাকে ক্রুজ মিসাইল আর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে মরুভূমির বালুকে মুসলিমদের রক্ত দিয়ে সিঞ্চন করা হয়েছে?
কোন কারণ, অপরাধ, দোষ বা দুষ্কর্ম কিছুই নেই। দোষ শুধু একটাই। আর তা হলো.....

وَمَا نَقَمُوۡا مِنۡہُمۡ اِلَّاۤ اَنۡ یُّؤۡمِنُوۡا بِاللّٰہِ الۡعَزِیۡزِ الۡحَمِیۡدِ ۙ

তারা মুমিনদেরকে নির্যাতন করে শুধু এই কারণে যে, তারা সেই আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছিল, যিনি পরাক্রমশালী ও প্রশংসার্হ।
—সূরা আল বুরুজ - ৮

সুতরাং যারাই সত্যিকার অর্থে বলবে "খোদার আকাশ খোদার জমিন, করবো কায়েম খোদার দ্বীন" তারাই তাগুতের রোষানলের শিকার হবে।
রাজপ্রাসাদে বসে অপদস্থতা আর চাটুকারিতার জীবন যাপন থেকে জেলের কুঠুরিতে মাথা উঁচু করে বাদশাহী জীবন অনেক ভালো।
যে মাথা নামাজের মধ্যে আল্লাহর সামনে নত হয়, সে মাথা দুনিয়ার কোন মানুষের সামনে নত হতে পারে না।
মামুনুল হকরা মালিকানার অধিকার চেয়েছিলো, এটাই হলো মূল সমস্যা। মালিক তো মালিকানার অধিকার দাবি করবেই। এটাকে আবেগ বলে না।
সমস্যা হলো, আমাদের ভাড়াটিয়া মানসিকতার।

19/09/2021

একজন "স্ত্রীর" প্রতি তাঁর "স্বামীর" যে "হক" বা "কর্তব্য" থাকে:-

১। স্ত্রীর ভরণপোষণ করা।
২। শারীরিক চাহিদা পূরণ।
৩। স্ত্রীর কথায় মর্যাদা দেওয়া।
৪। স্ত্রীর পিতা-মাতাকে মর্যাদা দেওয়া।
৫। স্ত্রীকে আঘাত কিংবা মারধর না করা।
৬। ধর্মীয় বিধি-বিধান পালনে উৎসাহ দেয়া।
৭। স্ত্রীর গোপন কিছু অন‍্যের কাছে প্রকাশ না করা।
৮। কৃতজ্ঞতা এবং প্রশংসা করা।
৯। স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়া ও সময় দেয়া।
১০। স্ত্রীর সাথে হাঁসি মুখে কথা বলা।
১১। স্ত্রীর সাথে খুনসুটি খেলা করা সুন্নত।
১২। সব সময় স্ত্রীর সাথে হাসি মুখে কথা বলা।
১৩। সবসময় বাসা থেকে বের হওয়ার আগে স্ত্রীর কপালে চুমু দেওয়া, আবার বাহির থেকে এসে স্ত্রীর কপালে চুমু দেওয়া।
১৪। স্ত্রীর কোলে শুয়ে কোরআন তেলাওয়াত করা।
১৫। স্ত্রীকে সালাম দেওয়া।
১৬। স্ত্রী কোনো কারণে আপনার উপর রাগ করলে তার রাগ ভাঙানো।
১৭। স্ত্রীকে সুন্দর নাম ধরে ডাকা, জান,কুইন,জানপাখি ইত্যাদি।
১৮। স্ত্রী যদি কোনো ভুল করে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া, সাথে তাকে ভালোবাসার সাথে ভুল সংশোধন করে দেওয়া।
১৯। আপনি যে আপনার স্ত্রীকে ভালবাসেন তা আপনার স্ত্রীর সামনে বিভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করা।
২০। স্ত্রীকে নিয়ে প্রত্যেক মাসে সময় পেলে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া।
২১। স্ত্রী যদি খাবার এটো করে রাখে আপনি আপনার স্ত্রীর ওই এটো খাবার খাবেন, এটা যেমন সুন্নত ঠিক তেমনি আপনার স্ত্রীর প্রতি আপনার ভালোবাসারও বহির্প্রকাশ!

10/09/2021

* সুরা মায়েদা ৫:৫১ = হে মুমিণগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না।

* সুরা ইমরান ৩:২৮ = মুমিনগন যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কোন কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কেন সম্পর্ক থাকবে না। তবে যদি তোমরা তাদের পক্ষ থেকে কোন অনিষ্টের আশঙ্কা কর, তবে তাদের সাথে সাবধানতার সাথে থাকবে আল্লাহ তা'আলা তাঁর সম্পর্কে তোমাদের সতর্ক করেছেন। এবং সবাই কে তাঁর কাছে ফিরে যেতে হবে।

* সুরা নিসা ৪:৮৯ = তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও। অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না।

* সুরা নিসা ৪:১৩৯ = যারা মুসলমানদের বর্জন করে কাফেরদেরকে নিজেদের বন্ধু বানিয়ে নেয় এবং তাদেরই কাছে সম্মান প্রত্যাশা করে, অথচ যাবতীয় সম্মান শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য।

* সুরা নিসা ৪:১৪৪ = হে ঈমানদারগণ! তোমরা কাফেরদেরকে বন্ধু বানিও না মুসলমানদের বাদ দিয়ে। তোমরা কি এমনটি করে নিজের উপর আল্লাহর প্রকাশ্য দলীল কায়েম করে দেবে?

* সুরা মুমতাহিনা ৬০:১৩ = মুমিনগণ, আল্লাহ যে জাতির প্রতি রুষ্ট, তোমরা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করো না। তারা পরকাল সম্পর্কে নিরাশ হয়ে গেছে যেমন কবরস্থ কাফেররা নিরাশ হয়ে গেছে।

✍️ প্রবাসী ভাইদের প্রতি কিছু কথা ↪️এক ছাত্রীর মা বলল মেডাম স্বামীকে ছাড়া একা থাকতেহয়।এবং আমার গুনাহে জড়িয়ে পড়ারআশংখা আছে...
07/09/2021

✍️ প্রবাসী ভাইদের প্রতি কিছু কথা

↪️এক ছাত্রীর মা বলল মেডাম স্বামীকে ছাড়া একা থাকতে
হয়।এবং আমার গুনাহে জড়িয়ে পড়ার
আশংখা আছে।স্বামীকে বার বার বলছি বিদেশ
যেওনা....!!! কিন্তু আমার কথা শুনছেনা।
এই ব্যাপারে কিছু লিখুন.....!!!!

↪️প্রবাসী ভাইয়েরা থাকলে রাগ করবেন না।
একটা কথা চিন্তা করুণ আপনার টাকা পয়সা
দিয়ে কি হবে যদি আপনার বউ গুনাহের কাজে
লিপ্ত থাকে।
আজকে পেপার পত্রিকা খুললে দেখা যায় বেশির
ভাগ প্রবাসি স্ত্রীদের কাহিনি।

↪️স্ত্রীকে যেমন খাবারের পোশাকের দায়িত্ব নেয়া
যেমন ফরজ।তাকে যৌন তৃপ্তি দেয়া হক আদায় করা তেমন ফরজ।
এক ফরজ আদায় করতে গিয়ে আরেক
ফরজ যেন নষ্ট না হয়।সেটা খেয়াল রাখতে হবে।
আরে ভাই হিসাব করে দেখেছেন এটা ফরজ।
হ্যা আপনি বিদেশ থেকে প্রতি মাসে দুই লক্ষ করে
টাকা পাটাচ্ছেন।
আপনার বউটা যেন ভালভাবে সুখে থাকে।
তার সুখের জন্যই প্রবাসে পড়ে আছেন
কিন্তু আপনার টাকা পয়সার চেয়ে আপনাকে তার কাছে পাওয়ার আখাংখ্যা অনেক বেশি।
সেই কথা কি আপনি ভুলে গেছেন...!!

↪️মেয়েরা বিয়ের পর চার মাসের বেশি স্বামী ছাড়া
থাকতে পারেনা।তার কষ্ট হয়।
এই কষ্টের দায়ভার কে নেবে,আপনার ছোট ভাই,
নাকি আপনি।হ্যা প্রবাসি ভাই আপনাকে বলছি,
তার যৌবনের দায়ভার আপনাকে নিতে হবে।
বেসি দিন স্বামী ছাড়া থাকলে অনেক মেয়ের
শরীরিক দিক দিয়ে অনেক সমস্যা হয়।
বিয়ের অপর নাম হচ্ছে সহবাস......
সেই সহবাস থেকে যদি দূরে থাকা হয় তাহলে
বিয়ের মানেটা কি...!!!
কি দরকার দুই একমাসের জন্য বিয়ে করে।

↪️বিদেশ থেকে একবারে ঘুরে এসে বিয়ে করুণ
নয়তো তাকেও বিদেশ নিয়ে যান।
অন্তত তার ফরজ হক টুকু নষ্ট হবেনা....!!!

↪️আপনি বিশ্বনবীর জীবনী দেখান তো।
তিনি কখনো বিবিকে ছাড়া দীর্ঘদিন কোথাও
থেকেছে।দেখাতে পারবেন না।
বিশ্বনবী যখন সফরে যেতেন বিবিদের সাথে করে
নিয়ে যেতেন।

↪️হযরত ওমর (রাঃ) তিনি যখন মাদিনার খালিফা তিনি একদিন রাত্রিবেলা হাটতেছিলেন। হঠাৎ কানে ভেসে আসলো একটা
মেয়ে খুব সুন্দর করে যৌবনের গান গাচ্ছিলো।
(আমার যৌবন শুকিয়ে গেল তুমি আসলে না)

↪️হয়রত ওমর (রাঃ) ধমকে দাড়ালেন।
নাহ এটা আমার রাষ্ট্র হতে পারেনা...!!
যে দেশে মেয়েরা কন্ঠ ছেড়ে দিয়ে ওপেনে
যৌবনের গান গায়।

↪️ওমর ছিলেন খুব রাগি,কথার আগে হাত চলত।হযরত ওমর এক লাথি দিয়ে বাড়ির
বেড়া ভেঙ্গে ফেলল।মেয়েটা ওমরকে চিনতে পারেনি।হযরত ওমর বললেন তোমার এতো বড়
সাহস তুমি এই রাষ্টে অশ্লিল গান গেয়েছো।
মেয়েটা জবাব দিলো হে প্রতিক আমি তোমার
নামে হযরত ওমরের দরবারে মামলা করব।

↪️হযরত ওমর (রা) তখনো পরিচয় দেয়নি।
তিনি বললেন কেন তুমি গান গাচ্ছিলে এই রকম
অশ্লিল গান।

↪️মেয়েটা বলল প্রতিক আমার যখন বিয়ে হয়
তখন আমাদের দেশের খলিফা একটা চিঠি পাঠালো আমার স্বামীকে। আমার স্বামী সাদ ইবনে আব্দুল্লাহ এই চিঠি পাওয়ার পর।
আমাকে বলে গেছে প্রাণের বিবি খলিফা চিঠি পাঠিয়েছে।আমাকে তাড়াতাড়ি যুদ্ধে যেতে হবে।
তিনমাস পর আমি আসব।

↪️আবার তিন মাস পর আবার কে যেনো চিটি পাঠিয়ে বলল সাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আসতে পারবে না। তিন মাস পর আসবে।

↪️আমি আবার তিনমাস পর সেজে গুজে স্বামীর জন্য বসে ছিলাম। কিন্তু আবার তিন মাস
হয়ে গেল।কে যেন আমার হাতে চিঠি দিয়ে বলল
আমার স্বামী আসতে পারবেনা।খলিফা অন্য যুদ্ধে পাঠিয়েছে।

↪️এইভাবে নয়মাস আমি স্বামী ছাড়া একা আছি
আমি ওমরের বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে মামলা করব
তিনি আমার স্বামী থেকে আমাকে দূরে রেখেছেন।
আর আমি একটু স্বামীকে না পেয়ে এমন
গান গাচ্ছিলাম।কিন্তু আমার স্বামী না থাকার
দায়ভার কে নেবে।হে প্রতিক তুমি শুধু আমার উপর দেখেছো ভিতর দেখোনি।

↪️হযরত ওমর একটা দৌড় মেরে বাড়ি চলে গেলেন
তার মেয়ে হাফসা কে ডাক দিয়ে বললেন মা...!!
একটা মেয়ে স্বামী ছাড়া কয় মাস থাকতে পারে
মেয়ে বললেন বাবা কেন..?
হযরত ওমর বললেন দরকার আছে তুমি বলো
হাফসা (রাঃ) বললেন মেয়েরা বিয়ের পর স্বামীকে
ছাড়া থাকতে পারে মাত্র চার মাস।
তারপর তার অনেক কষ্ট হয়...!!!!

↪️হযরত ওমর (রাঃ) তাওবাহ করলেন এবং
সমস্ত সেনাদের জন্য মাসে তিনদিন ছুটির ব্যাবস্থা
করলেন।

↪️যেখানে মেয়েরা চার মাসের বেসি থাকতে পারেনা
সেখানে আপনি বউ ছাড়া বছরের পর বছর প্রবাসে
আছেন। হিসাব করে দেখেছেন তার অবস্থা কেমন
আছে।

↪️আমি আবারো বলছি আপনার স্ত্রীর খাবারের পোসাক এসবের ব্যাবস্থা করা যেমন ফরজ।
তাকে যৌন তৃপ্তি মাসনিক তৃপ্তি দেয়াটাও ফরজ।

↪️আবার অনেকে বিয়ে করে বিদেশ চলে যায়
একলোক এক প্রবাসী ভাইকে বলল ভাই বিয়ে করছেন বউ কোথায়
লোকটা জবাব দিলো বউ দেশে আছে....
আমার ছোট ভাই দেখাশোনা করে।
কি অবাক কান্ড যেন বিড়ালের হাতে শুটকি মাছ
দিয়ে এসেছে।

↪️ফরজ কে তরফ করে বউকে কষ্ট দিয়ে
প্রবাসে থেকে তার অধিকার খর্ব করার সমতুল্য।
তার হুকুম ব্যাতিত দূরে থাকা হক নষ্ট কররা স্বামীল......!!!!!

আল্লাহ্ তালাহ্ আমার সকল প্রবাসী ভাইদের দ্বিনের সঠিক বুঝ দান করুক... (আমিন) 🌹🥀🤲

কপি করা

মদিনার আলেমরা উত্তম, নাকি দেওবন্দি আলেমরা উত্তম? মদিনার আলেমরা সঠিক পথে রয়েছেন নাকি দেওবন্দি আলেমরা সঠিক পথে রয়েছেন?এর...
03/08/2021

মদিনার আলেমরা উত্তম, নাকি দেওবন্দি আলেমরা উত্তম? মদিনার আলেমরা সঠিক পথে রয়েছেন নাকি দেওবন্দি আলেমরা সঠিক পথে রয়েছেন?
এরকম অনেক বিভ্রান্তমূলক প্রশ্ন , অনেক পোষ্ট আমরা ইতিমধ্যেই দেখতে পেরেছি। যা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
এক্ষেত্রে প্রথম কথা হচ্ছে মদিনার বর্তমান প্রেক্ষাপট টা একটু দেখে নিতে হবে
মাদখালি আকীদা পোষণ করা ভাইয়েরা প্রায়ই বলে থাকেন,তাদের ভাষায় খারেজীরা ( মুজাহিদ ভাইদের কে তারা খারেজী বলে) তারা মদিনার অধিবাসীদের সাথে শত্রুতা পোষণ করে সৌদি সরকারকে তাগুত বলে থাকে। অপরদিকে হাদীসে এসেছে
حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ، أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ، عَنْ جُعَيْدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ سَمِعْتُ سَعْدًا ـ رضى الله عنه ـ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ لاَ يَكِيدُ أَهْلَ الْمَدِينَةِ أَحَدٌ إِلاَّ انْمَاعَ كَمَا يَنْمَاعُ الْمِلْحُ فِي الْمَاءِ ‏"‏‏.‏

সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছিঃ যে কেউ মদীনাবাসীর সাথে ষড়যন্ত্র করবে বা প্রতারণা করবে, সে লবণ যেভাবে পানিতে গলে যায়, সেভাবে গলে যাবে।
(সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১৮৭৭)
সুতরাং মাদখালি ভাইয়েরা দাবি করে যে মুজাহিদরা তাগুতের সামনে টিকতে পারবে না।

আসলে আসুন একটু বাস্তবতা দেখি
এই হাদীসের বর্তমান প্রেক্ষাপট অনুযাই একটু ব্যাখ্যা টা জানা দরকার।
আসলে এই মাদখালি আকীদা পোষণকারী ভাইরা মূলত আব্দুল ওয়াহাব রহ. এর মানহাজকে তিন ভাগ বিভক্ত করে ফেলেছে। এরা মূলত সৌদি আরবের তাগুত শাসকের পা চাটা গোলাম। তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত বিগত পোস্টে অবগত করেছি যে কেউ সেখানে দেখতে পারেন।
তাদের এই কথাগুলো কি সঠিক যে আমরা মদিনার অধিবাসীদের সাথে শত্রুতা পোষণ করি?
মদিনার অধিবাসীদের সাথে আমাদের কোন শত্রুতা নেই বরং তাদেরকে আমরা মনে প্রাণে ভালোবাসি। কিন্তু মদিনার অধিবাসীরা কুফফার শত্রু দ্বারা বেষ্টিত বিধায় আমাদের উপরে এখন আর হজ ফরজ নয় বরং সৌদি আরবকে আমরা দারুল হারব বলে থাকি। এটা মদিনার অধিবাসীদের সাথে শত্রুতা রাখার জন্য নয় বরং মদিনার অধিবাসীদেরকে শত্রুমুক্ত করার জন্যই মদিনায় বসবাসরত দরবারী আলেমদের গোমরাহী আমরা সমাজে তুলে ধরি।

২ বর্তমান সৌদি আরব হচ্ছে একটি কুফুরি রাষ্ট্র।
যেটা সবাই জানে যে মানব রচিত সংবিধান দিয়ে তারা রাষ্ট্রপরিচালনা করতেছে।
কাফেরদের সাথে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব রেখেছে।
এবং জাতীয়তাবাদকে বহাল রেখেছে।
মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুফফারদের পক্ষে সমর্থন জানানো সহ হাজার কুফুরি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যখন সারাবিশ্বের থেকে হকপন্থী ওলামা একরাম আওয়াজ তুলেছেন সেই সময় সৌদি আরবের সরকার নিজেদের দোষ গুলোকে ঢাকার জন্য একশ্রেণীর ওলামায়ে ছু দেরকে মদিনায় এনে লালন পালন করতে শুরু করল তাদের মূল কাজ হচ্ছে সৌদি আরবের তাগুত সরকারের পক্ষে সাফাই গাওয়া।
যাতে করে সারা বিশ্বের বিবেকবান ওলামা একরাম তাদের এহেন কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কথা বললেই যেন তারা বলতে পারে যে এরা মদিনার সাথে শত্রুতা পোষণ করে।
মূলত কথা হচ্ছে এই দরবারী আলেমদের মাধ্যমে ইয়াহুদীরা গভীর ষড়যন্ত্রের জাল ফেলে মক্কা-মদিনা গ্রাস করে ফেলেছে। আর সেই পাতা জালে প্রবাসী ভাইদেরকে বেশি আটকাচ্ছে সেই সাথে ইহুদিদের পাতানো জালের ফাঁদে পা দিয়ে আমাদের বঙ্গদেশীয় কিছু সহজ সরল মুসলমান বিভ্রান্ত হয়ে কুফফারদের কে নিজের অজান্তেই সমর্থন দিচ্ছে।
তারা নিজেরাও ইয়াহুদীদের পাতানো ফাঁদে পা দিয়েছে। আর আমাদের যুবক শ্রেনিদের কেও সেই পাতা ফাঁদে পা দেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে এরা বিভিন্ন সময় এই সমস্ত কিছু হাদিস তুলে ধরে যেগুলোর সাধারণ ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ আমাদের সহজ সরলমনা মুসলমানদের জানা নেই।
ব্যাখ্যাগুলো বুঝে থাকলে বলুন তো প্রকৃতপক্ষে মদীনাবাসীদের সাথে শত্রুতা আমরা রাখি?
না_ আমরা মদিনার অধিবাসীদের সাথে শত্রুতা পোষণ করি না।
বরং অন্য দেশ থেকে তাগুতের পক্ষে সাফাই গাওয়ার জন্য সৌদি আরবে এসে মদিনায় বসবাসকরে ওলামায়ে ছু এবং তাদের অনুসারীরা কুফফারদের কে সমর্থন দিয়ে মদিনায় কুফফার সৈন্যদেরকে ঘাঁটি গেড়ে বসার ব্যবস্থা করে দিয়ে মদিনার অধিবাসীদের কে আতঙ্কগ্রস্থ করে ভয় ভীতু করে চুপ করিয়ে রেখেছে।
প্রকৃতপক্ষে মদিনার অধিবাসীদের সাথে শত্রুতা পোষণ করে মদখালি আহলে হাদীসরা। তারা কুফফারদের পক্ষে ফতোয়া দিয়ে মক্কা মদিনায় কুফফারদের ঘাঁটি করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।এতে করে মদিনার অধিবাসী সাধারন জনগন ভীতসন্ত্রস্ত ও আতঙ্কগ্রস্ত অবস্থায় চুপ করে রয়েছে ।
আর তারা যাদেরকে খারিজি বলতেছে সেই মুজাহিদীন গন মদিনার আতঙ্কগ্রস্ত মানুষদেরকে শত্রু থেকে মুক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। মদিনাকে মুক্ত করতে হলে আগে সৌদি আরবের তাগুত সরকারের ক্ষমতার তাজকে টুকরা টুকরা করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
মুজাহিদরা এবং হকপন্থী ওলামাগণ সৌদি আরবের তাগুত সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললেই এটাকে মাদখালিরা বিশ্বে প্রচার করে বেড়াচ্ছে যে হকপন্থীরা মদিনার মানুষের বিরোধিতা করে এবং তাদের পিছনে পেছনে ষড়যন্ত্র করে।

মূলত মাদখালি রা কাফেরদের ঘাঁটি করার ব্যবস্থা করে দিয়ে সেটাকে সারা বিশ্বের মুসলমানদের চোখ থেকে আড়াল করার জন্যই এই রকম উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর অপকৌশল করে বলে যে আমরা মদিনার অধিবাসীদের বিরুধীতা করি।

আল্লাহ তাআলা রবি বিন হাদী আল মাদখালি ও তার অনুসারীদের উপর লানত বর্ষণ করুন ।
মদিনা যখন সম্পূর্ণ কুফফারদের সৈন্য ঘাঁটিতে বেষ্টিত এবং সেখানে সৌদি আরবের গোলামী করার জন্য বিশ্বের থেকে নামধারী কিছু মেধাবী আলেম নামের কলঙ্ক ওদেরকে টাকার বিনিময়ে কিনে নিয়ে ওখানে বসিয়ে দিয়েছে তারা এসির ভিতরে বসে বসে হিন্দুস্তানের ওলামা একরামের বিরুদ্ধে বিভ্রান্ত ষ রানের লক্ষে অনেক মিথ্যা অপবাদ এবং অরুচিকর পূর্ণ বক্তব্য দিয়ে থাকেন। হিন্দুস্তানের সত্যপন্থী ওলামা একরাম যখন এই সমস্ত বক্তব্যের বিরোধিতা করেন তখন ওই সব দরবারী আলেমদের চাটুকারি কিছু নামধারী সালাফি রা বাংলার সত্যপন্থী আলেমদের সাথে তাদের তুলনা করে বলে মদিনার আলেমরা সবথেকে উত্তম। কিন্তু বাস্তবতা ঠিক উল্টো।
মদিনার বর্তমান আলেমদের আক্বীদা হচ্ছে যারা আল্লাহর আইনকে পরিবর্তন করে নিজেদের আইন দ্বারা সর্বভৌমত্ত ভিত্তিক অর্থাৎ বর্ডার ভিত্তিক জাতীয়তাবাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারা কেউ কাফের নন।
অথচ আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'য়ালা কুরআনুল কারীমের সূরা মায়েদার 44 নম্বর আয়াতের শেষদিকে বলেছেন তারা কাফের। কিন্তু এই তথাকথিত মদিনার দরবারী আলেম রা হকপন্থী সত্যের ধারক বাহক ওলামা একরামের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধাচরণ করতে গিয়ে এবং কুফফারদের কে সাহায্য করতে গিয়ে এই সমস্ত তাগুত শাসকদেরকে মুসলিম শাসক বলে থাকেন। এমনকি এই সমস্ত শাসকদেরকে তারা আমিরুল মুমিনিন পর্যন্ত বলে থাকেন, এমনকি যদি তিনি মহিলা ও হন। অপরদিকে উলামায়ে দেওবন্দের একটি অংশ যারা এখন পর্যন্ত কাসেম নানুতুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর মানহাজের উপর সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিষ্ঠিত রয়েছেন। আমরা যদি হিন্দুস্তানে উলামায়ে দেওবন্দের সত্যপন্থী বিশ্ব বিখ্যাত 10 জন আলেম দের লিস্ট করতে থাকি তাহলে এটা এভেলেবেল সহজেই করতে পারব।কিন্তু আমরা যদি মদিনার দরবারী আলেমদের দ্বারা বেষ্টিত ওখানকার দশজন সত্যপন্থী আলেম কে খুঁজে বের করার চেষ্টা করি তাহলে মনে হয় এই জীবনের হায়াত শেষ হয়ে গেলেও সেখান থেকে একটা কানামাছি ও পাওয়া যাবে না। উল্লেখ্য যে উলামায়ে দেওবন্দের একটি অংশ পরবর্তীতে বিভ্রান্ত হয়ে পীরতন্ত্র সুফি তন্ত্রের আকিদায় বিশ্বাসী হয়ে গিয়েছেন এবং তারা বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে তন্ত্র মন্ত্র গুলো আহলে হক দের উপরে চাপিয়ে দিয়ে তারা ঢালাওভাবে বলে থাকে উলামায়ে দেওবন্দের সব অনুসারিরা বেদাতি, সব ওলামারা কাফের, সব ওলামারা মুশরেক, দেওবন্দের সমস্ত ওলামা একরাম ইসলাম থেকে বের হয়ে গিয়েছে, মুসলমান থেকে বের হয়ে গিয়েছে। (নাউজুবল্লাহ)
হিন্দুস্তানে উলামায়ে দেওবন্দের মাধ্যমে দিনের চর্চা হয়েছে পৃথিবীর অন্য কোন রাষ্ট্রে এরকম কোন ভূমিকা কোন প্রতিষ্ঠান রাখতে পারেনি। উলামায়ে দেওবন্দের ছাত্র মোল্লা ওমর আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট (ইসলামিয়া ইমারত এর আমির) ছিলেন। দেওবন্দের ছাত্র বীর সিংহ পুরুষ হুসাইন আহমদ মাদানী মদিনা ইউনিভার্সিটি তে হাদিস ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান ছিলেন এবং তিনি 18 বছর মদিনা ইউনিভার্সিটি তে হাদিস পড়িয়েছেন, তিনি যদি তৎকালীন সময়ে মদিনা ইউনিভার্সিটি তে হাদিস না পড়াতেন তাহলে মদিনা ইউনিভার্সিটির অবস্থা বেরলবী মাদ্রাসা থেকেও জগন্য হয়ে যেত। কাশেম নানুতুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি দারুল উলুম দেওবন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন চারটা বিষয়কে সামনে রেখে।
১* দারুল উলুম দেওবন্দের ছাত্ররা শিরক মুক্ত নির্ভেজাল খাটি তাওহীদের উপরে অটল-অবিচল ও এর চর্চা করবেন, এবং এই নির্ভেজাল তাওহীদের বার্তা হিন্দুস্থান সহ সারা দুনিয়ার বুকে প্রতিষ্ঠা করবেন।

২* নির্ভেজাল বিদআত মুক্ত সুন্নতে নববী এর চর্চা করবেন আমল করবেন এবং হিন্দুস্তান সহ সারা দুনিয়ার বুকে বেদাত মুক্ত সুন্নতে নববী প্রতিষ্ঠা করবেন।

৩* আল-কুরআনুল কারীম এর সব বিষয়ে গবেষণা এলেম অর্জন করবেন এবং তা প্রচার করবেন।
বিশুদ্ধ হাদিসের এলেম অর্জন করবেন এবং সেগুলো সমাজে প্রচার করবেন। কুরআন সুন্নাহের আলোকে ফিক্বহ এর মাধ্যমে একজন আলেম যেন জীবনের সর্বক্ষেত্রে পরিচালিত হতে পারে এবং সমাজকে পরিচালিত করতে পারে হোক সেটা রাষ্ট্রব্যবস্থা সমাজব্যবস্থা পারিবারিক ব্যাপার অর্থনৈতিক ব্যাপার যে কোন ক্ষেত্রে যেন কুরআন সুন্নাহের আলোকে চলতে পারেন সেই জন্য প্রত্যেকটি বিষয়ের উপরে চুলচেরা বিশ্লেষণ করবেন এবং তা যথাসম্ভব প্রচার করবেন।

৪* আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীনকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য জীবনের সর্বোত্তক চেষ্টা চালিয়ে যাবেন।

এবার একটু মিলিয়ে দেখুন তো মদিনার আলেম যারা বর্তমান রয়েছেন তাদের সাথে এই চারটা কাজের নূন্যতম কোন মিল আছে ?
উত্তর: মোটেও নেই বললেই চলে।
এবার একটি হাদিস শুনিয়ে আজকের এই পোস্টটি শেষ করছি তাহলে আপনারা সহজেই বুঝতে পারবেন কারা সঠিক পথে রয়েছেন। রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন আমার উম্মতের মধ্যে কেয়ামত পর্যন্ত একটি দল সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে যুদ্ধ করবে তাদের শেষ দলটি ইমাম মাহদির সাথে গিয়ে যুক্ত হবে। হাদীসটি মুসলিম শরীফে রয়েছে এছাড়াও এ সম্পর্কে একাধিক বর্ণনা পাওয়া যায় এই হাদীস থেকে আমরা বুঝতে পারলাম কেয়ামত পর্যন্ত সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা দলটি যুদ্ধ করতে থাকবে তাদের এটাই মৌলিক বৈশিষ্ট্য। কিন্তু মদিনার বর্তমান বসবাসরত তাগুতের গোলাম মৌলভীরা যারা যুদ্ধরত অবস্থায় রয়েছে বিশ্বের বুকে তাদেরকে খারিজি বলে মুসলমানদের সমাজে হেয় করে থাকে।
আল্লাহর রাসূলের ভাষ্যমতে সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত যারা যুদ্ধরত অবস্থায় থাকবে সেই যুদ্ধরত মুজাহিদের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছে সেই সমস্ত মদিনার ওলামায়ে ছু কিভাবে সত্যের উপরে থাকতে পারে?
তারা সত্যের উপরে নেই বরং তারা সত্যের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। কিন্তু আমরা যদি ওলামায়ে দেওবন্দের দিকে তাকাই তাহলে দেখব ওলামায়ে দেওবন্দের বিরাট একটি অংশ এখন পর্যন্ত সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে যুদ্ধের মাঠে রয়েছে। তারা সেই হাজার 1866 সালের পূর্ব থেকে আজ পর্যন্ত ছোট-বড় কমবেশি যুদ্ধের মাঠে অবস্থান করছেন। কিন্তু এক্ষেত্রে আমরা মদীনার দিকে তাকাইলে দেখব মদিনার আলেমরা এসির ঠাণ্ডা বাতাস এর ভিতর থেকেও তাগুতের ব্যাপারে জনগণকে সচেতন মূলক একটা বক্তব্য ও দিতে পারে নাই/দেয়নাই। অপরদিকে ওলামায়ে দেওবন্দের বিরাট একটি অংশ অস্ত্র হাতে নিয়ে তাগুতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। তাহলে এটা সহজেই বুঝা যায় যে করা সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। পরিশেষে আমি বলব উলামায়ে দেওবন্দের বিদ্বেষীরা মূলত আহলে হাদীস তথা ভন্ড সালাফীদের প্রজ্ঞাপন চালানোর জন্য আমাদের দ্বীনি ভাইদের মাঝে সমস্যা সৃষ্টি করে দিচ্ছে। আপনারা এর থেকে সতর্ক থাকবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সঠিক দলের সাথে সংযুক্ত থেকে সত্যের উপর অবিচল রেখে শহীদি মৃত্যু দান করুন।

আলহামদুলিল্লাহ আমরা অফিশিয়াল পেজ টি উদ্বোধন করেছি। সমস্ত দ্বীনি ভাইদের কে এই পেইজে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরো...
02/08/2021

আলহামদুলিল্লাহ আমরা অফিশিয়াল পেজ টি উদ্বোধন করেছি। সমস্ত দ্বীনি ভাইদের কে এই পেইজে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nusratul Muslimin নুসরাতুল মুসলিমীন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share