ইসলামের বানী

ইসলামের বানী আসুন সময় থাকতে আমরা আল্লাহ্‌র কাছে আত্মসমর্পণ করি ।

16/01/2025

'মানুষের মাঝে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে পারে একমাত্র ইসলামের বানী'
-সুবহানাল্লাহ 💛

16/01/2025

তোমার যৌবন আল্লাহর পথে ব্যয় করো, কারণ একদিন এই শক্তি আর থাকবে না।

( হাদিস: তিরমিজি, হাদিস: ২৩৪৬)

14/01/2025

রাসূল ﷺ বলেনঃ

যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দুরুদ পাঠ করে,
আল্লাহ তার উপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন।
#সুবহানআল্লাহ 🤲

اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّد (ﷺ)

"আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়াসাল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ"ﷺ

14/01/2025
ইস্তিগফার কি?ইস্তিগফার হলো, আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা। রসূলুল্লাহ (‎ﷺ) বলেন, ❝আল্লাহর ক্বসম! আমি দিনের মধ্যে ৭০ ব...
12/01/2025

ইস্তিগফার কি?
ইস্তিগফার হলো, আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা। রসূলুল্লাহ (‎ﷺ) বলেন, ❝আল্লাহর ক্বসম! আমি দিনের মধ্যে ৭০ বারেরও অধিক ইস্তিগফার করি (আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই) এবং তাওবাহ করি❞ (বুখারী ৫/২৩২৪)

ইস্তিগফার কিভাবে করতে হয়?
ইস্তিগফার যে কোন শব্দেই করা যায়। এমনকি ❝ইয়া আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিন!❞ – বলে দুয়া করলেও হবে।
তবে রসূলুল্লাহ (ﷺ) যে বাক্যে ইস্তিগফার করেছেন, সে বাক্যে ক্ষমা চাওয়া নিঃসন্দেহে অতি উত্তম!

নিম্নে হাদীসে বর্নিত কিছু ইস্তিগফার দেয়া হলো! মুখস্থ করে নিতে পারেন ইন শা আল্লাহ।
১| ﺃﺳﺘﻐﻔﺮ ﺍﻟﻠﻪ (আস্তাগফিরুল্লাহ)।
২| ﺃﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ ﺍﻟﻌَﻈِﻴﻢَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﺇﻟَﻪَ ﺇﻻَّ ﻫُﻮَ...
৩| ﺭَﺏِّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻭَﺗُﺐْ ﻋَﻠَﻰَّ...
৪| ﺃﺳﺘﻐﻔﺮ ﺍﻟﻠﻪ ﻭ ﺃﺗﻮﺏ ﺇﻟﻴﻪ...
৫| ﺳُﺒْﺤَﺎﻥَ ﺍﻟﻠﻪِ ﻭَﺑِﺤَﻤْﺪِﻩِ...
৬| ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻲ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﺃَﻧْﺖَ...

ইস্তিগফারের ১৭ টি উপকারিতা:
১। অধিক ইস্তিগফারের কারণে প্রচুর বর্ষণ হয়।
২। ইস্তিগফারকারীকে আল্লাহ উত্তম সন্তান, সম্পদ ও জীবিকার দ্বারা সম্মানিত করেন।
৩। দ্বীন পালন সহজ হয়।
৪। আল্লাহ ও বান্দার মাঝে যে দূরত্ব আছে, তা ঘুচে যায়।
৫। ইস্তিগফারকারীর কাছে দুনিয়াকে খুব তুচ্ছ করে দেয়া হয়।
৬। মানব ও জীন শয়তান থেকে তাকে হিফাযত করা হয়।
৭। দ্বীন ও ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করা যায়।
৮। আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হয়।
৯। বিচক্ষণতা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।
১০। দুশ্চিন্তা, পেরেশানি দূর হয়।
১১। বেকারত্ব দূর হয়।
১২। আল্লাহ তা’আলার নৈকট্য অর্জিত হয়।
১৩। মৃত্যুর সময় ফেরেস্তারা তার জন্য সুসংবাদ নিয়ে আসে।
১৪। হাশরের মাঠে মানুষ যখন প্রচন্ড গরম ও ঘামের মধ্যে থাকবে, তখন ইস্তিগফারকারী থাকবে আরশের ছায়াতলে।
১৫। কিয়ামাতের দিন মানুষ যখন অস্থির থাকবে, ইস্তিগফারকারী তখন ডানপন্থী মুত্তাকিনদের দলে থাকবে।
১৬। মন্দ কাজ থেকে বেঁচে থাকা যায়।
১৭। আরশ বহনকারী ফেরেশতাগণও তার জন্য দু’আ করেন।

আল্লাহ্‌ আমাদেরকে নিয়মিত ইস্তিগফারের আমাল করার তৌফিক দান করুন।
🤲আল্লাহুম্মা আমীন।

#ইস্তিগফার #ক্ষমাপ্রার্থনা #আল্লাহরকৃপা #হাদীস #দুয়া #তাওবা #মুসলিম #ইসলামিক

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামের বানী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share