Islamic Revolutionary Movement For Justice

Islamic Revolutionary Movement For Justice Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islamic Revolutionary Movement For Justice, Religious organisation, Dhaka.

What seems false to you, if you do not think about them from the bottom of your heart,then you will surely be immersed in eternal lies.
আপনার কাছে যা মিথ্যা মনে হয়, তা নিয়ে যদি মনের গভীর থেকে না ভাবেন , তাহলে অবশ্যই মিথ্যার মধ্যেই ডুবে থাকবেন।
© IRMJ

আমরা এমন এক সময়ের মধ্যে আছি, যেখানে মুসলিম হওয়াটা একটা চাপ, একটা লজ্জা, একটা ভয়। চারদিকে আগুন জ্বলছে—গাজায়, সিরিয়ায...
08/04/2025

আমরা এমন এক সময়ের মধ্যে আছি, যেখানে মুসলিম হওয়াটা একটা চাপ, একটা লজ্জা, একটা ভয়। চারদিকে আগুন জ্বলছে—গাজায়, সিরিয়ায়, কাশ্মীরে, আর আমরা… আরামদায়ক সোফায় বসে থাকি, কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে শুধু বলি—"আল্লাহ সাহায্য করুন।"

আমরা একটা ভুল বুঝেছি ভাই ও বোনেরা—"সাহায্য" আল্লাহ পাঠাবেন, কিন্তু সৈনিক হতে হবে আমাদের।

তোমাকে জিজ্ঞেস করছি—তুমি কি প্রস্তুত? আল্লাহর সৈনিক হওয়ার জন্য, সত্যিকারের বিপ্লবী হওয়ার জন্য—তুমি কি প্রস্তুত?

এই খুতবায় আমি তোমাকে কিছু ধাপ দেখাবো। এগুলো শুধু বইয়ের জ্ঞান না, এগুলো সেই বাস্তব পথ—যে পথ দিয়ে একজন সাধারণ মানুষ থেকে সাহাবা তৈরি হয়েছিলো। যে পথে খালিদ ইবনে ওয়ালিদ তৈরি হয়, সালাহউদ্দিন জন্ম নেয়।

হে, “ভাই ও বোনেরা, আল্লাহ আমাদের ঘুমিয়ে থাকার জন্য তৈরি করেননি।”

আপনি যদি ভাবেন, "যুদ্ধ তো হচ্ছে না, তাহলে প্রস্তুতির কী দরকার?",
তাহলে আপনি কুরআনের একটি বিশাল অংশ মিস করছেন।

কুরআনের ভাষায়, প্রস্তুতি মানে যুদ্ধের সময় নয়—শান্তির সময়েই প্রস্তুত থাকা।

---

“সূরা আন-ফাল, আয়াত ৬০: এক বিস্ফোরক ঘোষণা”

> "وَأَعِدُّوا لَهُم مَّا اسْتَطَعْتُم مِّن قُوَّةٍ وَمِن رِّبَاطِ الْخَيْلِ تُرْهِبُونَ بِهِ عَدُوَّ اللَّهِ وَعَدُوَّكُمْ…"
"তাদের (শত্রুদের) জন্য প্রস্তুত করো যতটুকু সম্ভব শক্তি এবং অশ্ববাহিনী, যাতে তাদের ভিতরে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া যায়—তোমার শত্রু নয় শুধু, আল্লাহর শত্রুরাও।"
— [সূরা আন-ফাল, ৮:৬০]

---

“আল্লাহ বলছেন ‘প্রস্তুত হও’—কেন?”

কারণ, শত্রু চুপ করে বসে নেই।
তারা সবসময় উম্মাহকে দুর্বল করতে চায়।
তারা আমাদের শিশুদের টার্গেট করে Netflix দিয়ে, TikTok দিয়ে।
তারা আমাদের অর্থনীতি, শিক্ষা, খাবার—সব কিছুতে অনুপ্রবেশ করেছে।

তুমি প্রস্তুত না থাকলে—তোমাকে গ্রাস করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

---

“‘মা-স্তাতা’ = ‘যতটা সম্ভব’ = তুমি যতটা পারো ততটাই করো!”

আল্লাহ বলেননি “perfecly trained army লাগবে”।

তিনি বলছেন,
তুমি ছাত্র হলে, জ্ঞান অর্জনে প্রস্তুত হও।
তুমি ব্যবসায়ী হলে, হালাল রিসোর্সে উম্মাহকে শক্তিশালী করো।
তুমি লেখক হলে, কলম দিয়ে জিহাদ করো।
তুমি মা হলে, তোমার ঘরে এক বীর বানিয়ে তোলো।

তুমি যা পারো, তা দিয়েই প্রস্তুত হও। কারণ তুমি উম্মাহর অংশ।

---

“তুমি ভয় দেখাবে, কিন্তু কাকে?”

> "تُرْهِبُونَ بِهِ عَدُوَّ اللَّهِ وَعَدُوَّكُمْ"

ভাই, আল্লাহ বলছেন:
তোমার অস্ত্রের ভয় শত্রুদের মনে ঢুকিয়ে দাও।
তুমি যুদ্ধ করতে নাই বা পারো,
কিন্তু তাদের যেন বোঝানো যায়—“মুসলিমরা স্লিপিং জেনারেশন না, we’re awake, united, and prepared.”

---

“আরেকটা আয়াত, যেটা তোমাকে বসে থাকতে দেয় না…”

> "انفِرُوا خِفَافًا وَثِقَالًا وَجَاهِدُوا بِأَموالِكُمْ وَأَنفُسِكُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ…"
"তোমরা বেরিয়ে পড়ো—হালকা হও কিংবা ভারী, আর জিহাদ করো তোমাদের ধন ও জীবন দিয়ে আল্লাহর রাস্তায়।"
— [সূরা তাওবা, ৯:৪১]

এই আয়াত শুধু এক্সারসাইজ করা দেহবিল্ডারদের জন্য নয়।
এটা বলছে—"তুমি বুড়ো হও, তরুণ হও, গরীব হও, ধনী হও—যেমনই হও, কিছু না কিছু নিয়ে রওনা হও।"

তোমার অলসতার কোনো অজুহাত আল্লাহ গ্রহণ করবেন না।

---

“তুমি যুদ্ধের মাঠে নাও থাকতে পারো—কিন্তু প্রস্তুতির মাঠ ছেড়ে যেও না”

তোমার নেটওয়ার্ক = প্রস্তুতি

তোমার ভাইদের মাঝে ঐক্য = প্রস্তুতি

তুমি যেটা খাচ্ছো, সেটা হালাল কিনা = প্রস্তুতি

তুমি কী বলছো, কী দেখছো, কী শেয়ার করছো = প্রস্তুতি

তুমি যদি ভবিষ্যতের উম্মাহ রক্ষা করতে চাও, তবে আজ থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে।

---

"জিহাদ" মানে যুদ্ধ নয়, এটা মানে 'কমপ্লিট সিস্টেম অফ স্ট্রাগল'

তুমি যদি শিক্ষা, দাওয়াহ, অর্থনীতি, মিডিয়া—এসবের মধ্যে লড়াই চালিয়ে যাও,
তাহলে সেটাই জিহাদ।

> রাসূল (সা.) বলতেন:
“جاهدوا المشركين بأموالكم وأنفسكم وألسنتكم”
“তোমরা মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করো—তোমাদের ধন দিয়ে, জীবন দিয়ে, আর তোমার জিহ্বা দিয়ে।”
— [আবু দাউদ, ২৫০৪]

---

মূল কথা: “যুদ্ধ হোক বা না হোক—তুমি জাগ্রত থেকো”

তুমি যদি ঘুমিয়ে থাকো,
তাহলে শত্রু তোমার সন্তানকে তুলে নিয়ে যাবে।
তুমি যদি অলস থাকো,
তাহলে তারা তোমার খাবার, তোমার প্রযুক্তি, তোমার স্বপ্নকে কিনে নেবে।

> "وَأَعِدُّوا" = "প্রস্তুত হও" — এটা আজকের জন্য, আগামীকাল নয়।

প্রথম প্রস্তুতি: ঈমানের ভিত গড়ো

يُثَبِّتُ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ
Surah Ibrahim (14:27)
"আল্লাহ মুমিনদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে স্থির রাখেন সত্যবাদিতার মাধ্যমে।"

ভাই, ঈমান মানে কি? নামাজ পড়া? রোযা রাখা? হ্যাঁ, অবশ্যই। কিন্তু ঈমান মানে হচ্ছে—আল্লাহর ওপর এমন এক ভরসা, এমন এক সম্পর্ক, যা ঝড় এলে নড়ে না। জীবনে বিপদ এলে, পেট খালি থাকলে, কেউ পাশে না থাকলে—তুমি যখন একা থাকবে, তখন তোমার ঈমান তোমার পাশে দাঁড়াবে।

এই ঈমান গড়ার জন্য প্রথম কাজ—কুরআনের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়া। তিলাওয়াত করো। না, শুধু গলার সুরে না—মনে করো, এই আয়াত আল্লাহ তোমাকে লিখে পাঠিয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে। তোমাকে। তোমার কান্নার জন্য। তোমার ভয়ের জন্য। তোমার দুশ্চিন্তার জন্য।

---

দ্বিতীয় প্রস্তুতি: নিজের নফসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো

قَدْ أَفْلَحَ مَن زَكَّاهَا وَقَدْ خَابَ مَن دَسَّاهَا
Surah Ash-Shams (91:9-10)
"সফল সেই, যে নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করল, আর ব্যর্থ সে, যে তা কলুষিত করল।"

তুমি যদি নিজের লোভ, গোপন পাপ, গেম-অ্যাডিকশন, পর্নোগ্রাফি, অহংকার, রেগে যাওয়া—এসবকে দমন না করতে পারো, তুমি বাইরের কোনো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত না।

তুমি যোদ্ধা হতে চাও, কিন্তু ফজরের সময় বিছানা তোমার ওপর বিজয়ী হয়ে যায়? তুমি বিপ্লব চাও, কিন্তু ইউটিউব স্ক্রল করতে করতে কাঁধ ব্যথা হয়ে যায়? না, ভাই। আগে নিজের বিরুদ্ধে জিতো। তারপর বাইরে বের হও।

---

তৃতীয় প্রস্তুতি: শক্তিশালী শরীর গড়ো

وَأَعِدُّوا لَهُم مَّا اسْتَطَعْتُم مِّن قُوَّةٍ
Surah Al-Anfal (8:60)
"তোমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রস্তুত রাখো যতটুকু শক্তি তোমরা সক্ষম হও।"

এই আয়াতে আল্লাহ বলেন—“প্রস্তুত করো তোমাদের যতটা শক্তি সম্ভব।” তুমি যুদ্ধ চাও, বিপ্লব চাও, কিন্তু হাঁটতে গেলে হাঁপিয়ে পড়ো? রাতে দুই রাকাত পড়লে কোমর ব্যথা? না, ভাই। এক যোদ্ধার শরীর লাগে—শক্ত, স্থিতিশীল, নিয়ন্ত্রিত।

সাহাবারা কেবল সাহসী ছিলেন না—তারা ফিট ছিলেন, তারা ছুটতে পারতেন, তারা রক্তের গন্ধে ভয় পেতেন না। তুমি ফিজিকালি ফিট না হলে, মানসিকভাবে কখনো স্ট্যাবল হবে না।

---

চতুর্থ প্রস্তুতি: চিন্তার বিপ্লব আনো

ادْعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ
Surah An-Nahl (16:125)
"তোমার রবের পথে আহ্বান কর হিকমাহ (জ্ঞান ও প্রজ্ঞা) দ্বারা।"

জেনে রাখো, আজকের যুদ্ধ শুধু বন্দুকের না। আজকের যুদ্ধ মাথার ভিতর।

তুমি লিবারেলিজমে বিশ্বাস করো, আবার খিলাফাহ চাও—এটা হয় না। তুমি ইনস্টাগ্রাম সেলিব্রেটি হও, আবার উম্মাহর লিডার হতে চাও—এটা হয় না।

তোমাকে আগে বুঝতে হবে কিসের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছো। পুঁজিবাদ, ভোগবাদ, ইসলামফোবিক মিডিয়া—তোমাকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। তুমি যদি চিন্তা না পাল্টাও, অস্ত্র দিয়ে কিছুই পাল্টাতে পারবে না।

---

পঞ্চম প্রস্তুতি: গোপনীয়তা ও কৌশল

সাহাবারা প্রথম ১৩ বছর গোপনে দাওয়াত দিয়েছেন। রসুল (সা.)-এর কৌশল ছিলো—খামুশ শক্তি তৈরি করা। তোমার কাজ লোক দেখানো জ্বালাময়ী পোস্ট নয়, বরং স্মার্টলি, চিন্তাভাবনা করে কাজ করা।

সতর্ক থেকো। কথা কম বলো। দায়িত্ব বুঝে চলো। তুমি সৈনিক—তোমার কাজ অপারেশন চালানো, বাহবা নেওয়া না।

---

ষষ্ঠ প্রস্তুতি: অর্থনৈতিক স্বাধীনতা

“উপরের হাত নিচের হাত থেকে উত্তম” – হাদীস

তুমি আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা করতে চাও, কিন্তু টাকা নেই? তাহলে তুমি কার মুখ চেয়ে থাকবে? রাষ্ট্রের? ফান্ডের? এনজিওর?

না ভাই। একজন মুসলিম যোদ্ধা নিজের রিযিক নিজে উপার্জন করে। হালাল পথে। আত্মমর্যাদায়। নিজের কাফেলার খরচ নিজেই চালায়।

---

সপ্তম প্রস্তুতি: মৃত্যু কে বন্ধু বানানো

قُلْ إِنَّ الْمَوْتَ الَّذِي تَفِرُّونَ مِنْهُ فَإِنَّهُ مُلَاقِيكُمْ
Surah Al-Jumu'ah (62:8)
"বল, তোমরা যে মৃত্যুকে এড়িয়ে চল, তা তো তোমাদের সাথেই সাক্ষাৎ করবে।"

সবচেয়ে কঠিন প্রস্তুতি: মৃত্যুকে হাসিমুখে গ্রহণের মানসিকতা। তুমি যদি মৃত্যু থেকে পালাও, তুমি কোনো দিনও আল্লাহর পক্ষে দাঁড়াতে পারবে না।

কিন্তু যদি তুমি শহীদ হওয়ার স্বপ্নে বাঁচো, তাহলে তোমার জন্য কোনো পরাজয় নেই—মরলে জান্নাত, বাঁচলে বিজয়।

---

শেষ কথা: তুমি কি প্রস্তুত?

আজ এই আমি তোমাকে প্রশ্ন করছি— তুমি কি প্রস্তুত?

ভেতরের ঈমান ঠিক আছে? নফসকে কন্ট্রোলে এনেছো? শরীর তৈরি? চিন্তা পরিষ্কার? অর্থ উপার্জনে স্বাধীন? মৃত্যুতে হাসিমুখ?

যদি না হও—তাহলে আজই শুরু করো। এক ধাপ। এখনই।

ভাই ও বোনেরা...

তোমার হাতে যদি Pen থাকে—এটাই তোমার তরবারি।
তোমার কণ্ঠ যদি সত্য বলে—এটাই তোমার ঢাল।
তুমি যদি এক থাকো উম্মাহর সাথে—তোমার শক্তিই তাদের ভয়ের কারণ হবে।

এটাই জিহাদ।
এটাই কুরআনের পথ।
এটাই রাসূলের (সা.) সুন্নাহ।

---

رَبَّنَا اجْعَلْنَا مِنْ جُنُودِكَ
"হে আল্লাহ, আমাদেরকে তোমার সৈনিক বানাও।"

رَبَّنَا اجْعَلْ خُطُوَاتِنَا فِي سَبِيلِكَ
"হে আল্লাহ, আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ তোমার পথে করো।"

رَبَّنَا اجْعَلْ مَوْتَنَا شَهَادَةً فِي سَبِيلِكَ
"হে আল্লাহ, আমাদের মৃত্যুকে শহীদি মৃত্যু বানাও।"

آمين يا رب العالمين

“ভাই ও বোনেরা… আমি আজ এমন একটা বিষয়ে কথা বলতে যাচ্ছি, যেটা আমাদের ইমান, আমাদের আবেগ, আর আমাদের বুদ্ধিমত্তার জন্য এক বিশা...
08/04/2025

“ভাই ও বোনেরা… আমি আজ এমন একটা বিষয়ে কথা বলতে যাচ্ছি, যেটা আমাদের ইমান, আমাদের আবেগ, আর আমাদের বুদ্ধিমত্তার জন্য এক বিশাল পরীক্ষা…”

“KFC, Bata, এবং কিছু ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে ভাঙচুর—ইসলাম কি বলে?”

---

১. “তোমার হৃদয়ে আগুন আছে—ভাই, সেটা আমি বুঝি…”

গাজায় যা হচ্ছে—বাচ্চাদের লাশ, মা-বাবার কান্না, ধ্বংসস্তূপ—তুমি এসব দেখে যদি কিছুই না বোঝো, তাহলে তোমার হৃদয়ে কিছু নেই।
তোমার চোখে পানি আসবে। তোমার ভিতরে আগুন জ্বলবে।
এবং সেই আগুন…
সেই আগুন তোমাকে কী করাবে?
তোমাকে রাসূল (সা.)-এর মতো করে দাঁড়াতে শিখাবে?
নাকি এমন কিছু করতে বাধ্য করবে—যা রাসূল (সা.) কোনোদিন করেননি?

---

২. “তুমি কি জানো কাকে আঘাত করেছো?”

তুমি হয়ত আগুন দিয়েছো KFC-তে, কিন্তু জানো কি?
সেখানে কাজ করছিল তোমার মতোই এক মুসলিম ভাই।
যার বাসায় হয়ত মা অপেক্ষা করছে তার ছেলের বেতনের টাকায় চাল কেনার জন্য।

তুমি কী করছো?
তুমি এক ভাইয়ের রুটি কেরে নিচ্ছো।
এটা কি জিহাদ?
না ভাই,
এটা ফাসাদ।

---

৩. “আল্লাহ নিজেই বলছেন…”

> “وَلَا تُفْسِدُوا فِي الْأَرْضِ بَعْدَ إِصْلَاحِهَا”
“যখন পৃথিবী ঠিক হয়ে গেছে, তখন তাতে ফাসাদ করো না।”
— [সূরা আ‘রাফ, ৭:৫৬]

তুমি জানো ‘ফাসাদ’ মানে কী?
ভাঙচুর, ভয় সৃষ্টি, জনজীবন অশান্ত করা, ধ্বংস…
তুমি ভাবছো তুমি কওমের হিরো হয়েছো,
আল্লাহ তোমাকে ‘মুফসিদ’ বলছেন।

---

৪. “রাসূল (সা.) কী করতেন?”

১৩ বছর রাসূল (সা.) মক্কায় কী সহ্য করেছেন—
ব্যক্তিগত অপমান, সাহাবীদের উপর শারীরিক অত্যাচার, পুরো সমাজের বয়কট…

কিন্তু তিনি কি একবারও বলেননি:
“চলো, আবু জাহেলের দোকান জ্বালিয়ে দিই!”
“চলো বাজারে লুটপাট করি!”?

না!
তিনি দুআ করতেন, কুরআনের আয়াত শুনাতেন,
আর মানুষকে একতা আর হিকমাহ দিয়ে জয় করতেন।

---

৫. “সাহাবীরা কী করতেন?”

তুমি যদি সাহাবীদের ভালোবাসো, তাহলে শোনো:

উমর (রা.) যখন জেরুজালেম বিজয় করেন, তিনি কোনো গির্জা ভাঙেননি, কাউকে জোর করে ইসলাম কবুল করাননি, বরং বলেন—সবাই নিজ ধর্মে শান্তিতে থাকুক।

তোমার ‘বিক্ষোভে’ যদি মানুষ ভয় পায়, দোকানপাট বন্ধ হয়, খাবার টান পড়ে—
তোমার কাজটা সাহাবীদের পথ নয়।

---

৬. “জিহাদ মানে কি নিজের এলাকার দোকান জ্বালিয়ে দেওয়া?”

জিহাদ মানে আল্লাহর পথে চেষ্টা, শৃঙ্খলা, কৌশল।

> “لا تقتلوا شيخا ولا طفلا ولا امرأة… ولا تحرقوا النخل ولا تهدموا بناءً”
“যুদ্ধে বৃদ্ধ, নারী, শিশু হত্যা কোরো না। গাছ পোড়িও না, ঘর ভেঙো না।”
— রাসূলের নির্দেশ, (মুসনাদে আহমদ)

আর তুমি?
তুমি রাস্তার দোকান পোড়াও।
তুমি মুসলিম ভাইয়ের ফ্র্যাঞ্চাইজি ধ্বংস করো।
এটা জিহাদ না ভাই, এটা আত্মঘাতী উন্মাদনা।

---

৭. “তাহলে কী করব?”

১. বয়কট করো—কিন্তু হিকমাহ দিয়ে।

নিজে আগে বন্ধ করো।

পরিবার, বন্ধুকে বোঝাও।

তর্ক নয়, দাওয়াহ করো।

২. মুসলিম পণ্যের পাশে দাঁড়াও।

নিজের ব্র্যান্ড তৈরি করো।

Halal economy গড়ে তুলো।

জ্ঞান-চাকরি-কর্মসংস্থান দিয়ে লড়ো।

৩. গাজার জন্য কান্না করো—কিন্তু কুরআনের পথে।

নামাজে দুআ করো।

ফান্ড রেইজ করো।

মিডিয়াতে সত্য প্রচার করো।

---

৮. “যারা আগুন দিয়েছে, তাদের কী হবে?”

> “إِنَّمَا جَزَاءُ الَّذِينَ يُحَارِبُونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ…”
“যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং পৃথিবীতে ফাসাদ ছড়ায়…”
— [সূরা মায়িদা, ৫:৩৩]

রাসূল (সা.) বলেছেন—

> “যে অন্যায়ভাবে কারো মাল ধ্বংস করল, তাকে কিয়ামতের দিন জবাবদিহি করতে হবে—even যদি সেটা আগুনে পোড়ানো হয়।”

তুমি হয়ত নামাজি, হজ করেছো…
কিন্তু যদি ফাসাদ করো—তাহলে তোমার আমল দিয়ে কোনো লাভ হবে না।

---

শেষ কথাটা শোনো…

“আল্লাহ চাইছেন তুমি প্রতিবাদ করো, কিন্তু নিজের মানুষকে না কাঁদিয়ে—শত্রুকে কাঁদিয়ে।”

"তুমি যদি সত্যিকারের মুজাহিদ হতে চাও, তাহলে তোমার হাত নয়—তোমার বিবেক জ্বলে উঠুক।
তোমার কণ্ঠে আসুক আয়াত, তোমার কাজে আসুক রাসূলের সুন্নাহ।”

---

ভাই ও বোনেরা…
এই মুহূর্তে উম্মাহর দরকার সাহস না—বরং হিকমাহ, দায়িত্ব, আর একতা।
এখন দরকার আগুন না, দরকার আলো।

> “وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا”
“তোমরা সবাই আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরো, এবং বিভক্ত হয়ো না।”
— সূরা আল ইমরান, আয়াত ১০৩

23/12/2024

সূরা আল আহযাব (33:36)

وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍۢ وَلَا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى ٱللَّهُ وَرَسُولُهُۥٓ أَمْرًا أَن يَكُونَ لَهُمُ ٱلْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ ۗ وَمَن يَعْصِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَـٰلًۭا مُّبِينًۭا (٣٦)
আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন নির্দেশ দিলে কোন মু’মিন পুরুষ ও মু’মিন নারী উক্ত নির্দেশের ভিন্নতা করার কোন অধিকার রাখে না। যে আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে অমান্য করে সে স্পষ্টতই সত্য পথ হতে দুরে সরে পড়ল।

🙂THE UNIVERSAL TRUTH 🙂
19/04/2024

🙂THE UNIVERSAL TRUTH 🙂

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Revolutionary Movement For Justice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Islamic Revolutionary Movement For Justice:

Share