সনাতন রাধামাধব"

সনাতন রাধামাধব" অদ্ভুত সুন্দর কিছু ছবি আর ভিন্ন কিছু পোস্ট পেতে পেইজটিতে লাইক দিন।

06/11/2022
💗💗💗কূর্মাবতাররুপ জগন্নাথ 💗💗💗🙏🙏🙏 জয় জগন্নাথ 🙏🙏🙏
25/02/2020

💗💗💗কূর্মাবতাররুপ জগন্নাথ 💗💗💗
🙏🙏🙏 জয় জগন্নাথ 🙏🙏🙏

💗💗💗মৎসাবতাররুপ জগন্নাথ💗💗💗🙏🙏🙏জয় জগন্নাথ 🙏🙏🙏
24/02/2020

💗💗💗মৎসাবতাররুপ জগন্নাথ💗💗💗
🙏🙏🙏জয় জগন্নাথ 🙏🙏🙏

 #শিবরাত্রি_২০২০_সালের_পূজার_সময়সূচি_ও_নিয়মাবলী।💫মহা শিবরাত্রি হল হিন্দু ধর্মের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ পুজোগুলির মধ্যে একটি।...
19/02/2020

#শিবরাত্রি_২০২০_সালের_পূজার_সময়সূচি_ও_নিয়মাবলী।💫
মহা শিবরাত্রি হল হিন্দু ধর্মের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ পুজোগুলির মধ্যে একটি। বিশেষত শৈব সম্প্রদায়ের মধ্যে এই পুজোর প্রচলন থাকলেও আজকাল সকলেই এই শিবরাত্রির ব্রত রাখতে পারেন।

অনেকের মধ্যে ধারণা রয়েছে যে, শিবরাত্রি একটি মেয়েলি ব্রত, তবে এই ধারণা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যে-কেউই এই ব্রত রাখতে পারেন। প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে এই মহাশিবরাত্রি পালিত হয়ে থাকে।

২০২০ সালের শিবরাত্রির সময়সূচি...

বাংলা পঞ্জিকা মতে ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন) বিকেল ৫.৪১ মিনিটে তিথি লাগছে এবং ২২ ফেব্রুয়ারি (৯ ফাল্গুন) সন্ধ্যা ৬.৩৯ মিনিটে ছেড়ে যাচ্ছে।

শিবপূরাণে বলা রয়েছে, চতুর্দশী তিথিতে শিবরাত্রি পালিত হলেও প্রস্তুতি শুরু করতে হবে ত্রয়োদশীর দিন থেকেই। সেই অনুসারে ত্রয়োদশীর দিন এক বেলা নিরামিষ ভোজন করতে হয়। এরপর চতুর্দশীর দিন খুব সকাল সকাল উঠে কালো তিল ভেজানো জলে স্নান করতে হয়।

শিব পূরাণে বলা আছে কালো তিল ভেজানো জলে স্নান করলে শরীর শুদ্ধ হয়। বলা হয়, শিবরাত্রি ব্রত পালনের সময় নিজেকে সংযত রাখতে হয় আর তাই স্নান করে উঠে সংকল্প করা জরুরী।

চতুর্দশীর সারাদিন নিজের মন ও শরীরকে শুদ্ধ রাখার জন্য সংকল্প করার কথা বলা হয়। এর জন্য সারাদিন উপবাস রাখতে হবে এবং মনে মনে ওঁ নমঃ শিবায়ঃ মন্ত্র জপ করুন এবং মহাদেব যেন আপনার সংকল্প রক্ষা করেন সেই আশীর্বাদ প্রার্থনা করুন।

মহাদেবকে যেসব উপকরণ সহযোগে পুজো দেবেন....

গঙ্গাজল, দুধ, ঘি, দই, মধু, শ্বেত চন্দন, ধুতরা ফুল, আকন্দ ফুল, বেল পাতা, গোলাপ জল, ধুপ, প্রদীপ, পাঁচটি ফল, কাঁটাফল ও সন্দেশ সহযোগে মহাদেবের পুজো দিন। আজকাল অবশ্য সকলে দুপুর বেলায় শিবলিঙ্গে জল ঢেলে নিয়ে উপবাস ভঙ্গ করেন। কিন্তু মহাশিবরাত্রি নামের মধ্যেই রাতের কথা উল্লেখ রয়েছে। তাই মহাদেবের আশীর্বাদ পেতে রাত্রিবেলা শিবপুজোর আদর্শ সময়। আজও তাই ভোলানাথের থানে সারা রাতভোর ঠাকুরের পুজো হয়।

পূজার অর্ঘ্য নিবেদন করবেন কীভাবে?...

এ তো গেল পুজোর উপকরণ। তবে ভোলা মহেশ্বরকে এইসব পূজার অর্ঘ্য নিবেদন করবেন কীভাবে। শিব পূরাণ অনুসারে শিবলিঙ্গকে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে স্নান করানোর সময়ে আলাদা আলাদা মন্ত্র উচ্চারণ করার বিধি রয়েছে। অর্থাৎ শিবলিঙ্গে জল ঢালার সময় মন্ত্র আলাদা, দুধ ঢালার সময় আলাদা মন্ত্র এবং অন্যান্য উপকরণ ঢালার সময় আলাদা আলাদা মন্ত্র উচ্চারণ করলে মহাদেব তুষ্ট হন। তাই জেনে নিন কোন উপকরণ দিয়ে মহাদেবকে স্নান করানোর সময় কোন মন্ত্র জপ করবেন-

|| প্রথম প্রহরে দুধ দিয়ে স্নান করানোর সময়ে মনে মনে বলুন- ওম হ্রিং ঈশাণায় নমঃ ||

|| দ্বিতীয় প্রহরে দই দিয়ে স্নান করান। মনে মনে বলুন- ওম হ্রিং অধোরায় নমঃ ||

|| তৃতীয় প্রহরে মহাদেবকে ঘি দিয়ে স্নান করানোর সময়ে জপ করুন- ওম হ্রিং বামদেবায় নমঃ ||

|| চতুর্থ প্রহরে মধু সহযোগে স্নান করানোর সময়ে উচ্চারণ করুন- ওম হ্রিং সদ্যোজাতায় নমঃ ||

|| গঙ্গা জল দিয়ে মহাদেবকে স্নান করানোর সময়ে ওম নমঃ শিবায়ঃ নমঃ জপ করুন ||

বিঃদ্রঃ- অাপনার সন্তানের পকেটে নাম ঠিকানা মোবাইল নং দিয়ে একটি চিরকুট লিখে দিন। কেউ হারিয়ে গেলে চিরকুটের সূত্র মোতাবেক অভিভাবকদের জানাতে স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগীতা পাবেন।
(সংগৃহীত)

সনাতন রাধামাধব পেইজের পক্ষ থেকে আবারও সবাইকে কৃষ্ণপ্রীতি ও শুভেচ্ছা🙏🙏🌸💮🏵🌹🌻
15/02/2020

সনাতন রাধামাধব পেইজের পক্ষ থেকে আবারও সবাইকে কৃষ্ণপ্রীতি ও শুভেচ্ছা🙏🙏🌸💮🏵🌹🌻

ইসকণ্, মঙ্গোলিয়া 🙏🙏🙏
12/02/2020

ইসকণ্, মঙ্গোলিয়া 🙏🙏🙏

গতকাল আমি ট্রেনে ভ্রমণ করছিলাম, তখন একজন ভিক্ষুক আমার কাছে এসে বললেন…। * "আল্লাহর নামে কিছু দিন" * আমি তার দিকে তাকিয়ে ...
10/02/2020

গতকাল আমি ট্রেনে ভ্রমণ করছিলাম, তখন একজন ভিক্ষুক আমার কাছে এসে বললেন…।

* "আল্লাহর নামে কিছু দিন" *

আমি তার দিকে তাকিয়ে ভদ্রতার সাথে তার দিকে তাকিয়ে বললাম…।

* "আমি আল্লাহকে বিশ্বাস করি না" তাই আমি কেন দেব ???? 🚩🚩🚩
* সে আমার দিকে তাকায় .. তাই .... *
* তার পরে আমি তাকে সেই প্রস্তাব দিয়েছিলাম .... *

* যদি আপনি "ভগবান রাম" এর নামে চান , আমি আপনাকে 10 টাকা দেব।

* তিনি আমার দিকে তাকাতে লাগলেন এবং ট্রেনের আশেপাশের লোকেরাও আমাদের কৌতূহলীভাবে দেখতে শুরু করেছিল। *

* তারপরে, আমি আমার প্রস্তাবটি আরও আকর্ষণীয় করে বললাম যে .... যদি তিনি ভগবান রামের নামে চান তবে আমি তাকে "50 টাকা" দেব *

* তবে, সেই ভিক্ষুক এর জন্য প্রস্তুত ছিল না এবং ক্রোধিত হয়ে গেল।

* এবং আমিও তার ধর্মান্ধতা অনুভূত করে কাগজ পড়তে শুরু করি।

* তবে, এই ঘটনা আমাকে তা শিখিয়েছে .... * * যে ভিক্ষুকের কাছে ভিক্ষা করে কিছু খেতে হয় না এবং জীবন-যাপন করে সে "অর্থের কারণে তার ধর্মের সাথে আপস করে না" না *।

* আমরা কি হিন্দু ... ভিক্ষুকের চেয়ে বেশি হয়ে গেছি… যারা নিজের ধর্মের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে এবং নিজের ব্যক্তিগত (সম্পদ বা অবস্থান) এর লোভে ধর্ম নিরপেক্ষ হয়ে সর্বদা এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকে? * ????

* অবশ্যই ভাবেন .
পড়তে হবে(সংগৃহীত)

হরিবোল 🙏🙏🙏
09/02/2020

হরিবোল 🙏🙏🙏

🌿🌿🌿 সুপ্রভাত 🌿🌿🌿❤💚❤💚জয় জগন্নাথ ❤💚❤💚
07/02/2020

🌿🌿🌿 সুপ্রভাত 🌿🌿🌿
❤💚❤💚জয় জগন্নাথ ❤💚❤💚

ভৈমী_একাদশী_ব্রত_মাহাত্ম্যঃশ্রীগরুড়পুরাণে মাঘ মাসের শুক্লাপক্ষীয়া একাদশী তিথিকে ‘ভৈমী’ একাদশী ’ নামে অভিহিত করা হয়েছে। ক...
05/02/2020

ভৈমী_একাদশী_ব্রত_মাহাত্ম্যঃ
শ্রীগরুড়পুরাণে মাঘ মাসের শুক্লাপক্ষীয়া একাদশী তিথিকে ‘ভৈমী’ একাদশী ’ নামে অভিহিত করা হয়েছে। কল্পান্তরে বিভিন্ন পুরাণে বিভিন্ন নাম দেখা যায়। পদ্মপুরাণ অনুসারে জৈষ্ঠ মাসের শুক্লাপক্ষীয়া একাদশীর নামই 'পান্ডবা নির্জলা একাদশী' বা ভীমসেনী' (ভৈমী) একাদশী।

এই ভৈমী একাদশী সর্ম্পকে জানার জন্য যুধিষ্ঠির কৃষ্ণকে বলিলেন -হে কৃষ্ণ! আপনি কৃপা করে মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর সবিশেষ বর্ণনা করুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন হে মহারাজ! মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী ‘জয়া’ নামে প্রসিদ্ধ। এই তিথি সর্বপাপ বিনাশিনী,সর্বশ্রেষ্ঠা, পবিত্রা, সর্বকাম ও মুক্তি প্রদায়িনী। এই ব্রতের ফলে মানুষ কখনও প্রেতত্ব প্রাপ্তি হয় না। এই একাদশীর নিম্নরূপ উপাখ্যান শোনা যায়।

একসময় স্বর্গলোকে ইন্দ্র রাজত্ব করছিলেন। সেখানে অন্য দেবতারাও বেশ সুখেই ছিলেন। তারা পারিজাত পুষ্প শোভিত নন্দনকাননে অপ্সরাদের সাথে বিহার করতেন। একদিন পঞ্চাশ কোটি অপ্সরা-নায়ক দেবরাজ ইন্দ্র স্বেচ্ছায় আনন্দভরে তাদের নৃত্য করতে বললেন। নৃত্যের সাথে গন্ধর্বগণ গান করতে লাগলেন। পুষ্পদত্ত, চিত্রসেন প্রভৃতি প্রধান প্রধান গন্ধর্বেরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। চিত্রসেনের পত্নীর নাম মালিনী। পুষ্পবন্তী নামে তাঁদের এক কন্যা ছিল। পুষ্পদত্তের পুত্রের নাম মাল্যবান। এই মাল্যবান পুষ্পবন্তীর রূপে মুগ্ধ হয়েছিল। পুস্পবন্তী পুনঃ পুনঃ কটাক্ষ দ্বারা মাল্যবানকে বশীভূত করেছিল।

ইন্দ্রের প্রীতিবিধানের জন্য তারা দুজনেই নৃত্যগীতের সেই সভায় যোগদান করেছিল। কিন্তু একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট থাকায় উভয়েরই চিত্ত বিভ্রান্ত হচ্ছিল। সেখানে তারা পরস্পর কেবল দৃষ্টিবদ্ধ অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকল। ফলে গানের ক্রম বিপর্যয় ঘটল। তাদের এই রকম তাল-মান ভঙ্গভাব দেখে তারা যে পরস্পর কামাসক্ত হয়েছে।

দেবরাজ ইন্দ্র তা বুঝতে পারলেন। তখন ক্রোধবশে তিনি তাদের অভিশাপ দিলেন, বললেন- মূঢ়! তোমরা আমার আজ্ঞা লঙঘন করেছ। তোমাদের ধিক! এখনই তোমরা পিশাচযোনী লাভ করে মর্ত্যলোকে নিজ দুষ্কর্মের ফল ভোগ কর। ইন্দ্রের অভিশাপে তারা দুজন দুঃখিত মনে হিমালয় পর্বতে বিচরণ করছিল। পিশাচত্ব প্রাপ্ত হওয়ায় তারা অত্যন্ত দুঃখ ভোগ করতে লাগল। হিমালয়ের প্রচন্ড শীতে কাতর হয়ে নিজেদের পূর্বপরিচয় বিস্মৃত হল। এইভাবে অতিকষ্টে সেখানে দিনযাপন করতে লাগল।

একদিন পিশাচ নিজপত্নী পিশাচীকে বলল- সামান্য মাত্র পাপ করিনি। অথচ নরক যন্ত্রণার মতো পিশাচত্ব প্রাপ্ত হয়েছি। অতএব এখন থেকে আর কখনও কোন পাপকর্ম করব না। এইভাবে চিন্তা করে তারা সেই পর্বতে মৃতপ্রায় বাস করতে লাগল। মাল্যবান ও পুষ্পবন্তীর পূর্ব কোন পুণ্যবশত সেই সময় মাঘী শুক্লপক্ষীয়া ‘জয়া’ একাদশী তিথি উপস্থিত হল। তারা একটি অশ্বত্থ বৃক্ষতলে নিরাহারে নির্জলা অবস্থায় দিবানিশি যাপন করল। শীতের প্রকোপে অনিদ্রায় রাত্রি অতিবাহিত হল।
পরদিন সূর্যোদয়ে দ্বাদশী তিথি উপস্থিত হল। জয়া একাদশীর দিন অনাহার ও রাত্রি জাগরণে তাদের ভক্তির অনুষ্ঠান পালিত হল। এই ব্রত পালনের ফলে ভগবান বিষ্ণুর কৃপায় তাদের পিশাচত্ব দুর হল।

তারা দুজনেই তাদের পূর্বরূপ ফিরে পেল। তারপর তারা স্বর্গে ফিরে গেল। দেবরাজ তাদেরকে দেখে অত্যন্ত আশ্চর্য হলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন কোন পুণ্যফলে তোমাদের পিশাচত্ব দূর হল। আমার অভিশাপ থেকে কে তোমাদের মুক্ত করল?

মাল্যবান বললেন-হে প্রভু! ভগবান বাসুদেবের কৃপায় জয়া একাদশী ব্রতের পুণ্যপ্রভাবে পিশাচত্ব দূর হয়েছে। তাদের কথা শুনে দেবরাজ ইন্দ্র বললেন- হে মাল্যবান, তোমরা এখন থেকে আবার অমৃত পান কর। একাদশী ব্রতে যাঁরা আসক্ত এবং যাঁরা কৃষ্ণভক্তি-পরায়ণ তাঁরা আমাদেরও পূজ্য বলে জানবে। এই দেবোলোকে তুমি পুষ্পবন্তীর সাথে সুখে বাস কর।

হে মহারাজ! এই ‘জয়া’ ব্রত ব্রহ্ম হত্যাজনিত পাপকেও বিনাশ করে। এই ব্রত পালনে সমস্ত প্রকার দানের ফল লাভ হয়। সকল যজ্ঞ ও তীর্থের পুণ্যফল এই একাদশী প্রভাবে আপনা হতেই লাভ হয়। অবশেষে মহানন্দে অনন্তকাল বৈকুন্ঠ বাস হয়। এই জয়া একাদশী ব্রতকথা পাঠ ও শ্রবণে অগ্নিষ্টোম যজ্ঞের ফল পাওয়া যায়।
(সংগৃহীত)

Address

Dhaka
1206

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সনাতন রাধামাধব" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share