MUHAMMADIA JAMIA SHAREEF

MUHAMMADIA JAMIA SHAREEF Muhammadia Jamia Shareef is World famous University

21/06/2025
ভর্তি বিজ্ঞপ্তিমুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা।নিজস্ব প্রতিবেদকঃএতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মুহম্মদিয়া জ...
19/06/2025

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা উনার ১৪৪৭ হিজরী শিক্ষাবর্ষে ছফফুল আত্বফাল থেকে মুকাম্মিল হাদীছ, তাফসীর, ফিকাহ, আদিব শ্রেণী সহ মক্তব ও হিফজ বিভাগে ২৫শে যিলহজ্জ শরীফ থেকে ২৯শে যিলহজ্জ শরীফ/১৪৪৬ হিজরী পর্যন্ত ছাত্র ভর্তি করা হবে।
পুরাতন ছাত্রদেরকে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে অবশ্যই ভর্তি হতে হবে। নতুন ছাত্রদের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৯ শে যিলহজ্জ শরীফ/১৪৪৬হিজরী তারিখ সকাল ৯:০০ ঘটিকায় মাদরাসা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে । উল্লিখিত তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা অফিস থেকে ফরম সংগ্রহ করার জন্য বলা হলো।

ঠিকানা:
মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা

৫নং আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা-১২১৭
নির্দেশক্রমে- মাদরাসা কর্তৃপক্ষ

এই সম্মানিত প্রতিষ্ঠানের মৌলিক বৈশিষ্ট্যসমূহ
আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত ভিত্তিক পরিচালিত: অত্র প্রতিষ্ঠানখানা মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামে আ’যম, হাবীবে আ,যম, গাউছূল আ’যম, আওলাদে রসূল, মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এবং উনার পবিত্রতম ফয়েয-তাওয়াজ্জুহ মুবারক তথা মুবারক নেক দৃষ্টি দ্বারা পরিচালিত। তাই এখানে শুধু কিতাবী ইলম হাছিলই নয় বরং আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত ভিত্তিক ছহীহ আক্বীদা শিক্ষা দেয়া হয়।
আল্লাহওয়ালা ও আল্লাহওয়ালী হওয়ার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ: ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ শিক্ষাদানের মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল তথা খালিছ আল্লাহওয়ালা ও আল্লাহওয়ালী হওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সম্মানিত শরয়ী পর্দা পালন: এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ শরয়ী পর্দার সাথে ক ও িকাদের শিক্ষার সুব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে ক শাখার সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রত্যেকেই পুরুষ এবং িকা শাখার সকল শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রত্যেকেই মহিলা।
অবাঞ্ছিত সংগঠন বা দলের সাথে সম্পৃক্ত নয়: এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ- পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে অনৈসলামিক কর্মকা- যেমন- গণতন্ত্র, মৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদ, বোমাবাজি, হরতাল, লংমার্চ, কুশপুত্তলিকা দাহ ইত্যাদি হারাম ও কুফরীমূলক কাজের সাথে এবং এ ধরনের কোন প্রকার অবাঞ্ছিত সংগঠন বা দলের সাথে সম্পৃক্ত নন।
সম্মানিত সুন্নত উনার অলঙ্কারে অলঙ্কৃত: এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন কার্যকলাপ এবং মাথার তালু থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত সব কিছুই সুন্নতের অলঙ্কারে অলঙ্কৃত হওয়া বাধ্যতামূলক।
পবিত্র তাহাজ্জুদ নামায ও যিকির-ফিকির বাধ্যতামূলক: উঠা-বসা, কথাবার্তা, পোশাক-পরিচ্ছদ, খাওয়া-দাওয়াসহ প্রাত্যহিক জীবনের সর্বক্ষেত্রে হাক্বীক্বীভাবে সুন্নত পালনসহ তাহাজ্জুদ নামায ও যিকির-ফিকির বাধ্যতামূলক।
পাঁচটি ভাষা ভিত্তিক লেখা পড়া: আরবী, বাংলা, উর্দূ, ফারসী ও ইংরেজি- এ পাঁচটি ভাষা শেখা, লেখা এবং বিশুদ্ধ উচ্চারণে বলার উপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ। বিশেষ করে আরবী, উর্দূ ভাষায় দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের তত্ত্বাবধান।
বোর্ড পরীক্ষা : নিজস্ব সিলেবাসের অধীনে বোর্ড পরীক্ষার ব্যবস্থা। বর্তমানে শিশু শ্রেণী হতে উচ্চতর শ্রেণী মুকাম্মিল/কামিল হাদিছ, তাফসীর, ফিক্বাহ ও আদিব পর্যন্ত ক্লাস চলছে।
রুটিন মাফিক তত্ত্বাবধান: সুযোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের রুটিন মাফিক সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান ও শিক্ষা প্রদান।
িকা মাদরাসা: সম্পূর্ণ যোগ্যতমা মহিলা শিক্ষিকাগণের দ্বারা পরিচালিত। ছাত্রীদের সম্মানিত শরীয়ত সম্মত (খাছ) পর্দা রক্ষা করা হয়।
স্বাস্থ্যসম্মত খাবার-দাবার: আবাসিক শিক্ষার্থীদের (ক-িকা) রুটিন মাফিক উন্নত মানের স্বাস্থ্যসম্মত খাবার-দাবারের ব্যবস্থা।
মেডিকেল চেকআপ: বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে মেডিকেল চেকআপ করা হয়।
শিক্ষা সফর ও ভ্রমণ: শরীয়ত ও সুন্নতী কায়দায় শিক্ষা সফর ও ভ্রমণের ব্যবস্থা রয়েছে।
হিফয খানা: হিফযখানাসহ ক ও িকা মাদরাসার সকল বিভাগের মেধাবী ও গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা বিবেচনা করা হয় ।। সুদক্ষ হাফিয ছাহেবগণের তত্ত্বাবধানে হিফযখানা পরিচালিত। নিজস্ব ভবনে শিক্ষা-দীক্ষা।
রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অধিকতর নিরাপত্তায় ও মনোরম পরিবেশে এ মুবারক প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। সীমিত আসনে প্রতিটি ক্লাসে পাঠদান।
আদব-কায়দা ও নিয়ম-শৃঙ্খলা শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্বারোপ।
* ক্বিরায়াত শরীফ, হামদ শরীফ, না’ত শরীফ, কাছীদা শরীফ, জরুরী মাসয়ালা-মাসায়িল ও সম্মানিত ইসলামী সাহিত্য অনুশীলনের সুব্যবস্থা।

ভর্তি বিজ্ঞপ্তিমুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা।নিজস্ব প্রতিবেদকঃএতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,  মুহম্মদিয়া ...
01/07/2024

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা উনার ১৪৪৬ হিজরী শিক্ষাবর্ষে ছফফুল আত্বফাল থেকে মুকাম্মিল হাদীছ, তাফসীর, ফিকাহ, আদিব শ্রেণী সহ মক্তব ও হিফজ বিভাগে ২৪শে যিলহজ্জ শরীফ থেকে ২৯শে যিলহজ্জ শরীফ/১৪৪৫ হিজরী পর্যন্ত ছাত্র ভর্তি করা হবে।
পুরাতন ছাত্রদেরকে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে অবশ্যই ভর্তি হতে হবে। নতুন ছাত্রদের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৯ শে যিলহজ্জ শরীফ/১৪৪৫ হিজরী তারিখ সকাল ৯:০০ ঘটিকায় মাদরাসা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে । উল্লিখিত তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা অফিস থেকে ফরম সংগ্রহ করার জন্য বলা হলো।

ঠিকানা:
মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা

৫নং আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা-১২১৭
নির্দেশক্রমে- মাদরাসা কর্তৃপক্ষ

এই সম্মানিত প্রতিষ্ঠানের মৌলিক বৈশিষ্ট্যসমূহ
* আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত ভিত্তিক পরিচালিত: অত্র প্রতিষ্ঠানখানা মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামে আ’যম, হাবীবে আ,যম, গাউছূল আ’যম, আওলাদে রসূল, মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এবং উনার পবিত্রতম ফয়েয-তাওয়াজ্জুহ মুবারক তথা মুবারক নেক দৃষ্টি দ্বারা পরিচালিত। তাই এখানে শুধু কিতাবী ইলম হাছিলই নয় বরং আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত ভিত্তিক ছহীহ আক্বীদা শিক্ষা দেয়া হয়।
* আল্লাহওয়ালা ও আল্লাহওয়ালী হওয়ার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ: ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ শিক্ষাদানের মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল তথা খালিছ আল্লাহওয়ালা ও আল্লাহওয়ালী হওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
* সম্মানিত শরয়ী পর্দা পালন: এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ শরয়ী পর্দার সাথে বালক ও বালিকাদের শিক্ষার সুব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে বালক শাখার সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রত্যেকেই পুরুষ এবং বালিকা শাখার সকল শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রত্যেকেই মহিলা।
* অবাঞ্ছিত সংগঠন বা দলের সাথে সম্পৃক্ত নয়: এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ- পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে অনৈসলামিক কর্মকা- যেমন- গণতন্ত্র, মৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদ, বোমাবাজি, হরতাল, লংমার্চ, কুশপুত্তলিকা দাহ ইত্যাদি হারাম ও কুফরীমূলক কাজের সাথে এবং এ ধরনের কোন প্রকার অবাঞ্ছিত সংগঠন বা দলের সাথে সম্পৃক্ত নন।
* সম্মানিত সুন্নত উনার অলঙ্কারে অলঙ্কৃত: এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন কার্যকলাপ এবং মাথার তালু থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত সব কিছুই সুন্নতের অলঙ্কারে অলঙ্কৃত হওয়া বাধ্যতামূলক।
* পবিত্র তাহাজ্জুদ নামায ও যিকির-ফিকির বাধ্যতামূলক: উঠা-বসা, কথাবার্তা, পোশাক-পরিচ্ছদ, খাওয়া-দাওয়াসহ প্রাত্যহিক জীবনের সর্বক্ষেত্রে হাক্বীক্বীভাবে সুন্নত পালনসহ তাহাজ্জুদ নামায ও যিকির-ফিকির বাধ্যতামূলক।
* পাঁচটি ভাষা ভিত্তিক লেখা পড়া: আরবী, বাংলা, উর্দূ, ফারসী ও ইংরেজি- এ পাঁচটি ভাষা শেখা, লেখা এবং বিশুদ্ধ উচ্চারণে বলার উপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ। বিশেষ করে আরবী, উর্দূ ভাষায় দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের তত্ত্বাবধান।
* বোর্ড পরীক্ষা : নিজস্ব সিলেবাসের অধীনে বোর্ড পরীক্ষার ব্যবস্থা। বর্তমানে শিশু শ্রেণী হতে উচ্চতর শ্রেণী মুকাম্মিল/কামিল হাদিছ, তাফসীর, ফিক্বাহ ও আদিব পর্যন্ত ক্লাস চলছে।
* রুটিন মাফিক তত্ত্বাবধান: সুযোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের রুটিন মাফিক সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান ও শিক্ষা প্রদান।
* বালিকা মাদরাসা: সম্পূর্ণ যোগ্যতমা মহিলা শিক্ষিকাগণের দ্বারা পরিচালিত। ছাত্রীদের সম্মানিত শরীয়ত সম্মত (খাছ) পর্দা রক্ষা করা হয়।
* স্বাস্থ্যসম্মত খাবার-দাবার: আবাসিক শিক্ষার্থীদের (বালক-বালিকা) রুটিন মাফিক উন্নত মানের স্বাস্থ্যসম্মত খাবার-দাবারের ব্যবস্থা।
* মেডিকেল চেকআপ: বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে মেডিকেল চেকআপ করা হয়।
* শিক্ষা সফর ও ভ্রমণ: শরীয়ত ও সুন্নতী কায়দায় শিক্ষা সফর ও ভ্রমণের ব্যবস্থা রয়েছে।
* হিফয খানা: হিফযখানাসহ বালক ও বালিকা মাদরাসার সকল বিভাগের মেধাবী ও গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা বিবেচনা করা হয় ।। সুদক্ষ হাফিয ছাহেবগণের তত্ত্বাবধানে হিফযখানা পরিচালিত। নিজস্ব ভবনে শিক্ষা-দীক্ষা।
* রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অধিকতর নিরাপত্তায় ও মনোরম পরিবেশে এ মুবারক প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। সীমিত আসনে প্রতিটি ক্লাসে পাঠদান।
* আদব-কায়দা ও নিয়ম-শৃঙ্খলা শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্বারোপ।
* ক্বিরায়াত শরীফ, হামদ শরীফ, না’ত শরীফ, কাছীদা শরীফ, জরুরী মাসয়ালা-মাসায়িল ও সম্মানিত ইসলামী সাহিত্য অনুশীলনের সুব্যবস্থা।

16/03/2024

আসসালামু আলাইকুম, মুহতারাম!
আপনার যাকাত, ফিতরা , উশর ,
কাফফারা , মান্নত ও দান ছদকা
মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ ইয়াতীমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডি এ প্রদান করুন ।
এই সম্মানিত প্রতিষ্ঠানের মৌলিক বৈশিষ্ট্যসমূহ
* আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত ভিত্তিক পরিচালিত:
এখানে শুধু কিতাবী ইলম হাছিলই নয় বরং আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত ভিত্তিক ছহীহ আক্বীদা শিক্ষা দেয়া হয়।
* আল্লাহওয়ালা ও আল্লাহওয়ালী হওয়ার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ: ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফ শিক্ষাদানের মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল অর্থাৎ খালিছ আল্লাহওয়ালা ও আল্লাহওয়ালী হওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
* সম্মানিত শরয়ী পর্দা পালন: এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ শরয়ী পর্দার সাথে বালক ও বালিকাদের শিক্ষার সুব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে বালক শাখার সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রত্যেকেই পুরুষ এবং বালিকা শাখার সকল শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রত্যেকেই মহিলা।
* অবাঞ্ছিত সংগঠন বা দলের সাথে সম্পৃক্ত নয়: এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ- পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে অনৈসলামিক কর্মকান্ড যেমন- গণতন্ত্র, মৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদ, বোমাবাজি, হরতাল, লংমার্চ, কুশপুত্তলিকা দাহ ইত্যাদি হারাম ও কুফরীমূলক কাজের সাথে এবং এ ধরনের কোন প্রকার অবাঞ্ছিত সংগঠন বা দলের সাথে সম্পৃক্ত নন।
* সম্মানিত সুন্নত উনার অলঙ্কারে অলঙ্কৃত: এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন কার্যকলাপ এবং মাথার তালু থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত সব কিছুই সুন্নতের অলঙ্কারে অলঙ্কৃত হওয়া বাধ্যতামূলক।
* পবিত্র তাহাজ্জুদ নামায ও যিকির-ফিকির বাধ্যতামূলক: উঠা-বসা, কথাবার্তা, পোশাক-পরিচ্ছদ, খাওয়া-দাওয়াসহ প্রাত্যহিক জীবনের সর্বক্ষেত্রে হাক্বীক্বীভাবে সুন্নত পালনসহ তাহাজ্জুদ নামায ও যিকির-ফিকির বাধ্যতামূলক।
* পাঁচটি ভাষা ভিত্তিক লেখা পড়া: আরবী, বাংলা, উর্দূ, ফারসী ও ইংরেজি- এ পাঁচটি ভাষা শেখা, লেখা এবং বিশুদ্ধ উচ্চারণে বলার উপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ। বিশেষ করে আরবী, উর্দূ ভাষায় দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের তত্ত্বাবধান।
* বোর্ড পরীক্ষা : নিজস্ব সিলেবাসের অধীনে বোর্ড পরীক্ষার ব্যবস্থা। বর্তমানে শিশু শ্রেণী হতে উচ্চতর শ্রেণী মুকাম্মিল/কামিল হাদিছ, তাফসীর, ফিক্বাহ ও আদিব পর্যন্ত ক্লাস চলছে।
* রুটিন মাফিক তত্ত্বাবধান: সুযোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের রুটিন মাফিক সার্বক্ষণিক তত্ত¦বধান ও শিক্ষা প্রদান।
* বালিকা মাদরাসা: সম্পূর্ণ যোগ্যতমা মহিলা শিক্ষিকাগণের দ্বারা পরিচালিত। ছাত্রীদের সম্মানিত শরীয়ত সম্মত (খাছ) পর্দা রক্ষা করা হয়।
* স্বাস্থ্যসম্মত খাবার-দাবার: আবাসিক শিক্ষার্থীদের (বালক-বালিকা) রুটিন মাফিক উন্নত মানের স্বাস্থ্যসম্মত খাবার-দাবারের ব্যবস্থা।
* মেডিকেল চেকআপ: বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে মেডিকেল চেকআপ করা হয়।
* শিক্ষা সফর ও ভ্রমণ: শরীয়ত ও সুন্নতী কায়দায় শিক্ষা সফর ও ভ্রমণের ব্যবস্থা রয়েছে।
* হিফয খানা: হিফযখানাসহ বালক ও বালিকা মাদরাসার সকল বিভাগের মেধাবী ও গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা বিবেচনা করা হয় । সুদক্ষ হাফিয ছাহেবগণের তত্ত্বাবধানে হিফযখানা পরিচালিত। নিজস্ব ভবনে শিক্ষা-দীক্ষা।
* রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অধিকতর নিরাপত্তায় ও মনোরম পরিবেশে এ মুবারক প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। সীমিত আসনে প্রতিটি ক্লাসে পাঠদান।
* আদব-কায়দা ও নিয়ম-শৃঙ্খলা শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্বারোপ।
* ক্বিরায়াত শরীফ, হামদ শরীফ, না’ত শরীফ, কাছীদা শরীফ, জরুরী মাসয়ালা-মাসায়িল ও সম্মানিত ইসলামী সাহিত্য অনুশীলনের সুব্যবস্থা।
তাই কুল কায়িনাতের সকল মুমিন মুসলমানদের উচিত অত্র সম্মানিত দ্বীনি প্রতিষ্ঠান মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসায় ভর্তি হয়ে হাক্বীক্বী ইলমে যাহির ও ইলমে বাতিন অর্জন করা ।
সাথে সাথে সকলের যাকাত, ফিতরা , উশর ,কাফফারা , মান্নত ও দান ছদকা এখানে প্রদান করা ।
উল্লেখ্য যে, আপনি ইচ্ছা করলে সরাসরি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে অথবা অত্র প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক একাউন্টে আপনার যাকাত, ফিতরা ও উশর জমা দিতে পারবেন।
বিকাশ (এজেন্ট): ০১৭০৯৬৭২৬০৫, বিকাশ (পার্সোনাল) ০১৭১৮৭৪০৭৪২, ডাচবাংলা মোবাইল ব্যাংকিং: ০১৭১৮৭৪০৭৪২২
ঠিকানা: মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা (পৃথক বালক-বালিকা শাখা) ৫, আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা-১২১৭
মোবাইল নম্বর: ০১৭৩২৭০৬৩৫৫

12/03/2024

সুওয়াল: রোযা অবস্থায় বমি করলে রোযা ভঙ্গ হবে কি?

জাওয়াব: পবিত্র রোযা রাখা অবস্থায় বমি করার ব্যাপারে কয়েকটি ছূরত কিতাবে বর্ণিত হয়েছে। বমি করাটা সাধারণতঃ দু’প্রকারের হয়ে থাকে- (১) ইচ্ছাকৃত, (২) অনিচ্ছাকৃত।

কেউ যদি ইচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি করে, তাহলে তার পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে। আর ইচ্ছাকৃত অল্প বমি করলে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে না। অনিচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি হোক অথবা অল্প বমি হোক, তাতে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে না। কেউ যদি ইচ্ছাকৃত মুখ ভরে অথবা অল্প বমি গিলে ফেলে, তাতে তার পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে। আর যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে অল্প বমি ভিতরে চলে চায়, তাতে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে না। কিন্তু মুখ ভরা বমি অনিচ্ছাকৃতভাবেও ভিতরে চলে গেলে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে।

উপরোল্লিখিত কোনো কারণে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হলে সেটার ক্বাযা আদায় করতে হবে। কিন্তু কাফাফারা আদায় করতে হবে না। (ফতওয়ায়ে আলমগীরী)

সুওয়াল: পবিত্র রোযা অবস্থায় তরকারী পাক করার সময় লবণ হয়েছে কিনা, তা দেখার জন্য জিহ্বার অগ্রভাগ দিয়ে স্বাদ পরীক্ষা করা জায়িয হবে কিনা?

জাওয়াব: সাধারণভাবে এরূপ করা জায়িয নেই। হ্যাঁ, যদি কেউ সতর্কতার সাথে এরূপ করে, তবে তা মাকরূহের সহিত জায়িয রয়েছে, না করাই উচিত। তবে কারো স্বামী যদি এমন যালিম হয় যে, তরকারীতে লবণ কম বা বেশি হলে মারধর, যুলুম ইত্যাদি করে, তাহলে যালিমের যুলুম হতে বাঁচার জন্য জিহ¡ার অগ্রভাগ দিয়ে তরকারীর স্বাদ পরীক্ষা করা জায়েয রয়েছে। এক্ষেত্রে মাকরূহ্ হবে না।

লক্ষ্যণীয় যে, তরকারীযুক্ত থুথু কোনো ক্রমেই যেন ভিতরে প্রবেশ না করতে পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। (সমূহ ফিক্বাহ্র কিতাব)

সুওয়াল: পবিত্র রোযা রেখে অনেকে বারবার থুথু ফেলে থাকে। এই থুথু না ফেলে গিলে ফেললে পবিত্র রোযার কোনো ক্ষতি হবে কি?

জাওয়াব: পবিত্র রোযা রেখে মুখের থুথু বারবার না ফেলে গিলে ফেললে পবিত্র রোযার কোনো ক্ষতি হবে না। (আলমগীরী)

সুওয়াল: রোযা অবস্থায় সন্তানকে দুধ পান করালে মায়ের রোযা ভঙ্গ হবে কি?

জাওয়াব: না, পবিত্র রোযা অবস্থায় সন্তানকে দুধ খাওয়ালে মায়ের পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে না, এমনকি ওযুও ভঙ্গ হবে না। (আলমগীরী)

সুওয়াল: রোযা রাখা অবস্থায় চোখে ওষুধ বা সুরমা দিলে রোযা ভঙ্গ হবে কি?

জাওয়াব: না, রোযা রাখা অবস্থায় চোখে ওষুধ বা সুরমা দিলে রোযা ভঙ্গ হবে না। এমনকি যদি ওষূধের স্বাদ গলায় অনুভব হয় বা সুরমার রং যদি থুথুর সাথে দেখা দেয়, তাতেও পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে না। (আলমগীরী, মাবছূত, আইনুল হেদায়া)

সুওয়াল: কোনো ব্যক্তি যদি পবিত্র রোযা রেখে স্বপ্নে অথবা জাগ্রত অবস্থায় ভুলে কিছু পান করে অথবা খেয়ে ফেলে, তবে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে কি?

জাওয়াব: না, পবিত্র রোযা রাখা অবস্থায় স্বপ্নে কিছু পান করলে বা খেলে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে না। আর জাগ্রত অবস্থায় ভুলে পেট ভরে পানাহার করলেও পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে না। তবে অবশ্যই পবিত্র রোযা উনার কথা স্মরণ হওয়ার সাথে সাথেই পানাহার থেকে বিরত থাকতে হবে। পবিত্র রোযা উনার কথা স্মরণ হওয়ার পরও যদি সামান্য খাদ্য বা পানীয় গিলে ফেলে, তবে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে। এতে শুধু উক্ত পবিত্র রোযা উনার কাযা আদায় করতে হবে, কাফফারা দিতে হবে না। (দুররুল মুখতার, শামী)

সিরাতুল মস্তাক্বীম কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য যা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় নেই ৷
10/03/2024

সিরাতুল মস্তাক্বীম কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য যা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় নেই ৷

পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ফজীলতও মাসয়ালা।****************************************** #সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালী...
03/03/2024

পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ফজীলত
ও মাসয়ালা।
******************************************
#সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- তোমরা চাঁদ দেখে রোযা রাখবে চাঁদ দেখে ঈদ
করবে। -বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ।
# তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রমাদ্বান মাস পাবে, সে যেন রোযা রাখে। -পবিত্র সুরা বাক্কারা শরীফ। ১৮৫ আয়াত শরীফ।
# সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-যে ব্যক্তি রমাদ্বান মাসে রাতে জেগে নামায আদায়
করবে মহান আল্লাহ পাক তার পিছনের গুনাহ মাফ করে দিবেন। -
বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ।
# সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-মানুষ কল্যাণের মধ্যে থাকবে যতদিন বিলম্ব না করে ইফতার করবে এবং শেষ সময়ে সাহরী খাবে। -
বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ।
# সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- তিন ব্যক্তির দু’আ ফিরিয়ে দেওয়া হয়না।এর মধ্য একজন হচ্ছেন….রোযাদার
ব্যক্তি-ইফতারের আগ পর্যন্ত।-তিরমিয শরীফ, আহমদ ইবনে
খুযাইমা ও ইবনে হিব্বান শরীফ।
# সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-যে ব্যক্তি (রোযা রেখে) মিথ্যা কথা ও গুনাহের কাজ পরিত্যাগ করলো না, তার উপবাস থাকা মহান আল্লাহ পাক উনার কোন
প্রয়োজনীয়তা নেই। -আহমদ শরীফ, আবু দাউদ শরীফ, তিরমিযি শরীফ।
# সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
কেউ তাকে (রোযাদারকে) গালি দিলে বা ঝগড়া
করলে সে যেন বলে আমি রোযাদার।-বুখারী শরীফ ও
মুসলিম শরীফ।
# সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- যে ব্যক্তি কোন রোযাদারকে ইফতার করাবে,
তাকে রোযাদারের সম পরিমাণ ছওয়াব দেওয়া হবে।
তবে রোযাদারের ছওয়াবে কোন কর্তন করা হবে না।-
তিরমিযি শরীফ।
৯/ সকলের মধ্যে নূরে মুজাসসাম,
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম তিনি ছিলেন সবচেয়ে
দানশীল আর তিনি রমদ্বান শরীফে অধিক দান করতেন-বুখারী শরীফ ও
মুসলিম শরীফ।
১০/ আমি নূরে মুজাসসাম,
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম উনাকে
রোযা রেখে মিসওয়াক করতে দেখেছি। তার সংখ্যা
গুনে আমি শেষ করতে পারবো না। -বুখারী শরীফ।

🥀🥀🥀 সুওয়াল: পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস আসলেই কেউ কেউ পেপার-পত্রিকায় ও প্রচার মাধ্যমে প্রচার করে থাকে যে, “পবিত্র রোযা অবস্...
03/03/2024

🥀🥀🥀 সুওয়াল: পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস আসলেই কেউ কেউ পেপার-পত্রিকায় ও প্রচার মাধ্যমে প্রচার করে থাকে যে, “পবিত্র রোযা অবস্থায় ইনজেকশন এমনকি স্যালাইন ইনজেকশন নিলেও পবিত্র রোযা ভঙ্গ হয়না।” তাদের উক্ত বক্তব্যের স্বপক্ষে নির্ভরযোগ্য কোন দলীল আছে কি?🥀🥀🥀
☘️☘️☘️জাওয়াব: যারা বলে থাকে যে, “পবিত্র রোযা অবস্থায় ইনজেকশন বা স্যালাইন ইনজেকশন নিলেও পবিত্র রোযা ভঙ্গ হয়না” তাদের এ বক্তব্য সম্পূর্ণই ভুল, জিহালতপূর্ণ এবং কুফরীর অন্তরভুক্ত। কেননা, তারা তাদের উক্ত বক্তব্যের স্বপক্ষে নির্ভরযোগ্য একটি দলীলও পেশ করতে পারবেনা। পক্ষান্তরে পবিত্র রোযা অবস্থায় যে কোন ইনজেকশন নিলে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে এ ফতওয়াটিই ছহীহ ও গ্রহণযোগ্য। কারণ এর স্বপক্ষে ফিক্বাহ ও ফতওয়ার নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহের অসংখ্য দলীল বিদ্যমান রয়েছে।
🥀🥀🥀যেমন, “হিদায়া মা’য়াদ দিরায়া” কিতাবের ১ম খণ্ডের ২২০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
ومن احتقن ... افطر لقوله صلى الله عليه وسلم الفطر مما دخل
অর্থ: “এবং যদি কোন ব্যক্তি ইনজেকশন নেয় ... তাহলে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে। কারণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “কিছু ভিতরে প্রবেশ করলে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে।”
📌📌📌“বাহরুর রায়িক” কিতাবের ২য় খণ্ডের ২৭৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
واذا احتقن ... افطر لقوله عليه السلام الفطر مما دخل وليس مما خرج
অর্থ: “যদি কোন ব্যক্তি ইনজেকশন নেয় ... তাহলে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে। কারণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কিছু ভিতরে প্রবেশ করলে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে এবং বের হলে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবেনা।”
🌷🌷🌷“ফতওয়ায়ে আলমগীরী” কিতাবের ১ম খণ্ডের ২০৪ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
ومن احتقن .. افطر
অর্থ: “এবং যদি কোন ব্যক্তি ইনজেকশন নেয় ... তাহলে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে।” অনুরূপ “ফতওয়ায়ে শামীতে”ও উল্লেখ আছে।”
অতএব, উপরোক্ত দলীলভিত্তিক বর্ণনা থেকে প্রমাণিত হলো যে, ইনজেকশন নিলে অবশ্যই পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে।
🌷🌷🌷 {দলীলসমূহঃ (১) বুখারী শরীফ, (২) মুসলিম শরীফ, (৩) মিশকাত শরীফ, (৪) ফতহুল বারী শরীফ, (৫) উমদাতুল ক্বারী শরীফ, (৬) ইরশাদুছ্ সারী শরীফ, (৭) শরহে নববী শরীফ, (৮) ফতহুল মুলহিম, (৯) মুফহিম, (১০) মিরকাত শরীফ, (১১) আশয়াতুল লুময়াত, (১২) লুময়াত, (১৩) শরহুত্ ত্বীবী, (১৪) তালিক্বুছ্ ছবীহ্, (১৫) মুযাহিরে হক্ব, (১৬) মাবছুত, (১৭) মাবছুত্ লি সারাখসী, (১৮) ফতহুল ক্বাদীর, (১৯) আলমগীরী, (২০) বাহরুর রায়িক্ব, (২১) ফতওয়ায়ে হিন্দিয়া, (২২) হিদায়া মায়াদ দিরায়া, (২৩) শামী, (২৪) বাদায়িউছ্ ছানায়ে, (২৫) খুলাছুতল ফতওয়া ইত্যাদি।🥀🥀🥀🥀

03/03/2024

মুসলিম বন্ধুর উত্তম আচরণে মুগ্ধ হয়ে দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন মার্কিন তরুণী মারিয়া
আমেরিকার কলোরাডোর মেয়ে মারিয়া। আমেরিকার অন্যান্য মেয়েদের মতই সেও পশ্চিমা অপসংস্কৃতিতে মেতে থাকতো। হঠাৎ ভাগ্যচক্রে এক পাকিস্তানি মুসলিম যুবকের সাথে পরিচয় ঘটে তার। তার স্কুলজীবনের ঠিক শেষের দিকটায়। পরিচয়ের পর সখ্য, তারপর একসময় তাদের মধ্যে বাগদান সম্পন্ন হয়। কিন্তু একদিন মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় সেই পাকিস্তানি যুবকটি। যুবকটির উত্তম চরিত্র ও ব্যবহার তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। পরে পবিত্র কালেমা শরীফ পাঠ করে মুসলিম হন মারিয়া।

মারিয়া তার জীবনের এই পটপরিবর্তন নিয়ে অনইসলাম ডটকমকে একটি সাক্ষাৎকার দেন। সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, আমি মারিয়া। ২০১৪ সালে আমি দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেছি। আমার জন্ম কলোরাডোর বোল্ডার শহরে। এখানেই আমি আমার স্কুল জীবন কাটিয়েছি। আমার বাবা-মা দু’জনেই দক্ষিণ আফ্রিকান। তারা এখানে অভিবাসী। তাদের দু’জনেরই ধর্মে বিশ্বাস নেই। তারা উভয়েই নাস্তিক। সঙ্গত কারণেই মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি তাদের কোন বিশ্বাস নেই। আমার একমাত্র ভাই যে কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গীত বিষয়ে অধ্যয়নরত একজন ক্যাথলিক ছিল। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের আগে বাবা-মার মত আমারও মহান আল্লাহ পাক উনার উপর বিশ্বাস ছিল না। আমারও কোনো ধর্ম ছিল না এবং ধর্মের প্রতি কোনো বিশ্বাসও ছিল না। আমার বাবা-মা আমাকে যা শিক্ষা দিয়েছে তাই শিখে বড় হয়েছি। ধর্ম বলে যে কোনো কিছু আছে তা মোটেই বিশ্বাস করতাম না।

মনে পড়ে, আমাদের পরিবারে যদি ধর্ম নিয়ে কোনো আলোচনা হতো, তবে প্রায় এর নেতিবাচক দিকগুলো নিয়েই আলোচনা হতো। ধর্ম যে প্রকৃতই ভাল কিছু, আগে তা বুঝতে পারিনি। আমি ভাবতাম, এটি সেই জিনিস যা অনেক সমস্যার কারণ। এটিকে পৃথিবীর সকল যুদ্ধ এবং যুদ্ধের উপাদান বলে মনে করতাম। এক কথায় এটিকে পুরোপুরি নেতিবাচক হিসেবে দেখতাম। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সাথে পরিচয়ের দু’ থেকে তিন বছর আগে প্রথম সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সর্ম্পকে জানতে পারি। পাকিস্তানি এক তরুণের সাথে আমার পরিচয় হয়। তার সাথে এবং আরো অন্যান্য লোকের সাথে কথা বলার পর আমি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে উঠি।

এ সম্পর্কে নানাবিধ তথ্য সংগ্রহ করতে থাকি। আমি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একটি ইংরেজি কপি কিনে এটি পড়তে শুরু করি। যখন আমি আমার বাগদত্তা পাকিস্তানি যুবকের সাথে কথা বলতাম, ততই আমি উপলব্ধি করতে পারি যে, তার মধ্যে থাকা গুণাবলী কেবলমাত্র সম্মানিত দ্বীন ইসলাম কিংবা একজন মুসলিম হওয়ার কারণেই। কারণ তিনি ছিলেন একজন খাঁটি মুসলিম। এরপর তার সাথে আমার বাগদান হয়।

একদিন তিনি গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান। এটি ছিল মৃত্যুর সঙ্গে আমার প্রথম বাস্তব অভিজ্ঞতা। তার এই মৃত্যুর ঘটনাই আমাকে অনুপ্রাণিত করে আরো বেশি করে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে জানার জন্য। কারণ আমি তার সর্ম্পকে যতটুকু জানতাম, তার মাঝে এর চেয়েও বেশি কিছু ছিল। আমি পবিত্র কুরআন শরীফ এবং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সর্ম্পকিত একাধিক বই পড়েছি। এ সম্পর্কে অনেক লোকের সাথে কথা বলেছি। যত দূর মনে পড়ে, তিনি মারা যাওয়ার ২ মাস পর একদিন আমি পবিত্র কুরআন শরীফ পড়ছিলাম এবং পড়ার পর আমার কাছে সবকিছু পরিষ্কার হতে থাকে। আমি বুঝতে পারি যে, সবকিছুই সৃষ্টি হয়েছে বুদ্ধিবৃত্তিক। পবিত্র কুরআন শরীফ পাঠ করার পর মুহূর্তেই আমার সামনে অনেক কিছু উন্মোচিত হয়ে পড়ে।

আমি বুঝতে পারি যা আমি দেখেছি, তার সর্ম্পকে যা কিছু জেনেছি এবং যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে তার সবকিছু সম্পর্কে। এরপর আমি একটি সিদ্ধান্তে আসি, এই মহাপবিত্র আসমানী কিতাব উনার থেকে যা জানলাম তার সবটাই সঠিক। আমার মনে আছে, প্রথমবার আমার পবিত্র কালিমা শরীফ পাঠ করার সময় আমি একাকিই পবিত্র কুরআন শরীফ পাঠ করেছিলাম। কেননা ঐ সময়ে আমি অনুভব করতে পারি যে, সবকিছুই তৈরি হয়েছে বুদ্ধিবৃত্তিক। পরে বিষয়টি নিয়ে আমি আমার কয়েকজন মুসলিম বন্ধুর সাথে কথা বলি। তারা আমাকে ডেনভারের এক শায়েখের কাছে যেতে উৎসাহিত করে। এরপর আমি সেখানে যাই এবং উনার সাথে কথা বলি। আমি উনার সাথে কথা বলার পর পবিত্র কালিমা শরীফ পাঠ করতে চাইলাম। কিন্তু তিনি একটি বিষয় নিশ্চিত হতে চাইলেন যে, আমি এটি কারো জন্য করছি কি-না। আমি উনাকে নিশ্চিত করলাম, ‘হ্যাঁ, এটি আমার জন্যই।’ এরপর আমার দু’জন বন্ধুকে সাক্ষী রেখে, আমি উনার সাথে পবিত্র কালিমা শরীফ পাঠ করলাম।

আমার পিতা-মাতা এক রমাদ্বান শরীফে তারা বুঝতে পারে যে, আমি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সর্ম্পকে কতটা সিরিয়াস এবং আমি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার প্রতিটি রোযাই পালন করেছি। এটি ছিল আমার প্রথম রোযা পালন এবং যে কারণে এটি আমার জন্যে একটু কঠিন ছিল। তবে কষ্ট হলেও আমি সবগুলোই পালন করেছি।

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের পূর্বে আমি বিভিন্ন পার্টিতে যেতাম এবং পার্টিতে সাধারণত যা হয় তাই করতাম। মুসলিম হওয়ার পূর্বে যে খারাপ কাজগুলো আমি করেছি তা অনুভব করতে পারি। একসময় আমার মা-বাবা ও বন্ধুরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের পর আমার পরিচিত অনেককেই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার পথে আনতে সক্ষম হয়েছি। আমার বন্ধুদের অধিকাংশই এখন মুসলিম।

আমার বাবা-মা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের পর আমার আচরণে খুবই খুশি। আমাকে নিয়ে এখন আর তাদের খুব বেশি চিন্তা করতে হয় না, কারণ তারা জানে আমি খারাপ কিছু করছি না। প্রথম যখন আমি হিজাব পরিধান করি, স্পষ্টভাবেই এটি আমার জন্য খুবই কঠিন ছিল। বিশেষ করে ক্লাসে। ক্লাসের সবাই আমার দিকে আড় চোখে তাকিয়ে থাকত। এখানে হিজাব পরা আরো অন্যান্য মেয়েরাও ছিল। তবে তাদের মধ্যে আমিই ছিলাম সেখানে হিজাব পরা একমাত্র আমেরিকান মেয়ে। এটি পরিধান করে এখন আমি প্রতি মুহূর্তেই গর্ববোধ করি। আমি হিজাব পরে স্বস্তিবোধ করি। আমি মনে করি এটি এখন আমার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। হিজাব পরিধান করলে নিজেকে অনেক বেশি নিরাপদ মনে হয়। হিজাব পরে যখন আমি মা-বাবার সাথে বাইরে বের হই, আমার মনে হয় না তারা এ নিয়ে বিব্রত হয়। আমার বিশ্বাস তারা বরং এটি নিয়ে গর্বিত। প্রকৃতপক্ষে হিজাব পরিধান উত্তম রুচির পরিচয় বহন করে এবং এটি নিজের ব্যক্তিত্বকেও ফুটিয়ে তোলে।

এখন নিয়মিত পাবেন মাদারীপুরে। মুহম্মদ নাজমুল হুদা ফরাজী01732706355
11/01/2024

এখন নিয়মিত পাবেন মাদারীপুরে।
মুহম্মদ নাজমুল হুদা ফরাজী

01732706355

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MUHAMMADIA JAMIA SHAREEF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share