Goura Kripa tv

Goura Kripa tv Please Chant- "Hare Krishna Hare Krishna, Krishna Krishna Hare Hare, Hare Rama Hare Rama, Rama Rama

আমরা সবাই জানি কলিযুগের চরম লগ্নে অধর্মের বিনাশ করতে ভগবান বিষ্ণুর দশম অবতার "শ্রীকল্কি" ধরাধামে অবতীর্ণ হবেন। শাস্ত্রে ...
21/05/2026

আমরা সবাই জানি কলিযুগের চরম লগ্নে অধর্মের বিনাশ করতে ভগবান বিষ্ণুর দশম অবতার "শ্রীকল্কি" ধরাধামে অবতীর্ণ হবেন। শাস্ত্রে স্পষ্ট লেখা আছে, তিনি 'শম্ভল' (Shambhala) নামক এক রহস্যময় গ্রামে জন্ম নেবেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, আধুনিক পৃথিবীর মানচিত্রে এই শম্ভল গ্রামটি আসলে কোথায় অবস্থিত? বিজ্ঞান, স্যাটেলাইট ইমেজ এবং প্রত্নতত্ত্ব কি সত্যিই এই গ্রামের সন্ধান পেয়েছে? নাকি এটি হিমালয়ের বরফে ঢাকা কোনো এক অদৃশ্য মহাজাগতিক ডাইমেনশন (Higher Dimension)? আসুন আজ শ্রীকল্কিদেবের জন্ম ও এই রহস্যময় গ্রামের অকাট্য শাস্ত্রীয় ও ভৌগোলিক প্রমাণ জেনে নিই, যা আপনার চোখ খুলে দেবে!

১. শাস্ত্র কী বলে? কল্কি অবতারের নিখুঁত জন্ম কোষ্ঠী ও বংশপরিচয়: 📜✨
আজ থেকে হাজার হাজার বছর আগে মহর্ষি বেদব্যাস অত্যন্ত স্পষ্টভাবে কল্কিদেবের পিতা, মাতা এবং জন্মের স্থানের নাম লিখে গিয়েছেন। এটি কোনো কাল্পনিক রূপকথা নয়, বরং আমাদের মহাপুরাণগুলোর অমোঘ ভবিষ্যৎবাণী।

পিতা ও মাতার নাম: কল্কিদেব কোনো রাজপরিবারে নয়, বরং শম্ভল গ্রামের এক পরম ধার্মিক ও বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণের ঘরে জন্ম নেবেন। তাঁর পিতার নাম হবে 'বিষ্ণুযশা' (যার অর্থ—যিনি বিষ্ণুর কীর্তি বিস্তার করেন) এবং মাতার নাম হবে 'সুমতি' (যার অর্থ—শুদ্ধ বুদ্ধিসম্পন্ন)।

অবতারের সময়কাল: শাস্ত্রমতে, কলিযুগের অন্তিমলগ্নে, চন্দ্রবংশের শুক্লপক্ষের দ্বাদশী তিথিতে ভগবান শ্রীকল্কি ধরাধামে প্রাদুর্ভূত হবেন।

২. শম্ভল গ্রামের ভৌগোলিক সত্য: মানচিত্রে এটা আসলে কোথায়? 🗺️🔍
কল্কি পুরাণে বর্ণিত 'শম্ভল' গ্রাম নিয়ে আধুনিক গবেষক এবং আধ্যাত্মিক সাধকদের মধ্যে দুটি অত্যন্ত শক্তিশালী তত্ত্ব রয়েছে:

তত্ত্ব ক: উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদের 'শম্ভল' (বাস্তব ভৌগোলিক অবস্থান)
সনাতন ধর্মের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক গবেষণা অনুযায়ী, ভারতের উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) রাজ্যের মোরাদাবাদ জেলার কাছে 'শম্ভল' (Sambhal) নামক একটি প্রাচীন স্থান রয়েছে।

বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই শম্ভল অঞ্চলেই প্রাচীনকাল থেকে একটি খণ্ডিত ও প্রাচীন মন্দির রয়েছে, যাকে স্থানীয় মানুষ এবং পুরাতত্ত্ববিদরা 'কল্কি বিষ্ণু মন্দির' বলে থাকেন।

স্কন্দপুরাণ এবং বরাহ পুরাণেও এই অঞ্চলের পবিত্রতার কথা উল্লেখ আছে। বহু গবেষকের মতে, কুরুক্ষেত্র বা অযোধ্যার মতোই কল্কিদেবের জন্মস্থানও এই ভূখণ্ডেই নির্ধারিত রয়েছে।

তত্ত্ব খ: হিমালয়ের অদৃশ্য মহাজাগতিক রাজ্য 'শম্ভালা' (Higher Dimension)
হিমালয়ের তিব্বতীয় সন্ন্যাসী, বৌদ্ধ ঐতিহ্য এবং উচ্চপর্যায়ের যোগীদের মতে, 'শম্ভল' বা 'শম্ভালা' কোনো সাধারণ মাটির গ্রাম নয়। এটি হলো হিমালয়ের গভীরে অবস্থিত একটি 'অদৃশ্য আধ্যাত্মিক রাজ্য' (Mystical Kingdom)।

যোগীদের দাবি: এই রাজ্যটি চতুর্থ বা পঞ্চম ডাইমেনশনে (Higher Dimension) অবস্থিত। সাধারণ মানুষ বা আধুনিক স্যাটেলাইট ও রাডার দিয়ে এর ভৌগোলিক অবস্থান ধরা অসম্ভব।

কলিযুগের প্রভাবে যখন চারদিকের পরিবেশ অপবিত্র হয়ে যাবে, তখন এই গুপ্ত ও পবিত্র ডাইমেনশন থেকেই পরমেশ্বর ভগবানের তেজ পৃথিবীতে আত্মপ্রকাশ করবে।

৩. কেন শম্ভল গ্রামকেই বেছে নেওয়া হলো? 🌾🛡️
কলিযুগের শেষে যখন পৃথিবীর বড় বড় শহর, রাজধানী এবং রাজপ্রাসাদগুলো দুর্নীতি, পাপ ও অধর্মে ছেয়ে যাবে, তখন ভগবান কোনো বিলাসবহুল নগরীতে আসবেন না। 'শম্ভল' শব্দের অর্থ হলো "শান্তি ও সুস্থার আধার" (The Place of Peace and Happiness)। যেখানে কলিযুগের পাপের ছোঁয়া পৌঁছাতে পারবে না, সেই পরম পবিত্র, শান্ত এবং গুপ্ত স্থানেই অবতারের বীজ রোপিত হবে।

📚 অকাট্য শাস্ত্রীয় রেফারেন্স (Exact Scriptural References):
১. শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ (১২শ স্কন্ধ, ২য় অধ্যায়, শ্লোক ১৮):

"শম্ভলগ্রামপ্রধানস্য ব্রাহ্মণস্য মহাত্মনঃ। ভবনে বিষ্ণুযশসঃ কল্কিঃ প্রাদুর্ভবিষ্যতি।।"
অর্থ: শম্ভল গ্রামের প্রধান, মহাত্মা ও পরম বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ বিষ্ণুযশার গৃহে (তাঁর পত্নী সুমতির গর্ভে) ভগবান কল্কিদেব অবতীর্ণ হবেন।

২. বিষ্ণু পুরাণ (৪র্থ অংশ, ২৪তম অধ্যায়, শ্লোক ২৬):

যেখানে কলিযুগের রাজাদের অত্যাচার এবং অধর্মের বর্ণনা শেষ করে পরাশর মুনি স্পষ্ট বলেছেন যে, শম্ভল গ্রামে বিষ্ণুযশার ঘরে কল্কি অবতার রূপে ভগবান এসে ম্লেচ্ছ ও অধার্মিকদের বিনাশ করে আবার নতুন 'সত্যযুগ' (Golden Age) প্রতিষ্ঠা করবেন।

৩. কল্কি পুরাণ (১ম অধ্যায়, শ্লোক ১১-১৪):

এখানে কল্কিদেবের জন্মের তিথি (শুক্লপক্ষ দ্বাদশী) এবং শম্ভল গ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশের এক অলৌকিক ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

কলিযুগের অন্যায় ও অপকর্মের ভিড়ে কল্কি অবতারের এই মহাজাগতিক আগমন আমাদের মনে আশা জাগায় যে—অধর্ম যতই শক্তিশালী হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত জয় কিন্তু ধর্মেরই হবে।

পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে কেন শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে মহাবলী হনুমানকে? 🌊⛓️মেঘনাদের ব্রহ্মপাশ যিনি এক নিমেষে ভেঙে ফেলেছিলে...
20/05/2026

পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে কেন শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে মহাবলী হনুমানকে? 🌊⛓️

মেঘনাদের ব্রহ্মপাশ যিনি এক নিমেষে ভেঙে ফেলেছিলেন, রাবণের পুরো লঙ্কা পুড়িয়ে যিনি ছারখার করেছিলেন—সেই অপরাজেয় রামভক্ত হনুমানজিকে স্বয়ং জগন্নাথ ধামে লোহার শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে! কিন্তু কেন? কোন অপরাধে বা কোন রহস্যের কারণে মহাপ্রভু জগন্নাথের আদেশে তাঁরই পরম ভক্ত আজীবন বন্দি হয়ে আছেন? আসুন আজ জেনে নিই পুরী ধামের সবচেয়ে গা ছমছমে অলৌকিক ইতিহাস!

🌊 যখন সমুদ্র গ্রাস করতে এসেছিল পুরীর মন্দিরকে:
লোকগাথা ও স্কন্দ পুরাণ অনুসারে, যখন পুরীতে শ্রীজগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রা দেবী অধিষ্ঠিত হন, তখন সমুদ্রের বিশাল বিশাল ঢেউ প্রায়ই পুরী নগরী এবং মন্দিরের ভেতরে ঢুকে যাচ্ছিল। সমুদ্রের নোনা জলের কারণে মন্দিরের পবিত্রতা ও সুরক্ষায় বিঘ্ন ঘটছিল।

এই পরিস্থিতি দেখে মহাপ্রভু জগন্নাথ তাঁর পরম রক্ষক মহাবলী হনুমানকে আদেশ দেন পুরী ধাম এবং এই মন্দিরকে সমুদ্রের প্রকোপ থেকে রক্ষা করার জন্য। হনুমানজি তখন পুরীর সমুদ্র সৈকতে (চক্রতীর্থের কাছে) পাহারায় বসেন, যাতে সমুদ্র কখনো তাঁর সীমা লঙ্ঘন করে মন্দিরের দিকে আসতে না পারে।

🥥 লাড্ডুর লোভ এবং হনুমানজির অলৌকিক অন্তর্ধান:
হনুমানজি পরম নিষ্ঠার সাথে দিন-রাত সমুদ্র পাহারা দিচ্ছিলেন। কিন্তু সমস্যা হলো, হনুমানজি যেমন পরম বীর, তেমনই তিনি প্রভু জগন্নাথের মহাপ্রসাদের (বিশেষ করে মিষ্টি লাড্ডুর) প্রতি অত্যন্ত আকর্ষিত ছিলেন।

মাঝেমধ্যেই গভীর রাতে যখন পুরীর মন্দিরে মহাপ্রভুর ৫৬ ভোগের সুস্বাদু সুগন্ধ বাতাসে ভেসে আসতো, তখন হনুমানজি লোভ সামলাতে পারতেন না। তিনি সমুদ্র পাহারা ছেড়ে লুকিয়ে মন্দিরের ভেতরে চলে আসতেন মহাপ্রসাদ খাওয়ার জন্য। আর ঠিক সেই সুযোগে সমুদ্রের জল আবার সীমানা পেরিয়ে পুরী শহরে ঢুকে যেত।

⛓️ জগন্নাথের আদেশ এবং সোনার বেড়ি বা শিকল:
যখন মহাপ্রভু জগন্নাথ বুঝতে পারলেন যে হনুমানজি প্রসাদের লোভে বারবার নিজের ডিউটি ছেড়ে চলে আসছেন, তখন তিনি হনুমানজিকে ডেকে একটি অভিনব শাস্তি দেন। মহাপ্রভু আদেশ দেন যে, হনুমানজির হাত ও পা যেন ভারী লোহার বা সোনার শিকল (বেড়ি) দিয়ে বেঁধে সেই সমুদ্রের পাড়েই রেখে দেওয়া হয়, যাতে তিনি প্রসাদের লোভেও নিজের স্থান ছেড়ে নড়তে না পারেন।

হনুমানজিও তাঁর প্রভুর এই আদেশ এবং 'বন্ধন' হাসিমুখে মাথা পেতে নেন। তিনি নিজের ইচ্ছায় সেই শিকলের বন্ধন স্বীকার করেন। এই ঘটনার পর থেকে সমুদ্র আর কখনো পুরীর মন্দিরের দিকে এগিয়ে আসার সাহস পায়নি।

🔮 কলিযুগের বাস্তব রূপ:
আজও পুরীর সমুদ্র সৈকতের কাছে চক্রতীর্থ রোডে এই 'বেড়ি বাঁধা হনুমান' বা 'চক্রনিলয় হনুমান' মন্দিরটি অবস্থিত। সেখানে হনুমানজির মূর্তিটি এখনো হাত-পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের সুরক্ষার পেছনে এই হনুমানজির অবদানকে ওড়িশার মানুষ পরম ভক্তির সাথে স্মরণ করে।

ভক্তের প্রতি ভগবানের এই মিষ্টি শাসন আর প্রভুর আদেশে হনুমানজির এই আত্মত্যাগ—সনাতন ধর্মের এই অলৌকিক ইতিহাসটি কি আপনার আগে জানা ছিল?

✨ শ্রী হরি বিষ্ণুর প্রতিটি অবতারেই লুকিয়ে আছে ধর্ম রক্ষার ঐশ্বরিক বার্তা।পৃথিবীতে যখন অন্যায় বৃদ্ধি পায় তখন নারায়ন ব...
19/05/2026

✨ শ্রী হরি বিষ্ণুর প্রতিটি অবতারেই লুকিয়ে আছে ধর্ম রক্ষার ঐশ্বরিক বার্তা।
পৃথিবীতে যখন অন্যায় বৃদ্ধি পায় তখন নারায়ন বিভিন্ন রূপে আবির্ভূত হয় এবং সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়। 🕉️💙
মৎস থেকে কল্কি পর্যন্ত এই ঐশ্বরিক যাত্রা সনাতন ধর্মের শাশ্বত শক্তির প্রতীক। 🙏🔥

‎✨ইসকন মায়াপুরে নৃসিংহ দেবের কাছে : মস্তকে স্পর্শকৃত এই উপকরণ টির নাম কি❓ কেন এটি ভক্তদের মস্তকে স্পর্শ করানো হয়‌ ! এই...
04/05/2026

‎✨ইসকন মায়াপুরে নৃসিংহ দেবের কাছে : মস্তকে স্পর্শকৃত এই উপকরণ টির নাম কি❓ কেন এটি ভক্তদের মস্তকে স্পর্শ করানো হয়‌ ! এই সম্বন্ধে জানলে আপনি চমকে উঠবেন 😨

‎👉 এই পবিত্র উপকরণটির নাম হচ্ছে " শঠারি"

‎“শঠারি”—এই শব্দটা অনেকের কাছে শুধু একটা মন্দিরের আচার মনে হতে পারে, কিন্তু এর ভিতরে লুকিয়ে আছে গভীর ভক্তি, দর্শন আর আত্মশুদ্ধির এক অপূর্ব রহস্য… 🕉️

‎যখন আমরা মায়াপুর মন্দিরে যাই, তখন আমাদের মনে একটা স্বাভাবিক ইচ্ছা জাগে—ভগবানের চরণে মাথা ঠেকাবো, তাঁর আশীর্বাদ নেবো। কিন্তু শাস্ত্র অনুযায়ী, ভগবানের বিগ্রহ সবাই স্পর্শ করতে পারেন না; শুধুমাত্র পূজারীরাই সেই অধিকার পান।
‎তাহলে সাধারণ ভক্তরা কীভাবে ভগবানের চরণ স্পর্শের সেই সৌভাগ্য পাবে?

‎এই প্রশ্নেরই এক সুন্দর, ভক্তিময় উত্তর হলো—"শঠারি" 🙌

‎শঠারির উপরের অংশে ভগবানের চরণচিহ্ন বা পাদুকার প্রতীক থাকে। অর্থাৎ, এটি যেন ভগবানের চরণই—যা আমাদের কাছে এনে দেওয়া হয় করুণারূপে।
‎যখন পূজারী এটি ভক্তদের মস্তকে স্পর্শ করান, তখন আসলে সেটি শুধু একটি ধাতব বস্তু নয়—এটি ভগবানের চরণের স্পর্শ, তাঁর আশীর্বাদ এবং তাঁর কৃপা… 💖

‎এই স্পর্শের মধ্যে লুকিয়ে থাকে এক গভীর অনুভূতি—
‎“আমি ছোট, তুমি বড়; আমি আশ্রয়হীন, তুমি আশ্রয়দাতা।”

‎এখন যদি আমরা “শঠারি” শব্দটির আসল অর্থ দেখি—

‎👉 “শঠ” মানে কপটতা, ভণ্ডামি, অহংকার
‎👉 “অরি” মানে শত্রু বা বিনাশকারী

‎অর্থাৎ, “শঠারি” মানে—যে আমাদের অন্তরের কপটতা, অহংকার, মিথ্যা ভাবনা—সবকিছুর বিনাশ করে।

‎যখন আমরা ভক্তিভরে মাথা নিচু করি এবং শঠারি গ্রহণ করি, তখন সেটি শুধু একটি রীতি নয়—
‎এটি এক ধরনের আত্মসমর্পণ… 🙇🙏

‎আমরা যেন ভগবানকে বলি—
‎“প্রভু, আমার ভেতরের সব অহংকার, কপটতা, ভুল চিন্তা—সব আপনি দূর করে দিন। আমাকে শুদ্ধ করে নিন।”

‎বিশেষ করে ইস্‌কন মন্দিরগুলোতে, এই শঠারিতে শ্রী শ্রী নৃসিংহদেবের চরণচিহ্ন থাকে।
‎নৃসিংহদেব—যিনি ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষা করেছিলেন, আর সমস্ত অশুভ শক্তিকে ধ্বংস করেছিলেন।

‎👉 তাই তাঁর চরণচিহ্ন মাথায় নেওয়া মানে—
‎নিজেকে তাঁর সুরক্ষার অধীনে সমর্পণ করা,
‎এবং জীবনের সমস্ত ভয়, অশুভ চিন্তা ও বিপদ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা… 🦁🙏

‎আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
‎শঠারিরও নিত্য পূজা করা হয়, ঠিক ভগবানের পাদুকার মতোই।
‎এর মানে, এটি কোনো সাধারণ বস্তু নয়—এটি ভগবানের উপস্থিতির এক প্রতীক, এক মাধ্যম।

‎✨📌 শেষ গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো—
‎শঠারি মাথায় নেওয়া মানে শুধু আশীর্বাদ নেওয়া নয়…
‎এটা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—

‎👉 বিনয়ী হও
‎👉 অহংকার ত্যাগ করো
‎👉 ভগবানের আশ্রয় নাও

‎কারণ, যতক্ষণ না আমরা নিজের অহংকারকে নিচু করতে পারি, ততক্ষণ পর্যন্ত সত্যিকারের ভক্তি আমাদের হৃদয়ে প্রবেশ করতে পারে না।

‎তাই যখনই শঠারি মাথায় আসে, শুধু মাথা নয়—
‎নিজের মনটাকেও নত করে দাও… 😇🙇✨

‎তো গভীর মন থেকে বলুন " জয় নৃসিংহ দেব ভগবান কি জয়" 🩵😇


ধর্ম আর অধর্মের সেই মহাযুদ্ধের মুহূর্ত, যখন আকাশ থেকে ধনুক তুলে এগিয়ে আসছেন শ্রী রাম।অহংকারে ভরা রাবণের রথও তখন কেঁপে উ...
07/03/2026

ধর্ম আর অধর্মের সেই মহাযুদ্ধের মুহূর্ত, যখন আকাশ থেকে ধনুক তুলে এগিয়ে আসছেন শ্রী রাম।
অহংকারে ভরা রাবণের রথও তখন কেঁপে উঠছে ধর্মের শক্তির সামনে।
সত্য আর ন্যায়ের শক্তি শেষ পর্যন্ত সব অন্ধকারকে জয় করেই দেয়।
এই দৃশ্য মনে করিয়ে দেয়—ধর্মের পথেই শেষ বিজয়। 🕉️

"নমস্তে নরসিংহায় প্রহ্লাদাহ্লাদদায়িনে।    হিরণ্যকশিপোর্বক্ষঃ শিলাটঙ্ক নখলয়ে॥"অর্থ:~ আমি শ্রী নরসিংহদেবকে প্রণাম করি, যিন...
18/02/2026

"নমস্তে নরসিংহায় প্রহ্লাদাহ্লাদদায়িনে।
হিরণ্যকশিপোর্বক্ষঃ শিলাটঙ্ক নখলয়ে॥"

অর্থ:~ আমি শ্রী নরসিংহদেবকে প্রণাম করি, যিনি প্রহ্লাদকে আনন্দ দেন এবং হিরণ্যকশিপুর কঠিন বক্ষকে তাঁর তীক্ষ্ণ নখ দিয়ে ছিন্ন করেন।
🌿জয় নৃসিংহদেব! সকল বিপদ থেকে রক্ষা করুন।❤️🙏

#ভগবাননৃসিংহ #ভক্তি
#ভক্তিময়_জীবন ゚viralシ

Please Subscribe our YouTube Channel.
13/05/2025

Please Subscribe our YouTube Channel.

Goura_Kripa_TV

Please Subscribe our YouTube Channel.
06/04/2025

Please Subscribe our YouTube Channel.

11/08/2024

সংগ্রামের সময় সবাই বলে ছিলো তাই,
হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবাই আমরা ভাই।
সংগ্রামের পরে যখন আসলো স্বাধীনতা,
চলে গেলো কেনো ভাই আমার হিন্দুর নিরাপত্তা??,🙂

কথা ও শিল্পী : যুগলকন্যা (রিমা)

তুলসী সেবা মাহাত্ম্য---🥰    📖 স্কন্দ পুরান 📖            🔴 শ্রী তুলসী দেবী কে দর্শন করলে সমস্ত পাপ নষ্ট  হয়।🔵স্পর্শ করলে...
09/04/2023

তুলসী সেবা মাহাত্ম্য---🥰
📖 স্কন্দ পুরান 📖

🔴 শ্রী তুলসী দেবী কে দর্শন করলে সমস্ত পাপ নষ্ট হয়।
🔵স্পর্শ করলে দেহ পবিত্র হয়
🔴প্রণাম করলে ব্যাধি দূর হয়।
🔵তুলসীতে জল দান করলে নরক ভয় বিনষ্ট হয়।
🔴তুলসী রোপণ করলে ভগবদ্ভক্তি লাভ হয়।
🔵শ্রী হরির পাদপদ্মে তুলসী অর্পণ করলে ভগবৎ প্রেম লাভ হয়।
জয় তুলসী মহারানী 🙏

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Goura Kripa tv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share