10/07/2026
হরেকৃষ্ণ 🙏🙏 একাদশী বার্তাঃ
আগামিকাল ১১ জুলাই ২০২৬ শ্রী শ্রী যোগিনী একাদশী। সম্ভব হলে পালন করবেন 🙏🙏
আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথি যোগিনী একাদশী নামে পরিচিত। হিন্দু শাস্ত্র ও পুরাণ (বিশেষত ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ) অনুসারে, এই ব্রত পালন করলে সমস্ত পাপ ও শারীরিক অসুস্থতা দূর হয় এবং অসীম পূণ্য ও মুক্তি লাভ করা সম্ভব হয়।শাস্ত্র মতে, নিষ্ঠা ও ভক্তিভরে এই উপবাস পালন করলে একসঙ্গে ৮৮,০০০ (আটাশি হাজার) ব্রাহ্মণকে ভোজন করানোর সমান পূণ্য লাভ করা যায়।যোগিনী একাদশীর ব্রতকথা ও মাহাত্ম্যসনাতন ধর্মে এই ব্রত মাহাত্ম্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যুধিষ্ঠিরকে বর্ণনা করেছিলেন। এক সময় অলকাপুরীতে কুবেরের অধীনে 'হেমমালী' নামক এক যক্ষ বাস করতেন। তিনি কুবেরের পূজার জন্য নিয়মিত মানস সরোবর থেকে ফুল নিয়ে আসতেন। একদিন নিজের স্ত্রীর প্রতি তীব্র আসক্ত হওয়ার কারণে হেমমালী ফুল আনতে দেরি করে ফেলেন, যার ফলে কুবেরের পূজা বিঘ্নিত হয়। ক্ষুব্ধ হয়ে কুবের তাকে অভিশাপ দেন যে, সে তার স্ত্রীর বিরহে মর্তে গিয়ে কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত হবে।অভিশপ্ত হেমমালী বহু বছর ধরে অত্যন্ত কষ্টে দিন কাটানোর পর, মার্কণ্ডেয় মুনির আশ্রমে পৌঁছান। মুনি তার এই দুর্দশার কারণ জানতে পেরে তাকে আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের যোগিনী একাদশী ব্রত পালন করার পরামর্শ দেন। মুনির কথামতো নিষ্ঠার সঙ্গে এই ব্রত পালন করার ফলে হেমমালী তার পাপ ও অভিশাপ থেকে মুক্তি পান এবং পুনরায় তার সুন্দর রূপ ফিরে পেয়ে স্বর্গে ফিরে যান।পালন করার নিয়ম:এই ব্রতের প্রধান উদ্দেশ্য হলো নিজের মন ও শারীরিক ইন্দ্রিয়গুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ লাভ করা।উপবাসের আগের দিন (দশমী) থেকে সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করতে হয় এবং একাদশীর দিন প্রাতঃকালে স্নান সেরে ভগবান বিষ্ণুর পূজার্চনা করতে হয়।পুরো দিন নির্জলা বা ফলমূল খেয়ে উপবাস থেকে বিষ্ণু মন্ত্র জপ করা উচিত