04/08/2026
বদনজরের থেকেও ভ"য়ং"ক'র হলো hasaad! এটা বদনজরের সর্বোচ্চ স্তর।
আমি হাসাদ সম্পর্কে প্রথম জানি কিছুদিন আগে। ইসলামী কিছু লেখা পড়ার সময় চোখে পড়ে। তারপর যতটুকু সম্ভব ঘাটাঘাটি করে বাকিটা জেনেছি। এটা একটা আরবি শব্দ। হাসাদ শুধু মাত্র সাধারন হিং'সা না। এটা একটা চাওয়া বা ইচ্ছা বা সোজা ভাষায় বললে কারো ধ্বং'স চাওয়া। আমরা বলি না যে ভালো কিছু মানুষ জানলে নজর লাগে, আর হাসাদ হলো এমন চাওয়া যেন আপনার ভালো না হয়, যা ভালো আছে সেটাও ধ্বং'স হয়ে যায় (আস্তাগফিরুল্লাহ)।
নরমাল হিং'সা তে মানুষ বেশির থেকে বেশি কি ভাবে? বড়জোর এটাই যে "ইশ ওর মত আমার যদি এটা থাকতো" এইতো? আর হাসাদকারীর মনোভাব থাকে এমন যে যেভাবেই হোক আপনার ব্লেসিং গুলো যেন ন"ষ্ট হয়ে যায়। এবং এটা সে সবসময় চাইতেই থাকে। এই নেগেটিভ এনার্জি টাই হাসাদ।
কিভাবে চিনবেন এই ধরনের মানুষ?
- আপনার প্রচুর অপ্রয়োজনীয় প্রশংশা করবে। এপ্রিশিয়েট না, জোর করে প্রশংসা করবে।
- আপনার যে কোন এচিভমেন্টকে ছোট করার চেষ্টা করবে। এমন ভাব করবে যেন এটা সবাই করতে পারে।
- সামনে প্রশংসা করলেও আপনার পেছনে আপনার নামে হেন খারাপ কিছু নেই যে বলবে না।
- আপনার যেকোন কিছুর ভু'ল ধরবে। কোন না কোন ভাবে এটা প্রমাণ করতে চাইবে আপনি ভু'ল করছেন। এটা ঠিক হচ্ছে না।
- যেকোন কাজে আপনার উৎসাহ ন"ষ্ট করার চেষ্টা করবে। সবসময় ভালো কাজে নিরুৎসাহীত করবে।
- আপনার ভালো কিছুতে সূক্ষভাবে অপ্রীতিকর কিছু বলবে, মনে আ'ঘা'ত দিয়ে কথা বলবে, মন খারাপ করিয়ে দিবে।
আর সবচেয়ে ভ'য়ে'র বিষয় হলো এসব মানুষ সব সময় আমাদের আশেপাশে থাকে। তাদের সবসময় চাইতে থাকা "ওর এটা ন'ষ্ট হয়ে যাক, ওর ভালো না হোক" এই চাওয়া এই নেগেটিভ এনার্জিই আপনার সব ভালো নষ্ট করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট এবং করেও দেয়। আমরা সবাই একটু হলেও জানি আমাদের জীবনে এই মানুষ কে বা কারা হতে পারে। চিনিও। কিন্ত এরা এমন ভাবেই জীবনে জড়িয়ে থাকে যে চিনলেও পুরোপুরি বাদ দিতে পারিনা...
"হাসাদ" ইসলামে হারাম। এমনকি সূরা ফালাকে একটা আয়াত ও নাজিল করা হয়েছে আল্লাহর কাছে এর থেকে পানাহ চেয়ে
وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইজা হাসাদ।
অন্যান্য হারাম কাজের মতই হাসাদকারীর শা"স্তি ভ'য়া'ব'হ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুক, হাসাদ থেকে হেফাজত করুক, আমিন।
-সংগৃহীত