Jubosena

Jubosena Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jubosena, Religious Center, Dhaka.

The Jubosena is the largest group of Muslims and the only group whose beleives and teachings are truly in accordance with the Holy Quran and Sunnah of the Holy Prophet (sallal laahu alaihi wasallam).

27/08/2026

কথার যদি ঘ্রাণ থাকতো,
তাহলে প্রিয় রাসূল (ﷺ) শানে
মিলাদে ও দরূদ শরীফ পড়ার মাধ্যমে
সবচেয়ে বেশি সুঘ্রাণ ছড়াতো!🤍

মিলাদে মুবারকের মজলিশ, রাসূলে পাক (ﷺ)'র যিকির, আর "হুযুর" এর যিকির "আল্লাহ পাক" এর যিকির এবং আল্লাহর যিকিরকে শরীয়তের বি...
26/08/2026

মিলাদে মুবারকের মজলিশ, রাসূলে পাক (ﷺ)'র যিকির, আর "হুযুর" এর যিকির "আল্লাহ পাক" এর যিকির এবং আল্লাহর যিকিরকে শরীয়তের বিনা কারণে নিষেধ করা "শয়তানের কাজ” (ফতোয়য়ে রযবীয়া, ১৪/৬৬৮)

"পশুপাখি সবাই বলে আজকে মোদের খুশির দিন এই ধরাতে তাশরিফ আনলেন রহমাতুল্লিল আলামীন।”

আলহামদুলিল্লাহ

ইমামে আহলে সুন্নাত হুযুর অধ্যক্ষ আল্লামা হাফেয মুহাম্মদ আব্দুল জলীল (رحمة الله عليه)'এর স্মৃতি গাউসুল আযম জামে মসজিদে হুজুরের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ যুবসেনার উদ্যোগ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষ্যে নূরানী নাত মাহফিল ও তাবাররুক বিতরণ সম্পুর্ন হয়েছে।

সমস্ত জগতের জন্য যিনি রহমতস্বরূপ, তিনি আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা ﷺ।💚❛আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সায়্যিদিনা মুহা...
26/08/2026

সমস্ত জগতের জন্য যিনি রহমতস্বরূপ, তিনি আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা ﷺ।

💚❛আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিন ওআলা-আলি সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিন ওয়া বারিক ওয়াসাল্লিম।❜💚

তাঁর আগমন ছিল মানবতার জন্য আলোর আগমন, অন্ধকার হৃদয়ের জন্য হেদায়াতের আগমন এবং ভালোবাসাহীন পৃথিবীর জন্য রহমতের আগমন।
প্রিয় রাসুল ﷺ-এর ভালোবাসা কোনো সাধারণ ভালোবাসা নয়; এটি ঈমানের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত এক পবিত্র অনুভূতি। তাঁর ﷺ নাম উচ্চারিত হলে মুমিনের হৃদয় প্রশান্ত হয়, দরুদ শরিফে মুখ সিক্ত হয় এবং তাঁর সুন্নাত অনুসরণের আকাঙ্ক্ষা জাগ্রত হয়। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন—মানুষকে ভালোবাসতে, অসহায়কে সাহায্য করতে, ক্ষমা করতে, সত্যের পথে থাকতে এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ককে দৃঢ় করতে।
ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ হলো সেই মহান নূরানী আগমনের স্মরণ, যে আগমন পৃথিবীকে দিয়েছে সর্বশ্রেষ্ঠ পথপ্রদর্শক। এ উপলক্ষে প্রিয় নবী ﷺ-এর জীবনী আলোচনা করা, তাঁর ﷺ প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠ করা, তাঁর ﷺ উত্তম চরিত্র ও সুন্নাতের কথা স্মরণ করা এবং মানুষের মাঝে ভালোবাসা ও কল্যাণ ছড়িয়ে দেওয়া—আমাদের হৃদয়ে নবীপ্রেমকে আরও গভীর করতে পারে।
নবীপ্রেম শুধু মুখের দাবিতে সীমাবদ্ধ নয়; নবীপ্রেমের প্রকৃত সৌন্দর্য হলো তাঁর আদর্শকে জীবনে ধারণ করা। তাঁর সুন্নাতকে ভালোবাসা, রাসুল ﷺ চরিত্র অনুসরণ করা এবং তাঁর ﷺ উম্মতের প্রতি দয়া ও কল্যাণের মানসিকতা সৃষ্টি করাই হোক আমাদের ভালোবাসার বাস্তব প্রকাশ
হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরকে আপনার প্রিয় হাবীব, রহমাতুল্লিল আলামিন হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর মহব্বতে পরিপূর্ণ করে দিন। রাসুল ﷺ সুন্নাতের ওপর অটল রাখুন এবং তাঁর ﷺ সন্তুষ্টির পথে জীবন পরিচালনার তাওফিক দান করুন।
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা ﷺ আমাদের ভালোবাসা, আমাদের আদর্শ, আমাদের হৃদয়ের প্রশান্তি।






25/08/2026
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষ্যেনূরানী নাত মাহফিল ও তাবাররুক বিতরণ
25/08/2026

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষ্যে
নূরানী নাত মাহফিল ও তাবাররুক বিতরণ

25/08/2026

নামাজের আগে আমার নবী
রোজার আগে আমার নবী
কোরআনের আগে আমার নবী

“(হে রাসূল!) আপনি বলুন, আল্লাহরই অনুগ্রহ (ফদ্বল) ও তাঁরই দয়া (রহমত) এবং সেটারই উপর তাদের আনন্দ প্রকাশ করা উচিত। এটা তার...
24/08/2026

“(হে রাসূল!) আপনি বলুন, আল্লাহরই অনুগ্রহ (ফদ্বল) ও তাঁরই দয়া (রহমত) এবং সেটারই উপর তাদের আনন্দ প্রকাশ করা উচিত। এটা তারা যা সঞ্চয় করছে তা হতে অধিক উত্তম।”
(সূরা ইউনুস ৫৮)

আলহামদুলিল্লাহ। ঢাকার বুকে পীরে বাঙ্গাল আল্লামা সৈয়্যদ মোহাম্মদ সাবির শাহ্ (মা:জি:আ:)এর সদারতে আশেকে রাসুলদের সমন্বয়ে ...
23/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ। ঢাকার বুকে পীরে বাঙ্গাল আল্লামা সৈয়্যদ মোহাম্মদ সাবির শাহ্ (মা:জি:আ:)এর সদারতে আশেকে রাসুলদের সমন্বয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জুলুস উদযাপিত।

 #ঈদে_মীলাদুন্নাবী_ﷺ_উপলক্ষ্যে_জুলুছ-✍️হুযুর অধ্যক্ষ আল্লামা হাফেয মুহাম্মদ আব্দুল জলীল (رحمة الله عليه)' এর -📚-❝নূরনবী ...
22/08/2026

#ঈদে_মীলাদুন্নাবী_ﷺ_উপলক্ষ্যে_জুলুছ

-✍️হুযুর অধ্যক্ষ আল্লামা হাফেয মুহাম্মদ আব্দুল জলীল (رحمة الله عليه)' এর
-📚-❝নূরনবী (ﷺ)❞ থেকে

নবী করীম [ﷺ] যখন ভূমিষ্ঠ হন, তখন এমন কতিপয় আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটেছিল,
যা সচরাচর দেখা যায় না। প্রথম ঘটনাটি স্বয়ং বিবি আমেনা (رضي الله عنها) বর্ণনা করেছেন এভাবে-

"যখন আমার প্রসব ব্যথা শুরু হয়, তখন ঘরে আমি প্রায় একা ছিলাম এবং আমার শশুর আব্দুল মুত্তালিব ছিলেন কা'বা ঘরের তাওয়াফরত। আমি দেখতে পেলাম, একটি সাদা পাখির ডানা আমার কলিজায় কী যেন মালিশ করে দিচ্ছে। এতে আমার ভয়ভীতি ও ব্যথা-বেদনা দূরীভূত হয়ে গেল। এরপর দেখতে পেলাম একগ্লাস শ্বেতশুভ্র শরবত আমার সামনে। আমি ঐ শরবতটুকু পান করে ফেললাম। অতঃপর একটি উর্ধগামী নূর আমাকে আচ্ছাদিত করে ফেললো। এ অবস্থায় দেখতে পেলাম, আব্দে মনাফ (কুরাইশ) বংশের মহিলাদের চেহারাবিশিষ্ট এবং খেজুর বৃক্ষের ন্যায় দীর্ঘাঙ্গিনী অনেক মহিলা আমাকে বেষ্টন করে বসে আছেন। আমি সাহায্যের জন্য 'ওয়া গাওয়াছা'বলে তাঁদের উদ্দেশ্যে বললাম, আপনারা কোথা হতে আমার বিষয়ে অবগত হলেন? উত্তরে তাঁদের একজন বললেনঃ আমি ফেরাউনের স্ত্রী বিবি আছিয়া। আরেকজন বললেনঃ আমি ইমরান তনয়া বিবি মরিয়ম এবং আমাদের সঙ্গিনীগণ হচ্ছেন বেহেশতী হুর। আমি আরো দেখতে পেলাম, অনেক পুরুষবেশী লোক শূন্যে দণ্ডায়মান রয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেকের হাতে রয়েছে রূপার পাত্র। আরো দেখতে পেলাম, একদল পাখি আমার ঘরের কোঠা ঢেকে ফেলেছে। আল্লাহ তায়ালা আমার চোখের সামনের সকল পর্দা অপসারণ করে দিলেন এবং আমি পৃথিবীর পূর্ব-পশ্চিম সব দেখতে পেলাম। আরো দেখতে পেলাম, তিনটি পতাকা। একটি পৃথিবীর পূর্বপ্রান্তে স্থাপিত, দ্বিতীয়টি পশ্চিমপ্রান্তে এবং তৃতীয়টি স্থাপিত কা'বাঘরের ছাদে। এমতাবস্থায় প্রসব বেদনার চূড়ান্ত পর্যায়ে আমার প্রিয় সন্তান হযরত মুহাম্মদ [ﷺ] ভূমিষ্ঠ হলেন।"
(হযরতইবনে আব্বাস সূত্রে মাওয়াহেবে লাদুনিয়া)।

খাছায়েছেকুবরা ও তারীখুল খামীস গ্রন্থদ্বয়ে যথাক্রমে আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী ও আল্লামা আবু বিকর দিয়ারবিকরী (رحمة الله عليهما) বিবি আমেনা (رضي الله عنها)'র একটি বর্ণনা এভাবে লিপিবদ্ধ করেছেনঃ

বিবিআমেনা বলেনঃ "যখন আমার প্রিয় পুত্র ভূমিষ্ঠ হলেন, তখন আমি দেখতে পেলাম, তিনি সেজদায় পড়ে আছেন। তারপর মাথা উর্ধগামী করে শাহাদাৎ অঙ্গুলি দ্বারা ইশারা করে বিশুদ্ধ আরবি ভাষায় পাঠ করছেন,أشهد أن لا اله الا الله وأنى رسول الله 'আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আন্নী রাসূলুল্লাহ'।" (যিকরে জামীল সূত্রে)।

উপরোক্তবর্ণনায় কয়েকটি বিষয় প্রমাণিত হলোঃ
(১)নবী করীম [ﷺ]-এঁর পবিত্র বেলাদত উপলক্ষ্যে বেহেশত ও আকাশ হতে পবিত্র নারী ও হুর ফেরেশতাগণ জুলুস করে বিবি আমেনা (رضي الله عنها)'এঁর কুটিরে আগমন করেছিলেন এবং নবীজী'র সম্মানার্থে দণ্ডায়মান হয়ে কিয়াম করেছিলেন। আর ফেরেশতাদের হয়ে এই জুলুস ছিল আকাশ ছোঁয়া জুলুস। তাই আমরাও নবীজী'র সম্মানে কিয়াম করি ও জুলুস করি।

(২)নবী করীম [ﷺ]-এঁর নূরের আলোতে বিবি আমেনা (رضي الله عنها)পৃথিবীর পূর্ব-পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত অবলোকন করেছিলেন। যাদের অন্তরে নবীজী'র নূর বিদ্যমান, সেসব অলোগণেরও দিব্যদৃষ্টি খুলে যায়। তাঁরা লাওহে মাহফুযও দেখতে পান। (মসনবী শরীফ)।

(৩)নবী করীম [ﷺ]-এঁর জন্ম উপলক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান, আলো ও পতাকা দ্বারা সুসজ্জিত করা উত্তম। এটা আল্লাহ ও ফেরেশতাদের সুন্নত।

(৪)কোরআন নাযিলের ৪০ বৎসর পূর্বেই নবী করীম [ﷺ] কোরআনের গুরুত্বপূর্ণ দুটি আদর্শ 'কালেমা' ও 'নামায' বাস্তবায়ন করেছিলেন। মূলতঃ থিওরেটিকাল কোরআন নাযিলের পূর্বেই প্র্যাক্টিক্যাল কোরআন (নবী) নাযিল হয়েছিলেন। কোরআন হলো হাদিয়া। আর নবী হলেন সেই হাদিয়ার মালিক। হাদিয়া ও তার মালিকের মধ্যে যে সম্পর্ক, তা সর্বজনবিদিত।

(৫)পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী [ﷺ] উপলক্ষে জুলুছ এবং শুকরিয়ার আনন্দমিছিল বের করা ফেরেশতাদেরই অনুকরণ (আনওয়ারে আফতাবে সাদাকাত)। মাওয়াহেব গ্রন্থের বর্ণনায় আকাশ হতে জমীন পর্যন্ত ফেরেশতাদের জুলুছ বা মিছিল পরিষ্কারভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আল্লাহপাক বলেন- “তোমরা আল্লাহর ফযল ও রহমত স্বরূপ নবীকে পেয়ে আনন্দ-উল্লাস করো।" (সূরা ইউনুছ ৫৮ নং আয়াতের তাফসীর দেখুন- রুহুল মায়ানীতে)। জালাল্দ্দুীন সুয়ুতি তাঁর ’আল হাভী লিল ফাতাওয়া’ গ্রন্থে ঈদে মীলাদুন্নবীর দিনে আল্লাহ’র নির্দেশে সব রকমের বৈধ আনন্দ-উল্লাসকে বৈধ বলে উল্লেখ করেছেন।

পূর্বযুগের জুলুছঃ
৬০৪হিজরীতে ইরাকের মুসিল শহরে বাদশাহ আবু সাঈদ মুজাফফার উদ্দীন রাজকীয় ভাব ধারার সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদে মীলাদুন্নাবী পালন করেছেন। প্রাচীনকালে ১০৯৫-১১২১ খৃষ্টাব্দে মিশরে ঈদে মীলাদুন্নবী [ﷺ] উপলক্ষে ধর্মীয় জুলুছ বের করা হতো। গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এতে অংশ নিতেন। উযির আফযলের যুগে এ আনন্দমিছিল বের করা হতো। এ সময় রাজপথসমূহ লোকে লোকারণ্য হয়ে যেতো। পরবর্তীতে এ উৎসবের প্রসার ঘটে আফ্রিকার অন্যান্য শহরে, ইউরোপের স্পেনে এবং ভারতবর্ষে। (মাকরিজী, ইবনে খাল্লেকান)।

সুতরাংযারা জশনে জুলুছকে নূতন প্রথা, শিরক ও বিদআত বলে- তারা অতীত ইতিহাস সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ এবং ইসলামী জ্ঞানের ক্ষেত্রে মুর্খ। নবীবিদ্বেষ তাদেরকে অন্ধ করে রেখেছে।

(বিস্তারিতইতিহাস জানার জন্যে দৈনিক জনকণ্ঠ ৩০শে আগস্ট ’৯৬ ‘মিলাদের ইতিকথা পড়ুন)। জশনে জুলুছ বের করা কোরআনী আয়াত দ্বারাই প্রমাণিত।

Address

Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jubosena posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Jubosena:

Shortcuts

Share