Deen Insight

Call Directions Contact the place of worship

Deen Insight "জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে - জ্ঞান, হিকমাহ ও আত্মশুদ্ধির দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে Deen Insight।" Islam

23/09/2026

Saudi national days 96

রসুন, কাটা পেঁয়াজ এবং আদা রেফ্রিজারেটরে রাখা সাধারণত স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক নয়, তবে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি যা...
30/08/2026

রসুন, কাটা পেঁয়াজ এবং আদা রেফ্রিজারেটরে রাখা সাধারণত স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক নয়, তবে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি যাতে এগুলো নিরাপদ থাকে এবং গুণগত মান বজায় থাকে:

1. **রসুন**:
- পুরো রসুন (কাটা না করা) ঘরের তাপমাত্রায় শুকনো, বায়ুচলাচল ভালো জায়গায় সংরক্ষণ করা ভালো। রেফ্রিজারেটরে রাখলে আর্দ্রতার কারণে এটি নরম হয়ে যেতে পারে বা ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে।
- কাটা বা খোসা ছাড়ানো রসুন রেফ্রিজারেটরে রাখা যায়, তবে এয়ারটাইট পাত্রে বা জিপলক ব্যাগে রাখতে হবে। তবে, দীর্ঘদিন রাখলে **বোটুলিজম** (ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ) এর ঝুঁকি থাকতে পারে, বিশেষ করে তেলে ডুবিয়ে রাখলে। তাই তাজা অবস্থায় ব্যবহার করাই ভালো।

2. **কাটা পেঁয়াজ**:
- কাটা পেঁয়াজ রেফ্রিজারেটরে রাখা নিরাপদ, তবে এটি অবশ্যই এয়ারটাইট পাত্রে বা ভালোভাবে মোড়ানো অবস্থায় রাখতে হবে। অন্যথায়, পেঁয়াজের গন্ধ অন্য খাবারে ছড়িয়ে যেতে পারে এবং আর্দ্রতার কারণে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক বাড়তে পারে।
- কাটা পেঁয়াজ ৭-১০ দিনের মধ্যে ব্যবহার করা উচিত। বেশি দিন রাখলে এটি নষ্ট হতে পারে।
- কাঁচা কাটা পেঁয়াজ দীর্ঘদিন রেফ্রিজারেটরে রাখলে স্বাদ ও পুষ্টিগুণ কমে যায়।

3. **আদা**:
- আদা রেফ্রিজারেটরে রাখা নিরাপদ এবং এটি বেশি দিন সতেজ থাকে। তবে, এটি প্লাস্টিকের ব্যাগে বা কাগজের তোয়ালেতে মুড়ে রাখলে আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষিত থাকে।
- কাটা বা ছাড়ানো আদা এয়ারটাইট পাত্রে রাখলে ২-৩ সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকে।
- আদা ফ্রিজে রাখার সময় ছত্রাক বা নরম হয়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখলে ব্যবহার করা উচিত নয়।

**স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়ানোর টিপস**:
- সবসময় পরিষ্কার পাত্রে এবং সঠিক তাপমাত্রায় (০-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস) রাখুন।
- কাটা রসুন বা পেঁয়াজ তেলে ডুবিয়ে রাখলে ২-৩ দিনের মধ্যে ব্যবহার করুন, কারণ তেলে বোটুলিজম ব্যাকটেরিয়া বাড়ার ঝুঁকি থাকে।
- নষ্ট হওয়ার লক্ষণ (গন্ধ, রঙের পরিবর্তন, পিচ্ছিল ভাব) দেখলে খাবেন না।

সংক্ষেপে, রসুন, কাটা পেঁয়াজ, এবং আদা রেফ্রিজারেটরে রাখা সাধারণত নিরাপদ, যদি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়। তবে, দীর্ঘদিন রাখা বা অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রাখলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি হতে পারে।

৩১ অ্যাপে অবৈধ ঋণের ফাঁদ, সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশ ব্যাংকেরমোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগম...
28/08/2026

৩১ অ্যাপে অবৈধ ঋণের ফাঁদ, সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশ ব্যাংকের

মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক নানা গ্রুপের মাধ্যমে পরিচালিত অনুমোদনবিহীন ও অবৈধ ঋণ কার্যক্রম থেকে সতর্ক থাকতে সাধারণ জনগণকে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে এ ধরনের অ্যাপ বা প্ল্যাটফর্ম থেকে ঋণ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, সম্প্রতি বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সহজ শর্তে ও দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনুমোদনবিহীন ঋণ কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)-এর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এসব অ্যাপ মূলত ব্যবহারকারীদের মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত যোগাযোগের তথ্য (কন্টাক্টস), ছবি এবং অন্যান্য সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করছে। পরবর্তীতে ঋণ আদায়ের নামে গ্রহীতাদের ওপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়, বাংলাদেশে ঋণ প্রদান একটি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত আর্থিক কার্যক্রম। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন এবং প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান ছাড়া কোনো মোবাইল অ্যাপ বা ডিজিটাল মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা বৈধ নয়। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী প্রতারণামূলকভাবে ঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বিএফআইইউ-এর দৃষ্টিগোচর হওয়া ৩১টি অননুমোদিত অ্যাপ

সাথী লোন, পপক্যাশ, ফিনক্যাশ, কুইক লোন, কুইক টাকা, ঢাকা ফিন, লোনভাইব, দোস্ত লোন, টাকা ক্যাশ লোন, কেওয়নজা লোন, এসএসএইচ মানি, লোনবাডি, সাথি লোন, ক্যাশহোরো, আলো ক্যাশ, ফাস্ট লোন, ইজি টাকা, ধৈর্য লোন, ফিন ডট ডু, বঙ্গক্যাশ, আশা লোন, সুবিধা লোন, স্মার্ট লোন বিডি, অনলাইন লোন বিডি, সিটি অনলাইন লোন, বিডি সহজ লোন, ক্যাশ লোন, সোনালী, লোনহাট ও টাকানাও।

গ্রাহকদের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৪ পরামর্শ

১. কোনো মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে ঋণ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।

২. প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত অবৈধ ঋণ কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৩. ঋণের প্রলোভনে পড়ে অপরিচিত অ্যাপ বা প্ল্যাটফর্মে জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাব বা ফোনের সংবেদনশীল তথ্য প্রদান করবেন না।

৪. ঋণ দেওয়ার নামে কোনো অগ্রিম অর্থ, প্রসেসিং ফি বা নিবন্ধন ফি চাওয়া হলে সতর্ক থাকুন।

এ ধরনের অনুমোদনবিহীন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রতারিত হলে বা তথ্য জানা থাকলে তা বিএফআইইউ-এর ওয়েবসাইট অথবা মতিঝিলে অবস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বিএফআইইউ পরিচালকের দপ্তরে লিখিতভাবে অভিযোগ জানাতে অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

জেএফ

09/08/2026
30/07/2026

বিএনপির বয়স কত? প্রায় ৫০ বছর।

আর এনসিপির বয়স কত? মাত্র দুই বছর।
এনসিপি একটা ছোট্ট রাজনৈতিক দল।

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন নিয়ে মাত্র ৬টা সীট পেয়েছে এনসিপি।

NCP কে জাতীয় নির্বাচনে ৫১% বা সাড়ে তিন কোটি ভোট পেয়ে ২০৯টা আসন পাওয়া ক্ষমতাসীন দল বিএনপি নিজেদের সমপর্যায়ে নিয়ে এসেছে।

জুলাই মাস চলছে। ওদেরকে বাধা দেয়ার কি প্রয়োজন ছিল? বিএনপি তো দাবী করে, তারাও জুলাই আন্দোলনের অংশ? এনসিপি তাদের সভা সমাবেশ করে চুপচাপ চলে যেত। তাতে বিএনপির কি ক্ষতি হত?

তা নয়, সম্ভবত আওয়ামী লীগের উসকানিতে বিএনপি নামল এনসিপির উপরে সশস্ত্র হামলা করার জন্য। হাত ভাঙ্গল, একটা কিশোরের চোখ নষ্ট করল।

এই এনসিপি ২০১৩ সালের বিএনপি নয় যে, তাদেরকে বালুর ট্রাক দিয়ে আটকাতে পারবেন। পুলিশের ব্যারিয়ার দিয়ে আটকাতে পারবেন।

নাহিদ, হাসনাত, সারজিসরা সেই বালুর ট্রাক সরিয়ে দিল। ৪টা পুলিশের ব্যারিকেড দিয়েও ওদেরকে আটকানো যায়নি। ১৪৪ ধারা জারি করেও ওদেরকে থামানো যায়নি। জুলাই বিপ্লবের সময় পুলিশ, র‍্যাবের গুলি যাদেরকে আটকাতে পারেনি, তাদেরকে বালুর ট্রাক দিয়ে আটকাতে পারবেন?

২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গেছে। কোন অস্ত্রধারী বা হামলাকারী গ্রেফতার হয়নি। অথচ হাজার হাজার পুলিশ এনসিপির বাচ্চা বাচ্চা ছাত্রনেতাদের বাধা দিতে দাঁড়িয়ে গেছে। মামলা করার বা নেয়ার জন্য কোন পুলিশ নেই৷

এনসিপি নেতারাই সব ব্যারিয়ার পেরিয়ে, বালুর ট্রাক সরিয়ে স্থানীয় থানায় গেল মামলা করার জন্য৷ থানার বাইরে আবার অস্ত্র হাতে ঘুরাঘুরি করছিল সরকার দলীয় কিছু নেতাকর্মী।

SHAME!!

আইন, ন্যায় আর ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে ক্ষমতায় এসেছে তারেক রহমান এর বিএনপি।

তাদের শ্লোগান "সবার আগে বাংলাদেশ"৷

অথচ তারা সেটা পারল না।

অন্যদিকে এই বাধাবিপত্তি আর মামলা-হামলায় লাভবান হল এনসিপি। তাদের জনপ্রিয়তা বাড়ল, সামনে কর্মী-সমর্থকও বাড়বে৷ অন্যদিকে বিএনপির ইমেজে কাল দাগ পড়ল৷ যার কোন প্রয়োজন ছিল না।

এনসিপির ছোট্ট ছোট্ট ছাত্রনেতাদের কাছে এটা বিএনপির বিশাল রাজনৈতিক পরাজয়।

C p

28/05/2026

Hajj 2026

নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর মতো সময়ের সাহসী নেতার উপর নিকৃষ্ট রাজনৈতিক দল বিএনপির গুন্ডাদের আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানাই।
24/05/2026

নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর মতো সময়ের সাহসী নেতার উপর নিকৃষ্ট রাজনৈতিক দল বিএনপির গুন্ডাদের আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানাই।

১৩৪ কে ৭৩৪ বানিয়ে ২৪২ কে ৫৪২ করে আর ৩২৬ কে ৮২৬ করে দিলো এরপরও সুষ্ট নির্বাচন? সব জায়গার চিত্র এমনই। বিশেষ করে ৮ ও ১৩ আসন...
13/02/2026

১৩৪ কে ৭৩৪ বানিয়ে ২৪২ কে ৫৪২ করে আর ৩২৬ কে ৮২৬ করে দিলো এরপরও সুষ্ট নির্বাচন? সব জায়গার চিত্র এমনই। বিশেষ করে ৮ ও ১৩ আসনে। রাত ১০ টা পর্যন্ত ৯০ কেন্দ্রে আল্লামা মামুনুল হক সাহেব এগিয়ে ছিলেন। হঠাৎ বাকি কেন্দ্রগুলো অবরোধ, রাত ১২ টার পর নির্বাচন কমিশনের কাছে ফালফল,দলের লোকেরা জানেই না।বুঝলেন তো কোথাকার পানি কোথায় গড়িয়েছে।
জুলুম, জালিয়াতি ও টাকার কাছে সত্য ও ন্যায় ইনসাফ বড় অসহায়।

আল্লাহর লা'নত তোদের উপর... 🤲🤲🤲ইয়া রব 😭

এটা রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সৌন্দর্য। মাশাআল্লাহ 👌 ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতা...
19/01/2026

এটা রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সৌন্দর্য। মাশাআল্লাহ 👌

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মা /মুনুল হকের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি যে দুইটি আসনে প্রার্থী হয়েছেন, সেই দুই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কোনো প্রার্থী দেবে না। ইতোমধ্যে ঘোষিত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, উক্ত দুই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সমর্থন থাকবে মাওলানা মা /মুনুল হকের প্রতি। ইসলামী রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সংগ্রাম ও অবদানের প্রতি সম্মান জানিয়ে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।




















প্রিয় ভাই ও বোনেরা আজ আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো:ইসলামের দৃষ্টিতে তর্ক-বিতর্ক এবং মুসলিম ভাইদের মধ্যে...
05/07/2025

প্রিয় ভাই ও বোনেরা
আজ আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো:
ইসলামের দৃষ্টিতে তর্ক-বিতর্ক এবং মুসলিম ভাইদের মধ্যে তর্ক করা জায়েজ কি না।

আমরা জানবো, কুরআন ও হাদিসের আলোকে তর্ক-বিতর্কের বিধান এবং কিভাবে আমরা সম্মানজনকভাবে ও সঠিক উদ্দেশ্যে তর্ক করতে পারি।
সকল সদস্যকে এই আলোচনাটি পড়ার জন্য অনুরোধ জানাই।
আল্লাহ আমাদের সকলকে সত্য জানা ও মানার তাওফিক দান করুন।

*ইসলাম তর্ক-বিতর্ক সম্পর্কে কি বলে, এবং মুসলিম ভাই অন্য মুসলিম ভাইয়ের সাথে কোন বিষয়ে নিয়ে তর্ক করা জায়েজ কি?*

কুরআন ও সুন্নাহ থেকে আমরা দেখি যে, ইসলাম জ্ঞান চর্চা, জ্ঞান অনুসন্ধান ও গবেষণায় উৎসাহ প্রদান করে এবং বিতর্ক ও ঝগড়া করতে নিষেধ করে। মুসলিমের সাথে মুসলিমের বহস বা বিতর্কের কোনো উৎসাহ বা নির্দেশনা তো নেই; উপরন্তু তা কঠিন ভাবে নিষেধ করা হয়েছে। তবে অমুসলিমদের সাথে বিতর্ক করতে অনুমতি দেওয়া হয়েছে উত্তম আচরণের সাথে। আল্লাহ বলেন:
وَلَا تُجَادِلُوا أَهْلَ الْكِتَابِ إِلَّا بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ إِلَّا الَّذِينَ ظَلَمُوا مِنْهُمْ
আর তোমরা ঝগড়া-বিতর্ক কোরো না ইহূদী-নাসারাদের সাথে কেবলমাত্র উত্তম পদ্ধতিতে ছাড়া; তবে তাদের মধ্যে যারা জুলুম করেছে তাদের কথা ব্যতিক্রম।” (সূরা আনকাবুত ৪৬ আয়াত)
আল্লাহ অন্যত্র বলেন:
ادْعُ إِلَى سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ وَجَادِلْهُمْ بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ
আহ্বান কর তোমার রবের পথে প্রজ্ঞা দ্বারা এবং সুন্দর উপদেশ দ্বারা; এবং ঝগড়া-বিতর্ক কর তুমি তাদের সাথে উত্তম আচরণ দ্বারা। (সূরা নাহল: ১২৫)
মুমিনদেরকে বিতর্কে থেকে নিষেধ করে রাসূলুল্লাহ বলেন,
مَنْ تَرَكَ المِراءَ وَهُوَ مُبْطِلٌ بُنِيَ لَهُ بَيْتٌ فِيْ رَبَضِ الْجَنَّةِ، وَمَنْ تَرَكَهُ وَهُوَ مُحِقٌّ، بُنِيَ لَهُ فِيْ وَسَطَهِا، وَمَنْ حَسُنَ خُلُقُهُ بُنِيَ لَهُ فِيْ أَعْلاَهَا
“নিজের মত বাতিল হওয়ার কারণে যে ব্যক্তি বিতর্ক পরিত্যাগ করে তার জন্য জান্নাতের পাদদেশে বাড়ি নির্মাণ করা হবে। আর যে ব্যক্তি নিজের মত সঠিক হওয়া সত্ত্বেও বিতর্ক পরিত্যাগ করে তার জন্য জান্নাতের মধ্যবর্তী স্থানে বাড়ি নির্মাণ করা হবে। আর যার আচরণ সুন্দর তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে বাড়ি নির্মাণ করা হবে।” (মুনযিরী, আত-তারগীব ১/৭৭; আলবানী, সহীহুত তারগীব ১/১৩২। হাদীসটি সহীহ)
বস্তুত বিতর্ক ও ঝগড়া মুমিনের ঈমান ও ঈমানী ভ্রাতৃত্ববোধের সাথে সাংঘর্ষিক। একান্তই বাধ্য হলে আমরা আলোচনায় লিপ্ত হব, কিন্তু ঝগড়ায় লিপ্ত হব না। তথ্যভিত্তিক আলোচনা বা মত-বিনিময় জ্ঞান বৃদ্ধি করে। আর ঝগড়া-তর্ক জ্ঞান গ্রহণের পথ রুদ্ধ করে দেয়। আলোচনার ক্ষেত্রে প্রত্যেকে নিজের জানা তথ্যাদি উপস্থাপন করেন এবং অন্যের কাছে নতুন কিছু পেলে বা নিজের ভুল ধরতে পারলে তা আনন্দিতচিত্তে গ্রহণ করেন। পক্ষান্তরে ঝগড়-তর্কে উভয়পক্ষই নিজের জ্ঞানকে চূড়ান্ত বলে মনে করেন এবং যে কোনো ভাবে নিজের মতের সঠিকতা ও অন্য মতের ভুল প্রমাণ করতে চেষ্টা করেন। নিজের জ্ঞানের ভুল স্বীকার করাকে ব্যক্তিগত পরাজয় বলে মনে করেন। এ কারণে ইসলামে ঝগড়া-তর্ক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রা) বলেন:
إنَّ نَفَرًا كَانُوا جُلُوسًا بِبَابِ النَّبِيِّ  فَقَالَ بَعْضُهُمْ أَلَمْ يَقُلْ اللَّهُ كَذَا وَكَذَا وَقَالَ بَعْضُهُمْ أَلَمْ يَقُلْ اللَّهُ كَذَا وَكَذَا فَسَمِعَ ذَلِكَ رَسُولُ اللَّهِ  فَخَرَجَ كَأَنَّمَا فُقِئَ فِي وَجْهِهِ حَبُّ الرُّمَّانِ فَقَالَ بِهَذَا أُمِرْتُمْ أَنْ تَضْرِبُوا كِتَابَ اللَّهِ بَعْضَهُ بِبَعْضٍ إِنَّمَا ضَلَّتْ الأُمَمُ قَبْلَكُمْ فِي مِثْلِ هَذَا إِنَّكُمْ لَسْتُمْ مِمَّا هَاهُنَا فِي شَيْءٍ انْظُرُوا الَّذِي أُمِرْتُمْ بِهِ فَاعْمَلُوا بِهِ وَالَّذِي نُهِيتُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا
“কিছু মানুষ রাসূলুল্লাহ সা.-এর দরজায় বসে ছিলেন। তাদের কেউ বলেন, আল্লাহ কি একথা বলেন নি? আবার কেউ বলেন: আল্লাহ কি একথা বলেন নি? রাসূলুল্লাহ সা. একথা শুনতে পান। তিনি বেরিয়ে আসেন। তাঁর পবিত্র মুখমণ্ডল ক্রোধে লাল হয়ে যায়, যেন তাঁর মুখমণ্ডলে বেদানার রস ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তোমাদের কি এরূপ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে আল্লাহর কিতাবের এক অংশকে অন্য অংশের বিপরীতে দাঁড় করাবে? তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতগুলি এরূপ করার কারণেই বিভ্রান্ত হয়েছে। তোমাদের কাজ এটি নয়। তোমাদেরকে কি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা দেখ এবং তা পালন কর। যা তোমাদের নিষেধ করা হয়েছে তা বর্জন কর।” (আহমদ, আল-মুসনাদ ২/১৯৫। আলবানী, শুআইব আরনাউত প্রমুখ মুহাদ্দিস হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
অন্য হাদীসে রাসূলুল্লাহ ( সা.) বিতর্ক বা ঝগড়াকে হেদায়াতপ্রাপ্তদের বিভ্রান্ত হওয়ার মূল কারণ বলে উল্লেখ করেছেন। আবূ উমামা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেন:
مَا ضَلَّ قَوْمٌ بَعْدَ هُدًى كَانُوا عَلَيْهِ إِلاَّ أُوتُوا الْجَدَلَ
“কোনো সম্প্রদায়ের সুপথপ্রাপ্ত হওয়ার পরে বিভ্রান্ত হওয়ার একটিই কারণ যে, তারা ঝগড়া-বিতর্কে লিপ্ত হয়ে পড়ে।” (তিরমিযী ৫/৩৫৩ হাদীসটি হাসান সহীহ।)
এভাবে আমরা দেখছি যে, বাহাস, বিতর্ক বা ঝগড়াকে রাসূলুল্লাহ ( সা.) কঠিনভাবে নিষেধ করেছেন এবং উম্মাতের বিভ্রান্তির মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বাহ্যত এর অন্যতম কারণ, বিতর্ক ও ঝগড়ার মাধ্যমে ইসলামী ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্য বিনষ্ট হয়। ভ্রাতৃত্ব, ভালবাসা ও ঐক্য ইসলাম নির্দেশিত অন্যতম ফরয ইবাদত। এর বিপরীতে বিভক্তি, শত্রুতা ও বিদ্বেষ ইসলাম নিষিদ্ধ অন্যতম হারাম কর্ম। মহান আল্লাহ বলেন:
وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا وَاذْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ كُنْتُمْ أَعْدَاءً فَأَلَّفَ بَيْنَ قُلُوبِكُمْ فَأَصْبَحْتُمْ بِنِعْمَتِهِ إِخْوَانًا وَكُنْتُمْ عَلَى شَفَا حُفْرَةٍ مِنَ النَّارِ فَأَنْقَذَكُمْ مِنْهَا
“তোমরা আল্লাহ্র রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর ঐক্যবদ্ধভাবে এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। তোমাদের প্রতি আল্লাহ্র অনুগ্রহ স্মরণ কর: তোমরা ছিলে পরস্পর শত্র“ এবং তিনি তোমাদের হৃদয়ে প্রীতির সঞ্চার করেন, ফলে তাঁর অনুগ্রহে তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে। তোমরা অগ্নিকুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ্ তা থেকে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। (আল-ইমরান: ১০৩)
এ আয়াতে জামাআত (ঐক্যবদ্ধতা)-কে ‘তার্ফারুক’ (বিভক্তি বা দলাদলি)-র বিপরীতে ব্যবহার করা হয়েছে। এ থেকে জানা যায় যে, বিভক্তিমুক্ত ঐক্যের অবস্থাই জামাআত। এ আয়াত থেকে আরো জানা যায় যে, জামাআত বা ঐক্যের অবস্থাই উখুওয়াত বা ভ্রাতৃত্ব এবং পরস্পর সম্প্রীতির অবস্থা এবং ‘পরস্পর শত্রুতা’-র অবস্থাই তার্ফারুক বা দলাদলির অবস্থা। আরো জানা যায় যে, শত্রুতা ও দলাদলি জাহান্নামের প্রান্তে নিয়ে যায় এবং ঐক্য, পারস্পরিক ভালবাসা ও ভ্রাতৃত্ব তা থেকে রক্ষা করে।
অন্য আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন:
وَلا تَكُونُوا كَالَّذِينَ تَفَرَّقُوا وَاخْتَلَفُوا مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَهُمُ الْبَيِّنَاتُ وَأُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
“তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা তাদের নিকট স্পষ্ট নিদর্শন আসার পরে বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং মতভেদ করেছে, এদের জন্য রয়েছে মহা শাস্তি।” (সূরা আল-ইমরান: ১০৫ আয়াত)
অন্য আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন:
وَلا تَكُونُوا مِنَ الْمُشْرِكِينَ مِنَ الَّذِينَ فَرَّقُوا دِينَهُمْ وَكَانُوا شِيَعًا كُلُّ حِزْبٍ بِمَا لَدَيْهِمْ فَرِحُونَ
“এবং অন্তর্ভুক্ত হয়ো না মুশরিকদের, যারা নিজেদের দীনকে বিভক্ত করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে। প্রত্যেক দলই নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে উৎফুল্ল।” (সূরা রূম: ৩০-৩২ আয়াত)
অন্য আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু বলেন:
إِنَّ الَّذِينَ فَرَّقُوا دِينَهُمْ وَكَانُوا شِيَعًا لَسْتَ مِنْهُمْ فِي شَيْءٍ إِنَّمَا أَمْرُهُمْ إِلَى اللَّهِ ثُمَّ يُنَبِّئُهُمْ بِمَا كَانُوا يَفْعَلُونَ
“যারা তাদের দীনকে বিভক্ত করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে তাদের কোনো দায়িত্ব তোমার নয়; তাদের বিষয় আল্লাহর ইখতিয়ারভুক্ত। আল্লাহ তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে অবহিত করবেন।” (সূরা আন‘আম: ১৫৯ আয়াত)
এ সকল আয়াত নিশ্চিত করছে যে, বিভক্তি, দলাদলি বা ফিরকাবাজি ইসলাম নিষিদ্ধ ভয়ঙ্কর পাপ এবং তা মুশরিকদের কর্ম। আর এরূপ বিভক্তির মূল কারণ পারস্পরিক ‘বাগাওয়াত’ বা প্রাধান্য অর্জনের প্রবল আকাঙ্খা। পূর্ববর্তী উম্মাতগুলোর মতভেদ ও বিভক্তি প্রসঙ্গে কুরআন কারীমে বারবারই বলা হয়েছে যে, জ্ঞানের আগমনের পরেও তারা ‘বাগাওয়াত’ অর্থাৎ সীমালঙ্ঘন বা পারস্পরিক প্রাধান্য লাভের ইচ্ছার কারণে বিভক্ত হয়েছে।
আল্লাহ বলেন:
وَمَا تَفَرَّقُوا إِلَّا مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَهُمُ الْعِلْمُ بَغْيًا بَيْنَهُمْ
“তাদের নিকট ইলম আগমনের পরে পারস্পরিক বাড়াবাড়ি করেই শুধু তারা দলাদলি করেছে।” (সূরা শূরা ১৪ আয়াত)
যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেন:
دَبَّ إِلَيْكُمْ دَاءُ الْأُمَمِ قَبْلَكُمْ الْحَسَدُ وَالْبَغْضَاءُ هِيَ الْحَالِقَةُ لَا أَقُولُ تَحْلِقُ الشَّعَرَ وَلَكِنْ تَحْلِقُ الدِّينَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَا تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ حَتَّى تُؤْمِنُوا وَلَا تُؤْمِنُوا حَتَّى تَحَابُّوا أَفَلَا أُنَبِّئُكُمْ بِمَا يُثَبِّتُ ذَاكُمْ لَكُمْ أَفْشُوا السَّلَامَ بَيْنَكُمْ
“পূর্ববর্তী উম্মাতগণের ব্যাধি তোমাদের মধ্যে ধীরে ধীরে প্রবেশ করছে, সে ব্যাধি হলো হিংসা ও বিদ্বেষ। বিদ্বেষ মুণ্ডনকারী। আমি বলি না যে, তা মাথার চুল মুণ্ডন করে, বরং তা দীন মুণ্ডন করে। যারা হাতে আমার জীবন তার শপথ! ঈমানদার না হলে তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আর তোমরা পরস্পরকে ভাল না বাসলে ঈমানদার হবে না। আমি কি তোমাদেরকে সে বিষয়ের কথা বলব না যা তোমাদের মধ্যে পারস্পারিক ভালবাসা প্রতিষ্ঠিতি করবে। তোমাদের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও।” (তিরমিযী, আস-সুনান ৪/৬৬৪। আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন)
ঝগড়া বিতর্ক বাগাওয়াত বা একে অপরের উপর প্রাধান্য লাভের অন্যতম মাধ্যম। আর ঝগড়া বিতর্কের মাধ্যমেই হৃদয়ের ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি নষ্ট হয়। এজন্য কুরআন অধ্যয়নের মত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের ক্ষেত্রে মনের সম্প্রীতির ঘাটতি অনুভব করলে তা বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন রাসূলুল্লাহ ( সা.)।
তিনি বলেন
اقْرَءُوا الْقُرْآنَ مَا ائْتَلَفَتْ قُلُوبُكُمْ ، فَإِذَا اخْتَلَفْتُمْ فَقُومُوا عَنْهُ
“তোমরা কুরআন পাঠ কর যতক্ষণ তোমাদের অন্তরগুলো মিল-মহব্বতে থাকবে। যখন তোমরা মতভেদ করবে তখন উঠে যাবে।” (বুখারী (৬৯-কিতাব ফাযয়িলিল কুরআন, ৩৭- ইকরাউল কুরআন..) ৪/১৯২৯; মুসলিম (৪৭-কিতাবুল ইলম, ১-বাবুন নাহয়ি আন ইত্তিবায়ি…) ৪/২০৫৩)
এ হাদীস থেকে আমরা বুঝতে পারি, কুরআন অধ্যয়নের মাজলিস বা ইলম শিক্ষা, গবেষণা, অনুসন্ধান, ইলমী আলোচনা ইত্যাদির মাজলিসেও যদি বিতর্কের সূত্রপাত হয় বা পারস্পরিক সম্প্রীতির ঘাটতির ভয় দেখা যায় তবে তা তৎক্ষণাৎ বন্ধ করতে হবে। কারণ এ সকল মাজলিসের ফযীলত বা বরকত অর্জনের চেয়ে মুমিনদের হৃদয়ের সম্প্রীতি রক্ষা করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।
ইসলামের প্রথম যুগগুলো দিকে তাঁকালে আমরা দেখি যে, সাহাবী-তাবিয়ীগণের যুগে কখনোই তাঁরা পরস্পরে ‘বিতর্ক’ বা ‘বাহাসে’ লিপ্ত হন নি। বিভিন্ন সময়ে মতভেদের ক্ষেত্রে পরস্পরে একে অপরের দলিল জানার চেষ্টা করেছেন বা নিজের দলিলটি ব্যাখ্যা করেছেন। আব্বাসী যুগে মুতাযিলীগণের প্রাদুর্ভাবের মাধ্যমেই ধর্মীয় বাহাস বা বিতর্কের প্রসার ঘটতে থাকে। প্রথম পর্যায়ে এটি ছিল মুতাযিলী ও অন্যান্য বিদআতী ফিরকার মূল কর্ম। ক্রমান্বয়ে তা মূলধারার মুসলিমদের মধ্যেও প্রবেশ করে।
মহান আল্লাহই ভাল জানেন।
সালাত ও সালাম তাঁর খালীল মুহাম্মাদ সা., তাঁর পরিজন ও সহচরদের উপর, প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর নিমিত্ত।

Address

Dhaka
Dhaka
1204

Telephone

+966571583542

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deen Insight posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Deen Insight:

Shortcuts

Share