All Hindu Friends Club অল হিন্দু ফ্রেন্ডস ক্লাব

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • All Hindu Friends Club অল হিন্দু ফ্রেন্ডস ক্লাব

All Hindu Friends Club অল হিন্দু ফ্রেন্ডস ক্লাব সবাইকে হরে কৃষ্ণ এবং আমাদের পেইজে ধর্মীয় সকল তথ্য পেতে শেয়ার করুন। আপনার কোন অভিযোগ থাকলে আমাদেরকে এসএমএস করে জানান।

🌸 একটু সময় থাকলে একবার বলুন— 💙 হরে কৃষ্ণ 💙
13/07/2026

🌸 একটু সময় থাকলে
একবার বলুন—
💙 হরে কৃষ্ণ 💙

জয় রাম শ্রী রাম  #শ্রী  #মহাকাল    #সনাতন_ধর্ম  #শনিদেব    #শ্রী_কৃষ্ণ  #মহাকাল_ভৈরব
13/07/2026

জয় রাম শ্রী রাম

#শ্রী #মহাকাল #সনাতন_ধর্ম #শনিদেব #শ্রী_কৃষ্ণ #মহাকাল_ভৈরব

17/01/2026

"মৃত্যু যন্ত্রণা"
এমন একটা সময় আসবে যখন আপনি শেষ যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকবেন। তখন হাত পা গুলো আর কাজ করবেনা।শরীরটা কেমন সম্পূর্ণরূপে অবশ হয়ে আসতে থাকবে। চারদিকে অন্ধকার অনুভূত হবে। শেষ নিঃশ্বাস বেরিয়ে যাবার আশায় শ্বাস নালীটা কেমন কাতর হতে থাকবে। অন্ধকার সেই মুহূর্তে সঙ্গী হবে আপনার।পৃথিবীর কোন কিছুই সেই মুহূর্তটায় আপনাকে আকর্ষণ করবে না। ফেলে আশা দিনগুলো তখন আপনার হৃদয়ে পিছু ডাকতে থাকবে। অজানা কোন এক জগতে যাওয়ার মাঝখানে তখন একমাত্র বাঁধা থাকবে আপনার নিঃশ্বাসটা। আর সেটা কোনক্রমে বের হবেই। আর তখনই সব শেষ। হ্যাঁ আর কিচ্ছু নেই…….. আমি সেই মুহুর্তটার কথাই বলছি। যেই মুহুর্তের অংশ গ্রহণ প্রত্যেককেই করতে হবে। আর সেই পরম ভয়ংকর যন্ত্রণাদায়ক মূহুর্তটি হলো মৃত্যুর পূর্ব মূহুর্ত। যে কোন মুহুর্তেই এই মুহুর্ত হাজির হবে আপনার আমার সবার জীবনে।তখন আর কিছুই করার থাকবে না। ঈশ্বরের আরাধনার প্রকৃত সময় এটাই। অনেকেই বলে ধর্ম কর্ম করার সময় এখনো হয়নি। এসব বুড়োকালের জন্য। আচ্ছা আপনি যে বৃদ্ধ হবেন তার কোন গ্যারান্টি আছে কি ? আপনার যৌবনকাল পার হবে কোন গ্যারান্টি আছে কি ? নেই………. যে কোন মুহুর্তেই আমাদেরকে সাড়া দিতে হবে সেই শেষ যন্ত্রণার ডাকে।আর আপনি যদি বেঁচে থাকা কালে পরমেশ্বর ভগবানের আরাধনা না করেন, ভগবানকে স্মরণ না করেন,তবে শেষ সেই মুহুর্তটিতে ও আপনার ভগবানকে স্মরণ হবে না। কেন না একজন খেলোয়ার কে যেমন চূড়ান্ত ম্যাচে খেলার জন্য পূর্বে থেকেই বার বার অনুশীলন করতে হয়,একজন শিক্ষার্থীকে যেমন চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য অনেক পূর্বে থেকেই ভালো ভাবে পড়ালেখা করতে হয়, তেমনি জীবনের শেষ মুহুর্তে ভগবানকে স্মরণ করতে হলে আমাদের কে অবশ্যই পূর্বে থেকেই ভগবানের আরাধনা অনুশীলন করতে হবে, ভগবানকে স্মরণ করতে হবে। আর ভগবান আরাধনার সেই পূর্ব বার্ধক্যকাল নয়,সেই পূর্ব জীবনের যে কোন সময়।কেননা মৃত্যু সর্বদাই আমাদের ডাকছে।যে কোন মুহুর্তেই আমাদেরকে অবশ্যই সেই ডাকে সাড়া দিতে হবে। আর তখন কেউ কারো সঙ্গী হবে না। পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তখন আমাদের সঙ্গী হবেন যদি আমরা ইহকালে ভালো কাজ করতে পারি,সাধন ভজনে নিজে কে সঠিক রূপে নিয়োজিত করতে পারি। সব শেষে মনে রাখবেন, ধর্ম কর্ম বার্ধক্যের জন্য কেবল নয়,ধর্ম কর্ম জীবনের প্রতিটি মুহুর্তের জন্য। কেন না মৃত্যু যন্ত্রণা সর্বদাই ডাকছে আপনাকে আমাকে সকলকে।।
তাই সকলে মুখে হরিনাম জপ করি....
"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
"হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে"।।

17/01/2026

কুঞ্জে একাকিনী চঞ্চলা রাধা
===================
ঐ বুঝি আসে সখা
ঐ বুঝি আসে রে।
আসে কি মোর কালো শশী
কুঞ্জের মাঝে রে।।
নয়ন পিয়াসী মোর
আছি গো চাহিয়া ।
পিয়াস পুরাও হে কান্ত
দরশন দিয়া ।।
অনুনয় করি গো বন্ধু
কহি বারবার।
কোথায় আছ হে নাথ
এসো একটি বার। ।
পথ পানে চাহি রয়
পলক না সরে।
চাওয়া শুধু সার হয়
মিলে না যে হরে।।
কাতরে ডাকিছে প্রিয়া
কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলি।
দেখা দাও মধুসূদন
শ্যাম বনমালী।।
মুকুরে হেরিল ধনি
আপনা বদন।
আবেগে চঞ্চল হিয়া
সজল নয়ন।।
না আসিয়া মাধব তুমি
দিলে বড় লজ্জা।
কিসের লাগিয়া তবে
এই ফুল শয্যা।।
খুলিয়া ফেলিল যত
সাজ অলঙ্কার।
সাধের বাসক সজ্জা
করে ছারখার।।
ক্ষণিকে শ্রবনে পশে
মরমর ঝরঝর।
অনুমানে হয় বুঝি
আমার নাগর।।
মোহিত হইল রাই
আশা জাগে মনে।
বিলাসিত হয়ে পূনঃ
সাজে আভরণে।।
পুনরায় শয্যা রচি
পুনঃ আসি দ্বারে।
উদ্বিগ্ন আঁখি দ্বয়
খোঁজে নটবরে।।
কোথায় রহিলে সখা
কোথা প্রাণপতি।
একটি বার দেখা দাও হে
অগতির গতি।।
কৃষ্ণ প্রিয়া লোকে বলে
নাম বিনোদিনী।
প্রেমের কাঙালী আমি
শ্যাম সোহাগিনী।।
কোন মতে আশা আজ
করিও না ভঙ্গ।
এসো হে প্রাণপ্রিয়
দিও আজ সঙ্গ।।
কথা দিয়ে কথা যদি
নাহি রাখ হরি।
কেমনে একাকী কুঞ্জে
পোহাই বিভাবরী।।
তথাপি আসে না আজ
মদনমোহন।
হা কৃষ্ণ হা কৃষ্ণ বলে
করিছে রোদন।
বড় অভিমান হয়
বড়ই যাতনা।
প্রিয়ার দুঃখ কি গো
বুঝেও বুঝ না।।
পুনঃ প্রবেশি কুঞ্জে
পুনঃ আসি দ্বারে।
নয়ন সলিলে ভাসে
গোবিন্দ না হেরে।।
খসখস মসমস যাহা
শুনিল আওয়াজ।
তবে কি আসিছে এবার
মোর রসরাজ।।
কত যে কল্পনা করে
কত যে ভাবনা।
হৃদয়ে মাধব হেরে
নয়নে মিলে না।।
ভাগ্য এমন মন্দ
দুঃখ চির সাথী।
সাধের ফুল শয্যায়
বিরহের রাতি।
বিনোদ ফুলের শয্যা
রাখিলাম পাতিয়া
শরশয্যা হয়ে দেহে
যায় গো বিঁধিয়া।।
সেই বাণে তনু মোর
ক্ষতবিক্ষত।
কেমনে আপনা বল
রাখিব সংযত।।
কাঁপিছে অধর আজ
নীরব রসনা।
শুকিয়ে যায় কণ্ঠ
বচন সরে না।।
বিদারিয়া যায় বক্ষ
নাহি যায় আশা।
দুঃখ যন্ত্রনায় ভরা
প্রেম ভালবাসা।।
কেন যে এমন হয়
বুঝিতে পারি না।
মিলনের মাঝে কেন
এত বিড়ম্বনা।।
না জানি নন্দরাণী
পাইল আভাস।
লুকাইল নীলমণি
আপনার পাশ।।
পথে একা পেয়ে বুঝি
কোন ব্রজাঙ্গনা।
হরণ করিয়া নিল
মোর কালোসোনা। ।
অথবা পাইল প্রিয়
অধিক রূপসী।
সে রূপে মজিয়া ভুলে
আপন প্রেয়সী ।।
হয়তো কারুর সঙ্গে
ছিল মোর বাদ।
সুযোগ বুঝিয়া আজ
মিটাইল সাধ।।
কেন হেন চিন্তা হয়
কেন ভাবি মন্দ।
কেনই বা মনে মোর
জাগে এত সন্দ।।
কে আর বাসে ভাল
আমার অধিক।
যদি কভু এমন হয় গো
ধিক্ মোরে ধিক্।।
আঁখির সম্মুখে নিশি
যায় গো চলিয়া।
কুঞ্জে প্রবেশিল ধনি
কাঁদিয়া কাঁদিয়া।।
ক্ষোভে অপমানে ভালে
করে করাঘাত।
কেন এত শাস্তি দিলে
কি মোর অপরাধ।।
উচ্চ স্বরে কাঁদে প্রিয়া
করে হাহাকার।
লোচনে ঝরিছে বারি।
ভিজে একাকার।।
অদূরে যমুনা বহে
করে কুলুকুলু।
রাত্রি জাগরণে
ধনির আঁখি ঢুলুঢুলু।।
তন্দ্রায় আছন্ন হইল
যুগল নয়ন।
একাকী বাসরে প্রিয়া
করিল শয়ন।।

17/01/2026

হিন্দুরা কেন গো মাংস ভক্ষন করে না?

হিন্দু শ্রাস্ত্র বেদ নির্ভর। বেদ হলো ইশ্বর বাক্য। যা অলঙ্ঘনীয়। বেদ ঈশ্বর প্রদত্ত আদেশ নির্দেশনা কি করে জীবন আচরণ করবো তা মুলত স্মৃতি দ্বারা বুঝা য়ায়।।

প্রথমে আসি বেদ কি বলে?
প্র নু বোচং চিকিতুষে জনয়া,মা গামনাগা মদিতিং বধিষ্ট।।(ঋগবেদ ৮/১০১ / ১৫।)
- ঈশ্বর বলছেন, আমি জ্ঞানবান কে বলছি যে তোমারা নিরপরাধ গো জাতিকে হত্যা করো না।।

এখন তথাকথিত বুদ্ধি জীবিরা বলবে এখানে হত্যা করতে নিষেদ করছে। খেতে তো নয়! আরে ভাই যাকে কাটা যাবে না তাকে খাবার তো প্রশ্ন আসে না। বেদের এই বাক্যর পূর্ন ব্যাখ্যা আছে স্মৃতি তে। যা আমাদের আদি পিতা মনু ও বাকী ১৮ জন বেদবিদ মহর্ষি গণ দ্বারা ব্যাখ্যা করা।।
আসুন দেখি কি বলে স্মৃতি-

ব্রক্ষহত্যা সুরাপানং স্তেয়ং গুর্ববঙ্গনাগমঃ।
মহান্তি পাতকান্যাহুঃ সংসর্গশ্চাপি তৈঃ সহ।।

মনু। ব্রাম্মহত্যা (মানুষ ও গো হত্যা),মদ পান,চৌর্য, কন্যা,মাতৃ স্থানীয় নারী সংঙ্গম এই চারটি মহাপাতক। যারা এই কর্ম করে তাদের সাথে বাস করা শয়ন উপবেশন করলে সেও মহা পাপী।। তাই বলা যায় গো হত্যা নিষেধ।।

এবার আসি গোমাংসভোজী হলে কি করতে হয়?

গোমাংস ভক্ষনে প্রাজাপত্যং চরেদিতি।।

সমন্ত স্মৃতি।। অনিচ্ছা পূর্বক গো মাংস একবার ভক্ষনে প্রজাপত্য ব্রত করিবে।

গো অশ্ব বারহ কুন্জারোষ্টী চ সর্বং পন্চনখ তথা।।

ক্রব্যাদং কুক্কুটং গ্রাম্য কুর্যাৎ সংবৎসর ব্রতমিতি।।

শঙ্খ সংহিতা।। গরু, অশ্ব, শুকর, হাতি গ্রাম্য কুক্কুটাদি মাংস ভোজন করলে সম্বৎসর ব্রত করিবে।। সুতরাং এখানে স্পষ্ট বুঝা যায় কোন কোন মাংস আমাদের খাওয়া যাবে না।।

যেহেতু বেদ ও স্মৃতি দুই গো হত্যা ও খাওয়া নিষেদ তাই আমরা হিন্দুরা গো মাংস খাই না।। আর কেউ যদি গো ঘাতক হয় তার শাস্তি কি?
যদি নো গাং হংসি যদ্যশ্বং যদি পুরুষম।।

তং ত্বা সীসেন বিধ্যামো যথা নোহসো অবীরহা।।(অর্থববেদ ১/ ১৬/ ৪)

আর তুমি যদি আমাদের গরু অশ্ব ও প্রজাদিগকে হিংসা করো বা হত্যা করো তবে তোমাকে সীসা দ্বারা বিদ্ধ করিব। আমাদের সমাজের মধ্যে যেন বীরদের বিনাশকারী কেহই না থাকে।। এখানে বলা হচ্ছে যদি কেউ গো ও মানব হত্যা করে ইচ্ছা করে তাকে সীসা বিদ্ধ করতে।।

এবার আসি আমরা গো মাংস খাইনা তবে কেন গো চামড়ার জুতা পরি?

আসলে বেদ ও বৈদিক সমাজ বা সমগ্র আর্যার্বত বা সিন্ধু সভত্্যা গো চামড়ার জুতা পরা হতো না।। ঐ সময় হতে এখন পর্যন্ত হিন্দু সমাজের লোকজন খরম বা চটি পরতো।। কাঠের তৈরী জুতা কে খরম ও ভেড়ার বা মোষের চামড়ার তৈরী জুতা কে চটি বলে।। কিন্তু দূর্ভাগ্য বশত এখন আধুনিকতা নামে প্রাচ্য সভ্যতার ক্রমবিকাশে এখন গো চামড়ার জুতা অনেক হিন্দু পরে।।। কারন এখন এটা না পরে যবন সভত্যার সাথে সখ্যতা থাকেনা।। তাই অনেকে তা পরে। তবে আজ আর্যার্তের ধর্ম গুরু গণ বা সন্নাসী গণ খরম ব্যাবহার করে।

চমড়ার জুতা নয়।

Address

Dhaka

Telephone

+60146669317

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when All Hindu Friends Club অল হিন্দু ফ্রেন্ডস ক্লাব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to All Hindu Friends Club অল হিন্দু ফ্রেন্ডস ক্লাব:

Shortcuts

Share