17/01/2026
"মৃত্যু যন্ত্রণা"
এমন একটা সময় আসবে যখন আপনি শেষ যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকবেন। তখন হাত পা গুলো আর কাজ করবেনা।শরীরটা কেমন সম্পূর্ণরূপে অবশ হয়ে আসতে থাকবে। চারদিকে অন্ধকার অনুভূত হবে। শেষ নিঃশ্বাস বেরিয়ে যাবার আশায় শ্বাস নালীটা কেমন কাতর হতে থাকবে। অন্ধকার সেই মুহূর্তে সঙ্গী হবে আপনার।পৃথিবীর কোন কিছুই সেই মুহূর্তটায় আপনাকে আকর্ষণ করবে না। ফেলে আশা দিনগুলো তখন আপনার হৃদয়ে পিছু ডাকতে থাকবে। অজানা কোন এক জগতে যাওয়ার মাঝখানে তখন একমাত্র বাঁধা থাকবে আপনার নিঃশ্বাসটা। আর সেটা কোনক্রমে বের হবেই। আর তখনই সব শেষ। হ্যাঁ আর কিচ্ছু নেই…….. আমি সেই মুহুর্তটার কথাই বলছি। যেই মুহুর্তের অংশ গ্রহণ প্রত্যেককেই করতে হবে। আর সেই পরম ভয়ংকর যন্ত্রণাদায়ক মূহুর্তটি হলো মৃত্যুর পূর্ব মূহুর্ত। যে কোন মুহুর্তেই এই মুহুর্ত হাজির হবে আপনার আমার সবার জীবনে।তখন আর কিছুই করার থাকবে না। ঈশ্বরের আরাধনার প্রকৃত সময় এটাই। অনেকেই বলে ধর্ম কর্ম করার সময় এখনো হয়নি। এসব বুড়োকালের জন্য। আচ্ছা আপনি যে বৃদ্ধ হবেন তার কোন গ্যারান্টি আছে কি ? আপনার যৌবনকাল পার হবে কোন গ্যারান্টি আছে কি ? নেই………. যে কোন মুহুর্তেই আমাদেরকে সাড়া দিতে হবে সেই শেষ যন্ত্রণার ডাকে।আর আপনি যদি বেঁচে থাকা কালে পরমেশ্বর ভগবানের আরাধনা না করেন, ভগবানকে স্মরণ না করেন,তবে শেষ সেই মুহুর্তটিতে ও আপনার ভগবানকে স্মরণ হবে না। কেন না একজন খেলোয়ার কে যেমন চূড়ান্ত ম্যাচে খেলার জন্য পূর্বে থেকেই বার বার অনুশীলন করতে হয়,একজন শিক্ষার্থীকে যেমন চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য অনেক পূর্বে থেকেই ভালো ভাবে পড়ালেখা করতে হয়, তেমনি জীবনের শেষ মুহুর্তে ভগবানকে স্মরণ করতে হলে আমাদের কে অবশ্যই পূর্বে থেকেই ভগবানের আরাধনা অনুশীলন করতে হবে, ভগবানকে স্মরণ করতে হবে। আর ভগবান আরাধনার সেই পূর্ব বার্ধক্যকাল নয়,সেই পূর্ব জীবনের যে কোন সময়।কেননা মৃত্যু সর্বদাই আমাদের ডাকছে।যে কোন মুহুর্তেই আমাদেরকে অবশ্যই সেই ডাকে সাড়া দিতে হবে। আর তখন কেউ কারো সঙ্গী হবে না। পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তখন আমাদের সঙ্গী হবেন যদি আমরা ইহকালে ভালো কাজ করতে পারি,সাধন ভজনে নিজে কে সঠিক রূপে নিয়োজিত করতে পারি। সব শেষে মনে রাখবেন, ধর্ম কর্ম বার্ধক্যের জন্য কেবল নয়,ধর্ম কর্ম জীবনের প্রতিটি মুহুর্তের জন্য। কেন না মৃত্যু যন্ত্রণা সর্বদাই ডাকছে আপনাকে আমাকে সকলকে।।
তাই সকলে মুখে হরিনাম জপ করি....
"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
"হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে"।।