Amra muslim

Amra muslim এসো ইসলাম প্রচার করি��

- দাদা, পুজো দেখতে যাবেন না?- না ভাই, সেটাতে আমার ধর্মে মানা আছে।- কেন?- আমরা যখন গরু কুরবানি করি, সেই জায়গায় আপনাদের যা...
02/10/2022

- দাদা, পুজো দেখতে যাবেন না?

- না ভাই, সেটাতে আমার ধর্মে মানা আছে।

- কেন?
- আমরা যখন গরু কুরবানি করি, সেই জায়গায় আপনাদের যাওয়া নিষেধ না?

- হ্যাঁ নিষেধ। সে স্থানে ভগবানের অভিশাপ পরে।

- ঠিক তেমনি, অন্য ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জায়গায় যাওয়া আমাদের জন্যও নিষেধ। আমার ধর্মমতে পুজোর স্থানে আল্লাহর গজব নাজিল হতে থাকে।

হজরত উমর (রা) বলেছেন, "তোমরা মুশরিকদের উপসনালয়ে তাদের উৎসবের দিনগুলোতে প্রবেশ করোনা। কারন সেই সময় তাদের উপর আল্লাহর গজব নাজিল হতে থাকে"। (বায়হাক্বী)

যে স্থানে আল্লাহর গজব নাজিল হয় আমার ধর্মমতে, সেখানে যাই কি করে?

- ঠিক আছে, পুজো উপলক্ষ্যে প্রসাদ খেতে তো পারবেন ?

- আপনার বাসায় অন্য যেকোনো সময় দাওয়াত খেতে যেতে পারব। এ বিষয়ে মানা নেই। কিন্তু পুজো উপলক্ষ্যে কিছু খেতে পারব না।

- ব্যাপারটা একটু অন্য রকম হয়ে গেল না?

- ধরুন, কুরবানি ঈদের দাওয়াত দিয়ে আমি আপনাকে গরুর মাংস খেতে বললাম। আপনি কি খাবেন?

- না, অবশ্যই খাব না।

- ঠিক তেমনি কিছু কিছু জিনিস আমাদের জন্যও ধর্মমতে খাওয়া নিষিদ্ধ (হারাম)। যেমন- মদ, শুকুরের গোশত, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে জবেহ করা গোশত, অন্য ধর্মের ধর্মীয় উৎসবের খাবার ইত্যাদি। সব ধর্মেরই নিষিদ্ধ কিছু বিষয় থাকে যা মানতে হয়।

- কিন্তু ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।

- ওটা হয়তো অন্যদের জন্য হতে পারে, কিন্তু আমাদের জন্য না। অন্য ধর্মের অনুষ্ঠানে গেলে যেখানে আমার নিজেরই ধর্ম থাকছে না, সেখানে যার যার ধর্ম কথাটা নিয়ে কি করব?

- বুঝিনি, একটু বুঝিয়ে বলুন।

- মানে হল, ইসলাম ধর্মের মূলনীতি অনুযায়ী অন্য কারো ধর্মের উৎসবে স্বেচ্ছায় আনন্দের সাথে যোগদান করার অর্থই হল আল্লাহর সাথে শিরকের কাজে নিজেকে জড়িয়ে ফেলা। আর আল্লাহ সব গুনাহই মাফ করে দিবেন, একমাত্র শিরকের গুনাহ ছাড়া।

আল্লাহ বলেন “নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তার সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করবেন না। এ ছাড়া অন্য সকল গুনাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করে দিবেন।” (সুরা নিসা: ৪৮)

- তাহলে আপনি কি অন্যদের অপছন্দ করেন?

- সেটা করব কেন? যার ধর্ম তার কাছে। আর ইসলাম এটাও শিক্ষা দেয়, অন্যদেরকে তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে কোন প্রকার বাধা না দিতে। আমি প্রয়োজনে আপনাদের নিরাপত্তা দিব, পাহারা দিব, কেউ বিপদগ্রস্থ হলে তাকে সাহায্য করার জন্য ঝাঁপিয়ে পরব, অসুস্থ হলে চিকিৎসা দিব। এতে আমার আপত্তি নেই।

কিন্তু সব ধর্মেরই কিছু বিধি নিষেধ থাকে। আপনার ধর্মেও আছে, আমার ধর্মেও আছে, সেগুলো তো মানা উচিত।

- তাহলে কি আপনি আমার বাসায় কখনো দাওয়াত খাবেন না?

- খাব না কেন? অন্য একদিন আপনার বাসায় দাওয়াত দিয়েন। আমি গিয়ে খেয়ে আসব। সেটাতে কোন বিধি নিষেধ নেই।

আমাদের নবীজিও (সা) অন্য ধর্মের লোকদের বাসায় গিয়ে খেয়ে এসেছেন। এক ইহুদী উনাকে দাওয়াত দিয়েছিল, উনি গিয়ে খেয়েছিলেন। আর অবশ্যই আমার বাসায় আপনারো নেমন্ত্রন থাকল।

- কিন্তু ব্যাপারটা একটু সাম্প্রদায়িক হয়ে গেল না?

- অসাম্প্রদায়িকতা মানে এটা নয় যে আপনি আমার মসজিদে গিয়ে আমাদের নামাজ পরা দেখবেন, আর আমি আপনার পুজো মণ্ডপে গিয়ে পুজো করা দেখব। এটা অসাম্প্রদায়িকতা নয়, এটা অধার্মিকতা। এতে আপনার ধর্মও থাকবে না, আমার ধর্মও থাকবে না।

আমি আপনাকে সম্মান করি, আপনি আমাকে করেন, অথচ দুজন দু'ধর্মের। আমি আপনার কাছে নিরাপদ, আপনি আমার কাছে নিরাপদ। আপনার বিপদে আমি এগিয়ে আসব, আমার বিপদে আপনি এগিয়ে আসবেন। দেশের যেকোনো আপদ বিপদে একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলে কাজ করব।

একজন মানুষ হিসেবে, একজন বাংলাদেশী হিসেবে একে অন্যের প্রতি এই যে সম্মান, এটাই হল প্রকৃত অসাম্প্রদায়িকতা। :)

রিজিক খুব গভীর একটি বিষয় যদি আমরা বুঝতে পারি"‼️🌼আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লি...
02/10/2022

রিজিক খুব গভীর একটি বিষয় যদি আমরা বুঝতে পারি"‼️🌼

আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত।

আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটাও লিখিত। একটি দানাও কম না আবার একটি দানা বেশিও না।

ধরেন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে ১ কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তায়ালা নিয়েছেন।

আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত কিন্তু আমার।

যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তায়ালার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়েই ঐ ১ কোটি টাকা আয় করে তারপর আমি মারা যাবো আবার হারাম উপায়ে হলেও ঐ ১ কোটিই... নাথিং মোর অর নাথিং লেস (Nothing more or nothing less)!!!

আমি যেই ফলটি আজকে ঢাকায় বসে খাচ্ছি, সেটা হয়তো ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড বা অন্য কোন দেশ থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল হয়েছে, তখনই এটা নির্ধারিত যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি, কিনে নি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিজিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।

এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না। রিজিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।

রিজিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!

কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিজিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তায়ালা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ্‌...

কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিজিকের ভাগই খাচ্ছে।

আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তায়ালার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি।

আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদের সঠিক পথ ও রিজিক এর তৌফিক দান করুন, আমিন।।।

(\_/)
( °.° )
/>❤️👉HM Monir Ahmed

একটা ছেলে বিয়ের পর প্রতিদিন  স্ত্রীকে অনেক যত্ন করে।তারপর ও স্ত্রীর মন পায় না।সে প্রতিদিন স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করে খেয়েছে ক...
29/09/2022

একটা ছেলে বিয়ের পর প্রতিদিন স্ত্রীকে অনেক যত্ন করে।তারপর ও স্ত্রীর মন পায় না।সে প্রতিদিন স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করে খেয়েছে কি না।কখন কি করছে।ভালবাসি এই কথাটা দিনে বেশ কয়েকবার বলে।বউয়ের জন্য ছোট ছোট গিফট আনে।ব্লা ব্লা ব্লা।

অথচ সে তার মায়ে কে ফোন দিয়ে জিজ্ঞাসা করে না।মা তুমি সকালে নাস্তা করেছ কি না।দুপুরে খেয়েছ কি না।মেডিসিন নিয়েছ কি না।মা আমি তোমাকে ভালবাসি এই কথাটা হয়তো লাস্ট কবে বলেছে তার ও মনে নেই।

অথচ সব থেকে বেশি হকদার মা। এবং কি স্ত্রী থেকেও বেশি হকদার।

স্ত্রী সব সময় চায় তার স্বামীর ফাস্ট প্রায়োরিটির মানুষ সে হতে।সে চায় তার স্বামীর প্রতিটি ফ্রি সময়ের অলিগলিতে উড়ে বেড়াতে।

অথচ একজন আদর্শ স্ত্রীর কতব্য তার স্বামী কে বার বার রিমাইন্ডার করে দেওয়া।তার মায়ের বিষয়ে যেন যত্নশীল বেশি হয়।অথচ বর্তমানে ৯৯% মেয়েরা চায় তার স্বামী কে শ্বাশুড়ি থেকে আলাদা করতে।

একজন মা যখন তার সন্তান থেকে পর্যাপ্ত সময়, যত্ন, ভালবাসা না পায়।তখনই ছেলের বউয়ের সাথে অশান্তি করেন।অথচ মায়ের দিক টা কেউ বিবেচনা করেনা।

২৫/৩০ বছর মা সন্তান কে আগলে রাখে।বাসায় যদি একটা বিড়াল লালন পালন করেন আপনি।যদি দেখেন হঠাৎ করে অন্য কাউকে আপনার থেকেও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বিড়ালটা তখন আপনার ও মন খারাপ হবে।বিড়ালের উপর রাগ উঠবে।কারণ এত যত্ন করে এত কষ্ট করে এত বছর লালন পালন করার পর সে এখন অন্যকে আপনার থেকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে!অথচ একজন পুরুষ তো একজন মায়ের গর্ভ থেকে আসেন।

দিন শেষে প্রতিটি পুরুষের উচিত মধ্যপ্রন্থা অবলম্বন করার পাশাপাশি তার ফাস্ট প্রায়োরিটি যেন মা হয়।

অহ আমার আল্লাহ, আপনি আমাদের প্রত্যেকে পিতামাতার খেদমত করার তৌফিক দান করুন।

যাদের রাতে ঘুমাতে দেরি হয়, তাদের জন্য‼️ অনুগ্রহ পূর্বক একটু পড়ুন,ফায়দা হবে ইনশাআল্লাহ।এক ব্যক্তি হযরত ইব্রাহিম ইবনে আদ...
29/09/2022

যাদের রাতে ঘুমাতে দেরি হয়, তাদের জন্য‼️ অনুগ্রহ পূর্বক একটু পড়ুন,ফায়দা হবে ইনশাআল্লাহ।
এক ব্যক্তি হযরত ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) এর সাথে তর্ক করছিলো যে- 'বরকত' বলতে কিছুই নেই।
তিনি বললেন, তুমি কি ছাগল ও কুকুর দেখেছো?
লোকটি বলল, জি দেখেছি।
শায়খ লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন- বলতো কুকুর আর ছাগল এর মধ্যে কে বেশি বাচ্চা দেয়?
লোকটি বললো, কুকুর।
শায়খ বললেন, এদের মধ্যে তুমি কোন জন্তুটিকে
বেশি দেখতে পাও, কুকুর না ছাগল?
লোকটি বললো, ছাগল।
শায়খ ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) বললেন,
"ছাগলকে জবেহ করা হয়, এরপর ও ছাগলের
সংখ্যায় বেশি দেখা যায়, কমে না।
এটা কি বরকত নয়?
লোকটি বললো, এর কারণ কি- ছাগলের মধ্যে
বরকত হয়, আর কুকুরের মধ্যে বরকত হয় না?
শায়খ বললেন, ছাগল সন্ধ্যা হতেই ঘুমিয়ে যায়, আর ভোরে জাগ্রত হয়, এই সময়টাই হয় রহমত ও বরকত বর্ষণের মুহূর্ত। ফলে তার মধ্যে বরকত হয়।
আর কুকুর সারা রাত জাগ্রত থাকে ফজরের আগে ঘুমায়। তাই সে বরকত থেকে বঞ্চিত থাকে।
একটু_চিন্তার_বিষয়,
নবীজি (সঃ) এর সুন্নাত হলো- এশার নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যাওয়া। শেষ রাতে জাগ্রত হয়ে তাহাজ্জুদ পড়া, কেননা আল্লাহ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে প্রথম আসমানে নেমে এসে বান্দাদের কে দোয়া করার জন্য ক্ষমা চাওয়ার জন্য ডাকতে থাকেন।
আর আমরা? সাড়া রাত মোবাইলে, ইন্টারনেটে
হারাম কাজে ব্যস্ত থেকে ঠিক এই সময়ে ঘুমিয়ে পড়ি। আর ফজরের তো খবরই নেই।
অথচ রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেন, ফজরের কেবল দুই রাকাত সুন্নাত সালাত পৃথিবী এবং এর মধ্যে যা আছে সবকিছুর চাইতে উত্তম, সুবহানআল্লাহ। তাহলে দুই রাকাত ফরজের কতটা মর্যাদা হতে পারে? এমন অতি মূল্যবান সময় আমরা ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেই। তাহলে আমাদের কাজ কর্মে আল্লাহ বরকত দিবেন কিভাবে?
আবার আমরাই দোয়া করে অস্থির হয়ে যাই আর ভাবি - আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করেন না কেনো?
আবার গবেষণায় দেখা গেছে দীর্ঘদিন রাত জাগলে শরীরে আটটি মারাত্মক রোগ হতে পারে
১ উচ্চ রক্তচাপ
২, হার্টের মারাত্মক ক্ষতি
৩ ব্রেনের পাওয়ার কমে যাওয়া
৪,আয়ু কমে যাওয়া
৫, মানসিক অবসাদ বৃদ্ধি পাওয়া
৬, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যাওয়া
৭, ত্বকের সৌন্দর্য কমে যাওয়া
৮ ওজন বৃদ্ধি পাওয়া ,এতে শারীরিক গঠন ও নষ্ট হতে পারে।
তাই আসুন আমরা এখনই নিজেকে পরিবর্তন করি, আল্লাহর বিধান সমূহকে যথাযথভাবে গুরুত্বের সাথে পালন করি। তাহলে আশা করা যায়, তিনি আমাদের দোয়

29/09/2022

মাদ্রাসার জীবন সেষ্ট জীবন❤️❤️

26/09/2022

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amra muslim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Amra muslim:

Share