An Najiah Media - আন নাজিয়াহ মিডিয়া

An Najiah Media - আন নাজিয়াহ মিডিয়া Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from An Najiah Media - আন নাজিয়াহ মিডিয়া, Religious Center, Dhaka.

ওহে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি আল্লাহকে ভয় কর তাহলে তিনি তোমাদেরকে ভাল ও মন্দের মধ্যে পার্থক্য করার শক্তি প্রদান করবেন, তোমাদের দোষ-ত্রুটি দূর করে দিবেন, তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন, আল্লাহ বড়ই অনুগ্রহশীল।
[ সূরাহ আনফাল ৮:২৯় ]

20/07/2026

দেখেন যারা ইরানকে ভালোবাসেন তারা সাহাবী এবং আল্লাহর রাসূলের বিবিকে লানত করছে।

20/07/2026

- অ’সভ্য, বর্বর. পৃথিবীর মধ্যে হিজরাইলের বড় মাপের দালাল দেশের খেলোয়াড় এরা।

সাবধান!!ঈমানী অবনতি আসে পর্যায়ক্রমে…•  সুন্নাত-নফল ত্যাগ করার মাধ্যমে। •  সালাতের পরের যিকিরগুলো ত্যাগ করার মাধ্যমে। •  ...
19/07/2026

সাবধান!!

ঈমানী অবনতি আসে পর্যায়ক্রমে…
• সুন্নাত-নফল ত্যাগ করার মাধ্যমে।
• সালাতের পরের যিকিরগুলো ত্যাগ করার মাধ্যমে।
• সকাল-বিকালের যিকির ত্যাগ করার মাধ্যমে।
• কুরআন তিলাওয়াত ত্যাগ করার মাধ্যমে।
এসবের পিছনে সাধারণত একটি যুক্তি বেশি কার্যকর। তা হচ্ছে, এখন সময় নাই বা সময় কম বা অন্য সময় করব।

আর এভাবে চলতে থাকলে একসময়;
• ফরয সালাতের জামাতে হাযির হওয়া হয়ে যায় কঠিন।
• ফরয সালাত হয়ে যায় ভারী।
• এক সময় গুনাহগুলো হয়ে যায় স্বাভাবিক।
এ সব অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে মন থেকে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হবে।

✍ Prof. Dr. Abubakar Zakaria

19/07/2026

এই সমস্ত দু একটা টিকটকার হুজুরকে ধরে শাস্তি দিয়ে দেওয়া যায় না ? হুজুর নামের কুলাঙ্গার এরা আলেম-ওলামাদের সম্মান নষ্ট করতেছে।
এরা জাতির জন্য বোঝা, এরা জাতির শ্রেষ্ঠ কুলাঙ্গার।
এই সমস্ত টিকটকার হুজুরদেরকে উপযুক্ত শাস্তি দিয়ে দিতে হবে, যথাসম্ভব শেয়ার করুন তাদেরকে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করুন।

আল্লাহ ও তার রসুল ﷺ সূরাহ ফাতিহাকে উচ্চ মর্যাদা দিলেন ✅কিন্তু অন্ধ অনুসারী মানব মুকাল্লিদরা এই মর্যাদা না দিয়ে সুরা ফাতে...
18/07/2026

আল্লাহ ও তার রসুল ﷺ সূরাহ ফাতিহাকে উচ্চ মর্যাদা দিলেন ✅
কিন্তু অন্ধ অনুসারী মানব মুকাল্লিদরা এই মর্যাদা না দিয়ে সুরা ফাতেহাকে সাধারণ ক্বিরাত মনে করে 💔

কুরআনের শ্রেষ্ঠতম সূরা, উম্মুল কুরআন, সূরাহ ফাতিহার মর্যাদাঃ
মহান আল্লাহ তাআলা বলেনঃ

وَ لَقَدۡ اٰتَیۡنٰکَ سَبۡعًا مِّنَ الۡمَثَانِیۡ وَ الۡقُرۡاٰنَ الۡعَظِیۡمَ ﴿۸۷﴾

আমি তোমাকে দিয়েছি পুনঃ পুনঃ আবৃত্ত সপ্ত আয়াত আর মহা কুরআন।
📗 15 আল হিজরঃ 87

প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ বলেছেনঃ

‘উম্মুল কুরআন’ বলা হয় সূরাহ ফাতিহাকে। কুরআন মাজীদের সকল বিষয়বস্তু এর মধ্যে সংক্ষেপে রয়েছে বলে ‘উম্মুল কুরআন’ অর্থাৎ ‘কুরআনের মা’ বলা হয়।
📚
সহিহ বুখারীঃ ৪৭০৪, ৪৭০৩
মুসলিমঃ ৭৬১,৭৬২, ৭৬৪, ৫৬২৭
তিরমিজিঃ ২৮৭৫, ৩১২৪
আবু দাউদঃ ৮২১, ১৪৫৭,
ইবনে মাজাহঃ ৮৩৮,
মুয়াত্তা মালিকঃ ১৮৪
মিশকাতঃ ৮২৩, ২১৪২,
দারিমীঃ ৩৪১৬

আবূ সাঈদ ইবনুল মুআল্লা (রাঃ) বলেনঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেনঃ
আমি কি মসজিদ থেকে বের হওয়ার পূর্বেই তোমাকে কুরআনের শ্রেষ্ঠতম সূরা শিক্ষা দিবো না?
রাবী বলেনঃ অতঃপর নবী (ﷺ) বের হওয়ার জন্য অগ্রসর হলেন। তখন আমি তাঁকে স্মরণ করিয়ে দিলে তিনি বললেনঃ
সূরা আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন (সূরা ফাতিহা) হলো “সাবউল মাছানী” (বারবার পঠিত সপ্তক) ও মহান কুরআন, যা আমাকে দান করা হয়েছে।
📚
সুনানে ইবনে মাজাহঃ ৩৭৮৫
সহীহুল বুখারীঃ ৪৪৭৪, ৪৬৪৭, ৫০০৬,
নাসায়ীঃ ৯১৩,
তিরমিজিঃ ২৮৭৫
আবূ দাউদঃ ১৪৫৮,
মিশকাতঃ ২১১৮
আহমাদঃ ১৫৩০৩, ১৭৩৯৫,
হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ
যাঁর হাতে আমার প্রাণ, সেই সত্তার শপথ!
এ (ফাতিহা) সূরার মত (মর্যাদা সম্পন্ন) কোন সূরা তাওরাত, ইনজীল, যাবূর, এমনকি কুরআনেও অবতীর্ণ করা হয়নি।
আর এটি বারবার পঠিত সাতটি আয়াত সম্বলিত সূরা এবং মহাসম্মানিত কুরআন যা আমাকে দেয়া হয়েছে।
📚
তিরমিজিঃ ২৮৭৫, ৩১২৫
সুনানে আন-নাসায়ীঃ ৯১৪
মিশকাতঃ ২১৪২
আদ দারেমীঃ ৩৪১২
হাদিস সম্ভারঃ ৬৫৭
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ
যে ব্যক্তি কোন সালাত পড়লো এবং তাতে উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পড়েনি তার সালাত অসম্পূর্ন।
আবূস সাইব (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আবূ হুরায়রা! আমি কখনো কখনো ইমামের সাথে সালাত পড়ি। তিনি আমার বাহুতে খোঁচা দিয়ে বলেন,
হে ফারিসী! তুমি তা মনে মনে পড়ো।
📚
ইবনে মাজাহঃ ৮৩৭, ৮৩৮
সহিহ মুসলিমঃ ৭৬৪, ৭৬৭
বুখারীঃ ৭৫৬
নাসায়ীঃ ৯০৯, ৯১০
আবু দাউদঃ ৮২১
তিরমিজিঃ ২৪৭, ২৯৫৩
মুয়াত্বা ইবনে মালিকঃ ১৮৪
হাদিস সম্ভারঃ ৬৫৫
মিশকাতঃ ৮২২

আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেছেনঃ
সলাতের প্রতি রাক’আতে কুরআন থেকে পাঠ হবে (আমরা পাঠ করি)।
রসূলুল্লাহ (ﷺ) যে সলাতে উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পাঠ করেছেন, আমরাও সে সলাতে তোমাদের শুনিয়ে কুরআন পাঠ করি এবং যে সলাতে চুপিসারে কুরআন পাঠ করেছেন সে সলাতে আমরাও চুপিসারে কুরআন পাঠ করি।
একজন লোক তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ
আমি যদি সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌র বেশি না পড়ি তবে কি আমার সলাত যথেষ্ট হবে?
তিনি বললেন, তুমি যদি সূরাহ্‌ ফাতিহার পর আরো আয়াত পাঠ কর তবে এটা তোমার জন্য কল্যাণকর আর যদি তুমি সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পাঠ করেই থেমে যাও তবে সেটাও তোমার জন্য যথেষ্ট।
📚
সহিহ মুসলিমঃ ৭৬৯
(ই. ফা. ৭৬৬, ই. সে. ৭৭৮)
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস.

18/07/2026

থাপ্পরটা প্রতিটা সন্তানের কলিজায় লাগবে....see more

একজন মেসিকে বাপ বলল।আরেকজন মেসিকে মুসা আঃ বলল।আরেকজন বলল মেসির সাথে জাহান্নামে থাকতেও রাজি। মেসির সাথে জাহান্নামে থাকাটা...
17/07/2026

একজন মেসিকে বাপ বলল।
আরেকজন মেসিকে মুসা আঃ বলল।

আরেকজন বলল মেসির সাথে জাহান্নামে থাকতেও রাজি। মেসির সাথে জাহান্নামে থাকাটাও নাকি গর্বের।

আরেকজন বলল, পুরো রাত ইবাদতের চেয়ে মেসির গোলে আনন্দ বেশি।
আরেকজন বলল মেসির কারণে ইয়াহুদী হয়ে যেতেও রাজি।
আরেকজন বলল, স্বয়ং আল্লাহ নাকি ফিরিস্তা পাঠিয়ে মেসির জয় এনে দিছেন।
আরেকজন মেসি জেতার জন্য সেজদা দিলো।

ছবিতে থাকা অস ভ্যটা মেসির জেতায় উন্মাদ হয়ে শর্ট খেয়ে মারা গেলো। আরেকজনকে ছুরিকাঘাত করা হলো রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রক্তের দাগ।

এরকম অসভ্য জাতি, ঈমান বিধ্বংসী বক্তব্য, ২.৬ বিলিয়ন মুসলমানদের মধ্যে কেউ দিছে আমার নজরে পড়েনি। যেমনটা এদেশের গর্দভরা দিছে, দিচ্ছে।

একজন অ সভ্য মুক্ত হলো বাংলাদেশ "আলহামদুলিল্লাহ্"

(জুমাবার বেশি বেশি দুরুদ পাঠের দিন)🌸🌼আল্লাহুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদ, কামা সাল্লাইতা ‘আলা ই...
16/07/2026

(জুমাবার বেশি বেশি দুরুদ পাঠের দিন)

🌸🌼আল্লাহুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদ, কামা সাল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইবরাহীম, ইন্নাকা হামিদুম মাজীদ।
আল্লাহুম্মা বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদ, কামা বারাকতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইবরাহীম, ইন্নাকা হামিদুম মাজীদ🌸🌼

16/07/2026

চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত মানুষের জন্য পাঠানো ত্রাণবাহী গাড়ি রাস্তায় যানজটে আটকে ছিল। আর সেই অসহায় মুহূর্তের সুযোগ নিয়ে কিছু বিবেকহীন মানুষ চলন্ত গাড়ি থেকেই ত্রাণসামগ্রী লুট করে নিয়ে গেছে।

ভাবুন তো, যে ত্রাণের অপেক্ষায় কোনো মা তার ক্ষুধার্ত সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে আছেন, যে বৃদ্ধ মানুষটি একমুঠো খাবারের আশায় দিন গুনছেন, সেই অসহায় মানুষের প্রাপ্য খাদ্যই লুট হয়ে গেল! এটি শুধু চুরি নয় এটি ক্ষুধার্ত মানুষের মুখের অন্ন ছিনিয়ে নেওয়া, মানবতার বুকে নির্মম আঘাত।

দুর্যোগের সময় মানুষ মানুষের আশ্রয় হবে এটাই তো আমাদের শিক্ষা। অথচ কিছু মানুষের এমন নিকৃষ্ট কাজ আমাদের বিবেককে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

এই জঘন্য ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হোক। আসুন, লুটপাট নয় এই কঠিন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার সত্যিকারের পরিচয় দিই।

14/07/2026

"নবী ﷺ-কে তাঁর মসজিদের ভেতরে দাফন করা হয়েছে"—এই ধারণার খণ্ডন
শাইখ সালিহ আলে আশ-শাইখ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন:
নবী ﷺ-কে মসজিদের ভেতরে দাফন করা হয়নি; বরং তাঁকে রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা)-এর কক্ষে দাফন করা হয়েছে।
এর কারণ হলো, আবু বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) নবী ﷺ-কে বলতে শুনেছিলেন:
"নবীগণ যেখানে মারা যান, সেখানেই তাঁদের দাফন করা হয়।"
তাই নবী ﷺ-কে সেই স্থানেই দাফন করা হয়, যেখানে তিনি মারা গিয়েছিলেন—অর্থাৎ আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা)-এর কক্ষে।
রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা আয়িশা নিজের অবস্থানের সঙ্গে কবরের মাঝখানে একটি দেয়াল নির্মাণ করেছিলেন। ফলে তাঁর কক্ষ দুটি অংশে বিভক্ত ছিল—
• এক অংশে ছিল কবর,
• আর অন্য অংশে তিনি নিজে অবস্থান করতেন।
পরে আবু বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) এবং উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-কে সেখানে দাফন করা হলে, আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) সেই কক্ষ ছেড়ে দেন। এরপর কক্ষটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানে প্রবেশের কোনো দরজা আর রাখা হয়নি; কেবল একটি ছোট জানালা ছিল।
পরবর্তীতে উমাইয়া খলিফা আল-ওয়ালিদ ইবন আবদুল মালিক-এর শাসনামলে যখন মসজিদে নববীর সম্প্রসারণ করা হয় এবং তখন মদিনার প্রশাসক ছিলেন উমার ইবন আবদুল আযীয (রহিমাহুল্লাহ), তখন নবী ﷺ-এর স্ত্রীদের কয়েকটি কক্ষ মসজিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কিন্তু নবী ﷺ-এর কক্ষ পূর্বের অবস্থাতেই রাখা হয়।
তারা রওদাহর একটি অংশ নিয়ে প্রথম দেয়ালের বাইরে আরও একটি নতুন দেয়াল নির্মাণ করেন। এটি তিন দিক থেকে নির্মিত হয় এবং উত্তর দিককে (যা কিবলার বিপরীত দিক) ত্রিভুজাকারে তৈরি করা হয়, যাতে কেউ কবরের দিকে মুখ করে তাকে কিবলা বানাতে না পারে।
এর ফলে সেখানে দুটি দেয়াল দাঁড়ায়—
• প্রথম দেয়াল: আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা)-এর কক্ষের মূল দেয়াল, যা সম্পূর্ণ বন্ধ।
• দ্বিতীয় দেয়াল: আল-ওয়ালিদ ইবন আবদুল মালিকের আমলে নির্মিত দেয়াল।
এরও বহু পরে এই দুটি দেয়ালকে ঘিরে আরও একটি তৃতীয় দেয়াল নির্মাণ করা হয়।
ফলে নবী ﷺ-এর কবর তিনটি দেয়াল দ্বারা বেষ্টিত হয়ে যায়। প্রতিটি দেয়ালই দরজাবিহীন। তাই কেউ কবরের কাছে গিয়ে দাঁড়াতে, তা স্পর্শ করতে কিংবা সরাসরি কবর দেখতে পারে না।
এরপর আরও পরে লোহার বেষ্টনী স্থাপন করা হয়।
অতএব, এই চারটি স্তরের প্রতিবন্ধকতার কারণে কবরটি মসজিদের উন্মুক্ত অংশের মধ্যে অবস্থিত—এ কথা সঠিক নয়।
সূত্র:আত-তামহীদ লি শারহি কিতাবিত তাওহীদ, পৃ. ২৬১ (সংক্ষেপিত)।

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when An Najiah Media - আন নাজিয়াহ মিডিয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share