18/07/2026
আল্লাহ ও তার রসুল ﷺ সূরাহ ফাতিহাকে উচ্চ মর্যাদা দিলেন ✅
কিন্তু অন্ধ অনুসারী মানব মুকাল্লিদরা এই মর্যাদা না দিয়ে সুরা ফাতেহাকে সাধারণ ক্বিরাত মনে করে 💔
কুরআনের শ্রেষ্ঠতম সূরা, উম্মুল কুরআন, সূরাহ ফাতিহার মর্যাদাঃ
মহান আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
وَ لَقَدۡ اٰتَیۡنٰکَ سَبۡعًا مِّنَ الۡمَثَانِیۡ وَ الۡقُرۡاٰنَ الۡعَظِیۡمَ ﴿۸۷﴾
আমি তোমাকে দিয়েছি পুনঃ পুনঃ আবৃত্ত সপ্ত আয়াত আর মহা কুরআন।
📗 15 আল হিজরঃ 87
প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ বলেছেনঃ
‘উম্মুল কুরআন’ বলা হয় সূরাহ ফাতিহাকে। কুরআন মাজীদের সকল বিষয়বস্তু এর মধ্যে সংক্ষেপে রয়েছে বলে ‘উম্মুল কুরআন’ অর্থাৎ ‘কুরআনের মা’ বলা হয়।
📚
সহিহ বুখারীঃ ৪৭০৪, ৪৭০৩
মুসলিমঃ ৭৬১,৭৬২, ৭৬৪, ৫৬২৭
তিরমিজিঃ ২৮৭৫, ৩১২৪
আবু দাউদঃ ৮২১, ১৪৫৭,
ইবনে মাজাহঃ ৮৩৮,
মুয়াত্তা মালিকঃ ১৮৪
মিশকাতঃ ৮২৩, ২১৪২,
দারিমীঃ ৩৪১৬
আবূ সাঈদ ইবনুল মুআল্লা (রাঃ) বলেনঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেনঃ
আমি কি মসজিদ থেকে বের হওয়ার পূর্বেই তোমাকে কুরআনের শ্রেষ্ঠতম সূরা শিক্ষা দিবো না?
রাবী বলেনঃ অতঃপর নবী (ﷺ) বের হওয়ার জন্য অগ্রসর হলেন। তখন আমি তাঁকে স্মরণ করিয়ে দিলে তিনি বললেনঃ
সূরা আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন (সূরা ফাতিহা) হলো “সাবউল মাছানী” (বারবার পঠিত সপ্তক) ও মহান কুরআন, যা আমাকে দান করা হয়েছে।
📚
সুনানে ইবনে মাজাহঃ ৩৭৮৫
সহীহুল বুখারীঃ ৪৪৭৪, ৪৬৪৭, ৫০০৬,
নাসায়ীঃ ৯১৩,
তিরমিজিঃ ২৮৭৫
আবূ দাউদঃ ১৪৫৮,
মিশকাতঃ ২১১৮
আহমাদঃ ১৫৩০৩, ১৭৩৯৫,
হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ
যাঁর হাতে আমার প্রাণ, সেই সত্তার শপথ!
এ (ফাতিহা) সূরার মত (মর্যাদা সম্পন্ন) কোন সূরা তাওরাত, ইনজীল, যাবূর, এমনকি কুরআনেও অবতীর্ণ করা হয়নি।
আর এটি বারবার পঠিত সাতটি আয়াত সম্বলিত সূরা এবং মহাসম্মানিত কুরআন যা আমাকে দেয়া হয়েছে।
📚
তিরমিজিঃ ২৮৭৫, ৩১২৫
সুনানে আন-নাসায়ীঃ ৯১৪
মিশকাতঃ ২১৪২
আদ দারেমীঃ ৩৪১২
হাদিস সম্ভারঃ ৬৫৭
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ
যে ব্যক্তি কোন সালাত পড়লো এবং তাতে উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পড়েনি তার সালাত অসম্পূর্ন।
আবূস সাইব (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আবূ হুরায়রা! আমি কখনো কখনো ইমামের সাথে সালাত পড়ি। তিনি আমার বাহুতে খোঁচা দিয়ে বলেন,
হে ফারিসী! তুমি তা মনে মনে পড়ো।
📚
ইবনে মাজাহঃ ৮৩৭, ৮৩৮
সহিহ মুসলিমঃ ৭৬৪, ৭৬৭
বুখারীঃ ৭৫৬
নাসায়ীঃ ৯০৯, ৯১০
আবু দাউদঃ ৮২১
তিরমিজিঃ ২৪৭, ২৯৫৩
মুয়াত্বা ইবনে মালিকঃ ১৮৪
হাদিস সম্ভারঃ ৬৫৫
মিশকাতঃ ৮২২
আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেছেনঃ
সলাতের প্রতি রাক’আতে কুরআন থেকে পাঠ হবে (আমরা পাঠ করি)।
রসূলুল্লাহ (ﷺ) যে সলাতে উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পাঠ করেছেন, আমরাও সে সলাতে তোমাদের শুনিয়ে কুরআন পাঠ করি এবং যে সলাতে চুপিসারে কুরআন পাঠ করেছেন সে সলাতে আমরাও চুপিসারে কুরআন পাঠ করি।
একজন লোক তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ
আমি যদি সূরাহ্ ফা-তিহাহ্র বেশি না পড়ি তবে কি আমার সলাত যথেষ্ট হবে?
তিনি বললেন, তুমি যদি সূরাহ্ ফাতিহার পর আরো আয়াত পাঠ কর তবে এটা তোমার জন্য কল্যাণকর আর যদি তুমি সূরাহ্ ফা-তিহাহ্ পাঠ করেই থেমে যাও তবে সেটাও তোমার জন্য যথেষ্ট।
📚
সহিহ মুসলিমঃ ৭৬৯
(ই. ফা. ৭৬৬, ই. সে. ৭৭৮)
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস.