Naba Projonmo Islami Jagoron -নবপ্রজন্ম ইসলামী জাগরণ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Naba Projonmo Islami Jagoron -নবপ্রজন্ম ইসলামী জাগরণ

Naba Projonmo Islami Jagoron -নবপ্রজন্ম ইসলামী জাগরণ মোরা সত্য প্রচারের অতন্দ্র প্রহরী।

আল্লাহ তা'য়ালা অর্ধ-শাবানের রাতে সৃষ্টির দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত সবাইকে মাফ করে দেন...
14/02/2025

আল্লাহ তা'য়ালা অর্ধ-শাবানের রাতে সৃষ্টির দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত সবাইকে মাফ করে দেন।

- [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ১৩৯০]

Page : Muslimah's Ayaah - MA

শবে বরাত সম্পর্কে বিভ্রান্ত হতে হবে না। এই লেখাটি সুন্দর সমাধান দেবে, ইনশাআল্লাহ।☑ শবে বরাত কি মর্যাদাপূর্ণ?রাসুল সাল্লা...
13/02/2025

শবে বরাত সম্পর্কে বিভ্রান্ত হতে হবে না। এই লেখাটি সুন্দর সমাধান দেবে, ইনশাআল্লাহ।
☑ শবে বরাত কি মর্যাদাপূর্ণ?
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা শাবানের মধ্যরাতে (১৪ তারিখ দিবাগত রাত, যা শবে বরাত নামে প্রচলিত) তাঁর সৃষ্টির প্রতি (দয়ার) দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক/বিদ্বেষপোষনকারী ব্যতীত সবাইকে ক্ষমা করে দেন।’’ [ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৫৬৬৫; বিভিন্ন সম্পূরক ও শাহিদ হাদিসকে সামনে রেখে এই হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন—শায়খ আলবানি (সিলসিলা সহিহাহ: ১১৪৪), শায়খ শুয়াইব আরনাউত্ব (তালিক মুসনাদে আহমাদ: ৬৬৪২) এবং অন্যান্য অনেক মুহাদ্দিস]
এই হাদিস অনুযায়ী, আল্লাহ সকল মুসলিমের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন—দুই শ্রেণি ছাড়া। তারা হলো: হিংসা-বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যক্তি ও আল্লাহর সাথে শির্ককারী (মুশরিক)। অতএব, শবে বরাতে আল্লাহ কর্তৃক ঘোষিত সাধারণ ক্ষমার অন্তর্ভুক্ত হতে চাইলে এই দুটো (হিংসা ও শির্ক) জঘন্য কাজ ত্যাগ করা অপরিহার্য। তবে, এই হাদিসটির অন্যান্য বর্ণনাসূত্রে আরও কিছু গুনাহের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তির কথা এসেছে, যারা এই ক্ষমার আওতায় আসতে পারবে না। তারা হলো: মদপানকারী, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী, আত্মহত্যাকারী, পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, অহংকারবশত টাখনুর নীচে কাপড় পরিধানকারী (পুরুষ)। সুতরাং, এই রাতের সাধারণ ক্ষমার অন্তর্ভুক্ত হতে এই গুনাহগুলো থেকেও বেঁচে থাকা জরুরি।
🕗 শবে বরাতের রোজা:
অত্যন্ত দুর্বল হাদিসে এই রাতের রোজার কথা এসেছে। এরকম দুর্বল হাদিসের দলিল দিয়ে এই রাতে রোজা রাখাকে সুন্নাত বলা যাবে না। তবে, যেহেতু নবিজি শাবান মাসে খুব বেশি পরিমাণে রোজা রাখতেন (সহিহ বুখারি: ১৯৬৯), সেহেতু এই মাসের যেকোনো দিনেই রোজা রাখা উত্তম। আর, প্রতি চন্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ (আইয়ামে বীযের) রোজা রাখা তো সুন্নাত। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে যারা রোজা রাখতে ইচ্ছুক, তাদের নিয়ত থাকবে—তাঁরা আইয়ামে বীযের নফল রোজা অথবা শাবান মাসের সাধারণ কোনো নফল রোজা রাখছেন।
⚠️ যে বিষয়গুলো জানা দরকার:
(১) খুব ভালো করে বুঝুন—শবে বরাতে পালনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো আমল সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়। তবে, এই রাতটির ফজিলত বা মর্যাদা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। যেহেতু রাতটির মর্যাদা আছে, সেহেতু এই রাতে যেকোনো নফল ইবাদত করা বৈধ এবং মুস্তাহাব (উত্তম); এমনটিই বলেছেন—ইমাম শাফিঈ, ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল, ইমাম আউযাঈ, ইমাম নববি, ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ, ইমাম ইবনু রজবসহ অন্যান্য আলিমগণ। রাহিমাহুমুল্লাহ। এজন্য, কেউ চাইলে এই রাতে দু‘আ, দরুদ, নামাজ, রোজা, যিকর, তিলাওয়াত, ইস্তিগফার, কবর যিয়ারত ইত্যাদি নফল আমল করতে পারেন। কিন্তু এগুলোর কোনোটিকেই নির্দিষ্ট করে ‘‘শবে বরাতের আমল’’ মনে করে করা যাবে না।
বিপরীতে, অনেক ইমাম এই রাতকে আলাদা গুরুত্ব দিয়ে ইবাদত করা বিদ‘আত মনে করতেন। তাঁদের মাঝে অন্যতম হলেন—ইমাম আত্বা, ইমাম ইবনু আবি মুলাইকা, ইমাম মালিক, ইমাম আবদুর রহমান প্রমুখ রাহিমাহুমুল্লাহ। সালাফদের অনেকের কাছে এই রাতটির বিশেষত্ব ছিলো না। তাঁরা এ সংক্রান্ত হাদিসকে দুর্বল সাব্যস্ত করতেন।
তাহলে আলিমগণের মাঝে দুটো মত পেলাম।
প্রথম মত: শবে বরাতের কোনো বিশেষ আমল সহিহ হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত নয়, কিন্তু এই রাতটির মর্যাদা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। এজন্য এই রাতে “শবে বরাতের আমল” মনে না করে যেকোনো নেক আমল করা যাবে। এটিই অধিকাংশ আলিমের মত।
দ্বিতীয় মত: এই রাতের বিশেষ আমল নেই এবং এই রাতটিও বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ নয়। তাঁদের মতে, এ সংক্রান্ত সব হাদিস দুর্বল। আলিমগণের একটি অংশ মত দিয়েছেন।
যেহেতু দুটো মতের পক্ষেই নির্ভরযোগ্য আলিমগণের অবস্থান ছিলো এবং আছে, সেহেতু এ নিয়ে কারও উপর আক্রমণাত্মক হওয়া উচিত নয়। এটি এমন ইখতিলাফ (মতভিন্নতা), যেটি নিন্দনীয় নয়।
(২) এই রাতে গোসল করার ফজিলতের কথা হাদিসে আসেনি। ‘‘সওয়াব হবে’’ মনে করে এই রাতে গোসল করলে তা বিদ‘আতি কাজ হবে।
(৩) এই রাত ভাগ্যরজনী নয়। ভাগ্যরজনী বা ভাগ্যের রাত হলো, লাইলাতুল কদর। প্রত্যেক যুগের আলিমগণ স্পষ্টভাবে বলেছেন, ভাগ্যরজনী হলো লাইলাতুল কদর, যাকে আমরা শবে কদর বলি। শবে কদর শব্দের অর্থই হলো, “কদরের রাত”। শব অর্থ রাত আর কদর অর্থ: ভাগ্য। সুরা কদরের তাফসিরে এ ব্যাপারে বিস্তারিত পাবেন।
আলিমগণ বলেন, মূলত “শবে বরাত” পরিভাষাটি হওয়া উচিত ছিলো ‘‘শবে বারাআত’’ বা ‘‘লাইলাতুল বারাআত’’। শব/লাইলাতুন অর্থ রাত আর বারাআত অর্থ মুক্তি। অর্থাৎ ‘‘মুক্তির রাত’’। যেহেতু এই রাতে অসংখ্য মুসলিমের (গুনাহ থেকে) মুক্তির সুসংবাদ দেওয়া হয়, তাই এই নামকরণ যৌক্তিক। কিন্তু ‘‘শবে বারাআত’’-এর জায়গায় ‘‘শবে বরাত’’ পরিভাষাটি প্রসিদ্ধ হয়ে গেছে। সুতরাং ‘শবে বরাত’ মানে ভাগ্যরজনী ভেবে বিভ্রান্ত হবেন না। ভাগ্যরজনী একটিই, তা হলো—লাইলাতুল কদর বা শবে কদর।
আমরা যেটিকে “শবে বরাত” বলি, হাদিসে সেটিকে ‘‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’’ বা “মধ্য শাবানের রাত” বলা হয়েছে।
(৪) এই রাত উপলক্ষে হৈ-হুল্লোড় করা, আতশবাজি ফোটানো, হালুয়া-রুটি করা—এগুলোর কোনোটিই হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়। কোনো সওয়াব বা ইবাদতের নিয়ত ব্যতীত কেবল এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের মুসলিম সংস্কৃতির অংশ হিসেবে কেউ যদি হালুয়া-রুটি বা অন্য কোনো খাবারের আয়োজন করে, তবে সেটি বিদ‘আত কিংবা নিন্দনীয় হবে না। কিন্তু সমস্যা হলো: মানুষ সংস্কৃতি আর ইবাদতের পার্থক্য বুঝে না। তারা এসব কাজকেও ইবাদত মনে করে। তাই, এগুলো থেকে দূরে থাকাই সতর্কতার দাবি।
(৫) ‘‘শবে বরাতের নামাজ’’ বলতে বিশেষ পদ্ধতির নির্দিষ্ট সংখ্যক রাকাতের কোনো নামাজ নেই। তবে, যেহেতু এই রাতের বিশেষ মর্যাদা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত, তাই কেউ চাইলে সাধারণভাবে নফল নামাজ পড়তে পারেন, অন্য সময় যেভাবে পড়েন। আরেকটি কাজ করা যেতে পারে। সেটি হলো: ইশা এবং ফজরের নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা। হাদিসে এসেছে, এই দুই নামাজ জামাতে পড়লে সারা রাত নামাজ আদায়ের নেকি হয়। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ১৩৭৭]
সারকথা: শবে বরাতের নির্দিষ্ট কোনো আমল সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়, তবে শবে বরাত (মধ্য শাবানের রাত)-এর বিশেষত্ব ও মর্যাদা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। সুতরাং রাতটি মর্যাদাপূর্ণ হওয়ায় কেউ চাইলে যেকোনো নফল আমল করতে পারেন। এটি মুস্তাহাব (উত্তম) হিসেবে গণ্য হবে। তবে, এগুলোর কোনোটিকেই ‘‘শবে বরাতের রোজা’’ বা “শবে বরাতের নামাজ” হিসেবে নির্দিষ্ট বা সংজ্ঞায়িত করা যাবে না। অধিকাংশ ইমাম এই মতই দিয়েছেন।
আল্লাহু আলামু বিস সওয়াব।
©Tasbeeh

13/02/2025

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস তথা বিশ্ববেহায়া দিবস সম্পর্কে আল্লামা সাঈদী (রহঃ)

16/11/2024
10/11/2023
২০১৩  সালে ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার আগে বিচারকদের উদ্দেশ্যে আল্লামা সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ যা বলেছিলেন -❝ শেষ বিচারের দিনে ...
19/08/2023

২০১৩ সালে ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার আগে বিচারকদের উদ্দেশ্যে আল্লামা সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ যা বলেছিলেন -

❝ শেষ বিচারের দিনে আমি হবে বাদী .. ❞

মাননীয় আদালত !
আজকের এই বিচার প্রক্রিয়া নিঃসন্দেহে দুটি পর্বে শেষ হবে। তার একটি এই জাগতিক আদালতে আর অপরটি আখেরাতের আদালতে।

আজ আমি এই আদালতের অসহায় এক নির্দোষ আসামি, আর আপনারা বিচারক। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পূরণে, ক্ষমতার জোরে আমার প্রতি যদি জুলুম করা হয়, তাহলে আজকের দুর্দান্ত প্রতাপশালী ব্যক্তিবর্গ, যারা একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে আদর্শিক কারণে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে আমার প্রতি জুলুমের প্রয়াস পাচ্ছেন- তারা দ্বিতীয় পর্বের বিচারের দিন, কিয়ামতের দিন তারা নিঃসন্দেহে আসামি হবে।

ইনশাআল্লাহ সেদিন আমি হবো বাদী আর সর্বশক্তিমান, রাজাধিরাজ, সম্রাটের সম্রাট, আকাশ ও জমিনের সার্বভৌমত্বের একচ্ছত্র অধিপতি, সকল বিচারের মহাবিচারপতি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন- তিনিই হবেন সেদিনের আমার দায়ের করা মামলার বিচার প্রক্রিয়ার বিচারক।

- Shameem Sayedee

18/08/2023

আমাকে এক সেকেন্ডের জন্য ও আব্বার সাথে দেখা করতে দেয়নি।😥😭
আল্লামা সাঈদীকে লাইভ সাপোর্টে নেওয়ার সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিবারের কারো থেকে অনুমতি নেয়নি এমনকি অবগতও করেনি😥😭
Masood Sayedee - মাসুদ সাঈদী

২০১৩ সালে ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার আগে বিচারকদের উদ্দেশ্যে আল্লামা সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ যা বলেছিলেন -মাননীয় আদালত !আমি দ...
18/08/2023

২০১৩ সালে ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার আগে বিচারকদের উদ্দেশ্যে আল্লামা সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ যা বলেছিলেন -

মাননীয় আদালত !
আমি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এ বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলার আপামর জনগণের অতি পরিচিত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। আল্লাহ সাক্ষী! তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দীনের রচিত দেলোয়ার শিকদার বর্তমান সাঈদী বা দেলোয়ার শিকদার ওরফে দেলু ওরফে দেইল্যা রাজাকার আমি নই। আমাকে তথাকথিত যুদ্ধাপরাধী বানানোর আওয়ামী মিশন বাস্তবায়নের জন্যই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে।

মাননীয় আদালত !
আজকের এই বিচার প্রক্রিয়া নিঃসন্দেহে দুটি পর্বে শেষ হবে। তার একটি এই জাগতিক আদালতে আর অপরটি আখেরাতের আদালতে।

আজ আমি এই আদালতের অসহায় এক নির্দোষ আসামি, আর আপনারা বিচারক। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পূরণে, ক্ষমতার জোরে আমার প্রতি যদি জুলুম করা হয়, তাহলে আজকের দুর্দান্ত প্রতাপশালী ব্যক্তিবর্গ, যারা একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে আদর্শিক কারণে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে আমার প্রতি জুলুমের প্রয়াস পাচ্ছেন, তারা দ্বিতীয় পর্বের বিচারের দিন, কিয়ামতের দিন তারা নিঃসন্দেহে আসামি হবে।

ইনশাআল্লাহ সেদিন আমি হবো বাদী আর সর্বশক্তিমান, রাজাধিরাজ, সম্রাটের সম্রাট, আকাশ ও জমিনের সার্বভৌমত্বের একচ্ছত্রঅধিপতি, সকল বিচারের মহাবিচারপতি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন, তিনিই হবেন সেদিনের আমার দায়ের করা মামলার বিচার প্রক্রিয়ার বিচারক।

সূরা দোখানের ১৬নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “একদিন আমি এদেরকে অবশ্যই কঠোরভাবে পাকড়াও করবো এবং নিশ্চয়ই প্রতিশোধ নেবোই।”

মাননীয় আদালত !
যাঁর হাতের মুঠোয় আমাদের সকলের জীবন, সেই মহাশক্তিধর আল্লাহ তায়ালার নামে আপনাদের এই আদালতে বসে শপথ করছি, তাঁর পবিত্র কোরআন স্পর্শ করে কসম করে বলছি - আমার নামে আপনাদের এ আদালতে যতগুলো অভিযোগ আনা হয়েছে তার হাজার কোটি মাইলের মধ্যে আমার অবস্থান ছিল না। উত্থাপিত অভিযোগের একটি বর্ণনাও সত্য নয়।

মাননীয় আদালত !
আমি আশা করি সকল প্রকার রাগ-অনুরাগ ও সকল প্রকারের চাপ ও আদেশ-নির্দেশের ঊর্ধ্বে উঠে সত্য ও মিথ্যা সার্বিকভাবে বিবেচনায় নিয়ে সকল প্রকার প্রভাব মুক্ত হয়ে শুধুমাত্র মহান আল্লাহকে ভয় করে আমার প্রতি জুলুম না করে ন্যায়বিচার করবেন। মহান আল্লাহ আপনাদের সে তওফিক দান করুন।

আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পূরণে যিনি যতটা ষড়যন্ত্র করে, জঘন্য থেকে জঘন্যতর মিথ্যা মামলা দিয়ে, মিথ্যা সাক্ষী দিয়ে, মিথ্যা সাক্ষীর প্রশিক্ষণ দিয়ে আমাকে মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছেন, দেশ-বিদেশে অসংখ্য অগণিত মানুষের কাছে কোরআনের বাণী পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আমাকে বঞ্চিত করেছেন, আমার প্রিয়জনদের কাঁদাচ্ছেন, কলঙ্কের তিলক পরিয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেছেন, আমি দোয়া করি আল্লাহ তাদের হেদায়াত করুন।

আর হেদায়াত যদি তাদের নসীবে না থাকে তাহলে আমার এবং আমার প্রিয়জন, আমার কলিজার টুকরা সন্তান, বিশ্বব্যাপী আমার ভক্ত- অনুরক্তদের যত চোখের পানি পড়েছে, তাদের সকলের প্রতিফোঁটা চোখের পানি অভিশাপের বহ্নিশিখা হয়ে আমার থেকে শতগুণ যন্ত্রণা ভোগের আগে, কষ্ট ভোগের আগে আল্লাহ তায়ালা যেন তাদের মৃত্যু না দেন।

মিথ্যাবাদী ও জালিমদের উপর আল্লাহর অভিশাপ অযুত ধারায় বর্ষিত হোক। আর জাহান্নাম যেন হয় এদের চিরস্থায়ী ঠিকানা।

Masood Sayedee - মাসুদ সাঈদী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়িবে আমিরের মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করছে ‘ইখওয়ানুল মুসলিমিন’বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়িবে আমির...
17/08/2023

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়িবে আমিরের মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করছে ‘ইখওয়ানুল মুসলিমিন’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়িবে আমির আল্লামা শাইখ মুহাদ্দিস মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুতে গভীর শোকজ্ঞাপন করছে ইখওয়ানুল মুসলিমিন। আল্লাহর রাস্তায় দাওয়াতের পথে দীর্ঘ এক জীবন কাটানোর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মহান এই মনীষী প্রায় ৫৪টির মতো গ্রন্থ রচনা করে গেছেন, যার মাঝে আছে চার খণ্ডে তাফসিরুল কুরআন। জীবদ্দশায় তিনি নানাবিধ দায়িত্ব পালন করেছেন—
১. পার্লামেন্টের সদস্যপদ ১৯৯৬-২০০১ সাল
২. ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যাকাত বোর্ডের সদস্যপদ
৩. আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের নির্বাহী পরিষদের সভাপতিত্ব
৪. আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রামের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যপদ
৫. ইসলামী ব্যাংক, বাংলাদেশের শরিয়া বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান পদ
৬. OIC এর বাংলাদেশ শাখার উপদেষ্টা
৭. লন্ডনের The Islamic College এর প্রধান উপদেষ্টা
৮. আমেরিকায় নিউইয়র্ক ইসলামিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন
৯. বাংলাদেশ শিক্ষক পরিষদের সভাপতি
আল্লাহর কাছে প্রার্থনা জানাচ্ছি তিনি যেনো তার জিহাদ, ত্যাগ ও সকল আমল কবুল করে নেন। এবং ইল্লিয়্যিনে তার মাকাম উঁচু করে দেন, নবিদের সাথে, সিদ্দিক ও সলেহিনদের সাথে আর সঙ্গী হিসেবে তারা কতইনা উত্তম! ইখওয়ানুল মুসলিমিন তার সম্মানিত ভাইদের, তার পরিবার ও সন্তানদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে। এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করছে, তিনি যেন তাঁর রহমত দ্বারা তাকে আচ্ছাদিত করেন এবং তাদেরকে সবর ও সান্ত্বনার ইলহাম প্রেরণ করেন।

“আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দিন—যারা তাদের উপর বিপদ আসলে বলে: আমরা তো আল্লাহ জন্যই। আর নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী।” [সূরা বাকারা : ১৫৫-১৫৬]

ড. সালাহ আব্দুল হক
অ্যাক্টিং জেনারেল গাইড অব মুসলিম ব্রাদারহুড
মঙ্গলবার ২৮ মহরম ১৪৪৫ হিজরি মোতাবেক ১৫ আগস্ট ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ


Address

Dhaka
4203

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Naba Projonmo Islami Jagoron -নবপ্রজন্ম ইসলামী জাগরণ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Naba Projonmo Islami Jagoron -নবপ্রজন্ম ইসলামী জাগরণ:

Share