20/06/2026
আমরা প্রায় সময় খুব ছোট ছোট বিষয় নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিতর্ক করি। অমুকের পর্দা কেমন, তমুকের দাড়ি কেমন, এই মাসআলায় কার মত সঠিক এসব নিয়ে কত চিন্তা, কত আলোচনা!
কিন্তু ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল সালাত, সেটা নিয়ে আমাদের কতটুকু চিন্তা?
সালাতের জন্য কোনো অজুহাত হতে পারে না। আপনি যেখানেই থাকুন, যা-ই করুন না কেন, সালাতকে তার সময়ে আদায় করতেই হবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
"নিশ্চয়ই সালাত মুমিনদের ওপর নির্ধারিত সময়ে ফরজ করা হয়েছে।"(৪:১০৩)
জি ha দের ময়দানেও সাহাবায়ে কিরাম জামাতে সালাত আদায় করেছেন। এমনকি শত্রুর মুখোমুখি অবস্থায়ও আল্লাহ তা'আলা সালাতুল খাওফ-এর বিধান নাযিল করেছেন (৪:১০২)। ji হা দ ও সালাতের অজুহাত হতে পারেনি।
আর আমরা?
রাতভর ফোন স্ক্রল করি, ভিডিও দেখি, অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় নষ্ট করি। তারপর সকালে ঘুম থেকে উঠে বলি, "সূর্য ওঠার পরও তো ফজর পড়া যাবে!"
নিজেকে একবার প্রশ্ন করি, আমাদের ঈমানের অবস্থা কোথায়?
রাসূল ﷺ বলেছেন,
"আমাদের ও তাদের (কুফরের) মধ্যে পার্থক্য হলো সালাত। যে তা ত্যাগ করল, সে কুফরি করল।" সুনান আত-তিরমিযী ২৬২১, সুনান আন-নাসাঈ ৪৬৩ (সহীহ)
অনেক আলেম এই হাদীসের ভিত্তিতে মত দিয়েছেন যে, ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগকারী ব্যক্তি ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে এমন ব্যক্তির সঙ্গে মুসলিমের বিবাহ বৈধ থাকে না। তাই নিজেকে এবং নিজের জীবনসঙ্গীকে প্রশ্ন করি
আমরা কি কেবল নামের মুসলিম, নাকি সত্যিকার অর্থে সালাত কায়েমকারী মুসলিম?
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
"তাদের পরে এমন এক প্রজন্ম এলো, যারা সালাত নষ্ট করল এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ করল। অচিরেই তারা ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন হবে।"(১৯:৫৯)
আল্লাহ আমাদের সবাইকে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাসময়ে সঠিকভাবে আদায় করার তাওফীক দান করুন। আমীন। সালাত বিষয়ক যাবতীয় সংশয় দূর করে সহীভাবে সালাত আদায়ের নিয়ম জেনে নিন আমাদের রেকর্ডেড কোর্স "সালাহ ও তাহারা" থেকে।
বিস্তারিত কমেন্টে।