Zikrullah

Zikrullah Ummati Muhammad (ﷺ)

এখনো কী তোমার গোপন পাপ তোমাকে অনুশোচনা এনে দিতে পারলো না?
24/05/2026

এখনো কী তোমার গোপন পাপ তোমাকে অনুশোচনা এনে দিতে পারলো না?

১ বার দরুদ পড়লে—– আল্লাহ তায়ালা ১০টি রহমত দেন, [সহীহ্ মুসলিম : ৪০৮]– ১০টি গুনাহ মাফ করেন,– ১০টি মর্যাদা বাড়িয়ে দেন,[মিশক...
24/05/2026

১ বার দরুদ পড়লে—

– আল্লাহ তায়ালা ১০টি রহমত দেন, [সহীহ্ মুসলিম : ৪০৮]

– ১০টি গুনাহ মাফ করেন,
– ১০টি মর্যাদা বাড়িয়ে দেন,
[মিশকাতুল মাসাবীহ : ৯২২]

– আল্লাহর ফেরেশতারা দুআ করেন, [সুনান ইবনু মাজাহ : ৯০৭]

– আল্লাহর রাসূল ﷺ এর কাছে দরুদ পৌঁছে দেওয়া হয়। পৌঁছানোর সময় আমার নাম, আমার বাবার নাম বলা হয়। [সহীহুল জামে : ১২০৭]

– এরপর নবীজি ﷺ নিজে দুআ করেন। সালাম দিলে সালামের জবাব দিয়ে দেন। [আবু দাউদ : ২০৪১]

– যে বেশি বেশি দরুদ পড়বে, আল্লাহ তায়ালা তার দুনিয়ার টেনশন, মনের কষ্ট দূর করে দিবেন। [মিশকাত : ৯২৯]

– দুআ কবুল করবেন। [মিশকাত : ৯৩০]

– আখিরাতে সে রাসূল ﷺ এর শাফায়াত পাওয়ার বেশি যোগ্যতা অর্জন করবেন। [সহীহ্ মুসলিম : ৭৩৫]

আর কিছু বাকি আছে দুনিয়া আখিরাতে?

লেখা : ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ.) এর দরুদ সংক্রান্ত আলোচনা থেকে সংগৃহীত।

দরুদ পড়ুন : اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
(আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ)

কারো প্রতি রাগ হলে তৎক্ষণাৎ প্রকাশ না করে যতটা সম্ভব সময় নিন। রাগের প্রকাশ যত বিলম্বে হবে, রাগ তত নিয়ন্ত্রীত ও ভারসামন্য...
24/05/2026

কারো প্রতি রাগ হলে তৎক্ষণাৎ প্রকাশ না করে যতটা সম্ভব সময় নিন। রাগের প্রকাশ যত বিলম্বে হবে, রাগ তত নিয়ন্ত্রীত ও ভারসামন্যপূর্ণ থাকবে। এবং এর পরিণতিও হবে তত সুন্দর।

- শায়েখ আহমাদুল্লাহ হাফি.

ঈদ-কুরবানির ছুটিতে সাধারণত আমরা অনেকেই গ্রামের বাড়ি বেড়াতে যাই, অনেক আত্মীয়স্বজনও আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসে থাকেন। খালু-ফ...
23/05/2026

ঈদ-কুরবানির ছুটিতে সাধারণত আমরা অনেকেই গ্রামের বাড়ি বেড়াতে যাই, অনেক আত্মীয়স্বজনও আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসে থাকেন। খালু-ফুপা-চাচা-মামা এবং চাচাতো-মামাতো-ফুফাতো-খালাতো ভাইবোনেরা একত্রিত হন। এ ছাড়াও নানারকম নিকট-দূরের অনেক আত্মীয়স্বজন আমাদের বাসায় বেড়াতে আসেন, আমরাও যাই। এ-সময় ঘুমানোর জায়গা নিয়েও অনেক পরিবারে সংকট দেখা যায়। স্থান সংকুলান না করতে পেরে ছেলেমেয়েদেরকে অনেক সময় আমরা এমন মানুষদের সাথে ঘুমাতে দিয়ে থাকি, যেটা ইসলামি মূল্যবোধের সাথে যায় না। মেহমানদের আপ্যায়ন, নানারকম ব্যস্ততার কারণে ছেলেমেয়েরা কোথায় থাকে, তার খোঁজ রাখতে মায়েরা ভুলে যান। আর এই সুযোগেই অনেক সময় আমাদের ছেলেমেয়েদের জীবনে ঘটে যায় অনেক ভয়াবহ ঘটনা।

দাম্পত্য ও পারিবারিক কাউন্সেলিংয়ের কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আছে আমার। আমি প্রফেশনাল কাউন্সেলর নই, নিজের জানাশোনা লোকদের মধ্যে অনেক সময় অনেকে এসেছেন কাউন্সেলিংয়ের জন্য। আমার যতটুকু জ্ঞানবুদ্ধি আল্লাহ দিয়েছেন, সে অনুযায়ী সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি।

আজ তেমনই একটা কাউন্সেলিংয়ের ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করব।

বেশ অনেক বছর আগের কথা। এক ভদ্রলোক আমাকে ইনবক্স করেছেন, তিনি আমার সাথে দেখা করতে চান। পারিবারিক বিষয়ে তার পরামর্শ প্রয়োজন। আমি ব্যক্তিগতভাবে না-চেনার কারণে সাক্ষাতে আগ্রহবোধ করছিলাম না। তিনি জানালেন—বিষয়টি খুবই মানবিক এবং তাকে একজন নির্ভরযোগ্য লোক আমার সাথে এ নিয়ে পরামর্শ করতে বলেছে।

পারিপার্শ্বিক নানা পরিস্থিতির কারণে আমি তারপরও সাক্ষাতের ব্যাপারে অনাগ্রহ দেখালে তিনি সমস্যার কথা ইনবক্সেই বললেন। সমস্যা হলো তিনি তার স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে চান। মোটামুটি সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন। শেষবারের মতো তিনি একটু বুঝতে চান; আর এজন্যই আমার শরণাপন্ন হয়েছেন। একটি সংসার রক্ষা করার কথা চিন্তা করে অবশেষে তাকে অফিসে আসতে বললাম।

ডিভোর্সের মতো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন, বিছানায় যেতে চাইলেই তার স্ত্রী রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। কিছুতেই তাকে শান্ত করা যায় না। এরপর এক পর্যায়ে অপ্রকৃতস্থ হয়ে পড়েন। তখন কাউকে সহ্য করতে পারেন না—বিশেষ করে পুরুষ কাউকে। মারাত্মকরকম অস্বাভাবিক আচরণ করেন।

আমি তার কাছে জানতে চাইলাম—এর পেছনে কী কারণ থাকতে পারে বলে মনে করেন। তিনি খুব নির্দিষ্টভাবে কিছু বলতে পারলেন না। তবে পরিবারের অন্যান্যরা বলে—তার স্ত্রীর নাকি অন্য কারও সাথে রিলেশন আছে, তার কাছ থেকে ডিভোর্স নেওয়ার জন্য এসব অভিনয় করে। আর স্ত্রীর পরিবার থেকে কে নাকি বলেছে তার ‘উপরি ভাব’; অর্থাৎ জিনের আছর আছে। কারণ যা-ই হোক, বেচারা স্বামীর প্রাণ ওষ্ঠাগত। নতুন বিয়ে করে কোথায় একটু সুখ-আনন্দ করবে, তার তো উপায় নাই-ই, উলটো ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা। তবে ভদ্রলোক নিজে এর কোনোটায় বিশ্বাস করেন বলে মনে হলো না; বরং স্ত্রীর প্রতি তিনি যথেষ্ট আন্তরিক, তবে পরিস্থিতি এতটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে যে, তিনি একরকম অসহায় বোধ করছেন।

আমি তাকে আরেকটু ধৈর্য ধরতে বললাম। বললাম আপনি ডিভোর্স দিলে তো যেকোনো সময়েই দিতে পারবেন, তবে তার এ-আচরণের কারণ উদ্‌ঘাটন না করে যদি ডিভোর্স দেন, তা বোকামি হবে। কারণ উদ্‌ঘাটন করে যদি দেখেন তা সমাধান সম্ভব, তাহলে সমাধানের চেষ্টা করেন আর যদি সমাধানের অযোগ্য হয়, তাহলে আপনি তখন যা খুশি, সিদ্ধান্ত নিয়েন। পরামর্শ দিলাম স্ত্রীর বাবা-মা, ভাইবোন কারও সাথে একান্তে বসে তাদের থেকে জানতে চেষ্টা করুন এর পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ আছে কি না!

কিছুদিন পর ভদ্রলোক আবার এলেন। তিনি জানালেন যে এবার তিনি কারণ উদ্ধার করতে পেরেছেন। কারণটা হলো, তার স্ত্রী কিশোরী বয়সে তাদের বাসায় বেড়াতে আসা এক দূর সম্পর্কের মামা বা চাচা টাইপের এক আত্মীয়ের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। তাদের বাসার লোকজন তেমন ধর্ম-কর্ম করতেন না, পর্দা-পুশিদার ধার ধারতেন না। দশ-এগারো বছর বয়স। বাচ্চা মেয়ে। ‘আরে উনি তো তোমার মামা লাগেন, এখানেই ঘুমাও, কী হবে!’ এভাবে নাকি একই রুমে ঘুমাতে দিয়েছিলেন বাবা মা।

সেই দুর্ঘটনা তার কিশোরী মনে এত গভীর রেখাপাত করেছিল যে, এখন তার জীবনটাই ধ্বংসের মুখে। যখন তার স্বামী তার কাছে আসতে চায়, তখন তার মানসপটে কৈশোরের সেই ভয়ংকর দৃশ্য ভেসে ওঠে। তার স্বামীকে সে তখন চিনতে পারে না, মনে হয় সেই ধর্ষক তার দিকে এগিয়ে আসছে। সে প্রাণপণ চেষ্টা করে বাঁচতে। সে চিৎকার করে ওঠে। দৌড় দেয়। ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর প্রলাপ বকতে থাকে।

একটু অসচেতনতা, একটু অসতর্কতা, একটি ঘটনা। আজ একজন পুরুষের, একজন নারীর ও দুটি পরিবারের জীবন এমন সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে, যা থেকে কোনো দিন উত্তরণ হবে কিনা, কেউ জানে না।

আহ! বাবা, মা! কেন মহান স্রষ্টা মানুষকে বাবা-মা বানিয়েছেন! কেন মানবপ্রজন্ম রক্ষার জন্য এই নিয়ম দিয়েছেন? তিনি চাইলে তো আকাশ থেকে মানুষ বৃষ্টি করতে পারতেন। তিনি চাইলে মাটি থেকে গাছের মতো মানুষ গজাতে পারতেন। তিনি চাইলে নদী থেকে মাছের মতো জলজ্যান্ত মানুষ উঠে আসত; কিন্তু মানুষ তো মানুষ। সৃষ্টির সেরা জীব। তার জন্ম, প্রতিপালন, আচার-ব্যবহার, আদব-কায়দা, নিরাপত্তা, আবাসন তো সৃষ্টির সেরা জীবের মতই হওয়া চাই।

আপনি কেমন বাবা-মা হলেন, আপনার যে সন্তানের জীবনের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দেওয়া ছিল আপনার দায়িত্ব, আপনি তাকে ধর্ষিতা হওয়ার জন্য তুলে দিলেন অন্যের বিছানায়!

আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষও আছেন; যারা নিজেরা নামাজ-কালাম করেন, অনেক মহিলা আছেন; যারা বাইরে যাওয়ার সময় যথারীতি মুখ-ঢাকা বোরকা পরে যান; কিন্তু ঘর-বাড়িতে পর্দার ব্যাপারে মোটেই সচেতন নন। চাচাত, মামাত আর পাড়াত ভাই-বোনদের সাথে এমনভাবে চলেন, যেন তারা পর্দার হুকুমের বাইরে।

মনে রাখবেন, রাস্তার একজন মানুষ হঠাৎ এসে আপনার মেয়ের ওপর, আপনার ছেলের ওপর চড়াও হবে না। যারা আপনার বাড়িতে থাকে কিংবা আসা-যাওয়া করে, তাদের দ্বারাই এ-ধরণের অঘটন ঘটার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি; অথচ বাইরে বেরোবার সময় সাতপাট্টা পরে বের হলেও বাড়ি-ঘরে নারী-পুরুষদের পৃথকীকরণ ও পর্দার ব্যাপারে আমরা সবচে বেশি উদাসীন।

প্রত্যেক মানুষের একটি পাবলিক চেহারা আছে, যেটা সবাই প্রকাশ করে। এখানে কেউই নিজেকে খারাপভাবে প্রকাশ করে না। নিজের চারিত্রিক, নৈতিক যত খারাপ দোষ আছে, তার ওপর অনেকগুলো পর্দা ঝুলিয়ে তা ঢেকে রাখে। নিজে যতটুকু ভালো, তার চেয়ে অনেক বেশি ভালো সাজিয়ে নিজেকে প্রকাশ করে। এ-কারণে আমাদের মনে আমাদের চারপাশের মানুষদের সম্পর্কে একটা সাধারণ নিষ্পাপ ধারণা থাকে। আরে ও আমাদের অমুক, আরে এ তো আমাদের...।

বিশেষত ভাইবোনের ছেলেমেয়েদের ব্যাপারে। তাদের প্রতি যেহেতু একটা সন্তানসুলভ দৃষ্টিভঙ্গি থাকে, তাই তাদেরকে আমরা স্বতন্ত্র একটি ছেলে বা মেয়ে, একজন নারী বা পুরুষ হিসেবে মূল্যায়ন করে উঠতে পারি না। এভাবে আমরা বিষয়টিকে হালকাভাবে নিই। আসলে আমরা মানুষদেরকে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গভাবে চিনি না। সঠিকভাবে কেবল তিনিই চেনেন; যিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। তাই তিনি তাদের জীবন পরিচালনার জন্য যে নিয়ম দিয়েছেন, তা হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। আর আমরা যে এভাবে হালকাভাবে দেখিয়ে নিজেদেরকে ভালো মানুষ সাজাতে চাই, এটাও আসলে ভালো মানুষ সাজানো নয়।

আমরা মনে করি—আহ! আমার বোনের ছেলেকে, ভাইয়ের ছেলেকে যদি ভেতরঘরে ঢুকতে নিষেধ করি, ড্রয়িংরুমে বসিয়ে রাখি, তাহলে তারা মাইন্ড করবে, আমার ভাইবোনেরা মনে কষ্ট পাবে। পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে যদি ঘরে অবাধে প্রবেশ করতে না-দেওয়া হয়, তারা মনে মনে ক্ষিপ্ত হবে।

আমাদের মেয়েদের ক্ষতি হবার চিন্তা করে আমরা তাদেরকে পর্দার মধ্যে না লুকালেও সেই একই লোকেরা যখন আমাদের বাড়িতে আসে, আমরা আমাদের টাকাপয়সা, সোনাদানা ও মূল্যবান জিনিসপত্র কিন্তু ঠিকই লুকিয়ে রাখি। তখন আমরা ঈমান রক্ষার ব্যাপারে সচেতন হয়ে যাই। বলি, মাল যায় যার ঈমান যায় তার। কিন্তু আমাদের ইজ্জত, আমাদের মেয়েদের ইজ্জত লুণ্ঠিত হলে আমাদের ঈমান যায় না!

যে লোকদের ওপর আপনি সামান্য টাকাপয়সার ব্যাপারে আস্থা রাখলেন না, আপনার অমূল্য সম্পদ কন্যাটির ব্যাপারে তাদেরকে কীভাবে ফেরেশতা ভাবলেন? অথচ অর্থের প্রতি লোভের চেয়ে নারীর প্রতি পুরুষের আকর্ষণের মাত্রা অনেক বেশিই থাকে।

পর্দার ব্যাপারে শক্ত অবস্থান নিলে যে বহিরাগতদের সাথে পরিবারের লোকদের অবাধ মেলামেশা বাধাগ্রস্ত হয়, তারা অনেক সময় এমন কথা নিয়ে উপস্থিত হন যে, এর দ্বারা তাদেরকে অপমান করা হয়েছে। তারা বোঝাতে চান যে, তাদেরকে এর দ্বারা চরিত্রহীন সাব্যস্ত করা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, তাহলে একই ব্যক্তি যখন তার টাকাপয়সা সোনাদানা সুরক্ষিত স্থানে লুকিয়ে রাখেন, তখন কি আপনারা আপনাদেরকে চোর সাব্যস্ত করা হয়েছে বলে অপমান বোধ করেন? করেন না; অথচ ওটা করলে এটা মনে করাও যৌক্তিক ছিল!

আসলে সুরক্ষা দেওয়ার ব্যাপারে যেসব সাবধানতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তার উদ্দেশ্য প্রত্যেক ব্যক্তিকে অপরাধী মনে করা নয়। আপনি বাইরে গেলে আপনার ঘরে তালা দিয়ে যান—এর অর্থ আপনার প্রতিবেশীরা সব চোর তা নয়। আপনার বাড়িতে ঘরের টাকাপয়সা, সোনাদানা বিশেষভাবে আলমারি সিন্দুকে লুকিয়ে রাখেন—এর অর্থ এই নয় যে, আপনার বাড়িতে আগত মেহমানরা সবাই চোর!

যে-কারণে তারপরও আমরা এসব সতর্ক থাকি তা হলো, আমরা তো সবাইকে নিশ্চিতভাবে চিনি না, কারও একটু হাতটানের স্বভাব থাকতে পারে। কারও চুরির স্বভাব থাকতেও পারে। আর এ-ধরনের লোকেরা যদি অরক্ষিত কিছু পায়, তা নিয়ে যেতেও পারে। একইভাবে পর্দা-ব্যবস্থা গ্রহণ করা দ্বারা সবাইকে চরিত্রহীন সাব্যস্ত করা হয় না। তবে অবাধ মেলামেশা হলে নারী-পুরুষের কারও সাথে কারও অনৈতিক কিছু হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল হয়ে ওঠে।

তাই আপনার প্রাণপ্রিয় কন্যাটির ব্যাপারে, ছেলেটির ব্যাপারে আরও একটু সচেতন হোন। আপনি তার অভিভাবক। তার নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনার। আপনার সামান্য অবহেলা তার গোটা জীবনটাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে পারে।

আপনি কি তা চান?

লিখেছেন, আবু তাসমিয়া আহমদ রফিক
প্রধান সম্পাদক, সিয়ান পাবলিকেশন

হে মুমিনগন!আল্লাহকে ভয় করো এবং তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনো। তিনি তোমাদেরকে তাঁর রহমতের দ্বিগুন অংশ দেবেন এবং তোমাদের জন্...
23/05/2026

হে মুমিনগন!
আল্লাহকে ভয় করো এবং তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনো। তিনি তোমাদেরকে তাঁর রহমতের দ্বিগুন অংশ দেবেন এবং তোমাদের জন্য এমন নূর সৃষ্টি করবেন, যার মাধ্যমে তোমরা চলবে।

সূরা : হাদীদ, আয়াত :২৮

পুরুষের হাত পায়ে মেহেদি লাগানো জায়েয নেই।
23/05/2026

পুরুষের হাত পায়ে মেহেদি লাগানো জায়েয নেই।

সেক্যুলাররা বলবে, ইসলামী নিযাম সমাধান না। শরীয়াহ আসলে সমস্যা দূর হবে না। আমরা মধ্যযুগে নেই। আমাদের দরকার সুশাসন। ভালো ব্...
22/05/2026

সেক্যুলাররা বলবে, ইসলামী নিযাম সমাধান না। শরীয়াহ আসলে সমস্যা দূর হবে না। আমরা মধ্যযুগে নেই। আমাদের দরকার সুশাসন। ভালো ব্যবস্থা।
কী রকম ভালো ব্যবস্থা? সেটার বেঞ্চমার্ক কী? আধুনিক যুগের সিস্টেম কেমন?
সেক্যুলাররা বলবে পশ্চিমের কথা। পশ্চিমের উন্নত দেশগুলো হলো বেঞ্চমার্ক, তাদের কেবলা।
পশ্চিমের অবস্থা কী?
পুলিশে রিপোর্ট হওয়া মোট ধ/র্ষ/ণ মামলার বিপরীতে চূড়ান্তভাবে বিচার বা শাস্তি পাওয়ার হার (Conviction Rate):
ইউকে - ~৩.৯% (অভিযোগ গঠনের হার)
অ্যামেরিকা - ~৫% (দোষী সাব্যস্ত হওয়ার হার)
ফ্রান্স - ~২% (উচ্চ আদালতে শাস্তির হার)
জার্মানি - ~১০% (দোষী সাব্যস্ত হওয়ার হার)
এই হলো বেঞ্চমার্কের অবস্থা। এই হলো সেক্যুলারদের ফেরি করা সুশাসনের অবস্থা।
পশ্চিমা সুশাসনে আর কী আছে?
মি-টু কেলেঙ্কারি
এপস্টিন ফাইলস
এটা হল সেক্যুলারদের সমাধান।
তাদের প্রস্তাবিত সমাধানেও রামিসা, আসিয়া এবং আরো লক্ষ লক্ষ ভিকটিম বিচার পায় না। পাবে না। কারণ এই বিচার ব্যবস্থার মধ্যেই সমস্যা। আধুনিক রাষ্ট্র যে সমাধান দিতে ব্যর্থ। ইসলামী নিযাম প্যারাডিগম্যাটিকালিন্সেই সমাধান দিয়ে রেখেছে এবং বাস্তবায়নও করেছে।
তাই সৌদি-ইন্দোনেশিয়াকে ইসলামী নিযামের উদাহরণ হিসেবে আনার হাস্যকর আলাপ করতে গেলে সুশাসনের বেঞ্চমার্ক পশ্চিমের ট্র‍্যাকরেকর্ডও সামনে রাখবেন।

- আসিফ আদনান হাফি.
পিএইচডি গবেষক ও লেখক

অনেক মানুষই মনে করে, মুসলিম পরিচয়ের সঙ্গে শরিয়াহর কোন সম্পর্ক নেই। বিষয়টা মোটেও সেরকম না।
22/05/2026

অনেক মানুষই মনে করে, মুসলিম পরিচয়ের সঙ্গে শরিয়াহর কোন সম্পর্ক নেই। বিষয়টা মোটেও সেরকম না।

22/05/2026

জুম'আ বার দরুদ পাঠের বিশেষ দিন। বেশি বেশি দরুদ পাঠ করুন।

দরুদ পড়ুন : اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ

আমার স্বামী আমাকে পর্দায় রাখতে চায় কিন্তু সামর্থ্য নেই বিল্ডিং করবে। সে বস্তুা দিয়ে চারপাশে ঘেরাও দিয়ে গেটের সামনে পোস্ট...
21/05/2026

আমার স্বামী আমাকে পর্দায় রাখতে চায় কিন্তু সামর্থ্য নেই বিল্ডিং করবে। সে বস্তুা দিয়ে চারপাশে ঘেরাও দিয়ে গেটের সামনে পোস্টারে লিখে দিয়েছেন যে, "দশ বছরের উপর সকল পুরুষ সালাম দিয়ে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করুন।”

এই লাইনটা যা ভালো লেগেছে বলে বোঝানোর মতো নয়। স্বামী যদি আপনাকে সাপোর্ট করে আপনি বিশ্ব জয় করতে পারবেন। দুনিয়ার কোনো কষ্ট আপনার কাছে কষ্ট মনে হবে না, সারাদিনের বেদনা ভুলে দেয়ার জন্য এইটুকু সাপোর্ট যথেষ্ট। লাখ টাকার বিছানায় শুয়েও এই সুখটুকু পাওয়া যায় না, যদি স্বামী এমন সাপোর্ট না করে!🤍

যদি পর্দা নিয়ে যুদ্ধ করা বোনেরা এমন স্বামী পায় তবে তারা আজীবন ক্লান্ত হবে না। রিযিকের তরে যদি নিরুপায় হয়ে বেরোতেই হয়, তবে ঈমান এবং ইসলামকে বিসর্জন দিয়ে নয়।

- সংগৃহীত

বিয়ে করার আগে ভাবুন !আপনি কেন আর কিসের জন্য বিয়ে করছেন !?সুফিয়ান বিন উয়াইনার নিকট এক ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে বলল, 'হে আবূ মু...
21/05/2026

বিয়ে করার আগে ভাবুন !

আপনি কেন আর কিসের জন্য বিয়ে করছেন !?
সুফিয়ান বিন উয়াইনার নিকট এক ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে বলল, 'হে আবূ মুহাম্মাদ!

আমি আমার স্ত্রীর ব্যাপারে আপনার নিকট অভিযোগ জানাচ্ছি।
আমি এখন তার নিকটে সবচেয়ে অপমান ও ঘৃণার পাত্র!' এ কথা শুনে সুফিয়ান কিছু সময় মাথা নামিয়ে থাকলেন। অতঃপর মাথা তুলে বললেন, 'সম্ভবতঃ তুমি সম্মান পাওয়ার লোভে তাকে পছন্দ করেছ?'

সে বলল, 'আবূ মুহাম্মাদ! জী হ্যাঁ।'
তিনি বললেন, 'যে ব্যক্তি সম্মান খুঁজতে বিবাহ করে, অপমান তার প্রাপ্তি হয় এবং যে ব্যক্তি ধনী হওয়ার জন্য বিবাহ করে, দরিদ্রতা তার প্রাপ্তি হয়।

আর যে ব্যক্তি দ্বীন খুঁজে বিবাহ করে, আল্লাহ তার জন্য দ্বীনের সাথে সম্মান ও ধনকে একত্রিত ক'রে দেন।'

• হিলয়্যাতুল আওলিয়া ৭/২৮৯

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zikrullah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share