বিষয় ভিত্তিক ইসলামিক ভিডিও

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বিষয় ভিত্তিক ইসলামিক ভিডিও

বিষয় ভিত্তিক ইসলামিক ভিডিও ফিরে এসো আলোর পথে It is the religions pages that can share islamic knowledge with people who can want to learn something about religious.

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
সম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোনেরা,আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ।
সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহু রাব্বুল আলামীনের জন্য যিনি দুনিয়া ও পরকালের সবকিছুর মালিক।
রাসূল (সাঃ) বলছেনঃ--বানী ঈসরাইলরা 72 দলে বিভক্ত হয়েছিল আর আমার উম্মাতরা 73 ফিরকায় বিভক্ত হবে....৷এর মধ্যে একটি ফিরকা জান্নাতে যাবে,বাকী 72 ফিরকাই জাহান্নামী,আর ঐ একটি

জান্নাতী ফিরকা হল যারা আমার এবং সাহাবীদের আদর্শের ওপর কায়েম থাকবে। (তিরমিযী,আবূ দাঊদ,আহমাদ,মিশকাত)
রাসুল (সাঃ) বলেছেন: আমি তোমাদের মাঝে দুইটা জিনিস রেখে যাচ্ছি ,যতদিন তোমরা এই দুইটা জিনিস আঁকডে ধরবে, ততদিন তোমরা পথভ্রষ্ট হবেনা,একটা হল আল্লাহর কোরআন আরেকটা হল আমার হাদীস।
সুতরাং ধর্মের নামে যেসব ভন্ডামি, জালিয়াতি,ভ্রান্ত ধারণা ও কুসংস্কার এবং শিরক,বিদাত চলছে,তা সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা/বক্তব্য এবং প্রশ্ন-উত্তর
" বিষয় ভিত্তিক ইসলামিক ভিডিও " এই page পাবেন তাছাড়া পিডিএফ বই ও পাবেন ইনশা আল্লাহ। আমার ফেইসবুক পেইজের আইডি লিংক হচ্ছে www.fb.com/islamicvideo789
"কারা হক/সহীহ দীনের পথে আছে বা থাকার চেষ্টা করছে . . ----
আর পক্ষান্তরে কারা ধর্ম/ইসলামের নামে মিথ্যা কিচ্ছা-কাহিনী /অলি-বুযর্গের নামে বানোয়াট গল্প বা শিরক-বিদাত ছড়াচ্ছে এবং শিরক-বিদাত প্রচার করছে এবং কিভাবে বুজবেন কোনগুলো মিথ্যা বানোয়াট গল্প/কিচ্ছা-কাহিনী, শিরক/বিদাত " এই সম্পর্কিত যাবতীয় গুরোত্বপূর্ণ আলোচনা এবং প্রশ্ন-উত্তর
" বিষয় ভিত্তিক ইসলামিক ভিডিও " এই Page এ খুব সোন্দর করে সাজানো হয়েছে।
"রাসূল (সা:) এর কোনো সুন্নাত/আমল যদি কুরআন এবং সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমানিত হওয়ার পর ও কেউ যদি এটিকে কোনো মাজহাব/ফেরকার কারনে মানতে না চায় কিংবা অস্বীকার করে অথবা নতুন নতুন ফেতনা মনে করে তারা শুধু সহীহ হাদিস কে ই অস্বীকার করলোনা,বরং পক্ষান্তরে তারা রাসূল (সা:) কেই অস্বীকার করলো ,
আল্লাহ বলেন :- "যে কেউ রসূলের বিরুদ্ধাচারণ (কোরআন ও হাদিস অমান্যের মাধ্যমে) করে, তার কাছে সরল পথ প্রকাশিত হওয়ার পর এবং সব মুসলমানের অনুসৃত পথের বিরুদ্ধে চলে, আমি তাকে ঐ দিকেই ফেরাব যে দিক সে অবলম্বন করেছে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব। আর তা নিকৃষ্টতর গন্তব্যস্থান।" [সূরা নিসা-৪: ১১৫]
কেননা রাসূল(সা:) বলেছেন # "হাদিস অস্বীকারকারী দের শাস্তি " #
আবার পক্ষান্তরে, যদি এমন কোনো আমল/কাজ রাসূল(সা:) কোনোদিন করেননি বা করতে বলেননি কিংবা রাসূল (সা:) এর সাহাবারাও কোনোদিন করেননি, অর্থাৎ রাসূল (সা:) থেকে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নয় প্রমাণিত হওয়ার পরও যদি কেউ এমন কোনো আমল করে সে যে পথভ্রষ্ট/জাহান্নামী এ সম্পর্কে রাসূল (সা:) বলেছেন :
# # " “প্রত্যেক বিদয়াতই গোমরাহী, আর প্রত্যেক গোমরাহ লোকই জাহান্নামে যাবে।”
# # রাসূল (সাঃ) বলেছেন : “যে ব্যক্তি দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু আবিষ্কার করবে বা কোন নবাবিষ্কারকারীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ এবং সকল ফেরেশতা ও মানুষের অভিশাপ……. তার ফরয ইবাদাত বা তাওবাহ , নফল ইবাদাত বা ফিদইয়া কবুল করা হবে না ….।” বুখারী , কিতাবুল জিযিয়াহ , হা/৩১৮০ ।"
# # “আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক বিদ’আতির বিদ’আতকে পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তওবার পথ রুদ্ধ করে দিয়েছেন” – সহীহ আত তারগীব ওয়াত তারহীব ১/১৩০পৃ হাদীস নং ৫৪ ।"
# # রাসূল (সাঃ) বলেছেন : “যে ব্যক্তি দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু আবিস্কার করবে বা কোন নবাবিস্কারকারীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ এবং সকল ফেরেশতা ও মানুষের অভিশাপ ।” বুখারী , কিতাবুল জিযিয়াহ , হা/৩১৮০ ।
# # আল্লাহ বলেন : “নিশ্চয় এটিই আমার সোজা সরল পথ তোমরা তারই অনুসরণ কর , তোমরা বহু পথের অনুসরণ করো না , কারণ তা তোমাদেরকে তাঁর এক পথ হতে বিচ্ছিন্ন করে দিবে” – সূরা আন’আম : ১৫৩ ।
# # তিনি আরও বলেন : “নিশ্চয় যারা তাদের দ্বীনকে খন্ড-বিখন্ড করেছে এবং তারা দলে দলে বিভক্ত হয়ে গেছে আপনি তাদের কোন কিছুতেই অংশীদার নন” – সূরা আন’আম : ১৫৯ ।
# # রসূল (সাঃ) এর নিম্নোক্ত বাণী কোন ব্যক্তির ভুলে যাওয়া ঠিক হবে না : “আমার এ নির্দেশের মাঝে যে ব্যক্তি এমন কিছু নবাবিষ্কার করবে যা তার অন্তর্ভুক্ত ছিল না , তা পরিত্যজ্য ।” (বুখারী হা/২৬৯৭ ; মুসলিম হা/৩২৪২ ; আবু দাউদ হা/৩৯৯০ ; ইবনু মাজাহ হা/১৪)
# # তিনি আরও বলেন : “যে ব্যক্তি এমন আমল করল যার উপর আমার কোন নির্দেশ নেই সে আমলটি অগ্রহণযোগ্য ।” মুত্তাফাকুন আলাইহি হা/৩২৪৩ ।
সুতরাং,সওয়াবের আশায় আমরা যেই আমল করিনা কোনো তা হতে হবে রাসূল (সা:) ও তা সাহাবীদের থেকে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত,তাছাড়া যত অজিফা/তরিকা/লাফালাফি জিকির আছে অর্থাৎ আমলের ক্ষেত্রে যত্ন যত পথ বা পদ্দ্বতি আছে সব ই বাতিল এবং সুস্পষ্ট বিদাত। যা রাসূল (সা:) এর হাদিস দ্বারা ই প্রমানিত।
দৃষ্টি আকর্ষণ :-
"পৃথিবীতে এমন কোনো মানুষ পাওয়া যাবেনা যে শতভাগ শুদ্ধ।সুতরাং,আমরা তাদেরকেই অনুসরণ করবো যারা,বেশিরভাগই রেফারেন্স/দোলাল-প্রমান সহকারে কথা বলেন,আর তাদেরকে অনুসরণ করা উচিত না যারা,কুরআন-হাদিস বাদ দিয়ে শুধু বলেন অমুক কিতাবে আছে/অমুক পীর-বুজর্গ বা অমুক সুফী বলেছেন"
তবে পৃথিবীর যে কিতাবেই থাকুক বা যে ব্যক্তি ই বলুক না কোনো ,সেই কথা যদি কুরআন-হাদিসের বিরুদ্ধে না যায় ,তাহলে আমাদের মানা উচিত। তবে,হ্যাঁ কোনো ব্যক্তিকেই অন্ধ অনুসরণ/অন্ধ তাকলীদ করা যাবেনা,পত্যেককেই চোখ-কান খোলা রেখে অনোসরণ করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে প্ৰসিদ্ধ/বিখ্যাত ইমামদের কিস অসাধারণ উক্তি :
ইমাম আবু হানীফা (রহঃ)বলেছেন-
1. "হাদীস সহীহ হলে সেটাই আমার মাযহাব" [আল হাশিয়া ১ম খন্ড ৬৩ পৃ: , রাসমুল মুফতী ১ম খন্ড৪র্থ পৃ:]
2. "আমরা কোথা থেকে মাসআলা গ্রহণ করেছি , তা জানার আগ পর্যন্ত আমাদের বক্তব্য গ্রহণ করা কারুর জন্য জায়েয নয়" [ইবনুআবদিল বার - ১৪৫ পৃ: , ইবনুআবেদীন ৬ষ্ঠ খন্ড ২৯৩ পৃ: , আশ শা'রানী ১ম খন্ড ৫৫ পৃ:ইবনুলকাইয়েম২য়খন্ড ৩০৯ পৃ:]
⊙ ইমাম মালেক (রহঃ) বলেছেন-
1. "আমি মানুষ, ভুল-শুদ্ধ দুটোই করি। আমার রায় দেখ, যা কোরআন ও সুন্নাহর মোতাবেক তা গ্রহন কর এবং যা তার বিপরীত তা প্রত্যাখ্যান কর" [আল ফোলানী - ৭২পৃ: , আল জামে- ইবনু আবদিল বার ২য় খন্ড ৩২ পৃ: , উসুলুল আহকাম- ইবনে হাযম ৬ষ্ঠ খন্ড ১৪৯ পৃ:]
2. "রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর পর এমন কোনো ব্যক্তি নেই, যার কথা ও কাজ সমালোচনার ঊর্ধে । একমাত্র রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-ই সমালোচনারঊর্ধে" [আল জামে- ইবনু আবদিল বার ২য় খন্ড ৯১ পৃ: , উসুলুল আহকাম- ইবনে হাযম ৬ষ্ঠ খন্ড ১৪৫-১৭৯ পৃ: ,ইরশাদুস সালেক- ইবনু আবদিল হাদী ১ম খন্ড ২২৭ পৃ:]

⊙ ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বলেছেন- 1. "তোমাদের কারোর কাছ থেকে যেন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নাহ ছুটে না যায় । আমি যতো কিছুই বলে থাকি তা যদি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর হাদীসের পরিপন্থী হয়, তাহলে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর কথাই আমার কথা" [ইলামুল মোকেঈন ২য় খন্ড৩৬৩-৩৬৪ পৃ: , তারীখে দিমাশ্ক- ইবনে আসাকির ইকায- ১০০ পৃ:]
2. "আমি যা বলছি তার বিপরীত যদি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর কোনো হাদীস কারো নিকট বিদ্যমান থাকে, তাহলে আমি আমার জীবিত ও মৃত উভয় অবস্থাতেই ঐ হাদীসের দিকে ফিরে আসবো" [হিলইয়া- আবু নাঈম ৯ম খন্ড ১০৭ পৃ: , আর হারওয়াবী - ৪৭ পৃ: , আল ফোলানী -১০৪ পৃ: , ইলামুল মোকেঈন ২য় খন্ড৩৬৩ পৃ:]

⊙ ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহঃ) বলেছেন-
1. "তোমরা আমার, ইমাম মালেক,শাফেঈ, আওযাঈ এবং সুফিয়ান ছাওরীর তাকলীদ (অন্ধ অনুসরন)করবে না । বরং তারা যে উৎস থেকে গ্রহণ করেছেন তুমিও সেই উৎস থেকে গ্রহণ কর" [আল ফোলানী - ১০৪ পৃ: , ই'লাম- ইবনুল কাইয়েম২য় খন্ড ৩০২ পৃ:]
2. "আওযাঈ, ইমাম মালেক ও ইমাম আবু হানীফার রায় তাদের নিজস্ব রায় বা ইসতিহাদ । আমার কাছে এ সবই সমান, তবে দলীল হল আছার অর্থাৎ সাহাবী ও তাবেঈগনের কথা" [আল জামে- ইবনু আবদিল বার ২য় খন্ড ১৪৯ পৃ:]

মুসলিম জাতির ঐক্য : আজ আমরা মুসলিমরা দলে-দলে/পীরে-পীরে/তরিকায়-তরিকায়/মাজার-খানকায়/সুফিবাদে কিংবা মাজহাবে-মাজহাবে বিভক্ত হয়ে গেছি।
অথচ এভাবে দল/ফেরকায় বিভক্ত হওয়া ইসলামে সম্পর্ণ নিষেধ।
আমাদের উচিত মুসলিম উম্মার ঐক্যের জন্য এসব দলা-দলি এবং ফেরকাবাজী ছেড়ে দিয়ে আল-কুরআন এবং সহীহ হাদিস মেনে চলা।


" বিষয় ভিত্তিক ইসলামিক ভিডিও " এই Page লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো,
সত্য ও সহীহ দ্বীন ইসলামের দাওয়াত প্রতিটি মানুষের কাছে পাওছে দেওয়া,সত্য জানিয়ে দেয়া আমাদের দায়িত্ব কিন্তু মানা আর না মানা এটি পত্যেকের ব্যক্তিগত ব্যাপার।
কেননা কুরআন-হাদিসের দলিল পাওয়ার পর ও যারা সত্য গ্রহণ করতে না চায় তারা মূর্খ আর আল্লাহ মূর্খদের সাথে তর্ক করতে নিষেধ করেছেন।
আল্লাহ বলেন :- “যারা মনোযোগ সহকারে কথা শোনে এবং তার মধ্যে যা উত্তম তা গ্রহণ করে তাকেই আল্লাহ হেদায়াত দেন আর তারাই বুদ্দিমান”। (সূরা জুমার 18)
আমরা চাই প্রতিটি মুসলিম ভাই-বোন কুরআন এবং সহীহ হাদিস মেনে চলক এবং শিরক-বিদাত মুক্ত ঈমানদার হউক।
হে আল্লাহ তুমি আমাদেরকে সিরাতুল মোস্তাকিমের পথে চালাও। আমিন।

27/01/2020

দুই বছর আগে আজহারীকে
আমি নিজেও চিন্তাম না। আজহারীর
হিংসুকেরাই আমাকে চিনিয়েছে। হিংসুকেরা যখন বলছে আজহারী
ইহুদির দালাল.! রাসুলের দুশমন.!
সাধারন যুবকেরা ইউটিউবে নক-

করে জানতে চাইলো দেখি ইহুদীর
দালাল আর রাসুলের দুশমন দেখতে
কেমন.? যে তাঁর তাফসীর শুনেছে সে-ই
মুগ্ধ হয়েছে! তাকে গ্রহন করে নিয়েছে।
সবাই আর বুজতে বাকি রইলোনা যে, যিনি
কুরআন হাদিসের রেফারেন্স দিয়ে কথা বলেন
তিনি কিভাবে ইহুদীদের দালাল হয়.?
ইতিহাস সাক্ষি আবু লাহাব আবু জেহেলরা
নবীজির বিরুধীতার পদ্ধতিও একই ছিলো।
মক্কার কাফেরেরা নব আগন্তুক হাজিদের
নিকট প্রচার করতো মুহাম্মদের সংস্পর্শে
যেওনা, সে পাগল আবোল তবোল বলে বেড়ায়
সবাই চিন্তা করলো দেখি পাগলটা
দেখতে কেমন.? যে গিয়েছে সে-ই তাঁর
মুখে কুরানের সুমধুর বাণী শুনে মুগ্ধ হয়েছ

এবং ইসলাম কবুল করেছে, ধীরে-
ধীরে সে মক্কা মদীনা সহ সাড়া বিশ্বের
মুসলিম মিল্লাতের আইকন হয়েছে।
সুতরাং মাজার পুঁজারী আজহারী
বিরুধী ভাইয়েরা.! তোমাদের সাধনায় আজ
মিজান আজহারী বাংলার যুবকদের আইকন।

অতএব তোমরা বিরুধীতা করতে
থাকো।তোমাদের উৎসাহিত করে শয়তান,
আর আজহারীর মর্যাদা উঁচু করে স্বয়ংআল্লাহ

13/07/2018

আমার বাংলাদেশে মসজিদ ভাঙ্গার মতো সাহসও কেউ করতে পারে ?
অথচ, দেওয়ান বাগী, কাদিয়ানী, শীয়াদের বেদাতী মসজিদ গুলো ঠায় দাঁড়িয়ে আছে। সেদিকে কেউ কখনো তাকানোর সাহস পর্যন্ত করে নি ।
এরাও নাকি মুসলিম??,,
ইখতালাফী মাসওলা নিয়ে ভিন্ন মত হলেই তরা মসজিদ ভেঙে দিবি?? তদের উপর আল্লার লানত এবং গজব পড়ুক...!!!

[https://m.youtube.com/watch?v=N59nYFsUtPA] [কিছু ভন্ড হুজুর দের তালিকা | চিনে রাখুন । Bangla waz 2018 - YouTube] is goo...
24/03/2018

[https://m.youtube.com/watch?v=N59nYFsUtPA] [কিছু ভন্ড হুজুর দের তালিকা | চিনে রাখুন । Bangla waz 2018 - YouTube] is good,have a look at it!

কিছু ভন্ড হুজুর দের তালিকা | চিনে রাখুন না হয় আপনিও পরতে পারেন এদের খপোরে। Bangla waz =================================== প্রিয় দর্শক আমাদের উ...

11/03/2018


ডা: জাকির নায়েক মূলত: একজন ইসলাম প্রচারক। এই পরিচয়েই বিশ্ব তাঁকে চেনে। আমল ও ইবাদতে তিনি ফিকহে হাম্বলী বা সালাফিয়্যাতের অনুসরণ করেন। তাঁর ব্যক্তিগত অভিমতসমূহের একটি হলো, তিনি 'আহলে হাদীস' পরিচয় ধারণের বিরোধিতা করেন।
তাঁর লেকচার কিংবা প্রশ্নোত্তরের মধ্যে ফিকহী মাসআলা কিংবা উলামায়ে কেরামের মাঝে মতপার্থক্যপূর্ণ বিষয় ৫%ও থাকে না। ফিকহী মাসআলা সংক্রান্ত যে কয়েকটি ফুটেজ অনলাইনে দেখা যায় তার বেশিরভাগ বহু আগের এবং তিনি সেগুলোতে অন্য অনেকের মতো আক্রামণাত্মক কথা বলেননি। আনুমানিক বছর চারেক পূর্বের একটি মতপার্থক্যপূর্ণ ফিকহী মাসআলা প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে উলামাদের নিকট রেফার করতে দেখেছি। তাঁর পরিবর্তিত নীতি সম্পর্কে অনেকেই আপডেটেড নন।
দুবাইয়ে তিনি যখন পিসটিভির স্পিকারদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে এসেছিলেন, তখন প্রথম বারের মতো পিস টিভিতে কয়েকজন দেওবন্দী উলামায়ে কেরামকেও আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে ইঙ্গিতমূলক অভিযোগ তোলেন একজন স্পিকার। জবাবে ডা: জাকির নায়েক পরিস্কারভাবে বলেছিলেন, আমি ঐক্য চাই। আমি মনে করি, শিয়া এবং (ব্রেলভী) কবরপুজারীরা ছাড়া অন্যদের মধ্যে ঐক্য হতে পারে। দেওবন্দী, জামাতে ইসলামী এবং আহলে হাদীসের পারস্পরিক মতভেদের জায়গাগুলো খুবই কম। (অন্তত: ১০-১৫জন স্পিকারের উপস্থিতিতে তিনি এ মন্তব্য করেছেন। আমি তখন তাঁর কাছ থেকে মাত্র ১হাত দুরে বসা।)
একজন বড় মাপের ডাক্তার আমাকে বলেছিলেন, 'আমি ছাত্র ইউনিয়ন করতাম। ইসলামের ব্যপারে আমার যেসব প্রশ্ন ছিল তার উত্তর কোন আলেমের কাছে পাইনি। কিন্তু হঠাৎই জাকির নায়েক সাহেবের লেকচার কানে আসে এবং সব প্রশ্নের তৃপ্তিদায়ক উত্তর পেতে থাকি'। এরপর থেকে ছাত্র ইউনিয়ন ছেড়ে তিনি এবং তাঁর পরিবার পরিপূর্ণভাবে ইসলাম পালনের চেষ্টা করেন।
বাংলাদেশে যেসব লোক ড. জাকির নায়েক দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন তাদের বিরাট অংশ মূলত: নামমাত্র মুসলিম হলেও ইসলামের প্রতি আস্থা এবং বিশ্বাস পূর্ণমাত্রায় ছিল না, কিংবা ইসলামের প্রতি তেমন কোন আগ্রহ ছিল না; এমনকি কোন আলেমের দাওয়াতও তাদের প্রভাবিত করতে পারছিল না।
আমাদের মান্যবর উলামায়ে কেরামের অনেকে (উগ্রভাবে ইখতেলাফী বিষয়গুলো উপস্থাপন এবং উলামাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো এবং অনৈক্যের বীজবপনসহ) যেসব অভিযোগে ডা. জাকির নায়েক সাহেবকে তুলোধুনা করা পরম কর্তব্য মনে করছেন, সেই সব অভিযোগ তাঁর চেয়ে বহগুন বেশি বিদ্যমান অন্য অনেকের মধ্যে। অথচ যত ঝাল সব ডা: জাকির নায়েকের ওপর!
যখন ব্রেলভী ও কট্টর হিন্দুদের প্ররোচনায় ভারত সরকার লোকটিকে হেনস্থা করতে চাইলো তখন এক সময় তাঁর বিরুদ্ধে ফতোয়া দেওয়া দারুল উলূম দেওবন্দও তাঁর প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। অথচ বিশ্বব্যপী অমুসলিম অপশক্তিগুলো যখন লোকটার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লো তখন আমরা তার প্রতি আক্রমণের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিলাম! আজ জাকির নায়েকের একহাত নেওয়া একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের বিরাট একটা শ্রেণীর (যারা আহলে হাদীস নয়) সাথে উলামায়ে কেরামের দূরত্বও বাড়ছে।
যেই সেক্টরে তিনি কাজ করছেন সেখানে মুসলিম স্কলারদের পদচারণা খুবই কম। অথচ সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু! এমন একজন লোককে ঘায়েল করে আখেরে আমাদের কি লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হচ্ছে না?

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিষয় ভিত্তিক ইসলামিক ভিডিও posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share