Sureshwar Darbar Sharif

Sureshwar Darbar Sharif Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sureshwar Darbar Sharif, Religious organisation, Dhaka.

আপনারা সকলেই আমন্ত্রিত। #মাসিক_দোসরা_শরীফ #সুরেশ্বর_দরবার_শরীফ  #তরিকায়ে_সুরেশ্বরীয়া #বাবা_জানশরীফ_শাহ_সুরেশ্বরী_রহঃ
16/05/2022

আপনারা সকলেই আমন্ত্রিত।

#মাসিক_দোসরা_শরীফ
#সুরেশ্বর_দরবার_শরীফ

#তরিকায়ে_সুরেশ্বরীয়া
#বাবা_জানশরীফ_শাহ_সুরেশ্বরী_রহঃ


***** বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম *****      🌷নিশান মোবারক উত্তোলন 🌷----------------------------------------------------...
16/05/2022

***** বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম *****

🌷নিশান মোবারক উত্তোলন 🌷
---------------------------------------------------------------------------------------------
মোহতারাম,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ্!

আসছে পঞ্জিকা মতে আগামী ১৮, ১৯ ও ২০শে জৈষ্ঠ ১৪২৯ বাংলা মোতাবেক ২, ৩ ও ৪ জুন-২০২২ইংরেজী রোজঃ বৃহস্পতি, শুক্রবার ও শনিবার, বেলায়েত গগনের উজ্জ্বল জ্যোতিস্ক কোতবোল আকতাব শাহ্ সূফী সাইয়্যেদ জালাল নূরী আফিআনহু কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত তিনদিন ব্যাপি “পবিত্র দরবেশী সম্মেলন” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পবিত্র এই অনুষ্ঠানটির নিগূঢ়তম রহস্য সম্পর্কে বাবা জালাল নূরী (রহঃ) স্বয়ং বলেছেন, “অনন্তর আশেক, ভক্ত ও মুরিদানের জাহের ও বাতেনের সদগতি লাভের নিমির্ত্তে বাবা জানশরীফ শাহ্ সুরেশ্বরী (রহঃ) রূহানী নির্দেশে ‘দরবেশী সম্মেলন’ প্রতিষ্ঠিত হল।”

উক্ত পবিত্র দরবেশী সম্মেলন অনুষ্ঠান উপলক্ষে ৫ই জ্যৈষ্ঠ মোতাবেক ২০ মে-২০২২ইং রোজ শুক্রবার দরবারে সুলতানুল আউলিয়া সুরেশ্বর দ্বায়রা শরীফে সকাল ৮ ঘটিকায় সময় নিশান মোবারক উত্তোলন করা হইবে।

নিশান মোবারক উত্তোলন মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানে আপনারা সকলেই আমন্ত্রিত।

আরজগুরজারঃ মহান সুরেশ্বর দরবার শরীফের গদিনশীন পীর ও মুর্শীদ ক্বিবলা সুরেশ্বরীয়া তরিকার রূপকার, প্রবর্তক ও ঘোষক, হিজরী পনের শতকের মোজাদ্দেদ আলহাজ্জ্ব সাইয়্যেদ শাহ্ সূফী বেলাল নূরী আল্ সুরেশ্বরী (মাঃ জিঃ আঃ)-র একমাত্র শাহজাদা সাইয়্যেদ শাহ্ সূফী মুক্তাদির নূরী আল্ সুরেশ্বরী।
________________________________________________
______________________
প্রচারেঃ বাংলাদেশ আশেক্বীনে আউলিয়া পরিষদ, সুরেশ্বরীয়া মিসন ও বাবা বেলাল নূরীর ভক্ত সংঘ।

আাপনারা সকলেই মাস্ক পরিধান করে আসবেন এবং সরকারী সাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন।

#পবিত্র_দরবেশী_সম্মেলন
#নিশান_মোবারক_উত্তোলন
#সুরেশ্বর_দরবার_শরীফ

#তরিকায়ে_সুরেশ্বরীয়া
#সাইয়্যেদ_শাহ্_সূফী_জালাল_নূরী_আফিঃ


***** বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম *****      🌷পবিত্র দরবেশী সম্মেলন 🌷---------------------------------------------------...
07/05/2022

***** বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম *****

🌷পবিত্র দরবেশী সম্মেলন 🌷
---------------------------------------------------------------------------------------------
মোহতারাম,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ্!

আসছে পঞ্জিকা মতে আগামী ১৮, ১৯ ও ২০শে জৈষ্ঠ ১৪২৯ বাংলা মোতাবেক ২, ৩ ও ৪ জুন-২০২২ইংরেজী রোজঃ বৃহস্পতি, শুক্রবার ও শনিবার, বেলায়েত গগনের উজ্জ্বল জ্যোতিস্ক কোতবোল আকতাব শাহ্ সূফী সাইয়্যেদ জালাল নূরী আফিআনহু কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত তিনদিন ব্যাপি “পবিত্র দরবেশী সম্মেলন” অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পবিত্র এই অনুষ্ঠানটির নিগূঢ়তম রহস্য সম্পর্কে বাবা জালাল নূরী (রহঃ) স্বয়ং বলেছেন, “অনন্তর আশেক, ভক্ত ও মুরিদানের জাহের ও বাতেনের সদগতি লাভের নিমির্ত্তে বাবা জানশরীফ শাহ্ সুরেশ্বরী (রহঃ) রূহানী নির্দেশে ‘দরবেশী সম্মেলন’ প্রতিষ্ঠিত হল।”

উক্ত পবিত্র অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে জ্যোতির্ময় মহামানবদের সঙ্গ লাভ করতঃ আপন মুর্শীদের নূরে হক্ব- এর সরোবরে আবগাহন করে নিজেদের দেহ-মনকে পুত ও পবিত্র করে, আত্মশুদ্ধি, আত্মচৈতন্য লাভের মাধ্যমে ইহ ও পরকালীন সুখ-সম্পদ লাভ করার জন্য আপনাদেরকে আন্তরিক দাওয়াত জানানো যাচ্ছে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ২৪শে জৈষ্ঠ মোতাবেক ৮ই জুন, রোজ শুক্রবার বাবা জালাল নূরী হুজুরের সহধর্মিনী বেগম সুরাইয়া খানক এর ওফাত দিবস উপলক্ষে বাদ মাগরিব দোয়া, মিলাদ-মাহফিল ও শিন্নীর আয়োজন করা হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে আপনারা সকলেই আমন্ত্রিত।

আরজগুরজারঃ মহান সুরেশ্বর দরবার শরীফের গদিনশীন পীর ও মুর্শীদ ক্বিবলা সুরেশ্বরীয়া তরিকার রূপকার, প্রবর্তক ও ঘোষক, হিজরী পনের শতকের মোজাদ্দেদ আলহাজ্জ্ব সাইয়্যেদ শাহ্ সূফী বেলাল নূরী আল্ সুরেশ্বরী (মাঃ জিঃ আঃ)-র একমাত্র শাহজাদা সাইয়্যেদ শাহ্ সূফী মুক্তাদির নূরী আল্ সুরেশ্বরী।
________________________________________________
______________________
প্রচারেঃ বাংলাদেশ আশেক্বীনে আউলিয়া পরিষদ, সুরেশ্বরীয়া মিসন ও বাবা বেলাল নূরীর ভক্ত সংঘ।

আাপনারা সকলেই মাস্ক পরিধান করে আসবেন এবং সরকারী সাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন।

#পবিত্র_দরবেশী_সম্মেলন
#সুরেশ্বর_দরবার_শরীফ

#তরিকায়ে_সুরেশ্বরীয়া
#সাইয়্যেদ_শাহ্_সূফী_জালাল_নূরী_আফিঃ


ঈদ মোবারক           ঈদ মোবারক          ঈদ মোবারকআজ ১লা শাওয়াল ১৪৪৩হিজরী মোতাবেক ২ মে-২০২২ইং রোজঃ সোমবার।🌷মহান সুরেশ্বর দ...
02/05/2022

ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক

আজ ১লা শাওয়াল ১৪৪৩হিজরী মোতাবেক ২ মে-২০২২ইং রোজঃ সোমবার।

🌷মহান সুরেশ্বর দরবার শরীফে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে🌷

“আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাললাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।”

অদ্য সকাল ১০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামায।

নামাযে ঈমামতি করেন, মহান সুরেশ্বর দরবার শরীফের বর্তমান গদিনশীন পীর ও মুর্শীদ ক্বিবলা, হিজরী পনের শতকের শাহ্ মোজাদ্দেদ, সুরেশ্বরীয়া তরিকার রূপকার, ঘোষক ও প্রবর্তক আলহাজ্জ্ব সাইয়্যেদ শাহ্ সূফী বেলাল নূরী আল্ সুরেশ্বরী (মাঃ জিঃ আঃ)।

মুনাজাত পরিচালনা করেন, সাইয়্যেদ শাহ সূফী কামাল নূরী আল্ সুরেশ্বরী, মোতাওয়াল্লী ও গদিনশীন পীর ও মুর্শীদ সুরেশ্বর দরবার শরীফ।


#সবাইকে_ঈদুল_ফিতরের_শুভেচ্ছা
োবারক
#সুরেশ্বর_দরবার_শরীফ

#তরিকায়ে_সুরেশ্বরীয়া

  #সবাইকে_ঈদুল_ফিতরের_শুভেচ্ছা োবারক
01/05/2022


#সবাইকে_ঈদুল_ফিতরের_শুভেচ্ছা
োবারক

30/04/2022
***** বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম *****ঈদ মোবারক           ঈদ মোবারক          ঈদ মোবারকআসছে আগামী ১লা শাওয়াল ১৪৪৩হিজরী ম...
29/04/2022

***** বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম *****

ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক

আসছে আগামী ১লা শাওয়াল ১৪৪৩হিজরী মোতাবেক ২ মে-২০২২ইং রোজঃ সোমবার মহান সুরেশ্বর দরবার শরীফে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

🌷সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ🌷

♥শুভেচ্ছান্তেঃ সাইয়্যেদ শাহ্ সূফী বেলাল নূরী আল্ সুরেশ্বরী (মাঃ জিঃ আঃ)♥

গদিনশীন পীর ও মূর্শীদ ক্বিবলা, সুরেশ্বর দ্বায়রা শরীফ, নড়িয়া, শরিয়তপুর, বাংলাদেশ।
------------------------------------------------------------------------------------------
“ঈদের দিনের ১৩টি সুন্নত”

১. খুব ভোরে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠা।
২. মেসওয়াক করা-দাঁত মাজা।
৩. গোসল করা।
৪. যথাসাধ্য উত্তম পোশাক পরিধান করা।
৫. শরীয়ত সম্মতভাবে সাজ-সজ্জা করা।
৬. খুশবো লাগানো।
৭. ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে ঈদুল ফিতরের দিনে কোনো মিষ্ট দ্রব্য খেয়ে যাওয়া।
৮. আগে আগে ঈদগাহে চলে যাওয়া।
৯. ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে সদকায়ে ফিতির (ফেতরা) না দিয়ে থাকলে দিয়ে যাওয়া।
১০. ঈদগাহে যেয়ে ঈদের নামাজ পড়া।
১১. পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া।
১২. ঈদগাহে যাওয়ার সময় এই তাকবীর ঈদুল ফিতরের দিনে আস্তে আস্তে কিন্তু ঈদুল আযহার দিনে পুরুষগণ জোরে জোরে পড়তে
পড়তে যাওয়া- (উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ)
১৩. এক রাস্তা দিয়ে ঈদগাহে যাওয়া এবং অন্য রাস্তা দিয়ে প্রত্যাবর্তন করা।

“ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ”

আরবী শাওয়াল চাঁদ দেখার পর রাত শেষে দিনে এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুসলমানগণ যে আনন্দ-উৎসব করে তাই ঈদ-ঊল-ফিতর। ঈদ-উল ফিতরে দুই রাকাত নামাজ অতিরিক্ত ছয় তাকবীরের সাথে পড়া ওয়াজিব। নামাজে প্রথমে নিয়ত করে তাকবীরে তাহরীমা বেঁধে ছানা পড়তে হবে। এরপর অতিরিক্ত তিনটি তাকবীর বলতে হবে। প্রতি তাকবীরেই উভয় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠাতে হবে। এরপর তা’আউজ ও ‘তাসমিয়াহ’ পড়ে সূরায়ে ফাতিহার সাথে সূরা মিলিয়ে এক রাকাত নামাজ আদায় করতে হয় এবং দ্বিতীয় রাকাতে সূরায়ে ফাতেহার সাথে সূরা মিলিয়ে পরার পর তিনটি অতিরিক্ত তাকবীর বলতে হবে এবং তাকবীর বলার সময় উভয় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠাতে হবে। এরপর রুকু তাকবীর বলে রুকুতে যেতে হবে। এভাবেই ঈদের ওয়াজিব দুই রাকাত নামাজ আদায় করতে হবে। এরপর ইমাম সাহেব দাঁড়িয়ে দু’টি খুৎবা পাঠ করবেন এবং উভয় খুৎবার মাঝে তিন তাসবীহ পরিমাণ বসতে হবে। মুক্তাদীদের প্রতি এ খুৎবা শোনা ওয়াজিব। ঈদুল ফিতরের খুৎবায় ইমাম কর্তৃক সাধারণত সদকায়ে ফিতরের বয়ান রাখা হয়।

“ঈদ-উল-ফিতরের নামাজের নিয়ত”

(উচ্চারণ)- নাওয়াই তুআন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা’আলা রাকাতাই সালাতিল ঈদুল ফিতরি মাআ সিত্তাতি তাকবীরাতি ওয়াজিবিল্লাহি তা’আলা ইকতাদাইতু বিহাজাল ইমাম, মুতাওয়াজ্ জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ্ শারিফাতি আল্লাহু আকবার।

“ঈদ-উল-ফিতরের গুরুত্ব”

হাদীস মতে- আল্লাহ পাক ঈদুল ফিতরের দিন বেহেশত সৃষ্টি করেছেন। এদিনে বেহেশতে তুবা বৃক্ষ রোপণ করা হয়। ওহী প্রেরণের জন্য হযরত জিব্রাঈল আলাইহিস সালামকে এদিনে মনোনীত করা হয়। এই ঈদের দিনেই ফেরাউনের যাদুকরদেরকে হেদায়েত দান করা হয়। নবী
মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ঈদের নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে ঈদগাহে যান, তখন আল্লাহ পাক তাদের প্রতি অভিনিবেশসহকারে তাকান এবং বলেন, হে আমার বান্দারা! তোমরা আমার জন্যই রোজা রেখেছো। আমার জন্যই নামাজ পড়েছো। এখন তোমরা উপহার নিয়ে যাও।
তোমরা মনে রেখো যে, মুসলমানগণ তথা মুহাম্মদী উম্মতগণ যে দ্ইু ঈদ দিনে পালন করে, একই ঈদ ফেরেশতারাও পালন করে সেই ঈদের দিন রাতে। অর্থাৎ মুসলমানদের ঈদ হয় দিনে এবং ফেরেশতাদের ঈদ হয় রাতে।

“মহান সুরেশ্বর দরবার শরীফে চন্দ্র মাসের গণনা অনুযায়ী রোজা ও ঈদ পালন”

মহান সুরেশ্বর দরবার শরীফে, তরিকায়ে সুরেশ্বরীয়া-র প্রতিষ্ঠাতা ও ইমাম, উপমহাদেশের প্রখ্যাত অলিয়ে কামেল গাউসে জামান সামছুল ওলামা কোতবোল এরশাদ সুলতানুল মাওহেদীন ওয়াল কামেলিন ফাখরুশ্ শায়েখিন হিজরী চৌদ্দ শতকের মোজাদ্দেদ মোর্শেদে আলম আল্লামা হযরত শাহ্ সূফী সাইয়্যেদ আহমদ আলী ওরফে মাওলানা বাবা জান শরীফ শাহ্ সুরেশ্বরী (রহঃ)-এর রেখে যাওয়া চন্দ্র মাসের সঠিক হিসাব অনুযায়ী উদযাপিত হচ্ছে। তবে হিসাব অনুযায়ী দেখা যায় সৌদি আরব সহ্ বিভিন্ন দেশের সাথে মিলে যায়। কারণ, বিশ্বের সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণের ধর্মীয় উৎসবগুলোর তারিখ নির্ধারিত হয় নতুন চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে। মুসলমানরা যে হিজরি সন ব্যবহার করে, তা চন্দ্রবর্ষপঞ্জী নির্ভর। কিন্তু আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের সফলতার জন্যে কোন দেশে কখন নতুন চাঁদ দেখা যাবে তা বহু আগে থেকেই হিসেব করে বলে দেয়া সম্ভব।

ইসলাম ও বিজ্ঞান বিষয়কদের মতে- ধর্মীয় উৎসবের তারিখ নির্ধারণের জন্য ইসলামে যে বিধান আছে, তার সঙ্গে বিজ্ঞানের কোন বিরোধ নেই। কাজেই আধুনিক জ্যোর্তিবিজ্ঞান প্রয়োগ করে খুব সহজেই বলে দেয়া সম্ভব কখন হিজরী সনের নতুন চন্দ্র মাস শুরু হচ্ছে। ফলে সারা বিশ্বের মুসলমানরা চাইলে একই দিনেই পালন করতে পারেন তাদের ধর্মীয় উৎসব, এ নিয়ে এত বিভ্রান্তি বা সংশয় থাকে না।
________________________________________________
______________________
💟প্রকাশকঃ একমাত্র শাহ্জাদা সাইয়্যেদ শাহ্ সূফী মুক্তাদির নূরী আল্ সুরেশ্বরী💟

বি. এ. (ফাস্ট ক্লাস), এম.এ. (ফাস্ট ক্লাস), পিএইচডি. ইসলামিক শিক্ষা (তাসাউফ), আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়, ভারত।

(ঈদুল ফিতর সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে পড়ুন রোহবানিয়াত এ ঊলম- ৫১৮পৃষ্টা)

নিবেদকঃ সুরেশ্বরীয়া বেলালীয়া প্রকাশনী।

****বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম****                   ۞ শবে কদরের ফজিলত ۞ ♥হযরত শাহ্ সূফী সাইয়্যেদ বেলাল নূরী আল্ সুরেশ্...
26/04/2022

****বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম****

۞ শবে কদরের ফজিলত ۞

♥হযরত শাহ্ সূফী সাইয়্যেদ বেলাল নূরী আল্ সুরেশ্বরী (মাঃ জিঃ আঃ)♥
---------------------------------------------------------------------------------------------

শবে কদর কি?

আল্লাহতায়ালা তাঁর প্রিয় হাবিবকে উদ্দেশ্য করে প্রশ’ রাখেন, হে মুহাম্মদ, শবে কদর কি? এ সম্মন্ধে যদি আমি আপনাকে অবগত না করাতাম তবে আপনি এর ফজিলত ও বুযুর্গী সম্পর্কে কিভাবে অবগত হতে পারতেন?

অতঃপর আল্লাহ তা’য়ালা নিজেই উত্তরে বলেছেন, কদরের মাস(রমজান) হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। এই রাতে যা কিছু ইবাদত-বন্দেগী করা হয় তা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। তোমরা এই কথাগুলো নিবিড়ভাবে অনুধাবন করতে সচেষ্ট হও যে, একদিন হুজুরপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবাদের সম্মুখে বণী ইসরাঈলের চার ব্যক্তি সম্পর্কে বললেন, তাঁরা আশি বৎসর পর্যন্ত একাদিক্রমে ইবাদত করেন। এ সময়ের মধ্যে একটি নাফরমানীও তারা করেননি।

তারপর আইউব, যাকারিয়া, খারকীল ও ইউশা ইবনে নুন আলাইহিস্ সালাম এই চারজন পয়গম্বরের আমলের কথাও নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন। এই হাদিস শুনে সাহবাগণ খুবই বিস্মিত ও মনে মনে মর্মাহত হলেন তাদের হায়াত দীর্ঘ না হওয়ার কারনে কম আমল করার সুযোগ থাকায়। এমন সময় হযরত জিব্রাঈল আলাইহিস্ সালাম হুজুরপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট আগমন করে উম্মতে মুহাম্মদীর প্রিয় সাহাবাদের মনের অবস্থার উপর শান্তনার বারী বর্ষণ করে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! এর চেয়েও বিস্ময়কর বস্তু আল্লাহ্পাক আপনার উম্মতের জন্য দান করেছেন।

অতঃপর তিনি সূরা কদর পাঠ করে বললেন, যে বিষয়ে আপনার সাহাবারা বিস্মিত হয়েছেন, তা এর চেয়েও বিস্ময়কর। এ কথা শুনে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুবই আনন্দিত হলেন। তারপর জিব্রাঈল আলাইহিস্ সালাম কদর রাত্রিকে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম হওয়ার সুসংবাদটি দান করেন। হাজার মাস মানে ৮৩ বছর ৪ মাস।

বর্ণিত আছে, হুজুরপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উম্মতের বয়স তাঁর সামনে পেশ করা হলে তিনি দেখলেন তাঁর উম্মতের বয়স কম। আর এ স্বল্পতাকে পূর্ণতা দানের জন্যই নবীজির শানে কদর রাত্র দান করা হয়েছে। তাই একবার ভেবে দেখো, আমরা কতটা সে․ভাগ্যবান উম্মত! সূরা কদর পাঠকারী যেন কোরআনের এক চতুর্থাংশ পাঠ করলো। রমজান মাসের শেষ দশদিনের এশার নামাজে সূরা কদর পাঠ করা মুস্তাহাব। তাই আমাদের উচিত, রমজানের নামাজ-রোজায় গভীর মনোযোগী হওয়া।

হযরত ইবনে আব্বাস বলেন, কদর রাতে আল্লাহ তা’য়ালা হযরত জিব্রাঈল আলাইহিস্ সালাম-কে বলেন, সিদরাতুল মুনতাহার যত ফেরেশতা আছে তাদের সাথে নিয়ে পৃথিবীতে গমন করো কাবা গৃহের নিকট, মুহাম্মদের কবরের নিকট, বায়তুল মুকাদ্দাস এবং তুরে সীনার মসজিদের নিকট। এই চার স্থানে ফেরেশতাগণ তাদের হাতের পতাকা প্রোথিত করেন।
অতঃপর তারা হযরত জিব্রাঈল আলাইহিস্ সালামের আদেশমতো পৃথিবীর এদিক-ওদিক ছড়িয়ে পড়েন। প্রত্যেকটি ঘর এবং প্রত্যেকটি স্থান যেখানে কোনো মোমেন পুরুষও নারী থাকে সেখানে উপস্থিত হয়ে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উম্মতের পাপ মার্জনার জন্য দোয়া করেন এবং তসবীহ তাহলীলে মশগুল থাকেন।

🌷দুই দুই রাকা’আতে শবে কদর নামাজ পড়ার নিয়ত ও নিয়মঃ🌷

উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা’য়ালা রাক’য়াতাই ছালাতিল লাইলাতুল কাদরি মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

প্রতি রাক’আতে সূরা ফাতেহার সাথে সূরা কদর (ইন্নাআনযালনা) একবার ও সূরা ইখলাস (কুলহুআল্লাহ) ২৭বার পাঠ করত: দু’ দু’ রাক’আত করে দুই সালামে চার রাকাত নামাজ আদায় করবে। এই নিয়মে নামাজ আদায় করলে সে সমস্ত গুনাহ হতে এমনভাবে মুক্ত হয়ে যাবে, যেন মায়ের গর্ভ হতে আজই ভূমিষ্ট হয়েছে।

প্রতি রাক’আতে সূরা ফাতেহার সাথে সূরা কদর(ইন্নাআনযালনা) একবার ও সূরা ইখলাস (কুলহুআল্লাহ) ৩বার পাঠ করত: দু’ দু’ রাক’আত করে দুই সালামে চার রাকাত নামাজ আদায় করবে। এ নিয়মে নামাজ আদায়কারীকে শবে কদরের রাতের সমস্ত সওয়াব দান করা হবে, তার জন্য রুযী বৃদ্ধি করা হবে। প্রতি রাক’আতে সূরা ফাতেহার সাথে সূরা কদর (ইন্নাআনযালনা) ৩বার ও সূরা ইখলাস (কুলহুআল্লাহ) ৫০বার পাঠ করত: দু’ দু’ রাক’আত করে দুই সালামে চার রাকাত নামাজ আদায় করে শেষের সালাম ফিরাবার পর পুনরায় সিজদায় গিয়ে পড়বে-

‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা-ইলাহা
ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’- তারপর সিজদা হতে উঠে আল্লাহ্পাকের দরবারে যে দোয়া করবে তা ইনশাআল্লাহ কবুল করা হবে। আল্লাহ তা’আলা তাকে অসীম নিয়ামত দান করবেন এবং সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেবেন।

🌷চার চার রাকা’আতে শবে কদর নামাজ পড়ার নিয়ত ও নিয়মঃ🌷

উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা’য়ালা আরবাআ রাক’য়াতাই ছালাতিল লাইলাতুল কাদরি মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার। এভাবে যত ইচ্ছা ৮/১২/২০ রাকা’আত নামাজ সারা রাতই জেগে থেকে আদায় করা যাবে।

কদর রাতের পরিচয়
কদর রাত্রির রহস্যময় পরিচয় হলো এই যে,
(১) এই রাত অধিক ঠান্ডা বা অধিক গরম থাকে না,
(২) এই রাতে কুকুর ডাকে না,
(৩) সকালে সূর্য উঠলে মনে হয় যেন সূর্যের কোনো আলো নেই।

শবে কদরের চিহ্ন সম্পর্কে ইমাম নব্বী রহমতুল্লাহে আলাইহি এরূপ বর্ণনা করেছেন যে, যখন ক্বদর রাত আবির্ভুত হয় তখন লক্ষ লক্ষ ফেরেশতা ভু-মন্ডলে নাজিল হয়ে যারা ঐ রাতকে জিন্দা রাখেন তাদের সাথে মোসাফাহ করেন। তাদের মুসাফাহ করার লক্ষণ হলো, ঐ সময়ে অন্ত:করণে অত্যন্ত খুশি অনুভব হয়, চক্ষু হতে অশ্রু নির্গত হয় এবং আল্লাহ্র দিকে খুব বেশী রকম মহব্বত হয়। এ সময় অবশ্যই দোয়া কবুল হয়। এটা পরীক্ষিত।

এই রাত্রিতে ১২ (বারো) রাকাত নফল নামাজ প্রতি রাকাতে আলহামদু সুরার সাথে পনরবার সূরা ইখলাস পাঠ করে আদায় করা সর্বোত্তম। এছাড়াও এই রাতের প্রথম ভাগে গোসল করে, পাক-পবিত্র হয়ে দোয়া-কালাম, তসবীহ-তাহলীল ও কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে রাত্রি পার করে দিতে পারার মধ্যে বিশেষ সওয়াব হাসিল হয়। সওয়াব লাভের আরো একটি বিশেষ উপায় হচ্ছে–

কদর রাত্রিতে ৩বার অর্থাৎ প্রথম রাতে, মধ্য রাতে ও শেষ রাতে উত্তমরূপে গোসল করে প্রতি গোসল বাদ (গোসলের পর) তিন তিনবার করে সূরা ইয়াসীন পাঠ করলে সে ব্যক্তি এরূপ পাপমুক্ত হবে যে, যেন সে আজ নিষ্পাপ অবস্থায় মায়ের গর্ভ হতে ভুমিষ্ঠ হলো।

রাসুলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজানের ২৭তারিখে শবে কদরের রাতে প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার পর সূরা কদর (ইন্নাআনযালনা) একবার এবং সুরা এখলাস ২৭বার দ্বারা চার রাকাত নামাজ আদায় করবে সে সমস্ত গুনাহ হতে এমন মুক্ত হয়ে যাবে, যেন মায়ের গর্ভ হতে আজই ভুমিষ্ঠ হয়েছে। আল্লাহ তা’য়ালা তাকে বেহেশতের মধ্যে এক হাজার বালাখানা দান করবেন। এভাবে এই রাতে সারা রাত্র জেগে থেকে নফল ইবাদত করা,
কুরআন তেলাওয়াত, তসবীহ-তাহলীল পাঠ, দান-সদকা করা ও গরীব-দুঃখীর মাঝে অন’ভোজের আয়োজন করাই হলো শবে কদর রাতের প্রকৃত ইবাদত এবং শবে কদরের প্রতি প্রকৃত মর্যাদা প্রদর্শন।

শবে কদরের নামাজ সম্পর্কে হযরত সুরেশ্বরী রহমতুল্লাহে আলাইহি বলেন-

নামাজ পড়িবে যেই পড়িবে নফল।
নফল নিয়ত চাই নহে গন্ডগোল ॥

দোরেকাতী হয় কিবা চার রেকাতি হয়।
যে ছুরা রহিবে মনে পড়িবে নিশ্চয় ॥

নহে পড় কুলহুআল্লাহ হরেক রেকাতে।
তিন পাঁচ সাত নয় বেজোড় যাহাতে ॥

কিম্বা কোন দোয়া দরুদ তছবী তেলায়াত।
যে যাহা জানুক পড়ে বসিয়া তাবত ॥

এ প্রকার কদরেতে এবাদত কর।
গরজ রাখিবে মনে কাহিলীকে ছাড় ॥

রমজানে একুশা রাতে প্রথম কদরে।
তেইশা পঁচিশা আর সাতাশেতে পড়ে ॥

উনত্রিশ তারিখেতে কদর আছয়।
সাতাইশ তারিখ পরে এজমা সবে কয় ॥

সেই দিন হ’তে পারে আসল কদর।
অতএব সেই রাতে রাখিবে খবর ॥

নফল বলিয়া খালি বান্ধিবে নিয়ত।
কদর বরাত আদি নফল তাবত ॥
____________________________________________
__________________

💟 প্রকাশকঃ একমাত্র শাহ্জাদা সাইয়্যেদ শাহ্ সূফী মুক্তাদির নূরী আল্ সুরেশ্বরী💟

(আরো বিস্তারিত পড়ুনঃ রোহবানিয়াত এ ঊলম–৪৯৪ পৃষ্টায়)

নিবেদকঃ সুরেশ্বরীয়া বেলালীয়া প্রকাশনী।

***** বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম *****    🌷মহান সুরেশ্বর দ্বায়রা শরীফের পক্ষ থেকে সবাইকে বাংলা ‘শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা’🌷...
15/04/2022

***** বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম *****

🌷মহান সুরেশ্বর দ্বায়রা শরীফের পক্ষ থেকে সবাইকে বাংলা ‘শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা’🌷

♥হযরত শাহ্ সূফী সাইয়্যেদ বেলাল নূরী আল্ সুরেশ্বরী (মাঃ জিঃ আঃ)♥
---------------------------------------------------------------------------------------------
প্রিয় আশেক-ভক্ত ও দেশবাসী,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু!

আজ বাংলা পঞ্জিকামতে ১লা বৈশাখ ১৪২৯ বাংলা মোতাবেক ১৫ই এপ্রিল ২০২২ইং রোজ শুক্রবার, ‘বাংলা শুভ নববর্ষ' আনন্দের একটি দিন।

‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা...’- বৈশাখের প্রথম দিনে বাঙালির এই প্রার্থনা।

বাংলা নববর্ষ শুরুর ইতিহাস নিয়ে রয়েছে নানান বির্তক। ইতিহাস বিশ্লেষনে জানা যায়, বাংলা নববর্ষের প্রর্বতন হয় মূলত ষোড়শ শতকে, মোগল সম্রাট আকবরের শাসনকালে। সম্রাটের নির্দেশে তাঁর বিজ্ঞ রাজ-জ্যোতিষী আমীর ফতেহউল্লাহ সিরাজীর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই প্রধানত বাংলা সালের উৎপত্তি। তিনি ‘হিজরী চান্দ’ বছরকে অত্যন্ত সুকৌশলে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সৌর বছরে রূপান্তরিত করেন। ফলে, হিজরী ৯৬৩ সাল থেকে বাংলা সালের জন্ম হয। বাংলা বছরকে এক সময় ফসলি অব্দ বলা হতো। বৈশাখের প্রথম প্রহর পালনের রেওয়াজ চালু হয় ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে। এই রেওয়াজ পালনের মূল প্রবক্তা সম্রাট আকবরের মূল উদ্দেশ্য ছিলো বাংলামূলকের জনসাধারণের তথা কৃষিজীবীদের থেকে কর পরিপূর্ণ ভাবে আদায় করা। ঘরে নতুন ফসল এলে কৃষিজীবীদের পক্ষে রাজকর পরিশোধ করা সুবিধাজনক। কৃষকরা এদিন জমিদার-সামন্ত প্রভুদের কর প্রদান করতে এলে তারা খুশি হয়ে করদাতাদের কিছু দান-ধ্যান করতেন। ক্ষেত্রবিশেষ কর লাঘবও করে দিতেন। দিনটি রাজা-প্রজা উভয়ের কাছে-ই বেশ আনন্দ ও উৎসবের আমেজে পালিত হতো। সেই রেশ ধরে আজো পহেলা বৈশাখ বাঙ্গালী সমপ্রদায়ের কাছে আলাদা ধরনের আবেদন রাখে।

আবার এক সময় পহেলা বৈশাখকে ‘আমনি’ বলা হতো। আমনি শব্দের অর্থ অম্ল ও পানীয়। সহজ কথায় পান্তাভাত। চৈত্র সংক্রান্তি’র রাতে রান্না করা ভাত রাতের আহার শেষে বাদ-বাকি অংশে পানি দিয়ে তার ভেতর শাখা সমেত ছোট আম দিয়ে রাখা হতো। পরদিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহরে সেই আমপাতা ভেজানো পানি ছিটিয়ে দেয়া হতো ঘরের উঠানে। প্রাচীন প্রথা অবম্বনে মানুষের বিশ্বাস ছিলো এর ফলে অমঙ্গলের হাত থেকে রেহাই মিলবে। হয়তো সেই বিশ্বাসের ফলশ্রোতে পহেলা বৈশাখের প্রভাতে পান্তা ভাত দিয়ে প্রাতঃরাশের রেওয়াজ চলছে অদ্যাবধি। এরপর বহু শ্রোত গড়ালো পদ্মা-যমুনায়। এক পর্যায়ে ব্যবসায়ীরাও এগিয়ে এলেন পহেলা বৈশাখের আয়োজনে অংশ নিতে। নিয়মিত ক্রেতাদের বিশেষত যারা বাকিতে কেনা-কাটা করেন, তাদের নিমন্ত্রণ করে অায়োজন করা হতো উপাদেয় খানা-পিনার। বিদায়কালে আমন্ত্রিতরা তাদের সাধ্যমতো কর্জ চুকিয়ে দিতেন। যাদের ঋণ পরিশোধ হয়ে যেত তাদের নাম উঠতো নতুন খাতায়। চালু হলো হালখাতা পর্ব। জমিদারের কাল বিগত, পুণ্যাহের পর্ব প্রায় উঠে গেছে কিন্তু পহেলা বৈশাখের হালখাতার রেওয়াজ সারাদেশে-ই এখনো কমবেশি টিকে আছে।

প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মেই মানুষ পিছনের দুঃখ-কষ্ট-গ্লানিকে ভুলে গিয়ে সামনের দিনগুলোকে অপার সুখ-সচ্ছলতায় কাটাতে চায়। নতুন বছরের শুরুতে এই প্রার্থণা আরও জোড়ালো হয়ে ওঠে। বরাবরের মতো নতুন বছর সবার জীবনে কল্যাণ নিয়ে আসুক।

একেকটি জীবন হোক সুখের আধার। এই প্রত্যাশায় সবাইকে ১৪২৭ সালের পহেলা বৈশাখের এই মহেন্দ্র ক্ষণে সকল পাঠকের প্রতি আবারো রইলো নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
____________________________________________
__________________
💟 সৌজন্যেঃ একমাত্র শাহ্জাদা সাইয়্যেদ শাহ্ সূফী মুক্তাদির নূরী আল্ সুরেশ্বরী💟

বি. এ. (ফাস্ট ক্লাস), এম.এ. (ফাস্ট ক্লাস), পিএইচডি. ইসলামিক শিক্ষা (তাসাউফ), আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়, ভারত।

নিবেদকঃ সুরেশ্বরীয়া বেলালীয়া প্রকাশনী।

🏴 শোক সংবাদ 🏴হযরত শাহ্ সূফী সাইয়্যেদ জালাল নূরী আল্ সুরেশ্বরী (আফিঃ)-র একান্ত ভক্ত ও মুরীদ, চট্টগ্রাম হোটেল আগ্রাবাদের ম...
14/04/2022

🏴 শোক সংবাদ 🏴

হযরত শাহ্ সূফী সাইয়্যেদ জালাল নূরী আল্ সুরেশ্বরী (আফিঃ)-র একান্ত ভক্ত ও মুরীদ, চট্টগ্রাম হোটেল আগ্রাবাদের মালিক ও চেয়ারম্যান জনাব মোঃ খোরশেদ আলী সাহেবের আপন ছোট ভাই, মহান সুরেশ্বর দরবার শরীফের ভক্ত অনুসারী হোটেল আগ্রাবাদের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আলহাজ্জ্ব মোঃ করম আলী সাহেব গতকাল ১৩ এপ্রিল-২০২২ইং রাত ৪টায় ইউনাইটেড হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।

"ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন"

তাঁহার ইন্তিকালে, মহান সুরেশ্বর দরবার শরীফের গদিনশীন পীর ও মুর্শীদ ক্বিবলা হিজরী পনের শতকের মোজাদ্দেদ আলহাজ্ব সাইয়্যেদ শাহ্ সূফী বেলাল নূরী আল্ সুরেশ্বরী (মাঃ জিঃ আঃ) গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন,
তাঁর সাথে আমার অত্যন্ত গভীর সম্পর্ক ছিল চট্টগ্রাম সফরে যাওয়ার কথা শুনলেই হোটেল আগ্রাবাদে যাওয়ার জন্য তিনি আমন্ত্রন করতেন এবং আমিও তার আমন্ত্রন গ্রহন করতাম। তিনি একজন আশেক মানুষ, অলি-আউলিয়া প্রেমিক ছিলেন। মহান রব্বুল আলামীনের দরবারে শোকভারাক্রান্ত হৃদয়ে আকুল প্রার্থনা জানাচ্ছি আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং শোকাহত পরিবারবর্গকে এ শোকভার বহন করার শক্তি দিন। আমিন।

#শোক_সংবাদ
#আমরা_শোকাহত

আপনারা সকলেই আমন্ত্রিত।
12/04/2022

আপনারা সকলেই আমন্ত্রিত।

♥আহলান সাহলান মাহে রমজান♥রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সুসংবাদ নিয়ে এলো মাহে রমজান।প্রথমে, কোতবোল এরশাদ, সুলতানুল মাওহেদীন ওয়...
01/04/2022

♥আহলান সাহলান মাহে রমজান♥

রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সুসংবাদ নিয়ে এলো মাহে রমজান।

প্রথমে, কোতবোল এরশাদ, সুলতানুল মাওহেদীন ওয়াল কামেলীন, ফাখরুরশ শায়েখিন, সুরেশ্বরীয়া তরিকার ইমাম, হিজরী চৌদ্দশতকের মোজাদেদ্দ, শামসুল ওলামা হযরত মাওলানা বাবা জানশরীফ শাহ্ সুরেশ্বরী (রহঃ)-র রেখে যাওয়া চন্দ্র মাসের হিসাব অনুযায়ী আজ ১লা এপ্রিল-২০২২ইংরেজী রোজ: শুক্রবার দিবাগতরাত ১ম রমজানের তারাবির নামাজ এবং সেহরী খেতে হবে।

বাদ এশা দরবারে সুলতানুল আউলিয়া সুরেশ্বর দ্বায়রা শরীফে বাদ এশা তারাবির নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

#মাহে_রমজান
#সুরেশ্বর_দরবার_শরীফ

#তরিকায়ে_সুরেশ্বরীয়া


Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sureshwar Darbar Sharif posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share